Home / Entertainment / ‘পাপড়ি আজম খানের মনের মানুষ ছিলেন’

‘পাপড়ি আজম খানের মনের মানুষ ছিলেন’

সবসময় বাস্তবধর্মী গানের জন্য পরিচিত ছিলেন পপসম্রাট আজম খান। তার করা তেমনই একটি গান ‘পাপড়ি কেন বোঝে না’। এই গান যেন এক অতৃপ্তির বহিঃপ্রকাশ। যেই প্রকাশে আছে বিচ্ছেদের সুর, একরাশ হতাশা আর হৃদয় নিংড়ানো আবেগের ফুলঝুরি।

ব্যান্ডসংগীতপ্রেমী এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন যিনি আজম খানের এই গানের সঙ্গে পরিচিত নন। গানটি শুনলে অনেকের মনেই প্রশ্ন উঁকি দেয়, ‘পাপড়ি’ আসলে কে? আদতেই কি সেই নামে কোনো অপ্সরা বিরাজ করতেন? তাদের মধ্যে কি কখনো কোনো বোঝাপড়া ছিল? যদি থেকেই থাকতো, তাহলে সেই ‘পাপড়ি’ কোথায়?

জানা যায়, পাপড়ি নামের এক মেয়েকে কেন্দ্র করেই গানটি করেছিলেন পপগুরু আজম খান। এবার সেই গল্পই সবার সামনে আনলেন সংগীত পরিচালক পার্থ মজুমদার।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

সম্প্রতি যমুনা টেলিভিশনের সাপ্তাহিক আয়োজন ‘ছুটির রাতে লাইভ’ অনুষ্ঠানে অংশ নেয় আজম খানের ব্যান্ড ‘উচ্চারণ’। সেখানে সংগীত পরিচালক পার্থ মজুমদারের কথায় স্পষ্ট হয়, কে এই পাপড়ি, তার সাথে কী সম্পর্ক ছিল আজম খানের।

পার্থ মজুমদার বলেন, পাপড়ি আজম খানের মনের মানুষ ছিলেন। তরুণ বয়সে তাদের মধ্যে বোঝাপড়া ছিল। কিন্তু ঈশ্বরের লেখনী দুজনকে আলাদা করে দেয়। তাই তাদের প্রেম পরিণয়ে রূপ নেয়নি। তাই হয়ত দুজন আলাদা হয়ে গেলেও একটা টান অনুভব করতেন।

আজম খান অসুস্থ থাকাকালীন পুরোনো এক স্মৃতি স্মরণ করে তিনি বলেন, তখন আজম খান খুব অসুস্থ। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সিঙ্গাপুরে। রোগে কাতর ‘গুরু’ শুয়ে আছেন স্ট্রেচারে। এমন সময়ে পুরনো সেই প্রিয় মানুষটির খোঁজ নিতে ফোন করেন পাপড়ি। জানতে চান, কেমন আছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও পপসম্রাট আজম খান ২০১১ সালের ৫ জুন সকালে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি দীর্ঘদিন ক্যানসারে ভুগছিলেন। মৃত্যুর ১৪ বছর পর এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি।

আজম খানের জন্ম ১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আজিমপুর সরকারি কলোনিতে। তার পুরো নাম মাহবুবুল হক খান। 

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *