Tag: বিনোদন

  • ভালো শটের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিতে পারি: পাওলি দাম

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পাওলি দাম ২০০৩ সালে ‘জীবন নিয়ে খেলা’ নামে একটি টেলিভিশন ধারাবাহিক দিয়ে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন। ২০০৯ সালে গৌতম ঘোষ পরিচালিত ‘কালবেলা’ সিনেমায় অভিনয় করে তিনি ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেন। ২০১২ সালে ‘হেট স্টোরি’ সিনেমার মাধ্যমে তার বলিউডে অভিষেক হয়। এরপর একের পর এক অভিনয় করে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিজেকে নিয়ে গেছেন অভিনেত্রী পাওলি দাম।

    এবার তার নতুন কাজে একেবারে অন্য মেজাজে ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎ পাওলি দাম তার ক্যারিয়ারের আশা-আশঙ্কা থেকে আক্ষেপ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।

    অনেক দিন পর দর্শক পর্দায় আপনার নাচ দেখল—এমন প্রশ্নের উত্তরে পাওলি দাম বলেন, হ্যাঁ, ভীষণ খুশি হয়েছি। আমি যে নাচটাও করতে পারি, সেটি তো সবাই ভুলেই গিয়েছিলেন, তাই জানান দিলাম। 

    তিনি বলেন, সিরিয়াস অভিনেত্রী ভেবে নাচ-গান করার স্কোপ আছে—এমন চরিত্র কেউ অফারই করে না। ‘বিবি পায়রা’-তে অর্জুন (দত্ত, পরিচালক) সেই সুযোগ আমায় দিয়েছেন। জমিয়ে নেচেছি, গান গেয়েছি এবং অ্যাকশন করেছি। অনেক দিন পর এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করলাম।

     ‘গ্যাং অফ ঘোস্ট’ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ওটাই আমার প্রথম আইটেম ড্যান্স। সতীশ কৌশিকের পরিচালনায় ‘গ্যাং অফ ঘোস্ট’-এ প্রোপার আইটেম ড্যান্স করেছিলাম। 

    তিনি বলেন, আর ‘বিবি পায়রা’ সিনেমায় আমার নাচটা কিন্তু আইটেম ড্যান্স নয়। তবে অনেক দিন পর নাচ করার সুযোগ পেয়ে খুব আনন্দ পেয়েছি। মাঝে মাঝে এমন কিছু চরিত্রের অফার পেলে সত্যিই ভালো লাগে। আমিও চাই, এ ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রায় ১২ বছর পর অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে জুটি বাঁধা প্রসঙ্গে পাওলি দাম বলেন, এই যে জুটি বললেন, ভালো লাগল। কারণ জুটি মানেই আমাদের ধারণা একজন হিরো ও একজন হিরোইন কিংবা জুটিতে দুজন হিরো। এমনটাই তো দেখে অভ্যস্ত। ‘আরআরআর’ সিনেমায় তিনজন হিরো নাচছে, কিন্তু সেখানে হিরোইন হলো কাইন্ড অফ প্রপ। তাহলে দুজন হিরোইনের জুটি কেন হতে পারে না? 

    তিনি বলেন, এ সিনেমায় সেই ছক ভাঙা হয়েছে। ‘ফ্যামিলি অ্যালবাম’-এর পর আবার আমি আর স্বস্তিকা একসঙ্গে জুটি বেঁধে কাজ করলাম। হিরোইনের জুটির সংখ্যা বাড়ুক সিনেমায়। স্বাদবদলেরও তো দরকার আছে, নাকি?

    ১০ বছর আগে যেমন ছিলেন, এখনো তেমনই আছেন। পাওলির বয়স বাড়ে না?—এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, কয়েক দিন আগে একজন এই প্রশ্নটাই আমাকে করেছিলেন। আমি শুধু হেসেছিলাম। কী বলব বলুন তো? 

    তিনি বলেন, সত্যি কথা বলতে—আমি বয়স ধরে রাখার জন্য বাড়তি কোনো চেষ্টা করি না। মন থেকে খুশি থাকি। অকারণে বেশি চাপ নিই না। স্ট্রেস ফ্রি থাকি। তাই বলে কি কোনো ভাবনা নেই? অবশ্যই আছে। তবে সেসব নিয়ে অত মাথা ঘামাই না। তবে দর্শকের ভালোবাসা আছে বলেই আমি বিশেষ বদলাইনি।

    জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্তির ঝুলিটা এখনো ফাঁকা। তা নিয়ে খারাপ লাগা আছে কিনা জানতে চাইলে পাওলি দাম বলেন, আমার অভিনীত সিনেমা জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে। তবে অভিনেত্রী হিসেবে এখনো জাতীয় পুরস্কার পাওয়া হয়নি। 

    অভিনেত্রী বলেন, আসলে সব কিছুরই তো নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। এখনো হয়তো সেই সময় আসেনি। ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পাইনি বলে সেই অর্থে কোনো আক্ষেপ নেই। কারণ দর্শকের থেকে এত ভালোবাসা আর প্রশংসা পেয়েছি, সেগুলো কম প্রাপ্তি নয়। জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার জন্য তেমন চরিত্রও তো কাউকে লিখতে হবে। দেখি আমার জন্য কেউ তেমন চরিত্র লেখেন কিনা।

    রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শুটিংয়ে শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, আপনি কখনো দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন কিনা জানতে চাইলে অভিনেত্রী বলেন, ভালো শটের জন্য একজন অভিনেত্রী নিজেকে নিংড়ে দেয়। তখন মাথায় থাকে না সে জলে আছে, না স্থলে আছে। এই জন্য এটা টিমওয়ার্ক। 

    তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি অ্যালবাম’, ‘নাটকের মতো’—এই দুটো সিনেমাতেই আমার পানিতে ডুবে যাওয়ার সিন ছিল। কিন্তু দুর্ঘটনা ঘটেনি। কারণ লাইফ জ্যাকেট, ডুবুরি, হার্নেসসহ সব রকম ব্যবস্থা ছিল। আমরা তো একটা ভালো শট দেওয়ার জন্য প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করি, তবে সেটি আমাদের শেষ ঝুঁকি হয়ে যাবে না তো?

    বিনোদন ডেস্ক

  • আশা ভোসলের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ হৈমন্তী

    উপমহাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কিংবদন্তি আশা ভোসলে আর নেই। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। শনিবার তার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন।

    লতা মঙ্গেশকরের পর তার বোন আশার এই চলে যাওয়া যেন ভারতীয় সংগীত ইতিহাসের একটি স্বর্ণযুগের সমাপ্তি ঘটল। সংগীত জগতের এক নক্ষত্রের পতন হলো। সুরের মায়া কাটিয়ে চিরনিদ্রায় কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে প্রয়াণের খবরে স্তব্ধ গোটা দেশ। 

    লতা মঙ্গেশকরের পর তার বোন আশার এই চলে যাওয়ায় শোক সংবাদে ভেঙে পড়েছেন বাংলা তথা ভারতের প্রবীণ সংগীতশিল্পী হৈমন্তী শুক্লা। আশা ভোসলের প্রয়াণে নিজের শোকবার্তা জানাতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এ গায়িকা।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হৈমন্তী শুক্লা বলেন, ভাবতেই পারছি না আশাদি আর নেই। এই তো সেদিন বিদেশ থেকে অনুষ্ঠান করে এলেন। জানি বয়সটা বড় ফ্যাক্টর। লতাদির চলে যাওয়ার পর আশাদি-ই ছিলেন আমাদের সবার মাথার ওপর একটা বড় ভরসা। আজ মনে হচ্ছে মাথা থেকে ছাতাটা সরে গেল।

    দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে ২০টিরও বেশি ভাষায় কয়েক হাজার গান উপহার দিয়েছেন আশা ভোসলে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার থেকে শুরু করে দাদাসাহেব ফালকে এবং পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত হন তিনি। তার গাওয়া ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’ বা বাংলা গান ‘আজ এই দিনটাকে’ আজও সমানভাবে জনপ্রিয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জীবন অন্বেষণের প্রেরণা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’

    ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ তানিম নূরের সিনেমাটি শুধু একটি যাত্রা না বরং সিনেমাটি দেখতে দেখতে মনে হয় এই যাত্রাটা মানুষের জীবনেরই একটা মেটাফোর। হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস ‘কিছুক্ষণ’ অবলম্বনে যা নির্মিত হয়েছে। 

    ট্রেনের কামরাগুলো যেন বাংলাদেশেরই একটা ছোট্ট জীবন্ত মানচিত্র—যেখানে প্রত্যেক যাত্রী তার নিজস্ব দুঃখ, স্মৃতি আর অসমাপ্ত আশা নিয়ে চলেছে। 

    সিনেমাটি শুরু হয় সেই পরিচিত ট্রেনের শব্দে। কিন্তু খুব শীঘ্রই বোঝা যায়, এটা কোনো সাধারণ যাত্রা নয়। এখানে একজন মন্ত্রী তার ক্ষমতার ভার বয়ে চলেছেন, একজন পিতা তার মৃত সন্তানের লাশ আর পোস্টকার্ডের স্মৃতি নিয়ে যাচ্ছেন, একজন গর্ভবতী নারী যন্ত্রণা আর আশার মাঝে দোল খাচ্ছেন, একজন চিকিৎসক তার স্ত্রীহারা জীবন আর মানসিকভাবে অসুস্থ মায়ের বোঝা টানছেন, ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়া শিক্ষার্থীরা।

    প্রত্যেক চরিত্রই যেন একেকটি অধ্যায়—আলাদা আলাদা, তবু একই ট্রেনের ছাদে বাধা। তানিম নূর এই চরিত্রগুলোকে এমন নিপুণভাবে বুনেছেন যে কাউকেই ছোট মনে হয় না। প্রত্যেকেই গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকের দুঃখই সামগ্রিক দুঃখের অংশ। ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এ এপিফ্যানির মুহূর্তগুলোই ছবিটিকে শুধু গল্প থেকে একটা দার্শনিক অভিজ্ঞতায় পরিণত করেছে। এখানে বিভিন্ন যাত্রীর ব্যক্তিগত দুঃখ- যন্ত্রণা-সুখ যখন একে অপরের সঙ্গে মিলিয়ে যায়। সেই মিলনে একটা বড় সত্য আমাদের সত্য হয়ে উঠে আসে—কেউই সত্যিকার অর্থে একা নয় বরং আমাদের জীবন হচ্ছে আত্মমানবিক এবং জন্ম আর মৃত্যুর সূক্ষ্ম সেতু। 

    হুমায়ূন আহমেদের দার্শনিক জগতকে তানিম নূর সম্পূর্ণ নিজস্ব ভাষায় ধরে রেখেছেন—শান্ত, স্তরে স্তরে সাজানো, কিন্তু গভীরভাবে আলোড়িত করা। চিত্রগ্রহণ ও সম্পাদনা অসাধারণ। ট্রেনের জানালা দিয়ে বয়ে যাওয়া বাংলার দৃশ্য যেন নিজেই একটা কবিতা। আর সংগীত? শেষ দিকে যখন আইয়ুব বাচ্চুর কণ্ঠ উঠে আসে, তখন পুরো হল ঘর নীরব হয়ে যায়। সেই গান শুধু ছবির সমাপ্তি টানে না, বরং ছবিটিকে আরও বড় করে দেয়। পর্দা ম্লান হয়ে গেলেও আবেগ থেকে যায়—যেন ট্রেনটা এখনো চলছে, আমাদের ভেতরেই। 

    উত্তর-আধুনিকতাবাদ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রান্তিক মানুষদের গল্প বলে,  এটি তাদের মর্যাদা ও কণ্ঠস্বর দেয় এবং মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ট্রেনের স্টাফদের একটা রেজিস্টেনস দেখা যায়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দুঃখের ভারী বোঝা নিয়েও মানুষ যখন একে অপরের দিকে হাত বাড়ায়, তখনই জীবন সুন্দর হয়ে ওঠে। সিনেমাটির শেষ অংশে প্রতিটা চরিত্রের মধ্যে বেঁচে থাকার আশা সঞ্চার করে। আমাদেরকে আশা নিয়েই বাঁচতে হয়। জীবনে আনন্দের চেয়ে দুঃখই বেশি, কিন্তু সেই ক্ষণিকের সুখ আর সংযোগের মুহূর্তগুলোই আমাদের টিকিয়ে রাখে। 

    তানিম নূরের ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ একটি চমৎকার চলচ্চিত্র। যা দেখার পর মনে হয়, বনলতা ট্রেনটি হচ্ছে আমাদের জীবনের ছুটে চলা আর ট্রেনের যাত্রী হচ্ছি আমরা যারা আগে থেকেই কারোর সঙ্গে পরিচিত না, কিন্তু সাহায্য-সহমর্মিতা-সহানুভূতি দিয়ে একে অপরের সঙ্গে জড়িত। 

    লেখক: সাবেক শিক্ষার্থী, ইংরেজি বিভাগ, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    সাদিক আহমেদ প্রান্ত

  • অনন্ত আম্বানির জন্মদিনে বলিউড তারকাদের মেলা

    ভারতের ধনকুবের বিশিষ্ট শিল্পপতি ও রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি ও নীতা আম্বানির কনিষ্ঠ পুত্র অনন্ত আম্বানির জন্মদিনের পার্টিতে ছিল তারকাদের মেলা। 

    শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ছিল অনন্ত আম্বানির জন্মদিন। তবে প্রাক-জন্মদিনের অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে দুদিন আগেই। জন্মদিনের আসর বসছে গুজরাটের জামনগরের বনতারায়। সেখানে বসেছে বলিউড তারকাদের মেলা। অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর থেকে রণবীর সিং, সালমান থেকে শাহরুখ, গৌরী খান—কে ছিলেন না আম্বানির ছোটপুত্র অনন্ত আম্বানির জন্মদিনে? 

    অনন্ত আম্বানিকে তার ৩১তম জন্মদিনে বলি তারকারা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শাহরুখ খান অনন্তকে সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন—অনন্ত আম্বানিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। তুমি যা যা ভাল কাজ কর, সেগুলো করতে থাকো, যা কিছু ইতিবাচক ও ঠিক, সেগুলো সমর্থন করতে থাকো। ভালো কাজ করতে থাকো। নিজের কাজের মাধ্যমে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে থাকো। সুস্থ থাকো, সুখী থাকো এবং ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে আম্বানিরা ভানতারা বিশ্ববিদ্যালয় শুরু করতে চলেছেন। আর তাই এবারে ছেলের জন্মদিনে একটি বইয়ের আদলে কেক বানানো হয়েছিল। জামনগরে অনন্ত আম্বানি তার ৩১তম জন্মদিন পালন করেন বই-কেক কেটে। ইতোমধ্যে জমকালো সেই অনুষ্ঠানের ভিডিও-ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। 

    তবে বিশেষভাবে যা নজর কেড়েছে, তা হলো— এই জন্মদিনের পার্টির আধ্যাত্মিক পরিবেশ। ক্লিপটিতে আম্বানি পরিবারের সদস্য এবং তাদের অতিথিদের ভগবান কৃষ্ণের উদ্দেশে প্রার্থনা নিবেদন করে একটি ভজন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে। ভক্তিরসে মগ্ন হয়েছিলেন সবাই। 

    ভিডিওটির শুরুতে দেখা যায় যে, নীতা আম্বানি হাতজোড় করে ভক্তিগীতিতে মজে রয়েছেন। এরপর ক্যামেরা ঘুরতেই দেখা যায়, অনন্তপত্নী রাধিকা মার্চেন্ট বসে আছেন বীর পাহাড়িয়ার পাশে। মুকেশ আম্বানিও মগ্ন হয়েছিলেন কৃষ্ণের নাম গানে।

    নীতা আম্বানির ঠিক পাশেই ছিলেন অভিনেতা রণবীর সিং। ধুরন্ধর অভিনেতাও যেন ডুবে গিয়েছিলেন কৃষ্ণ নামে। এমনকি বলি বাদশাহ শাহরুখ খানের বউ-ছেলেও কৃষ্ণনাম শুনছিলেন চুপচাপ বসে। ভিডিওর একদম শেষে দেখা যায় যে, গরবা নাচছেন অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। তাতে যোগ দেন রণবীর সিং।

    এর আগে বৃহস্পতিবার জামনগরে গো-সেবাও করেছেন অনন্ত। তিনি এক লাখেরও বেশি গরুকে ছাপ্পান ভোগ নিবেদন করেন। জামনগরের আশপাশের গ্রামগুলোতে একটি ভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। ভোজে অংশগ্রহণকারী নারীদের শাড়ি উপহার দেওয়া হয়। জামনগরের গ্রামগুলোর শিশুদের মধ্যে স্কুল কিট বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া অনন্ত আম্বানি দেশের বেশ কয়েকটি প্রধান মন্দিরে কোটি কোটি টাকা দান করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অনন্ত আম্বানির বিশ্বব্যাপী বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সংস্থা ‘ভান্তারা’ গুজরাটের জামনগরে ‘ভান্তারা বিশ্ববিদ্যালয়’ চালুর ঘোষণা করেছে। এটি হবে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও পশুচিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য নিবেদিত বিশ্বের প্রথম ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। 

    অনন্ত আম্বানি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের একজন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। তিনি জিও প্ল্যাটফর্মস লিমিটেড ও রিলায়েন্স রিটেল ভেঞ্চারস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদে ডিরেক্টর হিসেবে যুক্ত আছেন। সঙ্গে পশুপ্রেম থেকে ভান্তারার উদ্যোগ নিয়েছেন। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে তিনি রাধিকা মার্চেন্টের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • মুম্বাই থেকে ফিরেই রাহুলের বাড়িতে জিৎ

    জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকবিহ্বল সিনেপাড়া। তবে এই কঠিন সময়ে ইন্ডাস্ট্রির তারকা, টেকনিশিয়ানরা যেভাবে যৌথ পরিবারের মতো প্রয়াত অভিনেতার অকাল মৃত্যুর বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন কিংবা ভবিষ্যতের কথা ভেবে অন্যদের নিরাপত্তার দাবিতে একজোট হয়েছেন, তা লক্ষণীয়। এই কঠিন সময়ে টালিউডের অগ্রজরা অনুজদের আগলে রাখছেন, ভরসা জোগাচ্ছেন। শিল্পীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য আর্টিস্ট ফোরামকেও দফায় দফায় বৈঠকে বসতে হচ্ছে। 

    কিন্তু এ অবস্থায় গত ৩০ মার্চ রাহুলের শেষকৃত্য থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত টালিপাড়ার কোনো কর্মসূচিতেই সুপারস্টার জিৎকে দেখা যায়নি। তবে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) প্রয়াত অভিনেতার বাড়িতে দেখা করতে যান তিনি। আর সেখানেই ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই কটাক্ষ ও সমালোচনার শিকার হন অভিনেতা!

    যদিও কর্মসূত্রে মুম্বাইতে ছিলেন জিৎ। সে কারণেই তার অনুপস্থিতি। তবে ‘জাস্টিস ফর রাহুল’ মিছিলে পা মেলাতে না পারলেও কিংবা টালিউডের কোনো বৈঠকে যোগ দিতে না পারলেও এদিন শহরে ফিরেই রাহুলের বাড়িতে ছুটে যান জিৎ। শুক্রবার দুপুরে বিজয়গড়ে প্রয়াত অভিনেতার ‘সহজ কথা’ স্টুডিওতে বসে তার মা ও দাদার সঙ্গে কথা বলেন।  গত ১২ দিনে টালিগঞ্জ স্টুডিওপাড়ায় ঝড় বয়ে গেলেও কেন দেখা যায়নি সুপারস্টারকে? দিন কয়েক ধরেই এহেন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে অনুরাগীদের মনে।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে জিৎ অনুরাগীরা মনে করিয়ে দিলেন, গত কয়েক দিনে সুপারস্টারের গরহাজিরা নিয়ে কম চর্চা, ফিসফাস হয়নি; কিন্তু তিনি যে শহরে ফিরেই ভ্রাতৃসম রাহুলের বাড়িতে ছুটেছেন, সেটিও সবার জানা দরকার। ক্যামেরা না থাকলে প্রমাণও থাকত না। 

    উল্লেখ্য, রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় গত ২৯ মার্চ তালসারিতে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়ে সমুদ্রে তলিয়ে যান। অভিনেতার বেঘোরে প্রাণ চলে যাওয়ার এই দায়ই বা কে নেবে? কেনই বা রাহুলের মৃত্যুতে গোড়া থেকে ইউনিটের সদস্যদের বয়ানে এত অসঙ্গতি? 

    গত ১০ দিনে এহেন অজস্র প্রশ্ন জনমানসে ঘুরপাক খেলেও ‘চুপ’ প্রযোজনা সংস্থা। দিন দুয়েকের মাথায় বিবৃতি জারি করলেও রাহুলের মৃত্যুর নেপথ্যের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা এখনো জারি। ইতোমধ্যে ‘ম্যাজিক মোমেন্টস মোশন পিকচার্স’-এর বিরুদ্ধে একজোটে ‘খড়্গহস্ত’ হয়েছে টালিউড। বৈঠকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, দেব, যিশুসহ সিনেপাড়ার বেশিরভাগ তারকাকে দেখা গেলেও জিতের গরহাজিরা নিয়ে কম ফিসফাস হয়নি! এবার শহরে ফিরেই রাহুলের বিজয়গড়ের বাসভবনে দেখা করতে ছুটে গেলে সমালোচনার শিকার হতে হয় সুপারস্টারকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমাকে এমন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলবেন না’

    জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক ও গায়ক আমাল মালিক দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে বলিউডে কাজ করছেন। দাবু মালিকের ছেলে ও আরমান মালিকের ভাই আমাল তার রোমান্টিক এবং মেলোডিয়াস সুরের জন্য পরিচিত লাভ করেন। বিশেষ করে এ সংগীতশিল্পী ‘কবির সিং’, ‘এমএস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ ও ‘রয়’ সিনেমায় সুর করে জনপ্রিয় হন। 

    সম্প্রতি এ গায়ক সামাজিক মাধ্যমে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। সেই নিয়ে এর কড়া জবাবও দিয়েছেন আমাল মালিক। তবে গায়ক আমাল মালিকের এমন সাহসী অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা।

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ বিবৃতি প্রকাশ করেছেন এ সংগীত পরিচালক। আমাল মালিক বলেন, তার কোনো পোস্টই নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা কাউকে উদ্দেশ্য করে নয়। বরং নিজের ভালো লাগা কিংবা মন্দ লাগা থেকেই তিনি নানা কিছু লিখে থাকেন। তিনি বলেন, কারও বিষয়ে মন্তব্য করার প্রয়োজন হলে তিনি সরাসরি নাম উল্লেখ করেই বলবেন।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘বিগ বস ১৯’-এর এক প্রতিযোগীকে নিয়ে আমাল মালিক সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন—এমন দাবি তোলেন সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের একাংশ। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে এ গায়ক পাল্টা জবাবে দেন— আমাকে এমন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলবেন না, যেখানে আমি মেজাজ হারাতে বাধ্য হই। যদি এমনটি হয়, তবে আমার এমন রূপ দেখবেন যা কেউ কল্পনাও করতে পারবেন না। তিনি যা লিখবেন, সেটির জন্য কাউকে কৈফিয়ত দিতে বা ক্ষমা চাইতে রাজি নন বলেও জানান এ সংগীত পরিচালক। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাবিলা নূরের অভিনয় দেখে যা বললেন শাশুড়ি

    বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর ২০১৯ সালে নেহাল সুনন্দ তাহেরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। অভিনয়ের পাশাপাশি সুনামের সঙ্গে ভালোভাবেই সংসার চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তবে অভিনেত্রী তার শাশুড়িকে নিয়ে গণমাধ্যমে খুব একটা কথা না বললেও পুত্রবধূর কাজ সম্পর্কে অনেক কথাই বলেছেন তার শাশুড়ি। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে সাবিলার অভিনয়, হলে গিয়ে সিনেমা দেখা এবং তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।

    সাবিলার অভিনয়ের একজন নিয়মিত দর্শক তার শাশুড়ি। ঈদে সম্প্রচার করা তার কোনো কাজই তিনি মিস করেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ঈদের সময়গুলো আমি সব চ্যানেলে ওর সাক্ষাৎকার দেখি, ছবি দেখি, নাটক দেখি— কোনোটিই মিস করি না। ওর কোনো নাটক হলে আমি তাকে ডেকে বলি— ‘সাবিলা আসো, তোমার নাটক দেখছি’।

    সাবিলা পুত্রবধূ হিসেবে অনেক ভালো বলে জানিয়েছেন তার শাশুড়ি। তিনি বলেন, আমি শুধু বলার জন্য বলছি না, সে সত্যিই অনেক ভালো। এবার তার সিনেমা বড়পর্দায় আমি প্রথম দেখলাম।

    অভিনয়ের প্রশংসা করে সাবিলার শাশুড়ি বলেন, যে কোনো জিনিসের সঙ্গেই সে অ্যাডজাস্ট করতে পারে। সেটি বাইরেও হতে পারে, আবার আমার বাসাতেও। হ্যাঁ, যে কোনো জায়গায় সে মিলেমিশে চলতে পারে এবং বাস্তব লাইফেও একই রকম— খুব সুন্দর ব্যালেন্স করতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    সাবিলার শাশুড়ি বলেন, শাশুড়িকে খাওয়াতে হবে— এমন কোনো কথা আছে? না, আমি এগুলো পছন্দ করি না, আর আমি তাকে বলিও না। সে আমার মেয়ের মতোই। তিনি বলেন, বউ রান্না করে খাওয়াবে— এটি আমি কখনো আশা করি না। আমি তো নিজেও একজন চাকরিজীবী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে নায়ক রাজ রাজ্জাককে ‘বাবা’ ডাকতেন দিতি

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পারভীন সুলতানা দিতি। গ্ল্যামার ও অভিনয় দক্ষতার সমন্বয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন দর্শকের প্রিয় মুখ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এই গুণী অভিনেত্রীর জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে তাকে স্মরণ করছেন সহশিল্পী ও ভক্তরা।

    প্রায় চার দশক আগে এফডিসির ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ কার্যক্রমের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন দিতি। অল্প সময়ের মধ্যেই একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে নিয়ে যান সাফল্যের শিখরে। শুধু দর্শকদের কাছেই নয়, সহশিল্পীদের কাছেও তিনি ছিলেন ভীষণ প্রিয়।

    বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়ক রাজ রাজ্জাক জীবদ্দশায় এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, দিতি আমাকে বাবা বলে ডাকত। দিতির স্বামী সোহেল চৌধুরী ও আমার ছেলে বাপ্পা একসঙ্গে পড়ালেখা করেছে। সেই হিসাবে দিতি আমাদের পরিবারেরই একজন ছিল। আমাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।   

    চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরীকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন দিতি। তাদের সংসারে জন্ম নেয় দুই সন্তান-লামিয়া ও দীপ্ত। স্বামীর মৃত্যুর পর পরবর্তীতে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনকে বিয়ে করলেও সেই সংসার বেশিদিন টেকেনি। তবে পর্দায় এই জুটির রসায়ন ছিল দর্শকপ্রিয়।

    ইলিয়াস কাঞ্চন এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আমাদের প্রথম ছবি ছিল ‘ভাই-বন্ধু’। সব মিলিয়ে আমরা প্রায় ৩০টির মতো সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছি। দিতি খুব ভালো অভিনেত্রী ছিল। জনপ্রিয়তার পাশাপাশি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছে।

    ১৯৬৫ সালের ৩১ মার্চ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জন্মগ্রহণ করেন দিতি। ১৯৮৪ সালে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করলেও তার প্রথম অভিনীত ছবি ‘ডাক দিয়ে যাই’ মুক্তি পায়নি। পরে ‘আমিই ওস্তাদ’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দীর্ঘ ৩১ বছরের ক্যারিয়ারে দিতি শুধু সিনেমাতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। নাটকে অভিনয়, পরিচালনা, রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, এমনকি গান গাওয়াতেও নিজেকে যুক্ত করেছিলেন। তার একক গানের অ্যালবামও প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞাপনচিত্রেও কাজ করেছেন তিনি।

    দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ২০১৬ সালের ২০ মার্চ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই অভিনেত্রী। তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের দত্তরপাড়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশেই তাকে সমাহিত করা হয়।

    গ্ল্যামার, অভিনয় আর ব্যক্তিত্ব-সব মিলিয়ে দিতি ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নাম, যিনি আজও দর্শকের স্মৃতিতে অমলিন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাইরেসির কবলে শাকিব খানের ‘প্রিন্স’, দেখা যাচ্ছে অনলাইনে

    প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনী ঘিরে জটিলতা কাটতে না কাটতেই এবার পাইরেসির কবলে পড়েছে শাকিব খান অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম ইন ঢাকা’। সার্ভার সমস্যার কারণে দেশের কয়েকটি হলে প্রদর্শনী বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরপরই সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ কিছু দৃশ্য ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে।

    যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অনেক দর্শক টিকিট কেটেও সিনেমাটি দেখতে পারেননি, এতে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও প্রেক্ষাগৃহে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। এই অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেই ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে সিনেমার একাধিক ক্লিপ ঘুরে বেড়াচ্ছে।

    অনলাইনে ছড়ানো এসব ভিডিও মূলত ‘হল প্রিন্ট’, অর্থাৎ প্রেক্ষাগৃহে বসে মোবাইল ফোনে ধারণ করা ফুটেজ। নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদের পরিচালনায় নির্মিত ছবিটি মুক্তির আগেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নব্বই দশকের ঢাকার আলোচিত গ্যাংস্টার কালা জাহাঙ্গীরের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত গল্পে নির্মিত এই সিনেমায় শাকিব খান কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন। মেজবাহ উদ্দিন সুমনের গল্প ও চিত্রনাট্যে এটি কেবল অ্যাকশনধর্মী সিনেমা নয়, বরং সেই সময়কার ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড ও রাজনীতির একটি প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছে।

    প্রযোজক শিরিন সুলতানার এই বড় বাজেটের ছবিতে শাকিব খানের বিপরীতে প্রথমবার অভিনয় করেছেন তাসনিয়া ফারিণ। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় আছেন জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, ইন্তেখাব দিনার, রাশেদ মামুন অপু ও ড. এজাজ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শুটিংয়ের পর নায়ক-নায়িকাদের পোশাক কী করা হয়?

    বলিউড সিনেমায় তারকাদের পোশাক দেখে অনেকেই মুগ্ধ হন। সাধারণ দৃশ্য থেকে শুরু করে বিশেষ গান পর্যন্ত, তারকাদের পোশাক যত্নসহকারে ডিজাইন করা হয়। প্রায়শই তাদের পোশাক নতুন ট্রেন্ড তৈরি করে এবং অন্যরা তা অনুকরণ করে থাকেন। কিন্তু আপনি কখনো ভেবে দেখেছেন যে, সিনেমার পর তাদের পোশাকগুলোর কী করা হয়?

    চলুন জেনে নেওয়া যাক, তারকাদের পোশাক কী ব্যবস্থা করা হয়—

    প্রযোজনা সংস্থাগুলো অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সাজসজ্জার পেছনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে। কখনো কখনো শুটিং শেষ হয়ে গেলে পোশাকগুলো কেবল বাক্সে ভরে রাখা হয়। এরপর সেগুলো অন্য কোনো সিনেমায় নতুন নকশা ও আঙ্গিকে পুনরায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

    প্রখ্যাত স্টাইলিস্ট ও কস্টিউম ডিজাইনার অক্ষয় ত্যাগী বলেন, এই পোশাকগুলো সাধারণত পুনঃব্যবহার এবং নতুন লুক তৈরির জন্য ইনভেন্টরিতে সংরক্ষণ করা হয়। এগুলো হয়তো প্রধান চরিত্রে ব্যবহার করা হয় না, কিন্তু ভিড়ের দৃশ্যে ব্যবহার করা যেতে পারে।

    যশ রাজ ফিল্মসের কস্টিউম ডিজাইনার আয়েশা খান্না সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘কাজরা রে’ গানে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন যে পোশাকটি পরেছিলেন, সেটিই ‘ব্যান্ড বাজা বারাত’ সিনেমায় একজন ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সারও পরেছিলেন। পোশাক দুটি মিলিয়ে-মিশিয়ে পরা হয়েছিল, তাই কারও নজরে পড়েনি।

    কিছু তারকাকে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে কয়েকটি পোশাক বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। কিছু তারকা এটি স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দেন। ডিজাইনার অক্ষয় বলেছিলেন— অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোন ‘ইয়ে জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ সিনেমায় তার চরিত্র নয়নার চশমা রেখে দিয়েছিলেন। অভিনেতা ঋষি কাপুরও শুটিংয়ের পর তার অনেক চরিত্রের সোয়েটার সংগ্রহ করতেন।

    অনেক বিখ্যাত ডিজাইনারও স্মৃতি হিসেবে নিজেদের ডিজাইন করা পোশাক নিজের কাছে রেখে দেন। দাতব্য উদ্দেশ্যে অনেক পোশাক নিলামে তোলা হয়। আবার ‘জিনে কে হ্যায় চার দিন’ গানে সালমান খানের ব্যবহৃত তেল নিলামে ১.৪২ লাখ রুপিতে বিক্রি করা হয়েছিল। তবে সেই টাকা দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করা হয়েছিল। ‘রোবট’ সিনেমায় ব্যবহৃত ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও রজনীকান্তের পোশাকও নিলামে তোলা হয়েছিল এবং সেই অর্থও দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করা হয়েছিল।

    বিনোদন ডেস্ক