Tag: দেব

  • দেবের ২০ বছরের ক্যারিয়ার জীবনের জানা-অজানা

    আজ টালিউড অভিনেতা ও প্রযোজক দীপক অধিকারী দেবের জন্মদিন। জীবনের ৩৭টি বসন্ত এর মধ্যেই পার করে ফেলেছেন এ অভিনেতা। আজ টালি সুপারস্টারের ৩৮তম জন্মদিন। অভিনেতা, প্রযোজক, সংসদ সদস্য— সব ভূমিকাই তিনি সামলাচ্ছেন সমান তালে। তার এই জন্মদিনে আমরা কিছু জানা-অজানা তথ্য জেনে নিই।

    আজ ২৫ ডিসেম্বর যিশুর জন্মদিন। এর পাশাপাশি এদিন বাঙালির প্রিয় তারকা দেবেরও জন্মদিন। ১৯৮২ সালের এই দিনে কেশপুরের গ্রাম মহেশখালীতে জন্মগ্রহণ করেন দীপক অধিকারী দেব। তার বাবার নাম গুরুপদ অধিকারী। মাতার নাম মৌসুমী অধিকারী। বাড়ির বড় ছেলে দেব। দেবের ডাকনাম রাজু। বাড়িতে সবাই এ নামে ডাকে তাকে। তার এক বোন রয়েছে দীপালি অধিকারী। 

    দেব তার শৈশবের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন চন্দ্রকোনায় মামাবাড়িতে। এর পর তিনি বাবা-মায়ের কাছে মুম্বাই যান এবং বান্দ্রার পুরুষোত্তম হাইস্কুল ও পরে পুনের বিদ্যাপীঠ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেন। 

    টালিউডে পা রাখার আগে দেবকে দেখা যায় একটি মিউজিক ভিডিওতে। যেখানে শিববন্দনায় মগ্ন দেবের দেখা পাওয়া যায়। দেব ফিল্মি দুনিয়ায় কাজ শুরু করেন আব্বাস-মস্তানের টারজান দ্য ওয়ান্ডার কারের সঙ্গে। এ ছবির সেটে ওবসার্ভার হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। এরপর বাংলা ছবিতে নিজের ভাগ্য পরীক্ষার জন্য কলকাতায় চলে আসেন তিনি। টালিউডে দেবের প্রথম ছবি অগ্নিশপথ। যেখানে দেবের কো-স্টার ছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। 

    ২০০৭ সালে মুক্তি পায় আই লাভ ইউ। এই ছবি বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন ইতিহাস লিখেছিল। দ্বিতীয় ছবিতেই বাজিমাত করেছিলেন দেব। আক্ষরিক অর্থে টালিপাড়ার প্রথম আইটেম বয় তিনি। নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর চিরদিনই তুমি যে আমার ছবিতে ‘প্যান্টে তালি’ গানে আইটেম নেচে ছিলেন অভিনেতা।

    এদিকে ব্যক্তিগত জীবনে দেব ভীষণভাবে পশুপ্রেমী। তার দিন কাটে না হ্যাপি আর লাকিকে ছাড়া। দেবের দুই সারমেয়। 

    অভিনেতা-প্রযোজক হওয়ার পাশাপাশি দেব জনপ্রতিনিধিও। ২০১৪ সালে ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচনে জয়ী হন দেব। এরপর ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনেও একই কেন্দ্রে জয়ী হন দীপক অধিকারী। 

    দেব গানও গেয়েছেন। প্রথমবার খোকা ৪২০ ছবিতে খোকা চালু চিজ গান গেয়েছিলেন তিনি। এরপর চ্যাম্প ছবিতে দেখো দেখো চ্যাম্প গানটি গেয়েছেন অভিনেতা। প্রযোজক দেবের প্রথম ছবি ধূমকেতু, যদিও সেই ছবি আজ পর্যন্ত মুক্তি পায়নি। দেব এন্টারটেনমেন্ট ভেনচার্সের তরফে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম ছবি চ্যাম্প। ২০১৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল এই ছবি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইতিহাস গড়ছে দেবের খাদান, চার দিনে আয় ৪.৩০ কোটি

    গত শুক্রবার পশ্চিবঙ্গে একসঙ্গে মুক্তি পেয়েছ ভিন্ন স্বাদের ৪টি বাংলা ছবি। এই চারটি ছবির মধ্যে বক্স অফিসের লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছে দেব-ইধিকা-বরখা-যিশু অভিনীত খাদান। 

    মুক্তির পরই বক্স অফিসে খাদান ঝড় তোলে। রায়গঞ্জে তো রাত দুইটার সময়ও শো ছিল হাউজফুল। অনেক দিন পর পুরোনো ছন্দে ফিরেই ইন্ডাস্ট্রির ‘রাজার রাজা’ হয়ে উঠেছেন দেব। চারদিনে ৪.৩০ কোটি আয় করেছে খাদান ছবি। 

    সিনেমার প্রচারেও ছিল অভিনবত্ব। বাসে করে বেঙ্গল ট্যুর করেছেন খাদানের কলাকুশলীরা। শহরের বিভিন্নপ্রান্তে ঘুরে ছবির প্রচার সেরেছে টিম খাদান। 

    বেঙ্গল ট্যুরে বহু ভক্তদের সেলফি তোলার আবদার মিটিয়েছেন দেব। খুদে ভক্তদের বুকে আগলেও নিয়েছেন অভিনেতা। তার এই ব্যবহার বারবার দিল জিতে নেয় অনুরাগীদের। খাদানের প্রচারেও ধরা পড়েছে সেই একই চিত্র।

    ছবিটি মুক্তির একদিন আগে অগ্রিম টিকিট বুকিংয়ের অপশন বন্ধ! তা দেখে তো দেব ভক্তরা চিন্তিত হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুরাগীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে দক্ষিণ কলকাতার একটি হলে অগ্রিম বুকিংয়ের অপশন খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন দেব।

    মুহূর্তে টিকিট বিক্রির গ্রাফ ছিল চোখে পড়ার মতো। বাকিটা তো ইতিহাস। দেবের সাফল্যে নাম না করে তাকে খোঁচা মেরেছেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। সন্তান, চালচিত্র, ৫নং স্বপ্নময় লেনের বক্স অফিস কালেকশন খাদানের কাছে সত্যিই ফিকে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিবের ‘প্রিয়তমা’ এখন দেবের মনের মানুষ

    ‘প্রিয়তমা’ ছবিতে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের সঙ্গে ইধিকার জুটি বেশ সাড়া ফেলেছিল। এবার দেব-ইধিকার রসায়ন দেখতে মুখিয়ে আছেন দর্শকরা। টালিউডে মুক্তি পেতে চলেছে  দেব অভিনীত ছবি ‘খাদান’। ইতোমধ্যে এ ছবির দুটি গান প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু সেখানে দেখা যায়নি মেগাস্টার শাকিব খানের প্রিয়তমাখ্যাত নায়িকা ইধিকা পালের। যে কারণে খানিকটা হতাশ অভিনেত্রীর ভক্ত-অনুরাগীরা। অথচ ‘খাদান’-এ দেব-ইধিকার রোম্যান্স দেখতে মুখিয়ে রয়েছেন সিনেমাপ্রেমীরা।

    বুধবার ‘খাদান’-এর পোস্টার প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানেই ইধিকার সঙ্গে দর্শকদের পরিচয় করিয়ে দিলেন দেব। ছবিতে লতিকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন এ নায়িকা। বোঝা গেল ‘খাদান’-এর পোস্টার দেখেই। সেখানে  ইধিকার দেখা মিলল ‘পাশের বাড়ির মেয়ের’ লুকেই। সালোয়ার কামিজ, খোলা চুল আর ছোট টিপে মানানসই ইধিকা। লতিকার চরিত্রটা ঠিক কেমন হবে, তার আভাসও দিয়েছেন অভিনেতা-প্রযোজক দেব। ক্যাপশনে লেখা— ‘মনের মানুষ, প্রাণের মানুষ, সুখ-দুঃখের সাথী, হাত ধরে সে চলার পথে, ভুলে কান্না হাসি।’

    জানা গেছে, ভালো-খারাপ সব পরিস্থিতিতেই হাত ছাড়বে না এমন মনের মানুষ লতিকা। কাছের মানুষের আগলে রাখে লতিকা, মুড়ে রাখে ভালোবাসায়। যে ভালোবাসতে জানে, কিন্তু প্রয়োজনে কঠোর হতেও পারে। হাসিমুখে সব পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারে লতিকা।

    হালে দেবের বিপরীতে ছোটপর্দার একাধিক নায়িকার দেখা মিলেছে। ইধিকাও তার ব্যতিক্রম নয়। বলে রাখা ভালো— টেলিভিশন ধারাবাহিকে কাজ করে নজরে এসেছিলেন ইধিকা পাল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের পর কী কী গেরো তা ‘দিল্লি কা লাড্ডু’ গানে রয়েছে: দেব

    ‘খাদান’-এর ‘হায় রে বিয়ে’ গানমুক্তির অনুষ্ঠানে এসে বিয়ে না করার কারণ ফাঁস করেই দিলেন টালিউড অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ দীপক অধিকারী দেব। পুরোদমে চলছে ‘খাদান’ প্রচার।  ‘খাদান’-এ তার ঘাড় ছোঁয়া ঢেউ খেলানো চুল, আর পরিপাটি করে সিঁথি কেটে আঁচড়ানো। সেই সঙ্গে একমুখ দাড়ি-গোঁফ আর দেখা গেল না।

     শুক্রবার চুলের সেই পারিপাট্য, ‘পুষ্পা’ লুক উধাও। দেবের চুলে এখন ক্রু কাট। তবে দাড়ি-গোঁফের জঙ্গল বর্তমান। এটা কি দেবের পরের ছবির লুক— বিন্দুমাত্র জানা গেল না প্রযোজক-অভিনেতার কথায়।

    অনুষ্ঠান মঞ্চে দেব বিয়ের কথা স্বীকার করে বলেন, যারা বিয়েকে ‘দিল্লি কা লাড্ডু’ বলেন, সুজিত রিনো দত্ত পরিচালিত ছবির এই গান যেন তাদের জন্যই তৈরি। দেব বলেন, আমার প্রযোজনা সংস্থার অফিসে যারা বিবাহিত, তারাই এ গানটি গাইছেন। বিয়ের পর কী কী গেরো তা-ই এই গানের বিষয়।

    সে জন্যই কি দেব এখন পর্যন্ত বিয়ে থেকে শতহস্ত দূরে?— এমন প্রশ্নের জবাবে ‘খাদান’-এর নায়ক হাজার ওয়াটের হাসি হেসে বিষয়টি ওখানেই শেষ করে দিলেন। তার পাশে তখন ছবির পরিচালক, অভিনেত্রী বরখা বিস্ত্, স্নেহা বসু, অনির্বাণ চক্রবর্তী, সুরকার নীলায়ন চট্টোপাধ্যায়, স্যাভি, কণ্ঠশিল্পী জুন বন্দ্যোপাধ্যায়, সুদীপ্ত। প্রত্যেকে দুলে দুলে হাসছেন!

    ১৪ বছর পর এই ছবি দিয়ে আবার জুটিতে দেব-বরখা। ‘হায় রে বিয়ে’ গানে তারা এবং যিশু সেনগুপ্ত-স্নেহা জুটিতে। দীর্ঘ দিন পর দেবের বিপরীতে অভিনয় করে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত অভিনেত্রী বরখা। তিনি ভাঙা বাংলায় বলেন, ১৪ বছর আগে আমরা রোম্যান্স করেছিলাম। এবার বিয়ে হলো। 

    কথা শেষ করার আগেই নায়কের চোখ কপালে। অভিনেত্রীকে ফিসফিসিয়ে শুধরে দিলেন— আরে! পর্দায় বলো। শুনে হাসতে হাসতে নায়কের গায়েই গড়িয়ে পড়েছেন বরখা। তিনি বলেন, প্রেম, বিয়ে— সবটাই তারা পর্দায় করেছেন। তার পরেই গম্ভীর গলায় জানিয়েছেন, তার নায়ক আরও পরিণত। প্রযোজক দেবের চোখে কিছুই ফাঁকি দেওয়া যায় না। জুটির টিপ থেকে লিপস্টিকের রঙ— সব নখদর্পণে। একটু এদিক ওদিক দেখলেই সবার আগে তিনি হাঁক দিতেন। বরখা বলেন, এতকিছুর পরও দেবের সারল্য কমেনি।

    অনির্বাণ ছবিতে আদিবাসী চরিত্র ‘মাণ্ডি’। স্নেহা যিশুর বিপরীতে। উভয়েই দেব ও পরিচালককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন, এ ধরনের চরিত্রে তাদের ভাবার জন্য। স্যাভি, নীলায়নও একইভাবে কৃতজ্ঞ প্রযোজক দেবের কাছে।

    পরিচালক সুজিতের দাবি— দেব সুযোগ না দিলে তার এই স্বপ্নের ছবি কোনো দিন তৈরি হতো না। দেব কার কাছে কৃতজ্ঞ? প্রযোজক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন, সহ-প্রযোজক নিসপাল সিং রানেকে। পরিচালক বলেন, একটা ফোন করেছিলাম। রানেদা জানতে চেয়েছিলেন, কবে ফ্লোরে যাব। ছবি মুক্তির পথে। সুরিন্দর ফিল্মস থেকে এখনো ছবির বাজেট জানতে চাওয়া হয়নি!

    এদিকে উপস্থিত সাংবাদিকরা ততক্ষণে আবদার করে বসলেন— সদ্য মুক্তি পাওয়া গানের তালে নাচতে হবে, ছবির সংলাপ বলতে হবে নায়ককে। দেব কোনো দিন সাংবাদিকদের ফেরাননি। এদিনও মঞ্চে উঠে মাইক হাতে বলে উঠলেন— পরিবার লিয়ে আছি বলে কী ভাবেছিস, অ্যাকশনটা ভুলে গেছি, উটা আমারই জন্য। দেব বলেন, বিশ্বাস করুন, আমার কোনো দুঃখ নেই, আক্ষেপ নেই। দর্শক যা দেখতে চান, আমি সেই ধরনের ছবি বানাই— এটা আমার কর্তব্য। তবে ভালো বাংলা ছবির মানদণ্ড যে এখনো জোরালো গল্প, এ কথাও জানাতে ভোলেননি বলে জানান দেব।

    এদিন অনুষ্ঠানে আসতে পারেননি অভিনতা যিশু। তিনি মুম্বাইয়ে শুটিংয়ে ব্যস্ত। কিছু দিন আগে ছবির অন্য একটি গানের প্রচার অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত দেবকে ফোনে ধরেছিলেন তিনি। এদিন যিশুকে অনুসরণ করলেন দেব। ফোনে ‘খাদান’ সম্পর্কে তার মতামত নিলেন। তার পরেই বেফাঁস প্রশ্ন— “যিশুদা, শুনছি তুমি শাহরুখ খানের সঙ্গে অভিনয় করছ? ও পারে জোরালো হাসি দেবের সহ-অভিনেতার। বললেন— আমিও তেমনই শুনছি রে। কিন্তু এখনো কোনো চুক্তিপত্র আমার কাছে আসেনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অতীত ভুলে শুভশ্রীর সঙ্গে পর্দায় জুটি বাঁধবেন না দেব?

    টালিউড নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী। এ মুহূর্তে দুই সন্তান ইউভান আর ইয়ালিনিকে নিয়ে জমিয়ে সংসার করছেন এ অভিনেত্রী। ‘রাজশ্রী’র প্রেমে ভরা সংসারের টুকরো ঝলক হরহামেশাই ধরা পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অন্যদিকে রুক্মিণীর সঙ্গে দেবের সম্পর্কের বয়স প্রায় এক দশকের। প্রেম নিয়ে লুকোচাপা করেন না দুজনেই।

    তবে একটা সময় টালিউড সুপারস্টার দেবের সঙ্গে শুভশ্রীর প্রেমসম্পর্ক ছিল ওপেন সিক্রেট। যদিও প্রকাশ্যে কোনো দিন সম্পর্কের কথা সেভাবে স্বীকার করেননি তারা। তবে প্রেম ভাঙার পর সবটা পরিষ্কার হয়েছিল এ অভিনেতা-অভিনেত্রীর। 

    দেব-শুভশ্রীর সম্পর্ক ভেঙেছে, এখন আর বন্ধু নন তারা। তবে একই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার সুবাদে সৌজন্যতা বজায় রেখেছেন তারা। কিন্তু দেব-শুভশ্রী কি রুপালি পর্দায় ফের একসঙ্গে কাজ করবেন? এমন প্রশ্ন হরহামেশাই তাড়া করে বেড়ায় ভক্ত-অনুরাগীদের। 

    অবশেষে এ নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন অভিনেতা দীপক অধিকারী দেব। আনন্দবাজার অনলাইনের এক ব়্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে দেবের সামনে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল— দেবের সঙ্গে সেরা জুটি কে? শুরুতে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মিঠুন চক্রবর্তীর নাম নেন অভিনেতা। এরপর পরিচালকদের মধ্যে বেছে নেন সৃজিত ও কমলেশ্বর মুখোপাধ্য়ায়কে। অভিনেত্রীদের প্রসঙ্গ উঠতে কোয়েল ও রুক্মিণীর নাম নেন চটপট। এরপর শ্রাবন্তীর নাম নেন এ অভিনেতা। এর পর খানিক ভেবে দেব বলেন, শুভশ্রী আছে, কিন্তু থিংস আর সো… বিষয় সব এদিক-ওদিক হয়ে গেছে। আমার মনে হয় সবার সঙ্গে ভালো জুটি আমার। 

    শুভশ্রীর সঙ্গে ভবিষ্যতে ফের জুটি বাঁধবেন কিনা?—এমন প্রশ্ন শুনেই দেব বলেন, ‘ডিপেন্ড করছে… আসলে আমার আশপাশের লোক এতটা বুঝে গেছে যে, আমি করব না, তাই আমাকে অ্যাপ্রোচ করবে না। 

    উল্লেখ্য, দেব-শুভশ্রী জুটির সফর শুরু হয়েছিল ‘চ্যালেঞ্জ’ থেকে। এরপর ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘খোকাবাবু,  ‘রোমিও’—একসঙ্গে রুপালি পর্দা কাঁপিয়েছেন দেব-শুভশ্রী। ব্রেকআপের পরও প্রযোজক দেব তার প্রথম ছবির নায়িকা হিসাবে কাস্ট করেছিলেন শুভশ্রীকে। তবে সেই ছবি (ধূমকেতু) আজও বাক্সবন্দি হয়ে পড়ে রয়েছে। সহপ্রযোজক রানা সরকারের সঙ্গে মতের মিল না হওয়ার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে আটকে রয়েছে এ ছবির মুক্তি। 

    দেব-শুভশ্রী ভক্তরা একান্তভাবে চায় মুক্তি পাক এ ছবিটি। সেই ছবির ভবিষ্যৎ কী? দেব সাংবাদিককে সটান বলেন, আপনার কাছে রানা সরকারের নম্বর আছে তো? তাকে জিজ্ঞেস করুন, আমার কাছে নেই। 

    বিচ্ছেদ থেকে কী শিক্ষা নিয়েছেন? এ প্রশ্নের উত্তরে দেব বলেন, শিক্ষা হয়নি তো, সবাই রয়েছে। টেক্কার প্রচারের ফাঁকে দেব-শুভশ্রীর ‘অমর প্রেমকাব্য’ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন দেবের সহকর্মী কুণাল ঘোষও। সেই প্রশ্নের জবাবও খুব বুদ্ধিমত্তার সঙ্গেই দিয়েছিলেন দেব। 

    ‘সিলসিলা’ ছবির এক গানে অমিতাভের জন্য রেখার চোখে চকচকে জল স্পষ্ট দেখেছিলাম। আর এক অ্য়াওয়ার্ড শোয়ে শুভশ্রীর চোখেও নাকি তেমন জল দেখেছিলেন ভক্তরা। চোখ তুলে তাকাননি দেবের দিকে। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, ব্যাপারটি কি পুরো ‘সিলসিলা’? —এমন প্রশ্নের উত্তরে মুচকি হেসে দেব বলেন, কিন্তু সেদিন আমি অমিতাভ ছিলাম না, আমি দেব ছিলাম।

    কেন ভেঙেছিল দেব-শুভশ্রীর বহুচর্চিত প্রেম? এই প্রশ্নের উত্তর অজানা, তবে বড়পর্দায় অন্তত তাদের ফের একসঙ্গে দেখার আশা রাখেন ভক্ত-অনুরাগীরা। তার আগে অবশ্য ক্রিসমাসে বড়পর্দায় মুখোমুখি লড়াইয়ে এই সাবেক জুটি। আগামী ২০ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে শুভশ্রীর পরবর্তী ছবি সন্তান, দেবের খাদানও আসছে বড়দিনে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবের পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন অঙ্কুশ

    টালিগঞ্জের দুই দর্শকনন্দিত অভিনেতা দেব এবং অঙ্কুশ। এই দুই অভিনেতা একে অপরের সহকর্মী এবং প্রতিদ্বন্দ্বী তো বটেই প্রয়োজনে আবার একে অপরের পাশে দাঁড়াতেও দ্বিধা করেন না। ঠিক যেমন দেবের ছবি ‘কিশমিশ’-এ অতিথি শিল্পীর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন অঙ্কুশ। 

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা যায়, দেবের ‘খাদান’ সিনেমাটিতেও ক্যামিও চরিত্রে থাকবেন অঙ্কুশ। টালিপাড়ায় অনেকেই এই দুই নায়ককে টালিউডের ‘করণ-অর্জুন’ বলে থাকেন! শাহরুখ-সালমানের পথে হেঁটেই একে-অপরের ছবিতে ক্যামিও। 

    তবে গত বুধবার রাতে ‘টেক্কা’র স্ক্রিনিংয়ে অভূতপূর্ব এক দৃশ্যের স্বাক্ষী হয়ে সিনেমাপ্রমিরা। প্রেক্ষাগৃহে প্রবেশ করেই ‘অগ্রজ’ দেবের পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন অঙ্কুশ। 

    অঙ্কুশ বরাবরই টলিউড সুপারস্টারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যখন যেখানেই দেখা হয়েছে, একেবারে দাদা-ভাইয়ের মতোই একে-অপরের রসায়ন নজর কেড়েছেন। কখনও বা আবার বুকে টেনে নিয়েছেন দুজন দুজনকে। দেব-অঙ্কুশের এমন রসায়ন দেখে বরাবর অনুরাগীরা ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন, পর্দায় বড় পরিসরে তাদের একসঙ্গে দেখার জন্য। চলতি বছর মে মাসে ‘মির্জা’ কোটির ক্লাবে ঢুকতেই দেব-অঙ্কুশকে একফ্রেমে দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন ভক্তরা। 

    অঙ্কুশ অবশ্য তাতে সায় দিয়েছিলেন বটে! টালিউডের ‘করণ-অর্জুন’ এবার একসঙ্গে পর্দায় কবে ধরা দেন? সেদিকে অবশ্যই নজর থাকবে। তবে ‘টেক্কা’র স্ক্রিনিংয়ে দেবের পা ছুঁয়ে অঙ্কুশের প্রণাম করার দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করার সুযোগ হাতছাড়া করেননি ফটোশিকারিরা। যে ভিডিও দেখে অঙ্কুশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনুরাগীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবারের পূজায় কলকাতা মাতাবে যে ৩ সিনেমা

    শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী সনাতন ধর্মামলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এ উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গে গতকাল মুক্তি পেয়েছে তিন সিনেমা। সিনেমাগুলোতে দেখা গেছে জনপ্রিয় সব অভিনয়শিল্পীদের। তাই তো ছবিগুলোকে ঘিরে সিমেনাপ্রেমিকদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে বাড়তি উত্তেজনা। 

    সৃজিতের ‘টেক্কা’

    এবার পূজার অন্যতম প্রতীক্ষিত ছবি হলো ‘টেক্কা’। সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত দেব এন্টারটেইনমেন্ট ভেঞ্চারস প্রযোজিত ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে রয়েছেন দেব, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় ও রুক্মিণী মৈত্র।

    বেশ অনেক দিন পর আবারও একটি থ্রিলার অ্যাকশন ছবিতে দেখা যাবে দেবকে। নিজের চাকরি ফেরত পেতে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ইকলাখ ওরফে দেব। ট্রেলারেই উত্তেজনা বাড়িয়েছে ‘টেক্কা’, মুক্তির পর থেকেই দর্শক-সমালোচকের প্রশংসা পাচ্ছে সিনেমাটি। আর কিছুদিন পরে বোঝা যাবে বক্স অফিসে অন্য সিনেমাগুলোকে টেক্কা দিতে পেরেছে কি না সিনেমাটি।

    পথিকৃতের ‘শাস্ত্রী’

    এবার বক্স অফিসে মুখোমুখি থাকছেন মিঠুন চক্রবর্তী ও দেব। দীর্ঘদিন পর দেবশ্রী রায়ের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন ‘মহাগুরু’।

    ‘শাস্ত্রী’ হয়ে ফিরেছেন মিঠুন। ছবির গল্প অনুযায়ী, খুবই জ্যোতিষ বিশ্বাসী মিঠুনের চরিত্রটি। একসময় নানা ঘটনার পর ছা-পোষা মধ্যবিত্ত থেকে শাস্ত্রী হয়ে ওঠেন তিনি।

    ছবিতে মিঠুন দেবশ্রী ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন সোহম চক্রবর্তী। পথিকৃৎ বসু পরিচালিত ছবিটি প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন সুরিন্দর ফিল্মস এবং সোহমস এন্টারটেইনমেন্ট অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ সলিউশনস।

    নন্দিতা-শিবপ্রসাদের ‘বহুরূপী’

    গত বছর থেকে পূজায় ছবি মুক্তি দিচ্ছে প্রযোজনা সংস্থা উইন্ডোজ প্রোডাকশন। গত বছরের আলোচিত ‘রক্তবীজ’-এর পর এবার তাদের পরিবেশনা ‘বহুরূপী’। দীর্ঘদিন পর পরিচালনার সঙ্গে সঙ্গে অভিনয়ও করেছেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।

    এই সিনেমাটিতে রয়েছেন কৌশানী মুখোপাধ্যায়, আবির চট্টোপাধ্যায় এবং ঋতাভরী চক্রবর্তী। ১৯৯৮ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হবে ছবিতে। এ ছবিটিও মুক্তির পর প্রশংসিত হচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্বস্তিকা বনাম দেবের লড়াই, কি করবেন রুক্মিণী

    দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে টালিউডে মুক্তি পেয়েছে সিনেমা ‘টেক্কা’। এ ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে আছেন অভিনেতা দেব। আরও আছেন স্বস্তিকা, টোটাও— এমনকি পোড়খাওয়া পরান বন্দ্যোপাধায়ও। ‘টেক্কা’য় ছবির নায়ক কিন্তু দেব নন, রুক্মিণী মৈত্র। এ ছবি ‘টেক্কা’য় সৃজিতীয় চমক আর দেব-রুক্মিণী-টোটার রসায়ন কেমন, সে কথা জানিয়েছেন আনন্দবাজার অনলাইনে সুদীপ ঘোষ।

    তিনি লিখেছেন— যখন তিনি থ্রিলার ছবি বানান, তখন সৃজিত মুখোপাধ্যায় সেই ছবির চলনে নিজের একটা ছাপ রেখে যান বরাবর। মনে করুন— ‘বাইশে শ্রাবণ’, ‘চতুষ্কোণ’— সৃজিতের পেশায় আসার একেবারে প্রথম দিকের দুটি ছবি। বাংলা থ্রিলার ছবি সাম্প্রতিক অতীতে এভাবে কেউ বানাননি। এতটাই রুদ্ধশ্বাস ছিল সেগুলো। দর্শক তার উপযুক্ত মূল্যও দিয়েছিলেন। সৃজিত প্রায় রাতারাতি বাংলা সিনেমার ‘পোস্টার বয়’ হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী কালে তার ‘ভিঞ্চি দা’ বক্স অফিসে সফল হলেও সব ধরনের মানসিকতার দর্শককে মাতাতে পারেননি। 

    আনন্দের খবর হলো— ২০২৪-এর পূজায় সৃজিতের তৈরি ‘কিডন্যাপ থ্রিলার’ ছবি ‘টেক্কা’ বেশ কয়েক বছর পর প্রায় সব মানসিকতার দর্শককে আবার মাতাতে পারে।

    কিন্তু ‘উৎসবের ছবি’ হিসাবে ‘টেক্কা’র অনেক গুণাগুণ থাকলেও সে ছবিকে এ ক্ষেত্রে বেশি নম্বর দেওয়া গেল না। তার কারণ— সংলাপে প্রচুর অপশব্দের প্রয়োগ। পরিবারের সব বয়সের সদস্যকে নিয়ে এ ছবি একসঙ্গে বসে দেখতে হয়তো কিছুটা দ্বিধা বোধ করবেন অনেক দর্শকই। দুঃখের হলেও এটা সত্যি যে, বাঙালি আজও সম্পূর্ণ প্রাপ্তমনস্ক হয়ে উঠতে পারেনি। আর এখানেই ‘উৎসবের ছবি’ হিসাবে ‘টেক্কা’ একটু পিছিয়ে থাকবে। তা ছাড়া ‘টেক্কা’য় উৎসবের বাকি সব মশলা মজুত। রুদ্ধশ্বাস নাটকীয়তা, গতিশীলতা, ভালো অভিনয়, ঘটনার ঘনঘটা, জটিল মনস্তাত্ত্বিকতা— এককথায় এই সময়ে দর্শক আকর্ষণ করতে যা যা লাগে, তার সবটাই এ ছবিতে হাজির। যদিও অপভাষার প্রয়োগ ছবির ওই মুহূর্তগুলোতে সৃজিত সংলাপ লিখিয়ে হিসাবে চাইলেও এড়াতে পারতেন না। একজন অল্পশিক্ষিত অপহরণকারী যখন বন্দুকের নল উঁচিয়ে হুমকি দেয়, তখন তার ভাষ্যে বাংলায় ‘খিস্তি’ এসে যাওয়াটা স্বাভাবিক সংলাপেরই দাবি।

    তিনি বলেন, এ ছবির নায়ক কিন্তু দেব নন, রুক্মিণী মৈত্র। স্বস্তিকা আছেন, টোটাও আছেন। এমনকি পোড়খাওয়া পরান বন্দ্যোপাধায়ও আছেন। কিন্তু তারা কেউ নায়কের জায়গা নিতে পারেননি। সেখানে সম্পূর্ণ ছবিজুড়ে মাতিয়ে দিয়েছেন একা রুক্মিণী। ভীষণ শহুরে, অসম্ভব আত্মবিশ্বাসী এক পুলিশের চরিত্রে রুক্মিণীকে সৃজিত অনেকটা জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন চিত্রনাট্যে। এবং কী সাবলীল অভিনয় করেছেন ভদ্রমহিলা! দেখে মনে হয়, যেন শানানো ছোরা। এতটাই সাবলীল তার বাচনভঙ্গি ও হাবভাব। মননশীল ও বলিষ্ঠতার ছাপ সব কিছুতেই। সেই সঙ্গীর প্রতি তার ছোট্ট বাক্য উচ্চারণেই হোক বা অপহরণকারীর সঙ্গে দর কষাকষিতেই হোক। তবে এ কথা না স্বীকার করে উপায় নেই যে, ‘টেক্কা’র প্রারম্ভিক অনুপ্রেরণা একটি হলিউডি ছবি।

    ১৯৯৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘ম্যাড সিটি’। প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ডাস্টিন হফম্যান ও জন ট্রাভল্টা। ‘ম্যাড সিটি’র ট্রাভল্টার চরিত্রটি ‘টেক্কা’য় করছেন দেব। আর ডাস্টিনের চরিত্রটি এখানে করছেন রুক্মিণী। এমনকি মূল ছবিতে যে টেলিভিশন সাংবাদিকের চরিত্রটি ছিল, সেটি এখানে ভাগ হয়েছে দুই নতুন অভিনেতার মধ্যে— আরিয়ান আর এক নবাগত সে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু মূল অনুপ্রেরণার ব্যাপারে কোনো কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেননি সৃজিত, ছবির কোথাও। এটি ঠিক মেনে নেওয়া যায় না। অবশ্য ‘ম্যাড সিটি’ও একই দোষে দুষ্ট ছিল। ‘শিকাগো সান’ সংবাদপত্রের সিনেমা সমালোচক রজার এবার্ট লেখার সময় ছবির রেটিংয়ে এই কারণে নম্বর কাটেন। ৪-এ ২ দিয়েছিলেন তিনি। কারণ তার মনে হয়েছিল, ‘ম্যাড সিটি’ আসলে পূর্ববর্তী সিনেমা ‘এস ইন দ্য হোল’-এর অনুকরণ। আমরা অত কড়া মনোভাব নিতে পারছি না। কারণ সৃজিত অনুপ্রেরণা নিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু গল্পটিকে নিজস্ব একটি মাত্রা দিতে সমর্থ হয়েছেন। এটাই ‘সৃজিতীয়’ প্রতিভা। ওই যে শুরুতেই লিখলাম— থ্রিলার বানালে সৃজিত তাতে একটা নিজস্ব মাত্রা যোগ করেন। সেটি এখানেও উপস্থিত।

    ছবিতে গানগুলো কানে আরাম দেয়। রণজয় ভট্টাচার্যের আবহে নিজস্ব সুরে গান গেয়েছেন কবীর সুমন, অনুপম রায় ও আরও একজন। অবশ্য সৃজিতের সব সিনেমাতেই গান এবং সুর বিশেষ জায়গা দখল করে রাখে। যিনি নিজে মাউথ অর্গান বাজান অনায়াসে, তেমন মানুষের সিনেমায় সুরের খেলা অনুপস্থিত থাকবে এমন তো হতে পারে না, স্বভাবতই।

    সব মিলিয়ে ‘টেক্কা’য় একটি বাংলা বাণিজ্যিক সফল ছবির মালমশলা সবটাই উপস্থিত। পূজায় এবার বক্স অফিসের লড়াই যে জমে যাবে, এ কথা বলে ফেলাই যায় এখন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কাউন্টারে বসে ছবির টিকিট বিক্রি করলেন দেব-সৃজিত

    টালিউড অভিনেতা দেব অভিনীত সিনেমা ‘টেক্কা’ আসন্ন দুর্গাপূজায় মুক্তি পাচ্ছে। আগামী ৮ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। এ উপলক্ষ্যে কাউন্টারে বসে ছবির অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা শুরু করেছেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জি ও অভিনেতা দেব। 

    কাহিনীনির্ভর এ সিনেমায় নিজের জাত চিনিয়েছেন একসময়কার বাণিজ্যিক সিনেমার তারকা দেব। ছবিটি নির্মাণ করেছেন সৃজিত মুখার্জি। প্রযোজনায় দেব এন্টারটেইনমেন্ট ভেঞ্চার্স লিমিটেড।

    সিনেমা মুক্তির আগে হঠাৎ সংবাদের শিরোনাম হলেন তারা। দেব ও সৃজিত— দুজনে প্রেক্ষাগৃহের কাউন্টারে বসে বিক্রি করলেন ছবির টিকিট। গতকাল শনিবার (৫ অক্টোবর) বারুইপুরের এসফিএফ সিনেমা হলে গিয়ে হাজির হন দেব ও সৃজিত। এরপর কাউন্টারে বসে নিজেরাই টিকিট বিক্রি করলেন দর্শকদের মাঝে। তাদের দেখতেও বহু মানুষ ভিড় জমান।

    চা খেতে খেতে আর আড্ডা দেওয়ার সঙ্গেই মজা করে কাজ করেন তারা দুজন। কখনো দেব, আবার কখনো সৃজিত নিজের হাতে টিকিট বিক্রি করেন। বাদ দেননি অটোগ্রাফ দিতে। সেলফিও তোলেন ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে। এক অনুরাগী তো দেবকে এত কাছ থেকে দেখে রীতিমতো ঝরঝর করে কেঁদে ফেলেন। কেউ কেউ আবার টিকিট কাটার আগেই অটোগ্রাফ চাইতে শুরু করেন।

    বর্তমানে টেক্কার গোটা টিম জমিয়ে প্রচার করছেন। সাক্ষাৎকার তো আছেই, ফেসবুক লাইভসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে দর্শকদের সঙ্গে সোজাসুজি কথা বলে সংযোগ তৈরি করছেন তারা। করছেন ছবির প্রচার। ৬ অক্টোবর তারা গ্লোব সিনেমায় যাবেন। সেখানেই তাদের হাত ধরে নতুন করে পথচলা শুরু হবে এ সিনেমা হলের।

    সৃজিতের দক্ষতায় এবং দেবের অভিনয়ে ‘টেক্কা’ যে এক নতুন স্বাদ নিয়ে আসবে, তা নিশ্চিত করা বলা হয়। ছবিটিতে দেবকে একজন সাফাইকর্মীর চরিত্রে দেখা যাবে। তার চরিত্রের নাম ইকলাখ। অন্যদিকে এ ছবিতে একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে ধরা দেবেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। ইরার চরিত্রে থাকবেন স্বস্তিকা। তাকে একজন সাংবাদিকের চরিত্রে দেখা যাবে। অন্যান্য চরিত্রে থাকবেন সৃজা দত্ত, দেবদান আরিয়ান ভৌমিক প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবের প্রেমে হাবুডুবু, যা বলল আমেয়া

    টালিউড ক্ষুদে অভিনেত্রী আমেয়ার চোখে ‘সেরা পুরুষ’ দেব। মাত্র একটি ছবিতে কাজ। সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘টেক্কা’ ছবির ট্রেলারে ‘অপহরণকারী’ দেবের কোলে যে একরত্তি মেয়েটিকে সবাইকে দেখছেন, সেই সাবেক ক্রিকেটার রণদেব বসুর মেয়ে আমেয়া বসু। 

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, আগে থেকেই নাকি দেবের প্রতি ভালো লাগা ছিল আমেয়ার। ছবিতে অভিনয়ের পর বালিকার মন জুড়ে শুধুই দেব। অভিনেতার আকর্ষণে এতটাই আচ্ছন্ন যে, আমেয়া নাকি ঠারেঠোরে বুঝিয়েও দিয়েছে— বিয়ে করলে কেবল প্রিয় অভিনেতাকেই করবে সে। তাকে ঘিরে দেবেরও কি একই অনুভূতি? 

    জানা গেছে, শুটিংয়ের বাইরেও আমেয়াকে নাকি সারাক্ষণ কোলে করে ঘুরতেন তিনি। শুধু তার জন্য প্রতিদিন আনতেন নানা স্বাদের চকোলেট।

    ক্রিকেটারের মেয়ে তা হলে অভিনেত্রী? বিষয়টি জানতে আনন্দবাজার অনলাইন যোগাযোগ করেছিল ছবির কার্যনির্বাহী প্রযোজক রম্যাণি ঘোষের সঙ্গে। তিনিই আমেয়ার মা। বিষয়টি নিয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ তিনি। 

    গুঞ্জন রয়েছে— বিষয়টি নাকি আচমকাই ঘটে গেছে। শিশু অভিনেত্রী চেয়ে দেব-সৃজিত এবং প্রযোজনা সংস্থা একের পর এক বালিকার লুক টেস্ট নিচ্ছেন। তখনই রণদেব-রম্যাণির মেয়ে আছে, জানতে পারেন তারা। আমেয়া তখন থেকেই দেবের ভক্ত। এ কথা জানার পর তার মায়ের কাছে মেয়েকে চান অভিনেতা। শুরুতে নাকি আমেয়ার মা-বাবা রাজি ছিল না। দেব-সৃজিতের পীড়াপীড়িতে মেয়ের লুক টেস্ট হয়।

    এর পর সেই ছবি দেখার পর আর ‘না’ বলতে পারেননি তারা। চূড়ান্ত হওয়ার পর আমেয়া দিন দুই সুদীপ্তা চক্রবর্তীর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল। বাকিটা সৃজিত-দেব সামলে নিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক