Tag: বিনোদন

  • ‘বিগ ব্রাদার’-এর আদলে শুরু, কেন নাম হলো ‘বিগ বস’?

    রিয়্যালিটি শোর জগতে ‘বিগ বস’ এখন ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় অনুষ্ঠান। প্রতিযোগীদের ঝগড়া-বিবাদ, প্রেম, বন্ধুত্ব, নানা টাস্ক এবং একের পর এক বিতর্ক—সব মিলিয়ে বছরের পর বছর দর্শকদের আগ্রহ ধরে রেখেছে শোটি। আর সঞ্চালক হিসেবে সালমান খানের উপস্থিতি ‘বিগ বস’-এর জনপ্রিয়তাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে জানেন কি, বিদেশি ‘বিগ ব্রাদার’-এর আদলে শুরু হলেও ভারতের সংস্করণটির নাম কেন ‘বিগ বস’ রাখা হয়েছিল?

    ‘বিগ বস’-এর মূল ফরম্যাট নেওয়া হয়েছে নেদারল্যান্ডসের জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘বিগ ব্রাদার’ থেকে। এই ফরম্যাটে একদল প্রতিযোগীকে বাইরের জগত থেকে বিচ্ছিন্ন একটি বাড়িতে রাখা হয়। সেখানে ক্যামেরায় সারাক্ষণ তাদের কর্মকাণ্ড ধারণ করা হয়। প্রতিযোগীদের বিভিন্ন টাস্কে অংশ নিতে হয়। পাশাপাশি থাকে মনোনয়ন ও দর্শকদের ভোটে বাদ পড়ার প্রক্রিয়া। শেষ পর্যন্ত যিনি টিকে থাকেন, তিনিই বিজয়ী হন।

    ভারতে এই ফরম্যাট নিয়ে কাজ শুরুর সময় নির্মাতাদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায় অনুষ্ঠানের নাম কী হবে। ‘বিগ ব্রাদার’ নামটি সরাসরি ব্যবহার না করে ভারতীয় দর্শকদের কাছে সহজে গ্রহণযোগ্য ও অনুষ্ঠানের চরিত্রের সঙ্গে মানানসই একটি নতুন নাম খোঁজা শুরু হয়।

    এন্ডেমেল শিন্ডে ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা দীপক ধর ভারতীয় সংস্করণটি তৈরির প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, নাম নির্বাচনের সময় দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, উচ্চারণের সহজতা এবং অনুষ্ঠানের ভাবমূর্তিসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ‘বিগ বস’ নামটিই চূড়ান্ত করা হয়।

    তবে শুধু সৃজনশীল চিন্তা থেকেই নামটি বেছে নেওয়া হয়নি। নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংখ্যাতত্ত্বও বিবেচনায় রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন দীপক ধর। শব্দের অর্থ ও উচ্চারণের পাশাপাশি নামের অক্ষরগুলোর সংখ্যাগত মূল্যও দেখা হয়েছিল। ফলে ‘বিগ ব্রাদার’ থেকে ‘বিগ বস’-এ পরিবর্তন ছিল পরিকল্পিত ব্র্যান্ডিংয়ের অংশ।

    বর্তমানে ‘বিগ বস’ নামটি বলতেই অনেকের চোখে ভেসে ওঠে সালমান খানের মুখ। তবে শুরু থেকেই তিনি এ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন না। হিন্দি সংস্করণের প্রথম সিজন শুরু হয় ২০০৬ সালে এবং সেবার সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন আরশাদ ওয়ারসি। দ্বিতীয় সিজনে সঞ্চালক ছিলেন শিল্পা শেঠি। তৃতীয় সিজনে দায়িত্ব নেন অমিতাভ বচ্চন।

    এরপর চতুর্থ সিজন থেকে ‘বিগ বস’-এর সঞ্চালকের দায়িত্বে আসেন সালমান খান। দীর্ঘদিন ধরে তার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি আরও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে ‘বিগ বস’ শুধু একটি রিয়্যালিটি শো নয়, ভারতীয় টেলিভিশন বিনোদনের অন্যতম পরিচিত ব্র্যান্ড হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে কটাক্ষের জবাব দিলেন কিয়ারা

    ভারতের দক্ষিণী সুপারস্টার যশের সঙ্গে ‘টক্সিক: অ্যা ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। সিনেমাটির কিছু ঘনিষ্ঠ ও সাহসী দৃশ্যে অভিনয়ের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। বিশেষ করে একাংশের নেটিজেনদের দাবি, মা হওয়ার পর এমন চরিত্রে অভিনয় করা তার জন্য উপযুক্ত হয়নি।

    তবে সমালোচনা ও ট্রলকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন কিয়ারা। তিনি জানিয়েছেন, একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করতে এবং ভিন্নধর্মী চরিত্রে কাজ করার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতেই ‘টক্সিক’-এ যুক্ত হয়েছেন। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিনেমাটি কিয়ারার ক্যারিয়ারের অন্যতম ব্যতিক্রমী ও সাহসী কাজ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের যুক্ত হওয়ার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে কিয়ারা বলেন, ‘গল্পটা প্রথম যখন শুনি, তখনই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার চরিত্রটি সুন্দর ভাবে তৈরি করা হয়েছে, একজন অভিনেত্রী হিসেবে এমন চরিত্রই তো সব সময় খুঁজি। আমার মনে হয়েছিল, ক্যারিয়ারের এমন এক জায়গায় পৌঁছেছি, যেখানে এমন কঠিন একটি চরিত্র করার আত্মবিশ্বাস এসেছে।’    

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    যদিও চলচ্চিত্রে কিয়ারার মূল চরিত্রটি ঠিক কেমন, তা নিয়ে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে পর্দায় যশের বিপরীতে ‘নাদিয়া’ চরিত্রে তার উপস্থিতিও সাহসী দৃশ্যগুলো এরই মধ্যে দর্শক ও অনুরাগীদের নজর কেড়েছে। নারী চরিত্রের প্রচলিত রূপরেখা প্রসঙ্গে নিজের শক্ত অবস্থানের কথা তুলে ধরে কিয়ারা জানান, তিনি কখনোই চান না কোনো নারী চরিত্রকে একটি নির্দিষ্ট ছকে বেঁধে রাখা হোক।

    অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘আমি চাই না, নারীদের এক ধরনের চরিত্রে আটকে রাখা হোক। আমরা তার চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। তাহলে পর্দার চরিত্রও কেন তেমন হবে না?’ তিনি মনে করেন, পর্দায় নারী চরিত্রগুলোর উপস্থাপন হওয়া উচিত বেশ শক্তিশালী ও স্বতন্ত্র, আর ‘টক্সিক’-এর চরিত্রটি ঠিক তেমনই এক নির্মাণ।

    প্রসঙ্গত, ‘টক্সিক’ সিনেমাটির যৌথভাবে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন নায়ক যশ ও গীতু মোহনদাস। এটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন গীতু মোহনদাস নিজেই। প্রযোজনা সূত্রে জানা গেছে, ছবিটি মূল দ্বভাষিক হিসেবে ইংরেজি ও কন্নড় ভাষায় একসঙ্গে শুট করা হয়েছে। পরবর্তীতে এটি হিন্দি, তেলুগু, তামিল ও মলয়ালমসহ একাধিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভাষায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আপত্তিকর ভিডিও: জাম্বিয়ার কনটেন্ট ক্রিয়েটর গেজিল ওয়াল গ্রেফতার

    দক্ষিণাঞ্চলের দেশ জাম্বিয়ার বিতর্কিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর গেজিল ওয়াল অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। গত ২৭ জুলাই তাকে গ্রেফতারের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। দেশটির সংবাদমাধ্যম এমউইবান্টুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশের মুখপাত্র গডফ্রে চিলবি জানিয়েছেন, গত ২২ থেকে ২৭ জুলাই সামাজিক মাধ্যমে অন্যদের নিয়ে অশ্লীল সব কনটেন্ট ভিডিও তৈরিতে অংশ নেন ২৩ বছর বয়সি এ তরুণী। পরে সেসব কনটেন্ট বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    পুলিশের মুখপাত্র গডফ্রে চিলবি বলেন, গত ২৭ জুলাই বিষয়টি জাম্বিয়া পুলিশ সার্ভিসের অ্যান্টি-সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে অবহিত করা হয়। পরে সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সির সঙ্গে যৌথভাবে এ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর গেজিল ওয়ালকে শনাক্ত করা হয় এবং তারপর গ্রেফতার করা হয়। তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যরা এখন পলাতক রয়েছে। তবে তাদের অবস্থান চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, এরই মধ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। আদালতে হাজির করার আগ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে থাকবেন তিনি।

    এ ছাড়া সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে গডফ্রে চিলবি বলেন, জাম্বিয়ার আইন অনুযায়ী কোনো অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি, নিজের কাছে রাখা, প্রকাশ করা কিংবা প্রচার করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সত্যিই কি শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন শাহরুখ?

