সাইফের ওপর হামলাকারী বাংলাদেশি কিনা প্রমাণ নেই

Written by

in

বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানকে ছুরিকাঘাত করার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে রোববার গ্রেফতার করেছে মুম্বাই পুলিশ। তার নাম শরিফুল ইসলাম শেহজাদা (৩১)। তিনি নিজেকে বিজয় দাস নামে পরিচয় দিতেন। তার কাছে ভারতীয় নাগরিকত্বের বৈধ কোনো প্রমাণ ছিল না। শরিফুলকে বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করেছে পুলিশ। তিনি কি আদৌ বাংলাদেশি! আদালতে প্রশ্ন তুললেন হামলাকারীর আইনজীবী। সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি দাবি করেন, পুলিশের কাছে কোনো প্রমাণ নেই। তার মক্কেল ওই এলাকায় গত সাত বছর ধরে রয়েছেন বলেও দাবি করেন।

গত বৃহস্পতিবার ভোরে নিজের বাড়িতেই আক্রান্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেতা সাইফ। ছুরির আঘাতে মারাত্মক জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। ঘটনার তিন দিন পর, রোববার ভোরে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করে মুম্বাই পুলিশের অপরাধ দমন শাখার কর্মকর্তারা।

কিন্তু এদিন বান্দ্রা আদালতে শরিফুলকে তোলা হলে, তার আইনজীবী সন্দীপ শেখানে দাবি করেন, তার মক্কেল যে বাংলাদেশের নাগরিক, এমন কোনো প্রমাণ পুলিশের হাতে নেই। গত সাত বছর ধরে সপরিবার শরিফুল মুম্বাই এলাকায় বাস করছেন বলেও দাবি করেন সন্দীপ। এর আগে ঠাণের হিরনন্দানি এস্টেট এলাকা থেকে শরিফুলকে গ্রেফতারের পর মুম্বাই পুলিশের ডিসিপি (অপরাধ দমন) দীক্ষিত গেদাম জানিয়েছিলেন, শরিফুলের কাছে ভারতীয় নাগরিকত্বের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সন্দেহ করা হচ্ছে তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। গত পাঁচ-ছয়মাস ধরে এই এলাকায় থাকছিলেন এবং বিভিন্ন হোটেলে কাজ করছিলেন।

তার আইনজীবী আরও বলেন, ‘আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি পুলিশকে এই সময়ের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশও দিয়েছেন। পুলিশের কাছে এমন কোনো তথ্য নেই যা থেকে প্রমাণ হয় শরিফুল বাংলাদেশের নাগরিক।’

সন্দীপের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে নোটিশ জারি করা হয়নি। আদতে হত্যার কোনো উদ্দেশ্যই ছিল না। এফআইআর বা রিমান্ড কপিতে হত্যা বা প্রাণনাশের হুমকির মতো কোনো শব্দের উল্লেখ করা নেই। অথচ, সরাসরি পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হল।

একা সন্দীপ নন, শরিফুলের আর এক আইনজীবী দীনেশ প্রজাপতি দাবি করেন, গত সাত বছর ধরে তিনি সপরিবার মুম্বাই এলাকায় বাস করছেন। তিনি দাবি করেন, ‘আমার মক্কেলের কাছে থেকে কিছুই পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশি হওয়ার কোনো তথ্যও আদালতে পেশ করতে পারেনি পুলিশ।

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *