Tag: দেব

  • বিতর্কিত ময়ূখের সঙ্গে সেলফি তুলে বিপাকে দেব-রুক্মিণী

    কলকাতার বিতর্কিত টেলিভিশন উপস্থাপন ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ছবি শেয়ার করেছেন। যেখানে দেখা যায়, জনপ্রিয় অভিনেতা দেব-রুক্মিণী সঙ্গে সেলফি তুলছেন ময়ূখ।

    এ ছবি শেয়ার করার পর নেটিজেনের কটাক্ষের মুখে পড়েছেন দেব-রুক্মিণী। ছবি শেয়ার করে ময়ূখ ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘কয়লা খাদানের কিছু ব্ল্যাক ডায়মন্ড।’

    কমেন্ট বক্সে যেন কটাক্ষের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। আরহি হাওলাদার নামে এক নেটিজেন কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘দেব আর থাকবে না দাদা এবার থাকবে না, রুক্মি কাছে দেব থাকবে না।’

    আরেকজনের লেখেন, ‘মলম বিক্রেতা হকার সাংবাদিক। থাকবে না, থাকবে না। মিন মিন মিন মিন মিন।’ 

    মিরাজ নামে আরেকজনের কথায়, ‘মিন মিন মিন করে খাদান সিনেমায় ঢুকে যান বিশিষ্ট ফুটপাতের চুলকানি মলম ব্যবসায়ী।’

    প্রসঙ্গত, ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল রিপাবলিক বাংলায় সিনিয়র এডিটর এবং হেড অফ ইনপুট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি দিয়ে সংবাদ উপস্থাপনের মাধ্যমে দর্শকমহলের নজরে এসেছেন। মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের কারণে বেশ সমালোচনা মুখোমুখি হয়েছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রুক্মিণী আমার প্রতিদ্বন্দ্বী: দেব

    রুক্মিণী মৈত্র ‘নটী বিনোদিনী’, ছবির নিবেদক, যৌথ প্রযোজক দেব। শনিবার সকালে নন্দন ৩ সভাগৃহ দুই অভিনেতার রসায়নের আরও এক বার সাক্ষী। এ দিন ছবির ঝলক মুক্তি পেল। এক ঝাঁক সাংবাদিকের সামনে অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে প্রযোজক-অভিনেতা বার্তা দিলেন, ‘এর আগে ছবির পরিচালক রামকমল মুখোপাধ্যায় জাতীয় স্তরের পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু হিন্দি ছবির জন্য। এই ছবি দিয়ে বাংলা বিনোদন দুনিয়ায় পা রাখলেন তিনি। আমার বিশ্বাস, ‘বিনোদিনী একটি নটীর উপাখ্যান’ তাকে আরও একটি জাতীয় স্তরের পুরস্কার এনে দেবে।’ সঙ্গে এ-ও দাবি দেবের, ছবির নায়িকা রুক্মিণীই নাকি তার প্রতিদ্বন্দ্বী! একের পর এক বেড়া টপকে এগিয়ে যাচ্ছেন!

    দেবের ‘খাদান’-এর বিশাল সাফল্যের পরেই মুক্তি পাচ্ছে রুক্মিণীর ‘বিনোদিনী’। তাকে ঘিরে অভিনেতাদের বলয়। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় (গিরিশ ঘোষ), চান্দ্রেয়ী ঘোষ (গঙ্গাবাই) রাহুল বোস (রাঙাবাবু), মীর আফসার আলি (গুর্মুখ রায়), ওম সাহনি, রূপসা চট্টোপাধ্যায় এবং আরও অনেকে। সঙ্গিনীর সঙ্গে বাস্তবে দেবের টক-মিষ্টি-ঝাল সম্পর্ক। পর্দাতেও কি তার আঁচ পড়বে? ‘তুই বড় না মুই বড়’— এই দ্বন্দ্ব কি ফের শোরগোল ফেলবে সমাজমাধ্যম হয়ে সংবাদমাধ্যমে? চর্চা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। দেব এ দিন উদারচেতা। মন দিয়ে ‘হোমটাস্ক’ করে এসেছিলেন। নিজেই প্রসঙ্গ তুলে জবাব দিলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে কী? শুরু হয়ে গিয়েছে। ‘বিনোদিনী’র প্রচার নাকি ‘খাদান’-এর মতো হচ্ছে না! নালিশ নায়িকার। ওর মধ্যে আমার ছায়া দেখতে পাই। একই রকম খিটখিটে, খুঁতখুঁতে।’ আরও দাবি, খুব অল্প সময়ে নায়িকা ‘বিনোদিনী’ চরিত্রে অভিনয় করছেন। দেব তাই হিংসে করেন তাকে।

    পাশে দাঁড়ানো রুক্মিণীর মুখে তৃপ্তির হাসি। এখানেই শেষ নয়। রাতে ঘুমের ঘোরে নাকি হাতে নাচের মুদ্রা ফুটিয়ে তোলেন— এ-ও জানেন দেব। বলে ফেলেই জিভ কেটেছেন। অকপটে শিকার করেছেন, ‘না না! ওর মা জানিয়েছেন। নইলে আমি কী করে জানব?’ দেবের ‘দেবী’র মুখ লজ্জায় লাল। যুগলের রসায়ন দেখে সাংবাদিকদের মুখেও খুশির হাসি। এর পরেই ঝলকমুক্তি। তথ্যসূত্র- আনন্দবাজার অনলাইন

    বিনোদন ডেস্ক

  • বন্ধুরা সবাই পাশে, কেবল দেব নিরুত্তর: জিনিয়া

    বিনোদন জগতে হুমকি সংস্কৃতির এ যেন জঘন্যতম নিদর্শন। গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে হুমকি দেওয়ার কারণে। তার স্ত্রী কাহিনি ও চিত্রনাট্যকার জিনিয়া সেন প্রথম সেই পোস্টটি শেয়ার করে ঘটনা প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন। 

    জিনিয়ার সেই পোস্ট অনুযায়ী, অভিনেতা দেবের এক দল ভক্ত-অনুরাগী শিবপ্রসাদকে দেবের সঙ্গে একই দিনে ছবিমুক্তি নিয়ে কুকথা লিখেছেন। দিনভর তাই নিয়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। সেই রেশ কাটার আগেই গতকাল বুধবার (৮ জানুয়ারি) আরও জঘন্য ঘটনা ঘটালেন অভিযুক্তরা। এদিন তারা কাহিনি-চিত্রনাট্যকার জিনিয়ার অর্ধনগ্ন ও বিকৃত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। যার প্রতিকার চেয়ে রবীন্দ্র সরোবর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তারকা দম্পতি। এ বিষয়ে আনন্দবাজার অনলাইনের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ক্ষোভ ঝরে পড়েছে চিত্রনাট্যকার জিনিয়া সেনের কণ্ঠে। তিনি বলেন, বন্ধু ও ঘনিষ্ঠরা পাশে আছেন। কেবল যাকে সামনে রেখে এত কাণ্ড সেই দেব-ই নিরুত্তর।

    শিবপ্রসাদ ও জিনিয়া মঙ্গলবার রাতে রাজ্যপুলিশের গোয়েন্দা দপ্তর ভবানী ভবনে ঊর্ধ্বতন পুলিশকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। গতকাল বুধবার সকালে সেই প্রসঙ্গে কোনো কথা বলেননি। এর মধ্যেই জিনিয়ার বিকৃত ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ আমাকে ট্যাগ করে আমার বিকৃত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ছবি মুছে অভিযুক্তকে ব্লক করে দিই। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি জটিল হতে থাকে। জিনিয়া ছবি মুছলেও পরক্ষণেই তার আরও একটি বিকৃত ছবি ছড়িয়ে পড়ে। দুঃখ জিনিয়ার— যিনি বক্স অফিস সফল ছবির নির্মাতা, বাংলা বিনোদন দুনিয়ার নিরন্তর উন্নতিসাধনে ব্যস্ত, সেই তিনি-ই এবং তার পরিবার এত বড় দুর্ভোগের শিকার।

    এদিকে অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তীসহ তারকা দম্পতির হিতাকাঙ্ক্ষীরা ব্যক্তিগতভাবে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান। জিনিয়ার হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধিক্কার জানান নেটিজেনরা। 

    একের পর এক বিকৃত ছবি ছড়িয়ে পড়তেই শিবপ্রসাদ স্ত্রীকে নিয়ে পৌঁছে যান স্থানীয় থানায়। লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানায় লিখিত অভিযোগ নেন অ্যাডিশনাল ওসি অরিন্দম পাণ্ডা। পাশাপাশি লালবাজার সাইবার অপরাধ দমন শাখাতেও অভিযোগ করেছেন তারা। তবে বিষয়টি নিয়ে আনন্দবাজার অনলাইনের কাছে শিবপ্রসাদ কোনো কথা বলেননি। 

    তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রসঙ্গে জিনিয়া বলেন, এটা একটা বিকৃত মানসিকতা। আজ যারা বিকিনি দিয়ে ছবি ছড়াচ্ছেন, আগামীকাল তারা যে আমার নগ্ন ছবি ছড়াবেন না— কে বলতে পারেন? তাই অপরাধ মনস্কদের শাস্তি দিতেই আইনের দ্বারস্থ তারা। এ জায়গা থেকেই তার শঙ্কা— এখনো আরজি করকাণ্ডের কোনো আইনি বিচার হয়নি। সেই পরিস্থিতিতেও বারবার একই বিকৃত মানসিকতা প্রকাশ পাচ্ছে।

    জিনিয়া কি কোনোভাবে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত?—এমন প্রশ্নের উত্তরে জিনিয়া বলেন, একেবারেই না। এ ঘটনার শেষ দেখে ছাড়বেন তিনি। এ কাহিনিকার বলেন, প্রশাসন তাদের সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। 

    শিবপ্রসাদ ও জিনিয়া যে সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছেন তা-ও বলা হয়েছে। কাহিনি-চিত্রনাট্যকার দোষীদের উদ্দেশে পাল্টা কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি জিনিয়া। তিনি বলেন, মঙ্গলবার যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এত গরম গরম বক্তব্য রেখেছেন, থানা থেকে ফিরে দেখলাম সেই মন্তব্যের সংখ্যা কমেছে। সাড়ে তিনশ মন্তব্য কমে হয়েছে ২৯৭! গতকাল যারা শিবপ্রসাদকে ‘মারবে, শুধরে দেবে’ বলে হুমকি দিয়েছিলেন, আজ তাদের অনেকের প্রোফাইল-ই সরে গেছে।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজেই নিজের রেকর্ড ভাঙলেন দেব, কাকে ছাড়াল ‘খাদান’

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের ‘খাদান’ যেন এখন অপ্রতিরোধ্য। দুর্দমনীয় গতিতে এগিয়ে চলেছে বক্স অফিস কালেকশন। আর এবার সেই ছবির আয়ের হাত ধরে দেব নিজেই নিজের রেকর্ড ভাঙলেন। প্রজাপতির বক্স অফিস কালেকশনকে ছাপিয়ে গেল খাদান।

    এদিন ওয়েস্ট বেঙ্গল বক্স অফিসের তরফে একটি রিপোর্টে জানানো হয়েছে— ‘খাদান’ ছবির হাত ধরে দেব নিজেই নিজের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। প্রজাপতি ছবিটির লাইফটাইম কালেকশনকে ছাপিয়ে গেছে খাদান, তাও মাত্র ১৭ দিনেই। আয় করেছে প্রায় ১৩ কোটি টাকা। 

    বর্তমানে খাদান ব্যবসার নিরিখে চতুর্থ সর্বোচ্চ আয় করা একটি বাংলা ছবি। এর আগে প্রথমে আছে ‘অ্যামাজন অভিযান’। সেই ছবি মোট আয় ছিল ৪৮ কোটি ৬৩ লাখ, চাঁদের পাহাড়, যার আয় ২২ কোটি ৫০ লাখ এবং তৃতীয় স্থানে থাকা বহুরূপী, যার আয় ২০ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কিন্তু সর্বোচ্চ ব্যবসা করা ছবির প্রথম তিনটার মধ্যে দুটোই দেবের ছবি।

    খাদান তৃতীয় সপ্তাহে গোড়াতেই ১৩ কোটি টপকে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রথম সপ্তাহে দেবের এই ছবি বক্স অফিসে ৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার ব্যবসা করেছে। দ্বিতীয় সপ্তাহের আয়ের পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। আর তৃতীয় সপ্তাহে এখন পর্যন্ত ছবিটি ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকার ব্যবসা করেছে। ফলে বর্তমানে খাদান ছবিটির মোট আয় গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৯৫ লাখ টাকায়।

    খাদান ছবিটি ২০ তারিখ মুক্তি পেয়েছে। মুখ্য ভূমিকায় আছেন দেব ও যিশু। সঙ্গে অন্যান্য চরিত্রে আছেন অনির্বাণ চক্রবর্তী, বরখা বিস্ত, ইধিকা পাল, স্নেহা বসু, জন ভট্টাচার্য প্রমুখ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সুজিত সরকার রিনো। সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন নীলায়ন চট্টোপাধ্যায়। দেব এন্টারটেইনমেন্ট ভেঞ্চার্স ও সুরিন্দর ফিল্মস ছবিটির প্রযোজনার দায়িত্ব সামলিয়েছে। এ ছবির শেষে জানানো হয়েছে খাদান ২ আসবে।

    বহুদিন ধরে ঘোষিত হওয়ার পর রঘু ডাকাত নিয়ে নানা জটিলতার কারণে হয়ে ওঠেনি ছবিটি। অবশেষে সব জটিলতা কাটিয়ে চলতি বছরের পূজার সময় মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি। সদ্যই প্রকাশ্যে এসেছে ছবির ফার্স্ট লুক। এ ছাড়া নতুন বছরেই সুখবর শুনিয়েছেন দেব। জানিয়েছেন ২০২৪ সালে অভিজিৎ সেন, অতনু রায়চৌধুরী এবং তার ত্রয়ীর ছবি মিস গেলেও ২০২৫ সালে আসছেই তাদের নতুন ছবি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • চোখের পানিতে অরুণকে দেব-রুক্মিণীর শেষ বিদায়

    সদ্যপ্রয়াত টালিউড পরিচালক অরুণ রায়কে চোখের পানিতে শেষ বিদায় জানালেন অভিনেতা দেব ও অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। শববাহী গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে দেখা যায় দেবকে। অভিনেত্রীও পাশে দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এভাবেই তারা চোখের পানিতে শেষ বিদায় জানালেন পরিচালককে। 

    মাত্র ৫৩ বছর বয়সে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না বাংলা বিনোদন দুনিয়ার কেউ-ই। অরুণই ‘হীরালাল সেন’, ‘৮/১২ বিনয় বাদল দীনেশ’-এর মতো ভিন্ন ভাবনার ছবি বানিয়েছিলেন। তার পরিচালিত ‘চোলাই’ সবচেয়ে চর্চিত ছবি। তৎকালীন সমাজের অনেক জ্বলন্ত সমস্যা তিনি দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন এ ছবিতে।

    দেবের সঙ্গে অরুণ রায়ের সখ্য ‘বাঘা যতীন’ ছবির সময় থেকে। এ ছবিতে দেব প্রথম বিপ্লবীর চরিত্রে অভিনয় করেন। সেই সময় অরুণ জানিয়েছিলেন— বিষয়টি শুনেই লাফিয়ে উঠেছিলেন দেব। এক কথায় রাজি হয়ে গিয়েছিলেন। ছবি বানানোর সময় খরচ করতেও কার্পণ্য করেননি। একই ভাবে চরিত্রের জন্য পরিচালকের নির্দেশ মেনে প্রচুর পরিশ্রম করেছিলেন দেব। তখন থেকেই উভয়ের হৃদ্যতা গড়ে ওঠে। 

    একই ভাবে অভিনেত্রী রুক্মিণীর সঙ্গেও। যদিও ছবিতে অভিনেত্রী অভিনয় করেননি। এদিন দেব-রুক্মিণীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ছবির নায়িকা সৃজা দত্তও। স্বভাবিকভাবেই তারও চোখে পানি।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, কেওড়াতলা মহাশ্মশানে পরিচালকের শেষকৃত্যেও উপস্থিত ছিলেন দেব ও রুক্মিণী মৈত্র। শববাহী গাড়িতে চেপেই সেখানে যান তারা। গাড়ির ভেতরে অন্তিমশয্যায় শুয়ে সদ্যপ্রয়াত অরুণ। ইহলোকের সব যন্ত্রণা ইহজগতে ফেলে রেখে যেন নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে! চোখ মুছতে মুছতে শেষবারের মতো তার সামনে দাঁড়ান আবার— উভয়েই। কিছুক্ষণ পরেই পঞ্চভূতে বিলীন পরিচালক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার বিনোদিনী ইতিহাস গড়ল: দেব

    নতুন বছরে নতুন রূপে আরও একটি সিনেমা নিয়ে হাজির হতে চলেছেন টালিউডের পাওয়ার কাপল জুটি অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র ও অভিনেতা দেব। বড়পর্দায় নটী বিনোদিনীর জীবনী নিয়ে দেব-রুক্মিণী মৈত্র অভিনীত সিনেমা বক্স অফিসে মুক্তি পেতে চলেছে।  আগামী ২৩ জানুয়ারি ছবিটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এটি প্রযোজনায় দেব এন্টারটেইনমেন্ট ভেঞ্চার্স লিমিটেড এবং পরিচালনায় আছেন রাম কমল মুখার্জি।

    সুদীপ্তা চক্রবর্তীর কাছে দীর্ঘদিন চর্চা করে রুক্মিণী চরিত্রটি সিনেমায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। সেই সঙ্গে অভিনেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কাছে রোধ করেছিলেন, যাতে নটী বিনোদিনীর স্মৃতি ধন্য স্টার থিয়েটারের নাম বদলে তার নামে রাখা যায়। কিছু দিন আগে মুখ্যমন্ত্রী সেই অনুরোধ রেখেছেন। 

    এরপরই এ সুখবর প্রকাশ্যে আসতেই রুক্মিণী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টুইট করে লিখেছেন— অনেক ধন্যবাদ। আমি খুশি যে আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি। আমি দিদির (মমতার) কাছে কৃতজ্ঞ যে উনি এটা করতে রাজি হয়েছেন। আমি ওর কাছে চিরঋণী হয়ে থাকব। 

    রুক্মিণী মৈত্রের এই টুইট রিটুইট করেন অভিনেতা দেব। প্রেমিকার গর্বে গর্বিত অভিনেতা তার প্রশংসা করে লিখেছেন—খুব গর্বিত তোমায় নিয়ে এটা করতে পারার জন্য। তুমি আমাদের সবাইকে গর্বিত করেছ। আমার বিনোদিনী ইতিহাস গড়ল।

    এদিন দেবের এই টুইট আবার রিটুইট করেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। তিনি তার পোস্টে লিখেছেন—ধন্যবাদ দেব আমার ওপর সবসময় বিশ্বাস রাখার জন্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবের জন্মদিনে রুক্মিণীর আবেগঘন পোস্ট

    ওপার বাংলার তারকা জুটি দেব-রুক্মিণী। অফস্ক্রিন হোক বা অনস্ক্রিন সব জায়গাতেই সুপারহিট তারা। এদিকে দেবের জন্মদিন উপলক্ষ্যে পার্টি ছিল একেবারে অন্যরকম।

    ‘মন মানে না’ থেকে ‘পাগলু ডান্স’- একের পর এক গানে নাচতে দেখা যায় তাদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে এসব ভিডিও শেয়ার করেছেন। 

    দেবকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রুক্মিণী পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, এই বিশ্বের কাছে প্রার্থনা জানাই, শুধু তোমার জন্মদিন নয়, প্রতিটা দিন শুভ করার জন্য। এমনভাবেই চালিয়ে যাও। আরও সফল হও। অপরাজিত থেকো। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানুষের জন্য ভালো কাজ করো। এই মহাবিশ্ব সবসময় তোমার পাশে থাকবে। শুভ জন্মদিন দেব, ভালোবাসা সব সময়ের জন্য।

    ম্যাচিং কালো পোশাকে এ দিন পার্টিতে দেখা যায় এ তারকা জুটিকে। অভিনেত্রী মনামী ঘোষ জন্মদিনের পার্টির একঝাঁক ছবিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। কেক কাটা, ছবি তোলার পাশাপাশি তারা জমিয়ে নাচলেন। ‘মন মানে না’ সিনেমার গানে দেব আর রুক্মিণীর নাচের মুহূর্তে হলো ক্যামেরাবন্দি।

    দেবের জন্মদিনের পার্টিতে উপস্থিত ছিল তাদের কাছের মানুষেরা। যিশু সেনগুপ্ত ও সৃজিত মুখার্জিকেও দেখা যায়। একটি ছবিতে দেবকে দেখা মিলল মনামী ঘোষের সঙ্গে ক্যামেরায় পোজ দিতে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জন্মদিনে শুভশ্রীর স্বামীকে খোঁচা দেবের?

    ‘অগ্নিশপথ’ দিয়ে পথ চলা শুরু। তারপর ‘আই লাভ ইউ’, ‘প্রেমের কাহিনী’ থেকে ‘পাগলু’, ‘বুনো হাঁস’, ‘দুই পৃথিবী’, ‘গোলন্দাজ’, ‘বাঘাযতীন’ হয়ে আজ বাংলা ইন্ডাস্ট্রির ‘বাপ’ দেব। আজ তার জন্মদিন। 

    তবে অভিনেতার জন্মদিনের বেশ কিছুদিন আগে থেকেই বাংলা মেতেছে প্রিয় সুপারস্টারের ছবির উদযাপনে। বাংলা জুড়ে ‘খাদান’-এর জয়জয়কার। 

    তিন বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর ‘খাদান’-এর এই সাফল্য তার জন্মদিনকে যে আরও বিশেষ করে দিয়েছে তা তো বলাই বাহুল্য। কিন্তু জন্মদিন উপলক্ষ্যে আজ তার আর কী কী বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে? এবার সে কথায় ভাগ করে নিলেন দেব।

    ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জন্মদিনে তার বিশেষ কী পরিকল্পনা রয়েছে তা ভাগ করে নেন দেব। 

    তিনি বলেন, ‘আজকের দিনটা একটা শান্তির দিন। আমি সেই সব মানুষকে ধন্যবাদ দিতে চাই যারা পাশে ছিলেন। প্রযোজক, ছবির অভিনেতারা, টেকনিশিয়ান, দর্শকদের আজকের দিনটার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি যখন এই খাদান শুরু করব ভেবেছিলাম, অনেকেই বিশ্বাস করেননি আমার স্বপ্নটাকে। কেউ কেউ ছবিটা ছেড়ে চলে গিয়েছেন। কিন্তু এরা আমার পাশে ছিলেন। আমার ইমোশনটা কোনও শব্দ দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারব না। এক-দু’জনই জানেন আমার মনের ভিতরে কী চলছে। তাই কোনও পার্টি, সেলিব্রেশন সেই অনুভূতিটাকে প্রকাশ করতে পারবে না। আমার পরিচালক, সঙ্গীত পরিচালক, নায়িকা নতুন। এমন অনেকে আছেন যাদের ইন্ডাস্ট্রি থেকে প্রায় মুছে ফেলা হয়েছিল। এ রকম অনেক লড়াই ছিল। তাই আজকের দিনটা আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই ঈশ্বরকে, দর্শকদের, প্রিয়জন, বাবা-মা-কে।’

    কিন্তু আজকের এই বিশেষ দিনে তিনি কি কিছু বিশেষ চমক দিতে চলেছেন? তার কোনও নতুন ছবির ঘোষণা কি হতে চলেছে? 

    এই প্রসঙ্গে অভিনেতা জানান, ‘খাদান’ করতে গিয়ে তাকে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। 

    তার কথায়, ‘এটা আমার জন্য ‘ডু অর ডাই’ সিচুয়েশন ছিল।’ তাই ছবির সাফল্যে তিনি যে তৃপ্তি পেয়েছেন সেই স্বাদই আজ তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করতে চান। আজ আর কোনও নতুন ছবির ঘোষণা নয়। 

    অভিনেতার মতে ‘খাদান’-এর সাফল্যই তার এই বছরের জন্মদিনের উপহার। এই প্রসঙ্গে দেব বলেন, ‘মানুষ দেখেছেন আমি কতটা পরিশ্রম করেছি। গ্রামে-গ্রামে যাওয়া, আজকের দিনে এ রকম একটা ছবি প্রযোজনা করে রিলিজ করা, সবটাই তারা দেখেছেন। আর তারপর যে ভালোবাসাটা দিয়েছেন সেটাই আমার কাছে একটা বিরাট প্রাপ্তি।’ 

    পাশাপাশি দেব এও জানান, কয়েক দিন আগে রুক্মিনী মৈত্রর সঙ্গে একটি ছবির শ্যুটিংয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে সব টেকনিশিয়ানরা এসে তাকে বলেন, ‘দাদা এ রকম একটা ছবির খুব দরকার ছিল। থ্যাঙ্ক ইউ এ রকম একটা ছবি বানানোর জন্য।’ 

    দেবের কথায়, ‘এটা ব্লেসিং, মানুষের আশীর্বাদ। কোথাও মনে হয় ‘কার্মা’ও রয়েছে। কোথাও হয়তো ভালো কাজ করেছিলাম। ঠাকুরের আশীর্বাদ পেয়েছি। মানুষের ভালো লেগেছে। এবং অবশ্যই ছবিটাও ভালো হয়েছে। তাই এত লড়াই, এত পরিশ্রমের পর এখন শান্তি হচ্ছে। হল পাব কি না, মানুষ কীভাবে নেবেন ছবিটা—সব কিছুর পর এখন ভীষণ একটা শান্তি হচ্ছে।’

    দেব কথায়, ‘কেউ কখনও বাংলা ছবির জন্য মাল্টিপ্লেক্সে কয়েন ছুড়তে, নাচতে দেখেছেন? যেখানে সবাই বলেন বাংলা কমার্শিয়াল ছবির যুগ শেষ হয়ে গিয়েছে, সেখান থেকে এ ভাবে প্রতিদিন প্রায় এক কোটি টাকার ব্যবসা করা, নর্থ বেঙ্গল থেকে বর্ধমান, কলকাতা সব জায়গার শো হাউজফুল পাওয়া, এ এক দারুণ অনুভূতি।’ ১২-১৪ দিনের শ্যুটিং করে ফ্যামিলি ড্রামায় আটকে না থেকে এবার অনেক অভিনেতাই ভালো মাস ছবি করার সাহস পাবেন বলে দেবের আশা।

    আর দেব তিনি কী করবেন? এ বার থেকে কি বেশি কমার্শিয়াল, অ্যাকশন ছবিতেই তার দেখা মিলবে? প্রশ্নে দেব-এর উত্তর, ‘একজন অভিনেতা হিসেবে আমি সব ধরনের ছবিই করতে চাই। আমার ‘খাদান’ করতে তিন বছর লেগেছে। এরপর যদি আমাকে মাস ফিল্ম করতে হয়, তা হলে ‘খাদান’-এর থেকে বেটার কিছু করতে হবে।’ তাছাড়াও বেশ কিছু কাজের জন্য অভিনেতা আগে থেকেই প্রতিশ্রুতি বদ্ধ। তাই তাকে শুধু অ্যাকশন ড্রামাতেই দেখা যাবে এমনটা মোটেই নয়।

    তবে ছবি মুক্তির আগে গোটা বাংলা জুড়ে ব্যাপক প্রচার করেছিলেন দেব। সেই নিয়ে ইন্ডাস্ট্রি থেকেই অভিনেতার দিকে ধেয়ে এসেছিল নানা কটাক্ষ। রাজ চক্রবর্তীকে বলতে শোনা গিয়েছিল, কনটেন্ট ভালো হলে প্রচারের প্রয়োজন হয় না। তবে এই কটূক্তি অভিনেতাকে কতটা বিচলিত করেছিল? 

    প্রশ্নে দেব সাফ বলেন, ‘আমি এখন এমন একজন মানুষ হয়ে গিয়েছি যে আমাকে খারাপ লাগাতে গেলেও ট্যালেন্টেড হতে হবে। আমি জানি আমি কী করছি। তাই এই সব কথায় একদম খারাপ লাগে না আমার।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবের জন্মদিনে তাকে নিয়ে মনের কথা জানালেন তিন নায়িকা

    জন্মদিনে শুভেচ্ছাবার্তায় ভাসছেন টালিউড অভিনেতা ও প্রযোজকব দীপক অধিকারী দেব। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) বড়দিনে জন্মদিন নায়কের। দেবের ৪২তম জন্মদিনে মনের কথা জানিয়েছেন তিন নায়িকা।

    ঘটনা ২০২৩ সালের। মুক্তি পায় দেব অভিনীত ছবি ‘বাঘাযতীন’। এ ছবির মাধ্যমেই বড়পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন অভিনেত্রী সৃজা দত্ত। তিনি বলেন, আমাকে তো কেউই চিনত না। সেখান থেকে আমাকে তৈরি করা, গণমাধ্যমের সামনে দাঁড় করানো— সবটাই দাদার করে দেওয়া। তিনি আমার পরিবারের মতোই হয়ে গেছেন। সৃজা জানালেন এখনো কোনো রকম সমস্যা হলে নির্দ্বিধায় তিনি দেবের শরণাপন্ন হন। অভিনেতাও অনুজকে সেই ভাবে পথ দেখান। অভিনেত্রী বলেন, আমার জীবনে খুব বড় অনুপ্রেরণা দেবদা। ওর সঙ্গে আমার সম্পর্কটা খুব অন্য রকমের।

    সৃজা জানালেন অভিনয় জীবনের শুরু থেকেই তিনি চেষ্টা করছেন একই ধরনের চরিত্র না করতে। এই উপদেশ নাকি তিনি দেবের থেকেই পেয়েছেন। সেই মতো চলতি বছরে ‘টেক্কা’য় আরও একবার দেবের সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ আসে তার। তিনি বলেন, এত কম সময়ে দুটি ছবিতে কাজের সুযোগ পাওয়া আমার কাছে খুব বড় প্রাপ্তি।

    তিনি বলেন, ‘খাদান’-এর সাফল্য দেবের প্রাপ্যই ছিল। কারণ একটা ছবির সঙ্গে শুরু থেকে দেব যেভাবে জড়িয়ে থাকেন, তা না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। এ অভিনেত্রী বলেন, বাংলা ছবির কথা ভেবে যেভাবে মানুষটা লড়াই করে চলেছেন, তা দেখে দাদাকে আমি কুর্নিশ জানাতে চাই। 

    জন্মদিনে প্রিয় ‘দাদা’কে কী বলতে চান সৃজা? অভিনেত্রী হেসে বলেন, মানুষটা মুখে কিছু বলেন না। কিন্তু কাজে করে দেখান। এটাই আমার খুব ভালো লাগে। জন্মদিনে এটাই বলব— দেবদার জীবনে আরও প্রচুর ‘খাদান’ আসুক এবং দর্শক তাকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিক। 

    অভিনেত্রী সৌমীতৃষা কুন্ডুর প্রথম ছবি ‘প্রধান’। সেখানেও রয়েছেন দেব। অভিনেত্রীর মতে, সুপারস্টার হিসেবে দেবের থেকে শেখার কোনো শেষ নেই। কারণ দেব সাফল্য পাওয়ার পরও মাটিতে পা রেখে হাঁটতে ভুলে যাননি। সৌমীতৃষা বলেন, আমাকে যখন কেউ ‘দেবের হিরোইন’ বলে, তখন সত্যিই গর্বিত বোধ করি।

    নতুনদের প্রতি দেবের ব্যবহার সৌমীতৃষাকে মুগ্ধ করেছে। ফ্লোরে নতুনদের সাহায্য করতে পিছপা নন দেব। সুপারস্টার ফ্লোরে আসবেন, তার মতো শট দেবেন এবং চলে যাবেন— এ রকম ধারণা করে নেওয়াই যায়। কিন্তু সৌমীতৃষার কাছে দেব অন্য মানুষ এবং অনেক বড়মাপের সহ-অভিনেতা। তিনি বলেন, একজন সুপারস্টার ফ্লোরে আমার সঙ্গে সংলাপ নিয়ে আলোচনা করছেন বা কীভাবে অভিনয় করব পরামর্শ দিচ্ছেন— না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

    সৌমীতৃষা বলেন, দেব অনেক মানুষের ভালো থাকার ‘ওষুধ’। তাই জন্মদিনে তারকাকে মন থেকে শুভেচ্ছা জানাতে ভুললেন না অভিনেত্রী। আনন্দবাজার অনলাইনের মাধ্যমে দেবকে পৌঁছে দিতে চাইলেন জন্মদিনের শুভেচ্ছাবার্তা। তিনি বলেন, আমাদের সুপারস্টারকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আজকের দিনটার মতো সারা বছর যেন ওর সাফল্যের মধ্য দিয়ে কাটে— এটাই চাই।

    টালিপাড়ায় দেবের সঙ্গেই ইধিকা পালের প্রথম ছবি— ‘খাদান’। বক্স অফিসে ছবির ব্যবসার রমরমার পাশাপাশি অভিনেতাকে নিয়ে আপ্লুত অভিনেত্রী। দেবের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা স্বল্পপরিসরে তিনি ব্যক্ত করতে রাজি নন। তবে সুপারস্টারের একাধিক গুণ তাকে আকর্ষণ করে। ইধিকা বলেন, আমি তো এক অর্থে ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন। কিন্তু নতুনদের যেভাবে তিনি সুযোগ দেন, তা বিরল ঘটনা।

    ইধিকা বলেন, দেব যেন আগামী দিনেও মাটিতে পা রেখে চলেন। তিনি বলেন, অনেকেই শুধু নিজে ওপরের দিকে উঠতে পছন্দ করেন। কিন্তু দেবকে দেখেছি সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে ওপরের দিকে উঠতে। আগামী দিনেও সুযোগ পেলে দেবের সঙ্গে অভিনয় করতে রাজি ইধিকা। জন্মদিনে প্রিয় অভিনেতাকে কী বলতে চাইবেন তিনি? মুচকি হেসে ইধিকা বলেন, এটুকুই বলব— ও যেন আনন্দে থাকে, খুশিতে থাকে এবং সুস্থ থাকে।

    তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নতুন বছরে ‘রঘু ডাকাত’ দিয়ে পরিচালনায় আসছেন দেব

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক দীপক অধিকারী দেব নতুন বছরে ‘রঘু ডাকাত’ দিয়ে পরিচালনায় আসছেন। ২০২৪ সালের বড়দিন তাই তার জীবনে যেন আরও বড়। যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন আর তার জন্মের তারিখও একই। এমন দিনে তাকে নতুন রূপ দেখে মুগ্ধ ভক্ত-অনুরাগীরা। 

    ‘খাদান’ ছবি দিয়ে দেবের মুকুটে আরও একটি পালক। তিনি এ ছবির সৃজনশীল পরিচালক। দেবের প্রযোজনা সংস্থা বুধবার তার সৃজনশীল পরিচালনার কিছু মুহূর্ত শেয়ার করেছে। সেখানেই স্পষ্ট— এ ভূমিকাতেও তিনি সাবলীল। ক্ল্যাপস্টিক দিয়ে শুটিংয়ের শুরু থেকে সহ-অভিনেতাদের দৃশ্য বুঝিয়ে দেওয়া, প্রতিটি দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি হওয়ার আগে আলোচনা— কোনো কিছুই বাদ দেননি সৃজনশীল পরিচালক দেব। আর সৃজনশীল পরিচালক (ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর) হিসাবে তিনি একশতে একশ, সে কথাই জানিয়েছেন তার সহকর্মীরা। 

    দেব অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা সামলাচ্ছেন। টালিউড সাক্ষী— দেব প্রয়োজনে সেটে ট্রলি ঠেলেছেন। চেয়ার বয়ে দিয়েছেন। সৃজনশীল পরিচালকের দায়িত্ব কাঁধে তোলার পর তিনি যেন আরও পরিশ্রমী।  

    এ বিষয়ে আনন্দবাজার অনলাইনের কাছে সে কথা বলেছেন ছবির পরিচালক সুজিত রিনো দত্ত। তিনি বলেন, প্রথম দিন থেকে দেব ছবির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ছবির খুঁটিনাটি থেকে নিজের অভিনয়, প্রযোজনা— অদ্ভুত দক্ষতায় সামলেছেন। রিনো যে অত্যুক্তি করেননি, তা স্পষ্ট ভিডিতে। 

    সুজিত তা হলে কী করলেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে পরিচালক বলেন, সবটাই আমি করেছি। দেব আমার কাঁধে কাঁধ মিলিয়েছেন। পাশে ছিলেন এটাই মস্ত ভরসা। কোনো ব্যাপারে অকারণে নাক গলাননি। এটি ওর মস্তবড় গুণ। সেই জায়গা থেকে ছবিমুক্তির দিন পর্যন্ত দুশ্চিন্তায় রাত জেগেছেন সুজিত। এখন কিছুটা হলেও নিশ্চিন্ত। পাশাপাশি আক্ষেপ— জানেন, বহু প্রেক্ষাগৃহে সিঁড়িতে বসে দর্শক ছবি দেখছেন। এদিকে শোর সংখ্যা কম। খুব খারাপ লাগছে। 

    তিনি বলেন, খাদানের তরফে সব প্রেক্ষাগৃহে দুটো করে শো দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যার জেরে অন্য বাংলা ছবির শোর সংখ্যা নাকি কমে গেছে। প্রতিবাদী পরিচালকের দাবি— যে পরিমাণ শো পাওয়া উচিত, আমরা কিন্তু এখনো পাইনি। শুরুতেও যথেষ্ট সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। যদি আমরা চেয়েই থাকি তা হলেও অন্যায় করিনি। ছবির ফল অন্তত তেমনই বলছে।

    সেসব ভুলে টিম ‘খাদান’ বড়দিন ও দেবের জন্মদিনের উদযাপনে মাতোয়ারা। সহযোগী প্রযোজনা সংস্থা সুরিন্দর ফিল্মসের অফিসের নিচে এ দিন কেক কাটেন দেব। সৃজনশীল পরিচালক হিসাবে তার প্রথম ছবিই সফল। এবার কি সরাসরি পরিচালকের ভূমিকায়? ‘রঘু ডাকাত’ কি তিনিই পরিচালনা করবেন? প্রশ্ন শুনেই চুপ পরিচালক। জানালেন এর উত্তর সময়ের ওপরেই ছেড়ে দেওয়া ভালো।

    বিনোদন ডেস্ক