Tag: বলিউড

  • বিমানবন্দরে গেলে এখনো ৫০০ মানুষ সেলফি তুলতে আসে: রাজপাল যাদব

    বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদব আইনি ও আর্থিক সংকট টেনে আনলেও নিজের জনপ্রিয়তায় একটুও ভাটা পড়েনি বলে দাবি করেন। এখনো আগের মতোই জনপ্রিয় এবং সংকটকালে পরিস্থিতি তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের সুনাম নষ্ট করতে পারেনি। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে চেক বাউন্স মামলায় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কারাবাসের পর এমন কথাই বলেছেন রাজপাল যাদব।

    আর্থিক বিরোধের জের ধরে মুরলি প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের করা একাধিক চেক বাউন্স মামলায় সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্ট রাজপাল যাদব ও তার স্ত্রী রাধা যাদবের সাজা বহাল রাখেন। আদালত নির্দেশ দিলে তিনি দিল্লি তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেন। কিছু দিন কারাভোগের পর বাদীর পাওনার একটি অংশ পরিশোধ করায় পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। 

    মুক্তির পর অভিনেতা রাজপাল যাদব ভারতীয় চলচ্চিত্রের একজন অনুগত শিল্পের ছাত্র বলে দাবি করেন। কাজের প্রতি ডেডিকেশন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত ৩০-৪০ বছরে গ্রাম থেকে শুরু করে এখানে আসার জার্নিতে আমি যদি ১০০-২০০ মানুষের কাছে ঋণী থাকি, তবে সেই অর্থ তাদের কাছে পৌঁছে যাবে। 

    রাজপাল যাদব বলেন, কারণ আমি জানি তা কোথায় আছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো— তহবিল যখন সংকটে পড়ে, তখন মানুষ কীভাবে একজন শিল্পীর পুরো বায়োডাটার ওপর বাজি ধরে? টাকার বিনিময়ে তাকে কেনা সম্ভব নয় দাবি করে তিনি বলেন, ‘রাজপাল যাদব সংকটে থাকুক কিংবা ভালো থাকুক— বিমানবন্দরে গেলে এখনো  ৫০০ মানুষ সেলফি তুলতে আসে। বিশ্বে রাজপাল এতটাই দায়িত্বশীল একজন অভিনেতা বলে জানান রাজপাল যাদব। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, আমাকে কেউ ৫ কোটি, ১০ কোটি, ১০০ কোটি বা ২৫০ কোটিতে কিনতে পারবে না। কারণ আমি শৈশব থেকেই শিল্পের নামে নিজেকে সঁপে দিয়েছি। টাকার জন্য কেউ আমাকে কিনতে পারবে না, আমার এ কথায় বিশ্বাস রাখুন।

    এ অভিনেতা আরও বলেন, অভিনয়ের এই পথচলায় আমি থিয়েটার ও সিনেমার একজন পূজারী। এটাকে ক্ষতি বলুন বা যা-ই বলুন, আমি ১০০% নিশ্চিতভাবে এমন কিছু তৈরি করে দিয়ে যাব, যেন ২০০০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রাজপালের অবদান আপনারা দেখতে পান। এর জন্য এক বা দুই বছর সময় লাগতে পারে। 

    রাজপাল বলেন, আমি প্রথম দিন থেকেই বলেছি যে, আমি কখনোই হারিয়ে যাইনি ছবি বানিয়েও না, ঘর বানিয়েও না কিংবা ক্যারিয়ার বানিয়েও না।

    প্রসঙ্গত, রাজপাল যাদবকে সর্বশেষ ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ সিনেমায় দেখা গেছে। এ ছাড়া তিনি ‘ভূত বাংলা’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে শর্মিলা ঠাকুরের মন্তব্য, সংকীর্ণ চিন্তাধারা বললেন কঙ্গনা

    ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে দেশটির বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের একটি বক্তব্যের পর তার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াত। 

    শর্মিলা ঠাকুর অতি সম্প্রতি বন্দে মাতরমের কিছু অংশ একশ্বরবাদে বিশ্বাসী মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে না মেলার বিষয়টি তুলে ধরলে তার জবাবে শিল্পের স্বাধীন রূপক ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরেন কঙ্গনা। 

    ভারতীয় বার্তা সংস্থা আইএএনএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে শর্মিলা ঠাকুর বলেন, ‘অনেক ধর্মীয় মানুষ আছেন যারা বহু ঈশ্বরে নয়, কেবল এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন। বন্দে মাতরমের একটি স্তবকে একাধিক দেব-দেবীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যারা এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন, তাদের জন্য ‘বন্দে কালী’ বা ‘বন্দে দুর্গা’ বলা কিছুটা কঠিন। তাই ভারতের সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে এগোতে চাইলে গানটির প্রথম দুটি স্তবকই সবচেয়ে উপযুক্ত।’ 

    শর্মিলা ঠাকুরের এই সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে কঙ্গনা রানাওয়াত লেখেন, ‘বন্দে মাতরম নিয়ে শর্মিলা জি তার আপত্তির কথা সরাসরি তুলে ধরেছেন, বিষয়টিকে আমি সাধুবাদ জানাই। তবে একজন শিল্পী হিসেবে শিল্প বা কবিতার প্রতি তার এমন সংকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ চিন্তাধারা দেখে আমি অবাক হয়েছি। যেকোনো কবিতা বা গানে শব্দগুলো রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একজন কবি বা শিল্পী কাঙ্ক্ষিত বার্তা পৌঁছাতে কল্পনার নানা রূপ ফুটিয়ে তোলেন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘বন্দে মাতরম হলো আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল চেতনা। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই গানের মাধ্যমে দেশবাসীকে ভেতরের শক্তিকে জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এত বড় একটি শিল্পকর্মকে কীভাবে শুধু ধর্মীয় অনুশীলনের সঙ্গে তুলনা করা যায়?’ 

    স্বামী বিবেকানন্দের একটি উক্তি স্মরণ করিয়ে দিয়ে কঙ্গনা লেখেন, ‘বিবেকানন্দ বলেছিলেন, আমার এমন তরুণ সমাজ প্রয়োজন যাদের শরীর লোহার মতো এবং রগ বজ্রের মতো শক্তিশালী। তিনি কিন্তু সেখানে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিচ্ছিলেন না; তিনি ভেতরের ‘শক্তি’ বা ক্ষমতার জাগরণ চেয়েছিলেন। দয়া করে এই হিন্দু-মুসলিম মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসুন। এমনকি ডাক্তাররাও মানুষের শারীরিক সামর্থ্যকে শক্তি বলে থাকেন। চলুন আমরা একে অপরকে আপন করে নিই।’ 

    শর্মিলা ঠাকুরের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে কঙ্গনা আরও লেখেন, ‘আমি আপনাকে অত্যন্ত ভালোবাসি এবং আপনার সেই উষ্ণ ভালোবাসার আলিঙ্গন মিস করি।’ 

    কঙ্গনার এই মন্তব্যের বিষয়ে শর্মিলা ঠাকুরের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • গোপনে বাগদান করে যে স্বপ্নের কথা জানালেন আয়শা খান

    বলিউডের আলোচিত সিনেমা ‘ধুরন্ধর’খ্যাত অভিনেত্রী আয়শা খানকে নিয়ে সম্প্রতি এক জল্পনাই তৈরি হয়েছে। অনামিকায় হীরের আংটি পরে সামাজিক মাধ্যমে ছবি শেয়ার করে নেওয়ার পর থেকেই ভক্ত-অনুরাগীদের কৌতূহল— সত্যিই কি ‘শরারত’ সুন্দরী খুঁজে পেলেন মনের মানুষ?

    সম্প্রতি এক রহস্যময় পুরুষকে নিয়ে একগুচ্ছ ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী আয়শা খান। সেই ছবিতে নজর কেড়েছে একটি হীরের আংটি। সেখান থেকেই প্রশ্ন উঠছে— গোপনে কি বাগদান সেরে ফেলেছেন আয়শা খান?

    ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘শরারত’-এর সঙ্গে নেচে প্রশংসিত ও জনপ্রিয়তা পান আয়শা খান। গানটিতে তার সঙ্গে ছিলেন ক্রিস্টল ডি’ সুজাও। করাচির এক জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছিল ‘শরারত’ গানটি। 

    সেই গানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতাও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন আয়শা খান। তিনি বলেছিলেন— দুদিন ধরে চলছিল শুটিং। কাজের চাপ ছিল প্রচণ্ড। তার ওপর সেই সময়ে তার ঋতুস্রাব চলছিল। ফলে শরীর ফোলা ছিল, নিজের চেহারাও তার সেরা অবস্থায় ছিল না।

    আয়শা জানান, দুদিনের মধ্যে প্রচুর কাজ করতে হয়েছিল। সময়ও কম ছিল। টানা নাচের কারণে শরীরের হাড় পর্যন্ত যেন ব্যথা করছিল। শারীরিক ক্লান্তির সঙ্গে আবেগও তাকে চাপে ফেলেছিল। একসময় আর নিজেকে সামলাতে না পেরে কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি। তবে সেই কান্না ছিল আনন্দের।

    এর আগে যন্তর-মন্তরের আন্দোলন চলাকালেও খবরে উঠে এসেছিলেন আয়শা খান। তিনি ছাত্রদের সমর্থন করছিলেন। আন্দোলনের রেশ পৌঁছে ছিল মুম্বাই শহর পর্যন্ত। সেখানে আন্দোলনে শামিল হতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তখনই মুম্বাই পুলিশ তাকে আটক করেছিল। বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেছিলেন অভিনেত্রী।

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা ছবিগুলোতে পুরুষটির মুখ আড়ালেই রেখেছেন আয়শা খান। হীরের আংটি দেখে বাগদানের জল্পনা শুরু হলেও তার ক্যাপশন বলছে ভিন্ন কথা। 

    ছবির নেপথ্যে অন্য কোনো গল্পও থাকতে পারে। মনে করা হচ্ছে, এটি কোনো গহনার সংস্থার হয়ে করা ফটোশুটের অংশ। যদিও আয়শা খান নিজে এখনো এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেননি। আয়শা শুধু লিখেছেন— একটা স্বপ্ন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে প্রথম প্রেমের বিষয়ে মুখ খুললেন অভিষেক

    বলিউডের শাহেনশাহখ্যাত অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনপুত্র অভিষেক বচ্চন ২০০০ সালে ‘রিফিউজি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডের সফর শুরু করেন। এ সিনেমাটির মূল শুটিং হয়েছিল গুজরাটের কচ্ছ এলাকায়। সেখানেই জীবনের শুরু। আর জয়পুরের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত আবেগও জড়িয়ে রয়েছে। তবে জয়পুর ও মুম্বাইয়ের একটি স্টুডিওতে এ সিনেমার কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশের শুটিং হয়েছিল।

    তারকা দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের প্রেমের গল্পে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে ভারতের জয়পুর। কারণ এ শহরেই তাদের প্রেমের শুরু। ২০০৬ সালে ‘উমরাও জান’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সময় তাদের সম্পর্ক তৈরি হয়। সিনেমাটির কিছু অংশের শুটিংও হয়েছিল জয়পুরে।

    এ ছাড়া ২০১৪ সালে প্রথমবার ব্যবসায়ীর ভূমিকায় পা রাখেন অভিষেক বচ্চন। প্রো-কাবাডি লিগের প্রথম মৌসুমের আগে জয়পুর দল কিনে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এত শহর থাকতে জয়পুরকেই কেন বেছে নিয়েছিলেন অভিষেক? সম্প্রতি এক পডকাস্টে সেই উত্তর দিয়েছেন অভিনেতা। জানিয়েছেন তার প্রথম সিনেমার একটি অংশের শুটিং হয়েছিল জয়পুরে। তাই নতুন কিছু শুরু করার জন্য শহরটিকে তার শুভ বলে মনে হয়।

    শুধু কাবাডি ম্যাচে শহর নির্বাচনের ক্ষেত্রেই নয়, দলের নামকরণের মধ্যেও পরিবারের ছোঁয়া রেখেছিলেন অভিষেক। ‘জয়পুর পিংক প্যান্থার্স’-এর নেপথ্যে ছিল অন্য ঘটনা। সেই সময়ে অভিষেকের মেয়ে আরাধ্যার প্রিয় রঙ ছিল গোলাপি। তাই কন্যার পছন্দের কথা মাথায় রেখেই এই নাম রেখেছিলেন তিনি। ২০১১ সালে অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার কন্যা আরাধ্যার জন্ম হয়।

    অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার একসঙ্গে কাজ শুরু যদিও ‘উমরাও জান’-এর আগেই। ২০০০ সালে ‘ঢাই অক্ষর প্রেম কে’ সিনেমায় প্রথম একসঙ্গে দেখা যায় তাদের। অভিষেকের প্রথম সিনেমা ‘রিফিউজি’ মুক্তির কয়েক মাস পরেই সেই সিনেমা মুক্তি পায়। পরে ২০০৩ সালে ‘কুছ না কহো’-তে আবার জুটি বাঁধেন তারা। এর পর ২০০৫ সালে ‘বান্টি অউর বাবলি’ সিনেমার জনপ্রিয় নাচের গান ‘কাজরা রে’-তে একসঙ্গে দেখা যায় অভিষেক ও ঐশ্বরিয়াকে। তাদের সঙ্গে ছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনও। ‘উমরাও জান’-এর পর ২০০৬ সালে ‘ধুম ২’ সিনেমাতেও একসঙ্গে অভিনয় করেন এ তারকা জুটি। তারপর মণি রত্নমের সিনেমা ‘গুরু’-তে আবার জুটি বাঁধেন তারা। সিনেমাটি মুক্তির আগে তাদের বাগদানের কথা প্রকাশ্যে আসে। সেই বছরই বিয়ে করেন তারা।

    উল্লেখ্য, দাম্পত্য জীবনের ১৯ বছর পার করেছেন  অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন দম্পতি। স্ত্রীকে নিজের ‘আত্মার সঙ্গী’ বলেও উল্লেখ করেছেন অভিষেক। তাদের সম্পর্কের অন্যতম রহস্য হিসেবে তিনি প্রতিদিন স্ত্রীকে তিনবার ‘সরি’ বলার মজার পরামর্শও দিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার শোবারঘর নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখবেন না, রামদেবকে কটাক্ষ কঙ্গনার

    ‘গাটার জেনারেশন’ মন্তব্য নিয়ে ও বিজেপির সংসদ সদস্য ও বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতকে কটাক্ষ করেছেন যোগগুরু তথা ব্যবসায়ী রামদেব। এবার তার মন্তব্যের জবাব দিলেন তিনি।

    বুধবার সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে রামদেবকে কটাক্ষ করেন ‘কুইন’ সিনেমার অভিনেত্রী।

    সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে কঙ্গনা রানাউত লিখেছেন— ‘বাবাজি, আমার যৌবন বা শোবারঘর নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখবেন না। গুজব আর কানাঘুষার ভিত্তিতে যা খুশি ভাবাই যায়! কিন্তু অন্তত আমার বিরুদ্ধে ভুয়া বা প্রতারণামূলক চিকিৎসাদ্রব্য বিক্রির অভিযোগ নেই এবং এর জন্য সুপ্রিম কোর্টের ধমকও খেতে হয়নি। এটি কোনো গুজব বা অনুমান নয়, তথ্য রয়েছে। তাই আমাকে চরিত্রের শিক্ষা দেবেন না। আমার চরিত্র আপনার চেয়ে অনেক ভালো। আমার ক্ষেত্রে কোনো প্রতারণার অভিযোগ ধরা পড়েনি।’

    অভিনেত্রীর ‘গাটার জেনারেশন’ মন্তব্য প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে রামদেব প্রশ্ন তুলেছিলেন— ‘ওর শৈশব কেমন ছিল, যৌবন কেমন ছিল? আগের কীর্তিগুলো কেমন ছিল? আমি এ ধরনের মানুষকে নিয়ে কথা বলতে চাই না। দেশের কোনো যুবককে ‘নর্দমা’ বলা বিকৃত মানসিকতার লক্ষণ। এটা চরম ভুল। তার দলের লোকজনেরও বিষয়টি লক্ষ করা উচিত।’

    সাক্ষাৎকারে রামদেবকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়, কঙ্গনা তার যোগাভ্যাসের অনুরাগী এবং নিজেকে সনাতনী বলেও পরিচয় দেন। উত্তরে তিনি বলেন, কেউ আমার যোগের প্রশংসা করলেই কি আমি তার পাপকাজ ঢেকে রাখব? রামদেবের মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর কঙ্গনা যে পালটা জবাব দেবেন, তা নিয়ে জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিবাহবিচ্ছেদের জন্য নয়, অন্য কোন কারণে আদালতে গেলেন গোবিন্দপত্নী

    বলিউড অভিনেতা গোবিন্দের স্ত্রী সুনীতা আহুজা মুম্বাইয়ের পারিবারিক আদালতে। এমন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনদের মাঝে প্রশ্ন উঠতে থাকে— তাহলে কি এবার বিবাহবিচ্ছেদ হচ্ছে গোবিন্দ ও সুনীতার? গত কয়েক দিন ধরেই এ দম্পতির মধ্যে লেগে রয়েছে বাগ্বিতণ্ডা। তাই বিচ্ছেদের জল্পনা ঘনীভূত হয়েছে। কিন্তু সত্যি কোনটি?

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গোবিন্দের সহকারী শশী সিনহা এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি জানালেন— বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করতে নয়; বরং তা প্রত্যাহার করতেই আদালতে গিয়েছিলেন অভিনেতার স্ত্রী। 

    শশী সিনহা আরও বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হলেও সম্পর্কের অনেক কিছুই আলোচনার মাধ্যমে মিটে যায়। ব্যক্তিগত বিষয় আদালত পর্যন্ত গড়ানো এবং তা প্রকাশ্যে চলে আসায় তিনি যথেষ্ট হতাশ।

    তিনি বলেন, ‘ঝগড়া তো হতেই পারে! তবে সম্পর্ক চলতেই থাকে।’ কিন্তু বিষয়টি যখন আদালতে পৌঁছে যায়, তখন গোটা পৃথিবী তা জেনে যায়। গোটা পৃথিবীর কি জানার দরকার ছিল? কোনো প্রয়োজন ছিল না। পারিবারিক বিষয় পরিবারের মধ্যেই থাকা উচিত। অনেক কিছুই একসঙ্গে বসে কথা বললে মিটে যায় বলে জানান গোবিন্দের এ সহকারী।

    কিন্তু মামলা প্রত্যাহারই যদি করতে হতো, তাহলে তা দায়ের করা হয়েছিল কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে হতাশা প্রকাশ করে শশী বলেন, এই লোকদেখানোর প্রয়োজন ছিল না।

    সুনীতা আহুজার আদালতে যাওয়া এবং অভিনেতার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে শশী বলেন, ‘গোবিন্দের এখন কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। সবে এ ঘটনা ঘটেছে। এখনই তার কোনো  প্রতিক্রিয়া নেই। ঈশ্বর সবাইকে সুবুদ্ধি দিন। সবাই যেন বিচক্ষণতার সঙ্গে কাজ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‌‘সালমান ক্যামেরার দিকে তাকালেই ম্যাজিক ঘটে’

    সেটে বলিউড অভিনেতা সালমান খানের উপস্থিতি তাকে হলিউড তারকা উইল স্মিথের কথা মনে করিয়ে দেয়। তার মতোই ভাইজানের মধ্যেও রয়েছে সহজাত তারকাসুলভ আচরণ বলে জানিয়েছেন পরিচালক আদিল।

    শুক্রবার (২১ আগস্ট) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে বহু প্রতীক্ষিত আন্তর্জাতিক অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা ‘৭ ডগস’। এ সিনেমায় ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান ও বর্ষীয়ান অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের পাশাপাশি রয়েছেন ইতালীয় অভিনেত্রী মনিকা বেলুচ্চিও। 

    সম্প্রতি এ সিনেমার মরক্কো-বেলজিয়ান পরিচালক জুটি আদিল এল আরবি ও বিলাল ফালাহ এক সাক্ষাৎকারে সালমানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নেন। ভাইজানকে নিয়ে তারা প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

    পরিচালক আদিল বলেন, সেটে সালমানের উপস্থিতি তাকে হলিউড তারকা উইল স্মিথের কথা পর্যন্ত মনে করিয়েছে। ক্যামেরা তার দিকে তাক করলেই যেন কিছু ‘ম্যাজিক’ ঘটে যায়। অদ্ভুত ব্যাপার ঘটে।

    সালমান খুব দ্রুত বুঝতে পারেন, একটি দৃশ্যের প্রয়োজন ঠিক কী। সেটি নিখুঁতভাবে করার পর নিজের মতো করে আরও অনেক কিছু যোগ করেন। আদিলের কাছে সেই অভিজ্ঞতা অনেকটা অভিনয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চলচ্চিত্র তৈরি শেখার মতো।

    অন্যদিকে আরেক পরিচালক বিলালের অভিজ্ঞতাও একই রকম। তিনি বলেন,  শুটিংয়ের সময়ে সালমান অনেক সময়ে এমন এক-দুটি সংলাপ যোগ করতেন, যা পরে সম্পাদনার সময়ে নতুন করে নজরে আসত। পরিচালক বলেন, ছোট্ট একটি মুহূর্তকেও স্মরণীয় করে তোলার ক্ষমতা রয়েছে সালমানের।

    ‘৭ ডগস’ সিনেমাটির বাজেট প্রায় চার কোটি ডলার। আরব অঞ্চলের অন্যতম ব্যয়বহুল ছবিগুলোর মধ্যে এটি একটি। সৌদি আরবের রিয়াদে এ সিনেমার বড় অংশের শুটিং হয়েছে। লড়াই, স্টান্ট ও বিস্ফোরণের ওপরেও বিশেষ জোর দিয়েছেন নির্মাতারা।

    সিনেমাটির বড় আকর্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো— একটি বিস্ফোরণ, যা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা করে নিয়েছে। ‘৭ ডগস’ সিনেমায় দেখানো বিস্ফোরণটিকে চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ‘বিস্ফোরণ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • চুম্বনের দৃশ্য ছাড়াই ১০০ কোটি ছাড়াল হাশমির ‘আওয়ারাপান ২’

    ইমরান হাশমি এবং দিশা পাটানি অভিনীত ‘আওয়ারাপান ২’ সিনেমাটি ষষ্ঠ দিনে পা রেখে প্রেক্ষাগৃহে নিজেদের শক্তিশালী যাত্রা ধরে রেখেছে। আজ বুধবার (ষষ্ঠ দিন) পর্যন্ত ১৯২৯টি প্রদর্শনী বা শো থেকে সিনেমাটি এ পর্যন্ত ০.২১ কোটি রুপির নেট কালেকশন করেছে। 

    বিনোদনভিত্তিক জনপ্রিয় বাণিজ্য বিশ্লেষক সংস্থা ‘স্যাকনিল্ক’-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এর মাধ্যমে ভারতে সিনেমাটির মোট গ্রস কালেকশন দাঁড়িয়েছে ১২০.৫৭ কোটি রুপি এবং নেট কালেকশন দাঁড়িয়েছে ১০০.৯৬ কোটি রুপি। তবে বুধবারের দিনের চূড়ান্ত আয় এখনও প্রকাশিত হতে বাকি। 

    বক্স অফিসে মুক্তির শুরু থেকেই দুর্দান্ত সাড়া পেয়ে আসছে ছবিটি। ১৪ আগস্ট মুক্তির প্রথম দিনেই ভারতজুড়ে আনুমানিক ২২ কোটি রুপির নেট কালেকশন দিয়ে খাতা খোলে এটি। এরপর স্বাধীনতা দিবসের সরকারি ছুটিতে (দ্বিতীয় দিন) আয় লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩৩.৭৫ কোটি রুপি। তৃতীয় দিনে আরও ২৬ কোটি রুপি যোগ করে প্রথম তিন দিনেই ভারতজুড়ে মোট আয় দাঁড়ায় প্রায় ৮১.৭৫ কোটি রুপি।

    প্রথম সোমবারে (চতুর্থ দিন) এসে ছবিটি আনুমানিক ৯.২৫ কোটি রুপির নেট আয় করে। এরপর মঙ্গলবারের হিসাব শেষে মোট আয় ১০০.৭৫ কোটি রুপিতে পৌঁছায়, যার মাধ্যমে সিনেমাটি সফলভাবে কাঙ্ক্ষিত ১০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ করে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বুধবারের (১৯ আগস্ট) সবগুলো শো শেষ হওয়ার পর প্রদর্শনী ও আয়ের এই চিত্রে আরও পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০০৭ সালের ব্যাপক আলোচিত সিনেমা ‘আওয়ারাপান’-এর সিক্যুয়েল হলো এই ‘আওয়ারাপান ২’। 

    হিন্দি ভাষার এই রোমান্টিক অ্যাকশন ড্রামা ছবিটিতে মূল ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন অধ্যায় যুক্ত করার পাশাপাশি ভালোবাসা, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির গল্প তুলে ধরা হয়েছে। মূল সিনেমার মতো এবারও প্রধান চরিত্রে ফিরেছেন ইমরান হাশমি। তবে এই সিনেমায় চুম্বনের দৃশ্য নেই।

    সিনেমাটির আবহ সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন রাজু সিং। আর এর মৌলিক গানগুলোর সুর ও সঙ্গীত আয়োজন করেছেন মিথুন, জিৎ গাঙ্গুলী, আমাল মালিক, অখিল সচদেবা এবং আসিফ আহমেদ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আওয়ারাপন ২’-এর সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ইমরানপত্নী, জানালেন দুই যুগের সংগ্রামের কথা

    বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ‘আওয়ারাপন ২’। মুক্তির মাত্র চার দিনের মধ্যেই সিনেমাটি বক্স অফিসে ১৩০ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে। ছবিতে ইমরানের অভিনয়ও প্রশংসা কুড়াচ্ছে দর্শক ও সমালোচকদের।

    স্বামীর এমন সাফল্যে আবেগাপ্লুত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইমরানের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের নানা অজানা দিক তুলে ধরেছেন তার স্ত্রী পারভীন। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইমরানের আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে কেটে গেছে ২৩ বছরেরও বেশি। এই দীর্ঘ পথচলায় ছিল ধৈর্য, অধ্যবসায়, বিশ্বাস, আত্মনিবেদন, আশীর্বাদ ও প্রার্থনা। কখনো সাফল্য এসেছে, আবার কখনো ব্যর্থতা ও হতাশার মুখোমুখিও হতে হয়েছে। তবে কোনো প্রতিকূলতাই তাকে থামাতে পারেনি।

    পারভীনের মতে, ইমরান সবসময় নিজের কাজের প্রতি মনোযোগী থেকেছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, কঠোর পরিশ্রম একদিন না একদিন অবশ্যই স্বীকৃতি পাবে। প্রতিটি চরিত্রে অভিনয়ের সময় নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।

    সাফল্য পাওয়ার পরও ইমরান নিজেকে সাধারণ ও মাটির কাছাকাছি রাখতে পেরেছেন—এ বিষয়টিই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে বলে মনে করেন পারভীন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ইমরানের কাজের প্রস্তুতির বিষয়টিও পোস্টে তুলে ধরেছেন তিনি। তার ভাষ্য, নিয়মিত চিত্রনাট্য পড়া, তেলুগু সংলাপ আয়ত্ত করা এবং দরজা বন্ধ করে দৃশ্যের মহড়া দেওয়া ইমরানের রুটিনের অংশ। এর পাশাপাশি খাবারের প্রতি নিয়ন্ত্রণ, শরীরচর্চা ও ব্যক্তিগত যত্নের ক্ষেত্রেও তিনি যথেষ্ট শৃঙ্খলাবদ্ধ। এমনকি ছুটির দিনেও এই রুটিনে খুব একটা পরিবর্তন আসে না।

    ‘আওয়ারাপন ২’-এর সাফল্যের পর দর্শকদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা ইমরান পাচ্ছেন, সেটিকে তার প্রাপ্য বলেই মনে করেন পারভীন। স্বামীর অর্জনে গর্ব প্রকাশ করে তিনি আশা করেছেন, ইমরানের এই দীর্ঘ সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প অন্যদেরও নিজেদের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।

    ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আওয়ারাপন’ বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য না পেলেও সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর এর সিক্যুয়েল ‘আওয়ারাপন ২’ ঘিরে শুরু থেকেই তৈরি হয় ব্যাপক আগ্রহ। মুক্তির পর বক্স অফিসের সাফল্য এবং ইমরানের প্রশংসিত অভিনয় এখন সিনেমাটিকে তার ক্যারিয়ারের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অর্জনে পরিণত করেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিশুদের টক্সিক দেখা উচিত নয়: ইয়াশ

    ইয়াশ অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারেই অ্যাকশন, সহিংসতা ও ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের আভাস পাওয়া গেছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অভিনেতা ইয়াশ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, সিনেমাটি শিশুদের জন্য নয়।

    তরুণ দর্শকদের সিনেমাটি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। যশের মতে, ‘টক্সিক’ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্মিত হয়েছে। তারা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী সিনেমাটি দেখবেন এবং গল্প থেকে কী শিক্ষা নেবেন, সে সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিতে পারবেন।

    তিনি আরও জানান, ট্রেলারে সিনেমার সবকিছু দেখানো হয়নি। সিনেমার কিছু তীব্র দৃশ্য ইতোমধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিলেও ইয়াশের দাবি, ‘টক্সিক’-এর গল্প অত্যন্ত বাস্তব ও গভীর।

    রজত শর্মার অনুষ্ঠান ‘আপ কি আদালত’-এ ইয়াশ বলেন, শিশুদের এই সিনেমা দেখা উচিত নয়। তাদের বাড়িতে থাকা উচিত। এটি শিশুদের জন্য নির্মিত হয়নি, বিষয়টি খুবই পরিষ্কার। প্রাপ্তবয়স্করা ভালো-মন্দ বোঝেন। তারা কী দেখতে চান, সিনেমা থেকে কী শিখতে চান এবং জীবনে কী করতে চান না—এসব বিষয়ে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে সিনেমাটির গল্প খুবই বাস্তব ও গভীর।

    ইয়াশ গল্পের ধরন সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। শুরু থেকেই এই ট্যাগলাইন সিনেমাটির সঙ্গে রয়েছে এবং এটি স্পষ্ট করে যে ‘টক্সিক’ মূলত প্রাপ্তবয়স্ক দর্শকদের জন্য নির্মিত।

    অভিনেতা আরও বলেন, গল্পকে এমন একটি পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, যেখানে তার চরিত্রের প্রতিটি দিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। গল্পকে কার্যকর করতে চরিত্রটির প্রতিটি স্তর যথাযথভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। একইসঙ্গে এমন গল্প সততা ও স্বাভাবিকতার সঙ্গে উপস্থাপন করা উচিত বলেও মনে করেন যশ।

    গীতু মোহনদাস পরিচালিত ‘টক্সিক’ সিনেমায় দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইয়াশ। সিনেমাটিতে তার সঙ্গে রয়েছেন কিয়ারা আদভানি, নয়নতারা, তারা সুতারিয়া, হুমা কুরেশি ও রুক্মিণী বসন্ত।

    আগামী ২৬ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সিনেমাটির।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক