Tag: গান

  • ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিশেষ সংবর্ধনা পেলেন রাহাত ফাতেহ আলী খান

    উপমহাদেশের সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী রাহাত ফাতেহ আলী খান এবং তার পুত্র শাহজামান খানকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউসেস অব পার্লামেন্টে বিশেষভাবে সংবর্ধিত করা হয়েছে। সাংস্কৃতিক কূটনীতি এবং সংগীতের উৎকর্ষ উদযাপনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    এই অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত বাংলা দ্বৈত গান ‘প্রেম পিয়াসা – রিলোডেড’-এর আনুষ্ঠানিক উন্মোচন। গানটিতে রাহাত ফাতেহ আলী খানের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন প্রখ্যাত ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিল্পী রুবায়াত জাহান। ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ব্যানারে মুক্তি পাওয়া এই গানটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একটি সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    গানটির গীতিকার বাংলাদেশের কবির বকুল। সুর ও সংগীত আয়োজনে ছিলেন যুক্তরাজ্যের রাজা কাশেফ। আর ভিডিও পরিচালনায় ছিলেন বাংরাদেশের সৈকত রেজা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ব্রিটিশ-এশিয়ান শিল্পী রাজা কাশেফের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রুথ ক্যাডবেরি, আসিফ আকবর, ব্যারোনেস উদ্দিন, আফজাল খান এবং আফসানা বেগমের মতো বিশিষ্ট রাজনীতিক ও কমিউনিটি নেতারা।

    অনুষ্ঠানে লর্ড তারিক আহমদ তার বক্তব্যে বলেন, নুসরাত ফাতেহ আলী খানের যে উত্তরাধিকার রাহাত বহন করছেন, তা এখন তার পুত্র শাহজামানের মাধ্যমে আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে।

    সংবর্ধনা পেয়ে রাহাত ফাতেহ আলী খান বলেন, ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এই স্বীকৃতি কেবল আমার নয়, এটি সুফি কাওয়ালি এবং আধুনিক উর্দু-বাংলা সংগীতের জয়। রাজা কাশেফ এবং রুবায়াত জাহানের সঙ্গে কাজ করা সবসময়ই আনন্দের, আর ‘প্রেম পিয়াসা’ একটি বিশেষ সৃষ্টি।

    বর্তমানে লন্ডনে অবস্থানরত রাহাত ফাতেহ আলী খান সম্প্রতি রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে একটি হাউসফুল কনসার্টে পারফর্ম করেছেন। এই সপ্তাহেই তিনি তার ব্যান্ড নিয়ে আরও কিছু ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।  

    সূত্র: জিও নিউজ

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিটিএস-এর কনসার্ট দেখতে নেটফ্লিক্সে ১৮.৪ মিলিয়ন দর্শক

    দীর্ঘ বিরতির পর আবারও পূর্ণ শক্তিতে ফিরল বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস। শনিবার (২১ মার্চ) সিউলের ঐতিহাসিক গোয়াংঘওয়ামুন স্কয়ারে অনুষ্ঠিত তাদের এই ‘কামব্যাক’ কনসার্টটি নেটফ্লিক্সের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৮.৪ মিলিয়ন মানুষ সরাসরি উপভোগ করেছেন।

    ২০২২ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ার আইন মেনে বিটিএসের সদস্যরা বাধ্যতামূলক সামরিক সেবায় যোগ দেন। এ কারণে তাদের গান থেকে বিরতিতে যেতে হয়।  সেই বিরতির পর এই প্রথম ব্যান্ডের সাত সদস্য— জিন, সুগা, জে-হোপ, আরএম, জিমিন, ভি এবং জংকুককে একসঙ্গে পারফর্ম করতে দেখা গেল।

    এই কনসার্টটি ছিল মূলত বিটিএস-এর নতুন স্টুডিও অ্যালবাম ‘আরিরাং’-এর প্রচারের অংশ, যা গত ২০ মার্চ মুক্তি পেয়েছে।

    অ্যালবামটি প্রকাশের প্রথম দিনেই প্রায় ৪ মিলিয়ন (৩৯.৮ লাখ) কপি বিক্রি হয়ে নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অ্যালবামের লিড সিঙ্গেল ‘সুইম’ এবং ‘বডি টু বডি’ গান দুটি ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে মিউজিক চার্টগুলোর শীর্ষে অবস্থান করছে।

    এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি ‘হাইব’-এর তথ্যমতে, বিটিএস-এর কনসার্টে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার ভক্ত। তবে সিউল নগর কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা ছিল ২ লাখ ৬০ হাজার দর্শকের। ধারণা করা হচ্ছে, নেটফ্লিক্সে সরাসরি সম্প্রচার এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ড্রোন-বিরোধী ব্যবস্থার কারণে সরাসরি উপস্থিত দর্শকের সংখ্যা কিছুটা কম হয়েছে।

    শেয়ার বাজারে ধস 

    তবে বিটিএস-এর এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের মধ্যেও সোমবার (২৩ মার্চ) ‘হাইব’-এর শেয়ার বাজারে ১৫.৫% পতন লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, কনসার্টে প্রত্যাশার চেয়ে কম দর্শক উপস্থিতি এবং বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এই পতনের অন্যতম কারণ। তবে ব্যান্ডটির আসন্ন ৮২টি কনসার্টের ওয়ার্ল্ড ট্যুর থেকে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার আয় হবে বলে আশা করছে বিলবোর্ড।

    নেটফ্লিক্সের নতুন মাইলফলক 

    অবশ্য লাইভ ইভেন্ট ব্রডকাস্টিংয়ে মার্কিন প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্সের জন্য এটি একটি বড় জয়। এর আগে মাইক টাইসন ও জেক পলের বক্সিং ম্যাচ যে পরিমাণ দর্শক টেনেছিল, বিটিএস-এর এই কনসার্ট সেই ধারাকেই আরও শক্তিশালী করল। বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশে সম্প্রচারিত এই কনসার্টটি ২৪টি দেশে নেটফ্লিক্স র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ছিল। 

    সূত্র: বিবিসি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার ঈদে আলোচনায় একটি নাটকের গান!

    প্রতি বছর ঈদুল ফিতরের সময়টায় বরাবরই দেশের প্রেক্ষাগৃহে নতুন নতুন সিনেমা মুক্তি পায়। সঙ্গে সিনেমার গানগুলো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে। এবারও শাকিব খান, সিয়াম আহমেদসহ বেশ কয়েকজন ঢালিউড তারকার আলোচিত ছবি ঈদে মুক্তি পেয়েছে। তবে ছবিগুলোর গান তেমন একটা আলোচনার খোরাক জোগাতে পারেনি।

    বরং সিনেমার গানকে ছাপিয়ে এবার একটি নাটকের গান যেন সব আলো কেড়ে নিয়েছে। সিএমভির ব্যানারে নির্মিত ঈদের বিশেষ নাটক ‘গোলাপি’র এই গানটির নাম ‘আগুন’। গানটি মুক্তির পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। নাটকটি পরিচালনা করেছেন রুবেল হাসান।

    ঈদের অন্যতম আলোচিত গানে পরিণত হওয়ার পেছনে এর সিনেমাটিক ভিডিও নির্মাণ, প্রেমময় কথা, আকর্ষণীয় সুর ও চোখ ধাঁধানো পারফরমেন্স সবচেয়ে বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ইমরান ও কণার কণ্ঠে গানটির কথা লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন ইমরান নিজেই। ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন সৈকত রেজা, যেখানে পারফর্ম করেছেন তৌসিফ মাহবুব ও তানজিন তিশা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গানটি নিয়ে এর সংগীত পরিচালক ও গায়ক ইমরান মাহমুদুল বলেন, আমরা ‘আগুন’ গানটা আলাদা করে কোনো ‘হিট’ করার পরিকল্পনা নিয়ে বানাইনি। গল্পের প্রয়োজন থেকেই গানটি করা। তবে দর্শক যেভাবে গ্রহণ করেছে, সেটা সত্যিই অবাক করার মতো। এখন তো মনে হচ্ছে, গানটা নিজের মতো করেই পথ খুঁজে নিয়েছে।

    গানটির প্রযোজক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পুর ভাষ্য, আমরা সব সময় চেষ্টা করি মানসম্মত কাজ করতে। ‘আগুন’ সেই ধারাবাহিকতারই একটি অংশ। এখন দর্শক প্ল্যাটফর্ম দেখে না, তারা ভালো কনটেন্ট খোঁজে। এই গানটি প্রমাণ করেছে নাটকের গান হলেও সেটি সিনেমার গানকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    এবারের ঈদে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মোট পাঁচটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। সিনেমার গানগুলো ইতোমধ্যেই মুক্তি পেয়েছে। মান ও বৈচিত্র্যের বিচারে এবারের গানগুলো প্রশংসিত হলেও গত কয়েক বছরের চলচ্চিত্রের গানগুলোর বিবেচনায় ভিউ বা জনপ্রিয়তার বিচারে ইন্ডাস্ট্রি থেকে শুরু করে ভক্ত-অনুরাগীদের কিছুটা হতাশই করেছে বলা যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ আমার জন্য দ্বিতীয় জন্ম: মিঠুন চক্র

    বিজ্ঞাপন চিত্রের থিম সং (জিঙ্গেল) থেকে ঈদে ঘরেফেরা মানুষের ‘থিম সং’-এ পরিণত হয়েছে ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ গানটি। ২০০৯ সালে গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপনের জন্য হাবিব ওয়াহিদের সুর ও সংগীতায়োজনে গানটিতে কণ্ঠ দেন শিল্পী মিলন মাহমুদ। এর সাত বছর পর ২০১৬ সালে গ্রামীণফোনের ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি ২’ বিজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হয়। এবারও সুর ও সংগীতায়োজন করেন হাবিব ওয়াহিদ। রাসেল মাহমুদের লেখায় গানটিতে কণ্ঠ দেন মিঠুন চক্র। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর গানটি ব্যাপক আলোচনায় আসে, মানুষের মনে স্থান করে নেয়।

    প্রতি বছরের মতো এবারের ঈদুল ফিতরেও সামাজিক মাধ্যমে ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি ২’ গানটি ব্যাপক চর্চায় এসেছে। গানটিতে যুক্ত হওয়া, বর্তমান কাজের ব্যস্ততাসহ নানা বিষয়ে যুগান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন মিউজিশিয়ান মিঠুন চক্র। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাহমুদ শাকিল। 

    যুগান্তর : বরাবরই ঈদের সময়ে ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ গানটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক চর্চায় আসে। ঈদে ঘরফেরা মানুষের রীতিমতো ‘থিম সং’-এ পরিণত হয়েছে এটি। গানটির দ্বিতীয় সংস্করণ আপনার গাওয়া। বিষয়টা আপনার মন ছুঁয়ে যায় কিনা?

    মিঠুন : আমি মনে করি, ‘স্বপ্ন যাবে বাড়ি’ আমার জন্য দ্বিতীয় জন্ম। যদিও অনেকেই জানে না যে, এই গানটি আসলে আমারই গাওয়া, এখনো জানে না। এটা আসলে আমার জন্য কোনো কষ্টের বিষয় না। আমি আগেও অন্যান্য ইন্টারভিউতে বলেছি যে, সন্তান যখন সবার পছন্দের হয়, অভিভাবকদের তো অবশ্যই ভালো লাগে। আমার আসলে কোনো ক্ষোভ নেই। এ নিয়ে টানা ১০ বছর এই গানটি সবার মনে ঠাঁই করে নিয়েছে। কোনো গান যখন মানুষের জীবনের বড় একটি অংশে পরিণত হয়, তখন আসলে একটা শিল্পীর আর কী পাওয়া থাকতে পারে! আমার তো মনে হয়, এটা প্রকৃতি থেকে পাওয়া আমার জন্য আজীবন একটি সম্মাননা। এটার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। পুরো বাংলাদেশের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

    যুগান্তর : ছোট করে এই গানে যুক্ত হওয়ার গল্পটা জানতে চাই।

    মিঠুন : আমার আসলে এই গানটাতে গাওয়ার কথা ছিল না। শ্রদ্ধেয় সংগীত পরিচালক হাবিব ওয়াহিদ ভাই এই গানটিতে আমাকে যুক্ত করেন। এটা ওনারই চয়েস। পরে এটি কোম্পানিও পছন্দ করে, আর আজকে পুরো বাংলাদেশ। এভাবেই আমার ডামি ভয়েসটা একটু হলেও দামি হয়ে গেল।

    যুগান্তর : সম্প্রতি একটা জিঙ্গেলেও কণ্ঠ দিয়েছেন আপনি। অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? সামনে কি আরও জিঙ্গেলে কাজের ইচ্ছা আছে?

    মিঠুন : আমি এ বছর বিকাশের দুটো জিঙ্গেলে ভয়েস দিয়েছি। তাছাড়া বিভিন্ন কোম্পানিতে টুকটাক গাওয়া হচ্ছেই, তো ভালোই লাগে। আসলে এরকম বাণিজ্যিক গানগুলো তো অনেক চ্যালেঞ্জিং হয়, করাটা এতো সহজ না। তবে হ্যা, আরও চমক আসছে। তার মধ্যে এই দুটো উল্লেখযোগ্য। কাজ করছি, আরও সামনে আসবে।

    যুগান্তর : অনেকেরই কৌতূহল, আপনি আসলে কি কি ইনস্ট্রুমেন্ট বাজাতে পারেন?

    মিঠুন : আমি মনে করি, আমার পুরো শরীরটাই আমার জন্য একটা ইনস্ট্রুমেন্ট। এই কথাটি আমি সবসময় আওড়াতেই থাকি, যতদিন বেঁচে থাকব সেটাই বলব। মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্টের ক্ষেত্রে আমি সকল প্রকার বাদ্য বাজাতে পারি। অর্থাৎ ছন্দের সঙ্গে যুক্ত সব কিছু আমি বাজাতে চেষ্টা করি। এটা করতে গিয়ে আমার অর্ধেক জীবন চলে গেছে। ম্যালেটিক ইনস্ট্রুমেন্ট আমি খুবই কম পারি। তবে এটা আমার খুব পছন্দের এবং এটাতেও আমার আইডিয়া কাজ করতে থাকে। আসলে একটি যন্ত্রকে আঁকড়ে ধরে যখন আপনার জীবন কাটতে থাকবে, তখন পারিপার্শ্বিক সবকিছুই আপনার কাছে চলে আসবে। তাই নিজের জীবনকে যদি আপনি ভালোবাসেন, তখন প্রকৃতির সবকিছু আপনার হয়ে যাবে।

    যুগান্তর : গায়ক হিসেবেও আপনার ভালো পরিচিতি আছে। সামনে গান নিয়ে কী পরিকল্পনা?

    মিঠুন : এ বছর গান নিয়ে আসলেই এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। কারণ বাদ্য তো বাজাচ্ছিই এবং করেই যাচ্ছি। কিন্তু এ বাদ্য বাজনায় আমার সম্পৃক্ততা খুবই সীমিত, কারণ অনেক আগে থেকেই আমি বেছে বেছে কাজ করেছি। খুব কম মানুষের সঙ্গে আমি বাজিয়েছি। যত দিন যাচ্ছে আমি আমার মতো কাজ করছি। বাজনা তো বাজিয়েছি, এবার গান নিয়ে আমার অনেক প্ল্যান। ‘আর্ট অব চক্র’ আমারই গোছানো একটি প্রজেক্ট, যেখানে আমি গান করতেই থাকব। আর এই ঈদেই সিনেমায় আমার একটি গান আসছে। সিনেমার নাম এখনই বলতে চাচ্ছি না। গানটি প্রকাশ পেলে তখনই সবাই জানতে পারবেন। গান নিয়ে এগোনোর আশা আমি রাখি, তবে তার জন্য পুরো বাংলাদেশের দোয়া চাই।

    যুগান্তর : বর্তমানে ব্যস্ততা কী নিয়ে?

    মিঠুন : ব্যস্ততা অনেক কিছু নিয়েই। ড্রামার হিসেবে আমার বন্ধু ইমন চৌধুরীর সঙ্গে বাজাচ্ছি। ওর নিজস্ব একটি প্রজেক্ট আছে ‘বেঙ্গল সিম্ফনি’, সেখানে ওর আমন্ত্রণে আমিও যাই। সিনেমার কাজ আছে আর ‘কোক স্টুডিও বাংলা’ প্রজেক্টের সঙ্গেও অনেক কিছু চলছে। সামনে অনেক কিছু আসতে চলেছে। আশা রাখি- সবার খুবই ভালো লাগবে।

    যুগান্তর : ঈদুল ফিতরে আপনার কোনো কাজ আসছে কিনা?

    মিঠুন : আমার খুব স্বপ্ন সিনেমায় কিছু একটা করার। ঈদুল ফিতরে সিনেমায় হয়তো বা আমার একটি গান আসছে। সব ঠিকঠাক হলে খুব তাড়াতাড়ি কোন সিনেমায় সেটা রিভিল করব। সবাই পছন্দ করবেন আশা করি।

    যুগান্তর : আপনার জন্য শুভকামনা।

    rnrnrnrnrnrnrnrnrnrnrnrnrnrnrnrnrn

    মিঠুন : আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। আপনাদের জন্যই আমি আছি আজকে, নাহলে আমি একজন ক্ষুদ্র বাদক। আমি সব সময় বলি, আমি জাস্ট একজন ঢোলওয়ালা। তেমন কিছু আমি পারিও না, মিউজিকটাও তেমন পারি সেটাও না। যতটুকু পারি আপনাদের ভালোবাসা দিয়ে বরাবরের মতো এভাবেই আমাকে উৎসাহ দিতে থাকবেন। অনেক শুভকামনা, ঈদ মোবারক।

    মাহমুদ শাকিল

  • শপিংয়ের ক্ষেত্রে আমি যথেষ্ট বেরসিক : আসিফ আকবর

    ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ অ্যালবামের মাধ্যমে সংগীতাঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। প্রথম অ্যালবাম দিয়েই তিনি দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেন এবং দ্রুতই শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থান করে নেন। পরবর্তীতে তিনি ভক্তদের উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান, পেয়েছেন অফুরন্ত ভালোবাসা। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি বেশ সক্রিয় উপস্থিতি বজায় রাখছেন।
    এবার এক পোস্টে আসিফ আকবর লিখেছেন, ‘গিফট পাওয়ার ক্ষেত্রে আমি খুব লাকি। ছোটবেলায় ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে ছাদ থেকে ভূপাতিত হয়েও নতুন জীবন পেয়েছি। এই কারণে পরিবারের সবার সফট কর্নার আছে আমার প্রতি। আমাদের পরিবারের ব্যাপ্তি মাশাআল্লাহ, প্রত্যেক সদস্যের কাছেই আমার জন্য ভালোবাসা আলাদা আলাদা। এখানে বদমেজাজ বা একরোখা স্বভাব তাদের বিবেচ্য বিষয় নয়।’
    শপিংয়ের ক্ষেত্রে আমি যথেষ্ট বেরসিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গানে ক্যারিয়ার হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও বদলে গেল। শপিংয়ে যাওয়ার অভ্যাস আমার নাই। যে কারণে নিজের কিংবা পরিবারের অন্য কারও জন্য কিছুই কেনা সম্ভব হয় না। তবে বিদেশে সময় পেলে একটু শপিং হয়। দামি জিনিসের প্রতি আকর্ষণ নাই, কাজ চললেই হ্যাপি। শপিংয়ের ক্ষেত্রে আমি যথেষ্ট বেরসিক।’   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘সাউন্ডটেক চিফ সুলতান মাহমুদ বাবুল ভাই বিগত ২৫ বছর ধরে প্রতি ঈদে আমার পরিবারকে গিফট দিতে ভুলেন না। ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ধ্রুব গুহ দাদা আর বাংলাঢোলের এনামুল হকের উপহার পাই রুটিনমাফিক। আমার মামণি ফাতেমা প্রিসিলা নিউ ইয়র্ক থেকে আইফোন পাঠায়, আর চিন্তা কিসের! প্রিসিলার বাবা ডাক্তার আতিক আমার বন্ধু, রোগশোক সব তিনিই দেখভাল করেন।’
    শেষে লিখেছেন, ‘বন্ধুবান্ধব, ভাইবোন, ফ্যানস, প্রেমিকা এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের গিফটেই আমি স্বয়ংসম্পূর্ণ। সঙ্গে চলা নেটিজেনদের মন্তব্য আমি নাকি একটা জীবন ফাওয়ের ওপর কাটায় দিলাম! উপহারে নেই বিষ, নেই হিংসা, আছে শুধু ভালোবাসা। এজন্য সব দাওয়াতে আমি চলে যাই উপহার হিসেবে, মার্কেটে গিয়ে গিফট কিনতে পারি না তাই নিজেই গিফট হয়ে যাই। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন। ঈদ মোবারক। ভালোবাসা অবিরাম। ছবিতে প্রিসিলা মামণির সাথে।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও থানায় এসে হাজিরা দেননি বাদশাহ

    বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় র‍্যাপার বাদশাহ হরিয়ানভী ভাষার গান ‘টটীরী’ গেয়ে মহাবিপদে পড়েছেন। এ সংগীতশিল্পীর বিরুদ্ধে অভিযোগ—ওই গানে নারীদের প্রতি অশ্লীল ইঙ্গিত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বাদশাহর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ জানিয়েছিল হরিয়ানার মহিলা কমিশন। বাদশাহর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি হওয়ার পর প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়েছেন এ র‍্যাপার। এ অবস্থায় বাদশাহকে গ্রেফতারের দাবি তুলল হরিয়ানা মহিলা কমিশন।

    প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও থানায় এসে হাজিরা দেননি বাদশাহ। যে কারণে গায়কের গ্রেফতারি নিয়ে সরব মহিলা কমিশনের সভাপতি রেণু ভাটিয়া। তবে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বাদশাহর পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তাই দেশ ছেড়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই তার। বাদশাকে গ্রেফতারের দাবি প্রসঙ্গে রেণু ভাটিয়া বলেন, আমরা আর্জি জানিয়েছি— বাদশাহকে যেভাবেই হোক গ্রেফতার করতে হবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন
     

    মহিলা কমিশনের সভাপতি বলেন, যে গানে হরিয়ানার মেয়েদের অপমান করা হয়েছে, যে এমন করেছে তাকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। ১৩ মার্চের আগে মহিলা কমিশনে হাজির হতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাজির হননি। এফআইআরও দায়ের করা হয়েছে।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিগত বছরের তুলনায় এবারের ঈদ একটু বেশিই বর্ণাঢ্য: রিজিয়া পারভীন

    আকাশেতে লক্ষ তারা চাঁদ কিন্তু একটারে, ইয়াহ্, ইয়াহ্/ এই জগতে পরান বন্ধু প্রিয় তোমার মুখটারে, ইয়াহ্, ইয়াহ্ —১৯৯৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কুলি’ সিনেমায় জনপ্রিয় এ গানে নায়ক ওমর সানীর সঙ্গে ঠোঁট মিলিয়েছিলেন নবাগত নায়িকা পপি। আর সেই গানের কণ্ঠশিল্পী ছিলেন প্রয়াত এন্ড্রু কিশোর ও রিজিয়া পারভীন। গানটির কথা ও সুর করেছিলেন মিল্টন খন্দকার।

    সেই সময় এ গান গেয়ে ভীষণ জনপ্রিয় হন সংগীতশিল্পী রিজিয়া পারভীন। বিশেষ করে সিনেমার গানে তিনি ছিলেন এক  অনবদ্য প্লেব্যাক শিল্পী। তার কণ্ঠে অনেকগুলো সিনেমার গান জনপ্রিয় হয়। এখনো তিনি গানে নিয়মিত আছেন। কখনো দেশে, কখনো দেশের বাইরে স্টেজ শো নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত থাকেন এ সংগীতশিল্পী। 

    এ মুহূর্তে রিজিয়া পারভীন দেশে আছেন। তবে আগামী ৪ মে যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন স্টেজ শোতে পারফর্ম করতে। এবারের ঈদের সময়টা তার জন্য বেশ বর্ণাঢ্য বলেই জানিয়েছেন এ গায়িকা। 

    এবারের ঈদ উৎসব উপলক্ষ্যে তাকে একাধিক টিভি চ্যানেল গাইতে দেখা যাবে। এরই মধ্যে তিনি বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের বিশেষ সংগীতানুষ্ঠানে পাঁচটি গান গেয়েছেন। এগুলো হলো— ‘সবার জীবনে প্রেম আসে’, ‘আশা আমার ভালোবাসা’, ‘তুমি আমার চাঁদ’, ‘ফুলের কানে ভ্রমর এসে’, ‘তুমি আমার জীবন’।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন
     

    প্রয়াত কিংবদন্তি গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে নিয়ে বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান ‘এই মন তোমাকে দিলাম’-এ তিনি গেয়েছেন ‘আয়রে মেঘ আয়রে’ গানটি। 

    বিটিভির আরও দুটি ভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে একটিতে ইথুন বাবুর কথা ও সুরে গান  গাইবেন, যার শুটিং হবে রোববার (১৫ মার্চ) বাংলাদেশ টেলিভিশনে। এ ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ ‘অভিনন্দন’ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে দেলোয়ার আরজুদা শরফের লেখা ও সুরে গান গাইবেন রিজিয়া পারভীন ও পলাশ। 

    আর ঈদের দিন সকালে বৈশাখী টিভিতে বিশেষ সংগীতানুষ্ঠানে রিজিয়া পারভীনকে তার ও শ্রোতা দর্শকদের ভালোলাগার সাতটি গান গাইবেন। 

    এবারের ঈদের ব্যস্ততা নিয়ে রিজিয়া পারভীন বলেন, ‘এবারের ঈদটা বিগত অন্যান্য বছরের তুলনায় একটু বেশিই বর্ণাঢ্য আমার জন্য। এই সময়ে এসেও শ্রোতা-দর্শকদের আমার গানের প্রতি যে ভালোলাগা, তা সত্যিই আমাকে ভীষণভাবে পুলকিত করে।’

    এদিকে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের প্রতিও আগ্রহী এ সংগীতশিল্পী। তিনি বলেন, যদি দল মনে করেন আমি যোগ্য, বিগত দিনে দলের জন্য আমার বিশেষ অবদান আছে, তাহলে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য আমার বিষয়টি বিবেচনা করবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঈদের আগে আসিফ আকবরের ‘ভুল’

    ঈদের আগেই ভক্ত-অনুরাগীদের জন্য সুখবর। নতুন গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন বাংলা গানের যুবরাজ সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। দেশের মঞ্চ ও স্টেজ শোতে ব্যস্ত থাকা এ দর্শকপ্রিয় সংগীতশিল্পী সম্প্রতি ঈদের গান রেকর্ড সম্পন্ন করেছেন। 

    গানটির শিরোনাম  হচ্ছে ‘ভুল’। গানের কথা লিখেছেন ফয়সাল রাব্বিকীন এবং সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন রেজোয়ান শেখ। গানটি রেকর্ডিং স্টুডিওতে রেকর্ড করা হয়েছে।

    ‘ভুল’ শিরোনামে দীর্ঘদিন পর গানের জগতে ফিরে আসায় ভীষণ খুশি আসিফ আকবর। গানের যুবরাজ বলেন, গানটি রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর নতুন গানে ফিরলাম। কথা-সুর ও সংগীতায়োজন মিলিয়ে আমার মনের মতো হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, ‘ভুল’ গানটি প্রকাশ পেলে সবারই ভালো লাগবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জানা গেছে, ঈদের আগেই সাউন্ডটেকের ব্যানারে প্রকাশ করা হবে আসিফ আকবরের নতুন গান ‘ভুল’। এ গানের গীতিকার ফয়সাল রাব্বিকীন বলেন, দীর্ঘদিন পর আসিফ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করা হলো। ইচ্ছে ছিল মনের মতো কথামালা দিয়ে একটি গান করার, সেটি করতে পেরেছি। 

    তিনি আরও বলেন, আসিফ ভাইও গানটি নিয়ে খুব খুশি। আমি বিশ্বাস করি, গানটি প্রকাশ পেলে সবার ভালো লাগবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘পাপড়ি আজম খানের মনের মানুষ ছিলেন’

    সবসময় বাস্তবধর্মী গানের জন্য পরিচিত ছিলেন পপসম্রাট আজম খান। তার করা তেমনই একটি গান ‘পাপড়ি কেন বোঝে না’। এই গান যেন এক অতৃপ্তির বহিঃপ্রকাশ। যেই প্রকাশে আছে বিচ্ছেদের সুর, একরাশ হতাশা আর হৃদয় নিংড়ানো আবেগের ফুলঝুরি।

    ব্যান্ডসংগীতপ্রেমী এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন যিনি আজম খানের এই গানের সঙ্গে পরিচিত নন। গানটি শুনলে অনেকের মনেই প্রশ্ন উঁকি দেয়, ‘পাপড়ি’ আসলে কে? আদতেই কি সেই নামে কোনো অপ্সরা বিরাজ করতেন? তাদের মধ্যে কি কখনো কোনো বোঝাপড়া ছিল? যদি থেকেই থাকতো, তাহলে সেই ‘পাপড়ি’ কোথায়?

    জানা যায়, পাপড়ি নামের এক মেয়েকে কেন্দ্র করেই গানটি করেছিলেন পপগুরু আজম খান। এবার সেই গল্পই সবার সামনে আনলেন সংগীত পরিচালক পার্থ মজুমদার।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি যমুনা টেলিভিশনের সাপ্তাহিক আয়োজন ‘ছুটির রাতে লাইভ’ অনুষ্ঠানে অংশ নেয় আজম খানের ব্যান্ড ‘উচ্চারণ’। সেখানে সংগীত পরিচালক পার্থ মজুমদারের কথায় স্পষ্ট হয়, কে এই পাপড়ি, তার সাথে কী সম্পর্ক ছিল আজম খানের।

    পার্থ মজুমদার বলেন, পাপড়ি আজম খানের মনের মানুষ ছিলেন। তরুণ বয়সে তাদের মধ্যে বোঝাপড়া ছিল। কিন্তু ঈশ্বরের লেখনী দুজনকে আলাদা করে দেয়। তাই তাদের প্রেম পরিণয়ে রূপ নেয়নি। তাই হয়ত দুজন আলাদা হয়ে গেলেও একটা টান অনুভব করতেন।

    আজম খান অসুস্থ থাকাকালীন পুরোনো এক স্মৃতি স্মরণ করে তিনি বলেন, তখন আজম খান খুব অসুস্থ। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সিঙ্গাপুরে। রোগে কাতর ‘গুরু’ শুয়ে আছেন স্ট্রেচারে। এমন সময়ে পুরনো সেই প্রিয় মানুষটির খোঁজ নিতে ফোন করেন পাপড়ি। জানতে চান, কেমন আছেন তিনি।

    উল্লেখ্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও পপসম্রাট আজম খান ২০১১ সালের ৫ জুন সকালে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি দীর্ঘদিন ক্যানসারে ভুগছিলেন। মৃত্যুর ১৪ বছর পর এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি।

    আজম খানের জন্ম ১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আজিমপুর সরকারি কলোনিতে। তার পুরো নাম মাহবুবুল হক খান। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নতুন অ্যালবামের গানের তালিকা প্রকাশ করল বিটিএস

    বিশ্বজুড়ে কে-পপ উন্মাদনার সমার্থক নাম বয়ব্যান্ড বিটিএস তাদের পঞ্চম স্টুডিও অ্যালবাম ‘আরিরাং’-এর ঘোষণা দিয়ে ভক্তদের চমকে দিয়েছে। দীর্ঘ প্রায় চার বছর পর এটিই হতে যাচ্ছে দলটির পূর্ণাঙ্গ কোনো অ্যালবাম প্রকাশ।

    ফ্যান প্ল্যাটফর্ম ‘উইভার্স’-এ বিটিএস-এর এজেন্সি বিগহিট মিউজিক জানায়, আগামী ২০ মার্চ দুপুর ১টায় (কোরিয়ান সময়) অ্যালবামটি বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাবে। ১৪টি গানের এ অ্যালবামের লিড সিঙ্গেল বা প্রধান গান হিসেবে থাকছে ‘সুইম’ (Swim)।

    ট্র্যাকলিস্টে যা থাকছে 

    অ্যালবামটিতে মোট ১৪টি গান স্থান পেয়েছে। গানগুলো হলো- ‘বডি টু বডি’, ‘হুলিগান’, ‘এলিয়েনস’, ‘এফওয়াইএ’, ‘২.০’, ‘নাম্বার ২৯’, ‘সুইম’, ‘মেরি গো রাউন্ড’, ‘নরমাল,’ ‘লাইক অ্যানিমেলস’, ‘দে ডোন্ট নো অ্যাবাউট আস’, ‘ওয়ান মোর নাইট’, ‘প্লিজ’, এবং ‘ইনটু দ্য সান’। 

    মুক্তির অপেক্ষায় থাকা অ্যালবামটিতে কাজ করেছেন বেশ কয়েকজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রযোজক। এ তালিকায় রয়েছেন ডিপলো, রায়ান টেডার, কেভিন পার্কার এবং বিটিএস-এর দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সহযোগী পি-ডগ।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ ঘোষণার পর থেকেই বিটিএস-এর বৈশ্বিক ফ্যানবেস ‘আর্মি’র (ARMY) মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা গেছে।  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্তরা বলছেন, গানের শিরোনামগুলো বিটিএস-এর একটি সাহসী এবং নতুন মিউজিক্যাল অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কেউ কেউ মনে করছেন- অ্যালবামের থিমে বিদ্রোহ, পরিপক্কতা এবং বিবর্তনের গল্প ফুটে উঠবে।

    ২০২২ সালের জুনে মুক্তি পাওয়া ‘প্রুফ’-এর পর এটিই বিটিএস-এর প্রথম সম্মিলিত প্রজেক্ট।

    আরএম, জিন, সুগা, জে-হোপ, জিমিন, ভি এবং জংকুক—এই সাত সদস্য জানিয়েছেন যে, নতুন অ্যালবামটি তাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত চিন্তাধারা ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। অ্যালবাম প্রকাশের পর তারা একটি ওয়ার্ল্ড ট্যুর বা বিশ্ব ভ্রমণের পরিকল্পনাও করছেন।

    এদিকে ভক্তদের জন্য বাড়তি পাওনা হিসেবে অ্যালবাম প্রকাশের একই সপ্তাহে নেটফ্লিক্সে ‘আরিরাং’-এর নেপথ্যের গল্প নিয়ে দুটি বিশেষ এপিসোড প্রিমিয়ার হবে বলে জানা গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক