Tag: সাইফ আলি খান

  • শুটিংয়ের ফাঁকে যে অভ্যাসের কারণে সাইফ অন্যদের থেকে আলাদা

    প্রথমবারের মতো পতৌদি পরিবারের নবাব অভিনেতা সাইফ আলি খানের সঙ্গে কাজ করছেন পরিচালক প্রিয়দর্শন। তাদের আসন্ন ‘হৈবান’ সিনেমায় সাইফকে পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা জানালেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাইফকে ‘লোভী, কিন্তু বাধ্য’ উল্লেখ করেছেন পরিচালক। এর পাশাপাশি জানিয়েছেন কাজ করতে করতে পরিচালকের প্রতি অভিনেতার আস্থা কীভাবে তৈরি হয়েছিল, তা জানান প্রিয়দর্শন।

    সাইফকে ‘পরিণত শিশু’ উল্লেখ করে প্রিয়দর্শন বলেন, অভিনেতার মনে কাজ নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকে। তবে সেই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলে তিনি আর কোনো তর্ক না করে পরিচালকের নির্দেশ মেনে কাজ করে যান।

    পরিচালক বলেন, ওর প্রতিবারই অনেক প্রশ্ন থাকে। অবশ্য প্রত্যেক অভিনেতারই প্রশ্ন করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার পরেই ও পরিচালকের কথা মেনে নেয়। তিনি বলেন,  দুদিন পর দেখলাম আর কোনো প্রশ্ন নেই। তাই এক সকালে ওকে জিজ্ঞাসা করলাম—কোনো প্রশ্ন আছে? ও বলল, ‘না স্যার, এখন আমি জানি আপনি কী শুট করতে চাইছেন।’

    প্রিয়দর্শন বলেন, এই পারস্পরিক বোঝাপড়াই ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। এভাবেই আমাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় এবং কাজ এগিয়ে যায়। সাইফ ভীষণ নিষ্ঠাবান।

    অভিনেতার আরও একটি অভ্যাস নজর কেড়েছে বলে জানান পরিচালক। তিনি বলেন, শুটিংয়ের ফাঁকে অন্য অনেক অভিনেতার মতো ফোনে ডুবে না থেকে সাইফ বই পড়েন। বর্তমান সময়ে অভিনেতাদের মধ্যে সেই অভ্যাস খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন বলে জানান প্রিয়দর্শন।

    তিনি বলেন, সাইফ অত্যন্ত বইপাগল মানুষ। তার চারপাশের পৃথিবী সম্পর্কে জ্ঞানও যথেষ্ট গভীর। ফলে অভিনেতার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করতেও তার ভালো লেগেছে।

    কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, আমি ওর সঙ্গে অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারতাম। কারণ আমি পতৌদি নবাবের খুব বড় ভক্ত। তাই ওর সঙ্গে অনেকটা সময় কাটিয়েছি। ও আমাকে পতৌদির স্বক্ষরসহ একটি সুন্দর বইও উপহার দিয়েছে। ফলে ওর সঙ্গে সময় কাটিয়ে আমার খুব ভালো লেগেছে বলে জানান প্রিয়দর্শন।

    এ নির্মাতা বলেন, আমি ওকে খুব বাধ্য অভিনেতা হিসাবে পেয়েছি। একটু লোভী, কিন্তু খুবই বাধ্য অভিনেতা। আর এটাই ওর সবচেয়ে ভালো দিক। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, ও আমার ওপর একটা নির্দিষ্ট ধরনের আস্থা তৈরি করেছিল। সেটি সিনেমাটাকে খুব মসৃণভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। সেই সঙ্গে কাজের ক্ষেত্রে, চরিত্র নিয়ে আরও জানার লোভই সাইফকে পরিণত অভিনেতা হতে সাহায্য করেছে বলে মনে করেন পরিচালক। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৫৬ বছরেও ফিট থাকার রহস্য জানালেন সাইফ

    বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা সাইফ আলী খান রোববার (১৬ আগস্ট) ৫৬ বছরে পা রাখলেন। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে দিল চাহতা হ্যায়, ওমকারা, লাভ আজ কাল ও তানহাজিসহ নানা চলচ্চিত্রে ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও ফিটনেস সচেতন জীবনযাপনের জন্যও পরিচিত এই অভিনেতা।

    অনেক তারকা যেখানে কঠোর ও জটিল ডায়েট মেনে চলেন, সেখানে সাইফের খাদ্যাভ্যাস বেশ সাধারণ ও ঘরোয়া। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সুস্থ থাকতে বিলাসবহুল খাবার বা কঠোর ডায়েটের প্রয়োজন নেই; বরং নিয়মিত ও পরিমিত খাবারই যথেষ্ট।

    সাইফ বলেন, দিনের বেলায় তিনি তুলনামূলক হালকা ও নিরামিষ খাবার খেতে পছন্দ করেন, আর রাতের খাবারে রাখেন আমিষ পদ। তার দিনের শুরু হয় ডিম ও টোস্ট দিয়ে। দুপুরের খাবারে সাধারণত থাকে সবজি, ভেন্ডি, ডাল, গাজর-মটর এবং একটি রুটি। মাঝে মাঝে তিনি মাছ-ভাতও খেয়ে থাকেন।

    অভিনেতার ভাষায়, ‘আমি দুপুরে একটু স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পছন্দ করি। সকালে ডিম ও টোস্ট খাই। দুপুরে সাধারণত সবজি, ভেন্ডি, ডাল, গাজর-মটর ও একটি রুটি থাকে। সব মিলিয়ে খুবই সাধারণ খাবার। কখনো কখনো মাছ-ভাতও খাই।’

    শুটিংয়ের সময় খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি ব্যক্তিগত রাঁধুনির সাহায্য নেন বলেও জানান। তার মতে, চলচ্চিত্রের সেটে পাওয়া খাবার সব সময় স্বাস্থ্যকর হয় না। তাই সম্ভব হলে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে যাওয়াই তার পছন্দ।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ প্রসঙ্গে সাইফ বলেন, ‘ফিট থাকতে চাইলে অনেক সময় ইউনিটের খাবার এড়িয়ে চলতে হয়। তাই শুটিংয়ে আমি সাধারণত বাড়ির খাবার সঙ্গে নিয়ে যাই। তবে বিদেশে শুটিং বা ভ্রমণের সময় সেটে পাওয়া দেশি খাবার সব সময় ডায়েটের জন্য উপযোগী হয় না।’

    ভালো খাবার পছন্দ করলেও ভারী ও অতিরিক্ত সমৃদ্ধ খাবার খুব একটা খান না তিনি। সন্ধ্যায় মাঝে মাঝে কাবাব খেলেও বেশিরভাগ সময় ডায়েটভিত্তিক খাবারেই ভরসা রাখেন।

    খাওয়া-দাওয়া নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সাইফ বলেন, ‘আমি মূলত বেঁচে থাকার জন্য খাই। খাবার আমার জীবনের প্রধান আকর্ষণ নয়। ফিট থাকতে হবে বলেই আমরা সাধারণ খাবার খাই। এমনকি পাতৌদিতেও আমি ও কারিনা খুবই সাধারণ খাবার খেয়ে থাকি।’

    কাজের ক্ষেত্রে সাইফ আলী খানকে পরবর্তী সময়ে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘হাইওয়ান’ চলচ্চিত্রে দেখা যাবে।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৫০ বছরেও কেন বিয়ে করেননি সাইফের বোন, জানালেন নিজেই

    মা শর্মিলা ঠাকুর ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত অভিনেত্রী, আর ভাই সাইফ আলি খান ও বোন সোহা আলি খান রূপালী পর্দার জনপ্রিয় মুখ। তবে এই তারকা পরিবারের সন্তান হয়েও স্পটলাইট এবং বিনোদন জগৎ থেকে নিজেকে অনেকটাই দূরে রেখেছেন সাবা পাতৌদি। 

    পতৌদি পরিবারের বড় কন্যা হওয়া সত্ত্বেও অভিনয়ের পথে না হেঁটে তিনি বেছে নিয়েছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন জীবনধারা।

    ১৯৭৬ সালের ১ মে জন্মগ্রহণ করা ৫০ বছর বয়সি সাবা পাতৌদি পেশায় একজন জুয়েলারি বা গহনা ডিজাইনার। এ ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামের বায়ো অনুযায়ী, তিনি একজন ট্যারোট কার্ড রিডার ও আধ্যাত্মিক হিলার। পাশাপাশি ভোপালের ‘রয়েল অ্যান্ডোমেন্ট ট্রাস্ট’-এর প্রধান তত্ত্বাবধায়কের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে ২ লাখ ৫৯ হাজার অনুসারী নিয়ে পরিবারের নানা মুহূর্তের গল্প ও ছবি শেয়ার করার জন্য সাবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ জনপ্রিয়।

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বিনোদনের চাকচিক্য জগতে থাকলেও সাবা কখনো বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি। সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে নিজের বিয়ে না করা এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। 

    সাবা জানান, জীবনে তার কোনো প্রথম প্রেমিক ছিল না। ১৮ বা ১৯ বছর বয়স থেকেই বিয়ের জন্য তার কাছে বিভিন্ন পাত্রের প্রস্তাব আসতে থাকে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, ‘১৯ বছর বয়সে কলকাতার এক পাত্রের সঙ্গে আমার বিয়ের আলোচনা প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠেনি, কারণ তখন আমি বিয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম না।’ 

    পরবর্তী সময়ে বিয়ের বিষয়ে ইতিবাচক থাকলেও মনের মতো সঙ্গী পাননি বলে জানান সাবা। এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি তার প্রয়াত বাবা এবং ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক মনসুর আলি খান পতৌদির ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরেন।

    সাবা বলেন, ‘আমার বাবা অত্যন্ত আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী, নম্র এবং দায়িত্বশীল একজন মানুষ ছিলেন। তিনি আমাকে আত্মনির্ভরশীল হতে শিখিয়েছেন। আমি বাবার মতো অবিকল কাউকে খুঁজছিলাম না, কিন্তু বাবা তো বাবাই হন। কিছুদিন আগে অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর একটি কথা আমার মন ছুঁয়ে গিয়েছিল—‘আমার কোনো ছেলের প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন একজন পুরুষের’। আমি এই কথাটির সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারি। আমি আসলে সেই মাপের বা মনের মতো কোনো সঙ্গী খুঁজে পাইনি।’ 

    সব মিলিয়ে পরিবারের বর্ণিল তারকা জগতের মাঝেও নিজস্ব স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করে এবং নিজের স্বাধীন মানসিকতাকে প্রাধান্য দিয়েই জীবনযাপন করছেন পাতৌদি পরিবারের এই জ্যেষ্ঠ কন্যা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তৈমুরের নাম বিতর্কে মুখ খুললেন সাইফ

    বিনোদন জগতে তারকাসন্তান মানে না চাইতেও বারবার প্রচারের আলোয় চলে আসে অনেকেই। সেই বিড়ম্বনায় একাধিকবার পড়তে হয়েছে পতৌদি পরিবারের নবাব অভিনেতা  সাইফ আলি খান ও অভিনেত্রী কারিনা কাপুর দম্পতিকে। তাদের বড় ছেলে তৈমুরকে নিয়েও একটা সময়ে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। 

    যে বিষয়টি ভীষণভাবে সমালোচিতও হয়েছিল, সেটি হলো— একরত্তির নাম। অনেকেই বলেছিলেন, তৈমুর লঙ্গের মতো অত্যাচারী নৃপতির নামে ছেলের নাম রাখা উচিত হয়নি সাইফ ও কারিনার। যতই সমালোচনা হোক, কিন্তু ছেলের এ নামকরণে সাইফকে কৃতিত্ব দিয়েছেন অভিনেত্রী কারিনা।

    তৈমুরের জন্মের পর থেকেই সব ক্যামেরা তাক করা ছিল তার দিকে। প্রতিনিয়ত সন্তানের নাম নিয়ে সমালোচিত হতে হয়েছে এ তারকা দম্পতিকে। ছেলের নাম নিয়ে এ সমালোচনা সহ্য করাটাও খুব একটা সহজ ছিল না তাদের।

     সম্প্রতি অভিনেত্রী কারিনা কাপুর জানিয়েছেন, ‘আমার মনে হয় সাইফ রাজা তৈমুরের অনুরাগী। ও ছোটবেলায় খুব ইতিহাসের বই পড়ত। সেই জন্যই হয়তো এ নাম দিয়েছে।’ 

    তবে অভিনেত্রীর এ মতের সঙ্গে সহমত নন সাইফ আলি খান।  এ অভিনেতা বলেন, ‘আমরা যে বাড়িতে থাকতাম, তার পাশে তৈমুর নামে একটি ছেলে থাকত। তৈমুর নামের মানে লোহা। যেখান থেকেই আমার আর কারিনার নামটা পছন্দ হয়েছিল। তবে খুব ভুলভাবে এ নামের ব্যাখ্যা করা হয়।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • হামলাকারীকে ক্ষমা করতে আপত্তি নেই অভিনেতা সাইফ আলি খানের

    পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি গভীর রাতে নিজ বাড়িতে এক অনুপ্রবেশকারীর ছুরিকাঘাতে আহত হন। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় তার বাড়িতে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

    নিজের ছোট সন্তান জেহর ঘরে এক দুর্বৃত্তকে ছুরি হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তাকে বাধা দিতে গেলে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। হামলাকারী সাইফকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি ছুরি চালায়। অভিনেতাকে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করা হয়। এবং তার শরীরে ৬টি ক্ষত তৈরি হয়, যার একটি তার শিরদাঁড়ার খুব কাছাকাছি ছিল। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে দ্রুত লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। 

    সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার শরীর থেকে ২-৩ ইঞ্চির একটি ছুরির ভাঙা অংশ বের করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর মুম্বাই পুলিশ মহারাষ্ট্রের থানে এলাকা থেকে মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম নামে এক ৩০ বছর বয়সি যুবককে হামলার অভিযোগে গ্রেফতার করে। 

    হামলাকারীর ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছিলেন সাইফপুত্র জেহ। মুম্বাইয়ের ফ্ল্যাটে ঘটে যাওয়া সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন বাংলার পতৌদি পরিবারের নবাব সাইফ আলি খান। তবে ঘটনার ভয়াবহতা স্মরণ করলেও হামলাকারীকে ক্ষমা করে দিতেও আপত্তি নেই অভিনেতার। 

    সাইফ আলি খান বলেন, ঘটনার রাতে তাদের ফ্ল্যাটের পেছনের রাস্তা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে শরিফুল ইসলাম নামে এক যুবক। সে প্রথমে বাথরুমে এবং পরে ছোট ছেলে জাহাঙ্গীরের (জেহ) ঘরে গিয়ে লুকিয়ে থাকে। ঘরে অপরিচিত এক ব্যক্তিকে দেখে শিশুটি কাঁদতে শুরু করলে পাশে থাকা ন্যানি ও জাহাঙ্গীরকে আঘাত করে ওই যুবক। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সন্তানের কান্নার শব্দ শুনে পাশের ঘর থেকে সাইফ ছুটে যান এবং তাকে বাঁচাতে হামলাকারীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। এ সময় ওই যুবক সাইফের ঘাড়, হাত ও পিঠে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। দীর্ঘক্ষণ ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে সাইফ মাটিতে পড়ে গেলেও পরে উঠে দাঁড়িয়ে হামলাকারীকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। এ সুযোগে ন্যানি জাহাঙ্গীরকে নিয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যান এবং বাড়ির অন্য কর্মচারীরা এসে অভিযুক্তকে একটি ঘরে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন।

    গুরুতর আহত সাইফকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেই রাতের স্মৃতিচারণ করে অভিনেতা বলেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার পোশাক ভিজে গিয়েছিল। হাসপাতালে যাওয়ার সময় বড় ছেলে তৈমুর আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল—তুমি কি মারা যাবে? রক্তক্ষরণ ও শারীরিক অবস্থা দেখে তখন আমারও তেমনই মনে হচ্ছিল। 

    তবে এত বড় দুর্ঘটনার পরও অভিযুক্ত যুবককে ক্ষমা করার ইঙ্গিত সাইফ আলি খানের। নিজের এ সিদ্ধান্তের পেছনে সামাজিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি মূলত অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের কারণে সৃষ্ট একটি অপরাধ। সমাজে একশ্রেণির মানুষের কাছে সব থাকে, আর অন্য শ্রেণির কাছে কিছুই থাকে না—এমন বৈষম্যই এ ধরনের ঘটনা উসকে দেয় বলে মনে করেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কারিনাকে কনসার্ট মিস করার কষ্ট ভুলিয়ে দিলেন স্বামী-ছেলে

    মুম্বাইয়ে চলছে জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ‘গানস এন’ রোজেস’-এর কনসার্ট। সাধারণ দর্শক-শ্রোতা থেকে শুরু করে বহু বলিউডের তারকা এই কনসার্ট দেখার জন্য মুখিয়ে ছিলেন। বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানেরও ইচ্ছা ছিল এই কনসার্ট উপভোগ করার। কিন্তু কনসার্টে মিস করে ফেলেছেন সাইফপত্নী। এতে ভীষণ মন খারাপ হয় তার। তবে স্বামী ও ছেলে তার মন ভালো করার জন্য বাড়িতেই করে ফেললেন এক মিনি কনসার্ট। 

    সোমবার (১৯ মে) ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কারিনা কাপুর দুটি ছবি শেয়ার করেছেন, যাতে দেখা যায় তার নিজের বাড়িতে চলছে এক ‘মিনি কনসার্ট’। প্রথম ছবিতে সাইফ আলি খান ও তাদের ছেলে তৈমুর আলি খান গিটার বাজাচ্ছেন, যা দেখে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই।

    ছবিটির ক্যাপশনে কারিনা লিখেছেন, ‘হয়তো গানস এন রোজেস মিস করেছি…’। সঙ্গে একটি তারা ইমোজি জুড়ে দিয়েছেন।

    দ্বিতীয় ছবিটি ছিল সাদা-কালো, যেখানে বাবা-ছেলের সেই একই গিটারের মুহূর্ত আবার ধরা পড়েছে। এর ক্যাপশনে কারিনা মজার ছলে লেখেন, ‘তবে আমার নিজের ব্যান্ড তো আছে’। এরসঙ্গে আগুন, ভালোবাসা ও হাসিমুখ ইমোজি যুক্ত করেন।

    ঘরের এই আদুরে পরিবেশ যে তাকে ভালোভাবেই আনন্দ দিচ্ছে, তা যেন ছবিগুলো থেকেই বোঝা যায়। তাই গানস এন’ রোজেস না দেখলেও কারিনার দিন যে গান আর ভালোবাসায় ভরপুর, তা নিঃসন্দেহে বলা যায়!

    এদিকে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিনা কাপুর। সম্প্রতি তিনি অভিনয় করেছেন রোহিত শেঠির সিনেমা ‘সিংঘম এগেইন’-এ, যেখানে প্রধান চরিত্রে রয়েছেন অজয় দেবগন। পরবর্তী সময়ে তিনি অভিনয় করবেন মেঘনা গুলজার পরিচালিত ‘দায়রা’ সিনেমায়। এতে তার বিপরীতে দেখা যাবে প্রিথ্বিরাজ সুকুমারনকে।

    ইনস্টাগ্রামে মেঘনা ও প্রিথ্বিরাজের সঙ্গে স্ক্রিপ্ট পড়ার কিছু ছবি শেয়ার করেছেন কারিনা। ক্যাপশনে নিজেকে ‘ডিরেক্টরের অ্যাক্টর’ বলে উল্লেখ করেন। সিনেমাটিতে কাজ করার জন্য তিনি বেশ উত্তেজিত বলেও জানান।

    প্রিথ্বিরাজকে ‘দারুণ অভিনেতা’ বলে প্রশংসা করে কারিনা।জানান, তিনি প্রিথ্বিরাজের কাজ বরাবরই প্রশংসা করে এসেছেন।

    প্রথমে এই সিনেমাতে প্রিথ্বিরাজের জায়গায় আয়ুষ্মান খুরানাকে ভাবা হয়েছিল। তবে জানা যায়, শিডিউল জটিলতার কারণে আয়ুষ্মান ছবিটিতে সময় দিতে পারেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কারিনার সঙ্গে আমার বাবা অনেক বেশি সুখী: ইব্রাহিম

    পতৌদি পরিবারের নবাব অভিনেতা সাইফ আলি খান মাত্র ২১ বছর বয়সে বলিউড অভিনেত্রী অমৃতা সিং বিয়ে করেছিলেন। ১৯৯১ সালে বিয়ে হয় তাদের। অমৃতা তখন ৩৩ বছর বয়সি। এই সংসারে তাদের দুই সন্তান সারা ও ইব্রাহিমের আগমন ঘটে। বিয়ের ১৩ বছর পর, ২০০৪ সালে দুজনে আলাদা হয়ে যান। এরপর ২০১২ সালে সাইফ আলি খান বিয়ে করেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুরকে। সেই সময় ইব্রাহিম খুব ছোট ছিলেন।

    সাইফ আলি খানের ডিভোর্সের সাক্ষী ছিলেন ছেলে ইব্রাহিম আলি খান। বোন সারা তখন একটু বড়। বয়স নয়ের আশপাশে। তারপর থেকে মূলত মা অমৃতাই বড় করেছেন তাদের। তবে বিভিন্ন ছুটির সময় বাবার কাছে আসা, বাবার সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া— সবটাই ছিল সারা-ইব্রাহিমের। এমনকি কারিনার সঙ্গে সাইফ আলি খানের বিয়েতেও এসেছিলেন তারা। 

    বিবাহবিচ্ছেদ হওয়া এক পরিবারে বড় হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন ইব্রাহিম আলি খান। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তার ছোটবেলায় হওয়া বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি চার-পাঁচ বছরের ছিলাম। তাই আমার খুব বেশি কিছু মনে নেই। সারা বড় হওয়ায় তার জন্য হয়তো ব্যাপারটি আলাদা ছিল।

     ইব্রাহিম বলেন, আমার মা-বাবা দারুণভাবে চেষ্টা করেছেন, যাতে আমি সিকিউরড ফিল করি। ভাঙা পরিবারের যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেন আমাকে যেতে না হয়। আমি কখনো ওদের (সাইফ ও অমৃতাকে) ঝগড়া করতে দেখিনি। কিছু জিনিস আসলে এমন থাকে, যা হয়ে ওঠে না।

    সৎমা কারিনা সম্পর্কে ইব্রাহিম বলেন, এখন বেবোর (কারিনা কাপুর) সঙ্গে আমার বাবা অনেক বেশি সুখী। আমার দুটি খুব মিষ্টি ও দুষ্টু ভাই আছে। আর আমার মা সর্বকালের সেরা মা। তিনি আমার খুব যত্ন নেন এবং আমি তার সঙ্গে থাকি— সব কিছু ঠিক আছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেন ছেলে তৈমুরের কাছে ক্ষমা চাইলেন সাইফ?

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান ও অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের ৯ বছর বয়সি ছেলে তৈমুর সম্প্রতি তার বাবার অভিনীত ‘আদিপুরুষ’ সিনেমাটি দেখেছেন। তবে সিনেমাটি তৈমুরের তেমন পছন্দ হয়নি। 

    সম্প্রতি নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে এক সাক্ষাৎকারে সাইফের ‘জুয়েল থিফ’ সিনেমার সহ-অভিনেতা জয়দ্বীপ আহলাওয়াত সাইফকে প্রশ্ন করেন, তার সন্তানরা কি তার সিনেমা দেখেন? সাইফ উত্তরে জানান, দেখে, তবে ‘আদিপুরুষ ’দেখানোর পর তিনি নিজের ছেলের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন।

    সাইফ বলেন, ‘আমি ওকে সম্প্রতি আদিপুরুষ দেখিয়েছিলাম। কিছু সময় পর সে আমাকে একটা বিশেষ দৃষ্টিতে তাকাতে শুরু করল। তখন আমি বললাম, ‘আচ্ছা, সরি।’ সে বলল, ‘ইট’স ওকে।’ ও আমাকে ক্ষমা করে দিল।’

    ‘আদিপুরুষ’ সিনেমায় সাইফ আলি খান লঙ্কেশ চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যেখানে রামের চরিত্রে অভিনয় করেছেন দক্ষিণের সুপারস্টার প্রভাস। মুক্তির পর ছবিটি দুর্বল গ্রাফিকস এবং সাধারণ সংলাপের জন্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হয়। প্রথম সপ্তাহান্তেই নির্মাতারা সিনেমার কিছু অংশ নতুন করে ডাব করেন।

    একই আলোচনায় জয়দ্বীপ আহলাওয়াত ‘জানে জান’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় তৈমুরের সঙ্গে দেখা হওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। জয়দীপ জানান, তৈমুর তাকে খুব সুন্দরভাবে অভ্যর্থনা জানায়।  সেখানে তৈমুর জানতে পারেন জয়দ্বীপ হচ্ছেন সেই সিনেমার ‘মেইন ম্যান’। এটি শোনার পর তৈমুর সরাসরি প্রশ্ন করেন, ‘আপনি এই ছবির প্রোডিউসারও?’ এমন প্রশ্ন শুনে জয়দ্বীপ বিস্মিত হয়ে বলেন, ‘ওহ! এমন প্রশ্ন তোমার মাথায় কিভাবে এলো?’

    সাইফ আলি খান ছেলের বুদ্ধিমত্তা দেখে বললেন,‘সত্যিই? ভালো প্রশ্ন।’

    সাইফ আলি খান ও কারিনা কাপুরের সন্তান তৈমুর ও জেহ সবসময়ই পাপারাজ্জিদের নজরে থাকে। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে সাইফের উপর ছুরি হামলার পর এই দম্পতি নিরাপত্তা নিয়ে আরও সতর্ক হয়েছেন। তারা এখন সন্তানদের জনসম্মুখে ক্যামেরার সামনে না আনতে বেশ সাবধানী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মুম্বাইয়ে আতঙ্ক, তবে কি দেশ ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যে সংসার পাতবেন সাইফ-কারিনা?

    চলতি বছরের শুরুতে পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের ওপর দুষ্কৃতকারীর হামলার ঘটনায় থমকে গিয়েছিল বি-টাউন। মধ্যরাতে অভিনেতার বান্দ্রার বাড়িতে ঢুকে পড়েছিল এক দুষ্কৃতকারী। চুরিতে বাধা পেয়ে গৃহকর্তাকেই কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যান তিনি।

    সেই সময়ই নিরাপত্তার খাতিরে বাড়ি বদলের কথা ভেবেছিলেন অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। তবে শেষ পর্যন্ত সাইফ হাসপাতাল থেকে ফিরেছিলেন নিজের বাড়িতেই। বাড়ানো হয়েছিল তাদের আবাসনের নিরাপত্তা। এবার নাকি একেবারে দেশ ছেড়ে অন্যত্র সংসার পাততে চলেছেন দম্পতি। একটি সূত্র জানায়, কাতারের রাজধানী দোহায় বসবাস করবেন তারা।

    দোহার সেন্ট রেগিস মারসা আরবিয়া দ্বীপে নিজেদের জন্য একটি বাড়ি কিনেছেন সাইফ-কারিনা দম্পতি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাইফ জানান, তিনি এমন একটা জায়গায় বাড়ি চাইছিলেন, যা ভারত থেকে খুব দূরেও হবে না। আবার নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও বিলাসবহুল হবে। অভিনেতা আসলে নিজেদের জন্য দ্বিতীয় একটি আস্তানা খুঁজছিলেন।

    সাইফ বলেন, এখানে বাড়ি কেনার আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় ছিল। যাতে জায়গাটা নিরাপদ হয়। ওখানে গিয়ে সুরক্ষিত মনে হয়েছে। একটা দ্বীপের মধ্যে বাড়ি তৈরি করে থাকার জায়গা— এই চিন্তাটাই দারুণ লেগেছিল এবং থাকার জন্য খুবই ভালো। ওখানকার খাওয়া-দাওয়া ও জীবনযাত্রার মধ্যে একটি নিশ্চিন্ত রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কারিনা-সাইফ পরিবারে নতুন অতিথি!

    চলতি বছরের শুরুতে পতৌদি পরিবারের নবাব অভিনেতা সাইফ আলি খানের ওপর হামলার ঘটনায় থমকে গিয়েছিল বলিপাড়া। মধ্যরাতে অভিনেতার বাড়িতে ঢুকে পড়েছিল এক দুষ্কৃতকারী। চুরিই ছিল তার মূল উদ্দেশ্য। বাধা দিতে গেলে সাইফের ওপর হামলা করে সেই চোর। ছুরিকাহত হয়ে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছিলেন সাইফ। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার পিঠ থেকে ছুরি বার করা হয়েছিল। ঘটনার পাঁচ দিন পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন অভিনেতা। এরপর কেটে গেছে অনেক দিন। কাজে ফিরেছেন সাইফ ও কারিনা। এর মধ্যেই নবাব পরিবারে নতুন এক সদস্যের আগমন ঘটে। কিন্তু কে সে?

    ‘জুয়েল থিফ- দ্য হাইস্ট বিগিন্স’ নামের একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন সাইফ আলি খান। তারই প্রচারে এ মুহূর্তে ব্যস্ত অভিনেতা। এ সিনেমার এক সহ-অভিনেতাই নাকি সাইফের পরিবারের অংশ হয়ে উঠেছেন। সেই অভিনেতা হলেন জয়দীপ অহলওয়াত। অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের সঙ্গেও ‘জানে জাঁ’ নামের একটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন জয়দীপ। তখনই কারিনার সঙ্গে তার আলাপ। আর এবার ‘জুয়েল থিফ’ সিনেমায় সাইফের সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। তাই এখন সাইফ-কারিনার পরিবারের সদস্য হয়ে উঠেছেন জয়দীপ।

    এক সাক্ষাৎকারে জয়দীপ বলেছেন, এখন আমাকে ওদের পরিবারের সদস্য বলা যায়। কারিনা ও সাইফের কাজের ধরন নিয়েও কথা বলেন অভিনেতা। তিনি বলেন, কারিনা কাজের সময়ে বেশ গুরুগম্ভীর। অন্যদিকে সাইফের সঙ্গে কাজের প্রস্তুতি নেওয়ার অভিজ্ঞতা অন্য রকম। তবে দুজনের মধ্যেও একটি মিল রয়েছে বলে জানান জয়দীপ। 

    অভিনেতা বলেন, দুজনেই বড়মাপের তারকা, কিন্তু কখনই তা সহ-অভিনেতাদের বুঝতে দেন না। আগামী ২৫ এপ্রিল ওটিটিতে মুক্তি পাবে ‘জুয়েল থিফ দ্য হাইস্ট বিগিন্স’। সাইফ ও জয়দীপ ছাড়াও এ সিনেমায় রয়েছেন নিকিতা দত্ত, কুনাল কাপুর।

    বিনোদন ডেস্ক