পঞ্চাশ পেরোনোর পরও বিয়ে না করার কারণ জানালেন আমিশা

Written by

in

বিয়ে নিয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনাই নেই বলে জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল। যদিও এ কথা তিনি আগেও বলেছেন। একাই বেশ সুখে আছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। 

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজের ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন আমিশা প্যাটেল। যদিও এর আগে অভিনেত্রীর নাম একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে জড়ালেও চলচ্চিত্র পরিচালক বিক্রম ভাটের সঙ্গে তার সম্পর্কই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছিল।

 কবে বিয়ে করছেন? এক অনুরাগীর এমন প্রশ্নের উত্তর একেবারে সোজাসাপটা দিলেন আমিশা প্যাটেল। তিনি লিখেছেন— কখনো না। একা থাকতে দারুণ লাগছে। আমার জীবনে পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিলিয়ে প্রায় ১০০ মানুষ আছেন, যাদের ভালোবাসা পাই। সেখানে একজন পুরুষ এসে সব সমীকরণ বদলে দিক, সেটি চাই না।

যদিও এখন বিয়ে নিয়ে এ অবস্থা, কিন্তু অতীতে প্রেমের জন্য কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল তাকে। আবার ক্যারিয়ারের স্বার্থে ছাড়তেও হয়েছে সম্পর্ক। 

এক সাক্ষাৎকারে আমিশা প্যাটেল জানিয়েছিলেন, অভিনয়ে আসার আগে এক শিল্পপতি পরিবারের যুবকের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক ছিল। সামাজিক অবস্থান, পারিবারিক পরিবেশ, শিক্ষাগত যোগ্যতা— সব দিক থেকেই সেই সম্পর্ক ছিল আদর্শ। কিন্তু সিনেমায় অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তার সঙ্গী চাননি, তিনি জনসমক্ষে পরিচিত মুখ হয়ে উঠুন। শেষ পর্যন্ত প্রেমের চেয়ে অভিনয়কেই বেছে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী।

আমিশা প্যাটেল বলেন, যিনি সত্যিই ভালোবাসবেন, তিনি কখনো সঙ্গীর পেশাগত সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না। জীবনে প্রেমের জন্য যেমন অনেক কিছু হারিয়েছেন, ঠিক তেমনই ক্যারিয়ারের জন্যও অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতাই তাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে।

তবে বিয়ের দরজা এখনো পুরোপুরি বন্ধ করে দেননি ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ সিনেমার এ অভিনেত্রী। আমিশা প্যাটেল বলেন, যোগ্য মানুষ পেলে এখনো বিয়ে করতে আপত্তি নেই। এখনো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত পরিবারের কাছ থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এমনকি নিজের চেয়ে অনেক কম বয়সিরাও ডেটে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বয়স নয়, মানসিক পরিণতিই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বয়সে বড় হলেও অনেকের বুদ্ধির পরিণতি অত্যন্ত হতাশাজনক বলে জানিয়েছেন আমিশা প্যাটেল।

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *