Tag: দেব

  • দেবের সিনেমায় থাকছেন ইধিকা?

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা দীপক অধিকারী দেবের সঙ্গে ইধিকা পালের দ্বিতীয়বারের রোমান্স দেখা যেতে পারে ‘প্রজাপতি-২’ সিনেমায়। বাংলার শাকিব খান, কলকাতার সোহম চক্রবর্তীর মতো নায়ক যার বিপরীতে, তার পরিণতি কিনা বিয়োগান্তক?

    যদিও এ রকম কিছু সিনেমায় ঘটবে কিনা, সে বিষয়ে এখনো মুখ খোলেননি অভিনেতা দেব। পরিচালক অভিজিৎ সেন ও প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরীও কোনো কথা বলেননি।

    এমনকি মুখে কুলুপ এঁটেছেন অভিনেত্রী ইধিকা পালও। যে খবর একটি গণমাধ্যম সূত্রে পাওয়া গেছে।

    লন্ডনে টানা ১৮ দিনের শুটিংয়ের পর একে একে কলকাতায় ফিরছেন ‘প্রজাপতি ২’-র টিমের সদস্যরা। দিন দুই আগে হাসিমুখে কলকাতা বিমানবন্দরে ক্যামেরার সামনে পোজ দেন ‘প্রজাপতি ২’ সিনেমার পরিচালক অভিজিৎ সেন।

    কলকাতার ফটোসাংবাদিকদের জানিয়েছেন, টানা এতগুলো দিন সবাই মিলে বিদেশে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন। একদিকে মন দিয়ে শুটিং, অন্যদিকে অবসরে লন্ডন ভ্রমণ। সব মিলিয়ে মনে রাখার মতোই সফর। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিজিৎ সেন বলেন, সোমবার (২১ জুলাই) কলকাতায় ফিরছেন দেব। তিনি মা-বাবাকে নিয়ে বাড়তি দুই দিন বিদেশে ঘুরছেন। হয়তো কয়েক দিন অবসর নিয়ে ফের ক্যামেরার মুখোমুখি হবেন সবাই।

    এদিকে গুঞ্জন উঠেছে—বিদেশের মাটিতে ছোটপর্দার নায়িকা জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডুর সঙ্গে রোমান্সের পর কলকাতায় নায়কের সঙ্গী ইধিকা পাল। কিন্তু তিনি নাকি এ সিনেমায় দ্বিতীয় নায়িকা। এখানেই শেষ নয়; চিত্রনাট্যের খাতিরে ইধিকা অভিনীত চরিত্রটি সম্ভবত শেষ পর্যন্ত নাও থাকতে পারে। অর্থাৎ দেবের সঙ্গে তার বিয়োগান্তক পরিণতি। এ খবর টালিপাড়ায় ছড়িয়ে পড়তেই বিস্মিত অনেকেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিখ্যাত গানের স্মৃতি উসকে দিয়ে যে ইঙ্গিত দিলেন দেব

    ২০১২ থেকে ২০২৫— সেই লন্ডন ব্রিজ। সেই টেমস নদী। হু হু করে সময়টা কেটে গেলেও স্মৃতিতে ধুলো পড়তে দেননি টালিউডের লাভারবয় অভিনেতা দীপক অধিকারী দেব। পুরোনো জায়গায় ফিরে গিয়ে সব কিছু মনে পড়ে যায় তার। 

    শনিবার (১২ জুলাই) লন্ডন ব্রিজে ‘প্রজাপতি ২’-এর শুটিংয়ের ফাঁকে ছবি তোলার সময় অভিনেতার স্মৃতিতে ১৩ বছর আগেকার ঘটনা চলে আসে।  

    ২০১২ সালে মুক্তি পেয়েছিল তার সিনেমা ‘চ্যালেঞ্জ ২’। রাজা চন্দের লেখা সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘পুলিশ চোরের প্রেমে পড়েছে’ এই লন্ডন ব্রিজেই শুট করেছিলেন পরিচালক। শুটিংয়ে ছিলেন অভিনেতা দেব ও সিনেমার নায়িকা পূজা। 

    সিনেমায় দেব পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। অনুরাগীদের সঙ্গে পুরোনো স্মৃতি শেয়ার করে নেওয়ার পাশাপাশি তার আগামী সিনেমা ‘প্রজাপতি ২’-এ তার অভিনীত চরিত্রেরও কি আভাস দিলেন অভিনেতা? 

    অভিজিৎ সেনের পরিচালনায় এ সিনেমায় দেব কি আবারও পুলিশ অফিসার? ছবি দেখে ইতোমধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়েছে। কারণ এ সিনেমায় দেবের ‘লুক’ অনেক বদলে গেছে। তিনি ওজন কমিয়েছেন। তাতে আরও ধারালো দেখাচ্ছে তাকে। চোখে চশমা, বদলে গেছে হেয়ার কাট।

    এ বিষয়ে ‘চ্যালেঞ্জ ২’-এর শুটিংয়ের মজার কিছু গল্প শুনিয়েছেন পরিচালক। রাজা চন্দ বলেন, তিন দিন গানের শুটিং হয়েছিল। ভীষণ মজা করেছিলাম। গান তোলাতে গিয়ে আমি আর দেব শিক্ষকের ভূমিকা নিয়েছিলাম। 

    সিনেমা পরিচালনার পাশাপাশি রাজা চন্দ এই গানটিও লিখেছিলেন। গানের দৃশ্যে অনেক বিদেশি অভিনেতা ‘ক্যামিও’ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এবার তারা বাংলা বলবেন কী করে? দেব আর রাজা মিলে তখন শিক্ষক। প্রত্যেককে ধরে ধরে গানের নির্দিষ্ট পঙক্তির উচ্চারণ শিখিয়েছিলেন। তারপর গানের দৃশ্যে ঠোঁট মিলিয়েছিলেন সবাই। রাজা আপ্লুত সেসব স্মৃতি দেব এখনো মনে রেখেছেন বলে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফারিণ নয়, দেবের নায়িকা হচ্ছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী জ্যোতির্ময়ীই

    টালিউডের প্রযোজক অতনু রায় চৌধুরী, অভিনেতা দেব ও পরিচালক অভিজিৎ সেনকে ‘ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর’ বলে ডাকা হয়। মঙ্গলবার (২৪ জুন) এই তিনজনের মুখেই ছিল চওড়া হাসি। সেই হাসির রেশ সামাজিকমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে। এদিন পুরো টিম ‘প্রজাপতি ২’ সিনেমার শুটিংয়ের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। আর তাতেই একটি গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ঢালিউড অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ নয়, ‘প্রজাপতি-২’-এ দেবের নায়িকা হচ্ছেন কলকাতার ছোটপর্দার অভিনেত্রী জ্যোতির্ময়ীই।

    একটি সূত্র জানায়, সব ঠিক থাকলে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহেই শুটিং শুরু। দেবের বিপরীতে নায়িকা হিসাবে দেখা যাবে ছোটপর্দার নায়িকা জ্যোর্তিময়ী কুণ্ডু। এ খবরও প্রথম জানিয়েছিল আনন্দবাজার ডটকম।

    এর আগে ২০২৪ অভিজিৎ-দেব-অতনুর ব্যতিক্রমী বছর। গত তিন বছর ধরে প্রতি শীতে তারা তিনজনে মিলে ভিন্ন স্বাদের সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন। এই যেমন— ‘টনিক’, ‘প্রজাপতি’, ‘প্রধান’। গত বছর ‘প্রজাপতি ২’-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন। সেই সময় জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশের অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিন দেবের নায়িকা হবেন। এর পরেই বাংলাদেশের তদানীন্তন সরকারের পতন হওয়ায় পরিস্থিতি বদলে যায়। ভিসার কারণে ভারতে আসা বাতিল হয় ফারিনের।

    চলতি বছরের শুরুতে এ সিনেমা নিয়ে আবার নতুন করে চর্চা শুরু হয়। উঠে আসে ধারাবাহিক ‘বঁধুয়া’র নায়িকার নাম। যদিও সেই সময়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন জ্যোতির্ময়ী, প্রযোজক ও পরিচালক। কলকাতার পাশাপাশি সিনেমার শুটিং হবে লন্ডনেও। এদিকে বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা। স্বাভাবিক নয় বিমান চলাচল। কী করে বিদেশে শুটিং হবে?

    সূত্র জানিয়েছে, গতকালের বৈঠকে সেই বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়েছে। অতনু-দেব-অভিজিৎ ঠিক করেছেন, কলকাতায় তারা প্রথম শুটিং শুরু করবেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাইরে শুটিং।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘অসংখ্য শুভেচ্ছা তোমাকে’, প্রেমিকার সাফল্যে গর্বিত দেব

    টালিউড অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র তার অভিনয় জীবনে যোগ করেছেন আরও এক নতুন সাফল্য। রামকমল মুখোপাধ্যায় পরিচালিত পিরিয়ড ড্রামা ‘বিনোদিনী: একটি নটীর উপাখ্যান’–এ কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে ১৫তম দাদাসাহেব ফালকে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি।

    রুক্মিণীর এই অর্জনে খুশিতে উচ্ছ্বসিত তার প্রেমিক এবং সিনেমার প্রযোজক দেব। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়ে দেব লেখেন, ‘১৫তম দাদাসাহেব ফালকে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জেতায় রুক্মিণী অসংখ্য শুভেচ্ছা তোমাকে। তোমার শক্তিশালী চিত্রায়ণ আরও অনুপ্রাণিত করুক এবং সমুজ্জ্বল হয়ে থাকুক।’

    এর আগেও ‘বিনোদিনী’ সিনেমার জন্য ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছেন রুক্মিণী। গত এপ্রিলেই সিনেমাটি ৭৫ দিনের মাইলফলক পার করে পৌঁছে গিয়েছিল উপরাষ্ট্রপতি ভবনে, যেখানে প্রশংসা পান সিনেমার কলাকুশলীরা।

    প্রসঙ্গত, নাট্যজগৎে কিংবদন্তি ‘নটী বিনোদিনী’র চরিত্রে অভিনয়ের জন্য রুক্মিণী নিয়েছিলেন কঠোর প্রস্তুতি। ২০১৯ সালে পরিচালক রামকমল যখন তাকে সিনেমার প্রস্তাব দেন, তখন থেকেই তিনি নিজেকে চরিত্রে মেলে ধরার জন্য কাজ শুরু করেন। নতুন নৃত্যশৈলী আয়ত্তে আনেন, নেন দীর্ঘ নাচের প্রশিক্ষণ। দেবও প্রচারে জানিয়েছিলেন, চরিত্রে একাত্ম হয়ে রুক্মিণী এমনভাবে অভিনয়ে মগ্ন ছিলেন যে ঘুমের মধ্যেও নাচের মুদ্রা ফুটে উঠত তার হাতে।

    তিন দশক পরে ‘নটী বিনোদিনী’র জীবনের গল্প আবার টালিউডের পর্দায় ফিরেছে এই ছবির মাধ্যমে। দীনেন গুপ্তর পর রামকমলই আবার তুলে ধরেন এই ঐতিহাসিক চরিত্রের গল্প—বঞ্চনার অধ্যায়, আত্মত্যাগ এবং সাংস্কৃতিক অবদান।

    রুক্মিণীর এই পরিশ্রম ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি স্বরূপ এবার মিলল মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। আর সেই সাফল্যে প্রেমিকা ও সহ-অভিনেত্রী রুক্মিণীর পাশে গর্ব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন দেব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বিয়ে কর, বিয়ে কর, তুই তো বুড়ো হয়ে যাবি’

    টালিউড সুপারস্টার দেব মাস কয়েক আগে ৪২ বছরে পা রেখেছেন। দীর্ঘদিন ধরেই প্রেম করছেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রর সঙ্গে। রুপালি পর্দায় রুক্মিণীর যাত্রাও শুরু হয়েছিল দেবের হাত ধরেই। তবে এত বছরের সম্পর্ক সত্ত্বেও এখনো পর্যন্ত বিয়ের সিদ্ধান্ত নেননি তারা।

    বিয়ের প্রসঙ্গ উঠলেই দু’জনেই নানাভাবে এড়িয়ে যান। যদিও দেব জানালেন, বাড়িতে বিয়ের জন্য যথেষ্ট চাপে রয়েছেন তিনি। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে দেব বলেন, প্রতিদিন বাড়িতে শুনতে হয়, ‘বিয়ে কর, বিয়ে কর। কবে বাচ্চা হবে? তুই তো বুড়ো হয়ে যাবি। তোর বাচ্চা যখন ১০ বছরের হবে, তুই ৭০!’— এসব শুনতে শুনতে বাবা-মাও এখন আর কিছু বলে না।

    উপস্থাপক তখন মজা করে জানতে চান, তাহলে কি এখনই বিয়ের কোনো প্ল্যান নেই? জবাবে দেব বলেন, আপাতত তো নেই। তবে, হ্যাঁ, একদিন তো করতে হবেই।

    এরপর সঞ্চালক দেবের সঙ্গে নিজের ভাইয়ের গল্প ভাগ করে নেন। বলেন, ‘আমার ভাই এই হিসাব করে বিয়েই করেনি। ও ভাবে, ৪০-এ বিয়ে করলে, বাচ্চা হবে ৪২-এ। আমি যখন রিটায়ার করব, তখন ছেলে-মেয়ের বয়স ১৮— ব্যাপারটা কেমন অদ্ভুত!

    এ প্রসঙ্গে দেব স্পষ্ট করে বলেন, আমার বিয়ে না করার পেছনে এমন কোনো হিসাব নেই।

    রুক্মিণী মৈত্রও একই পথে হাঁটেন। বিয়ের প্রসঙ্গে তিনিও কোনো নির্দিষ্ট উত্তর দেন না। 

    একবার এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, আমার মা যখন এই প্রশ্ন করেন না, তখন তোমরা কেন করছ? আমি যখন মনে করব বিয়ের জন্য তৈরি, তখনই করব। আমি জীবনে যে পদক্ষেপই নিয়েছি সামনাসামনি নিয়েছি। সবে কাজ শুরু করেছি। এত ব‌্যস্ততা রয়েছে যে বিয়ের প্ল‌্যান করা সম্ভব নয়। যখন হবে, তখন হবে। আর আমার মনে হয় কমিটমেন্ট বেশি জরুরি। আজকাল অনেক বিয়েতেই দেখি, বিয়ে টিকে আছে, কিন্তু কমিটমেন্ট নেই। তাই আমাদের কমিটমেন্ট থাকুক, বাকিটা ক্রমশ প্রকাশ‌্য হবে। 

    দেবের সর্বশেষ সিনেমা ‘খাদান’ ব্যাপক ব্যবসাসফল হয়েছে। প্রথম বাংলা সিনেমা হিসেবে প্রথম সপ্তাহের আয়ের দিক থেকে এটি শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে। চলতি বছর তার দুটি সিনেমা মুক্তি পাবে- ‘রঘু ডাকাত’ ও ‘প্রজাপতি ২’। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রুবেলকে প্রশ্ন দেবের— বিয়ে করে কেমন আছ?

    ‘পরিবার’কে পাশে সরিয়ে টালিউড অভিনেতা দীপক অধিকারী দেবের আপাতত ‘অ্যাকশন’-এ মন। সিনেমা ‘খাদান’ থেকে শুরু। আগামী ছবি ‘রঘুডাকাত’-তেও সে ধারা অব্যাহত রয়েছে। তাই বলে কি ‘বিয়ে’, ‘সংসার’— এসব একেবারেই ভুলে গেছেন? মোটেও না। 

    জি বাংলায় শ্রীজিৎ রায়ের নতুন ধারাবাহিক ‘তুই আমার হিরো’র প্রচার ছবির শুটিংয়ে এসেছিলেন এই সংসদ সদস্য ও অভিনেতা। ধারাবাহিকের নায়ক রুবেল দাসের সঙ্গে তার পূর্ব পরিচিতি ছিল। রুবেল যে তার ‘প্রজাপতি’ নায়িকা শ্বেতা ভট্টাচার্যকে বিয়ে করেছেন, সে খবরও রেখেছেন দেব। মুখোমুখি হতেই নায়ককে ডেকে বলেন, বিয়ে করে কেমন আছ? শ্বেতা কেমন আছে? গতকাল রোববার (৯ মার্চ)  ছুটির আমেজ নিয়েই একটি গণমাধ্যমকে ফোনে জানালেন ছোটপর্দার ‘হিরো’ রুবেল দাস।

    কার মাথায় প্রথম এসেছিল— ধারাবাহিকের প্রচারে দেব থাকবেন, কেনইবা মনে হলো?—এমন প্রশ্নের উত্তরে জানেন না বলে জানান রুবেল। তবে দেবের সঙ্গে কিছুক্ষণ কাটিয়ে তিনি চনমনে। দেবকে বিয়ের টিপস দিলেন নাকি? পাল্টা প্রশ্ন রাখতেই রুবেলের গলায় কি ঈষৎ জড়তা? অল্প হেসে যেন বিষয়টি হালকা করতে চাইলেন। জানালেন তিনি দেবকে বিয়ের পরামর্শ দেবেন! এসব নিয়ে আর কোনো কথাই হয়নি তার। বরং দেব এদিন যেন সাংবাদিকের ভূমিকায় ছিলেন। একের পর এক প্রশ্ন করে গেছেন ধারাবাহিকের নায়ক ‘শাক্যজিৎ চট্টোপাধ্যায়’ ওরফে রুবেলকে। 

    যেমন কত বছর ধরে মেগা ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন রুবেল? কী রকম ছুটি পান? ৩০ দিনে কাজ থাকে শুনে ভীষণ অবাক বাংলার বর্তমান ‘সুপারস্টার’। শুটিং শেষ হতেই রুবেলকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে তার নতুন ধারাবাহিকের সাফল্য কামনা করেন পাগলু।

    আগের মতোই আছেন দেব। একটুও বদলাননি। এটা অভিনেতার ইতিবাচক দিক বলে জানান রুবেল। এর আগে প্রসেনজিৎ একাধিক ধারাবাহিক প্রযোজনা করেছেন। প্রচারেও যোগ দিয়েছেন। দেব ছোটপর্দায় নাচের রিয়্যালিটি শোতে বিচারকের আসনে বসেছেন। প্রচার ছবিতে এই প্রথম। 

    সাধারণ ঘরের ছেলে রুবেল। অনেক পরিশ্রম আর অপমান সহ্য করে ছোটপর্দার জনপ্রিয় নায়ক তিনি। সেও কি পারেন আগের মতো ফুচকা খেতে, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে? জবাব এলো— ভীষণভাবে পারি। বাংলার চার খ্যাতনামা নায়কের চলন-বলন-উচ্চারণ হয়তো তার সংলাপ উচ্চারণ শুনতে পাবেন দর্শক। বলতে বলতেই রুবেল অনায়াসে পর পর মিঠুন, প্রসেনজিৎ, জিৎ, দেবের ভঙ্গিতে কথা বলে উঠলেন। এমনিতেই অভিনেতা দক্ষ নৃত্যশিল্পী। চরিত্র জীবন্ত করতে নতুন করে সে সবে শান দিচ্ছেন। অ্যাকশনটাও অভ্যাস করে নিচ্ছেন।

    ফোন রাখার আগে দেবের প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি, বিয়ের পর কেমন আছেন রুবেল? এবার কপট অভিমান মিশল কণ্ঠস্বরে বললেন, ভেবেছিলাম, শুরুতেই জানতে চাইবেন। তা না করে সবশেষে। পরক্ষণেই ঝলমলে রুবেল। উচ্ছ্বসিত হয়ে জানালেন ভালো আছেন। খুব যে কিছু বদল ঘটেছে, তা নয়। তবে আগে শ্বেতা বাড়ি চলে যেতেন। এখন নায়কের সঙ্গে এক ছাদের নিচে। ঘুম থেকে কাজ— সব একসঙ্গে হচ্ছে। হাসতে হাসতে বললেন, কাকতালীয়ভাবে একই স্টুডিওতে আমাদের শুটিং হচ্ছে। আলাদা থাকার কোনো সুযোগই নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সমুদ্রসৈকতে দোলনায় দুলছেন দেব, সঙ্গী রুক্মিণী

    জনপ্রিয় অভিনেতা দেব ও অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র টালিউডের অন্যতম পাওয়ার কাপল। মাঝে মধ্যেই এ জুটি কাজের ফাঁকে বেরিয়ে পড়েন দূরদেশে নিজেদের মতো সময় কাটাতে। যদিও কখনই তাদের একসঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে ছবি পোস্ট করতে দেখা যায় না। তবে আলাদা আলাদা যতই ছবি দিক— দুইয়ে দুইয়ে চার করতে অসুবিধা হয় না নেটিজেনদের। এবারও কি একসঙ্গেই বেড়াতে গেলেন দেব ও রুক্মিণী?

    এদিন দেব বেশ কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন। সেখানে একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে সমুদ্রসৈকতে গাছের ছায়ায় থাকা একটি দোলনায় বসে দুলছেন দেব। সামনে দিগন্ত বিস্তৃত নীল সমুদ্র। এই ছবিটি পোস্ট করে অভিনেতা লিখেছেন—’এমনি।’ শুধু তাই নয়, এই ছবির সঙ্গে জুড়ে দেন জানে মন তুই জীবন গানটি। আরেক দিকে অভিনেতা একটি খালি দোলনা, সমুদ্রের ছবি এবং সকাল সকাল সমুদ্রের শোভা দেখতে দেখতে শরীর চর্চার ছবি পোস্ট করেছেন।

    অন্যদিকে রুক্মিণী মৈত্র একটি ঘরে বসেই বিভিন্ন ভঙ্গিতে ছবি তুলে সেটি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে লিখেছেন— ‘লুকোচুরি।’ তারা কোথায় বেড়াতে গেছেন সেটিও জানাননি। তবে তাদের অনুরাগীদের অনুমান মালদ্বীপে ছুটি কাটাচ্ছেন তারা। এদিন দেব ও রুক্মিণী একসঙ্গে নিজেদের কোনো ছবি পোস্ট না করলেও নেটিজেনদের  অনুমান তারা একসঙ্গেই বেড়াতে গেছেন।

    উল্লেখ্য, দেব অভিনীত ‘খাদান’ সিনেমাটি গত ডিসেম্বরে মুক্তি পেয়েছিল। বক্স অফিসে তুমুল সাড়া ফেলে সেই সিনেমা। ব্লকবাস্টার হিট হয়। অন্যদিকে রুক্মিণী মৈত্র অভিনীত ‘বিনোদিনী একটি নটীর উপাখ্যান’ সিনেমাটি গত জানুয়ারি মাসে মুক্তি পেয়েছে। সেই সিনেমাটিও মোটের ওপর ভালোই ব্যবসা করেছে। দর্শকদের দ্বারা প্রশংসিত হয়েছে রুক্মিণীর অভিনয়। 

    একটি বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভালো, সদ্যই এ সিনেমাটি সাউথ এশিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে একটি নয়, তিন-তিনটি বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে। সেরা পরিচালক, সেরা অভিনেত্রী এবং সেরা দর্শকদের পছন্দের সিনেমার খেতাব পেয়েছে রাম কমল মুখোপাধ্যায় পরিচালিত সিনেমাটি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে ফের জুটিতে দেব, শুটিং শুরু জুনে

    ২০১৯ সালে অতনু রায়চৌধুরীর প্রযোজনা সংস্থা বেঙ্গল টকিজের প্রতিষ্ঠা। সেই বছর থেকেই লেকভিউ রোডের অফিসে বাগদেবীর আরাধনা করছেন প্রযোজক। অতনু বলেন, আমাদের শিল্প-সংস্কৃতির দেবী সরস্বতী। তার আরাধনা না করলে কি হয়?

    এদিনও তার পাশে দেব। পূজার পাশাপাশি এদিন ‘প্রজাপতি ২’- এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও করলেন অতনু। আগামী জুন মাস থেকে লন্ডনে বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী ও দেবকে নিয়ে শুটিং শুরুর পরিকল্পনা। ছবিটি মুক্তি পেতে পারে চলতি বছরের ডিসেম্বরে, বড়দিনে।

    এদিকে ‘প্রজাপতি ২’- এর ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক অভিজিৎ সেন, কাহিনি-চিত্রনাট্যকার-পরিচালক লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, প্রযোজক শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী প্ৰমুখ।

    বাঙালির পূজা মানেই ভূরিভোজের আয়োজন। প্রসাদ হিসেবে প্রচুর ফল আর মিষ্টি ছিলই। দুপুরের মেন্যুতে ফ্রাইড রাইস, আলুর দম, রাধাবল্লভি, ছোলার ডাল, দইবড়া, পনির বাটার মসলা, পাঁপড়, গুলাব জামুন। তবে এদিন কাজ নয়, শুধুই আড্ডা— এই মেজাজ নিয়ে অতীতে ফিরে গিয়েছিলেন লীনা, তনুশ্রী, অতনুরা। 

    কাহিনি-চিত্রনাট্যকার-পরিচালক লীনা গঙ্গোপাধ্যায় জানালেন বাড়ির বদলে তারও অফিসে পূজা হয়। সারা বছর চিত্রনাট্য লেখালেখির পরও মন দিয়ে দেবীর আরাধনা করেন তিনি। তনুশ্রীর বাড়িতে প্রতি বছর পূজা হয়। তিনি বললেন, ছোটবেলার অভ্যাস, অঞ্জলি দেব না। সেই ধারা বজায় রয়েছে আজও। পূজা দিয়ে তবে কুল খেয়েছি। পরনে বাসন্তী রঙা সিল্কের শাড়ি ও মানানসই গহনা। খোলা চুল, লাল টিপ, হালকা রূপটানে কিশোরীবেলাকে মনে করিয়েছেন অভিনেত্রী। এদিন প্রত্যেক পুরুষ পাঞ্জাবি-পাজামায় শোভিত ছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবের বিশ্বাস অর্জন করতে পেরে খুশি ইধিকা

    টালিউড অভিনেতা দেবের ‘খাদান’ ছবির ঝড় এখনো থামেনি। এখনো রমরমিয়ে চলছে ছবিটি। এর মধ্যেই ফের দেবের পরবর্তী ছবিতে জায়গা করে নিলেন টালিউড অভিনেত্রী ইধিকা পাল। ‘রঘু ডাকাত’ ছবিতেও বিশেষ চরিত্রে অভিনয়ে ডাক পেলেন তিনি। তবে এখনই চরিত্র নিয়ে বেশি কিছু বলতে নারাজ অভিনেত্রী।

    বিনোদন জগতে ছোটপর্দা থেকে সফর শুরু ইধিকা পালের। সেখান থেকে দেবের নায়িকা। বর্তমানে অনুরাগীরা ‘কিশোরী’ নামেই তাকে বেশি চেনেন। আর এর মধ্যেই দেবের প্রযোজনা সংস্থার পরবর্তী ছবি ‘রঘু ডাকাত’-এ সুযোগ পেলেন ইধিকা। কীভাবে এলো এ সুযোগ, সে কথাই জানালেন অভিনেত্রী আনন্দবাজার অনলাইনকে।

     ইধিকা পাল বলেন, আমিও সদ্যই জানতে পেরেছি। কোনো ধারণা ছিল না। তবে আমার মনে হয়, এ সুযোগ পেলে আমার জায়গায় অন্য কেউ থাকলেও না বলত না। দুবার ভেবেও দেখত না। হঠাৎই এ প্রস্তাব আসে। তিনি বলেন, আমাকে ডাকা হয় এবং জানতে পারি ছবির কথা। যদিও চরিত্র নিয়ে এখনো কোনো কিছু বলা নিষেধ। তবে এটুকু বলতে পারি— এ ছবিও দর্শকদের ভালো লাগবে। তবে ছবির শুটিং কবে থেকে শুরু, তা নিয়ে এখনো কোনো পরিকল্পনা হয়নি বলে জানান ইধিকা।

    নতুন ছবিতে সুযোগ পেয়ে উত্তেজিত অভিনেত্রী বলেন, আমি খুব খুশি। খুবই উত্তেজিত হয়ে পড়েছি। এটিও দেবদার ‘ড্রিম প্রজেক্ট’। সেই ছবিতেও আমাকে ভেবেছে এবং আবার আমাকে বিশ্বাস করেছে, তাই খুশি তো বটেই। দায়িত্ব তো রয়েছেই। আর একটা সুযোগ যখন পেয়েছি, সেটিও খুব ভালো করে কাজে লাগাতে চাই।

    ‘খাদান’ ছবির সাফল্য নিয়েও উচ্ছ্বসিত ইধিকা পাল। হাসতে হাসতে অভিনেত্রী বলেন, এর আগে বাংলাদেশে আমার নাম ‘প্রিয়তমা’ হয়ে গিয়েছিল। এখন আমার নামটা বদলে গেছে। এখন যেখানেই যাই, সবাই ‘কিশোরী’ বলে ডাকেন। ভালো লাগছে নতুন নাম পেয়ে।

     ‘রঘু ডাকাত’ ছবিতে ইধিকা ছাড়াও রয়েছেন টালিউডের আরেক অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। তার সঙ্গেও ছবি শেয়ার করে নিয়েছিলেন দেব। ইধিকার কথায়, সোহিনীদির সঙ্গে এই প্রথম কাজ। এর আগে সেভাবে কোথাও দেখা হয়নি। তবে সোহিনীদি খুব ভালো। খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ ওর। আশা করছি, একসঙ্গে কাজ করে আমরা মনে রাখার মতো বহু মুহূর্তের সাক্ষী থাকব।

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালে প্রথম ‘রঘু ডাকাত’ ছবির ঘোষণা হয়েছিল। বড় বাজেটের ছবি বলেই নাকি এর কাজ শুরু হতে সময় লাগছিল। পরে ‘খাদান’-এর সাফল্যের পর ফের চর্চায় উঠে এসেছে দেবের ‘রঘু ডাকাত’। ছবিটি পরিচালনা করছেন ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বন্ধু ফেল করলে দুঃখ পায় বাঙালি, আরও বেশি পায় পাশ করলে: দেব

    বেশ কয়েক বছর ধরে টালিউডে তেমন কোনো ব্যবসা সফল সিনেমা নেই বললেই চলে। অনেকটা অলস সময় পার করছেন এই সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির নামি অভিনেতা-অভিনেত্রীরা।

    ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ কম থাকায় সম্প্রতি সময় ঢাকামুখী হতে দেখা গেছে সেখানকার শিল্পীদের। গত দুই বছরে বাংলাদেশে কাজ করেছেন কলকাতার ইধিকা পাল, দর্শনা বণিক, মিমি চক্রবর্তী, সায়ন্তিকা ব্যানার্জি, কৌশানী মুখার্জিসহ আরও অনেকে। তারও আগে কাজ করেছেন শ্রাবন্তী, স্বস্তিকা, প্রিয়াঙ্কা, ঋতুপর্ণার মতো শিল্পীরা।

    ঠিক এমন একটা সময় সুপারস্টার দেবের ‘খাদান’-এর মত ছবি টালিউডের ব্যবসায়িক ভাগ্য ফেরালেন। অবশ্য ‘খাদান’ তৈরির সময়ে মোটেই এমন প্রত্যাশা ছিল না তার। এত দীর্ঘ ক্যারিয়ার এবং সাফল্যের পরও আজ যেন স্বপ্নপূরণের দিন এমনটাই জানালেন তিনি। 

    সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমে এসব নিয়ে কথা বলেন এই অভিনেতা। দেব বলেন, ‘শুধু তো স্বপ্ন পূরণ নয়, এই সাফল্য আমার দায়িত্ব বাড়াল দশ গুণ। আমাকে এবার ভাবতে হবে যখন বাংলা কমার্শিয়াল ছবির সঙ্গে অন্য ভাষার ছবি মুক্তি পাবে তখন যেন কোনো অংশে বাংলা পিছিয়ে আছে এমন মনে না হয়। ক্যানভাসটা আরও বড় করতে হবে।’

    সাফল্যের সঙ্গে বিতর্ক কখনো তার পিছু ছাড়েনি। এ প্রসঙ্গে দেবের মত,‘আমি কন্ট্রোভার্সি থেকে দূরে থাকতে চাইলেও বিতর্ক আমার পিছু ছাড়ে না। আমি কিন্তু কারও খাবার ছিনিয়ে নিয়ে নিজের পেটটা ভরতে চাই না। আমার লক্ষ্যটা খুব ক্লিয়ার। আমি একা বড় হতে চাই না। ইন্ডাস্ট্রিটাকে বড় করতে চাই। ২০২৭-২০২৮-এ দাঁড়িয়ে আমাদের বক্স অফিসটা যেন ৫০-৬০ কোটি টাকা ছুঁতে পারে। এইভাবেই তো সাউথ-মুম্বই ইন্ডাস্ট্রি বড় হয়েছে। আমরা এগোতে পারি না তার কারণ আমরা একে অন্যের সাকসেসটাকে সেলিব্রেট করি না। কেউ কাউকে এগোতে দিই না। আমি সেটাকেই ভাঙতে চাই।’

    বাঙালি কাঁকড়ার জাত। এ কথা কি বিশ্বাস করেন দেব? উত্তরে অভিনেতার স্পষ্ট জবাব, ‘বাঙালির একটা অদ্ভুত অভ্যাস আছে। বন্ধু ফেল করলে দুঃখ পায়। পাশ করলে আরও বেশি দুঃখ পায়। প্রথম হলে তো কথাই নেই!’ আমার কাছে আর কিছুই ম্যাটার করে না। শুধু আমার দর্শক কী বলছেন সেটুকু নিয়েই আমি চিন্তা করি।’

    দেব বলেন, ‘রুক্মিণীর বিনোদিনী নিয়েও তো লোকে নানা কথা বলেছেন। অনেক বড়-বড় অভিনেত্রীরাও বলেছেন এত রোগা বিনোদিনী হয় নাকি? তাতে রুক্মিণী বিচলিত হলেও আমি ওকে বলেছিলাম, তুমি নিজের কাজেই ফোকাস করো। আশেপাশের কথায় কান দিও না। নিজে যদি কনফিডেন্ট থাকো তা হলে ছবিটা করো, না হলে করো না। আমি মন থেকে বিশ্বাস করি, কাউকে ছোট করে নিজেকে বড় করা যায় না। আমার রাজনৈতিক জীবনেও কোথাও প্রচারে গেলে বিপক্ষ দলের লোককে আমি শুভেচ্ছাবার্তা পাঠাই। এটা বোধহয় ভারতবর্ষে প্রথমবার আমিই করতে পেরেছি।’

    ‘খাদান’ মুক্তির পর ফ্যান ক্লাবের অন্য ছবি নিয়ে নানা কটাক্ষ প্রসঙ্গে দেবের বলেন, ‘ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের সমর্থকরাও নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করেন। এতে কি দলের কোন হাত থাকে? সে রকম আমারও একই বক্তব্য, আমার অনুরাগীরা যদি কাউকে কটাক্ষ করে থাকেন, তার দায়িত্ব আমি কীভাবে নিতে পারি? এই সবের মধ্যে আমাকে বারবার টানা হচ্ছে। সেলিব্রিটিরা তো সব সময়েই সফট টার্গেট। আর আমি তো আমার ক্যারিয়ারের শুরু থেকে ট্রোলড হচ্ছি। তাই এ সব বিষয়কে ইগনোর করাই ভালো বলে আমার মনে হয়।’

    বিনোদন ডেস্ক