    ভারতের নিট (এনইইটি) পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দিল্লির যন্তর-মন্তরে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এই আন্দোলনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি বলিউডের কয়েকজন তারকাও প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাহরুখ খানের নামেও একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। তবে সেটির সত্যতা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন।

    সম্প্রতি এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া একটি স্ক্রিনশটে দাবি করা হয়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে শাহরুখ খান একটি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন। 

    সেখানে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন শুধু একটি পরীক্ষার বিরুদ্ধে নয়; বরং স্বচ্ছ, ন্যায্য ও জবাবদিহিমূলক শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে। একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানানো হয়।

    ভাইরাল সেই পোস্টে আরও দাবি করা হয়, দেশের কর্তৃপক্ষের উচিত শিক্ষার্থীদের দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রতি মানসিক ও নৈতিক সমর্থনের কথাও উল্লেখ করা হয়।

    তবে বিষয়টি যাচাই করে দেখা গেছে, শাহরুখ খানের ভেরিফায়েড এক্স একাউন্টে এমন কোনো পোস্ট নেই। অর্থাৎ, তার নামে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশটটি ভুয়া। জানা গেছে, এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী শাহরুখের নামে ওই পোস্টটি তৈরি করে শেয়ার করেন। পরে সেটিই দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ঘটনাটি সামনে আসার পর শাহরুখের ভক্তরা ভুয়া পোস্ট ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির অভিযোগ তুলেছেন। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন ভুয়া তথ্য প্রচারের সমালোচনা করেছেন এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, নিট প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনে বলিউডের কয়েকজন তারকা প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানালেও শাহরুখ খান এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। ফলে তার নামে ছড়িয়ে পড়া পোস্টটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিউইয়র্কের সড়কে নজরকাড়া অভিনেত্রী মেহজাবীন

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহেজাবীন চৌধুরী অভিনয়ের পাশাপাশি ফ্যাশন সচেতনতার জন্য সবসময়ই দর্শকদের নজর কেড়ে থাকেন। তিনি ছোটপর্দায় নাটক, ওটিটি সিরিজ ছাড়াও সিনেমাতেও নিজের সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন। ফ্যাশন সচেতনতার দৃঢ় চেতা এ অভিনেত্রী সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে কিছু ছবি পোস্ট করেছেন। তার সেই ছবির নতুন লুক ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে সাড়া ফেলে দিয়েছে। 

    সামাজিক মাধ্যমে প্রিয় তারকাকে গ্ল্যামারাস লুকে দেখে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন নেটিজেনরা। ছবি প্রকাশের পর থেকেই ছবিগুলোর কমেন্টবক্সে ভালোবাসা প্রকাশ করছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। কেউ কেউ তাকে ‘নীল পরী’ বলেও আখ্যা দিচ্ছেন।

    নিউইয়র্কের বিখ্যাত ব্রুকলিন ব্রিজে রয়্যাল ব্লু গাউনে এক মায়াবী লুকে ধরা নেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। সামাজিক মাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করলেন; আর তা নজর কাড়ল ভক্তদের মাঝে। ছবিতে দেখা গেছে, নিউইয়র্কের সুউচ্চু স্থাপনাগুলোকে তুলে ধরে বেশ কয়েকটি পোজে ছবি দিয়েছেন অভিনেত্রী। সেসব ছবিতে দেখা গেছে, তার পরনে ছিল একটি স্লিভলেস রয়্যাল ব্লু টায়ার্ড টিউল গাউন। কলিন ব্রিজের কাঠের ওয়াকওয়ে ও সুউচ্চ কাঠামোর মাঝে নেওয়া মেহজাবীনের প্রতিটি ভঙ্গিই যেন ছিল কোনো রাজকীয় দৃশ্যপট।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    যেখানে চোখ আটকেছে ভক্ত-অনুরাগীদের। পোশাকের সঙ্গে মার্জিত হেয়ারস্টাইল, পরিমিত সাজ ও আত্মবিশ্বাসী চাহনি। কখনো মুখ ঢেকে হাসছেন, আবার কখনো শুয়েও পোজ দিয়েছেন। নন্দিত এ অভিনেত্রীর ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে আলাদা করে নজর কেড়েছে।

    ছবির ক্যাপশনে মেহজাবীন লিখেছেন— ‘বিকজ কাল হো না হো…’। কালজয়ী হিন্দি সিনেমা ‘কাল হো না হো’-এর সেই নিউইয়র্ক শহরের আমেজ থেকেই যে এ স্নিগ্ধ ফটোশুটের অনুপ্রেরণা, তা ক্যাপশনেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ক্যাটরিনাকে ‘মেরুদণ্ডহীন’ বলে কটাক্ষ, অভিনেত্রীর ফ্যানপেজ বন্ধ

    জুলাই মাসের গোড়া থেকেই নিট কেলেঙ্কারিসহ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনশন শুরু করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। যাদের নেতৃত্ব দেন শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। দিল্লির যন্তর-মন্তরে টানা ২৫ দিন ধরে চলা সেই বিক্ষোভ আরও নাটকীয় মোড় নেয় গত সোমবার (২০ জুলাই) ‘সংসদ চলো’ অভিযান কেন্দ্র করে। 

    বিক্ষোভকারী ‘আরশোলা’দের রুখতে লাঠিচার্জের পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান চালায় পুলিশ বাহিনী। এমতাবস্থায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে সরব হয়েছেন দেশের বিনোদন জগতের তারকাদের একাংশ। অভিনেত্রী শাবানা আজমি থেকে শুরু করে জিনাত আমান, অপর্ণা সেন, অনুরাগ কাশ্যপ, অরিজিৎ সিং থেকে বলিউডের বর্তমান প্রজন্মের একাংশও সম্মতি জানিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। 

    কিন্তু সংশ্লিষ্ট আন্দোলন নিয়ে দেশের অন্দরে ঝড় বয়ে গেলেও ‘টুঁ’ শব্দটি করেননি অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই অভিনেত্রীর ভক্তমহলের একাংশ ক্ষুব্ধ! তাদের মতে, ‘প্রিয় তারকার থেকে আমাদের কাছে দেশভক্তি আগে।’ যার রোষ গিয়ে পড়েছে ক্যাটরিনা কাইফের ফ্যানপেজেও। শিক্ষার্থীদের হয়ে মুখ না খোলায় ভক্তরা নিজেরাই ক্যাটরিনার ওই ফ্যানপেজ বন্ধ করে দিয়েছেন।

    দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষাব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে দিল্লির রাজপথে যখন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিনিদ্র রজনী কাটাচ্ছেন, ঠিক তখনই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে সেলিব্রেটিরা ‘তামাশা’ দেখছেন?— এমন প্রশ্নের মুখে ক্যাটরিনা কাইফসহ সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অভিনেতা-অভিনেত্রীদের একাংশ। ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে মুখ না খোলায় বিগত কয়েক দিনে একাধিক তারকাকে কটাক্ষ, সমালোচনার শিকার হতে হয়েছে। এবার নিজের অনুরাগীমহলের রোষানলে ক্যাটরিনা কাইফ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অনেক দিন ধরেই সামাজিক মাধ্যমে ‘ক্যাথলিক_ফ্যানস’ নামে একটি পেজ রয়েছে, যেখানে এযাবৎকাল চোখে পড়ত ক্যাটরিনা কাইফের গতিবিধির সব খবরাখবর। কিন্তু ‘ককরোচ’ বিক্ষোভের আগুনে সেই ফ্যানপেজই বর্তমানে ‘লাটে উঠেছে’! ওই ফ্যানপেজের স্রষ্টা খোদ এক বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন, শৈশব থেকেই আমি আপনার ভক্ত, কিন্তু আমরা, যেসব ভারতীয় শিক্ষার্থী আপনাকে মন থেকে ভালোবাসি, তাদের হয়ে আপনি একটা কথাও বলতে পারলেন না। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার মতো সাহস বা মেরুদণ্ড আপনার নেই। আপনার কঠিন সময়ে আমরা আপনার পাশে ছিলাম, কিন্তু আজ যখন আপনার সমর্থনের প্রয়োজন, আপনি আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন। আমি আপনাকে আনফলো করার পাশাপাশি এ ফ্যানপেজটিও বন্ধ করে দিচ্ছি। আপনি এর যোগ্য নন। 

    সেই পোস্টের মন্তব্য বাক্সেই আরেক সমালোচনার শিকার হতে হয়েছে ক্যাটরিনাকে। এক নেটিজেন মন্তব্য করে বলেন, ভারতে বাস, ভারতেই কাজ, তবু ভারতীয়দের হয়ে কথা বলার সাহস নেই…।’ কেউ বা বললেন, ‘পেজের অ্যাডমিনের প্রতি শ্রদ্ধা।’ কেউ বা প্রশ্ন ছুড়লেন, ‘আপনিও তো মা, নিজের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করছেন না?’ এহেন নানা কটূক্তিবাণে ছেয়ে গেছে নেটভুবন। কর্মসূত্রে মুম্বাই নিবাসী হলেও অভিনেত্রী জন্মেছিলেন ব্রিটিশ অধ্যুষিত হংকংয়ে। ‘সে জন্যই কি ভারতীয়দের প্রতি টান নেই? সেসব মানুষকে নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য নেই, যারা আপনাকে সেলিব্রেটি বানালেন?’—এমন প্রশ্নের মুখে ক্যাটরিনা কাইফ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নয়া লুকে জিৎ

    অনন্ত সিংয়ের দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল জীবনের নানা অধ্যায়কে পর্দায় ধরতেই ৯ রূপের পরিকল্পনা। তরুণ বিপ্লবী, আত্মগোপনে থাকা পলাতক, বয়সের ভারে নুয়ে পড়া মানুষ— প্রতিটি পর্যায়ের জন্য আলাদা শারীরিক গঠন, রূপটান, পোশাক এবং স্টাইলিংয়ে তৈরি হয়েছে স্বতন্ত্র পরিচয়। বিপ্লবী না ডাকাত— অনন্ত সিং রূপে প্রকাশ্যে ধরা দিলেন টালিউডের সুপারস্টার জিৎ। 

    একজন মানুষ। অথচ ৯টি ভিন্ন চরিত্রে উপস্থাপন। যেন এক অনন্য অভিনেতা, যা কেবল জিতের পক্ষেই সম্ভব। ইতিহাস যাকে কখনো স্বাধীনতা সংগ্রামী, কখনো আবার দুর্ধর্ষ ডাকাত হিসাবে মনে রেখেছেন, সেই অনন্ত সিংকে পর্দায় জীবন্ত করতে অভাবনীয় রূপান্তরের পথে হাঁটলেন জিৎ। ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমায় অভিনেতার ৯টি ‘লুক’ সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে।

    নির্মাতাদের দাবি, প্রতিটি ‘লুক’ শুধু চেহারার বদল নয়, চরিত্রের মানসিক বিবর্তনেরও প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টায় কোনো ত্রুটি রাখা হয়নি। এ রূপান্তরের নেপথ্যে রয়েছেন রূপটানশিল্পী সোমনাথ কুণ্ডু। তার নেতৃত্বে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলে গবেষণা, ঐতিহাসিক তথ্য খতিয়ে দেখা এবং একাধিক ‘লুক টেস্ট’। সোমনাথ বলেন, অনন্ত সিংয়ের জীবনের প্রতিটি পর্বকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে সূক্ষ্ম ও নিখুঁত পরিকল্পনার প্রয়োজন ছিল। একই সঙ্গে চরিত্রের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাও ছিল বড় চ্যালেঞ্জ।

    এ বিষয়ে পরিচালক পথিকৃৎ বসু বলেন, অনন্ত সিংকে কোনো একটি পরিচয়ে বেঁধে রাখা যায় না। ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে তাকে বিভিন্ন চোখে দেখা হয়েছে। সে কারণেই এ সিনেমাটি আলাদা অবতার রয়েছে। 

    পরিচালক বলেন, প্রতিটি ‘লুক’ দর্শকদের সামনে চরিত্রটির একেকটি অজানা স্তর উন্মোচন করবে। এ ছবিতে জিৎ শুধু চেহারা বদলাননি, প্রতিটি পর্যায়ে চরিত্রটির মানসিক অবস্থাকেও আত্মস্থ করেছেন বলে জানান পথিকৃৎ বসু। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমার গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে ষাটের দশকের কলকাতা। শহরে একের পর এক পরিকল্পিত ডাকাতির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। তদন্তে নামেন ইন্সপেক্টর দুর্গাপ্রসাদ রায়। যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন টোটা রায়চৌধুরী। তদন্তের সূত্র ধরে ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় অনন্ত সিংয়ের অতীত। একসময় মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে স্বাধীনতা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন তিনি। স্বাধীনতার পর সমাজে দুর্নীতি ও আদর্শের অবক্ষয় তাকে অন্য পথে হাঁটতে বাধ্য করে। এর পরেই শুরু হয় তার নতুন লড়াই— যেখানে তিনি আইনের চোখে অপরাধী, কিন্তু অনেক নিপীড়িত মানুষের রক্ষাকর্তা।

    ‘নন্দী মুভিজ’ ও ‘জিৎজ ফিল্মওয়ার্কস’ প্রযোজিত ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমায় সংগীত পরিচালনা করেছেন শান্তনু মৈত্র। সিনেমা মুক্তির আগেই জিতের ৯টি লুক দর্শকের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’, আরও ৩ সিনেমা মুক্তি

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ থালাপতি বিজয়ের  সিনেমা ‘জন নায়াগান’ মুক্তি পেয়েছে। এ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন এইচ বিনোথ। এ অভিনেতার শেষ সিনেমা মুক্তির দিনে আরও তিনটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। যেখানে সুপারম্যান থেকে অ্যাকশন— সব স্বাদের ছোঁয়াই থাকছে এসব সিনেমায়।

    রাজনীতিতে পূর্ণ সময় দেওয়ার আগে অভিনয়জীবন থেকে তার বিদায় ঘোষণা করা এ সিনেমাটি বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। 

    ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে সপ্তাহের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ নিঃসন্দেহে ‘জন নায়াগান। এটাই নাকি অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা! এখন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তিনি। তাই হয়তো আর সিনেমাই করবেন না রাজনীতিক বনে যাওয়া এ অভিনেতা। সেসব ভেবে তাকে শেষবার বড়পর্দায় দেখার উচ্ছ্বাস ধরা পড়েছে বিভিন্ন ভিডিওতে। 

    এ সিনেমায় রয়েছে অ্যাকশন, আবেগ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের মিশেল। সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে ওঠা এক নেতার যাত্রাপথই সিনেমার মূল উপজীব্য। মুক্তির আগেই সিনেমাটি ঘিরে তৈরি হয়েছে তুমুল উন্মাদনা।

    অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের  ‘জন নায়াগান’ সিনেমা মুক্তির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আরও তিনটি সিনেমা আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) মুক্তি পেয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে— ‘কাতুকুতু বুড়ো’ সিনেমা। 

    এ সিনেমা দিয়েই পরিচালনায় অভিষেক হচ্ছে উজান গাঙ্গুলির। এ সপ্তাহে বাংলা সিনেমার তালিকায় নজর কাড়তে পারে তার ‘কাতুকুতু বুড়ো’। রহস্য, সমাজ বাস্তবতা ও মানবিক টানাপোড়েনের মিশেলে তৈরি এ সিনেমার কেন্দ্রে রয়েছে এক তরুণের জীবন-সংগ্রাম। 

    এরই মধ্যে উজান গাঙ্গুলির ভাঙাচোরা সুপারম্যানের ভাবনা ফুটে উঠবে পর্দায়। এ সিনেমার মাধ্যমে নতুন গায়িকা রাপূর্ণা ভট্টাচার্যকে নায়িকা হিসেবে দেখবেন সিনেমাপ্রেমী দর্শকরা। জানা গেছে, সিনেমার প্রচারের ফাঁকে পরিচালক ও নায়িকার বন্ধুত্ব গভীর হয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে প্রয়াত অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষ সিনেমা ‘ছবিওয়ালা’। যার প্রচারে অভিনেতাকে প্রতিমুহূর্তে মনে করেছেন তার সহ-অভিনেতারা। গল্পে একজন ফটোগ্রাফারের ক্যামেরায় ধরা পড়ে শুধু মুখ নয়, ধরা পড়ে সময়, স্মৃতি আর মানুষের গল্পও। সেই আবেগকেই উপজীব্য করেছে ‘ছবিওয়ালা’। 

    সম্পর্কের উষ্ণতা, হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তের নস্টালজিয়া এবং শিল্পীর দৃষ্টিভঙ্গি কেন্দ্র করে এগোয় সিনেমার কাহিনি। চেনা জীবনের মধ্যেই অসাধারণকে খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা রয়েছে এ সিনেমায়।

    দীর্ঘ এক যাত্রার শেষ অধ্যায় এবার বড়পর্দায়। বিশ্বজোড়া জনপ্রিয় অ্যানিমেশন সিনেমার ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘অ্যাটাক অন টাইটান’-এর চূড়ান্ত পর্ব ‘দ্য লাস্ট অ্যাটাক’ হাজির হচ্ছে প্রেক্ষাগৃহে। মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই, বন্ধুত্ব, বিশ্বাসঘাতকতা ও আত্মত্যাগ— সব মিলিয়ে এক মহাকাব্যিক সমাপ্তির সাক্ষী হবেন সিনেমাপ্রেমী দর্শকরা। চোখধাঁধানো অ্যানিমেশন ও আবেগঘন গল্পই এ সিনেমার প্রধান আকর্ষণ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে পুরুষকে বেশি আকর্ষণীয় বললেন জেনিফার লোপেজ

    বিলাসবহুল জীবনযাপন, দামি ঘড়ি কিংবা ব্যক্তিগত বিমান—অনেকের কাছে এগুলো একজন পুরুষের আকর্ষণের প্রতীক হতে পারে। কিন্তু হলিউড তারকা জেনিফার লোপেজের চোখে সত্যিকারের আকর্ষণ লুকিয়ে থাকে একেবারে সাধারণ কিছু অভ্যাসে। তাঁর মতে, প্রতিদিনের ছোট ছোট দায়িত্বশীল ও যত্নশীল আচরণই একজন মানুষকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে।

    ৫৬ বছর বয়সী গায়িকা-অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজ ১৬ জুলাই ইতালির সিসিলির টাওরমিনার ইসোলা বেলায় ডলচে অ্যান্ড গাব্বানার আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার সময় ব্যক্তিগত সম্পর্ক, স্বাধীনতা এবং পারস্পরিক যত্নের গুরুত্ব নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।

    ২৪ জুলাই ৫৭তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে পারফরম্যান্সের ফাঁকে দর্শকদের সঙ্গে প্রাণবন্ত আড্ডায় মেতে ওঠেন তিনি। আলোচনায় উঠে আসে আত্মনির্ভরশীলতা, ভালোবাসা এবং সম্পর্কে একে অপরের প্রতি দায়িত্ববোধের বিষয়।

    মঞ্চে নিজের পুরুষ ব্যাকআপ নৃত্যশিল্পীদের সঙ্গে মজার কথোপকথনের একপর্যায়ে লোপেজ রসিকতা করে একজনকে তাঁর চুল ঠিক করে দিতে বলেন। পরে হাসতে হাসতেই অন্যদের উদ্দেশে বলেন, তাদের টাকার প্রয়োজন তার নেই; এমনকি দামি উপহারও তার দরকার নেই।

    দর্শকদের উদ্দেশে লোপেজ বলেন, বহু বছর ধরেই মানুষ তাকে দেখে মনে করে তিনি খুবই ‘দামি’ একজন নারী। নিজের বহুল আলোচিত ‘স্পার্কলি কাপ’ প্রসঙ্গ টেনে তিনি মজা করে স্বীকারও করেন, তিনি সত্যিই ‘দামি’। তবে একই সঙ্গে উপস্থিত নারীদের মনে করিয়ে দেন, তাদের নিজেদের উপার্জন রয়েছে। তাই কোনো কিছু কিনে দেওয়ার জন্য অন্য কারও ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই। যদিও ভালোবাসার মানুষ যদি আন্তরিকতা থেকে কোনো উপহার দেন, সেটি অবশ্যই আনন্দের।

    এরপরই তিনি জানান, একজন পুরুষের কোন গুণ তাঁকে সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে।

    ‘জানো, একজন পুরুষকে সত্যিকারের আকর্ষণীয় করে তোলে কী? সেটা ঘড়ি নয়, গাড়ি নয়, ব্যক্তিগত বিমানও নয়। অবশ্য এগুলো ভালো লাগতেই পারে। কিন্তু সত্যিকারের আকর্ষণীয় লাগে, যখন দেখি সে সকালে নিজের বিছানা গুছিয়ে রাখে বা রাতে আমি ক্লান্ত থাকলে আমার জন্য বাসন ধুয়ে দেয়,’ বলেন লোপেজ।

    তিনি আরও বলেন, ‘এটাই আমার কাছে সেক্সি। সত্যিই এটাকেই আমি সেক্সি বলি। কারণ, নারীরাই তো প্রায় সব কাজ করে থাকি।’

    ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সব সময় আলোচনায়

    জেনিফার লোপেজের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন তার ব্যক্তিগত জীবন দীর্ঘদিন ধরেই জনসমক্ষে আলোচনার বিষয়।

    লোপেজ প্রথম বিয়ে করেন ওজানি নোয়াকে। ১৯৯৭ সালে শুরু হওয়া সেই দাম্পত্য ১৯৯৮ সালেই শেষ হয়। এরপর তিনি নৃত্যশিল্পী ক্রিস জাডকে বিয়ে করেন। তাঁদের সংসারও ২০০৩ সালে বিচ্ছেদে শেষ হয়।

    ২০০৪ সালে গায়ক মার্ক অ্যান্থনিকে বিয়ে করেন লোপেজ। তাদের ঘরে যমজ সন্তান ম্যাক্স ও এমে জন্ম নেয়। এক দশক একসঙ্গে থাকার পর ২০১৪ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়।

    এরপর সাবেক বেসবল তারকা অ্যালেক্স রদ্রিগেজের সঙ্গে তার বাগদান হলেও ২০২১ সালে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়।

    সবশেষে, ২০০০-এর দশকের শুরুতে আলোচিত প্রেমিক বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে বহু বছর পর আবার সম্পর্কে জড়ান লোপেজ। ২০২২ সালে তারা বিয়ে করেন। তবে ২০২৪ সালে আলাদা হয়ে যাওয়ার পর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাদের বিচ্ছেদ আইনিভাবে চূড়ান্ত হয়।

    জেনিফার লোপেজের বক্তব্যে আবারও স্পষ্ট হলো, সম্পর্কের সৌন্দর্য কেবল আড়ম্বর বা অর্থসম্পদে নয়; বরং পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্ববোধ এবং প্রতিদিনের ছোট ছোট যত্নশীল আচরণেই। তার মতে, একজন মানুষের সত্যিকারের আকর্ষণ প্রকাশ পায় তখনই, যখন তিনি ভালোবাসার মানুষটির পাশে দাঁড়াতে জানেন এবং দৈনন্দিন জীবনের দায়িত্ব ভাগ করে নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাড়িকাণ্ডে মুখ খুললেন তানজিন তিশা

    দীর্ঘদিন নীরব থাকার পর অবশেষে ২৭ হাজার টাকার শাড়ি-সংক্রান্ত প্রতারণা মামলার বিষয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। 

    নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৪ বছরের ক্যারিয়ারের সুনাম একটি শাড়ির জন্য নষ্ট করার প্রশ্নই আসে না। একই সঙ্গে দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা রেখে আদালতে হাজির হয়ে আইনিভাবেই বিষয়টি মোকাবিলা করবেন বলে জানান এই অভিনেত্রী। 

    বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর বনানী ক্লাবে অনুষ্ঠিত আইকনিক অ্যাওয়ার্ড–এর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। 

    তানজিন তিশা জানান, প্রায় ১২ থেকে ১৪ বছর ধরে মডেলিং ও অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তার ভাষ্য, ‘সোলজার’ সিনেমার শুটিংয়ের পরদিনই তার নামে আইনি নোটিশ আসে এবং কয়েক দিনের মধ্যেই মামলা করা হয়। তার দাবি, একজন শিল্পী যখন সাফল্যের পথে এগিয়ে যান, তখন তাকে নানা উপায়ে টেনে নামানোর চেষ্টা করা হয়।

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের শেষদিকে একটি অনলাইনভিত্তিক ফ্যাশন পেজের প্রশাসক আমিনুল ইসলাম তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, প্রচারণার উদ্দেশ্যে ২৭ হাজার টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নেওয়ার পর তিশা সেটির মূল্য পরিশোধ কিংবা চুক্তি অনুযায়ী প্রচারণামূলক কাজ সম্পন্ন করেননি। ওই মামলায় তানজিন তিশাকে আগামী ১৩ আগস্ট সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    এ বিষয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, আমি অবশ্যই আদালতে যাব। এতদিন বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চেয়েও পারিনি, কারণ মামলা চলমান। দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। আমি বিশ্বাস করি, সঠিক বিচার পাব। আমার আইনজীবী আছেন, আইনগতভাবেই বিষয়টি মোকাবিলা করব। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ১৪ বছর ধরে আমি সুনামের সঙ্গে এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি। এত পরিশ্রম করে একজন শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। একটা অনলাইন শপের ২৭ হাজার টাকার শাড়ির জন্য আমি প্রতারণা করব, এটা কি বিশ্বাসযোগ্য?

    তিশা বলেন, আজকে আমি মানুষের ভালোবাসায় যেখানে এসে পৌঁছেছি, আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় এখানে আসা সহজ নয়। আমার দর্শকরা আমাকে একটু বেশি ভালোবাসেন, এজন্য তারা আমার অল্পকিছু হলে প্যানিক হয়ে যায়। আশা রাখছি, আমি কী বলতে চেয়েছি সেটা দর্শকরা বুঝতে পেরেছেন। আবারও বলছি, দেশের আইনের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল।

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে তিশা ব্যস্ত আছেন তার ক্যারিয়ারের প্রথম চলচ্চিত্র ‘সোলজার’ নিয়ে। সাকিব ফাহাদের পরিচালনায় এবং সান মোশন পিকচার্সের প্রযোজনায় এ সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করছেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান। চলতি বছরেই চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক