Tag: পুলিশ

  • সাকলায়েনের জন্য খারাপ লাগছে, কেন বলেছিলেন পরীমনি

    ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় বলে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (শৃঙ্খলা অনুবিভাগ) কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। 

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. গোলাম সাকলায়েন, ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সাবেক এডিসি ডিবি গুলশান বিভাগে কর্মকালীন বাংলাদেশ পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হয়েও সরকারি দায়িত্বের বাইরে চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে নৈতিকতা বহির্ভূত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করেন।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে প্রস্তুত করা প্রজ্ঞাপনের সারসংক্ষেপে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেছেন। পরবর্তী ধাপে এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পাওয়া গেলে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

    ২০২১ সালের ৯ জুন রাতে সাভার এলাকার ঢাকা বোট ক্লাবে অভিনেত্রী পরীমনির সঙ্গে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ১৪ জুন ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তিনি। মামলাটির তদন্ত তদারকির দায়িত্বে ছিলেন গোলাম সাকলায়েন।

    তবে পরবর্তীতে পরীমনির সঙ্গে সাকলায়েনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অভিযোগ সামনে এলে তাকে তদন্ত কার্যক্রম থেকে প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছিল।

    এদিকে, সম্পর্কের অভিযোগ নিয়ে চলা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সে সময় এক সাক্ষাৎকারে পরীমনি বলেন, বিষয়টি তিনি নিশ্চিত নন।

    তার দাবি, এটি ব্যক্তিগত আক্রোশের ফল হতে পারে।

    তিনি বলেন, এটা প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্কের কারণে হয়েছে—আমি তা বিশ্বাস করি না। সাধারণত কেউ সফল হলে তাকে ঘিরে নানা ধরনের আলোচনা তৈরি হয়। সাকলায়েন একজন দক্ষ ও সফল কর্মকর্তা। তার বিরুদ্ধেও এমন কিছু হতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, সাকলায়েনের বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থাটি তার কাছে অস্বাভাবিক ও অন্যায্য মনে হয়েছে। সাকলায়েনের জন্য খারাপ লাগছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফের ওপর হামলাকারী বাংলাদেশি কিনা প্রমাণ নেই

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানকে ছুরিকাঘাত করার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে রোববার গ্রেফতার করেছে মুম্বাই পুলিশ। তার নাম শরিফুল ইসলাম শেহজাদা (৩১)। তিনি নিজেকে বিজয় দাস নামে পরিচয় দিতেন। তার কাছে ভারতীয় নাগরিকত্বের বৈধ কোনো প্রমাণ ছিল না। শরিফুলকে বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করেছে পুলিশ। তিনি কি আদৌ বাংলাদেশি! আদালতে প্রশ্ন তুললেন হামলাকারীর আইনজীবী। সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি দাবি করেন, পুলিশের কাছে কোনো প্রমাণ নেই। তার মক্কেল ওই এলাকায় গত সাত বছর ধরে রয়েছেন বলেও দাবি করেন।

    গত বৃহস্পতিবার ভোরে নিজের বাড়িতেই আক্রান্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেতা সাইফ। ছুরির আঘাতে মারাত্মক জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। ঘটনার তিন দিন পর, রোববার ভোরে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করে মুম্বাই পুলিশের অপরাধ দমন শাখার কর্মকর্তারা।

    কিন্তু এদিন বান্দ্রা আদালতে শরিফুলকে তোলা হলে, তার আইনজীবী সন্দীপ শেখানে দাবি করেন, তার মক্কেল যে বাংলাদেশের নাগরিক, এমন কোনো প্রমাণ পুলিশের হাতে নেই। গত সাত বছর ধরে সপরিবার শরিফুল মুম্বাই এলাকায় বাস করছেন বলেও দাবি করেন সন্দীপ। এর আগে ঠাণের হিরনন্দানি এস্টেট এলাকা থেকে শরিফুলকে গ্রেফতারের পর মুম্বাই পুলিশের ডিসিপি (অপরাধ দমন) দীক্ষিত গেদাম জানিয়েছিলেন, শরিফুলের কাছে ভারতীয় নাগরিকত্বের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সন্দেহ করা হচ্ছে তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। গত পাঁচ-ছয়মাস ধরে এই এলাকায় থাকছিলেন এবং বিভিন্ন হোটেলে কাজ করছিলেন।

    তার আইনজীবী আরও বলেন, ‘আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি পুলিশকে এই সময়ের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশও দিয়েছেন। পুলিশের কাছে এমন কোনো তথ্য নেই যা থেকে প্রমাণ হয় শরিফুল বাংলাদেশের নাগরিক।’

    সন্দীপের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে নোটিশ জারি করা হয়নি। আদতে হত্যার কোনো উদ্দেশ্যই ছিল না। এফআইআর বা রিমান্ড কপিতে হত্যা বা প্রাণনাশের হুমকির মতো কোনো শব্দের উল্লেখ করা নেই। অথচ, সরাসরি পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হল।

    একা সন্দীপ নন, শরিফুলের আর এক আইনজীবী দীনেশ প্রজাপতি দাবি করেন, গত সাত বছর ধরে তিনি সপরিবার মুম্বাই এলাকায় বাস করছেন। তিনি দাবি করেন, ‘আমার মক্কেলের কাছে থেকে কিছুই পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশি হওয়ার কোনো তথ্যও আদালতে পেশ করতে পারেনি পুলিশ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘পুষ্পা ২’ সিনেমার অভিনেতা আল্লু অর্জুন গ্রেফতার

    দক্ষিণী অভিনেতা আল্লু অর্জুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ৪ ডিসেম্বর হায়দরাবাদে ‘পুষ্পা ২’ সিনেমার প্রিমিয়ারে পদপিষ্ট হয়ে একজন মারা যান ও আহত হন বেশ কয়েকজন। সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন অর্জুন। এ ঘটনাতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে।

    আল্লু অর্জুনের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস। শুক্রবার দুপুরে অভিনেতাকে গ্রেফতার করা হয়।

    হায়দরাবাদের একটি প্রেক্ষাগৃহে অর্জুন অভিনীত সিনেমা ‘পুষ্পা ২’-এর প্রিমিয়ার ছিল। তেলুগু অভিনেতা সেখানে পৌঁছতেই দর্শক এবং অনুরাগীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। ভিড়ের চাপে ভাঙে প্রেক্ষাগৃহের মূল গেট। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক নারীর। গুরুতর আহত অবস্থায় এখনো চিকিৎসাধীন ওই নারীর সন্তান।

    টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নিহত ভক্তের নাম রেবতী। ঘটনার ওইদিন রেবতীর সঙ্গে ছিল তার ৮ বছর বয়সী ছেলে শ্রীতেজ।

    অভিযোগ রয়েছে, অভিনেতার টিম অথবা ওই প্রেক্ষাগৃহ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পুলিশকে পর্যাপ্ত তথ্য দেওয়া হয়নি। ফলে প্রেক্ষাগৃহে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ আগে থেকে মোতায়েন করা যায়নি।

    হায়দরাবাদ পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, সন্ধ্যা থিয়েটার কর্তৃপক্ষ, অর্জুন এবং তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা টিমের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৫, ১১৮(১) ধারায় মামলা করা হয়েছে। মৃত নারীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতেই চিক্কাদপল্লী থানায় মামলা করে পুলিশ। তদন্ত শুরু হয়। গোটা ঘটনার নেপথ্যে দায়ী যারা, তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন হায়দরাবাদ পুলিশের ডিসি।

    পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনার পরেই বিবৃতি দিয়ে পুলিশ দাবি করে, অর্জুন কখন কোথায় ছবির প্রিমিয়ারের জন্য যাবেন, পুলিশকে সে বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য দেয়নি তার টিম। প্রেক্ষাগৃহের তরফেও পুলিশকে কিছু জানানো হয়নি। ৪ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ আচমকা সন্ধ্যা থিয়েটারে পৌঁছে যান অর্জুন। ওই প্রেক্ষাগৃহের সামনে ‘পুষ্পা ২’-এর প্রিমিয়ার উপলক্ষে এমনিতেই ভিড় ছিল। অভিনেতা স্বয়ং উপস্থিত হওয়ায় হুড়োহুড়ি পড়ে যায় দর্শকদের মধ্যে। অর্জুনকে এক ঝলক দেখার জন্য ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজ বাড়ি থেকে অভিনেত্রীর লাশ উদ্ধার

    বিনোদন জগতে ছোট-বড় দুই পর্দার অভিনেত্রী শোভিতা শিবন্নার মরদেহ বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।  রোববার হায়দরাবাদে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা। তিনি ছিলেন টেলিভিশন ও কন্নড় সিনেমার অভিনেত্রী। স্থানীয়দের ধারণা, অভিনেত্রী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

    গাছিবাউলি থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শোবিতা শিবন্নার দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে এ মৃত্যুর ঘটনা আত্মহত্যা বলেই অনুমান করা হচ্ছে। তবে কী কারণে এমন পথ বেছে নিলেন অভিনেত্রী তা এখনো জানা যায়নি। ইতোমধ্যেই পুলিশ অভিনেত্রীর আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে।

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, অভিনেত্রী শোভিতার মৃতদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য গান্ধী হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে অভিনেত্রী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। 

    উল্লেখ্য, শোভিতাকে ‘ইরাডোন্ডলা মুরু’, ‘ওন্ধ কাথে হেলা‘র মতো ছবিতে দেখা গেছে। এ ছাড়া তিনি ‘গালিপাতা’, ‘মঙ্গলা গৌরী’, ‘কৃষ্ণা রুক্মিণ’র মতো ধারাবাহিকেও নিয়মিত অভিনয় করছিলেন। তার মৃত্যুর পেছনে অবসাদ না প্রেমঘটিত কারণ, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে অভিনেত্রীর ভক্ত-অনুরাগীদের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রহস্যে ঘেরা তাপসের ‘কালোঘর স্টুডিও’, কী হতো সেখানে?

    সংগীতশিল্পী কৌশিক হোসেন তাপসকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাতে তার মালিকানাধীন গানবাংলা চ্যানেলের কার্যালয়ের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার কর হয়। তাপসকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছে পুলিশ। এর শুনানি হবে আগামীকাল বুধবার।  

    তাপসকে গ্রেফতারের পর আলোচনায় এসেছে তার ‘কালোঘর স্টুডিওর’ নাম।  গানবাংলা ভবনে সেই বিশেষ স্টুডিও ছিল। সেটি কালো কাঁচে ঢাকা থাকত; ফলে এর নাম হয় ‘কালোঘর স্টুডিও।’

    আবৃত্তিশিল্পী রবিশঙ্কর মৈত্রীর ‘গানবাংলা’ বিনোদন চ্যানেলটি ছিল।  ২০১১ সালের ২৪ অক্টোবর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে গানবাংলা টেলিভিশনের লাইসেন্স পান তিনি।  ২০১২ সালের ১ জুলাই তাপস আর ফারজানা আরমান মুন্নী ৮০ লাখ টাকার দুটি শেয়ার কিনে পরিচালক হন। রবিকে কৌশলে সাজানো মামলায় ফাঁসিয়ে গানবাংলার সব নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন। অভিযোগ রয়েছে চ্যানেলটি তাপসকে দিতে সহযোগিতা করেছিলেন তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তৎকালীন ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আশরাফুল আলম খোকন।

    সেখানে নানা অপকর্ম করতেন তাপস। গানবাংলায় দেশি-বিদেশি শিল্পী নিয়ে আসতেন। ইউক্রেন ও ফিলিফাইনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নারী শিল্পীদের নিয়ে আসতেন তাপস। তাদের গুলশান ও খিলক্ষেত এলাকার কয়েকটি অভিজাত হোটেলেও লাইভ মিউজিক শিল্পী ও নৃত্য শিল্পী হিসেবে সরবরাহ করতেন। এর মাধ্যমে তিনি হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা। 

    কালোঘর স্টুডিও : গানবাংলা ভবনে ‘কালোঘর স্টুডিও’ নামে বিশেষ স্টুডিও ছিল। চারদিকে কালো কাঁচে ঢাকা থাকত স্টুডিওটি। ফলে এর নাম হয় ‘কালোঘর স্টুডিও।’ সেখানে প্রায় প্রতিরাতে বসত বিশেষ আসর। আসরে থাকতেন দেশি-বিদেশি মডেল, নায়িকা ও তরুণীরা।  সেখানে মদ ও সিসা সেবন করা হতো; জড়ো হতো বিশেষ শ্রেণির ধনী মানুষ। পছন্দ মতো বিশেষ জনের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর ব্যবস্থা রয়েছে কালোঘর স্টুডিওতে। সেগুলো ভিডিও করে রাখতেন তাপস। সেখানে যাওয়া ব্যক্তিরা পরবর্তীতে ক্রমাগত ব্লাকমেইলিংয়ের শিকার হয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জন্মদিনে মুম্বাই পুলিশকে খাবারের বাক্স পাঠালেন শাহরুখ

    শনিবার ছিল বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের জন্মদিন। তার এ জন্মদিনে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য মুম্বাই পুলিশকে নিজের স্টাইলে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কিং খান। মান্নাতের নিরাপত্তায় থাকা সব মুম্বাই পুলিশকর্মীদের খাবারের বাক্স পাঠিয়েছেন এ অভিনেতা। আর সেই বাক্সেই লিখে দিয়েছিলেন থ্যাংক ইউ নোট। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। শাহরুখের জন্মদিন মানেই মান্নাতের বাইরে ভক্ত-অনুরাগীদের দেখা যায়। প্ল্যাকার্ড, ফুল, কেক হাতে আকাশে-বাতাসে শুধুই ‘শাহরুখ শাহরুখ’ বলে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তারা। 

    এবার মাঝরাতে মান্নাতের ছাদ থেকে ভক্তদের দর্শন দেননি বলিউড বাদশাহ। মন্নতজুড়ে তখন কড়া নিরাপত্তা। শনিবার একবারের জন্য শাহরুখকে দেখতে পাননি তার ভক্ত-অনুরাগীরা। এমনকি মুম্বাই পুলিশের তৎপরতায় মন্নতের আশপাশে ঘেঁষতে পারেননি একজনও।

    অথচ এদিকে বাদশার ৫৯তম জন্মদিনে বান্দ্রার রাস্তায় জনতার ঢল নামে। শুক্রবার মাঝরাত থেকেই মান্নাতের বাইরে ভিড় জমাতে শুরু করেন শাহরুখের ভক্ত-অনুরাগীরা। প্রতিবার ঈদ আর জন্মদিনে নিয়ম করে মান্নাতের ছাদে উঠে ভক্তদের দর্শন দেন তিনি। কিন্তু এবারের জন্মদিনে সেই প্রথা ভাঙলেন কিং খান।

    এবার মান্নাতের ছাদে নয়, বরং ভক্তদের সঙ্গে একান্তে জন্মদিন পালন করলেন কিং খান। সে রকম কোনো আড়ম্বর নেই। সাদামাটা পোশাকেই পৌঁছে গেলেন মন্নতের অনতিদূরে বান্দ্রার বাল গন্ধর্ব রঙ মন্দিরে। তবে সাজপোশাক যেমনই হোক, বাদশা ম্যাজিক বলে কথা। তিনি মঞ্চে উঠতেই যেন দিনভর অপেক্ষারত ভক্তরা চাঙ্গায়নী সুধা পেলেন। 

    শুধু পর্দায় নয়, বাস্তবেও রঙিন মানুষ বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। তার উপস্থিতিই ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে টনিকের মতো কাজ করল। সেই অনুষ্ঠানে নাচতেও দেখা গেল তাকে। শাহরুখ খানের এক ফ্যান ক্লাবের পক্ষ থেকে অবশ্য আয়োজন করা হয়েছিল এই অনুষ্ঠানের। তাদের নিরাশ করেননি কিং খান। তবে মন্নতের সামনে দিনভর দাঁড়িয়ে থাকা ভক্তদের হৃদয় একেবারে খান-খান। কারণ সারাদিনের অপেক্ষার পরও শাহরুখের দর্শন পাননি তারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রামপুরা থেকে কন্ঠশিল্পী মনি কিশোরের লাশ উদ্ধার

    নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী মনি কিশোরের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। রাজধানীর রামপুরা এলাকার একটি বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, কয়েকদিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে। 

    শনিবার (১৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রামপুরা টিভি সেন্টার রোডের ৩৩৫ নম্বর বাড়ি থেকে শিল্পী মনিরের লাশ উদ্ধার করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামপুরা থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান আকন। তিনি বলেন, ৩৩৫ নম্বর বাড়ির একটি ফ্লাটে শিল্পী মনি একা থাকতেন। গত কয়েক দিন ধরে তিনি বাসা থেকে বের না হওয়ায় বাড়ির মালিক বিষয়টি সন্দেহ করে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে। তার শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই।

    ওসি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে। তিনি তিন-চারদিন আগে মারা গিয়েছেন। শুনেছি তিনি বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

    মনি কিশোর পাঁচ শতাধিক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। রেডিও, টিভির তালিকাভুক্ত শিল্পী হলেও গান গেয়েছেন অল্প। সিনেমায়ও তেমন গাননি। মূলত, অডিওতে চুটিয়ে কাজ করেছেন। তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘কী ছিলে আমার’, ‘সেই দুটি চোখ কোথায় তোমার’, ‘তুমি শুধু আমারই জন্য’, ‘মুখে বলো ভালোবাসি’, ‘আমি মরে গেলে জানি তুমি’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। তার সবচেয়ে শ্রোতাপ্রিয় গান ‘কী ছিলে আমার’ তাঁরই সুর করা, তারই লেখা। ২০টির মতো গান লিখেছেন ও সুর করেছেন মনি কিশোর। 

    প্রসঙ্গত, মনি কিশোর তার পোশাকি নাম। প্রকৃত নাম মনি মণ্ডল। কিশোর কুমারের ভক্ত ছিলেন বলে নামের সঙ্গে ‘কিশোর’ জুড়ে নিয়েছিলেন।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • জালিয়াতির অভিযোগে বলিউডের রিয়াকে আইনি নোটিশ

    ৫০০ কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগে বলিউড অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে দিল্লি পুলিশ। তিনি একটি অ্যাপ নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন। 

    অ্যাপটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, অর্থ বিনিয়োগ করলে তা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার পর ফেরত পাবেন ব্যবহারকারীরা; কিন্তু তা হয়নি, বরং কোটি কোটি টাকা খুইয়েছেন ব্যবহারকারীরা। এই অ্যাপ ব্যবহার করে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন গ্রাহকরা। 

    অ্যাপটির প্রচারণা করেছিলেন এই অভিনেত্রী। এজন্যই তাকে ডেকে পাঠিয়েছে পুলিশ। শুধু রিয়া নন, এই অ্যাপের প্রচার করে বিপাকে পড়েছেন ভারতী সিং, এলভিশ যাদবও। তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। 

    অভিযোগ অনুযায়ী, রিয়া চক্রবর্তী, সৌরভ জোশী, অভিষেক মালহান, পূরব ঝা, এলভিশ যাদব, ভারতী সিং, দিলরাজ সিং রাওয়াত সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাপটির প্রচার করেছিলেন।

    বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর মাদক মামলায় নাম জড়িয়েছিল রিয়া চক্রবর্তীর। পুরোনো বিতর্ক ভুলে নতুন করে কাজ শুরু করেছেন রিয়া চক্রবর্তী। এর মধ্যে আবার বিপাকে পড়েছেন এই অভিনেত্রী। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পুলিশ নিয়ে যে স্লোগান দিয়ে তোপের মুখে অভিনেত্রী

    পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে উস্কানিমূলক স্লোগান দিয়ে কঠোর সমালোচনার মুখে ভারতীয় অভিনেত্রী দেবালীনা দত্ত।

    কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে নারী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় পুরো দেশেই প্রতিবাদ হচ্ছে। তারকারাও এ প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। 

    সেই প্রতিবাদে অংশ নিয়ে দেবলীনার দত্ত যে স্লোগান দিয়েছেন, তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। তিনি পুলিশ প্রশাসনকে অপমান করে স্লোগান দেন।

    অভিনেত্রী নাচের তালে তালে স্লোগানে বলেছেন- পুলিশ তোমার গালে গালে, ছাত্রছাত্রীরা তখন বলেছে- মারব চটি গালে গালে। কিছুক্ষণ পর সেই স্লোগান প্রশাসনের গালে গালে শব্দে পরিণত হয়। অভিনেত্রীর এই স্লোগানের ভিডিও ভাইরাল হতেই সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।

    একজন লিখেন- ‘আপনি প্রশাসনের দিকে আপত্তিকর গালিগালাজ ছুড়ছেন দেখে অত্যন্ত বিরক্ত লাগছে। আমরা কিভাবে সবাইকে একই নজরে দেখতে পারি। অদ্ভুত লাগছে এখানেই, যে প্রশাসনের লোকজনের শারীরিক ক্ষতি করার জন্য যে উচ্ছৃঙ্খল সমাবেশ, তাতে আপনি উস্কানি দিচ্ছেন। লজ্জাজনক।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রীকে হয়রানি, ২ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

    বলিউড অভিনেত্রী কাদম্বরী জেঠওয়ানি জমি নিয়ে বিবাদের মামলায় পুলিশের কাছে হয়রানির শিকার হয়েছেন। 

    অভিনেত্রীর দাবি মিথ্যা অভিযোগে তাকে ও তার বাবা-মাকে ৪৩ দিন কারাগারে থাকতে হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সেই মামলার পুনরায় তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হচ্ছে বলে জানা গেছে। খবর দ্য হিন্দুর।

    বরখাস্ত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন তৎকালীন পশ্চিম জোনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব পুলিশ (এসিপি) হনুমন্ত রাও এবং ইব্রাহিমপত্তনম থানার সার্কেল ইন্সপেক্টর এম সত্যনারায়ণ। বর্তমানে হনুমন্ত রাও অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ সদর দপ্তরে এবং সত্যনারায়ণ বিজয়ওয়াড়ার গভর্নরপেট পুলিশ স্টেশনের স্টেশন হাউস অফিসার হিসেবে কর্মরত।

    মুম্বাইয়ের বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্স থানায় সজ্জন জিন্দালের বিরুদ্ধে ‘যৌন হেনস্তার’ অভিযোগ করার পর জেঠওয়ানিকে ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। পুলিশ প্রথমে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় মুম্বাই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। পরে ডিসেম্বরে আদালতের হস্তক্ষেপের পরে জিন্দালের বিরুদ্ধে মামলা করেন অভিনেত্রী।

    জেঠওয়ানির অভিযোগ, জিন্দালের বিরুদ্ধে ‘যৌন নির্যাতনের’ মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হয়। পুলিশ কর্মকর্তা কান্তি রানা টাটা ও বিশাল গুন্নি তৎকালীন সরকারের প্রভাবে নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে তাকে চুপ করে দিয়েছিলেন। তাদের আরোপিত কিছু শর্তে রাজি হওয়ার পরই তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।

    এখানেই শেষ নয়, ফেব্রুয়ারি মাসে যুবজনা শ্রমিকা রাইথু কংগ্রেস পার্টির নেতা কুক্কালা বিদ্যাসাগর অভিনেত্রী ও তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা করেন। এই মামলায় পুলিশ কাদম্বরী জেঠওয়ানি ও তার পরিবারের সদস্যদের গ্রেফতার করে। এখন অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা এবং হেনস্তার বিষয়ে পুনঃ তদন্ত করছে। বিজয়ওয়াড়ার পুলিশ কমিশনার সেন্ট্রাল ক্রাইম স্টেশন থেকে এসিপি শ্রাবন্তী রায়কে নিয়োগ করেছেন।

    ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, কাদম্বরী যখন পুলিশ হেফাজতে ছিলেন, তখন হনুমন্ত রাও বিজয়বরাতে আসেন। এই মামলার তদন্তে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সিআই সত্যনারায়ণ ছিলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা যিনি মামলা তদন্ত না করেই নথিভুক্ত করেন।

    বিনোদন ডেস্ক