Tag: বিনোদন

  • অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

    কন্নড় সিনেমার জনপ্রিয় মডেল, অভিনেত্রী এবং ‘বিগ বস কন্নড়’র সাবেক প্রতিযোগী কৃষি থাপান্ডার ব্যাঙ্গালোরের ফ্ল্যাট থেকে এক ব্যবসায়ী যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি দীর্ঘদিন ধরে বিষণ্নতায়ও ভুগছিলেন। খবর-এনডিটিভির।

    গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটেছে এ ঘটনা। ঘটনার সময় অভিনেত্রী ইয়েলাহাঙ্কায় ছিলেন। মৃতের নাম বৈশাখ বলে শনাক্ত করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে তিনি অভিনেত্রীর ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট বা চিরকুট পাওয়া যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জানা গেছে, ব্যবসায়ী বৈশাখ বিষণ্নতার জন্য চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। কিছু ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন, মাঝে মধ্যে কলহ হওয়ার কারণে প্রায় এক মাস ধরে স্ত্রীর থেকে আলাদা থাকছিলেন তিনি।

    এর আগে ব্যবসায়ী ও আইনজীবী অরবিন্দ রেড্ডির সঙ্গে জড়িত একটি হাই-প্রোফাইল চাঁদাবাজি এবং হুমকিমূলক চিঠির মামলায় পুলিশের নজরদারিতেও ছিলেন বৈশাখ। গত ফেব্রুয়ারিতে কুরিয়ারের মাধ্যমে রেড্ডিকে ৬-৭ কোটি টাকা অর্থ দাবি করে এবং ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান করে একটি হুমকিমূলক চিঠি পাঠানো হয়েছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তদন্তের সময় এইচএএল থানার পুলিশ বৈশাখকে গ্রেফতার করে। পুলিশের দাবি ছিল―এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কিত বিরোধের কারণে ওই চিঠি পাঠিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে মুক্তি পেয়েছিলেন এ ব্যবসায়ী।

    গত ৬ ফেব্রুয়ারি কর্ণাটক হাইকোর্ট বৈশাখের বিরুদ্ধে চলমান পরবর্তী তদন্তের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে। এর আগে এইচএএল থানার পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে পাঁচদিন জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে তার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানা গেছে। রাজারাজেশ্বরী নগর থানার পুলিশ একটি মামলা দায়ের করবে এবং ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে। তবে এই সময়ের মধ্যে যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় ইরানি শিল্পীকে শাস্তি

    ঘটনা ২০২৪ সালের ডিসেম্বর। সামাজিক মাধ্যম ইউটিউব লাইভে ‘আজ খুনে জাভানানে ওয়াতান’ শিরোনামে একটি দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেছিলেন ২৯ বছর বয়সি ইরানি সংগীতশিল্পী পারাস্তু আহমাদি। সেই সময় তিনি হিজাব ছাড়াই পারফর্ম করেছিলেন। সেই গানটি পরবর্তী সময়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে ভাইরাল হয়ে পড়ে। কিন্তু ওই কনটেন্টটিকেই ‘অশ্লীল’ আখ্যা দিয়েছেন ইরানের একটি আদালত।

    গান প্রকাশের কিছু দিনের মধ্যেই পারাস্তু আহমাদি ও তার কয়েকজন সতীর্থকে আটক করে ইরান প্রশাসন। পরে তারা মুক্তি পেলেও আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সেই মামলার রায়ে দোররা ও নিষেধাজ্ঞার মতো শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি ‘অশ্লীল ও অনৈতিক কনটেন্ট’-এর অভিযোগ এনে গায়িকা পারাস্তু আহমাদিকে কঠোর শাস্তি দিয়েছেন দেশটির আদালত। তিনি এবং তার দলের আট সদস্যকে ৭৪টি করে দোররা মারা হবে। এ ছাড়া এ সংগীতশিল্পীকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন কোম প্রদেশের আদালত।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, এ খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সমালোচনা হচ্ছে সারা বিশ্ব। মানবাধিকার ও সংস্কৃতিকর্মীরা বলছেন— এ রায় কেবল একটি আইনি সিদ্ধান্ত নয়; বরং ভিন্নমত ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতাকে দমনের একটি উদাহরণ। সরকারের সমালোচনামূলক অবস্থানে থাকা শিল্পীদের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ ইরানে দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে বলে জানান তারা। তা ছাড়া এ ঘটনায় ইরানি-ব্রিটিশ অভিনেত্রী নাজানিন বোনিয়াদি, নির্বাসিত ইরানি অভিনেত্রী সেতারেহ মালেকিসহ অনেকেই প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    ইরানি অ্যাক্টিভিস্টদের আইনি সহায়তাদানকারী সংস্থা ‘দাদবান’-এর মানবাধিকার আইনজীবী মইন খাজায়েলি বলেছেন, এ রায়ের কোনো স্পষ্ট আইনি ভিত্তি নেই। ইরানের প্রচলিত আইনে নারীদের গান গাওয়া কিংবা সংগীত পরিবেশন করাকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে এসব কর্মকাণ্ডকে ‘অশ্লীল কনটেন্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করা আইনের অপপ্রয়োগ।

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ‘সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইরান’-এর অ্যাডভোকেসি পরিচালক বাহার ঘান্দেহারি বলেছেন, শুধু গান গাওয়া এবং হিজাব ছাড়া উপস্থিত হওয়ার কারণে একজন শিল্পীকে ৭৪ দোররা মারার সাজা দেওয়া অত্যন্ত কঠোর ও উদ্বেগজনক। এটি ইরানের মানবাধিকার পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আবারও পর্দায় ফিরছেন ওমর সানী

    ঢালিউড অভিনেতা ওমর সানী ১৯ ৯৭ সালে ‘কুলি’ সিনেমায় কুলি চরিত্রে অভিনয় করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, এরপর তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান তিনি। বর্তমানে অভিনয় থেকে দূরে আছেন এ অভিনেতা। তবে জানা গেছে, দীর্ঘ বিরতি শেষে আবারও ফিরছেন পর্দায়। প্রায় তিন দশক পর আবারও ফিরছেন সেই কুলি রূপে। 

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, একটি শর্টফিল্মে ওমর সানীকে দেখা যাবে কুলির চরিত্রে। স্বল্পদৈর্ঘ্যের সেই সিনেমার নাম ‘ব্ল্যাক’। ইতোমধ্যে মহাখালী বাস টার্মিনালে সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়েছে। গল্পের বাস্তবতা ফুটিয়ে তুলতে রাজধানীর ব্যস্ত এ বাস টার্মিনাল এলাকাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ‘ব্ল্যাক’ পরিচালনা করছেন মহিন খান। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন বাবলু ফকির।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন
     

    নতুনরূপে পর্দায় ফিরে আসা প্রসঙ্গে ওমর সানী বলেন, ছোট পরিসরের কাজ হলেও এর ব্যাপ্তি অনেক বড়। তবে আমার চরিত্রটি এখানে ক্যামিও। আমার অভিনীত সুপারহিট সিনেমা ছিল ‘কুলি’। সেই কুলির চরিত্রকে ঘিরেই এ সিনেমার চিত্রনাট্য তৈরি করা হয়েছে।

    এ স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘ব্ল্যাক’ প্রসঙ্গে নির্মাতা মহিন খান বলেন, ভিন্নধর্মী কাজ এটি। নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা হবে। সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু মাদক ব্যবসা ও সমাজ থেকে মাদক নির্মূলের বার্তা। ওমর সানীকে এখানে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার একজন কুলির চরিত্রে দেখা যাবে। আর ‘ব্ল্যাক’ অ্যামাজন প্রাইমে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

    ‘ব্ল্যাক’ সিনেমায় ওমর সানী ছাড়াও আরও অভিনয় করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হলিউড অভিনেতা সাইফুল ইসলাম। তার বিপরীতে রয়েছেন অভিনেত্রী পূর্ণিমা বৃষ্টি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইসিইউতে বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার

    দেশের বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার অসুস্থ হয়ে চারদিন ধরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

    পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এই গুণী শিল্পীকে। তার স্ত্রী মেরী মনোয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৪ জুন মুস্তাফা মনোয়ারকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা তাকে আইসিইউতে রাখার সিদ্ধান্ত নেন।

    মেরী মনোয়ার বলেন, ‘তার প্রেশার ও অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাচ্ছিল। অবস্থা দেখে চিকিৎসকেরা আইসিইউতে ভর্তি রাখার পরামর্শ দেন। গত চারদিন ধরে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন এই শিল্পী। এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে লাইফ সাপোর্টেও নেওয়া হয়েছিল। পরে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলেও সম্প্রতি নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

    মুস্তাফা মনোয়ার দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে এক অনন্য নাম। তার কর্মজীবন শুরু হয়েছিল আর্ট কলেজে শিক্ষকতা দিয়ে। পরে তিনি পাপেট শোয়ের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিতি পান। টেলিভিশনে শিশুদের জন্য তার তৈরি বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করেছে।

    সংস্কৃতি অঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ২০০৪ সালে একুশে পদক এবং ২০১৮ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে ‘সুলতান স্বর্ণপদক’ লাভ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমাকে ১৬ বছর ধরে বুলি করা হচ্ছে: প্রভা

    দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত ট্রল ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। এতদিন বিষয়টি নিয়ে নীরব থাকলেও এবার তিনি মুখ খুলেছেন। নিজের ভেতরে জমে থাকা ক্ষোভ, কষ্ট এবং কিছু তিক্ত বাস্তবতা তুলে ধরে প্রকাশ করেছেন একটি ভিডিওবার্তা। সেখানে বুলিংকারীদের মানসিকতা, অনলাইন হয়রানির প্রভাব এবং সমাজে প্রচলিত ভিকটিম ব্লেমিং সংস্কৃতির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন এই অভিনেত্রী।

    ভিডিওর শুরুতেই প্রভা বলেন, ‘আমি এখন কিছু জ্বালাময়ী সত্যি কথা বলব। আমি অনেকদিন সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ব্যাপার নিয়ে কথা বলি না। ভেবেছিলাম কথা বলেও তো আসলে কোনো লাভ নাই। কিন্তু নিজের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে মনে হয় যে কিছু জিনিস চোখ বন্ধ করে থাকা যায় না।’

    সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা অন্যদের আক্রমণ বা ট্রল করেন, তাদের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হিউম্যান সাইকোলজি ও সাইকিয়াট্রিস্টদের গবেষণার সূত্র ধরে প্রভা বলেন, ‘আপনারা আপনাদের নিজের যোগ্যতা, নিজের স্থান, নিজের সৌন্দর্য, নিজের কোয়ালিফিকেশন এই সবকিছুর প্রতি ইনসিকিউরিটি থাকার জন্যই তো মানুষকে মক করেন। যারা মানুষের ব্যাপারে এত অ্যাগ্রেসিভলি জাজ করে, বুলি করে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভার্বালি অ্যাবিউজ করে, এরা আসলে নিজেদেরকে নিয়ে স্যাটিসফাইড না এবং তারা দুঃখী। আমরা প্রত্যেকেই কোনো না কোনো জায়গায় দুঃখী। কিন্তু যারা ইনসিকিউর, যারা ব্যাপারটা মানতে পারে না, তারাই ম্যাক্সিমাম টাইমে সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে সেলিব্রিটি বা আর্টিস্টদের বুলি করে।’   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দীর্ঘ দেড় দশক ধরে চলা নিজের মানসিক যন্ত্রণার কথা উল্লেখ করে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমাকে বুলি করা হচ্ছে অলমোস্ট ১৬ বছর ধরে। আপনারা আমাকে বুলি করে মজা পান, এটা আপনাদের একটা পৈশাচিক আনন্দ হয়, তা আমি টোটালি আন্ডারস্ট্যান্ড করি। কিন্তু ঠিক যতটুকু আমাকে বুলি করছেন, তার যদি ৫০ শতাংশ আমাকে (ভিকটিমকে) করে বাকি ৫০ শতাংশ ক্রিমিনালটাকে খুঁজে বের করে মক করতেন, ওকে নিয়ে লেখালেখি করতেন, ওর চেহারাটা বারবার মানুষের সামনে আনতেন যে ও একজন ক্রিমিনাল, তাহলে পরিস্থিতি এমন হতো না।’

    ‘যেমন এখন আমরা রেপিস্টদের ছবি দিই। একটা সময় ছিল না, কিন্তু এখন যারা অ্যাসিড নিক্ষেপ করে বা রেপ করে, তাদের আমরা শাস্তি দিই, বিশাল পেনাল্টি দেওয়া হচ্ছে। ঠিক তেমনি যারা আরেকটা মানুষের ক্ষতি করে, তাদের সম্মতি ছাড়া প্রাইভেসি ডিসক্লোজ করে, সেটা একটা গুরুতর ক্রাইম। কিন্তু আপনারা সেই মানুষদের বুলি না করে দিন কে দিন ভিকটিমকে বুলি করছেন।’

    ট্রলকারীদের উদ্দেশ্যে অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘আপনাদের ইনসিকিউরিটি, আপনাদের বিউটি, কোয়ালিফিকেশন, ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড, ইনকাম সোর্স বা লাইফ নিয়ে আমার কোনো প্রবলেম নাই। কিন্তু যে পরিমাণ বুলি আপনারা আমাকে করেছেন, তার অর্ধেকও যদি ক্রিমিনালকে করতেন, তাহলে পৃথিবীতে তন্ময়ের জন্ম হতো না। একটা ৩৫ বছর বয়সি ছেলে, ও কোনো মিডলাইফ ক্রাইসিসের মধ্যেও নাই, ইয়াং এনাফ। ও চাইলে যে কাউকে ডেট করতে পারত।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আই লাভ ইউ টু: প্রভা

    বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা ২০০৫ সালে মডেলিংয়ের মাধ্যমে মিডিয়া জগতে পথচলা শুরু। তিনি মেরিল, তিব্বত, পন্ডস, বাংলালিংক, জুঁই তেলসহ অসংখ্য জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনে কাজ করে নিজেকে পরিচিতি লাভ করেন। পরে নাটকে জনপ্রিয়তা পান। অভিনয় করেছেন চলচ্চিত্রেও। তবে কাজের বাইরে ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই বেশি চর্চায় ছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে নাটক ও টেলিফিল্মে নিজের অভিনয়ের দক্ষতা দেখিয়ে ছোটপর্দায় নিজেকে অন্যতম শীর্ষ অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। 

    তবে অভিনয়ে অনেক দিন ধরেই অনিয়মিত সাদিয়া জাহান প্রভা। তবু দর্শকমনে তাকে ঘিরে আগ্রহের কমতি নেই। সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় অভিনেত্রী। নিজের ব্যক্তিজীবনের নানা মুহূর্ত শেয়ার করে নেন তিনি। সেগুলো নিয়েই মেতে থাকেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা।

    সম্প্রতি নেপালে ছুটির আমেজে ঘোরাঘুরি করছেন অভিনেত্রী। সেই ঘোরাঘুরির ফাঁকে তোলা তার কিছু ছবি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে চলছে চর্চা। বেলুন হাতে তোলা একটি ছবি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি। বেলুনের গায়ে লেখা— ‘আই লাভ ইউ’। 

    সে ছবি নিয়ে বেশ কানাঘুষা চলছিল। তা দেখে নেটিজেনদের একাংশ বলছেন— প্রেমে পড়েছেন অভিনেত্রী। প্রেমিকের সঙ্গেই নাকি ঘুরে বেড়াচ্ছেন দেশ-বিদেশে। যদিও প্রভা বিষয়টি নিয়ে এখনো কিছু বলেননি। তবে তার ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টগুলো নিয়ে চর্চা বেড়েই চলেছে। এর মধ্যেই আবার সম্পর্কের গুঞ্জন উসকে দিলেন অভিনেত্রী। এবার আরও স্পষ্ট ইঙ্গিত। যেন আগের পোস্টের বিপরীতে তার জবাব।

    শুক্রবার (১২ জুন) রাতে ফেসবুকে ছবি পোস্ট করেন প্রভা। তাতে দেখা যায়, সাদা জামায় কোনো রেস্তোরাঁয় বসে আছেন তিনি। একটি হাত টেবিলে রেখে অন্য হাত বাড়িয়ে রেখেছেন ক্যামেরার দিকে। আর সেই হাতের সঙ্গে আরেকটি হাত; ঘড়ি পরিহিত ওই হাত কোনো পুরুষের বলেই মনে করছেন নেটিজেনরা। ছবির ক্যাপশনে গুঞ্জনের আগুনে ঘি ঢাললেন অভিনেত্রী। লিখেছেন— ‘আই লাভ ইউ টু’। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সেই পোস্ট করার কিছুক্ষণের মধ্যেই নেটিজেনদের মাঝে প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের ঝড় ওঠে। অগত্যা পোস্টটি মুছে দেন প্রভা। প্রেমের গুঞ্জনটাকে একটু আড়াল করতেই হয়তো তার এ চেষ্টা। যদিও কেউ কেউ মুহূর্তের মধ্যেই তার ওই পোস্টের স্ক্রিনশট নিয়ে রেখেছেন।

    উল্লেখ্য,  অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা অভিনয় জগতে এসে ২০১০ সালে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বকে বিয়ে করেন। এর কিছু দিন পরই সেই বিয়ে অদৃশ্য কারণে ভেঙে যায়। এরপর ২০১৪ সালে মাহমুদ শান্ত নামে এক করপোরেট ব্যক্তিকে বিয়ে করেন। সেটিও ভেঙে যায়। এরপর দীর্ঘদিন একা থাকেন অভিনেত্রী। এবার হয়তো সেই একাকীত্বের অবসান ঘটতে চলেছে। কোনো প্রেমিককে নিয়ে এবার হয়তো নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখছেন প্রভা। তাই নেপালের পোখারার সারাংকোট মাউন্টেন থেকে তোলা ছবি মাঝে মাঝে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তার ভক্ত-অনুরাগীদের জানান দিচ্ছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সিলনের সৌজন্যে ঢাকায় গানে গানে মাতাবেন অনুপম রায়

    উপমহাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার অনুপম রায় আসছেন ঢাকায়। আগামী ২৬ জুন রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে সংগীত পরিবেশন করবেন দি অনুপম রায় ব্যান্ড। সংগীতপ্রেমী দর্শকদের জন্য এই আয়োজন হতে যাচ্ছে এক স্মরণীয় সংগীত সন্ধ্যা।

    বাংলাদেশের জনপ্রিয় টি ব্র্যান্ড সিলন দীর্ঘদিন ধরে দেশের সংগীত, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল আয়োজনের প্রসারে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে। ২০২৫ সালে বিশ্বখ্যাত জাল ব্যান্ড ও ওয়ারফেজের লাইভ কনসার্টে টি পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল সিলন। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে তিন দিনব্যাপী রিকশা ফেস্টিভ্যালের মুখ্য পৃষ্ঠপোষক হিসেবেও সিলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও ঢাকা ফ্যাশন ফেস্টিভালসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনে সিলনের সহযোগিতা দেশের সৃজনশীল অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

    সোনালী যুগের হারানো সুরকে ফিরিয়ে আনা এবং কালজয়ী গানগুলোকে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে উপস্থাপনের লক্ষ্যে সিলন মিউজিক লাউঞ্জ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে সিলন। ইতোমধ্যে সিলন মিউজিক লাউঞ্জ রুচিশীল দর্শক-শ্রোতাদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সেই ধারাবাহিকতায় এবার অনুপম রায়ের বিশেষ কনসার্টের পৃষ্ঠপোষকতা করছে সিলন।

    আয়োজকরা আশা করছেন, সংগীতপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই সন্ধ্যা পরিণত হবে এক অনন্য সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • গুরুতর অসুস্থ অভিনেতা শেলী, আবেগঘন পোস্ট সহকর্মীর

    বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আব্দুল হান্নান শেলী দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। এতটাই নাজুক যে, তিনি দাঁড়িয়ে হাঁটার মতো শক্তিটুকুও হারিয়ে ফেলেছেন। 

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্টে  সে কথা তুলে ধরেছেন আরেক অভিনেতা এমকেএইচ পামির। 

    পামির ও শেলী— দুজনেরই গ্রামের বাড়ি পাবনা জেলায়। তাই এবারের ঈদে বাড়ি যাওয়ার পাশাপাশি শেলীকে দেখতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী শেলীর বাসায় যান পামির।

    আব্দুল হান্নান শেলীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক উল্লেখ করে এমকে এইচ পামির লিখেছেন— শেলী ভাই এতটাই গুরুতর অসুস্থ যে, উঠে দাঁড়ালে পুরো শরীর কাঁপে। তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না। তার পুরোপুরি সুস্থ হতে অনেক সময় লাগবে।

    তিনি আরও লিখেছেন— আমাকে দেখার পর শেলী ভাই যে কী খুশি হয়েছেন, তা আপনাদের বলে বোঝাতে পারব না। তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন— ‘আমি অসুস্থ হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কেউ আমাকে দেখতে আসেনি। আপনি এসেছেন পামির ভাই, আমার যে কী ভালো লাগছে!’ এ কথা বলেই তিনি কেঁদে ফেললেন।

    আব্দুল হান্নান শেলী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ বিষয়টি শোবিজ অঙ্গনের অনেকেরই জানা। সহশিল্পীর এই কঠিন সময়ে বিনোদন অঙ্গনের কর্মী, ভক্ত ও অনুরাগী সবার কাছে দোয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এমকেএইচ পামির। তিনি বলেন, আমরা সবাই শেলী ভাইয়ের জন্য দোয়া করব। আল্লাহতায়ালা যেন দ্রুত সুস্থ করে দেন শেলী ভাইকে, আমিন।

    এদিকে শেলীর অসুস্থতা ও সহায়তার বিষয়ে অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু বলেন, প্রায় দুই মাস আগে একটা সার্টেন অ্যামাউন্ট সাহায্য দেওয়া হয়েছে। শিল্পী কল্যাণ তহবিলে উনার ফাইল পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো রেসপন্স পাইনি। আমরা সেটার তদারকি করছি আর উনার অসুস্থতা সম্পর্কে আমরা সবসময় অবগত রয়েছি।

    উল্লেখ্য, অভিনেতা আব্দুল হান্নান শেলী বেশ কিছু প্রশংসিত কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে— ‘কিত্তনখোলা’, ‘দ্য লাস্ট ঠাকুর’ এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দারুণ সাড়া জাগানো ‘দুই দিনের দুনিয়া’। গুণী এ অভিনেতার এমন দূরবস্থা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসায় অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করছেন এবং তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঈদ উদযাপন নিয়ে জয়ার আক্ষেপ

    সময়ের সঙ্গে ঈদের আয়োজন আরও বড় হলেও ছোটবেলার ঈদের আনন্দের সঙ্গে আজকের ঈদের তুলনা চলে না বলে মনে করেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। অভিনেত্রীর  ভাষায়, সেই সময়ের ঈদ ছিল অনেক বেশি প্রাণবন্ত, আন্তরিক আর আবেগে ভরা।

    সম্প্রতি এক আলাপচারিতায় ঈদ নিয়ে শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জয়া বলেন, রোজার ঈদ শেষ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যেত কুরবানির ঈদের অপেক্ষা। ছোটবেলায় ঈদ যেন ছিল বছরের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত উৎসব। তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘তখন মনে হতো, প্রতি মাসেই যদি ঈদ হতো!’

    জয়ার স্মৃতিতে এখনও স্পষ্ট কোরবানির ঈদের আগের দিনগুলোর চিত্র। পাড়া-প্রতিবেশী কিংবা আত্মীয়দের সঙ্গে দল বেঁধে বিভিন্ন বাড়িতে গরু দেখতে যাওয়ার অভ্যাস ছিল তাদের। কোথায় কেমন গরু এসেছে, কোনটার আকার বড়, কোনটার রং আলাদা-এসব নিয়েই চলত শিশুদের উৎসাহ আর উচ্ছ্বাস। ঈদ তখন শুধু নতুন পোশাক বা খাবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং পুরো পরিবেশজুড়েই থাকত উৎসবের আমেজ।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রীর মতে, সেই সময় মানুষের মধ্যে আন্তরিকতা ও পারিবারিক বন্ধনও ছিল অনেক বেশি। ঈদ মানেই ছিল আত্মীয়স্বজনের বাড়ি ঘোরা, একসঙ্গে খাওয়া, গল্প আর আনন্দ ভাগাভাগি করা। এখন প্রযুক্তি ও ব্যস্ত জীবনের কারণে মানুষ অনেকটাই নিজস্ব গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

    বর্তমান সময়ের ঈদ উদযাপন নিয়ে কিছুটা আক্ষেপও প্রকাশ করেন জয়া। তার মতে, এখনকার ঈদ অনেকটাই যান্ত্রিক হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ব্যস্ততা আর নগরজীবনের চাপের কারণে আগের সেই আবেগ আর সরল আনন্দ যেন হারিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।

    তিনি বলেন, ‘ঈদের আসল আনন্দটা আসলে ছোটবেলাতেই ছিল।’ জয়ার এই কথায় যেন উঠে আসে অনেক মানুষেরই না বলা অনুভূতি-বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঈদের আনন্দের ধরন বদলে গেলেও শৈশবের ঈদের স্মৃতি চিরকালই থেকে যায় হৃদয়ের সবচেয়ে উজ্জ্বল জায়গায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইলন মাস্কের সন্তানের মা হওয়ার কারণ জানালেন এশলে

    মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের সন্তানের মা হওয়ার নেপথ্য কারণ প্রকাশ করেছেন সাবেক ম্যাগা কর্মী এশলে ক্লেয়ার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি দাবি করেন, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও বড় পরিবার গড়ার ইচ্ছাই তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।

    ক্লেয়ার জানান, ইলন মাস্কের সঙ্গে পরিচয়ের আগেই তিনি একজন সিঙ্গেল মা ছিলেন। আগের এক সম্পর্ক থেকে তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তিনি বলেন, একসময় মাস্ক তাকে আরও সন্তান নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন।

    ক্লেয়ারের ভাষ্য অনুযায়ী, সেন্ট বার্টসে এক সফরের সময় মাস্ক তাকে বলেছিলেন, তার জীবনে সবচেয়ে সীমিত সম্পদ হচ্ছে ‘সময়’। তখনই তিনি অনুভব করেন, এমন একজন মানুষের সঙ্গে পরিবার গড়ার সুযোগ আকর্ষণীয়, যিনি সন্তান চান এবং আর্থিক অনিশ্চয়তা নিয়ে ভাবতে হয় না।

    তিনি বলেন, ‘একজন সিঙ্গেল মায়ের জীবন খুব কঠিন। সন্তানদের খরচ চালানো যাবে কি না, সেই দুশ্চিন্তা সবসময় থাকে। তাই যখন ইলন বলেছিলেন আরও সন্তান নিতে, তখন বিষয়টি আমার কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল।’

    ক্লেয়ার আরও দাবি করেন, গর্ভধারণের আগে তাদের সম্পর্ক আবেগঘন ছিল। তবে গর্ভবতী হওয়ার পর থেকেই মাস্কের আচরণ বদলে যেতে শুরু করে। 

    তিনি বলেন, ‘আমি গর্ভবতী হওয়ার পর থেকেই অনেক কিছু অস্বাভাবিক লাগতে শুরু করে। আগের কথাবার্তার সঙ্গে বাস্তবতার মিল পাচ্ছিলাম না।’  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্লেয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে জানান, তার সন্তানের বাবা ইলন মাস্ক। সন্তানের ‘গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার’ কথা বিবেচনা করে তিনি পাঁচ মাস বিষয়টি প্রকাশ করেননি বলেও উল্লেখ করেন।

    পরে এক পডকাস্টে ক্লেয়ার অভিযোগ করেন, মাস্ক প্রথমে প্রতি মাসে ১ লাখ ডলার সহায়তা দিলেও পরে তা কমিয়ে ৪০ হাজার এবং পরবর্তীতে ২০ হাজার ডলারে নামিয়ে আনেন।

    ক্লেয়ার দাবি করেন, ২০২৩ সালের মে মাসে মাস্ক প্রথম তার ব্যক্তিগত বার্তায় যোগাযোগ করেন। পরে ব্যাবিলন বি’র প্রধান নির্বাহী সেথ ডিলন–এর এক সাক্ষাৎকারের সময় তাদের সরাসরি দেখা হয়।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক