Tag: অভিনেতা

  • আমরা একে অন্যের জন্য সৃষ্টি— শুভশ্রীকে নিয়ে যিশু

    কিছু দিনের মধ্যেই মুক্তি পেতে চলেছে যিশু সেনগুপ্ত ও শুভশ্রী গাঙ্গুলির সিনেমা ‘অভিমান’। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সিনেমা ও ব্যক্তিগত মান–অভিমান নিয়ে নানা কথা বললেন এ তারকা জুটি।

    আপনাদের দুজনের কাছে ‘অভিমান’ শব্দের সংজ্ঞা কী?—এমন প্রশ্নের উত্তরে যিশু বলেন, অভিমান তার সঙ্গেই হয়, যার সঙ্গে একটা ভালো লাগার এবং ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে। ভালোবাসা কিংবা ভালো লাগার সম্পর্ক না থাকলে অভিমানের বদলে রাগ হয়। যে আমার সব থেকে কাছের মানুষ, তার প্রতিই অভিমান সবচেয়ে বেশি হয়।

    অন্যদিকে শুভশ্রী বলেন, আমার মনে হয় অভিমানের কোনো নির্দিষ্ট ডেফিনেশন হয় না। অভিমান একটা অনুভূতি। ভালোবাসা থাকলে অভিমান থাকবেই। যাকে ভরসা করা যায়, অভিমান তার প্রতিই হয়। এটা ভীষণ মিষ্টি একটা ফিলিংস।

    বন্ধুত্ব নাকি প্রেম— সবচেয়ে বেশি অভিমান হয় কোন সম্পর্কের ক্ষেত্রে? এ প্রসঙ্গে  শুভশ্রী বলেন, আমার তো মনে হয় বন্ধুত্বেই আমাদের সবচেয়ে বেশি অভিমান হয়। প্রেমেও অভিমান থাকে। তবে সেটা একটু আলাদা ধরনের হয়। তোমার কী মনে যিশু দা?

    যিশু বলেন, আমিও শুভশ্রীর সঙ্গেই সহমত। অভিমান দিয়ে সম্পর্ক যাচাই করা যায়। অভিমান গাঢ় হলে বোঝা যায় সম্পর্ক আসলে ঠিক কতটা গভীর। আমার তো বন্ধুদের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি মান-অভিমান হয়, হয়েছে।

    প্রযোজক হিসেবে যিশু সেনগুপ্তকে কত নম্বর দেবেন? উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, একেবারে ফুল মার্কস। সেটে যিশুদাকে অভিনেতা হিসেবেও পেয়েছি। বরং সৌরভ (দাস) প্রযোজনার দায়িত্ব বেশি সামলেছে। 

    দুজনেরই ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক বছর হয়ে গেল। পেছনে কি ফেলে এলেন? অভিনেতা বলেন, সময়ের সঙ্গে অনেক কিছুই তো পেছনে ফেলে এগোতে হয়। তবে সত্যি বলতে— শুধু ইন্ডাস্ট্রি নয়, গোটা ইউনিভার্স থেকে আমি যা কিছু পেয়েছি তার জন্য আমি ধন্য। ছয় মাস কারেন্ট ছিল না, প্রতিবেশীরা খাবার না দিলে খাওয়া জুটত না— এই জায়গা থেকে উঠে এসেছি আমি। 

    এখন যা ইচ্ছা খেতে পারি। তিন-চারটা গাড়ি আছে, বাড়ি হয়েছে। এরপর আর কিছু চাওয়ার থাকতে পারে না। যা পেয়েছি, কাল মরে গেলেও কোনো আক্ষেপ থাকবে না বলে জানিয়েছেন যিশু সেনগুপ্ত। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে শুভশ্রী বলেন, ইন্ডাস্ট্রি থেকে আমার প্রাপ্তির ঝুলিটাই সবচেয়ে ভারি। বদলে কতটা দিতে পেরেছি জানি না। আমার আসলে জীবনের কোনো কিছু নিয়েই বিশেষ অভিযোগ নেই। কোনো আপসোসও নেই। ভগবান সারাজীবনে আমাকে অনেক কিছু দিয়েছেন। যেগুলো ঠিক আমাদের মনের মতো হয় না, সেটাই আমাদের চোখে খারাপ। আমি বিশ্বাস করি সেই খারাপটাও হয় আমাদের ভালোর জন্যই বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    যিশু, আপনি তো চাইলে ক্রিকেটারও হতে পারতেন। মাঝে মধ্যে কি সে জন্য আক্ষেপ হয় না? এমন প্রশ্নের উত্তরে যিশু বলেন, সেটা নিয়ে খারাপ লাগা আছে। তবে আমি এমন একটা প্রফেশনে আছি, চাইলে পর্দায় ক্রিকেটার ও ফুটবলার হতেই পারি। সেটা বাদ দিয়েও ভগবান তো আমাকে সিসিএল খেলার সুযোগ করে দিয়েছেন। আবার ক্যাপ্টেনও হলাম। যে-যে মাঠগুলোতে আমরা খেলি, সবই তো ইন্টারন্যাশনাল গ্রাউন্ড। আমি লাকি যে চিন্নাস্বামীতে গিয়ে খেলতে পেরেছি।

    শুভশ্রী বললেন, যিশুদা যদি প্রফেশনালি ক্রিকেট খেলত, তাহলে তো অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তকে পেতাম না। যিশুদা একসঙ্গে দুটোই করতে পারছে— এটা বেশ ভালো হয়েছে।

    যিশু এবং শুভশ্রীকে জুটি হিসেবে সেভাবে পাওয়া গেল না। যিশু বলেন, অঞ্জনদার (দত্ত) একটা সিনেমায় আমরা হিরো-হিরোইন ছিলাম। তবে প্রথমবার কোনো বড় ছবিতে আমাদের একসঙ্গে দেখা যাবে। তবে জুটি হিসাবে কিনা, সেটা এখন বলা যাবে না।

    শুভশ্রী বলেন, ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’-তে আমরা দুজনেই ছিলাম। তবে জুটি হিসেবে সত্যিই কম কাজ হয়েছে। আমাদের জুটি হতে পারে সেটা হয়তো কেউ ভাবেননি।

    কে বেশি অভিমানী— যিশু না শুভশ্রী। যিশু বলেন, আমরা কেউ-ই নয়; বরং আমি আর শুভশ্রী মেড ফর ইচ আদার। এটা কিন্তু রাজ (চক্রবর্তী) জানে। আবার যেন কেউ না বলে, আমি ফ্লার্ট করছি। সবাই সবটা জানে। মজা করছি। আমার মনে হয় কোলেস্টেরল, সুগার শরীরে না পুষে রাখতে চাইলে অভিমান হলে বলে দেওয়া উচিত। যেমন শুভশ্রীও সেটা করেছিল।

    শুভশ্রী বলেন, আসলে শিল্পীরা পানির মতো খুব সহজ-সরল হয়। অভিমান মনের মধ্যে জমিয়ে না রেখে বলে দেওয়াই উচিত।

    কাজ করতে গিয়ে একে অন্যের সম্পর্কে কোনো ভুল ধারণা ভেঙে গেল? শুভশ্রী বলেন, এটাও আমার প্রাপ্তি। যিশুদা সত্যিই কোনো সিনেমা দেখে না। যিশুদা তো বলছেই এবার অন্য ভাষার ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করা উচিত।

    যিশু বলেন, শুভশ্রী যে এত ভালো অভিনয় করে, সেটা আমি সত্যিই জানতাম না। আমি অ্যাকশন, থ্রিলারের মতো মাইন্ডলেস সিনেমা ছাড়া খুব একটা দেখি না। ফলে জানতাম না যে শুভশ্রী এত ভালো কাজ করছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে রাজনীতিতে গিয়েও সরে আসেন অমিতাভ

    বলিউড ‘শাহেনশাহ’ হিসেবে অমিতাভ বচ্চনের সাফল্যের গল্প সবারই জানা। কিন্তু তার জীবনের এমন একটি অধ্যায় রয়েছে, যা নিয়ে আজও আলোচনা হয়। অভিনয়ের জগতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী সাফল্যের পর ১৯৮৪ সালে তিনি রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন। সেই সিদ্ধান্ত তাকে যেমন বিপুল জনসমর্থন এনে দিয়েছিল, ঠিক তেমনই কয়েক বছরের মধ্যেই বিতর্ক— অভিযোগ ও হতাশার মুখোমুখিও হতে হয়েছিল। পরে নিজেই স্বীকার করেছিলেন, রাজনীতিতে যোগ দেওয়া ছিল তার জীবনের একটি ‘ভুল সিদ্ধান্ত’।

    ১৯৮২ সালে ‘কুলি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে ফিরে আসেন তিনি। সেই সময় গোটা দেশ তার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেছিল। এ ঘটনার পর তার জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া হয়ে ওঠে। অনেকের মতে, সেই সময় দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী চলচ্চিত্র তারকাদের একজন হয়ে উঠেছিলেন অমিতাভ বচ্চন।

    এর কিছু দিন পরেই ঘটে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর আততায়ীর গুলিতে নিহত হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তার মৃত্যুর পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে এগিয়ে আসেন ইন্দিরাপুত্র রাজিব গান্ধী, যিনি ছিলেন অমিতাভের দীর্ঘদিনের বন্ধু।

    বচ্চন পরিবারের সঙ্গে নেহরু-গান্ধী পরিবারের সম্পর্ক ছিল বহু পুরোনো। অমিতাভের বাবা হরিবংশ রাই বচ্চন ও জওহরলাল নেহরুর মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। অন্যদিকে অমিতাভের মা তেজি বচ্চন ও ইন্দিরা গান্ধীর সম্পর্কও ছিল অত্যন্ত আন্তরিক। সেই পারিবারিক বন্ধন এবং রাজীব গান্ধীর অনুরোধেই তিনি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে একাধিক সাক্ষাৎকারে অমিতাভ বলেন, এটি ছিল সম্পূর্ণ আবেগের বশে নেওয়া সিদ্ধান্ত। তিনি বন্ধুর পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন মাত্র। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে লড়েন অমিতাভ বচ্চন। তার বিপক্ষে ছিলেন বর্ষীয়ান নেতা হেমবতী নন্দন কিন্তু নির্বাচনি প্রচারের সময় থেকেই নিজের অস্বস্তি অনুভব করতে শুরু করেছিলেন অভিনেতা। প্রচারের মাঝপথেই তার মনে হয়েছিল, এ কাজের জন্য তিনি যথেষ্ট প্রস্তুত নন। এমনকি এক রাতে তিনি হাল ছেড়ে দেওয়ার কথাও ভেবেছিলেন। কিন্তু তার মা তাকে লড়াই চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেন। 

    বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়ে সংসদে প্রবেশ করেন বিগ বি। সংসদে প্রবেশের পর অমিতাভ চেষ্টা করেছিলেন সক্রিয় সংসদ সদস্য হিসেবে কাজ করতে। 

    এলাহাবাদের উন্নয়ন নিয়ে অভিনেতা অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। স্থানীয় সমস্যার সমাধান, স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেন। এমনকি গ্রামের মানুষের জন্য চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে মেডিকেল ভ্যান চালুর উদ্যোগও নিয়েছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের অনেকেই তাকে ‘বহিরাগত’ হিসেবে দেখতেন। দলের ভেতরেও তার দ্রুত জনপ্রিয়তা অনেকের কাছে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে তিনি বুঝতে পারেন, রাজনীতি শুধু সদিচ্ছা বা জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর করে না। এখানে রয়েছে জটিল সমীকরণ— ক্ষমতার লড়াই এবং সংগঠনের রাজনীতি। 

    তিনি বলেন, রাজনীতিতে সফল হতে যে ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন, তা তার মধ্যে ছিল না। এরই মধ্যে তার জীবনে নেমে আসে সবচেয়ে বড় ঝড়। ১৯৮৭ সালে প্রকাশ্যে আসে বহুল আলোচিত বোফর্স কেলেঙ্কারি। 

    অভিযোগ ওঠে, সুইডিশ অস্ত্র প্রস্তুতকারী সংস্থা বোফর্স ভারতের সঙ্গে চুক্তি করতে গিয়ে ঘুস দিয়েছিল। এ বিতর্কে অমিতাভ বচ্চন এবং তার ভাই অজিতাভ বচ্চনের নামও জড়িয়ে যায়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, তাদের বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা হয়েছে।

    যদিও অমিতাভ প্রথম থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। পরে লন্ডনে একটি সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করেন। আদালতে সেই অভিযোগের কোনো ভিত্তি প্রমাণিত হয়নি। বহু বছর পর তদন্তকারী সংস্থাগুলোও তাকে ক্লিনচিট দেয়। এমনকি বোফর্স মামলার এক সুইডিশ হুইসেলব্লোয়ারও পরে বলেন, অমিতাভকে ভুলভাবে এ মামলায় জড়ানো হয়েছিল। তবু এ বিতর্ক তার ভাবমূর্তিতে গভীর আঘাত হানে।

    রাজনীতির এ অভিজ্ঞতা অমিতাভ বচ্চনকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছিল। তিনি পরে এই সময়টিকে নিজের জীবনের ‘নরকসম’ অধ্যায় বলে বর্ণনা করেছিলেন। এ বর্ষীয়ান অভিনেতা বলেন, বিনোদন জগতের সমালোচনা বা বিতর্ক সামলানোর অভিজ্ঞতা থাকলেও রাজনৈতিক আক্রমণের প্রকৃতি তিনি বুঝতে পারেননি। ফলে ক্রমশ রাজনীতির প্রতি তার অনীহা বাড়তে থাকে। অবশেষে মাত্র তিন বছরের মাথায়, ১৯৮৭ সালে সংসদ সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেন অমিতাভ বচ্চন। 

    তিনি চলচ্চিত্র জগতে ফিরে আসেন এবং আর কখনো সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরেননি। পরবর্তী সময়ে একাধিকবার তিনি বলেছেন— রাজনীতিতে প্রবেশ করা ছিল আবেগপ্রসূত সিদ্ধান্ত এবং সেটি তিনি আর কখনো পুনরাবৃত্তি করবেন না। তবে আজও একটি আক্ষেপ তাকে তাড়া করে বেড়ায়। তিনি স্বীকার করেছেন— নির্বাচনি প্রচারে এলাহাবাদের মানুষকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলোর অনেকটাই তিনি পূরণ করতে পারেননি। সেই ব্যর্থতার বোধ এখনো তার মনে রয়ে গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জনপ্রিয় পাকিস্তানি জুটির বিয়ের ঘোষণার অপেক্ষায় ভক্তরা

    পাকিস্তানি বিনোদন জগতের জনপ্রিয় দুই তারকা সাজাল আলি এবং হামজা সোহেলের বিয়ে ও সম্পর্কের গুঞ্জন আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তুলেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই জুটির বিয়ের পিঁড়িতে বসার খবর চাউর হলেও, হঠাৎ করেই তাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার এবং বিয়ে বাতিলের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। 

    তবে সব জল্পনা-কল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে তাদের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র জানিয়েছে, দুই তারকার সম্পর্ক এখনো বেশ মজবুত রয়েছে। 

    সম্প্রতি দেশটির বিনোদন জগতের বিশ্বস্ত অভ্যন্তরীণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ইজাজ ওয়ারিস তাদের ব্রেকআপের খবরটি সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাজাল এবং হামজার সম্পর্ক দারুণভাবে এগিয়ে চলেছে এবং তাদের বিয়ের পরিকল্পনা একদম সঠিক ট্র্যাকেই রয়েছে। 

    তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, খুব শিগগিরই হয়তো এই তারকা জুটির পক্ষ থেকে বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘জার্দ পাতো কা বুন’ এবং ‘দিল ওয়ালী গলি মে’ নাটকে একসঙ্গে কাজ করার পর থেকেই সাজাল ও হামজা দর্শকদের ব্যাপক ভালোবাসায় সিক্ত হন। পর্দায় তাদের চমৎকার রসায়নই বাস্তব জীবনে তাদের প্রেমের গুঞ্জনকে প্রতিনিয়ত উস্কে দিয়েছে। 

    অবশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাজারো গুঞ্জন ভেসে বেড়ালেও, দুই তারকার কেউই এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি এবং নিজেদের পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছেন। 

    আপাতত ভক্তদের জন্য স্বস্তির খবর এটাই যে, বহুল চর্চিত এই বিয়েটি সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা এখনো প্রবল। তবে চূড়ান্ত খবরের জন্য অনুরাগীরা এখন শুধুই তাদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন। 

    সূত্র: সিয়াসাত ডেইলি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৩৩ বছর বয়সে না ফেরার দেশে জনপ্রিয় অভিনেতা

    রোমান্টিক ড্রামা ও স্বল্পদৈর্ঘ্য সিরিজের মাধ্যমে বিপুল দর্শকপ্রিয়তা পাওয়া চীনা অভিনেতা জিন জে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৩ বছর। অভিনেতার এজেন্সি একটি অফিশিয়াল বিবৃতির মাধ্যমে খবরটি নিশ্চিত করেছে, তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। 

    অভিনেতা জিন জে-এর এজেন্সি ‘শেংশি গুয়াংনিয়ান কালচার কোং লিমিটেড’ শনিবার (৬ জুন) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য জানায়। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়, জিয়াংজি প্রদেশের হাংঝোতে অবস্থিত নিজ বাসভবনে গত ৪ জুন শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জিন জে, যার প্রকৃত নাম ছিল ঝাং জিয়াউই। 

    সংস্থাটির পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা অত্যন্ত গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের চুক্তিবদ্ধ অভিনেতা জিন জে (ঝাং জিয়াউই) ২০২৬ সালের ৪ জুন হাংঝোতে তার নিজ বাসভবনে মারা গেছেন।’ 

    বিবৃতিতে এজেন্সি তাকে একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান তরুণ অভিনেতা ও মডেল হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘জিন জে, যিনি পূর্বে ঝাং জিয়াউই নামে পরিচিত ছিলেন, ১৯৯৩ সালের ৩০ জানুয়ারি শানডং প্রদেশের ওয়েইহাইতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন অসাধারণ তরুণ অভিনেতা ও মডেল ছিলেন… আমরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং তার পরিবারের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।’ 

    এজেন্সি একই সঙ্গে এই কঠিন সময়ে অভিনেতার পরিবারের গোপনীয়তাকে সম্মান জানানোর জন্য জনসাধারণের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে এজেন্সির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসার আগেই চীনা সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অভিনেতার প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যুর খবরটি অনলাইন দুনিয়ায় অন্যতম শীর্ষ আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়, যা ভক্ত এবং বিনোদন জগতের সংশ্লিষ্টদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। 

    সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে তার ভক্ত ও সহকর্মীরা একের পর এক শোকবার্তা শেয়ার করতে থাকেন। সবাই তাকে একজন নিবেদিতপ্রাণ অভিনয়শিল্পী এবং অত্যন্ত নম্র ও বিনয়ী মানুষ হিসেবে স্মরণ করছেন। 

    জিন জে এমন একটি সময়ে চলে গেলেন যখন তার বেশ কয়েকটি নতুন প্রজেক্ট মুক্তির অপেক্ষায় ছিল। এর মধ্যে অন্যতম ছিল ‘ওয়েটিং ফর দ্য ফ্লাওয়ার্স টু ব্লুম, ওয়েটিং ফর ইয়োর রিটার্ন’ নামক একটি ড্রামা, যা নিয়ে দর্শকদের মাঝে আগে থেকেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। ইন্ড্রাস্ট্রির ডেটা অনুযায়ী, ‘হংগুও শর্ট ড্রামা’ প্ল্যাটফর্মে মুক্তির আগেই এই সিরিজটির জন্য ১.৪৮ মিলিয়নেরও (১৪.৮ লাখ) বেশি প্রি-রিলিজ রিজার্ভেশন বা অগ্রিম বুকিং সম্পন্ন হয়েছিল। 

    ১৯৯৩ সালের ৩০ জানুয়ারি শানডং প্রদেশের ওয়েইহাইতে জন্মগ্রহণ করা জিন জে অভিনয়জগতে আসার আগে বেইজিং ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজি থেকে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। 

    শুরুতে তিনি ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে মডেল হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়েন এবং ব্যাপক পরিচিতি পান। পরবর্তীতে অভিনয়ে পদার্পণ করেন এবং টেলিভিশন ড্রামা ও রোমান্টিক সিরিজে দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। 

    দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি বেশ কিছু জনপ্রিয় প্রজেক্টে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে হ্যালো জোয়ান, ফরগেট ইউ রিমেম্বার লাভ, বিগিন এগেইন, লিগ্যালি রোমান্স, বিউটি রিবর্ন, ডোন্ট নেগোশিয়েট উইথ ইয়োর বস উল্লেখ্যযোগ্য। 

    সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সন্তানদের কঠিন সময়ের মুখোমুখি হওয়া প্রসঙ্গে মুখ খুললেন সাইফ

    পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের তিন দশকেরও বেশি সময় কেটেছে ইন্ডাস্ট্রিতে। অভিনেতা পুরোটা সময়জুড়েই নিজের প্রাসঙ্গিকতা বজায় রেখে চলেছেন। তার শুরুর দিকের কয়েকটি সিনেমা সেভাবে সাফল্য না পেলেও পথচলার মাঝে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে সাইফ জোর দিয়ে বলেন, বিষয়গুলো যতটা সহজ মনে হয়েছিল, ততটা কিন্তু ছিল না। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানান সাইফ আলি খান। 

    অভিনেতা বলেন, আমি টিকে গিয়েছিলাম। কারণ একটা দীর্ঘ সময় ছিল যখন আমি যে ধরনের সিনেমা করছিলাম, সেগুলো কেউ করতে চাইছিল না। এমনটি নয় যে ভালো না হওয়া সত্ত্বেও আমি বারবার বলিউডের সেরা সিনেমাগুলো পাচ্ছিলাম। কিন্তু তারপর ভাগ্যও সহায় ছিল। কিন্তু বর্তমানের তুলনায় তখনকার দর্শকরাও অনেক বেশি সহনশীল ছিল।

    তরুণ প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীরা কি সেই সুযোগ পাচ্ছেন? তাদের কি খুব সহজেই বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে, যেমনটি তিনি তার সন্তান সারা আলি খান ও ইব্রাহিম আলি খানের ক্ষেত্রে দেখেছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে অভিনেতা বলেন, ‘আমি যখন এসেছিলাম, তখন সময়টা অবশ্যই অনেক বেশি সহনশীল ছিল। কিন্তু এখন আমাদের সময়ের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত থাকতে হয়।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সাইফ বলেন, প্রস্তুতির পুরো ধারণাটাই এখন বদলে গেছে। কিছু অভিনেতা সবসময়ই তা করে এসেছেন। আমার মনে আছে— হৃতিক রোশন তার অভিষেকের আগে অবশ্যই তার নাচ, শারীরিক গঠন এবং এসব কিছুর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। 

    কিন্তু ধারণাটা বদলে গেছে এবং সিনেমার পুরো জগতটাই একরকম বদলে গেছে। 

    তিনি বলেন, এখন সময়টা আলাদা। আমি ওদেরও (সারা ও ইব্রাহিম) এটা বলেছি যে, তোমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে; কিন্তু এগুলো প্রযোজকদের সিদ্ধান্তও বটে। বিশ বছর বয়সে পরিস্থিতি কেমন ছিল, তা মনে রাখা মাঝে মাঝে কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু বড়পর্দার আকর্ষণই এমন যে, মানুষ মনে করে এসব নবীন অভিনয়শিল্পীরা পুরোপুরি প্রস্তুত। তাই এটা একটা কঠিন পরিস্থিতি। প্রতিযোগিতা সবসময়ই ছিল, কিন্তু দর্শক এখন আগের চেয়ে অনেক কম সহনশীল। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমি খুব হিসাব করে কথা বলি না: যীশু সেনগুপ্ত

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত গ্ল্যামারের আলোতেও যেন মাটির মানুষ। ব্যক্তিগত অবসাদ থেকে তার সফল বলিউড সফর। নতুন সিরিজ ‘ব্রাউন’ মুক্তির আগে সব কিছু নিয়ে অকপট এই অভিনেতা। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। 

    ‘ব্রাউন’ সিরিজে জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? 

    এমন প্রশ্নের উত্তরে যীশু সেনগুপ্ত বলেন, ‘কারিশমা কাপুর ভীষণ মিষ্টি আর নম্র একজন মানুষ। শুটিংয়ের সময়ে সেই গোবিন্দ বা ডেভিড ধাওয়ানের আমলের নস্টালজিয়াগুলো মনে পড়ছিল। তবে একটা কথা জোর দিয়ে বলতে পারি— হিন্দি জি ফাইভের ‘ব্রাউন’-এ দর্শক এমন এক কারিশমা কাপুরকে দেখতে পাবেন, যা আগে কেউ কোনো দিন দেখেননি। জাস্ট চোখ ধাঁধিয়ে যাবে সবার!’ 

    বলিউড আর টালিউডের মধ্যে এ জায়গায় কোনো ফারাক দেখতে পান? উত্তরে অভিনেতা বলেন, ‘মুম্বাইয়ে কেউ কিন্তু এই বাউন্ডারিটা ক্রস করে না। ওরা পার্সোনাল স্পেসকে সম্মান দিতে জানে, ব্যক্তিগত প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকে। কিন্তু আমাদের এখানে একটু চেনা-জানা হলেই কাঁধে হাত দিয়ে ‘কেমন আছিস’ বলাটা খুব সহজ। কাজের জায়গায় কাজের সম্মানটা দেওয়া খুব প্রয়োজন।’ 

    বর্তমানে রাজনীতির পালাবদলের পর সরকারের কাছ থেকে কোনো নির্দিষ্ট প্রত্যাশা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তেমনভাবে কিছু প্রত্যাশা করছি না। আগের সরকারের কাছ থেকেও তেমন কোনো এক্সপেক্টেশন ছিল না। শুধু একটা কথাই মনে হয়— শিল্পীদের শিল্পীর মতো করে থাকতে দিলেই বোধহয় ভালো হয়।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    একের পর এক কাজ, সাফল্য— এর মধ্যেও শান্ত থাকেন কীভাবে? এক গাল হেসে যীশু সেনগুপ্ত বলেন, ‘সত্যি বলতে— এই প্রশ্নটা আমাকে এর আগে কেউ কোনো দিন করেনি। আমার মনে হয় না এটা কোনো থেরাপি বা প্র্যাকটিসের বিষয়। আসলে এই শিক্ষাটা পড়াশোনা করে হয় না। এটা পুরোপুরি বাবা-মায়ের কাছ থেকে পাওয়া। আমি বরাবরই খুব চমৎকার কিছু মানুষের সান্নিধ্যে থেকেছি। তাই এ প্রশংসাটা আসলে আমার চারপাশের মানুষের প্রাপ্য।’ 

    অভিনেতা বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ডিপ্রেশন মানুষের জীবনে আসতেই পারে, এটি খুবই স্বাভাবিক। আর এ বিষয়ে কথা বলাটা ভীষণ জরুরি। আমি খুব সোজাসাপ্টা কথা বলতে ভালোবাসি। জীবনে অবসাদ এসেছে। আমি নিজেও কাউন্সেলিং করিয়েছি। মনোবিদের কাছে গেছি। এটা নিয়ে লজ্জার কিছু নেই। আমরা যে ধরনের জীবনযাত্রার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, সেখানে নিজেকে ঠিক রাখাটাই সবচেয়ে ডিফিকাল্ট কাজ। তার ওপর এখনকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব। আজকাল কোথাও যেন পার্সোনাল স্পেসের বাউন্ডারিটা গুলিয়ে যাচ্ছে। গত ১০ বছরে চারপাশের পরিস্থিতি বড্ড বেশি বদলে গেছে। 

    আজকের যীশু সেনগুপ্ত অনেক বেশি মেপে কথা বলেন, অনেক সাবধানী? এমন প্রশ্নের উত্তরে যিশু সেনগুপ্তর ভাষ্য, ‘আমি খুব হিসাব করে কথা বলি না। আমার যেটা মনে হয়, আমি সরাসরি বলে দিই। আমি চাইলে তো এই মনোবিদের কাছে যাওয়ার কথাটা লুকিয়ে রাখতে পারতাম।

    আমি তো একজন স্টার, একজন অভিনেতা— আমার এই দুর্বলতা প্রকাশ না করলেও চলত। কিন্তু আমি মনে করি, দিনশেষে আমিও একজন মানুষ। আমাদের এই সমাজটায় কেউ পুরোপুরি সাদা বা কালো নয়— সবাই গ্রে। আমরা প্রত্যেকেই দিনশেষে আয়নার সামনে দাঁড়াই, ক্রিম লাগানোর সময়ে হলেও অন্তত একবার নিজেকে দেখি। তখন তো নিজের ভুলত্রুটিগুলো বা ভালো কাজগুলো নিজের মনের ভেতর স্পষ্ট হয়ে ওঠে।’ 

    তিনি বলেন, আসল সমস্যাটা হলো— আমরা নিজেদের ভালো করে চিনিই না। আমরা সবাই কোনো না কোনো অভিনয় করে যাচ্ছি। নিজেকে ভালো না বাসলে, নিজে আনন্দে না থাকলে, প্রিয় মানুষকে ভালো রাখবেন কীভাবে? এটা কোনো স্বার্থপরতা নয়, এটা বেঁচে থাকার রসদ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজেপির মঞ্চে যশ, দলে ফিরছেন অভিনেতা?

    পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে। জোড়া ফুলের বদলে ফুটেছে পদ্ম। রাজ্য নতুন হাওয়া বইতেই টালিউড অভিনেতা যশ দাশগুপ্তও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠান। একটা সময় সক্রিয়ভাবে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। বিজেপির হয়ে ভোটেও দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু এসেছিল পরাজয়। 

    সেই থেকে আর অভিনেতাকে সেভাবে রাজনীতির মঞ্চে দেখা যায়নি। এরপর পালাবদল হতেই নিজের অবস্থানের কথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি পাঠান অভিনেতা। এরপর বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে বিজেপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেখা গেল যশ দাশগুপ্তকে।

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে বিজেপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন যশ দাশগুপ্ত। আবারও তিনি ফিরেছেন দলে। মঞ্চ থেকে অভিনেতাকে বলতে শোনা যায়, ‘৪ তারিখের পর থেকে সবাই নিশ্চয়ই খুব ভালো আছেন। আরেকটি জিনিস আমি খবর পেয়েছিলাম। আমার মনে হলো— পশ্চিমবঙ্গে ডিমটা খুব শক্ত হয়ে গেছে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    যশ দাশগুপ্ত বলেন, যারা যারা বিজেপি করেছেন, তাদের এত বছর কী সংঘর্ষ করতে হয়েছে আমরা সবাই জানি। এখানে যদি এক একটা মানুষকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তাহলে সবার কাছে একটা গল্প থাকবে যে, তাদের কীসের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। কিন্তু আজকের দিনটি খুবই ভালো একটি কাজের জন্য। এরপরই দেখা যায় তিনি গাছ লাগান। নিজে হাতে সেই গাছে পানিও দেন।

    এর আগে যশ দাশগুপ্ত নিরাপত্তা ফিরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে রাজ্য সরকারকে ইমেইল করেছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে হুগলির চণ্ডীতলা কেন্দ্র থেকে লড়ার পর থেকেই টালিউডে কার্যত একঘরে তিনি।

    তবে স্ত্রী নুসরাত জাহান ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য ছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে অভিনেতা লিখেছিলেন— স্ত্রীর রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অন্য শিবিরের হলেও বিজেপির প্রতি তার নিজের আদর্শ থেকে কখনো সরেননি। আদর্শগতভাবে কখনো আপস করেননি তিনি। এমনকি কাজের ক্ষেত্রে বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়ে মাথা নত করেননি। তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাই সুরক্ষা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রেমিকার ছেলের ছুরিকাঘাতে ‘টপ গান’ অভিনেতার মৃত্যু

    ‘জুমানজি’ এবং ‘টপ গান: ম্যাভেরিক’-এ অভিনয়ের জন্য পরিচিত মার্কিন অভিনেতা জেমস হান্ডি হত্যার শিকার হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজ বাড়িতে ছুরিকাঘাতে এই অভিনেতাকে হত্যা করা হয়েছে। 

    ৮১ বছর বয়সি হান্ডিকে বুধবার (৩ জুন) ক্যালিফোর্নিয়ার টারজানায় তার বাড়ির সামনের বাগানে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। সে সময় তার বুকে বেশ কয়েকটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। 

    লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগ (এলএপিডি) জানিয়েছে, হান্ডির প্রেমিকার ছেলে, ৪৪ বছর বয়সি মাইকেল গ্লেডহিলকে এই হত্যাকাণ্ডের সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ৯১১ নম্বরে এক ব্যক্তি কল করে পুলিশকে বলেন, ‘আমি একজন মানুষের ছেলে, আমি এইমাত্র একজন পাপী মানুষকে হত্যা করেছি।’ এই ফোনের পরই পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

    নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণকারী জেমস হান্ডি দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বহু চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন শোতে অভিনয় করেছেন। অধিকাংশ সময়ই তাকে পার্শ্বচরিত্রে অথবা অল্প কিছু পর্বের অতিথি চরিত্রে দেখা গেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ কম পেলেও ক্যারিয়ারে দীর্ঘ সময় অভিনয়ে দেখা গেছে তাকে। তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে ‘এনওয়াইপিডি ব্লু’, ‘কে-৯’, ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’, ‘লোগান’, ‘ক্যাসেল, ‘দ্য ওয়েস্ট উইং’, ‘দ্য এক্স ফাইলস অ্যান্ড মার্ডার’ ও ‘শি রোট’ অন্যতম। 

    জেমস হান্ডি অভিনীত শেষ চলচ্চিত্র ছিল ২০২২ সালের ‘টপ গান: ম্যাভেরিক’। এই ছবিতে তিনি ‘জিমি’ নামের একজন বারটেন্ডারের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যিনি টম ক্রুজের প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করা জেনিফার কনেলির সঙ্গে কাজ করেন। 

    গুণি এই অভিনেতার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে বিনোদন বিষয়ক লেখক জে ববিন বলেন, ‘এই চমৎকার চরিত্রাভিনেতার চলে যাওয়ার খবরটি শুনে আমি গভীরভাবে মর্মাহত।’ 

    ২০০১ সালের ক্রাইম ড্রামা সিরিজ ‘ইউসি: আন্ডারকভার’-এর লেখক ও প্রযোজক ডন উইনস্লো, যেটিতে হান্ডিও অভিনয় করেছিলেন। হান্ডিকে তিনি একজন ‘অসাধারণ অভিনেতা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। 

    হান্ডির মৃত্যুর পর পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর সন্দেহভাজন গ্লেডহিল নিজেই কাছাকাছি থাকা দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং জানান যে পুলিশ যাকে খুঁজছে, তিনিই সেই ব্যক্তি। 

    পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সন্দেহভাজন ব্যক্তি ওই বাড়িতেই তার মায়ের সঙ্গে থাকতেন, যিনি নিহত অভিনেতার প্রেমিকা ছিলেন। গোয়েন্দারা মনে করছেন এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং এর ফলে সাধারণ জনগণের জন্য কোনো ভয়ের কারণ নেই।’ 

    গ্রেফতারের পর গ্লেডহিলকে ভ্যান নাইস জেলে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে তার জামিনের জন্য ২০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১৫ লাখ পাউন্ড) নির্ধারণ করা হয়েছে। 

    সূত্র: বিবিসি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ডন ৩’-তে রণবীরের বদলে কি হৃতিক, অভিনেতার পোস্ট ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

    বলিউডে ‘ডন ৩’ সিনেমা নিয়ে এ মুহূর্তে চলছে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে বিতর্ক। একদিকে সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে রণবীর সিং ও ফারহান আখতারের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। অন্যদিকে আচমকাই নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন হৃতিক রোশন। গণমাধ্যমের একটি পোস্ট ঘিরে নেটিজেনদের একাংশের ধারণা— হৃতিক রোশন যেন পরোক্ষভাবে নিজেকেই ‘ডন ৩’ সিনেমার জন্য প্রস্তাব করছেন।

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করে হৃতিক রোশন লিখেছেন— তাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, এখন তিনি কী ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে চান, তখন তার মনে প্রথম আসে ‘লাক বাই চান্স’ সিনেমার জাফর চরিত্রের কথা। ওই ধরনের ধূসর বা জটিল চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেলে তিনি লুফে নেবেন বলে জানান। তবে পরিচালকরা তাকে এখনো মূলত ‘ভালো মানুষের’ চরিত্রেই দেখতে চান বলে আক্ষেপ করেন তিনি।

    ঋতিক রোশনের সেই পোস্টের পরই আলোচনায় যোগ দেন জোয়া আখতার। তিনি মন্তব্য করেন, ‘চলো, কফি খাওয়া যাক’, সঙ্গে ছিল আলিঙ্গন ও হৃদয়ের ইমোজি। আর এতেই শুরু হয় নেটিজেনদের মধ্যে জল্পনা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হৃতিকের পোস্টের মন্তব্যের ঘরে ভক্ত-অনুরাগীরা একের পর এক অনুরোধ জানাতে থাকেন— কেউ ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’-র সিক্যুয়েল চেয়েছেন, আবার কেউ সরাসরি লিখেছেন— ‘হৃতিককে ডন ৩ সিনেমায় নিন’।

    অনেকেই মনে করেন, হৃতিকের পোস্টে থাকা ‘নেগেটিভ শেড’, ‘ফারহান’, ‘ভিন্ন ধরনের চরিত্র’-এর মতো ইঙ্গিতগুলো আসলে ডন ফ্র্যাঞ্চাইজির দিকেই ইশারা করছে। কেউ কেউ আবার মনে করিয়ে দিয়েছেন— ‘ডন ২’সিনেমায় হৃতিকের সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি দর্শকদের মধ্যে যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছিল এবং তাকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখার আগ্রহও কম নয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমার অভিনয় ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করে’

    মনোজ বাজপেয়ি বলিউডের অত্যন্ত প্রতিভাবান ও প্রভাবশালী অভিনেতা, যিনি মূলত তার দুর্দান্ত ও বাস্তবসম্মত অভিনয়ের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত। গত তিন দশকেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি প্রথাগত নায়কের চরিত্রের বাইরে গিয়ে সমান্তরাল বা ভিন্ন ধারার সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। 

    কিন্তু মাঝে মাঝে তার অভিনয় ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করে বলে সম্প্রতি এক পডকাস্টে এমন কথাই জানিয়েছেন মনোজ বাজপেয়ি। আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ধনসম্পদ ও খ্যাতির পেছনে ছোটার কারণে তিনি তার বাবা-মায়ের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে পারেননি। 

    মনোজ বাজপেয়ি বলেন, সত্যি বলতে কী— প্রায় ১০ বছর ধরে মাঝে মাঝেই আমার অভিনয় ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করেছে। কিন্তু তারপর একটা নতুন চরিত্র আসে, আর আমি চলে যাই। তাই আমি বাধ্য হয়ে অভিনয় করি না যে, আমাকে ঘরে খাবার আনতে হবে বা অন্য কোনো প্রয়োজন মেটাতে হবে। আমি সে জন্য অভিনয় করতে চাই না। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ অভিনেতা বলেন, আমি অভিনয় করতে চাই, কারণ আমি একটি চরিত্রকে উপভোগ করব, আমি এ কথাটা আপনার শোতে প্রথমবার বলছি। আজকাল আমি সত্যিই একটা বাণিজ্যিক সিনেমার জন্য আকুল হয়ে আছি। আমি জানি না কেন, যদিও আমি অনেক দিন দূরে ছিলাম। ফালতু কমেডি, গানের সঙ্গে কিছু নাচ। আপনাকে প্রস্তুত হয়ে বাড়ি ফিরতে হবে না, আপনি শুধু বিদায় জানিয়ে চলে যান। আপনি কী করছেন তা না ভেবেই।

    তিনি বলেন, পেছনে ফিরে তাকালে দেখি, আমি অনেক কিছু হারিয়েছি। আমি আমার বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটাতে পারিনি। তারা যখন মারা গেলেন, আমরা একে অপরকে বোঝার চেষ্টা করছিলাম। আমি কখনো তাদের সঙ্গে থাকিনি। আমরা এতটাই দূরে চলে গিয়েছিলাম যে আর বুঝতেই পারতাম না।

    মনোজ বাজপেয়ি বলেন, প্রথমে আমি একটি বোর্ডিং হাউসে থাকতাম। আমরা গ্রামের মানুষ ছিলাম, তাই আমাদের বোর্ডিং হাউসে রাখা হতো। এরপর অভিনেতা হওয়ার জন্য আমি দিল্লিতে আসি। দিল্লিতে অনেক কিছু শিখেছি। ইংরেজি শিখেছি, শহরের পরিবেশটা চিনেছি। আমাকে প্রতিদিন খাবারেরও ব্যবস্থা করতে হতো বলে জানান এ অভিনেতা।

    বিনোদন ডেস্ক