Tag: পরীমনি

  • পরীমনির পাশে থাকার ঘোষণা শেখ সাদীর

    ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি কাজের চেয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই বেশি আলোচনায় থাকেন। সম্প্রতি গৃহকর্মীকে মারধরের ঘটনায় আবারও খবরের শিরোনাম হয়েছেন তিনি।  পিংকী আক্তার নামের পরীমনির সেই গৃহকর্মী নায়িকার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।  পিংকীর অভিযোগ, পরীমনির এক বছরের দত্তক কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে তাকে মারধর করা হয়েছে।

    পরে পিংকী গণমাধ্যমে বিভিন্ন বক্তব্য দেন, যেখানে তিনি পরীমনির ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ কিছু স্পর্শকাতর মন্তব্য করেন। এছাড়া তরুণ সংগীতশিল্পী শেখ সাদীর নামও টেনে আনেন তিনি এবং পরীমনির সঙ্গে তাকে জড়িয়ে নানা কথা বলেন।

    এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন শেখ সাদী। এতে তিনি সাংবাদিকদের ওপর বিরক্তি প্রকাশ করে লেখেন, তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন রিপোর্টিং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্ম দিচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি পরীমনির পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন।

    শেখ সাদী ফেসবুকে লিখেছেন, একটু ভাবেন তো, অনলাইনে আপনার ছবি পোস্ট করে একজন জানালো আপনি একজন রেইপিস্ট! যার কোন প্রমাণ নেই এবং ঘটনাটা অবাস্তব। এটা দেখার পর নিশ্চয়ই আপনার মাথাটা চক্কর দিয়ে উঠবে। ধরুন, এই পরিস্থিতিতে আপনি কোনোভাবেই সে পোস্ট সরাতে পারছেন না। মানুষ আপনার বাবা-মাকে ট্যাগ করছে। আপনার আত্মীয়-স্বজনকে ট্যাগ করছে। আপনার পাশের বাসায় থাকা লোকটাও সেটা শেয়ার করে ছিঃ ছিঃ করছে। কিন্তু আপনার কিচ্ছু করার নাই। আপনি কয়জনকে বুঝাবেন?

    নায়িকা পরীমনির সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি লিখেছেন, মিডিয়ার এই ভিউ ব্যবসার ফাঁদে বন্দি হয়ে যদি আপনার সম্মানহানি হয়, আপনারও কিছু করার থাকে না। তখন আসলে আপনার পরিস্থিতিটা কী হতে পারে একবার কি ভেবেছেন? আপনাদের জীবনে এমন কি কখনো হয় নাই যে আপনি কোন কাজ ঠিক মত করার পরও আপনার প্রতি ক্ষোভ বা জেদের বশবর্তী হয়ে মিথ্যা ছড়ানো হয়েছে? সত্য জানার আগেই মিডিয়ার কিছু ক্ষোভ বা বানোয়াট গল্পকে আপনি সত্য ধরে নিয়ে পরীকে বুলি করছেন।

    সাদী আরও লেখেন, একজন নামপরিচয়হীন মানুষ, যাকে কেউ চেনেনা, তার কথার উপর ভিত্তি করে তাকে মিডিয়ার সামনে উপস্থাপন করা হলো। তার অযাচিত কথা দেশব্যাপী ছড়ানো হলো। একবারও কি মনে হলো না সে একজন প্রতারক বা বড় মাপের মিথ্যাবাদী? সেটা যাচাই ছাড়াই সস্তা ভিউয়ের জন্য এসব প্রচার করলেন। এখানে তো আমার বা সৌরভের কথা আসার প্রশ্নই আসে না। তাই এটা ক্লিয়ার যে উক্ত ঘটনার মূল উদ্দেশ্য পরীকে হেয় করা।

    পরীমনির পাশাপাশি নিজের পরিবারের উপরও এই ঘটনা প্রভাব পড়েছে বলে জানান এই তরুণ গায়ক। 

    সাদী লেখেন, পরীর সাথে আমি ও আমার পরিবার, মানুষের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছি। যেটা আমি আর আমার পরিবার ডিজার্ভ করে না। 

    পরীমনি পাশে দাঁড়িয়ে সাদী লেখেন, পরী আপনাদের ভালোবাসার জন্যই আজ একজন সুপারস্টার। কিন্তু তার উপহারস্বরূপ যেকোনো বিষয়ে তার ব্যক্তিগত জীবনকে টেনে তাকে হেয় করার চেষ্টা করা হয়! কিছু ভিউ ব্যবসায়ী সাংবাদিক পরীর জীবনের খবরকে বানিয়েছে তাদের রুটি-রুজি অংশ! তারা ভুলে যায়, নায়িকা চরিত্রের বাহিরেও পরী একজন নারী, একজন মা ও সবার ঊর্ধ্বে সে একজন মানুষ। 

    উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার পরীমনির সঙ্গে শেখ সাদীর নাম জড়িয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। শোবিজ অঙ্গনে তাদের প্রেমের গুঞ্জনও বেশ জোরেশোরে ছড়িয়েছে। তবে পরীমনি ও শেখ সাদী দুজনেই স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই।

    এদিকে গৃহকর্মীকে পরীমনি মারধরের ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ। 

    ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম শনিবার যুগান্তরকে বলেন, চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে তার গৃহকর্মীর দেওয়া অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। পিংকী আক্তার নামে ওই গৃহকর্মী যে অভিযোগ দিয়েছিলেন তা জিডি হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে। 

    প্রসঙ্গত, এর আগেও নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য পরীমনির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। 

    ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। মামলায় নাসিরউদ্দিন উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল সেবনে অভ্যস্ত। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন নামিদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানির ভয় দেখান।

    বাদী মামলায় আরও উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা তাকে (নাসির উদ্দিনকে) মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও বোট ক্লাবে ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমনি সাভার থানায় বাদী নাসির উদ্দিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে মামলা করেন।

    এছাড়া ২০২১ সালের ৪ আগস্ট বিকালে রাজধানীর বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। মাদকের মামলায় পরীমনির একই বছরের ৫ আগস্ট চারদিন ও ১০ আগস্ট দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরীমনি ও শেখ সাদীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য গৃহকর্মীর

    ঈদের আগেই গুঞ্জন ছড়িয়েছিল— ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি নাকি গায়ক শেখ সাদীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন, খুব শিগগির তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন। আর ঈদের সময় নায়িকার হাতে মেহেন্দি দিয়ে লেখা ইংরেজি ‘এস’ অক্ষর, সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। এবার সেই আগুনে ঘি ঢালেন অভিনেত্রীর বাসার কাজের মেয়ে পিংকি আক্তার। যিনি অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনে থানায় অভিযোগও করেছেন। আর তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে বিস্ফোরক কিছু তথ্যও প্রকাশ করেছেন। 

    একাধিক ভিডিওতে এক সাক্ষাৎকারে তাকে বলতে শোনা গেছে—পরীমনি আর শেখ সাদী এক বিছানায় ঘুমোন। এক ঘরে থাকেন। এক থালায় খাওয়া-দাওয়া করেন। গায়কের হাতে নায়িকা মারধরও খান। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে অভিযোগকারিণী আরও দাবি করেন— হাঁটুর বয়সি গায়কের হাতে বেধড়ক মার খেয়েই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন পরীমনি। ঈদের আগে হাসপাতালে ভর্তিও হয়েছিলেন তিনি। সেই পদ্ধতিতেই নায়িকা মেরেছেন তাকেও। তিনি জ্ঞান হারিয়েছিলেন।

    পিংকি আরও বলেন, আমার তখনও জ্ঞান ছিল। সেই সময় পরীমনি আমার মুখে হাত বোলাতে বোলাতে বলছিলেন— আমাকেও তো এভাবেই মারে। এভাবেই মার খেয়ে মুখ বুজে সহ্য করি।

    এ ঘটনা প্রকাশ্যে এনে পিংকির পাল্টা যুক্তি— পরীমনিকে যদি নির্যাতনের কারণে হাসপাতালে যেতে হয়, তা হলে তিনি কেন একই কারণে শুশ্রূষা পাবেন না? তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার কাজ তার পছন্দ না হতে পারে। কিন্তু তাকে বেতন দিয়ে বিদায় করে দিলেই তো মিটে যায়। শারীরিক নির্যাতন করার কোনো অধিকার নেই। তবে এখানেই থেমে থাকেননি পিংকি। তিনি সরাসরি বলেন,  শুধুই শেখ সাদী নন, পরীমনি একাধিক পুরুষকে সঙ্গ দেন।

    উল্লেখ্য, গৃহকর্মী পিংকী আক্তারের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায়। গত বৃহস্পতিবার পরীমনির বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগে পিংকী উল্লেখ করেন— পরীমনি তার এক বছরের দত্তক কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোর ঘটনা কেন্দ্র করে গৃহকর্মী পিংকী আক্তারকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। তাকে রীতিমতো মারধর করেন নায়িকা। তিনি অসুস্থ বোধ করায় হাসপাতালে যেতে চান। সেটুকু মানবিকতাও দেখাননি নায়িকা। নিজেকে বাঁচাতে পিংকি বাধ্য হয়ে জরুরি পরিষেবায় ফোন করে পুলিশের সাহায্য চান। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরীমনি ইস্যুতে সাংবাদিকদের উদ্দেশে যা বললেন ন্যান্সি

    গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগে ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। এ বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে শুক্রবার রাতে ফেসবুক লাইভে আসেন পরীমনি। সেখানে তিনি মারধরের শিকার পিংকীকে নিজের গৃহকর্মী বলে অস্বীকার করেন এবং তিনি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন। 

    শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পরীমনির বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সংগীতজগতের জনপ্রিয় গায়িকা নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি।

    গৃহকর্মী পিংকী আক্তারের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায়। গত বৃহস্পতিবার পরীমনির বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগে পিংকী উল্লেখ করেন, পরীমনি তার এক বছরের দত্তক কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোর ঘটনা কেন্দ্র করে গৃহকর্মী পিংকী আক্তারকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। 

    তিনি বলেন, একটি এজেন্সির মাধ্যমে এক মাস আগে তিনি পরীমনির বাসায় কাজ নেন। তার দায়িত্ব ছিল পরীমনির এক বছর বয়সি মেয়ের দেখাশোনা করা এবং তাকে খাবার খাওয়ানো। ওই বাচ্চাকে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর খাওয়ানোর নিয়ম। পাশাপাশি বাসার অন্যান্য কাজও করতেন পিংকী। গত ২ এপ্রিল গৃহকর্মী পিংকী পরীমনির বাচ্চাটিকে পাশে বসিয়ে বাজারের লিস্ট করছিলেন। এ সময় বাচ্চা কান্না শুরু করলে পরিমনির পরিচিত সৌরভ নামে এক ব্যক্তি বাচ্চাকে ‘সলিড খাবার’ দেওয়ার পরামর্শ দেন। পিংকী বলেন, সলিড খাবার দেওয়ার সময় না হওয়ায় আমি বাচ্চার জন্য দুধ তৈরি করছিলাম। এমন সময় পরীমনি মেকআপ রুম থেকে বেরিয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও একপর্যায়ে বেধড়ক মারধর করেন। তিনি একের পর এক আমার মাথায় মারতে থাকেন। তার মারধরে আমি তিনবার ফ্লোরে পড়ে যাই। এরপর তিনি আমার বাম চোখে অনেক জোরে একটি থাপ্পড় মারেন। এতে আমার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

    এদিকে বোটক্লাবকাণ্ডের মতো এবারও তার বক্তব্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ দাবি করেছে— নায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গৃহকর্মী পিংকীকে মারধরের সত্যতা পাওয়া গেছে।

    ভাটারা থানার ওসি মো. মাজহারুল ইসলাম শনিবার যুগান্তরকে বলেন, চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে তার গৃহকর্মীর দেওয়া অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। পিংকী আক্তার নামে ওই গৃহকর্মী যে অভিযোগ দিয়েছিলেন, তা জিডি হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে। 

    এদিকে অভিনেত্রী পরীমনির এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিনোদন জগতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেই স্ট্যাটাসটি তিনি নায়িকার ফেসবুকেও শেয়ার করেছেন। 

    সামাজিক মাধ্যমে ন্যান্সি লিখেছেন— গৃহকর্মী নির্যাতিত হয় যেমন সত্যি, ঠিক তেমনি কিছু গৃহকর্মীর দ্বারা গৃহকর্ত্রীও কম সমস্যার মুখোমুখি হন না! 

    তিনি বলেন, আমার পুরো বাসায় সিসি ক্যামেরা আছে, শুধুমাত্র গৃহকর্মীর মিথ্যা হয়রানি থেকে বাঁচার জন্য। বছর দশেক আগে আমার বাসার গৃহকর্মী বাসার দারোয়ানের সঙ্গে পালিয়ে যায়। গৃহকর্মীর পরিবার তাদের মেয়ে গুম হয়েছে অভিযোগ তুলে মোটা টাকা দাবি করে। আমি সরাসরি পুলিশের শরণাপন্ন হই এবং তাদের আন্তরিক সহযোগিতায় ঘণ্টা দুয়েকের মাথায় পলাতক গৃহকর্মী তার প্রেমিকসহ উদ্ধার হয়। পরে জানতে পারি, আমাকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা পূর্ব পরিকল্পিত ছিল।

    গায়িকা বলেন, এ ঘটনার পরই আমার বাসায় কথা রেকর্ড হয় এমন সিসি ক্যামেরা সেটআপ করি। দুই বছর আগে আমার ছোট্ট মেয়েটাকে দেখাশোনার জন্য এজেন্সি থেকে যে মেয়েটাকে এনেছিলাম, সে তার বোনের সঙ্গে মিলে আমার বিয়ের গহনা এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের স্বর্ণপদক চুরি করে। থানায় অভিযোগ করার পর উলটো গৃহকর্মী আমার নামে নির্যাতনের অভিযোগ তোলার চেষ্টা করে। আমি সিসি ক্যামেরার বদৌলতে হয়রানির হাত থেকে বেঁচে যাই। 

    ন্যান্সি বলেন, বাসার রান্নার লোক যে কত জ্বালিয়েছে তার হিসাব নেই। বেতনের বাইরে যতই দিই না কেন, তাদের খুশি করা যায় না। মন চাইলে কাজে আসে, অন্যথায় আসে না। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে পুরো বাসার সিংহ ভাগ ফার্নিচার বদলাই। আগের সব আসবাব আমার বাসার রান্নার মহিলা ট্রাকভর্তি করে নিয়ে যায়, আমিও ভাবলাম এবার হয়তো সে আর কাজে ফাঁকি দেবে না। এত বড় উপকারের ফলাফল হিসাবে কি পেলাম জানেন? 

    তিনি বলেন, তার চাহিদা এখন আর হাজারের ঘরে রইল না, লাখের ঘরে চলে গেল। বিগত জুলাই মাসে বিরক্ত হয়ে তাকে বিদায় করলাম। আমার বাসার সব রান্না ১০ মাস ধরে আমিই করি। আমার ঘরে এখন বাজার খরচ কমে গেছে। বাসি খাবার খাই না বললেই চলে। স্বামী-সন্তান ভাই ও খুশি, তাদের রান্না করে খাইয়ে আমিও অনেক তৃপ্তি পাই। 

    ন্যান্সি আরও বলেন, ঘরের কাজে সহযোগিতার জন্য একজন এখনো আছে। আসলে কিছু করার নেই। বিশেষ করে কর্মজীবী মায়েদের সন্তানের জন্য হলেও অপরিচিত একজনের ওপর ভরসা করতে হয়। প্রতিবার আশা করি, এবারের গৃহকর্মী পরিবারের সদস্যের মতো হবে। সে আশা কখনো পূরণ হয়, বেশিরভাগ সময় হয় না। 

    গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে এ গায়িকা বলেন, সংবাদমাধ্যম একটু সংবেদনশীল হোন। সব কিছুতে বাণিজ্য দেখবেন না। নির্যাতিতার পরিচয় গৃহকর্মীও হতে পারে, আবার গৃহকর্ত্রীও হতে পারে। সত্যিকারের ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়ান। 

    ন্যান্সি বলেন, পরীমনির মতো তারকাদের ঘাড়ে ভর করে আর কত শিরোনাম বেচবেন বলুন! আপনাদেরও নিশ্চয়ই কিছু দায় আছে, তাই না?

    শেষে তিনি বলেন, যে গৃহকর্মীর সাক্ষাৎকার নিয়ে ফেসবুক সয়লাব, তার যে মুখের ভাষা… আর কিছু বলতে পারলাম না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবারও ফেঁসে যাচ্ছেন নায়িকা পরীমনি!

    ২০২১ সালে বোটক্লাবকাণ্ডে সংবাদ সম্মেলনে কান্নাকাটি করেছিলেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি। শুধু তাই নয়, ক্লাবের পরিচালক নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে মামলাও করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে বোটক্লাবের ঘটনায় পরীমনি নিজেই ফেঁসে যান। 

    সম্প্রতি নিজের বাসার গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠে এই নায়িকার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে শুক্রবার রাতে ফেসবুক লাইভে আসেন পরীমনি। সেখানে তিনি মারধরের শিকার পিংকীকে নিজের গৃহকর্মী বলে অস্বীকার করেন এবং তিনি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন।  কিন্তু বোটক্লাবকাণ্ডের মতো এবারও তার বক্তব্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। 

    পুলিশ বলছে, নায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গৃহকর্মী পিংকীকে মারধরের সত্যতা মিলেছে। 

    গত বৃহস্পতিবার পরীমনির গৃহকর্মী পিংকী আক্তার ভাটারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, পরীমনি তার এক বছরের দত্তক কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মী পিংকী আক্তারকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। 

    ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম শনিবার যুগান্তরকে বলেন, চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে তার গৃহকর্মীর দেওয়া অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। পিংকী আক্তার নামে ওই গৃহকর্মী যে অভিযোগ দিয়েছিলেন তা জিডি হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে। 

    গৃহকর্মী পিংকী আক্তারের বাড়ি নেত্রকোনায়।  অভিযোগে তিনি বলেন, একটি এজেন্সির মাধ্যমে এক মাস আগে তিনি পরীমনির বাসায় কাজ নেন। তার দায়িত্ব ছিল পরীমনির এক বছর বয়সি মেয়ের দেখাশোনা করা এবং তাকে খাবার খাওয়ানো। ওই বাচ্চাকে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর খাওয়ানোর নিয়ম। পাশাপাশি বাসার অন্যান্য কাজও করতেন পিংকী। গত ২ এপ্রিল গৃহকর্মী পিংকী পরীমনির বাচ্চাটিকে পাশে বসিয়ে বাজারের লিস্ট করছিলেন। এ সময় বাচ্চা কান্না শুরু করলে পরিমনির পরিচিত সৌরভ নামে এক ব্যক্তি বাচ্চাকে ‘সলিড খাবার’ দেওয়ার পরামর্শ দেন। 

    পিংকী বলেন, সলিড খাবার দেওয়ার সময় না হওয়ায় আমি বাচ্চার জন্য দুধ তৈরি করছিলাম। এমন সময় পরীমনি মেকআপ রুম থেকে বেরিয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও একপর্যায়ে বেধড়ক মারধর করেন। তিনি একের পর এক আমার মাথায় মারতে থাকেন। তার মারধরে আমি তিনবার ফ্লোরে পড়ে যাই। এরপর তিনি আমার বাম চোখে অনেক জোরে একটি থাপ্পড় মারেন। এতে আমার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

    মারধরের একপর্যায়ে পিংকী অচেতন হয়ে যান। কিন্তু তাকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়নি। পিংকী আক্তারের অভিযোগ, প্রায় এক ঘণ্টা পর তার জ্ঞান ফিরে। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। এরপর পিংকী কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। 

    এদিকে গৃহকর্মীর থানায় অভিযোগ দায়েরের ঘটনায় গতকাল রাতে ফেসবুক লাইভে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেন পরীমনি। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আইনিভাবে মোকাবিলার কথা জানিয়েছেন তিনি। 

    পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় গণমাধ্যমের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। থানার সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে তাকে নিয়ে গণমাধ্যম যেভাবে খবর প্রকাশ করেছে, এতে তিনি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন।

    তিনি বলেন, আমি যদি অন্যায় করি ডেফিনেটলি আমার শাস্তি পাওয়া উচিত।

    একইভাবে ২০২১ সালেও বোটক্লাবকাণ্ডে সংবাদ সম্মেলনে কান্নাকাটি করেন পরীমনি। তখন তিনি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করেন।  

    এই অভিযোগে ২০২১ সালের ৯ জুন রাতে সাভার থানার ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ১৪ জুন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন নায়িকা পরীমনি। সেই মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ছিলেন সাকলায়েন। তদন্তের সময় পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠার পর তাকে বদলি করা হয়েছিল এবং তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল।

    পরীমনির বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১৮ জুলাই নাসির উদ্দিন মাহমুদ হত্যাচেষ্টা, মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে আদালতে মামলা করেন। যদিও পরীমনি প্রথমে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন, কিন্তু তদন্তে সত্যতা মেলে।

    এছাড়াও ২০২১ সালের ৪ আগস্ট পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। তখন ফেসবুক লাইভে পরীমনিকে কান্নাকাটি করতে দেখা যায় এবং অভিযানকে বেআইনি বলতে শোনা যায়। এরপর সেদিন তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণে বিদেশি মদ উদ্ধার করে র‌্যাব এবং তাকে গ্রেফতার করে। এ মামলায় তিন দফায় মোট সাত দিন তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গ্রেফতারের ২৭ দিন পর ১ সেপ্টেম্বর পরীমনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন।

    উল্লেখ্য, পরীমনি এই মামলাগুলো বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে মামলার শুনানিতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এরপর আদালতে তার জামিনদার হন তরুণ গায়ক শেখ সাদী। এই গায়কের সঙ্গেও পরীমনি সম্পর্কের গুঞ্জন চলছে। ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্ট ও ছবিতেও তার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। 

    এদিকে, গৃহকর্মীকে মারধরের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীমনির গ্রেফতারের দাবি জোরালো হচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে মারধরের সত্যতা মেলায় মামলার তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে এই আলোচিত অভিনেত্রীর। 

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • অন্যায় করলে অবশ্যই আমার শাস্তি পাওয়া উচিত: পরীমনি

    ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পরীমনির দত্তক নেওয়া কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে থানায় অভিযোগ পর্যন্ত দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সেই নারী। ওই নারীর অভিযোগ, বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো নিয়ে তাকে ব্যাপক মারধর করেছেন পরীমনি।

    এবার ঘটনাটি নিয়ে নায়িকা নিজেই ফেসবুক লাইভে এসে মুখ খুলেছেন।  তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আইনিভাবে মোকাবিলার কথা জানিয়েছেন তিনি। 

    গতকাল দিবাগত রাত পৌনে দুইটার দিকে ২১ মিনিট ৬ সেকেন্ডের দীর্ঘ ফেসবুক লাইভে এসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন পরীমনি। 

    লাইভের শুরুতে পরীমনি বলেন, আপনারা আমার বিগত জীবনযাপন দেখলেই বুঝবেন, কোনো আত্মীয়স্বজন নিয়ে আমার জীবনযাপন না, আমার পুরো পরিবারটাই হলো আমার স্টাফদের নিয়ে। বিভিন্ন বিশেষ দিবসে তাদের নিয়ে লেখালেখি করতাম। মাদার্স ডে, ফাদার্স ডে যা–ই বলেন না কেন, কারণ আমি তাদের নিয়েই থাকি। সেখানে একজন আমার গৃহকর্মী, যে এক মাসও হয়নি।  সে দাবি করতেই পারে (গৃহকর্মী হিসেবে), তবে আমি বলব সে আমার গৃহকর্মী না।

    অভিনেত্রী আরও বলেন, আমার হাতে সব প্রমাণ আছে, কিন্তু দিতে চাচ্ছি না কেন জানেন, কারণ আমি আইনের ওপর শ্রদ্ধাশীল।

    ফেসবুক লাইভের বেশির ভাগ সময় ধরে তিনি গণমাধ্যমে আসা খবর নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। থানার সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে তাকে নিয়ে গণমাধ্যম যেভাবে খবর প্রকাশ করেছে, এতে তিনি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন পরীমনি।

    তিনি বলেন, আমি যদি অন্যায় করি ডেফিনেটলি আমার শাস্তি পাওয়া উচিত। যে কেউ অভিযোগ করতেই পারে, কিন্তু সেটা প্রমাণিত হওয়ার আগেই আপনি তাকে দোষী সাব্যস্ত করে দেবেন?

    অভিনেত্রী আরও বলেন, এটা আমার লাইফ। আমার লাইফ কি নাটক হতে পারে? রিলের জীবনযাপন হতে পারে? আমি কি পালিয়ে গেছি? আমি তো অনেকদিন ধরেই চুপ ছিলাম। দেখেন কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে আবার সাপ না বেরিয়ে যায়। 

    তবে পরীমনি এই কথাটি কাদের উদ্দেশ করে বলেছেন তা পরিষ্কার নয়।

    প্রসঙ্গত, এর আগেও নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য পরীমনির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। 

    ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। মামলায় নাসিরউদ্দিন উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল সেবনে অভ্যস্ত। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন নামিদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানির ভয় দেখান।

    বাদী মামলায় আরও উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা তাকে (নাসির উদ্দিনকে) মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও বোট ক্লাবে ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমনি সাভার থানায় বাদী নাসির উদ্দিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে মামলা করেন।

    এছাড়া ২০২১ সালের ৪ আগস্ট বিকালে রাজধানীর বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। মাদকের মামলায় পরীমনির একই বছরের ৫ আগস্ট চারদিন ও ১০ আগস্ট দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নায়িকা পরীমনিকে গ্রেফতার দাবি

    গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগে থানায় জিডি হওয়ার পর ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনিকে গ্রেফতার দাবি উঠেছে। 

    জানা গেছে, পরীমনির এক বছরের দত্তক কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মীকে মারধর করেন তিনি।  এ ঘটনায় পিংকি আক্তার নামের গৃহকর্মী ঢাকার ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। বৃহস্পতিবার এই জিডিটি করেন পিংকি আক্তার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ভাটারা থানা পুলিশ। 

    ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, চিত্রনায়িকা পরীমনির বাসার এক গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ওই গৃহকর্মী থানায় একটি জিডি করেছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি।

    গৃহকর্মীকে মারধরের বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীমনিকে নিয়ে তুমুল সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা নায়িকাকে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন। 

    আবদুর রহমান ভুট্টো নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, পরীমনিকে কেন এখনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না?

    নিজাম নামে একজন লিখেছেন, যারা গৃহকর্মীকে নির্যাতন করে তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিৎ।

    মানিক খান লিখেছেন, যত দ্রুত সম্ভব তাকে গ্রেফতার করা হোক।

    শরীফুল ইসলাম বলেছেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হোক।

    পরীমনিকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আশরাফুল ইসলাম নামে আরেক নেটিজেন। 

    প্রসঙ্গত, এর আগেও নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য পরীমনির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। 

    ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। মামলায় নাসিরউদ্দিন উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল সেবনে অভ্যস্ত। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন নামিদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানির ভয় দেখান।

    বাদী মামলায় আরও উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা তাকে (নাসির উদ্দিনকে) মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও বোট ক্লাবে ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমনি সাভার থানায় বাদী নাসির উদ্দিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে মামলা করেন।

    এছাড়া ২০২১ সালের ৪ আগস্ট বিকালে রাজধানীর বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। মাদকের মামলায় পরীমনির একই বছরের ৫ আগস্ট চারদিন ও ১০ আগস্ট দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। 

    যুগান্তর ডেস্ক

  • পরীমনির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ, থানায় জিডি

    ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমনি কাজের চেয়ে বরং ব্যক্তিজীবন নিয়েই বেশি আলোচনায় থাকেন। এবার গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সেই গৃহকর্মী পরীমনির বিরুদ্ধে থানায় জিডিও করেছেন। 

    জানা গেছে, পরীমনির এক বছরের দত্তক মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মীকে মারধর করেন তিনি।  এ ঘটনায় পিংকি আক্তার নামের সেই গৃহকর্মী ঢাকার ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

    বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এই জিডিটি করেন পিংকি আক্তার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ভাটারা থানা পুলিশ। 

    ভাটারা থানার ওসি মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, চিত্রনায়িকা পরীমনির বাসার এক গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ওই গৃহকর্মী থানায় একটি জিডি করেছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি।

    প্রসঙ্গত, এর আগেও নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য পরীমনির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। 

    ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। মামলায় নাসিরউদ্দিন উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল সেবনে অভ্যস্ত। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন নামিদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানির ভয় দেখান।

    বাদী মামলায় আরও উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা তাকে (নাসির উদ্দিনকে) মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও বোট ক্লাবে ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমনি সাভার থানায় বাদী নাসির উদ্দিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে মামলা করেন।

    এছাড়া, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট বিকালে রাজধানীর বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। মাদকের মামলায় পরীমনির  সে বছরের ৫ আগস্ট চারদিন ও ১০ আগস্ট দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। 

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • শাকিব পরীমনি জয়ার ঈদ যেভাবে কাটছে

    সেলিব্রেটিদের জীবন যাপন নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের কমতি নেই। তাও যদি শাকিব খান, পরীমনি ও জয়া আহসানদের মতো হার্টথ্রুব তারকারা হোন তবে তো কথাই নেই। এবারের ঈদুর ফিতরে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তারা।

    ঈদের দিন তারা কী করবেন তা শেয়ার করেছেন গণমাধ্যমের সঙ্গে।

    সকালে নামাজ আদায় করেছেন শাকিব। নামাজ থেকে ফিরে মায়ের হাতের পায়েস খেয়েছেন।  এদিনে আত্মীয়স্বজনরা বাসায় আসে, তাদের সঙ্গে সময় কাটান শাকিব।  

    দুপুরের পর ঈদে আমার মুক্তিপ্রপ্ত সিনেমার খোঁজ-খবর নেবেন শাকিব।  এবার ঈদে দেশের বাইরে শুটিং নাই, তাই দেশেই ঈদ করছেন।  

    ঈদ ঢাকাতেই করছেন পরীমনি। ছেলে ও দত্তক মেয়ের জন্যে কেনাকাটা করেছেন। সেগুলো সন্তানদের পরিয়েছেন। ঈদে নানাকে মিস করেন পরী। তার ভাষায়, আমার সারাজীবন ঈদের জামাটা আমার নানার দেওয়া ছিল। 

    শেষবার নানু ভাই আমাকে ৪টা শাড়ি কিনে দিলেন। একটা পরলাম, বাকি তিনটা আর পরা হলো না। তার মধ্যে একটা শাড়ি দিয়ে এবার আমার বাচ্চাদের জন্য ঈদের জামা বানিয়ে দিচ্ছি। 

    ঈদে কোথাও যাবেন না জনপ্রিয় এই নায়িকা। আজ মেয়ের মুখে ভাতের আয়োজন রয়েছে।

    টানা শুটিং করে এখন একটি ছুটির মুডে আছি। বাসায় সবাই মিলে আমার অভিনীত ওয়েবসিরিজ ‘জিম্মি’ দেখব।

    ঈদের দিন নিজে রান্না করে আশপাশের লোকজনকে খাওয়ান জয়া আহসান। বিশেষ করে শিশুদের।

    রাতে নানুর বাসায় যাবেন জয়া। বাসায় ঈদের দিন মেহমান আসবে তাদের আপ্যায়ন করা হবে। এভাবেই ঈদের দিন কেটে যাবে জয়ার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বর্ষার অভিনয় ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে যা বললেন পরীমনি

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আফিয়া নুসরাত বর্ষা সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলনে অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। অভিনেত্রী মনে করেন— সন্তানরা বড় হলে নায়িকা হিসেবে তাদের মাকে কীভাবে নেবে, সেই চিন্তা থেকেই অভিনয় থেকে দূরে আসার সিদ্ধান্ত তার। বর্ষা আরও বলেছেন, তার হাতে থাকা তিনটি সিনেমার কাজ শেষে করেই অভিনয়কে বিদায় জানাবেন তিনি। 

    অভিনেত্রী বর্ষার এমন বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিনোদন জগতে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। বিশেষ করে ঢালিউড সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অভিনেত্রীরা বর্ষার এমন মন্তব্য ভালোভাবে নেননি। ঠিক তেমনি ভালোভাবে নেননি চিত্রনায়িকা পরীমনি। 

    বর্ষার বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন অভিনেত্রী। গতকাল বুধবার (২৬ মার্চ) সকালে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বর্ষাকে রীতিমতো ধুয়ে দিলেন পরীমনি। যদিও স্ট্যাটাসে কোথাও বর্ষার নাম উল্লেখ করেননি এ অভিনেত্রী। তবে বর্ষার বক্তব্যের বিভিন্ন অংশ তুলে ধরে জবাব দিয়েছেন তিনি। 

    সামাজিক মাধ্যমে স্ট্যাটাসের শুরুতেই পরীমনি লিখেছেন— জ্বি ছোট্ট আপা। একদম ঠিক। সঠিক বলেছেন আপনি। কিন্তু আপা, আপনার বাচ্চা বড় হওয়ার সঙ্গে পর্দাতে হিরোইন লাগার কোনো ব্যাপারই নেই। কারণ আপনি এটা করার অপচেষ্টা যে করে গেছেন, সেটা আজীবনই রয়ে যাবে। 

    বর্ষাকে কটাক্ষ করে পরীমনি লিখেছেন— এই যে আপনি এত যুগ পর এসে আপনার বাচ্চার দোহাই দিচ্ছেন এটা খুবই খামখেয়ালিপনা। এই যে আপনি বলছেন, আপনার বাচ্চাদের কারও দশ বছর হয়ে যাবে কারও সাত বছর হয়ে যাবে। কিন্তু আপা আপনি কি একবারও ভেবেছেন আপনার বয়সে, আপনার ক্যারিয়ারে আপনি কাকে কত বছর ধরে জিম্মি করে রেখেছেন? সেটা একবার ভাবেন তো আপা! কত বছর ধরে এই ইন্ডাস্ট্রি ডুবাচ্ছেন সেটা একবার ভাবেন। 

    এখানেই থামলেন না পরীমনি। একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে তিনি বলেন, আপনার বাচ্চাদের যদি আপনাকে দেখতে নাই ভালো লাগে, যে মা নায়িকা হলে তারা তার মাকে গ্রহণ করতে পারবে না লজ্জায়! তাহলে অন্তত এইটুকু গ্যারান্টি দেন যে তারা ভুলতে পারবে, কোনো দিন আপনি একজন নায়িকা ছিলেন? কোনো একদিন নাচগান করেছেন? কোনো একদিন নাভি দেখেছিলেন পর্দায়? কোনো একদিন আপনার হাঁটুর কাপড় উড়ে গিয়েছিল কোনো এক ফ্রেমে? কোনো একদিন ঠোঁটের কোণে কামড় দিয়েছিলেন ক্যামেরার অ্যাকশনে? যা দেখে শিস বাজিয়েছিল সিনেমা হলের রিকশাচালক দর্শক? সেগুলো অন্তত ভুলিয়ে দেন আমাদের। তারপর আপনার বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তা করেন।

    বর্ষা সেই সংবাদ সম্মেলনে নিজের স্বামী অনন্ত জলিলের প্রশংসা করেছিলেন। যেখানে স্বামীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছিলেন— অনন্তকে যদি কোনো মেয়েদের বাজারেও ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে সেখানে ঘুরে কারো দিকে নজর না দিয়ে স্ত্রীর কাছেই ফিরে আসবেন। অনন্তের স্ত্রীর সেই মন্তব্যেও আপত্তি জানিয়েছেন পরীমনি। চাঁচাছোলা ভাষায় তিনি বলেন, আপনি যে বলেছেন মেয়েদের বাজার! এএএএইইই….মেয়েদের বাজার কি? কি বোঝাতে চাইলেন কচি আপা? এটা আম, মুলা, আলু, কচু? তাহলে আপনি কি? আর বাজার হলে কি সমস্যা? যদি সেই বাজারের খরিদ্দার নাই বা ছিল কোনো দিন? তারা ছিল বলেই বাজার হয়েছে। মেয়েদের বাজাইরা কে বা কারা বানিয়েছে আপনার জানতে মন চায় নাই কখনো, কোনো দিন? 

    তিনি বলেন, শোনেন, এ রকম একটা বয়সের পর আমি কেন, আমরা কেন, পৃথিবীর সব মেয়েই (প্রিন্সেস ডায়না হলেও) তার পার্টনারকে এ রকম বাজারে ছেড়ে দিতে পারে। কারণ ওই নারী জানেন, জীবনের কোন বয়সে তার জামাইকে যে কোনো জায়গায় ছেড়ে দেওয়া যায়।

    এবার বর্ষা তার হাতে থাকা তিনটি সিনেমার কাজ শেষে করেই অভিনয়কে বিদায় জানানো প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, আপনি এতই বাস্তববাদী যে আপনার হাতে আটকানো সিনেমাগুলো শেষ হলেই ইন্ডাস্ট্রি ছাড়তে চাইছেন! যদি সত্যিই এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তাহলে এখনই ছেড়ে দিন, নয়তো আজীবন বহন করুন।

    পরীমনির এই স্ট্যাটাস নিয়ে ইতোমধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ তার খোলামেলা বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ নায়িকার ভাষা ও কটাক্ষের জন্য সমালোচনা করছেন। তবে পরী বরাবরই স্পষ্টভাষী— এই স্ট্যাটাসেও তার প্রমাণ মিলল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরিবারের সবাইকে নিয়ে ইফতার পার্টিতে পরীমনি

    ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে রমজান পবিত্র মাস। এ সময় তারকারাও সাধারণের মতোই ধর্মপালনের চেষ্টা করে থাকেন। সামনেই খুশির ঈদ। ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা প্রায় প্রতি দিন রোজা রাখছেন। সন্ধ্যার পর ইফতার সারেন। একইভাবে রমজানের রোজা পালন করছেন দুই দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনিও।

    মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় তিনি সামাজিকমাধ্যমে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা যায়, দুই সন্তানকে নিয়ে পরিবারের সবার সঙ্গে ইফতার পার্টিতে মেতে আছেন নায়িকা। ছেলে পদ্ম বাকিদের মতো টেবিলে বসে খাওয়াদাওয়া করছে।

    টেবিলের ওপরে সাজানো রাশি রাশি খাবার। হলুদ সালোয়ার-কামিজে পরী। সবাইকে নিজ হাতে খাবার পরিবেশন করছেন। পরী কি বাকিদের মতোই রোজ রোজা রাখছেন?— একটি গণমাধ্যমের এমন প্রশ্নের উত্তর নায়িকা হয়ে দিয়েছেন আপ্তসহায়ক তুরান মুন্সি। তিনি বলেছেন, দিদির ছেলে পদ্ম এখনো স্তন্যপান করে। তাই রোজ উপোস করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। যেদিন তার পক্ষে রোজা রাখা সম্ভব, সেদিন তিনি তা পালনের চেষ্টা করেন। সেদিন তিনি নিখুঁতভাবে সব নিয়ম পালন করেন।

    প্রসঙ্গত, অভিনয়ের পাশাপাশি অন্তঃসত্ত্বা এবং নতুন মায়েদের জন্য নিজস্ব বস্ত্র বিপণি খুলেছেন অভিনেত্রী।

    এদিন পরী তার পরিবার এবং আমন্ত্রিতদের পাতে সাজিয়ে দিয়েছিলেন রকমারি ফল, সরবত, আস্ত খাসির বিরিয়ানি, ডিম, মাংসের হালিম এবং আরও অনেক কিছু। আর সার্বিক আয়োজনে ছিল প্রথম সারির একটি খাদ্য সংস্থা। ভারতীয় দর্শক-অনুরাগীদের ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক