Tag: বিনোদন

  • প্রকাশ্যে কিয়ারা-যশ জুটির প্রথম গান, ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রর জনপ্রিয় অভিনেতা যশের ‘টক্সিক’ সিনেমার প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে নানা বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রথম ঝলক থেকেই এ সিনেমাটিকে দেওয়া হয়েছিল— ‘নারী বিদ্বেষী’ তকমা। এবার প্রকাশ্যে এলো এ সিনেমার প্রথম গান। সেই গানের ভিডিওটি একদিকে যেমন দর্শকদের একাংশকে মুগ্ধ করেছে, ঠিক তেমনই সাহসী ও ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের জন্য তীব্র সমালোচনার মুখেও পড়েছে। সামাজিক মাধ্যমে গানটি ঘিরে শুরু হয়েছে নেটিজেনদের মাঝে জোর বিতর্ক।

    যশ ও কিয়ারার রসায়ন, আবেগঘন অভিনয় এবং সঙ্গে গানের আবহ পুরো বিষয়টিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। প্রেমকে এখানে দেখানো হয়েছে এমন এক অনুভূতি হিসেবে, যা একই সঙ্গে গভীর, আবেগপ্রবণ ও সর্বগ্রাসী। গানটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বহু দর্শক যশ ও কিয়ারার অনস্ক্রিন রসায়নের প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, এ জুটিই হলো বড় আকর্ষণ। তবে সমালোচনার সুরও কম জোরালো নয়। 

    নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ— অ্যাকশনধর্মী সিনেমার প্রথম ঝলক হিসেবে এত ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের আধিক্য অপ্রয়োজনীয়। আবার কেউ বলছেন, এটি অ্যাকশন সিনেমার প্রচারের বদলে ‘ইরোটিকা’র আবহ তৈরি করেছে। আবার কেউ বলছেন, সিনেমার নাম ‘টক্সিক’ হওয়ায় নির্মাতারা যেন বিতর্কিত বা আপত্তিকর বিষয়কে স্বাভাবিক হিসাবে তুলে ধরার সুযোগ নিচ্ছেন। 

    অন্য এক অনুরাগীর মন্তব্য— ভিডিওটি অনেকটাই গর্ভনিরোধকের বিজ্ঞাপনের মতো মনে হয়েছে। যদিও সমালোচনার মাঝেও অনেকেই কিয়ারার লুক ও পর্দায় উপস্থিতির প্রশংসা করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গানটির সুর, কণ্ঠ ও প্রযোজনার দায়িত্ব সামলেছেন বিশাল মিশ্র। হিন্দি গানের কথা লিখেছেন রাজ শেখর। শুধু হিন্দিতেই নয়, গানটি একসঙ্গে কন্নড়, তেলুগু, তামিল ও মালয়ালম ভাষাতেও প্রকাশিত হয়েছে। 

    উল্লেখ্য, এ সিনেমা নিয়ে যশ বলেছিলেন— সাধারণত অ্যাকশন সিনেমা বললেই পুরুষ পরিচালকদের কথা মাথায় আসে। ভারতে দীর্ঘদিন ধরেই এমনটি হয়ে আসছে। বড়মাপের অ্যাকশন, তার ওপর গ্যাংস্টারদের নিয়ে তৈরি সিনেমার পরিচালনা পুরুষেরাই করে থাকেন। এবার যদি লড়াইয়ের সিনেমা নারীর দৃষ্টিভঙ্গিতে হয়, সেটি নতুন হবে।

    এ সিনেমাটি আগামী ২৬ আগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গুগল-মেটার বিরুদ্ধে আদালতে প্রীতি জিনতা

    বিনোদন জগতের বলিউড ইন্ডাস্ট্রির অধিকাংশ অভিনেতা-অভিনেত্রী ডিপফেক ভিডিও ও বিকৃত ছবি ছড়িয়ে পড়ার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। এবার সেই পথেই হাঁটলেন অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। মুম্বাই হাইকোর্টের কাছে অভিনেত্রীর অভিযোগ— কোনো অনুমতি ছাড়াই তার মুখ ও নাম ব্যবহার করা হচ্ছে। এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে একাধিক ডিপফেক ভিডিও ও এআই ব্যবহার করে তৈরি করা ছবি।

    আদালতের কাছে আবেদন জানিয়ে প্রীতি জিনতা বলেন, যাতে অবিলম্বে এ ধরনের সব কনটেন্ট মুছে ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে যাতে এ রকম বিনা অনুমতিতে কোনো ছবি ব্যবহার না করা হয়, সেটিকেও নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন অভিনেত্রী। 

    প্রীতি জিনতার করা মামলায় গুগল, মেটাসহ একাধিক সংস্থা, অনলাইন প্লাটফর্ম এবং কয়েকজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেই মামলার শুনানি হয় শুক্রবার (৩ জুলাই)। 

    বিচারপতি মাধব জমদারের বেঞ্চে এ মামলার শুনানিতে টেক ডাউন মেকানিজমের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশানুযায়ী, যত দ্রুত সম্ভব অভিনেত্রী প্রীতি জিনতার সব ভিডিও ও ছবি সরিয়ে ফেলতে হবে। এ মামলার পরবর্তী শুনানি আগামীকাল সোমবার (৬ জুলাই) অনুষ্ঠিত হবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর আগে সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের নাম, ছবি ও পরিচয়ের অননুমোদিত ব্যবহারের বিরুদ্ধে আরও বেশ কয়েকজন তারকা মুম্বাই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পর প্রীতির মামলাটি সামনে এসেছে। অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান, শত্রুঘ্ন সিনহা, শিল্পা শেঠি, অক্ষয় কুমার, সুনীল শেঠি, গায়ক আশা ভোঁসলে ও অরিজিৎ সিং— সবাই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একই ধরনের আইনি সুরক্ষা চেয়েছেন।

    আদালতে যাওয়ার আগে প্রীতিকে লেটার্স পেটেন্টের ধারা XII-এর অধীনে মামলা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এ বিধানটি মুম্বাই হাইকোর্টকে কোনো মামলার শুনানি করার ক্ষমতা দেয়— এমনকি যদি বিবাদের কেবল একটি অংশ তার এখতিয়ারভুক্ত হয়।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৬ জুন বিচারপতি অভয় আহুজা অভিনেত্রী প্রীতি জিনতার আইনি দলের বক্তব্য শোনার পর মামলাটি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন। তারা যুক্তি দেন—  যদিও অভিযুক্ত বিষয়বস্তু বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আপলোড বা হোস্ট করা হয়ে থাকতে পারে; কিন্তু তার খ্যাতি ও সুনামের ওপর এর প্রভাব মূলত মুম্বাইতেই অনুভূত হয়, যেখানে তিনি থাকেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের সাজে আমির-গৌরী, প্রথম ছবি প্রকাশ্যে

    বলিউড অভিনেতা আমির খান এবং তার সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটের বিয়ের প্রথম ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ছবির মাধ্যমে ভক্তরা তাদের এই ঘরোয়া আয়োজনের একঝলক দেখার সুযোগ পেলেন।

    সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, ঘনিষ্ঠ পরিবার ও বন্ধুদের উপস্থিতিতে এই যুগল বিয়ের নথিতে স্বাক্ষর করছেন।

    খবর অনুযায়ী, ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে দেখা যায়, বান্দ্রার পালি হিলের বাসভবনে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে গৌরী স্প্র্যাটের পাশে বসে বিয়ের রেজিস্ট্রিতে সই করছেন আমির খান।

    আমিরের পরনে ছিল অফ-হোয়াইট (হালকা সাদা) রঙের ঐতিহ্যবাহী কুর্তা। অন্যদিকে গৌরী পরেছিলেন আইভরি (হাতির দাঁতের) রঙের এমব্রয়ডারি করা পোশাক, সঙ্গে নজরকাড়া নেকলেস ও ছিমছাম গয়না।

    ছবিতে আরও দেখা যায়, গৌরীর আগের সংসারের ছোট ছেলেটি এই যুগলের মাঝখানে দাঁড়িয়ে বিয়ের নথিপত্রের দিকে তাকিয়ে আছে।

    অনুষ্ঠানে বাবার পাশে আমিরের ছোট ছেলে আজাদ রাও খানকেও দেখা গেছে বলে খবরে জানানো হয়েছে।

    খবর অনুযায়ী, ৫ জুলাই মুম্বাইয়ে আমির খানের বাসভবনে এই বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

    বিয়েতে ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্য, ছোটবেলার বন্ধু এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনের সহকর্মীদের একটি ছোট দলসহ প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

    নির্মাতা আশুতোষ গোয়াড়িকরও এই ঘরোয়া আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

    প্যাস্টেল রঙের ফুল ও মোমবাতি দিয়ে সাজানো হয়েছিল বিয়ের অনুষ্ঠানস্থল, যা পুরো আয়োজনে এক স্নিগ্ধ ও অন্তরঙ্গ পরিবেশ তৈরি করেছিল।

    খবর অনুযায়ী, প্রায় ২৫ বছর আগে আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাটের প্রথম দেখা হয়েছিল। তবে এরপর তাদের মধ্যে আর কোনো যোগাযোগ ছিল না।

    পরে ২০২৪ সালে বেঙ্গালুরুতে আমিরের চাচাতো বোন নুজহাত খানের মাধ্যমে তাদের আবার যোগাযোগ হয় এবং এরপর তারা লং-ডিসট্যান্স রিলেশনশিপ বজায় রাখেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ২০২৫ সালের মার্চ মাসে নিজের ৬০তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গৌরীকে নিজের সঙ্গী হিসেবে সবার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন আমির। জানা যায়, এরপর গৌরী মুম্বাইয়ে চলে আসেন এবং ‘আমির খান প্রোডাকশন্স’–এর সঙ্গে যুক্ত হন।

    বিয়ের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হলে, এটি হবে আমির খানের তৃতীয় বিয়ে।

    এর আগে রীনা দত্তের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এই অভিনেতা। তাদের দুই সন্তান—জুনাইদ ও ইরা খান। এরপর নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন তিনি। ২০২১ সালে আমির ও কিরণ রাও তাদের বিচ্ছেদের কথা জানান।

    বিয়ের খবরটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই খুব সাদামাটা ও ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে করার জন্য এই যুগলকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন।

    ঘরোয়া এই আয়োজনের প্রথম ছবিটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই যুগলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে অসংখ্য বার্তা দিচ্ছেন নেটিজেনরা।

    সূত্র: সামা টিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাবেক প্রেমিক দেবকে নিয়ে যা বললেন শুভশ্রী

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি দীর্ঘ বিরতির পর অতীতের সব অভিমান ভুলে আবারও সাবেক প্রেমিক দেবের সঙ্গে পেশাদার কাজের মাধ্যমে একফ্রেমে ফিরছেন। অন্যদিকে ‘দেবশু ৭’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন পাগলু অভিনেতা দেব। এবার তার পরিচালনায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন শুভশ্রী গাঙ্গুলি। 

    এর মধ্যেই ‘দেবশু৭’ সিনেমাটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠেছে। নতুন এ সমীকরণ নিয়ে ইতোমধ্যে দর্শকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শুভশ্রীকে নিয়ে দেবের অন্যতম বড় প্রজেক্ট হতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। 

    একসময় দেব ও শুভশ্রী টালিউডের অন্যতম সফল অনস্ক্রিন ও অফস্ক্রিন জুটি ছিলেন। ‘চ্যালেঞ্জ’, ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’ ও ‘খোকাবাবু’র মতো বেশ কয়েকটি ব্লকবাস্টার সিনেমা উপহার দিয়েছেন এ তারকা জুটি। তবে ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে দীর্ঘ সময় একে অপরের থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন তারা। এবার সব অভিমান ভুলে আবারও একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত শুভশ্রীর। খুব শিগগির ‘দেবশু৭’ শুটিংয়ে নামছেন অভিনেত্রী।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সেই সঙ্গে রোববার (৫ জুলাই) থেকে শুরু হতে যাওয়া দেব সঞ্চালিত টেলিভিশন রিয়েলিটি শো ‘দাদাগিরি’র মঞ্চেও অতিথি হিসেবে থাকছেন শুভশ্রী গাঙ্গুলী। এ নিয়েই সংবাদমাধ্যমে নানা কথা বলেছেন অভিনেত্রী।

    দেবের পরিচালনায় কাজ করার অনুভূতি জানতে চাওয়া প্রসঙ্গে শুভশ্রী গাঙ্গুলী বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি এক লাইনে কিছু বলতে চান না। বিষয়টি এমন— দেবের জন্য একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দেওয়া প্রয়োজন। কারণ তিনি এটি পাওয়ার যোগ্য। এক লাইনে কথা বললে কম হয়ে যাবে।

    দেবের এ নতুন রূপ ও পরিচালনায় কাজ করাটা তিনি বেশ উপভোগ করছেন এবং একজন সহকর্মী হিসেবে অভিনেতার মেধার প্রশংসাও করেন এ অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাত পোহালেই শিল্পী সমিতি নির্বাচন, তারকারা কে কোন পদে লড়ছেন?

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচন শুক্রবার (৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। 

    রাজধানীর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে। এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

    একটি প্যানেলে সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। এই প্যানেলে সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন নূতন ও ইলিয়াস কোবরা। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে রিনা খান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চুন্নু, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে এম এ পারভেজ চৌধুরী আবীর, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে রাসেল মিয়া, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মারুফ আকিব এবং কোষাধ্যক্ষ পদে প্রার্থী হয়েছেন কমল।

    এই প্যানেলের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য পদে লড়ছেন মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, দুলারী, রাকা, শারমিন আক্তার, লতিফ (চিতা), নাসরিন, সুশান্ত, শাহীন কমেডি, বাদল শেখ, আরমান খান ও শামীম খান (চিকন আলী)।

    অন্যদিকে দ্বিতীয় প্যানেলে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শিবা সানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী। সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন রোজিনা ও ডিএ তায়েব। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে সুব্রত, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সনি রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে পলি, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মোসাফকুল জামিল কাকন এবং কোষাধ্যক্ষ পদে প্রার্থী হয়েছেন জাদু আজাদ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই প্যানেলের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলী রাজ, ফরহাদ, কাবিলা, ইয়ামিন হক ববি, কায়েস আরজু, শিরিন শিলা, শিপন মিত্র, হাসান জাহাঙ্গীর, ফাল্গুনী রহমান জলি, ফিরোজ শাহী ও জেসমিন আক্তার।

    অন্যদিকে, এবারের নির্বাচনে মোট ৫৭৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন কামাল মো. কিবরিয়া লিপু।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • রূপালি পর্দা থেকে সিরিয়ার পার্লামেন্টে: কে এই অভিনেত্রী?

    দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদের সরকারের পতনের পর নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে সিরিয়া। দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিনিধিদের নিয়ে নতুন সংসদ গঠন করেছে। আর সেই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন সিরিয়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী, মডেল ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব রোজিনা লাজকানি। অভিনয়জগতের পরিচিত মুখ এবার আইনপ্রণেতা হিসেবে দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে অংশ নিতে যাচ্ছেন।

    নতুন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা গঠিত প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন পিপলস অ্যাসেম্বলি বা সংসদে রোজিনা লাজকানিকে সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তিনি কোনো নির্বাচনে অংশ নিয়ে নয়, বরং প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে মনোনীত ৭০ জন বিশিষ্ট নাগরিকের একজন হিসেবে সংসদে স্থান পেয়েছেন।

    নতুন রাজনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে সিরিয়ায় ২১০ সদস্যের একটি নতুন সংসদীয় কাঠামো চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন, আর বাকি এক-তৃতীয়াংশকে সরাসরি মনোনয়ন দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। এই মনোনীত সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সংস্কৃতিকর্মী, মানবাধিকারকর্মী, গৃহযুদ্ধে নিহতদের স্বজন, সাবেক রাজনৈতিক বন্দী এবং রাসায়নিক হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা। এ তালিকায় স্থান পাওয়া ১৫ জন নারী সদস্যের একজন রোজিনা লাজকানি। নতুন সংসদে মোট নারী সদস্যের সংখ্যা ২১ জন।

    ১৯৯০ সালে দামেস্কে জন্ম নেওয়া রোজিনা লাজকানি সংস্কৃতিমনা একটি পরিবারে বেড়ে ওঠেন। তিনি হায়ার ইনস্টিটিউট অব ড্রামাটিক আর্টস থেকে সিনোগ্রাফি বিষয়ে পড়াশোনা করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি নাচ, গান এবং বিভিন্ন আরবি উপভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলার দক্ষতাও তাকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে।

