Tag: বলিউড

  • বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারকে ঘর দিচ্ছেন অভিনেতা

    ভারতের আসামে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় হাজারো পরিবারের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বন্যায় গৃহহীন হয়ে পড়া প্রায় ৫০০ পরিবারের জন্য ঘর তৈরি করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন বলিউডের সুপারস্টার সালমান খান।

    সালমান খানের সংস্থা ‘বিইং হিউম্যান’ এর আগেও বন্যাকবলিত এলাকায় অসহায় মানুষের কাছে খাবার এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দিয়েছে। এবার ত্রাণ কার্যক্রমের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়েছে, যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। 

    মিড-ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত নেপালি খুটি গ্রামে এখন পর্যন্ত প্রায় ২২০টি আধা স্থায়ী ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পুনর্বাসনের বিষয়টি শুরু থেকেই ত্রাণ পরিকল্পনার অংশ ছিল। ।

    খবর অনুযায়ী, প্রতিটি ঘর নির্মাণে ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার রুপি খরচ হবে। এরপরই সালমান এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হন এবং যৌথভাবে ৫০০টি ঘর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। নির্মাণের প্রথম ধাপে ২২০টি ঘরের কাজ শেষ হয়েছে। প্রতিটি পরিবারের মধ্যে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

    বলিউড সুপারস্টার সামর্থ অনুযায়ী বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, মানুষ হিসেবে মানুষের সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাবার মারধর সইতে না পেরে ৫০০ রুপি পকেটে ঘর ছাড়েন রবি কিষাণ, এরপর যা হলো…

    পর্দার হাসিখুশি চেহারা আর দুর্দান্ত অভিনয় দিয়ে যিনি কোটি মানুষের হৃদয় জয় করেছেন, সেই ভোজপুরি ও বলিউড তারকা তথা সংসদ সদস্য রবি কিষাণের শৈশব ছিল চরম মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনে ভরা। সম্প্রতি ভারতের জনপ্রিয় পডকাস্টার রাজ শামানির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা তার শৈশবের নানা অজানা ও মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।

    বাবার হাতে নিত্যদিনের নির্যাতন 

    রবি কিষাণের বাবা ছিলেন একজন পুরোহিত। বাবার কঠোর অনুশাসনের মধ্যে বেড়ে ওঠা রবি ছোটবেলা থেকেই বাবার ভালোবাসা পাওয়ার জন্য ব্যাকুল ছিলেন। রবি জানান, ছোটবেলায় ঈশ্বরে বাবার অন্ধ ভক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এবং রামলীলায় দেবী সীতার চরিত্রে অভিনয় করার কারণে তার বাবা তাকে প্রায় প্রতিদিনই মারধর করতেন। 

    তবে সেই নির্মমতাকেও অন্যভাবে দেখতেন এই অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘আমার বাবা কখনো মুখে তার অনুভূতি প্রকাশ করতে পারতেন না। আমরা কখনো পরস্পরকে জড়িয়ে ধরিনি। তাই তিনি যখন আমাকে মারতেন, আমি ভাবতাম এটাই হয়তো আমার সঙ্গে যোগাযোগের বা ভালোবাসা প্রকাশের তার নিজস্ব উপায়।’ 

    ৫০০ টাকা নিয়ে বাড়ি ত্যাগ 

    বাবার ইচ্ছা ছিল রবি চাষাবাদ করুক, দুধ বিক্রি করুক কিংবা কোনো সরকারি চাকরি করুক; কিন্তু অভিনয় বা নাচ তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারতেন না। একদিন নির্যাতনের মাত্রা সব সীমা ছাড়িয়ে যায়। 

    রবি স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘একদিন বাবা আমাকে এমনভাবে মারধর করেন যে মনে হচ্ছিল চামড়া উঠে যাবে। সেদিন আমার মা আমাকে বাঁচান। তিনি আমাকে ৫০০ টাকা হাতে দিয়ে বলেন, ‘তুমি এখনই চলে যাও, নইলে ও আজ তোমাকে মেরেই ফেলবে।’ মায়ের সেই ৫০০ টাকা সম্বল করে রবি কিষাণ ঘর ছাড়েন এবং তারকা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মুম্বাই পাড়ি জমান। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দীর্ঘ সংগ্রাম ও শেষ বয়সে বাবার ক্ষমা প্রার্থনা

    মুম্বাইয়ে শুরুর দিনগুলো ভীষণ কষ্টে কেটেছে রবির। ঠিকমতো খাবার বা ভালো পোশাক ছিল না। কিন্তু নিজের স্বপ্নের ওপর তার অটুট বিশ্বাস ছিল। ৩৩ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামের পর তিনি একের পর এক সফলতা পেতে শুরু করেন এবং একজন প্রতিষ্ঠিত তারকা হয়ে ওঠেন।

    সফলতা পাওয়ার পর রবি তার বাবাকে সব ধরনের আরাম-আয়েশ ও বিলাসী জীবন এনে দেন। একদিন তার বাবা কেঁদে ফেলেন এবং ছেলের কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা চেয়ে বলেন, ‘আমাকে ক্ষমা করে দাও, আমি তোমাকে চিনতে ভুল করেছিলাম।’ রবি কিষাণ বাবাকে ক্ষমা করে দিয়ে বলেন, ‘আপনিই আমার ঈশ্বর, আপনার শেখানো কঠোর অনুশাসনই আমাকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে।’ 

    শৈশবের গভীর ট্রমা ও ক্ষত সত্ত্বেও, জীবনের শেষ দিনগুলোতে বাবার সঙ্গে একটি মধুর সম্পর্ক তৈরি করতে পেরেছিলেন এই জনপ্রিয় তারকা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৫০ বছরেও কেন বিয়ে করেননি সাইফের বোন, জানালেন নিজেই

    মা শর্মিলা ঠাকুর ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত অভিনেত্রী, আর ভাই সাইফ আলি খান ও বোন সোহা আলি খান রূপালী পর্দার জনপ্রিয় মুখ। তবে এই তারকা পরিবারের সন্তান হয়েও স্পটলাইট এবং বিনোদন জগৎ থেকে নিজেকে অনেকটাই দূরে রেখেছেন সাবা পাতৌদি। 

    পতৌদি পরিবারের বড় কন্যা হওয়া সত্ত্বেও অভিনয়ের পথে না হেঁটে তিনি বেছে নিয়েছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন জীবনধারা।

    ১৯৭৬ সালের ১ মে জন্মগ্রহণ করা ৫০ বছর বয়সি সাবা পাতৌদি পেশায় একজন জুয়েলারি বা গহনা ডিজাইনার। এ ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামের বায়ো অনুযায়ী, তিনি একজন ট্যারোট কার্ড রিডার ও আধ্যাত্মিক হিলার। পাশাপাশি ভোপালের ‘রয়েল অ্যান্ডোমেন্ট ট্রাস্ট’-এর প্রধান তত্ত্বাবধায়কের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে ২ লাখ ৫৯ হাজার অনুসারী নিয়ে পরিবারের নানা মুহূর্তের গল্প ও ছবি শেয়ার করার জন্য সাবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ জনপ্রিয়।

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বিনোদনের চাকচিক্য জগতে থাকলেও সাবা কখনো বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি। সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে নিজের বিয়ে না করা এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। 

    সাবা জানান, জীবনে তার কোনো প্রথম প্রেমিক ছিল না। ১৮ বা ১৯ বছর বয়স থেকেই বিয়ের জন্য তার কাছে বিভিন্ন পাত্রের প্রস্তাব আসতে থাকে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, ‘১৯ বছর বয়সে কলকাতার এক পাত্রের সঙ্গে আমার বিয়ের আলোচনা প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠেনি, কারণ তখন আমি বিয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম না।’ 

    পরবর্তী সময়ে বিয়ের বিষয়ে ইতিবাচক থাকলেও মনের মতো সঙ্গী পাননি বলে জানান সাবা। এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি তার প্রয়াত বাবা এবং ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক মনসুর আলি খান পতৌদির ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরেন।

    সাবা বলেন, ‘আমার বাবা অত্যন্ত আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী, নম্র এবং দায়িত্বশীল একজন মানুষ ছিলেন। তিনি আমাকে আত্মনির্ভরশীল হতে শিখিয়েছেন। আমি বাবার মতো অবিকল কাউকে খুঁজছিলাম না, কিন্তু বাবা তো বাবাই হন। কিছুদিন আগে অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর একটি কথা আমার মন ছুঁয়ে গিয়েছিল—‘আমার কোনো ছেলের প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন একজন পুরুষের’। আমি এই কথাটির সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারি। আমি আসলে সেই মাপের বা মনের মতো কোনো সঙ্গী খুঁজে পাইনি।’ 

    সব মিলিয়ে পরিবারের বর্ণিল তারকা জগতের মাঝেও নিজস্ব স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করে এবং নিজের স্বাধীন মানসিকতাকে প্রাধান্য দিয়েই জীবনযাপন করছেন পাতৌদি পরিবারের এই জ্যেষ্ঠ কন্যা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পঞ্চাশ পেরোনোর পরও বিয়ে না করার কারণ জানালেন আমিশা

    বিয়ে নিয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনাই নেই বলে জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল। যদিও এ কথা তিনি আগেও বলেছেন। একাই বেশ সুখে আছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। 

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজের ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন আমিশা প্যাটেল। যদিও এর আগে অভিনেত্রীর নাম একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে জড়ালেও চলচ্চিত্র পরিচালক বিক্রম ভাটের সঙ্গে তার সম্পর্কই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছিল।

     কবে বিয়ে করছেন? এক অনুরাগীর এমন প্রশ্নের উত্তর একেবারে সোজাসাপটা দিলেন আমিশা প্যাটেল। তিনি লিখেছেন— কখনো না। একা থাকতে দারুণ লাগছে। আমার জীবনে পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিলিয়ে প্রায় ১০০ মানুষ আছেন, যাদের ভালোবাসা পাই। সেখানে একজন পুরুষ এসে সব সমীকরণ বদলে দিক, সেটি চাই না।

    যদিও এখন বিয়ে নিয়ে এ অবস্থা, কিন্তু অতীতে প্রেমের জন্য কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল তাকে। আবার ক্যারিয়ারের স্বার্থে ছাড়তেও হয়েছে সম্পর্ক। 

    এক সাক্ষাৎকারে আমিশা প্যাটেল জানিয়েছিলেন, অভিনয়ে আসার আগে এক শিল্পপতি পরিবারের যুবকের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক ছিল। সামাজিক অবস্থান, পারিবারিক পরিবেশ, শিক্ষাগত যোগ্যতা— সব দিক থেকেই সেই সম্পর্ক ছিল আদর্শ। কিন্তু সিনেমায় অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তার সঙ্গী চাননি, তিনি জনসমক্ষে পরিচিত মুখ হয়ে উঠুন। শেষ পর্যন্ত প্রেমের চেয়ে অভিনয়কেই বেছে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী।

    আমিশা প্যাটেল বলেন, যিনি সত্যিই ভালোবাসবেন, তিনি কখনো সঙ্গীর পেশাগত সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না। জীবনে প্রেমের জন্য যেমন অনেক কিছু হারিয়েছেন, ঠিক তেমনই ক্যারিয়ারের জন্যও অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতাই তাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে।

    তবে বিয়ের দরজা এখনো পুরোপুরি বন্ধ করে দেননি ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ সিনেমার এ অভিনেত্রী। আমিশা প্যাটেল বলেন, যোগ্য মানুষ পেলে এখনো বিয়ে করতে আপত্তি নেই। এখনো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত পরিবারের কাছ থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এমনকি নিজের চেয়ে অনেক কম বয়সিরাও ডেটে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বয়স নয়, মানসিক পরিণতিই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বয়সে বড় হলেও অনেকের বুদ্ধির পরিণতি অত্যন্ত হতাশাজনক বলে জানিয়েছেন আমিশা প্যাটেল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিলামে উঠছে বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদবের বাড়ি

    ১৬ কোটি ৬১ লাখ রুপিরও বেশি খেলাপি ঋণের দায় শোধ করতে না পারায় আইনি ও আর্থিক বিপাকে পড়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রাজপাল যাদব। পাওনা টাকা আদায়ের অংশ হিসেবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই তার একাধিক সম্পত্তি নিলামে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

    সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মুম্বাই শাখা অভিনেতার জন্মস্থান উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুর জেলার দুটি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিলামের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এর মধ্যে শাহজাহানপুর শহরের একটি বাড়ি এবং কুন্দ্রা গ্রামের পৈতৃক বসতভিটাসহ কৃষিজমি রয়েছে। 

    ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এই দুই সম্পত্তির সম্মিলিত আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩.১৯ কোটি রুপি। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনলাইন ই-নিলামের মাধ্যমে সম্পত্তিগুলো বিক্রি করার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। 

    এই বিশাল অংকের ঋণের সূত্রপাত ঘটে ২০১২ সালে, যখন রাজপাল যাদব তার পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘আতা পাতা লাপাতা’ প্রযোজনা করেন। ছবির অর্থসংস্থানের জন্য তিনি সেন্ট্রাল ব্যাংক থেকে ঋণ নেন। কিন্তু বক্স অফিসে ছবিটি চরমভাবে ব্যর্থ হওয়ার পর ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হন তিনি। ফলশ্রুতিতে ব্যাংক সংশ্লিষ্ট মর্টগেজ করা সম্পত্তিগুলোর দখল নেয় এবং অর্থ উদ্ধারে আইনগত পদক্ষেপ শুরু করে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ঋণ নেওয়ার সময় গ্যারান্টার হিসেবে রাজপাল যাদবের স্ত্রী রাধা যাদব এবং মা গোদাবরী যাদবের নামে থাকা সম্পত্তিও জামানত বা মর্টগেজ রাখা হয়েছিল। ফলে ব্যাংকের এই বাজেয়াপ্তকরণের প্রভাব পড়েছে পুরো পরিবারের ওপর। 

    কেবল শাহজাহানপুরেই নয়, মুম্বাইতে থাকা অভিনেতার অন্যান্য বেশ কয়েকটি সম্পত্তির বিরুদ্ধেও অর্থ উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

    আর রাজপাল যাদবের এই আর্থিক সমস্যা শুরু হয় ২০১০ সালে, যখন তিনি ‘আতা পাতা লাপাতা’ নির্মাণের জন্য দিল্লির ‘মুরলি প্রজেক্টস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণ নেন। টাকা ফেরত দিতে না পারায় জমে থাকা সুদের সঙ্গে একাধিক চেক বাউন্সের মামলা ঠুকে দেয় প্রতিষ্ঠানটি, যা নিয়ে বছরের পর বছর ধরে ‘নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট’-এর অধীনে আইনি লড়াই চলছে।

    সর্বশেষ চলতি বছরের জুলাইয়ে দিল্লি হাইকোর্ট সাতটি চেক বাউন্স মামলায় রাজপাল যাদবের সাজা বহাল রাখেন। তবে পূর্বে জমা দেওয়া অর্থ সমন্বয় করে তার কারাদণ্ডের মেয়াদ কমিয়ে তিন মাস করেন এবং বাকি ক্ষতিপূরণ পরিশোধের নির্দেশ দেন আদালত। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতারণার মামলায় সালমান ও তার বোনকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

    ‘বিয়িং হিউম্যান’ জুয়েলারি ব্র্যান্ডের একটি শোরুম নিয়ে কোটি টাকার প্রতারণার মামলায় বলিউড অভিনেতা সালমান খান, তার বোন আলভিরা খান অগ্নিহোত্রী এবং ‘স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’-এর পরিচালকদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছে ভারতের চণ্ডীগড়ের একটি জেলা আদালত। খবর ইন্ডিয়া টুডের। 

    আগামী ৫ অক্টোবর সব আসামিকে আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে অভিযোগের লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চণ্ডীগড়ের ব্যবসায়ী অরুণ গুপ্তার দায়ের করা এক মামলার ভিত্তিতে আদালত এই সমন জারি করেন। 

    অভিযোগে বলা হয়েছে, মনিমাঝরায় ‘বিয়িং হিউম্যান’ জুয়েলারির একটি শোরুম খোলার বিনিময়ে তাকে মোটা অঙ্কের লাভের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে কোনো ব্যবসায়িক সহায়তা না পাওয়ায় তিনি কয়েক কোটি রুপির আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। 

    অরুণ গুপ্তার দাবি, ‘বিয়িং হিউম্যান’ জুয়েলারির বিপণনকারী সংস্থা ‘স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’-এর সঙ্গে চুক্তি করার পর তিনি প্রায় ৩ কোটি রুপি বিনিয়োগ করেন। এর মধ্যে কেবল শোরুম তৈরিতেই খরচ হয়েছিল প্রায় ১ কোটি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শোরুম চালু হওয়ার পর চুক্তি অনুযায়ী কোনো ব্যবসায়িক সাহায্য মেলেনি বলে অভিযোগ করেছেন ওই ব্যবসায়ী। এমনকি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে গয়না সরবরাহের দায়িত্বে থাকা মূল কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় শোরুমের ইনভেন্টরি ও ব্যবসা পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। 

    প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে সালমান খানের উপস্থিতি ও ব্র্যান্ড প্রচারের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাকে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    এদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে সংশ্লিষ্ট সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০১৮ সালে চণ্ডীগড়ের ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তিতে সালমান খানের কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল না। 

    তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ‘সালমান খান ফাউন্ডেশন’ জুয়েলারি ব্যবসার জন্য ‘স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’-কে তাদের ব্র্যান্ড লাইসেন্স দেয়। সংস্থাটি একটি স্বতন্ত্র লাইসেন্স চুক্তির অধীনে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল, তাই গয়না ব্যবসার বিপণন, পরিচালনা ও বিক্রয়ের যাবতীয় দায়ভার সম্পূর্ণভাবে ওই প্রতিষ্ঠানের ওপরই বর্তায়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভারত আমাদের মা, আর পাকিস্তান মাসি: সানি দেওল

    নিজের আসন্ন সিনেমা ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ মুক্তির প্রাক্কালে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান নিয়ে কোনো ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য করতে রাজি নন বলে জানিয়েছেন বলিউড অভিনেতা সানি দেওল। 

    ভারতের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশটি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ‘সিং সাব দ্য গ্রেট’ খ্যাত এই অভিনেতা বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের একটি যৌথ ইতিহাস রয়েছে এবং সে কারণেই তিনি কোনো নেতিবাচক কথা বলতে চান না। 

    পারিবারিক সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে সানি দেওল তার বাবা বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর একটি কথা স্মরণ করে বলেন, ‘ভারত আমাদের মায়ের মতো, আর পাকিস্তান হলো আমাদের মাসি।’

    একসময়ের অবিভক্ত ভূখণ্ডের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, দুই দেশ একসময় একই ছিল এবং এখনো নানাভাবে তাদের সম্পর্ক যুক্ত। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সানির ভাষায়, ‘আমরা আবেগ নিয়ে কথা বলি না, কারণ একসময় পুরো দেশটি একই ছিল। আমার বাবা যেমনটি বলতেন— একটি আমাদের মা, আর অন্যটি মাসি। কোনো না কোনোভাবে আমরা সবাই একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত।’ 

    চলচ্চিত্র ও বিনোদনকে রাজনীতির বাইরে রাখার আহ্বান জানিয়ে এই অভিনেতা বলেন, ‘আমরা অভিনেতা ও গল্পকার। আমরা গল্প নির্বাচন করি এবং সিনেমা নির্মাণ করি। বিষয়টিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয়, আর আমরা তা করতেও চাই না। সেই কারণেই এসব বিষয় নিয়ে আমি কোনো কথা বলতে চাই না।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • দীর্ঘদিনের তিক্ততা ভুলে কারিনার দ্বারস্থ বানসালি, নেপথ্যে যে কারণ

    প্রায় আড়াই দশক পর মনোমালিন্য ভাঙছে বলিউডের বর্ষীয়ান পরিচালক-প্রযোজক-অভিনেতা সঞ্জয় লীলা বানসালি ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানের। বলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন— অতীতের তিক্ততা ভুলে নতুন সিনেমার জন্য কারিনা কাপুরের দ্বারস্থ হয়েছেন পরিচালক। নিজের প্রযোজনায় একটি নতুন সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে তাকেই চাইছেন নির্মাতা।

    এর আগে ২০০০ সালের শুরুর দিকে বানসালি যখন ‘দেবদাস’ সিনেমার জন্য অভিনেত্রী খুঁজছিলেন, ঠিক সেই সময় কারিনা কাপুর খানেরও লুক টেস্ট হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পার্বতীর চরিত্রে নেওয়া হয় সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে। 

    সেই সময়ে নানা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এ ঘটনায় নিজেকে প্রতারিত মনে করেছিলেন কারিনা কাপুর। আর কোনো দিন বানসালির সঙ্গে কাজ করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। সেই থেকে আর কোনো সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করতে দেখা যায়নি পরিচালক-অভিনেত্রী জুটিকে। তবে নতুন জল্পনা সত্যি হলে সেটাই হবে বলিউডের অন্যতম বড় প্রত্যাবর্তন।

    পরে বানসালি ‘গোলিও কি রাসলীলা রামলীলা’ সিনেমাতেও নাকি কারিনা কাপুরকে নায়িকা হিসেবে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সিনেমাতেও তাদের একসঙ্গে কাজ করা হয়নি। পেশাগত ব্যস্ততার কারণেই নাকি কারিনা কাপুর সিনেমাটি ছেড়ে দেন। কারিনার এ সিদ্ধান্তে বানসালি বিস্মিত হয়েছিলেন বলে শোনা যায়।

    সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া খবর অনুযায়ী, বানসালি যে সিনেমার কথা ভেবেছেন, সেখানে কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা ধানুশকে। আর নায়িকার চরিত্রে কারিনা কাপুর খানকে নিতে আগ্রহী পরিচালক। যদিও এখনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। তবে শোনা যাচ্ছে, সিনেমাটি নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন অভিনেত্রী।

    বানসালির প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করবেন তামিল পরিচালক পিএস মিত্রন। এর আগে ‘ইরুম্বু থিরাই’, ‘হিরো’ ও ‘সর্দার’ সিনেমার পরিচালনা করেছেন তিনি। বর্তমানে চিত্রনাট্যের কাজ চলছে। নভেম্বরে প্রাক-প্রযোজনার কাজ শুরু হওয়ার কথা। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে সিনেমার শুটিং শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বস্তিতে কেটেছে শৈশব, এখন মুম্বাইয়ে দুই বাড়ির মালিক

    সম্প্রতি দর্শকমহলে ব্যাপক আলোচনা ও জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন অভিনেত্রী মহিমা মাকওয়ানা। বর্তমানে সাফল্যের শিখরে থাকলেও তার ক্যারিয়ারের পেছনের গল্পটা ছিল চরম সংগ্রামের।

    মহিমা জানান, অভিনয় কখনোই তার নিজের স্বপ্নের পেশা ছিল না। ছোটবেলায় স্কুলের অর্ধেক সময় ক্লাস করে, বাসে চেপে অডিশন দিতে যেতেন। ক্লান্ত হয়ে ফিরলেও মা তাকে উৎসাহ দিতেন।

    মহিমার ভাষায়, ‘আমার মা সব সময় অভিনেত্রী হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেননি। অভাবের দিনে মা আমাকে বলেছিলেন—এই পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার আগে তিনি নিজের একটা বাড়ি চান। মায়ের এই ইচ্ছাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়।’

    ৯ বছর বয়সে ‘বালিকা বধূ’র সেটে এক পরিচালক তাকে বলেছিলেন, ‘অভিনয়ই যদি না জানো, তবে এখানে কেন এসেছ?’ সেই অপমানকে শক্তিতে রূপান্তর করেন তিনি। ২০১২ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে জি টিভির জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘সাপনে সুহানে লাড়কাপান কে’-তে মূল চরিত্রে সুযোগ পান। শো-টি সুপারহিট হওয়ার পর মাত্র ১৪ বছর বয়সে মায়ের জন্য নিজের প্রথম বাড়ি ও গাড়ি কেনেন মহিমা।

    টেলিভিশনে তুমুল জনপ্রিয় হলেও চলচ্চিত্রে কাজের সুযোগ পাওয়া সহজ ছিল না। বারবার রিজেকশন এবং ‘টিভির অভিনেত্রী’ তকমা কাটিয়ে ২০২১ সালে সালমান খানের ‘অন্তিম’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার।

    মহিমা বলেন, ‘অন্তিম মুক্তির পর হঠাৎ করেই মানুষের আচরণ বদলে যায়। সবাই আমার বন্ধু হতে চেয়েছিল। কিন্তু এর পেছনে ছিল আমার এক দশকেরও বেশি সময়ের হাড়ভাঙ্গা খাটুনি।

    ১৪ বছর বয়সে প্রথম বাড়ি কেনার ঠিক ১১ বছর পর, গত বছর মুম্বাইয়ে নিজের দ্বিতীয় ও আরো বড় একটি বাড়ি কিনেছেন মহিমা। তেলুগু সিনেমা, ওটিটি সিরিজ ‘শোটাইম’ ও অতিসম্প্রতি নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় হিট ‘মুসাফির ক্যাফে’-তে দুর্দান্ত অভিনয় দিয়ে ২৬ বছর বয়সেই ইন্ডাস্ট্রিতে দুই দশকের সাফল্য উদ্‌যাপন করছেন তিনি।

    সাফল্য আর কোটি টাকার সম্পত্তি পেলেও বাবাকে না পাওয়ার কষ্ট আজও তাকে তাড়া করে ফেরে। মহিমা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘বাবা থাকলে কেমন লাগে, তা আমি জানি না। বন্ধুদের যখন তাদের বাবার সঙ্গে দেখি, তখন বুকের ভেতরটা খালি লাগে। তবে জীবনের সব কষ্ট জয় করে মাকে দেওয়া কথা রাখতে পেরেছি, এটাই আমার বড় তৃপ্তি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ক্যানসারের কাছে হার মানলেন ‘গজনি’ ও ‘লাগান’খ্যাত অভিনেতা প্রদীপ রাওয়াত

    ক্যানসারের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মারা গেছেন প্রবীণ অভিনেতা প্রদীপ রাওয়াত। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।

    উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রায় ১০ দিন আগে তাকে মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধিরুভাই আম্বানি হাসপাতাল থেকে ভিওয়ান্ডির একটি ক্যানসার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছিল। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক ছেলে বিক্রমাদিত্যকে রেখে গেছেন।

    সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এই অভিনেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন আরেক বলিউড অভিনেতা যশপাল শর্মা।

    তিন দশকের বেশি সময়ের অভিনয়জীবনে হিন্দি, তেলেগু, তামিল, কন্নড় ও মালায়ালম সিনেমায় বেশ পরিচিত মুখ ছিলেন প্রদীপ রাওয়াত। ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তামিল সিনেমা ‘গজনি’তে নিষ্ঠুর খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। তার অভিনয় এতটাই প্রশংসিত হয়েছিল যে, ২০০৮ সালে আমির খানের বিপরীতে সিনেমাটির হিন্দি রিমেকেও তাকেই একই চরিত্রে নেওয়া হয়েছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর আগে, ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘লাগান’ সিনেমাতেও আমির খানের সঙ্গে কাজ করেছিলেন তিনি।

    তবে অনেক দর্শক প্রদীপ রাওয়াতকে প্রথম চেনেন বি আর চোপড়ার কালজয়ী টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘মহাভারত’–এর মাধ্যমে। সেখানে তিনি দ্রোণাচার্যের ছেলে অশ্বত্থামার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ১৯৮৫ সালে ‘মেরি জং’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার অভিষেক হলেও, ‘মহাভারত’–এ তার চরিত্রটিই তাকে ব্যাপক স্বীকৃতি এনে দেয়।

    তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘সরফরোশ’, ‘দ্য হিরো: লাভ স্টোরি অব আ স্পাই’, ‘স্ট্যালিন’, ‘বীরাম’, ‘১: নেনোক্কাডিন’, ‘লৌক্যাম’, ‘নেনু সাইলাজা’, ‘সাররাইনোডু’, ‘নেনে রাজু নেনে মন্ত্রী’, ‘আয়িরাথিল ইরুভার’, ‘মার্কেট রাজা এমবিবিএস’ এবং ‘মিস ম্যাচ’।

    প্রদীপের অভিনয়জীবনের একটি বড় মাইলফলক ছিল এস এস রাজামৌলির ‘সায়’ (২০০৪) সিনেমাটি। এর মাধ্যমেই তেলেগু সিনেমায় তার অভিষেক হয়েছিল।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক