Tag: গ্রেফতার

  • বিটিএস তারকার বাড়িতে ১৩৩ বার বেল বাজানো ব্রাজিলিয়ান নারী ভক্তের কারাদণ্ড

    জনপ্রিয় বিটিএস তারকা জাংকুকের বাড়িতে দফায় দফায় অনুপ্রবেশ এবং বারবার সতর্ক করার পরও উত্যক্ত করার দায়ে ব্রাজিলের এক নারী ভক্তকে স্থগিত কারাদণ্ড দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত। 

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, শুধু একদিনেই ওই ভক্ত জাংকুকের বাড়ির কলিংবেল ১৩৩ বার বাজিয়েছিলেন। 

    নাম প্রকাশ না করা ওই নারী গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ২৮ বছর বয়সি এই পপ তারকার পিছনে লাগেন (স্টকিং শুরু করেন)। নিজের এই কর্মকাণ্ডকে গায়কের প্রতি ‘ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ’ দাবি করে তিনি জাংকুকের বাড়ির দরজার ফাঁক দিয়ে চিঠি এবং ছবি রেখে আসার চেষ্টাও করেছিলেন। 

    সিউলের একটি জেলা আদালত ওই নারীকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন, যা আগামী দুই বছরের জন্য স্থগিত থাকবে। তবে আইনি আপিলের মাধ্যমে রায় পরিবর্তন করতে না পারলে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে তাকে নিজ দেশে ফেরত (ডিপোর্ট) পাঠানো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

    মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, গত ৭ ডিসেম্বর ওই নারী প্রথম সিউলে জাংকুকের বাড়িতে যান। সেখানে তিনি বাড়ির চারপাশে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ান, প্রাচীর টপকে ভেতরে জিনিসপত্র ছুড়ে মারেন এবং দরজার ফাঁক দিয়ে চিঠি গলিয়ে দেন। 

    এর মাত্র কয়েকদিন পর তিনি আবারও সেখানে যান এবং এক টানা ১৩৩ বার কলিংবেল বাজান। আদালত এই আচরণকে ‘চরম মাত্রার পাগলামি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ১৩ ডিসেম্বর এক ফুড ডেলিভারি ম্যান-এর পিছু নিয়ে একটি পার্শ্ববর্তী গেট দিয়ে বাড়ির সীমানায় প্রবেশের সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন আর কখনো এই বাড়ির আশেপাশে না আসার শর্তে ও সতর্কবার্তা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়—যা তিনি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেন।

    নিষেধাজ্ঞা অমান্য ও চূড়ান্ত আইনি পদক্ষেপ 

    পরবর্তী কয়েক সপ্তাহেও তার এই আনাগোনা চলতে থাকলে পুলিশ জাংকুকের বাড়ির ১০০ মিটারের মধ্যে ওই নারীর প্রবেশের ওপর জরুরি নিষেধাজ্ঞা জারি করে। 

    কিন্তু এত কিছুর পরও তিনি দমে যাননি। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাংকুকের বাড়িতে যাতায়াত অব্যাহত রাখায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে পুলিশ অবশেষে মামলাটি প্রসিকিউটরদের কাছে হস্তান্তর করে। আদালতকে জানানো হয়, ওই নারী সব মিলিয়ে মোট ২২ বার এই পপ তারকার বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন। 

    উল্লেখ্য, কে-পপ তারকাদের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এটিই প্রথম নয়। গত বছরের জুন মাসে জাংকুক তার বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা শেষ করার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মাথায়, এক চীনা নারী (৩০) তার বাড়িতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে সিউল থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন। 

    অনলাইন ডেস্ক

  • ববির বাসা থেকে প্রযোজক গ্রেফতারের তথ্য ভিত্তিহীন, জানালেন অভিনেত্রী

    প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী মির্জা আবুল বাশার মামুনকে গ্রেফতার করেছে গুলশান থানা পুলিশ। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চাকরি দেওয়া, ব্যবসায় বিনিয়োগ, গাড়ি কেনাবেচা এবং কুরবানির গরু কেনার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। 

    শনিবার (২০ জুন) মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার আল আমিন হোসাইন গ্রেফতারের এ তথ্যটি জানান।

    গ্রেফতারের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে বলা হয় অভিনেত্রী  ইয়ামিন হক ববির বাসা থেকেই মির্জা আবুল বাশারকে আটক করা হয়েছে। এমনকি ওই প্রযোজককে ববির ‘কথিত স্বামী’ বলা হয়। তবে গণমাধ্যমে এমন খবরে অভিনেত্রী তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এ খবরকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

    গুলশান থানা পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন পলাতক থাকা মির্জা বাশার মামুনের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর শুক্রবার (১৯ জুন) গভীর রাতে গুলশানের একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন গুলশান থানার ওসি (অপারেশন) মো. মিজানুর রহমান। প্রাথমিকভাবে তল্লাশিতে তাকে পাওয়া না গেলেও পরে বাথরুমের ফলস সিলিংয়ের ভেতর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। 

    তবে মির্জা আবুল বাশারের বিরুদ্ধে কোন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে, তা অবশ্য বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি। বর্তমানে তাকে থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

    এদিকে গ্রেফতারের পর কিছু গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে মির্জা আবুল বাশার মামুনকে অভিনেত্রী ইয়ামিন হক ববির বাসা থেকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে। 

    তবে তথ্যকে ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রী ববি। তিনি বলেন, তার নামে যেই বাসার কথা বলা হচ্ছে, সেই এলাকায় তার কোনো বাসা নেই। এমনকি ওই ব্যক্তির সঙ্গে তার কোনো ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক কোনো সম্পর্কও নেই। 

    একটি গণমাধ্যমকে অভিনেত্রী আরও বলেন, আমাকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরগুলো বিভ্রান্তিকর। এমনকি তারা এ খবর করার আগে আমার বক্তব্য নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি।

    এ ছাড়া ববি মির্জা বাশারের ‘কথিত স্ত্রী’ শিরোনামে দেওয়া বিবৃতিতে খবরটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট, ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রী ইয়ামিন হক ববি। তিনি এক পোস্টে লিখেছেন— শনিবার বিকাল থেকে ব্যবসায়ী মির্জা আবুল বাশার কেন্দ্র করে আমাকে নিয়ে বেশকিছু গণমাধ্যমে চটকদার সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বাশারের সঙ্গে জড়িয়ে কোথাও ‘কথিত স্ত্রী’, কোথাও ‘স্ত্রী’ শিরোনামে খবর প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, তবে দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি আমার আস্থা রয়েছে। আমাকে হেয় করার জন্য যেসব গণমাধ্যম ভুয়া খবর ছড়িয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেব। 

    অভিনেত্রী বলেন, আমাকে আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন, যদি বিয়ে নামের পবিত্র সম্পর্কে জড়িয়ে থাকি, সেটি অবশ্যই আমি নিজ থেকে সামনে আনব।

    মির্জা আবুল বাশার মামুন গ্রেফতারের আগে এক ভিডিওতেও অভিনেত্রী ববির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, নায়িকার সঙ্গে তার পারিবারিক, ব্যবসায়িক কিংবা পেশাগত কোনো সম্পর্ক নেই। এবং তাকে জড়িয়ে প্রচার করা তথ্য সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। 

    অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মামুনের বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বেনজীরের গ্রেফতারে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট পরীমনির, কেন?

    সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেফতার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পুলিশ। দুদকের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর পুলিশের সাবেক এ কর্মকর্তা গ্রেফতার হওয়ার খবর সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সেই আলোচনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢালিউড সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি।

    সামাজিক মাধ্যমে এক শব্দে তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী। দীর্ঘ কোনো প্রতিক্রিয়া না জানালেও একটি বাক্য লিখে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তিনি। চ্যানেল২৪ অনলাইনের করা ‘বেনজীর আহমেদকে কীভাবে গ্রেফতার’ করা হয়েছে— এমন সংবাদের ফটোকার্ড নিজ টাইমলাইনে শেয়ার করে নিয়েছেন পরীমনি। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন—‘মজা’। তার এই মাত্র শব্দ প্রকাশের পর মন্তব্যের ঘরে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে।

    সামাজিক মাধ্যমে পরীমনির এ বক্তব্য নেটিজেনদের মাঝে আলোচনার ঝড় ওঠে। এক নেটিজেন লিখেছেন—২০২১ সালে ঢাকা বোট ক্লাবে ঘটে যাওয়া ঘটনা কেন্দ্র করে অভিনেত্রীর জীবনে যে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল,  সেই প্রসঙ্গের জন্যই হয়তো এদিন এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। যদিও এ ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

    বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, এর আগে ২০২৪ সালের ৪ মে বেনজীর আহমেদ দেশ ছাড়েন। সেদিন তিনি কোন দেশে যান, সে ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এরপর থেকে লোকচক্ষুর আড়ালে থাকেন সাবেক এ আইজিপি।

    উল্লেখ্য, বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার ও র্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। অভিযোগ রয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র্যাবের সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় র্যাবের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বেনজীর আহমেদের নামও ছিল। যুক্তরাষ্ট্র যখন নিষেধাজ্ঞা দেয়, তখন আইজিপির দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফানি ভিডিও বানিয়ে দুবাইয়ে ৪৭ দিন বন্দি ছিলেন ভারতীয় কমেডিয়ান

    দুবাইয়ে অবস্থানকালীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মজা করে একটি ভিডিও পোস্ট করার অপরাধে দীর্ঘ ৪৭ দিন বন্দি থাকার পর অবশেষে গত ৫ মে ভারতের স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান যশ ভরদ্বাজকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। 

    মুম্বাইয়ের এই বাসিন্দা সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন এবং এটিকে তার জীবনের অন্যতম কঠিন সময় বলে বর্ণনা করেছেন। 

    বিতর্কটির শুরু হয় ২০২৬ সালের মার্চ মাসে, যখন যশ দুবাইয়ে গুগুল ম্যাপের ত্রুটি নিয়ে একটি মজার রিল ভিডিও আপলোড করেন। সেই কৌতুক নকশায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে সৃষ্ট জিপিএস বিভ্রাটের প্রসঙ্গ উল্লেখ ছিল। 

    পরবর্তীতে গত ১৯ মার্চ দুবাইয়ে একটি শো-এর প্রস্তুতি নেওয়ার সময় হঠাৎ দুবাই পুলিশের সদর দপ্তর থেকে তার কাছে ফোন আসে এবং অবিলম্বে সেখানে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। 

    যশের মতে, তিনি এটিকে একটি সাধারণ ও নিরীহ কৌতুক মনে করলেও, দুবাই কর্তৃপক্ষ ভিডিওটিকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    যশ বলেন, ‘এটি একটি সাধারণ এবং বোকা ধরনের রিল ছিল—কিন্তু কর্তৃপক্ষ বিষয়টি মোটেও হাসিমুখে নেয়নি। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করে আমাকে আটক ও গ্রেফতার করা হয় এবং একটি ডিটেনশন সেন্টারে আমাকে ৪৭ দিন কাটাতে হয়।’ 

    পুরো ঘটনাটি যে এভাবে একটি সাধারণ কৌতুক থেকে গুরুতর আইনি জটিলতায় রূপ নেবে, তা ভাবতেও পারেননি যশ। এই বন্দিদশা এবং মামলার অনিশ্চয়তা তার ও তার পরিবারের ওপর তীব্র শারীরিক, মানসিক এবং আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছিল। 

    তিনি জানান, ‘৫ মে ভারতে ফিরে এসেছি। আমার বা আমার পরিবারের জন্য এটি মোটেও সহজ ছিল না—এটি আমাদের শারীরিকভাবে, মানসিকভাবে এবং কিছুটা হলেও আর্থিকভাবে নিঃশেষ করে দিয়েছে।’ 

    দুবাই থেকে বিতাড়িত করার আগে এই কমেডিয়ানকে প্রায় সাত সপ্তাহ একটি কেন্দ্রীয় ডিটেনশন সেন্টারে কাটাতে হয়, যা তার ভাষায় ছিল—‘অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন, জনাকীর্ণ এবং অনিয়ন্ত্রিত।’ 

    নতুন করে শুরুর প্রত্যয় 

    মুম্বাইয়ে ফেরার পর যশ আবারও মঞ্চে পারফর্ম করা শুরু করেছেন। সহকর্মী এবং দর্শকদের ভালোবাসা ও সমর্থন তাকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সাহায্য করেছে।

    তার ভাষায়, ‘আমি এখন আবার ট্র্যাকে ফিরে এসেছি এবং ভাগ্যবশত আমার পরিবারও ভালো আছে। মুম্বাই আমার প্রতি সদয় ছিল, যার কারণে আমি ধারণার চেয়েও অনেক দ্রুত মঞ্চে ফিরতে পেরেছি।’ 

    ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে যশ জানান, তিনি এখন বেঙ্গালুরুতে স্থানান্তরিত হওয়ার কথা ভাবছেন; ১৬ বছর আগে এই শহরেই তার স্ট্যান্ডআপ ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল। তিনি ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী এবং নতুন পারফরম্যান্স ও সৃজনশীল প্রজেক্টে মনোযোগ দিতে চান। 

    তবে এই অভিজ্ঞতা তাকে মনে করিয়ে দিয়েছে যে, একটি ছোট কৌতুকও কতটা মারাত্মক রূপ নিতে পারে—বিশেষ করে তা যদি কোনো সংবেদনশীল ভূ-রাজনৈতিক ইস্যুকে স্পর্শ করে।

    উল্লেখ্য, এই পুরো ঘটনাটি নিয়ে দুবাই কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। 

    সূত্র: এনডিটিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • উত্তরায় বার থেকে নায়ক মাসুদ শেখ গ্রেফতার

    রাজধানীর উত্তরার একটি বারে পুলিশের অভিযানে ঢাকাই সিনেমার নব্বই দশকের আলোচিত অভিনেতা মাসুদ শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রাজধানীর উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের একটি বারে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গভীর রাতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় সেখান থেকে ১৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। সেদিন বারটিতে ছিলেন ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের আলোচিত নায়ক মাসুদ শেখ।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযান চলাকালে বারটিতে উপস্থিত ১৪০ জনের সঙ্গে মাসুদ শেখকেও আটক করা হয়। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে তিন দিনের কারাদণ্ড এবং দুই হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন।

    নায়ক মাসুদ শেখ খুব বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় না করলেও চলচ্চিত্র পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার বাবা মজিবুর রহমানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘হাসনাবাদ কথাচিত্র’ থেকে একসময় বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় সিনেমা নির্মিত হয়েছিল।

    ১৯৯৪ সালে প্রখ্যাত নির্মাতা কাজী হায়াতের ‘দেশপ্রেমিক’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। সেই সময় তার উপস্থিতি দর্শকদের নজর কাড়ে। তবে শাবনূরের নায়ক হিসেবেই পরিচিতি পান তিনি।

    দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ‘পাগলা বাবুল’, ‘জামিন নাই’, ‘আসামি বধূ’, ‘দুর্দান্ত পামেলা’, ‘কুখ্যাত জরিনা’, ‘খবর আছে’ এবং ‘মানুষ কেন অমানুষ’র মতো আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করেন।

    হঠাৎ এই নায়ককে গ্রেফতারের ঘটনায় বিনোদন অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। নব্বই দশকের এই পরিচিত মুখ ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রীকে নিপীড়নের অভিযোগে পরিচালক গ্রেফতার

    এক তরুণী অভিনেত্রীর করা শ্লীলতাহানির অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয়েছেন দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় পরিচালক ও প্রযোজক রঞ্জিত বালাকৃষ্ণন। ঘটনাটি ঘিরে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে এই নির্মাতা জেলে বন্দি রয়েছেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই অভিনেত্রী সম্প্রতি কোচি পুলিশের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, একটি সিনেমার শুটিং চলাকালীন পরিচালক রঞ্জিত তাকে কথা বলার বাহানায় একটি ক্যারাভ্যানে ডেকে নেন। সেখানে তাকে শারীরিক হেনস্তার চেষ্টা করা হয় বলে দাবি করেন ওই অভিনেত্রী।

    অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তদন্তে নামে কোচি পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, এক গোপন অভিযানের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রঞ্জিতের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই সুনির্দিষ্ট ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গ্রেফতারের পর রঞ্জিতকে স্থানীয় আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রঞ্জিতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।  তবে পরিচালকের আইনজীবীর দাবি, ‘এই মামলা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং আমরা এর বিরুদ্ধে আইনি পথেই লড়াই করব।’

    এদিকে ঘটনাটি সামনে আসার পর মালয়ালম চলচ্চিত্র জগতে তীব্র ক্ষোভ ও আলোচনা শুরু হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গ্রেফতার কাণ্ডের পর প্রথমবার মুখ খুললেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স

    কিছু দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার রাস্তায় মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মার্কিন পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। পরবর্তীতে মুক্তিও পান তিনি।

    সেই গ্রেফতার কাণ্ডের পর সম্প্রতি প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন এই সংগীতশিল্পী। ব্রিটনি স্পিয়ার্স জানিয়েছেন, মাঝে কঠিন সময় পার করলেও তিনি ইতিবাচকভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

    গত ৫ মার্চ ওয়েস্টলেক ভিলেজে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গাড়ি চালানোর অভিযোগে ৪৪ বছর বয়সী এই গায়িকাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, তিনি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন এবং নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন। প্রাথমিক তদন্তের পর তাকে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সন্দেহে আটক করা হয়।

    গ্রেফতারের পর বেশ কিছুদিন জনসম্মুখে না আসায় তাকে নিয়ে ভক্তরা উদ্বিগ্ন ছিল। তবে দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি সহজ ও আন্তরিক বার্তা শেয়ার করেছেন ব্রিটনি। তিনি লিখেছেন, ‘সবরকম সমর্থনের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ… পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো সত্যিই অনেক বড় আশীর্বাদ। সবাই মানবিক হওয়ার চেষ্টা করবেন।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বর্তমানে এই সংগীত তারকা তার ছোট ছেলে জেডেনের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। জানা গেছে, বড় ছেলে শনও খুব শিগগিরই তার সঙ্গে যোগ দেবেন। সন্তানদের সান্নিধ্য তাকে মানসিকভাবে সুস্থ হতে সাহায্য করছে বলে মনে করছেন গায়িকার ঘনিষ্ঠরা।

    এদিকে ব্রিটনির পক্ষ থেকে তার প্রতিনিধি দল এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ‘এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ আগামী ৪ মে তার আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা রয়েছে। ঘনিষ্ঠ জনদের মতে, ব্রিটনি বর্তমানে নিজের ভুল সংশোধন করে ধাপে ধাপে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফের গ্রেফতার হলেন মার্কিন তারকা অভিনেতা

    চলতি মাসের শুরুতে নিউ ওরলেনসের একটি বারের বাইরে বেশ কয়েকজনকে মারধরের অভিযোগে অভিযুক্ত হলিউড অভিনেতা শিয়া লাবেউফকে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ওরলেনস শহরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তাকে ‘সিম্পল ব্যাটারি’র (সাধারণ মারপিট) আরও একটি নতুন অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয় বলে আদালতের নথিপত্রে জানা গেছে।

    লাবেউফের আইনজীবীর দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই গ্রেফতার গত ১৭ ফেব্রুয়ারির মারামারির ঘটনার সঙ্গেই সম্পর্কিত। ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টারের কাছে ‘রয়্যাল স্ট্রিট ইন অ্যান্ড আর বার’-এর বাইরে মার্ডি গ্রাস উৎসব চলাকালীন এই ঘটনা ঘটেছিল।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, লাবেউফ কয়েকজনকে মারধরের সময় সমকামীবিদ্বেষী মন্তব্যও করেছিলেন। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি এক ব্যক্তিকে মাটিতে ফেলে দেন এবং আরেকজনের মুখে ঘুষি মারেন। এ সময় ওই ব্যক্তি গুরুতর আহত হন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শুক্রবার নিউ ওরলেনস পুলিশ নতুন গেফতারি পরোয়ানা জারি করলে লাবেউফ স্বেচ্ছায় ওরলেনস পারিস জেলে আত্মসমর্পণ করেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী সারাহ চারভিনস্কি।

    লাবেউফের আইনজীবী সারাহ চারভিনস্কি পুলিশের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেন, ‘একটি মাত্র সাধারণ মারধরের ঘটনার জন্য কোনো সাধারণ মানুষকে ১ লাখ ডলারের বেশি মুচলেকা দিতে হয় না বা দুইবার জেলে যেতে হয় না। একজন পাবলিক ফিগার হওয়ার কারণে তিনি যেমন বিশেষ সুবিধা পাওয়ার যোগ্য নন, তেমনি তার সঙ্গে কঠোর আচরণ করাও অনুচিত।’

    পুলিশি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায় শার্টহীন লাবেউফ একজনকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিচ্ছেন এবং অন্য একজনের মুখে ঘুসি মারছেন। যার ফলে ওই ব্যক্তির নাক ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল।

    তবে এই অভিনেতা এখনো আদালতে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দোষ স্বীকার বা অস্বীকার করেননি বলে প্রতিবেদন থেকে জানা যায়। 

    সূত্র: এবিসি নিউজ

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে অভিযোগে গ্রেফতার হলেন গায়ক নোবেল

    ফের গ্রেফতার হয়েছেন আলোচিত-সমালোচিত সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে আটকে রেখে হেনস্তা ও আপত্তিকর ছবি তৈরির চেষ্টার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    ডিএমপির ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হোসেন বিতর্কিত এই সংগীতশিল্পীকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ থানাধীন বটতলা এলাকা থেকে ডেমরা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তাকে থানা হাজতে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    এ বিষয়ে মুরাদ হোসেন বলেন, নোবেলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে আটকে রেখে হেনস্তার অভিযোগে মামলা রয়েছে। সেই মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালত থেকে একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়, সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভুক্তভোগী ওই নারী ২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট মামলাটি দায়ের করেন। ঘটনা তদন্তে দায়িত্ব পেয়েছিল পুলিশের তদন্ত সংস্থা পিবিআই। পিবিআই তদন্ত শেষে চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে এবং একই দিন আদালত নোবেলসহ চার জনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন।

    মামলার এজাহার অনুযায়ী ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ- নোবেল বিভিন্ন সময়ে তার গোপন ছবি তুলে সেগুলো ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করতেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে পারিবারিকভাবে নোবেলের সঙ্গে তার বিয়ের উদ্দেশ্যে এনগেজমেন্টও হয়। তবে শারীরিক সম্পর্কের জন্য নোবেল চাপ সৃষ্টি করলে তিনি তাতে সম্মতি দেননি। পরবর্তীতে ওই গোপন ছবি দেখিয়ে নোবেল তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ২০ লাখ টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নেন।

    এর আগে ভুক্তভোগী ওই নারীর আইনজীবী সাজিদুল ইসলাম গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছিলেন। অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারণাসহ একাধিক অভিযোগে দায়ের করা ওই মামলার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালত এ বছরের ২ ফেব্রুয়ারি নোবেলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গায়ক নোবেল গ্রেফতার

    ফের গ্রেফতার হলেন আলোচিত-সমালোচিত কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে আটকে রেখে হেনস্তা ও আপত্তিকর ছবি তৈরির চেষ্টার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ডিএমপির ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হোসেন বিতর্কিত এই সংগীতশিল্পীকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্দিরগঞ্জ থানাধীন বটতলা এলাকা থেকে ডেমরা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তাকে থানা হাজতে রাখা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    মুরাদ হোসেন বলেন, নোবেলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে আটকে রেখে হেনস্তার অভিযোগে মামলা রয়েছে। সেই মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালত থেকে একটি ওয়ারেন্ট জারি হয়, সেই ওয়ারেন্টের ভিত্তিতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জানা যায়, এর আগে নোবেল এক তরুণীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজস্ব স্টুডিওতে একদিন আটকে রাখেন এবং জোরপূর্বক আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তৈরি করার জন্য চাপ দেন। ভুক্তভোগী ওই তরুণী গত বছরের ১৩ আগস্ট মামলাটি দায়ের করেন।

    পিবিআই তদন্ত শেষে চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। একই দিন আদালত নোবেলসহ চার জনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন। ডেমরা থানা পুলিশ সেই ওয়ারেন্ট তামিল করে নোবেলকে গ্রেফতার করে এবং বর্তমানে তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

    বিনোদন ডেস্ক