    ২০১৩ সালে ‘ওয়েটিং’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি নির্মাতাদের নজরে আসেন। এরপর ‘ইনটেনসিভ কেয়ার’ (২০১৫), ‘শৌক’ (২০১৭), ‘মা ফিয়ি’ (২০১৯), ‘আল-হায়বা: দ্য পেব্যাক’ (২০২০) এবং ‘তাহত এল আরদ’ (২০২৫)-এর মতো জনপ্রিয় সিরিজে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করেন। বিশেষ করে ‘আল-হায়বা’ সিরিজে অভিনয়ের সুবাদে তিনি আরব বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

    শুধু অভিনয়েই নয়, রাজনৈতিক অবস্থানেও ছিলেন স্পষ্টভাষী। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের দিকে নিয়ে যাওয়া সিরীয় বিপ্লবের প্রকাশ্য সমর্থক ছিলেন রোজিনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি শুরু থেকেই আসাদবিরোধী অবস্থান নেন এবং বিপ্লবের প্রতি সমর্থন জানান।

    ৮ ডিসেম্বর আসাদ সরকারের পতনের পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করে ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন। অনেকের মতে, গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের পক্ষে তার দৃঢ় অবস্থান নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে তাকে একজন গ্রহণযোগ্য প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর রোজিনা লাজকানি এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের মানুষের সেবা করার সুযোগ পেয়ে তিনি সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, সিরিয়ার পুনর্গঠন, উদ্বাস্তুদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন এবং জাতীয় পরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে সংস্কৃতি ও শিল্পের বিকাশে আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।

    রূপালি পর্দার জনপ্রিয় মুখ থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য— রোজিনা লাজকানির এই যাত্রা শুধু একজন অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়; বরং নতুন সিরিয়ার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাইশ গজ থেকে ফ্যাশনের দুনিয়ায় মান্ধানা

    ক্রিকেটের ২২ গজ থেকে এবার ফ্যাশন দুনিয়ায় রাজকীয় এন্ট্রি নিলেন তারকা ক্রিকেটার স্মৃতি মান্ধানা। লাইফস্টাইল জুয়েলারি ব্র্যান্ড ‘ক্যান্ডের’-এর নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন তিনি। এতদিন এ ব্র্যান্ডের প্রধান মুখ ছিলেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। এবার কিং খানের পাশে যুক্ত হলেন এ তারকা ক্রিকেটার।

    কল্যাণ জুয়েলার্সের অন্তর্গত এ ব্র্যান্ডটি মূলত আধুনিক ও তরুণ প্রজন্মের ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে তাদের রণকৌশল সাজিয়েছে। স্মৃতি মান্ধানাকে সামনে রেখে তারা ভারতীয় যুবসমাজের আরও কাছাকাছি পৌঁছাতে চেয়েছে। কল্যাণ জুয়েলার্সের ঐতিহ্যকে সঙ্গী করে আধুনিক নকশা ও সাধ্যের মধ্যে কেনাকাটার সুযোগ এনে দিচ্ছে ক্যান্ডের। 

    স্মৃতির হাত ধরে এ ব্র্যান্ড লাইফস্টাইল জুয়েলারির দুনিয়ায় এক নতুন মাত্রা যোগ করতে চলেছে। এ সংস্থার আধুনিক কালেকশনগুলো জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে আরও সুন্দর করে তোলে। ক্যান্ডের বর্তমানে দেশের একটি অন্যতম প্রধান ওমনি-চ্যানেল জুয়েলারি ব্র্যান্ড। এ সংস্থার ১৩০টিরও বেশি রিটেল স্টোর রয়েছে। পাশাপাশি তাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও ক্রেতারা কেনাকাটার দারুণ সুবিধা পান।

    বর্তমান সময়ে স্মৃতি মান্ধানা এক অত্যন্ত জনপ্রিয় নাম। তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও মার্জিত ব্যক্তিত্ব তরুণ প্রজন্মের কাছে অন্যতম অনুপ্রেরণার উৎস। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি তার সাবলীল স্টাইল স্টেটমেন্টও নজর কাড়ে জনসাধারণের। দেশজুড়ে এখন নারী ক্রিকেট নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। ঠিক এই আবহেই স্মৃতিকে নিজেদের ব্র্যান্ডের মুখ হিসেবে বেছে নিল ক্যান্ডের। এই সংস্থার গহনার মূল ইউএসপি বা বৈশিষ্ট্য হলো— প্রতিদিনের ব্যবহার যোগ্যতা। আধুনিক নারীরা এখন আর ভারি গহনা পরতে অভ্যস্ত নন। বরং হালকা ও ট্রেন্ডি গহনা আজকের দিনের সাজপোশাকের বিশেষ অঙ্গ। স্মৃতির রোজনামচার সঙ্গেও সেই ভাবনা হুবহু মিলে যায়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ক্যান্ডের-এর ডিরেক্টর রমেশ কল্যাণরামন এই নতুন জুটিকে নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। তিনি বলেন, স্মৃতি মান্ধানার প্রভাব শুধু ক্রিকেট মাঠের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; তিনি আজকের আত্মবিশ্বাসী প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করেন। শাহরুখ খান ও স্মৃতি মান্ধানা— এ দুজন একসঙ্গে আজকের বৈচিত্র্যময় ভারতের রূপ তুলে ধরছেন। এই যৌথ উপস্থিতি সারা দেশের ক্রেতাদের সঙ্গে ব্র্যান্ডের যোগাযোগ আরও গভীর করবে। মূলত প্রতিদিনের কাজের জায়গা, ছুটির দিন কিংবা ছোটখাটো উৎসবের জন্য উপযোগী বহুমুখী নকশার গহনা তৈরিতে জোর দিচ্ছে এ সংস্থা।

    নতুন এ ইনিংস নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত স্মৃতি মান্ধানাও। তিনি বলেন, ক্যান্ডের-এর সমসাময়িক ডিজাইনগুলো তার নিজস্ব ফ্যাশন ভাবনার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। গহনা তার কাছে কোনো বিশেষ দিনের জন্য তুলে রাখার বস্তু নয়। বরং তা তার প্রতিদিনের ব্যক্তিত্ব প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আকাঙক্ষার সন্তান নিতে না চাওয়াই কি গৌরবের ডিভোর্সের কারণ?

    বিনোদন জগতের টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেতা গৌরব খান্না গত বছর ‘বিগ বস’-এর ফাইনাল সপ্তাহে মিডিয়া ট্রলের মুখে পড়েছিলেন। এক সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেছিলেন— শোতে স্ত্রীর সন্তান না নেওয়ার ইচ্ছার কথা বারবার বলে তিনি দর্শকদের থেকে ‘সিম্প্যাথি কার্ড’ খেলার চেষ্টা করছেন কিনা? এমন প্রশ্নে অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে স্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে গৌরব উত্তর দিয়েছিলেন— তিনি নিজে বাচ্চাদের ভীষণ ভালোবাসেন এবং বাবা হতে চেয়েছিলেন ঠিকই; কিন্তু স্ত্রীর সিদ্ধান্ত ও তার ভালো থাকাকে সম্মান জানানোই একজন আদর্শ স্বামীর কাজ। আর আজ বিচ্ছেদের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েও গৌরবের মুখে সেই একই ভালোবাসার কথা শুনে মুগ্ধ সামাজিক মাধ্যমের নেটিজেনরা।

    সম্প্রতি আকাঙ্ক্ষা চামোলার ডিভোর্সের ঘোষণার পর অবশেষে মুম্বাইয়ের এক শুটিং সেটে মুখ খুললেন অভিনেতা গৌরব খান্না। জানালেন ‘ও আমার স্ত্রী— আজও ভালোবাসা অটুট’।

    গত সপ্তাহে ওটিটি রিয়্যালিটি শো ‘লক আপ সিজন ২’-এর মঞ্চে অভিনেত্রী আকাঙ্ক্ষা চামোলা যখন স্বামী তথা অভিনেতা গৌরব খান্নার সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা করেন, তখন তা বিনোদন জগতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। বিশেষ করে সন্তান নেওয়া ও মাতৃত্বের টান না থাকার মতো অত্যন্ত ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে তাদের এই বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকে সবাই গৌরবের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।

    অবশেষে সেই হাইপ্রোফাইল ডিভোর্স নিয়ে নিজের নীরবতা ভাঙলেন গৌরব খান্না। মুম্বাইয়ে ‘লাফটার শেফস’-এর শুটিং সেটে পাপারাজ্জিদের মুখোমুখি হয়ে আকাঙ্ক্ষার চামোলার প্রতি নিজের ভালোবাসা ও সমর্থনের কথা উজাড় করে দিলেন অভিনেতা। শুটিং সেটে পাপারাজ্জিদের ক্যামেরার সামনে হাসিমুখে পোজ দিলেও আকাঙ্ক্ষার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। 

    ডিভোর্সের জল্পনা ও তার বর্তমান মানসিক পরিস্থিতি নিয়ে গৌরব স্পষ্ট জানিয়ে দেন— আগে পরিস্থিতি যা ছিল, এখনো ঠিক তেমনই আছে। ভালোবাসা আজও তার প্রতি ঠিক ততটাই আছে, সাপোর্টও ঠিক ততটাই আছে। তিনি বলেন,  আমি তো আজীবন আকাঙ্ক্ষাকে সাপোর্ট করে যাব। ও আমার স্ত্রী, ইয়ার! যখন ভালোই বেসেছি, তখন আর কখনো পিছপা হব না।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘লক আপ ২’-এর একটি পর্বে সহপ্রতিযোগীদের সামনে আকাঙ্ক্ষা চামোলা খোলসা করেছিলেন যে, তিনি নিজের জীবনে সম্পূর্ণ ‘চাইল্ড-ফ্রি’ থাকতে চান। এমনকি কোনো সন্তান দত্তক নিতেও তার আপত্তি রয়েছে।

    অভিনেত্রী আরও বলেছিলেন— গৌরব মনেপ্রাণে বাবা হতে চায়; কিন্তু আমি ওকে সেটা দিতে পারছি না। আমার মধ্যে মাতৃত্বের সেই টানটাই নেই। ৯৯ শতাংশ মানুষ তো পরিবার এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আর বাচ্চার জন্যই বিয়ে করে থাকে। গৌরব তার জায়গায় একদম ঠিক। কিন্তু বিগ বসে যাওয়ার পর আমি বুঝতে পারি ও কতটা তীব্রভাবে সন্তান চাইছে। অথচ আমি তার এই স্বপ্ন পূরণ করতে পারছি না। তাই আমি ওকে আর এ দোটানার মধ্যে ঝুলিয়ে রাখতে চাইনি।

    উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর কানপুরে ধুমধাম করে বিয়ে করেছিলেন আকাঙ্ক্ষা চামোলা ও গৌরব খান্না। তবে দীর্ঘ ১০ বছরের সম্পর্কের পর এই জীবনযাত্রার মৌলিক পার্থক্যের কারণেই আলগা হয়ে গেল তাদের বৈবাহিক বাঁধন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিগ বস বাংলা আনছেন প্রিন্স অব কলকাতা

    ২০১৬ সালে কালারস বাংলায় শেষ সম্প্রচারিত হয়েছিল বিগ বস বাংলা সিজন ২। সেই সময় সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন টালিউড সুপারস্টার জিৎ। তারও আগে ২০১৩ সালে বিগ বস বাংলার প্রথম সিজন সঞ্চালনা করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। কিন্তু ২০১৬ সালের পর প্রায় ১০ বছর কেটে গেলেও বিগ বস বাংলা আর ফিরে আসেনি। তবে এবার অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। 

    হিন্দি বিগ বসের জনপ্রিয়তার সঙ্গে পাল্লা দিতে এবার বাংলাতেও আসতে চলেছে বিগ বস। সব থেকে বড় ও চর্চিত এ অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনার দায়িত্বে কে থাকবেন এতদিন তা নিয়ে চলছিল সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে জোর জল্পনা-কল্পনা। অবশেষে সব গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে বিগ বস বাংলা সঞ্চালনা করতে প্রস্তুত সৌরভ গাঙ্গুলি।

    চলতি বছর রিয়ালিটি শোগুলোতে বড় রদবদল চলছে। এর মধ্যে ‘দাদাগিরি’ থেকে ‘রান্নাঘর’, ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ সবখানেই পরিবর্তনের পালা চলছে। সবখানে সঞ্চালক পরিবর্তন হয়েছে। একদিকে যেমন ‘দাদাগিরি’র সঞ্চালনা করতে চলেছেন টালি সুপারস্টার দেব, ঠিক তেমনি বিগ বস বাংলার সঞ্চালনা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলি।

    সম্প্রতি স্টার জলসার তরফ থেকে সামাজিক মাধ্যমে বিগ বস বাংলার ফার্স্টলুক রিলিজ করা হয়, যেখানে ক্যাপশনে দেওয়া হয়— ‘ভারতবর্ষের সব থেকে বড় বিনোদন এবার বাংলায়।’ সঙ্গে দেখা গিয়েছিল, ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে রাজকীয় কায়দায় হেঁটে আসছেন বাংলার দাদা। এবার দ্বিতীয় প্রমো প্রকাশ্যে নিয়ে এলো স্টার জলসা। বাংলার বাঘ সৌরভ গাঙ্গুলি ধীরে ধীরে এগিয়ে আছেন। সৌরভের ইতিহাসের সাক্ষী থেকেছে ইডেন গার্ডেন। এবার সঞ্চালনার সাক্ষী থাকবে গোটা বাংলা। নতুন রূপে নতুনভাবে দাদা ফিরতে চলেছেন ছোটপর্দায়।

    এ ভিডিওটি প্রকাশ্যে এনে স্টার জলসার তরফ থেকে ক্যাপশনে লেখা হয়— ‘বাংলার মহারাজ সৌরভ গাঙ্গুলির হাত ধরে আসছে বাংলার বিনোদনের বস— বিগ বস বাংলা।’ এতদিন সৌরভের দাদাগিরি দেখেছে বাংলার দর্শক। এবার দেখবেন বিগবসের মঞ্চে। তিনি কেমন ছক্কা হাঁকান, সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে গোটা বাংলা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কখনো বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়বেন না: প্রভা

    সংসারে অশান্তির অজুহাত দেখিয়ে সেসব ব্যক্তি মেয়েদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলার চেষ্টা করেন বলে মনে করেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। সে জন্য এ রকম ছেলের সঙ্গে প্রেম তো দূরে থাক, কখনো বন্ধুত্ব করতেও নিষেধ করেছেন তিনি। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে নিজের নানা অনুভূতি-অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তার ভক্ত-অনুরাগীদের এমন কথাই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিওবার্তায় মেয়েদের উদ্দেশে পরামর্শ দিয়ে একটি পোস্ট দেন প্রভা। সেই পোস্টে কোনো বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে না জড়ানোর কথা উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন— মেয়েরা শোনো, আমার ছোট-বড় প্রত্যেককে একটা অনুরোধ করি, যত কিছুই হোক, কোনোভাবেই একটা বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়া যাবে না। 

    তিনি বলেন, যতই ছেলে বলুক— ‘বউ ভালো না, সমাজের জন্য, সন্তানের জন্য সংসার রাখতে হচ্ছে’; এদের স্ক্রিপ্ট একই। এসব শুনবে না, বিশ্বাসও করবে না। বিশ্বাস করে যদি এ রকম কোনো কিছুতে জড়িত হও, তাহলে সারাজীবন নিজেকে মাফ করতে পারবা না। সুতরাং কখনো কোনো বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়বে না, যতই ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করুক না কেন।

    এর আগে তিনি নিজেও এমনই এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলেন বলে জানান প্রবা। সেটার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, তোমাকে (মেয়েদের) অনেক কথা শুনতে হবে। কিছু দিন আগে আমাকেও শুনতে হয়েছে এ রকম কথা। 

    অভিনেত্রী বলেন, আমার অলরেডি মুখস্থ হয়ে গেছে— এরা কী কী বলে। আমি তাকে সোজা বলে দিয়েছি— আপনার যদি ওই সংসারে এত সমস্যা থাকে, ডিভোর্সের প্রসেসিং যদি চলতেই থাকে, তাহলে সেটা আগে শেষ করে আসেন। তারপর ভেবে দেখব, আমরা একে অন্যের জন্য মানানসই কিনা। 

    তিনি বলেন, এখন সেই লোক বলে বেড়ায়, আমি নাকি সাইকো! আই অ্যাম হ্যাপি টু বি আ সাইকো। আই অ্যাম গ্ল্যাড, ওই সংসারে ঢুকিনি।

    বিনোদন ডেস্ক