Tag: মুম্বাই

  • মুম্বাইয়ে আতঙ্ক, তবে কি দেশ ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যে সংসার পাতবেন সাইফ-কারিনা?

    চলতি বছরের শুরুতে পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের ওপর দুষ্কৃতকারীর হামলার ঘটনায় থমকে গিয়েছিল বি-টাউন। মধ্যরাতে অভিনেতার বান্দ্রার বাড়িতে ঢুকে পড়েছিল এক দুষ্কৃতকারী। চুরিতে বাধা পেয়ে গৃহকর্তাকেই কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যান তিনি।

    সেই সময়ই নিরাপত্তার খাতিরে বাড়ি বদলের কথা ভেবেছিলেন অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। তবে শেষ পর্যন্ত সাইফ হাসপাতাল থেকে ফিরেছিলেন নিজের বাড়িতেই। বাড়ানো হয়েছিল তাদের আবাসনের নিরাপত্তা। এবার নাকি একেবারে দেশ ছেড়ে অন্যত্র সংসার পাততে চলেছেন দম্পতি। একটি সূত্র জানায়, কাতারের রাজধানী দোহায় বসবাস করবেন তারা।

    দোহার সেন্ট রেগিস মারসা আরবিয়া দ্বীপে নিজেদের জন্য একটি বাড়ি কিনেছেন সাইফ-কারিনা দম্পতি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাইফ জানান, তিনি এমন একটা জায়গায় বাড়ি চাইছিলেন, যা ভারত থেকে খুব দূরেও হবে না। আবার নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও বিলাসবহুল হবে। অভিনেতা আসলে নিজেদের জন্য দ্বিতীয় একটি আস্তানা খুঁজছিলেন।

    সাইফ বলেন, এখানে বাড়ি কেনার আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় ছিল। যাতে জায়গাটা নিরাপদ হয়। ওখানে গিয়ে সুরক্ষিত মনে হয়েছে। একটা দ্বীপের মধ্যে বাড়ি তৈরি করে থাকার জায়গা— এই চিন্তাটাই দারুণ লেগেছিল এবং থাকার জন্য খুবই ভালো। ওখানকার খাওয়া-দাওয়া ও জীবনযাত্রার মধ্যে একটি নিশ্চিন্ত রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার মালাইকার বাড়িতে ঢুকে পড়ল অজ্ঞাতনামা

    কিছু দিন আগেই বলিউড তারকা সাইফ আলি খানের ওপর হামলার খবরে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল মুম্বাই শহর। প্রায় একই রকমের অভিজ্ঞতা হয়েছিল মালাইকা অরোরারও। মুম্বাইতে অভিনেত্রী-মডেলের বাড়িতেও ঢুকে পড়েছিলেন এক অজ্ঞাতপরিচয়। ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন মালাইকা। সেই ঘটনা সম্প্রতি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    সংখ্যা ব্যতীত বয়স কিছুই নয়, বার বার প্রমাণ করেছেন মালাইকা। ৫১ বছর বয়সেও তার চেহারায় মুগ্ধ অনুরাগীরা। এখনও মার্জার সরণিতে তার আত্মবিশ্বাস নজর কাড়ে। রাস্তায় এক ঝলক তাকে দেখা গেলেই নিমেষে ছেঁকে ধরেন ছবিশিকারিরা। তবে খ্যাতির সঙ্গে বিড়ম্বনাও থাকে। এক অনুরাগীর জন্যই বিপদে পড়েছিলেন মালাইকা। সেই অনুরাগীই নাকি গোপনে ঢুকে পড়েছিলেন তার বাড়িতে।

    মালাইকা সেই দিন নিজের ঘরে তৈরি হচ্ছিলেন। ঘর থেকে বেরিয়ে বসার ঘরে এসে দেখেন এক অজ্ঞাতপরিচয় নারী সেখানে বসে রয়েছেন। মালাইকা বলেছেন, ‘আমি বুঝতেই পারছিলাম না কিছু। আমাকে দেখেই কিছু একটা বলতে যান ওই নারী। সত্যি কথা বলতে, আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।’

    অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘একজন অচেনা নারী এসেছিলেন। তার সঙ্গে আর এক উন্মাদ ভক্ত এসেছিলেন। তারা সোফায় বসেছিলেন। তবে ওই নারীর কাছে কাঁচি জাতীয় কিছু একটা ছিল। ওটা দেখে ভয় হচ্ছিল। বুঝতে পারছিলাম, কিছু সমস্যা তো রয়েছে। আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করি। তার পরে তাদের সঙ্গে কথা বলি। অনুরাগীদের সঙ্গে যে এই ভাবেও কথা হতে পারে, সেই প্রথম অভিজ্ঞতা হয়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • যুজবেন্দ্র ও ধনশ্রীর বিবাহবিচ্ছেদের মধ্যেই মুখ খুললেন উরফি

    গত মাসে মুম্বাইয়ে বান্দ্রার পারিবারিক আদালতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল ক্রিকেট তারকা যুজবেন্দ্র চাহাল ও ধনশ্রী ভার্মাকে। সেখানেই তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। সামাজিক মাধ্যমে জুটি হিসাবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন এ দম্পতি। স্ত্রী নৃত্যপটীয়সী তার মন রাখতে ধনশ্রীর সঙ্গে পা মেলাতেও দেখা গেছে চাহালকে। কিন্তু তাদের বিবাহবিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ক্রমাগত কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় ধনশ্রীকে। এবার চাহালের সাবেক স্ত্রীর হয়ে কথা বললেন নেটপ্রভাবী উরফি জাভেদ।

    বিবাহবিচ্ছেদের পর সারাক্ষণ যেন সমালোচনার স্বীকার হতে হয় নারীকেই। সেই প্রসঙ্গে সুর চড়িয়েছেন উরফি। ধনশ্রী যে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, সে কথা যেমন জানিয়েছেন, তেমনই ধনশ্রীর কটাক্ষের শিকার তা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উরফি। তিনি  বলেন, আমি ধনশ্রীর সমর্থনে পোস্ট করেছিলাম। কারণ ওর প্রতি অন্যায় করা হচ্ছে। সেই পোস্টের পর ধনশ্রী আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। ওর সমর্থনে পোস্ট করার জন্য আমাকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। বলেছেন— তিনি ভীষণই কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

    যখনই কোনো ক্রিকেটারের সম্পর্ক ভেঙে যায় বা বিবাহবিচ্ছেদ হয়, তখনই নারীকে আঘাত করা হয়। কারণ আমাদের কাছে ক্রিকেটারই আসল নায়ক। আমরা কেউ-ই জানি না যে দুজনের মধ্যে কী ঘটেছিল— এমনকি নাতাশা ও হার্দিকের ক্ষেত্রেও কী ঘটেছিল, সবাই জানে তবু দোষ দেওয়া হয় সেই নারীকে। 

    তিনি বলেন, মনে আছে— ঠিক যেমনটি বিরাট কোহলি খারাপ খেললে হয়। এর জন্য আনুশকাকে দোষ দেওয়া হয়েছিল। তা হলে পুরুষের কাজের জন্য সবসময় নারীকেই দোষ দেওয়া হয়? একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও নারী যারা সম্পর্কে ছিলেন জানেন তারা কী করছে। ধনশ্রীকে সমর্থন জানিয়ে তিনি আরও বলেন।

    ধনশ্রী বা চাহাল এখনো পর্যন্ত কেউ-ই তাদের বিবাহবিচ্ছেদের খবর নিশ্চিত করেননি। তবে সামাজিক মাধ্যমে একে অপরকে আনফলো করেছেন এবং এমনকি একে অপরের সঙ্গে ছবিও মুছে ফেলেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখ চাইলে দিল্লি থেকেই সেই ‘বিশেষ পানীয়’ পাঠাবেন অশ্বিনী!

    খাবারের দুনিয়ায় একটা কথা প্রচলিত আছে— প্রত্যেকের ডিম খাওয়ার ধরণ আলাদা। কথাটা ঠিক বর্ণে বর্ণে সত্য না হলেও এ কথা মানতেই হবে যে, ডিম খেতে ভালোবাসেন যারা, তাদের ডিম খাওয়ার নিজস্ব প্রিয় ধরণ রয়েছে। ঠিক তেমনি কফি খাওয়ার ধরণও আলাদা। যেমন রয়েছে বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানেরও। 

    কফির ব্যাপারটি ঠিক ডিম খাওয়ার মতোই। কফিও নানাভাবে খাওয়া যায়। প্রত্যেকের পছন্দের কফির নিজস্ব স্বাদ আছে। কেউ চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি পছন্দ করেন। আবার কেউ ব্ল্যাক কফিই খান সামান্য চিনি দিয়ে। কেউ ইনস্ট্যান্ট কফি পছন্দ করেন, তো কেউ তাজা কফির দানা রোস্ট করে তা থেকে তৈরি করেন ফিল্টার কফি।

    বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খানের কেমন কফি পছন্দ? সেই প্রশ্নেরও উত্তর খোঁজেন ভক্তরা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলিউড বাদশাহ তার কফি খাওয়ার গল্প শুনিয়েছেন। 

    জানিয়েছেন, বহু বছর আগে খাওয়া একটি কফির স্বাদ আজও তার স্মৃতিতে উজ্জ্বল। এখনো মাঝেমধ্যেই সেই কফি খাওয়ার ইচ্ছে জাগে তার। তবে চাইলেই তো আর খাওয়া সম্ভব হয় না। কারণ তিনি মুম্বাইয়ের বাসিন্দা, আর সেই কফি পাওয়া যেত দিল্লিতে।

    বান্দ্রার মান্নাতবাসী শাহরুখের ছোটবেলা কেটেছে দিল্লিতেই। এমনকি কলেজের পড়াশোনাও তিনি শেষ করেছিলেন সেখানেই। বন্ধুদের সঙ্গে দিল্লির রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোর গল্পও বহুবার শুনিয়েছেন শাহরুখ। 

    দিল্লিতে স্কুলে এবং কলেজে পড়ার সময় বন্ধুদের সঙ্গে একটি দোকানে প্রায়ই কোল্ড কফি খেতে আসতেন কিং খান। 

    সেই কফির দোকানের নাম মনে করে শাহরুখ জানিয়েছেন, দোকানের নাম ছিল ‘ডিপল কফি শপ’। কাচের বোতলে ঠান্ডা কফি ভর্তি করে পরিবেশন করা হতো। 

    শাহরুখ জানিয়েছেন, স্কুল-কলেজে পড়ার সময় ওই কফির দোকানটাই ছিল তাদের আড্ডা দেওয়ার এবং আয়েশ করে সময় কাটানোর জায়গা। সেই সব স্মৃতি এখনো তার মনে পড়ে।

    শাহরুখ যে কফির দোকানের কথা বলেছেন, সেটির ঠিকানা দিল্লির জনপথ ভবন। ৭২ বছরের পুরোনো সেই দোকানের মালিক অশ্বিনী কাঠপালিয়া জানাচ্ছেন, শাহরুখ ‘ফৌজি’তে অভিনয় করার পরেও ওই দোকানে গিয়ে তার প্রিয় কফি খেয়ে এসেছেন। শুরু থেকে কোল্ড কফিই বানাতেন তারা। শাহরুখও সেই কফিই খেতে ভালোবাসতেন। 

    সাক্ষাৎকারে শাহরুখের কফি খাওয়ার কথা শুনে অশ্বিনী বলেছেন, ‘উনি হয়তো এখন আর আসতে পারবেন না। তবে তার যদি ছেলেবেলার প্রিয় কফি খাওয়ার কখনো ইচ্ছে হয়, তবে উনি আমাদের ফোন করলেই দিল্লি থেকে মান্নাতে কফি পাঠানোর ব্যবস্থা করব।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • অতীত খুঁড়ে বার করলেন সাইফের ভগ্নিপতি কুণাল

    পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের ওপর হামলার ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিলেন মুম্বাইয়ের বাসিন্দারা। মধ্যরাতে বিলাসবহুল বহুতল ভবনে ঢুকে পড়েছিলেন এক দুষ্কৃতকারী। বাধা দিতে গেলে সাইফকে ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত করেছিলেন তিনি। ১২ বছর আগে প্রায় একই রকম ঘটনা ঘটেছিল সোহা আলি খানের বাড়িতেও। সেই পুরোনো ঘটনা অতীত খুঁড়ে বার করলেন সাইফের ভগ্নিপতি কুণাল খেমু।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কুণাল বলেছেন, দুর্ভাগ্যবশত ১২ বছর আগে আমি এমনই একটা পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলাম। সোহার বাড়িতে এক দুষ্কৃত ঢুকে পড়ার চেষ্টা করেছিলেন। আমি তখন উপস্থিত ছিলাম সেখানে। সেটিও ডাকাতির ঘটনাই ছিল। তবে সৌভাগ্যবশত আমার সকাল সকাল ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। ধরে ফেলেছিলাম সেই দুষ্কৃতকারীকে। তারপর থানায় নিয়ে গিয়েছিলাম।

    তিনি বলেন, এসব ঘটনা ঘটতেই থাকবে। তাই নিজেদের সতর্ক থাকতে হবে বলে মনে করেন তিনি। কুণাল বলেন, আমাদেরই সাবধানে থাকতে হবে। আমরা বলে দিতে পারি না, আমাদের শহর খুব নিরাপদ, সোনার গহনা পরে রাস্তায় শুয়ে থাকলেও কিছু হবে না! তাই সব রকমভাবে নিজেকে ও নিজের পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। 

    তিনি বলেন, তার মানে কি এই যে আমি বলব— এই শহরে আমি নিরাপদে নেই, সেটিও আমি বলছি না। আমি এখনো মনে করি, বাস করার জন্য মুম্বাই শহরই অন্যতম সেরা। এই ধরনের ঘটনা সর্বত্র ঘটে।

    উল্লেখ্য, ঘটনা ২০১১ সালের। তখন সম্পর্কে ছিলেন সোহা ও কুণাল। মুম্বাইয়ের খার এলাকায় সোহার ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটেছিল। ভোরের দিকে হঠাৎই এক অচেনা কণ্ঠ শুনতে পান যুগল। তড়িঘড়ি ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়ে কুণাল দেখেন, এক দুষ্কৃত বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করছেন। কুণালকে দেখতে পেয়ে সেই দুষ্কৃত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু টাল সামলাতে না পেরে পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে পড়েন কুণাল। ধরে ফেলেন সেই দুষ্কৃতকারীকে। তাকে থানায় নিয়ে যান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফকাণ্ড: রাতারাতি ২৫ লাখ টাকা মিটিয়ে প্রশ্নের মুখে বিমা কোম্পানি

    সেলিব্রেটি বলে কথা। আর এ খ্যাতনামা হিসেবেই তারা সুবিধাভোগী— এমন অভিযোগ জনসাধারণের। আর অভিযোগ যে মিথ্যা নয়, তা আবার প্রমাণিত হলো বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানকাণ্ডে। ২৫ লাখ টাকার মিটিয়ে দেওয়া প্রশ্নে সাধারণ এক ব্যক্তি চিকিৎসক সংগঠনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

    আর এ অভিযোগের আঙুল তুলল মুম্বাইয়ের অ্যাসোসিয়েশন অব মেডিকেল কনসালট্যান্টস। ছুরিকাহত বলি তারকাকে শুশ্রূষা দিতে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। তার সুচিকিৎসার জন্য রাতারাতি ২৫ লাখ টাকা মঞ্জুর করে তার স্বাস্থ্য বিমা সংস্থা। একইভাবে চার দিনে ৩৬ লাখ টাকা পেতেও তার দেরি হয়নি। 

    অথচ সাধারণ মানুষ অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসা খাতে সাইফের থেকেও কম অর্থ খরচ করে স্বাস্থ্য বিমার দ্রুত পরিষেবার এ বিশেষ সুবিধা পান না। কেন পান না?—এমন প্রশ্ন তুলেছে মুম্বাইয়ের অ্যাসোসিয়েশন অব মেডিকেল কনসালট্যান্টস। তারা এ-ও জানতে চেয়েছে— এ বৈষম্য কতটা কাম্য?

    এক ব্যক্তি ওই চিকিৎসক সংগঠনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চিঠি লিখেছেন। সে চিঠির ছবিও তিনি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নিয়েছেন। তার পরেই টনক নড়ে সংগঠনের। অভিযোগকারীর মতে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিমা সংস্থা লীলাবতী হাসপাতালে অভিনেতার চিকিৎসার জন্য ২৫ লাখ টাকা অনুমোদন করেছে। যে ধরনের অসুস্থতা নিয়ে অভিনেতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন, তার ক্ষেত্রে এ ধরনের এফআইআর করা প্রয়োজন, যা সম্ভবত তারকা অভিনেতাকে দিতে হয়নি।

    ওই ব্যক্তি আরও দাবি বলেছেন, আগে সাইফ আলি খানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক। সব শ্রেণির গ্রাহককে সমান পরিষেবা দেওয়া হোক। অগ্রাধিকারমূলক চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়টি আটকাতে কড়া নিয়ম চালু হোক। জনসাধারণের আস্থা ফেরাতে নগদহীন চিকিৎসা অনুমোদনে স্বচ্ছতা আনা হোক।

    একই সঙ্গে চিঠিতে অভিযোগকারী পুরো ঘটনাকে স্বাস্থ্য বিমা সংস্থার বৈষম্যমূলক আচরণের নিকৃষ্টতম উদাহরণ তকমা দিয়েছেন। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি দেখিয়েছেন— কীভাবে খ্যাতনামা ও করপোরেট পলিসিধারকরা প্রায়ই অগ্রাধিকারমূলক চিকিৎসা পান। সে ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকাও সহজে অনুমোদন পান। এ সমস্যা সমাধানের জন্য চিকিৎসকদের সংগঠনের কাছে তার আবেদন— বিষয়টি যেন খতিয়ে দেখা হয়। বৈষম্য ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। নয়তো সাধারণ মানুষ বিমা সংস্থার ওপর আস্থা হারাবে। এতে আখেরে লোকসানের মুখে পড়তে হবে বিমা সংস্থাগুলোকেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের জিনিস নিয়ে বড়াই করিনি: উর্বশী

    পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের ওপর হামলার ঘটনায় আতঙ্কে মুম্বাই শহর। এ ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বড় বড় তারকারাও। আর এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রথমে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মডেল-অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলা ঠিকই, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে চলে যান নিজের ছবি ‘ডাকু মহারাজ’-এর সাফল্যের দিকে। 

    উর্বশীর দাবি— তার ছবি এতটাই সাফল্য পেয়েছে যে বাবা-মা দামি দামি উপহার দিয়েছেন তাকে। কিন্তু সাইফের ঘটনা দেখে সেই দামি উপহারগুলো ব্যবহার করতে ভয় পাচ্ছেন তিনি। তবে তার এ মন্তব্যের জন্য বলি অভিনেত্রীর দিকে ধেয়ে আসছে কটাক্ষ। সাইফের ঘটনার থেকেও তিনি নাকি তার হীরের আংটি প্রদর্শন করতে বেশি ব্যস্ত ছিলেন— এমনই মত নিন্দুকদের। এবার নিজের হয়ে সাফাই গাইলেন মডেল-অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলা।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, সাইফের ওপর হামলা হয়েছিল মধ্যরাতে। তার পরের দিন সকাল হতে না হতেই তাকে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয়েছিল। ততক্ষণে গোটা বিষয়টি তিনি নাকি হজমই করে উঠতে পারেননি। 

    উর্বশী রাউতেলা বলেন, কী উত্তর দিচ্ছি, সেটি নিয়ে সত্যিই আমার আরও সতর্ক থাকা উচিত ছিল। আমাকে এটা মেনে নিতেই হবে— আরও ভেবেচিন্তে উত্তর দেওয়া উচিত ছিল। তার ওপর ভোর ৪টার ঘটনা নিয়ে সকাল ৮টার সময় আমাকে প্রশ্ন করা হয়।

    তিনি বলেন, আমি সেই ভাবে কিছুই জানতাম না। এটুকুই মনে আছে, সেদিন ঘুম থেকে ওঠার পর শুনি— তিনি (সাইফ) আহত হয়েছেন। গোটা ঘটনার গুরুত্ব তখনো জানতাম না। ওর সঙ্গে ঠিক কী ঘটে গেছে, আমি তখনো পুরো বিষয়টি জানিই না।

    উর্বশী বলেন, তার ছবি ‘ডাকু মহারাজ’ কেন্দ্র করেই ওই সাক্ষাৎকারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তাই বারবার ছবি নিয়ে কথা বলছিলেন তিনি। বাবা-মায়ের দেওয়া সেই উপহার নিয়েও ফের কথা বলেন। তিনি বলেন, বাবা-মাকে আমি খুব ভালোবাসি। মনে হয় ওরাই আমার ভগবান। তাই একটু বেশিই উত্তেজিত ছিলাম ওদের থেকে উপহার পেয়ে। 

    অভিনেত্রী বলেন, নিজের জিনিস নিয়ে বড়াই করার জন্য আমি সেদিন কিছু বলিনি। তেমন হলে ওই ছোট্ট ঘড়িটা দেখাতামই না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফের ওপর হামলাকারী বাংলাদেশি কিনা প্রমাণ নেই

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানকে ছুরিকাঘাত করার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে রোববার গ্রেফতার করেছে মুম্বাই পুলিশ। তার নাম শরিফুল ইসলাম শেহজাদা (৩১)। তিনি নিজেকে বিজয় দাস নামে পরিচয় দিতেন। তার কাছে ভারতীয় নাগরিকত্বের বৈধ কোনো প্রমাণ ছিল না। শরিফুলকে বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করেছে পুলিশ। তিনি কি আদৌ বাংলাদেশি! আদালতে প্রশ্ন তুললেন হামলাকারীর আইনজীবী। সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি দাবি করেন, পুলিশের কাছে কোনো প্রমাণ নেই। তার মক্কেল ওই এলাকায় গত সাত বছর ধরে রয়েছেন বলেও দাবি করেন।

    গত বৃহস্পতিবার ভোরে নিজের বাড়িতেই আক্রান্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেতা সাইফ। ছুরির আঘাতে মারাত্মক জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। ঘটনার তিন দিন পর, রোববার ভোরে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করে মুম্বাই পুলিশের অপরাধ দমন শাখার কর্মকর্তারা।

    কিন্তু এদিন বান্দ্রা আদালতে শরিফুলকে তোলা হলে, তার আইনজীবী সন্দীপ শেখানে দাবি করেন, তার মক্কেল যে বাংলাদেশের নাগরিক, এমন কোনো প্রমাণ পুলিশের হাতে নেই। গত সাত বছর ধরে সপরিবার শরিফুল মুম্বাই এলাকায় বাস করছেন বলেও দাবি করেন সন্দীপ। এর আগে ঠাণের হিরনন্দানি এস্টেট এলাকা থেকে শরিফুলকে গ্রেফতারের পর মুম্বাই পুলিশের ডিসিপি (অপরাধ দমন) দীক্ষিত গেদাম জানিয়েছিলেন, শরিফুলের কাছে ভারতীয় নাগরিকত্বের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সন্দেহ করা হচ্ছে তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। গত পাঁচ-ছয়মাস ধরে এই এলাকায় থাকছিলেন এবং বিভিন্ন হোটেলে কাজ করছিলেন।

    তার আইনজীবী আরও বলেন, ‘আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি পুলিশকে এই সময়ের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশও দিয়েছেন। পুলিশের কাছে এমন কোনো তথ্য নেই যা থেকে প্রমাণ হয় শরিফুল বাংলাদেশের নাগরিক।’

    সন্দীপের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে নোটিশ জারি করা হয়নি। আদতে হত্যার কোনো উদ্দেশ্যই ছিল না। এফআইআর বা রিমান্ড কপিতে হত্যা বা প্রাণনাশের হুমকির মতো কোনো শব্দের উল্লেখ করা নেই। অথচ, সরাসরি পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হল।

    একা সন্দীপ নন, শরিফুলের আর এক আইনজীবী দীনেশ প্রজাপতি দাবি করেন, গত সাত বছর ধরে তিনি সপরিবার মুম্বাই এলাকায় বাস করছেন। তিনি দাবি করেন, ‘আমার মক্কেলের কাছে থেকে কিছুই পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশি হওয়ার কোনো তথ্যও আদালতে পেশ করতে পারেনি পুলিশ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফের অস্ত্রোপচার সফল হলেও দুশ্চিন্তায় চিকিৎসকরা

    বলিউড অভিনেতা নবাব সাইফ আলি খান গত বুধবার গভীর রাতে নিজ বাড়িতে দুষ্কৃতকারীর হাতে আক্রান্ত হওয়ার পর এখন মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে শয্যাশায়ী। তাকে অস্ত্রোপচার করানো হয়েছে। সফল অস্ত্রোপচারের পর তাকে আইসিইউ থেকে জেনারেল বেডে নেওয়া হয়েছে। তবে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলেও মেরুদণ্ডের আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে ক্ষত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এ মুহূর্তে তাই লীলাবতী হাসপাতালেই চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে অভিনেতাকে।

    আনন্দবাজার অনলাইনের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, হামলাকারীর ছয়বার ছুরিকাঘাতের মধ্যে মেরুদণ্ড ও ঘাড়ের দুটি জখম গুরুতর। লীলাবতী হাসপাতালের অ্যানেস্থেসিয়োলজিস্ট নিশা গান্ধী বলেছেন,  ‘সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম’ থেকে মাত্র ২ মিলিমিটার দূরে ছুরিকাঘাত করেছিল দুষ্কৃতকারী। মেরুদণ্ডে আঘাতের কারণে সেরিব্রোস্পাইনাল তরল ক্ষরণ হয়েছে, যা এখন দুশ্চিন্তার কারণ।

    তিনি আরও বলেন, সেরিব্রোস্পাইনাল তরল ক্ষরণ হওয়ায় ক্ষতস্থানে ঘা শুকিয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। যদিও রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখা হয়েছে। চলাফেরা করতে নিষেধ করা হয়েছে। তারপরও এ মুহূর্তে তিনি সামান্য হাঁটাচলা করছেন।

    অভিনেতার হাসপাতাল ছাড়া পাওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সমাধানে আসতে পারেননি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। সাইফের শারীরিক পরিস্থিতি আরও কিছু সময় পর্যবেক্ষণ করে তবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    উল্লেখ্য,  গত বুধবার গভীর রাতে অভিনেতা সাইফ আলির নিজ বাড়ির বাইরের একটি পাইপ বেয়ে ফ্ল্যাটে ঢোকে হামলাকারী। গভীর রাতে সাইফ ও তার স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের দুই সন্তান তৈমুর ও জেহরের রুমে ঢোকে। হামলাকারীর উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির পরিচারিকা  ইলিয়ামা ফিলিপ আলিয়াস লিমা চিৎকার করে ঘুমিয়ে থাকা পরিবারের সদস্যদের জাগিয়ে তোলেন। 

    লিমা চিৎকার করায় হামলাকারী প্রথমে তাকেই ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। ডান হাতের কবজিতে আহত হওয়ায় লিমার চিৎকার শুনে পাশের রুম থেকে বেরিয়ে আসেন সাইফ। সঠিক সময়ে দুই সন্তান ও পরিচারিকাকে বাঁচাতে সিনেমার নায়কের মতোই সাইফ ঝাঁপিয়ে পড়েন হামলাকারীর ওপর। এতে হামলাকারী ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছয়বার আঘাত করেন অভিনেতাকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইসিইউতে সাইফ, সন্ধ্যায় ছেলেকে দেখতে হাসপাতালে যান শর্মিলা

    মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালের আইসিইউতে রয়েছেন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তিনি বিপদসীমার বাইরে রয়েছেন। কিন্তু মায়ের মনে সন্তানের জন্য দুশ্চিন্তা কখনো কমে না। তাই বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ছেলেকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর।

    সকাল থেকেই হাসপাতালের বাইরে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপ ছিল। পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও সাইফকে দেখতে গিয়েছিলেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান, অভিনেতা রণবীর কাপর প্রমুখ। সন্ধ্যায় হাসপাতালের সামনে সাদা গাড়ি থেকে নামতে দেখা যায় সাইফ আলির মা অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরকে। ফটোসাংবাদিকদের ক্যামেরায় সেই মুহূর্ত বন্দি হয়েছে। শর্মিলার পরনে ছিল সাদা সালোয়ার-কামিজ। গায়ে জড়ানো ছিল কালো শাল। তবে গাড়ি থেকে নেমেই সরাসরি হাসপাতালের ভেতরে চলে যান বর্ষীয়ান অভিনেত্রী।

    এর আগে বৃহস্পতিবার লীলাবতী হাসপাতালে সাইফকে নিয়ে যাওয়া হলে জানা যায়, তার শরীরের দুটি জখম গুরুতর। তার মেরুদণ্ডে বিঁধে রয়েছে ভাঙা ছুরির ফলা। প্রায় আড়াই ঘণ্টায় দুটি অস্ত্রোপচারের পর অভিনেতাকে বিপদমুক্ত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। সাইফ হাসপাতাল থেকে কবে ছাড়া পাবেন, সে প্রসঙ্গে এখনো কোনো কিছু জানায়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    বিনোদন ডেস্ক