Tag: অভিনেতা

  • বিচ্ছেদ নাকি পুনর্মিলন? বিজয়-সঙ্গীতাকে ঘিরে জল্পনার শেষ কোথায়!

    তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তথা জনপ্রিয় অভিনেতা জোসেফ বিজয় এবং তার স্ত্রী সংগীতা সোর্নালিঙ্গম আবার নতুন করে খবরের শিরোনামে এসেছেন। 

    আগামী ১৫ জুন তাদের বিবাহবিচ্ছেদ মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদন থেকে আভাস মিলছে যে এই দম্পতি নিজেদের মধ্যকার দূরত্ব মিটিয়ে ফেলে পুনর্মিলনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

    বেশ কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজয় ও সংগীতার মধ্যেকার সমস্ত ভুল বোঝাবুঝি ও মতবিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে মিটিয়ে ফেলার জন্য পর্দার আড়ালে আলোচনা চলছে। যদিও এই বিষয়ে এখনো কোনো পক্ষের তরফ থেকেই আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি, তবে গত কয়েক সপ্তাহে তাদের আবার একসঙ্গে হওয়ার গুঞ্জন বেশ জোরালো হয়ে উঠেছে। 

    কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর উভয় পক্ষকে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং একটি সাধারণ সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্রিয়ভাবে সাহায্য করছেন। তবে এই দাবির সত্যতা এখনো যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    এই দম্পতির দাম্পত্য কলহের গুঞ্জন প্রথম শুরু হয় যখন বিজয়ের রাজনৈতিক প্রচারণামূলক কার্যক্রম এবং তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক ইভেন্টে সংগীতাকে অনুপস্থিত থাকতে দেখা যায়। এর পাশাপাশি সন্তানদের নিয়ে তার দীর্ঘদিন লন্ডনে অবস্থান করার বিষয়টি এই বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে আরও উসকে দেয়। 

    জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুর দিকে বিশেষ বিবাহ আইনের অধীনে তাদের পারস্পরিক মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করে এই বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনটি করা হয়েছিল। তবে এই মামলা নিয়ে এ পর্যন্ত বিজয় বা সংগীতা কেউই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আগামী ১৫ জুন এই বিবাহবিচ্ছেদ মামলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুনানি নির্ধারিত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে দুই পক্ষের মধ্যকার আলোচনা এখন সংঘাত থেকে সমঝোতার দিকে মোড় নিয়েছে। যার ফলে আদালতের বাইরেই বিষয়টি মিটমাট হয়ে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়নি। 

    কে এই সংগীতা সোর্নালিঙ্গম

    সংগীতা  লন্ডনে বসবাসকারী একটি শ্রীলংকান তামিল পরিবারের সন্তান। ১৯৯৯ সালের আগস্ট মাসে তিনি অভিনেতা বিজয়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর থেকে তিনি মূলত প্রচারমাধ্যমের আড়ালে থাকতেই পছন্দ করতেন। এই দম্পতির ঘরে জেসন সঞ্জয় এবং দিব্যা সাশা নামে দুটি সন্তান রয়েছে। বিগত বছরগুলোতে বিজয়ের বিভিন্ন সিনেমার অনুষ্ঠান এবং পারিবারিক অনুষ্ঠানে সবসময়ই তাকে বিজয়ের পাশে থেকে সমর্থন জোগাতে দেখা গেছে। 

    সূত্র: সিয়াসাত ডেইলি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রুদ্রনীল ঘোষের প্রশংসায় মুনমুন সেন, প্রিমিয়ারে স্নেহময় মুহূর্ত ভাইরাল

    পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আবহে অবশেষে মুক্তির মুখ দেখেছে অভিনেতা ও সংসদ সদস্য রুদ্রনীল ঘোষের সিনেমা ‘আবার হাওয়া বদল’। শনিবার (১৩ জুন) সিনেমাটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি। আর সেখানেই তার অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মুনমুন সেন।

    সাম্প্রতিক নির্বাচনে স্বভূম শিবপুর আসন থেকে জয়ী হয়ে সংসদ সদস্য হয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ। এর পাশাপাশি চলচ্চিত্র অঙ্গনের কর্মপরিবেশ উন্নয়ন নিয়েও কাজ করছেন বলে জানা গেছে। নতুন সিনেমার প্রিমিয়ারেও তাকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখা যায়।

    সিনেমাটির অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন মুনমুন সেনের মেয়ে রাইমা সেন। মেয়ের অভিনয় দেখতে প্রিমিয়ারে উপস্থিত হয়েছিলেন মুনমুন সেন। ছবিতে রাইমার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।

    অনুষ্ঠানে রুদ্রনীলকে পাশে নিয়ে মুনমুন সেন বলেন, ‘আমি ওকে আগেই বলেছিলাম, ও একজন দুর্দান্ত অভিনেতা। অভিনয়ের সময় রুদ্রনীল পুরো শরীর ব্যবহার করে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ধরুন কাউকে জড়িয়ে ধরার একটি দৃশ্য আছে। এমনও হতে পারে, রুদ্রনীলের মুখ দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু তার হাতের অভিব্যক্তিতেই অনুভূতি ফুটে উঠবে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রুদ্রনীলের অভিনয়ের সূক্ষ্মতা নিয়ে মুনমুন সেনের মন্তব্য, ‘গান গাওয়ার দৃশ্যে অভিনয় করার সময় তার গলার শিরাও ফুটে ওঠে।’

    প্রশংসার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে রুদ্রনীলকে আলিঙ্গন করতেও দেখা যায় তাকে। এমনকি অভিনেতার গালে স্নেহের চুম্বনও দেন তিনি। সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

    নেটিজেনদের একাংশ এ সময় দুই শিল্পীর রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। কারণ, একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা সাংসদ ছিলেন মুনমুন সেন। ২০১৪ সালে বাঁকুড়া থেকে লোকসভা সদস্য নির্বাচিত হন তিনি এবং ২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। পরে আসানসোল আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয়ী হতে পারেননি। এরপর থেকে তাকে সক্রিয় রাজনীতিতে খুব একটা দেখা যায়নি।

    অন্যদিকে রুদ্রনীল ঘোষ বর্তমানে বিজেপির সংসদ সদস্য। ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থান থাকা সত্ত্বেও তাদের আন্তরিকতা দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ‘স্নেহ ও শ্রদ্ধার সম্পর্ক রাজনীতির সীমারেখা মানে না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বিগ বস ২০’ নিয়ে প্রস্তুতি শুরু, আবারও সঞ্চালনায় সালমান খান

    জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’-এর নতুন সিজন নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্মাতারা। টানা ১৯টি সফল আসরের পর এবার দর্শকদের সামনে আসতে যাচ্ছে ‘বিগ বস ২০’। আর আগের মতোই এ সিজনের সঞ্চালকের দায়িত্বে থাকছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খান।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন সিজনের শুটিং শুরু হতে পারে। তবে শোয়ের কাজ শুরুর আগে নিজের চলমান সিনেমার শুটিং শেষ করতে চান সালমান খান। 

    বর্তমানে তিনি পরিচালক ভামসি পাইডিপাল্লির একটি অ্যাকশন-থ্রিলার সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। এ ছবিতে তার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন নয়নতারা। ছবিটির বড় অংশের কাজ শেষ করেই তিনি ‘বিগ বস ২০’-এর সেটে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।

    নতুন সিজনে কারা প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নেবেন, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। তবে কাস্টিং টিম ইতোমধ্যে কয়েকজন টেলিভিশন তারকার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে বলে জানা গেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এবারের আসরে নতুন মুখের পাশাপাশি অতীতের কিছু জনপ্রিয় প্রতিযোগীকেও ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে। ফলে দর্শকদের জন্য একাধিক চমক থাকছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    নির্মাতারা জানিয়েছেন, শুটিং চলাকালে সালমান খানের নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে অভিনেতার টিমও অনুষ্ঠানটির শুটিং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে কাজ করবে, যাতে কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়াই দর্শকদের সামনে নতুন সিজন উপস্থাপন করা যায়।

    এদিকে ‘বিগ বস ২০’-এর পাশাপাশি নিজের পরবর্তী চলচ্চিত্র নিয়েও প্রস্তুতি নিচ্ছেন সালমান খান। পরিচালক অপূর্ব লাখিয়া পরিচালিত ‘মাতৃভূমি’ সিনেমায় তাকে দেখা যাবে। এ ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন চিত্রাঙ্গদা সিং। তবে সিনেমাটির মুক্তির তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আব্বা স্বপ্ন দেখতেন, আমি বড় ফুটবলার হব: আজিজুল হাকিম

    দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা ও নির্মাতা আজিজুল হাকিম। আরণ্যক নাট্যদলের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরুর পর ছোটপর্দার পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। অভিনয় ছাড়াও পরিচালনা করেছেন নাটক। 

    নব্বই দশকের বরেণ্য এ অভিনেতা তার অভিনয় দিয়ে দেশজুড়ে দর্শকের কাছে পরিচিত মুখ হলেও অনেকেরই অজানা, অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার আগে আজিজুল হাকিম একজন ফার্স্ট ডিভিশন ফুটবলার ছিলেন। খেলতেন ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে। 

    দেশের এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফেলে আসা ফুটবল জীবনের স্মৃতি রোমন্থন করেন গুণী এ অভিনেতা। 

    ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার শুরু কোথা থেকে সে প্রসঙ্গে আজিজুল হাকিম বলেন, আমার ফুটবল খেলা শুরু স্কুলজীবন থেকে। স্কুলে ফুটবল খেলতাম, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিতাম। আমাদের স্কুলে কাউসার স্যারের উৎসাহ ও তত্ত্বাবধানেই ফুটবল খেলতাম। সেই স্মৃতি আজও ভুলিনি। তখন আন্তঃস্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতা হতো, সেখানে অনেক উৎসাহ নিয়ে অংশ নিতাম। এভাবেই ফুটবলের প্রতি আমার ভালোবাসা জন্ম নেয়। 

    ফুটবল খেলার জন্য তার বাবার থেকেও অনেক উৎসাহ পেতেন জানিয়ে অভিনেতা বলেন, আমার আব্বা ফুটবল খেলার জন্য খুব উৎসাহ দিতেন। আব্বা স্বপ্ন দেখতেন, আমি বড় ফুটবলার হবো। সে সময় ফুটবল খেলার প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম তিনিই কিনে দিতেন। এতে আমি আরও উৎসাহ পেতাম। আব্বারও প্রিয় খেলা ছিল ফুটবল। ফুটবলের প্রতি এই ভালোবাসা আমি জেনেটিকভাবেই পেয়েছি। 

    আজিজুল হাকিম বলেন, স্কুল পাস করে ঢাকার তিতুমীর কলেজে ভর্তি হই। সেখানে এসেও ফুটবল ছাড়িনি। বলা যায়, ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা আরও গভীর হয়। তিতুমীর কলেজের ফুটবল দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাই। এ সময় ফুটবলের প্রতি আমার আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। তখন বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতাম। 

    তার কথায় উঠে আসে কলেজজীবনের স্মৃতিও। তিনি বলেন, তিতুমীর কলেজে আমার সহপাঠী ছিলেন নায়ক রুবেল। সাথী নামে একজন ছিলেন, গামাও ছিলেন। আবার স্কুলজীবনে মুন্না, আনোয়ার, চিও ও স্বপন আমাদের দলে ছিল। কলেজ জীবনে আমার আব্বা স্বপ্ন দেখতেন, একদিন তার ছেলে জাতীয় দলে খেলবে। 

    ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবে যোগদান প্রসঙ্গে আজিজুল হাকিম বলেন, একদিন বাবা আমাকে মফিজ চাচার কাছে নিয়ে যান। মফিজ চাচা তখন ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের ম্যানেজার ছিলেন। তার সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর স্বপ্ন আরও বড় হতে থাকে। সে সময় আব্দুর রহিম ছিলেন কোচ। মফিজ চাচাই তার সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দেন। এভাবেই ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবে আমার খেলা শুরু হয়। 

    সে সময়টায় ঢাকা স্টেডিয়ামে দর্শক কানায় কানায় ভরা থাকত বলে জানান তিনি। অভিনেতা বলেন, ‘গ্যালারি ভাগ হয়ে যেত। একদিকে আবাহনীর দর্শক, অন্যদিকে মোহামেডানের দর্শক। আমি আবাহনীর দর্শক ছিলাম, তবে অন্য দলের খেলাও পছন্দ করতাম। সে সময় প্রচুর খেলা দেখেছি।’ 

    আজিজুল হাকিম বলেন, ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে তখন অনেক দলের বিপক্ষে খেলেছি। ওয়ারী, রহমতগঞ্জ, বিজিএমসি, ব্রাদার্স ইউনিয়নসহ অনেক দলের সঙ্গে খেলার সুযোগ হয়েছিল। বেশ কয়েক বছর ফার্স্ট ডিভিশনে ফুটবল খেলেছি। কত শত স্মৃতি যে মনে পড়ে! আমি ফরোয়ার্ড পজিশনে খেলতাম। 

    ওই সময়টায় ঢাকা স্টেডিয়ামেই বেশি খেলতেন বলে জানান তিনি। আজিজুল হাকিম বলেন, সেই সময় ঢাকার ফুটবলের তারকা ছিলেন মঞ্জু ভাই, নান্নু ভাই, সালাহউদ্দিন ভাইসহ আরও অনেকে। 

    আজিজুল হাকিম ১৯৭৫, ১৯৭৬ ও ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত  ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে ফার্স্ট ডিভিশনে খেলেছেন।  

    পাশাপাশি তার ছেলেও ফুটবল খেলেন বলে জানান তিনি। তার ছেলে একজন ভালো ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখে এবং তাকে এ বিষয়ে সবসময়ই উৎসাহ দেন বলে জানান গুণি এই অভিনেতা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফিরছে ‘মাসুদ’, ‘সুড়ঙ্গ ২’র টিজারে আফরান নিশোর চমক

    ২০২৩ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তি পায় রায়হান রাফি পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘সুড়ঙ্গ’। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে রুপালি পর্দায় অভিষেক করেছিলেন আফরান নিশো। ছবিটিতে ‘মাসুদ’ চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পান। 

    এরপর থেকেই দর্শকেরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে। তিন বছর পর অবশেষে আসতে চলেছে এর সিক্যুয়েল ‘সুড়ঙ্গ ২’। 

    শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ করেই দেড় মিনিটের দুর্ধর্ষ একটি টিজার প্রকাশ করেছে রায়হান রাফি যা সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে রীতিমতো আলোচনার ঝড় তুলেছে। 

    প্রকাশিত টিজারে আফরান নিশো একেবারে ভিন্ন ও দুর্ধর্ষ রূপে চমকে দিয়েছেন। টিজারের শুরুতেই অন্ধকার এক সুড়ঙ্গের দিকে যেতে যেতে মাসুদ চরিত্রে অভিনয় করা নিশোকে আক্ষেপের সুরে বলতে শোনা যায়, ‘এই দুনিয়ায় ভালো মানুষের কোনো দাম নেই’। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এরপরই তাকে ধ্বংসস্তূপ ও শত্রুদের মোকাবিলা করতে দেখা যায়। 

    টিজারের একটি দৃশ্যে হাতঘড়ি পরার সময় নিশোর হাতে ‘ময়না’ নামের একটি ট্যাটুও দর্শকের নজর কেড়েছে। ভিডিওতে মিখাইল নামের এক খলনায়ককে উদ্দেশ্য করে ‘মাসুদ’কে বলতে শোনা যায়, তার মতো বহু লোককে তিনি সামলেছেন। তার টাকা কেউ নিতে পারবে না। 

    ভিডিওর শেষাংশে রায়হান রাফী জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরেই প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘সুড়ঙ্গ ২’। 

    উল্লেখ্য, এর আগে ছবির প্রথম কিস্তিতে মাসুদেও স্ত্রী ‘ময়না’ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তমা মির্জা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক ছিলাম, আছি এবং থাকব: জায়েদ খান

    আজ শুরু হচ্ছে বিশ্বফুটবলের মহারণ ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপ। এ নিয়ে পুরো পৃথিবীর ফুটবলপ্রেমীরা মেতে উঠেছেন। নিজ নিজ দলের খেলা দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সমর্থকরা— কখন নিজ দলের খেলা উপভোগ করবেন।

    এর মধ্যেই ফুটবলপ্রেমীরা যার যার দলের অভিমত ব্যক্ত করছেন। থেমে নেই বিনোদন জগতের তারকাদেরও অভিব্যক্তি। তারাও সামাজিক মাধ্যমে তাদের নিজ দলের বন্দনা গাইছেন। এবার সেই তালিকায় দেখা গেছে ঢালিউডের আলোচিত অভিনেতা জায়েদ খানকে। 

    অভিনয়ের পাশাপাশি খেলাধুলা, বিশেষ করে ফুটবলের প্রতিও রয়েছে তার গভীর আগ্রহ। বিশ্বফুটবলের অন্যতম জনপ্রিয় দল আর্জেন্টিনার প্রতি তার দীর্ঘদিনের সমর্থন ও ভালোবাসার কথা প্রকাশ করলেন। ছোটবেলায় দিয়েগো ম্যারাডোনার খেলা ও ব্যক্তিত্ব তাকে মুগ্ধ করেছিল। সেই সময় থেকেই আর্জেন্টিনা দলের প্রতি তার আলাদা একটা টান তৈরি হয়েছে। সময়ের সঙ্গে ফুটবলের অনেক কিছু বদলেছে, অনেক তারকার আবির্ভাব ঘটেছে, তবে আর্জেন্টিনার প্রতি তার সমর্থন সেই একই রকম রয়ে গেছে।

    বিশ্বকাপ সামনে রেখে প্রিয় দল নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে নিজের প্রত্যাশার কথা বলেছেন জায়েদ খান। এবারও বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনার ঘরেই যাবে বলে তার বিশ্বাস। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমি দিয়েগো ম্যারাডোনার ভক্ত, আর এখন লিওনেল মেসির ভক্ত। তাই আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থন কখনো কমেনি।

    এ অভিনেতা বলেন, ফুটবল এমন একটি খেলা, যা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে। আমি সবসময় সুন্দর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফুটবল দেখতে চাই। তবে সমর্থক হিসেবে আমার হৃদয় সবসময় আর্জেন্টিনার পক্ষেই থাকবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, আর্জেন্টিনা শুধু একটি ফুটবল দল নয়; বরং আবেগ ও ভালোবাসার একটি নাম। দলটির খেলা দেখার সময় তিনি অন্যরকম উত্তেজনা অনুভব করেন। বিশেষ করে মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক সাফল্য তাকে আরও বেশি আনন্দিত করেছে।

    জায়েদ খান বলেন, দলটির খেলোয়াড়দের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, অভিজ্ঞতা ও দলগত সমন্বয় রয়েছে। তাই এ বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনা ভালো করবে এবং শিরোপা ধরে রাখতে সক্ষম হবে বলেই তার বিশ্বাস।

    এ অভিনেতা বলেন, খেলার সৌন্দর্য উপভোগ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দল ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু খেলাধুলা মানুষকে একত্রিত করে। তবে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, ‘আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক ছিলাম, আছি এবং থাকব।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • মেসি থাকতেই আরেকটি বিশ্বকাপ নিয়ে নিতে হবে: ইরফান

    আগামীকাল পর্দা উঠছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের। এ মুহূর্তে চলছে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে টান টান উত্তেজনা। সেই ফুটবল উন্মাদনার হাওয়া এসে লেগেছে বিনোদন জগতের তারকাদের  মাঝেও। একেক তারকা একেক দলের সমর্থন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে জানান দিচ্ছেন। এবার জানান দিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। 

    ইরফান সাজ্জাদের প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। প্রিয় খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। এ নিয়ে নিজের মুগ্ধতা ও কিছুটা শঙ্কার কথা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন এ অভিনেতা। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন— মেসি নামল, চান্স ক্রিয়েট করল, পেনাল্টি! মেসির গোল! এরপর মেসির চান্স ক্রিয়েট, আরেকটা গোল। মেসি ছাড়া এ আর্জেন্টিনা টিমটা প্রচুর গোল মিস করলেও খুব একটা খারাপ না।

    তিনি বলেন, অধিনায়ক মাঠে থাকলে পুরো দলের মানসিকতা কীভাবে যেন বদলে যায়। মেসি মাঠে নামলে তাদের ওপর কি জানি ভর করে! ফুল চার্জে থাকে।

    আর্জেন্টিনা দলের আক্রমণভাগ ও মাঝমাঠ নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও রক্ষণভাগ নিয়ে দুশ্চিন্তা বলে জানিয়েছেন ইরফান সাজ্জাদ। রক্ষণভাগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ডিফেন্সের কথা কি বলব! খেলা যত গড়ায় আর্জেন্টিনার ডিফেন্স ততই রোমান্টিক হয়ে যায়। এক ডিফেন্সটাই প্রবলেম বলে জানান এ অভিনেতা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ইরফান সাজ্জাদ বলেন, যা বুঝলাম মেসি থাকতে থাকতেই আরেকটি বিশ্বকাপ নিয়ে নিতে হবে! না হলে এরপর যে আর কত বছর অপেক্ষা করা লাগবে কে জানে। যেহেতু ডিফেন্স ঠিক নেই।

    ছোটপর্দার এ অভিনেতার পোস্টের নিচে ফুটবলপ্রেমী ও তার ভক্তরা নানা মন্তব্য করেছেন। অনেকেই অভিনেতার ফুটবলীয় বিশ্লেষণের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন, আবার কেউ কেউ প্রিয় দলের ডিফেন্স নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বন্ধুর প্রয়াণে সালমান খানের কথিত প্রেমিকার আবেগঘন পোস্ট

    ঘনিষ্ঠ পারিবারিক বন্ধু কুমুদ রানের আকস্মিক বিদায়ের পর থেকে গভীর শোকে মগ্ন পুরো খান পরিবার। এই অপূরণীয় ক্ষতি বলিউড ভাইজান সালমান খানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে, যার ফলে সাম্প্রতিক সময়ে জনসম্মুখে এই অভিনেতার এক আবেগঘন উপস্থিতি দেখা গেছে। 

    গত ৯ জুন কুমুদ রানে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, যা তার প্রিয়জনদের হৃদয় ভেঙে দিয়েছে। তার শেষকৃত্যে সালমান তার মা সালমা খান, সৎমা হেলেন, ভাই সোহেল খান, ভাগ্নে আরহান খান এবং সোহেলের ছেলে নির্বাণকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হন। 

    অনুষ্ঠানটির বেশ কিছু ভিডিও এবং ছবিতে দেখা যায়, এই সুপারস্টার তার প্রিয় বন্ধুকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সময় অশ্রুসিক্ত ও ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছেন। 

    এই শোকের আবহেই সালমান খানের কথিত প্রেমিকা ইউলিয়া ভান্তুর ইনস্টাগ্রামে একটি হৃদয়স্পর্শী পোস্ট শেয়ার করে গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। কুমুদকে স্মরণ করে তিনি লিখেছেন, ‘তোমাকে এভাবেই মনে রাখব। সুখী, ভালোবাসায় ঘেরা এবং তোমার আপনজনদের মাঝে। শান্তিতে ঘুমাও আমাদের প্রিয় কুমুদ রানে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    খান পরিবারের পাশাপাশি চলচ্চিত্র জগতের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যেমন বিনা কাক, ডিয়েন পান্ডে এবং সঞ্জয় কাপুরও কুমুদ রানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং প্রয়াত আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। 

    সালমান খানের জন্য এই মানসিক আঘাত অত্যন্ত কঠিন একটি সময়ে এলো। কারণ কিছুদিন আগেই তিনি তার আরেক ঘনিষ্ঠ বন্ধু সুশীল কুমারকে হারিয়েছেন।  

    কুমুদ রানের শেষকৃত্যে প্রিয় অভিনেতাকে এভাবে ভেঙে পড়তে দেখে ভক্তরাও বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও প্রার্থনা জানাচ্ছেন। 

    সূত্র: সিয়াসাত ডেইলি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রামচরণ-উপাসনার প্রেমের গল্প

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা রামচরণ ও তার স্ত্রী উপাসনা কামিনেনির  জীবন শুধু বিনোদন জগতের কোনো সাধারণ প্রেমের গল্প নয়; বরং এটি ফিল্ম ও বিশাল ব্যবসায়ী সাম্রাজ্যের এক অভাবনীয় মেইলবন্ধন। তাদের একসঙ্গে পথচলার উত্থান, ব্যক্তিগত বোঝাপড়া এবং ব্যবসায়িক সাফল্যের গল্পটি সত্যিই চমকপ্রদ। 

    রামচরণ ও উপাসনার সম্পর্কের গল্পটিও বেশ আকর্ষণীয়। তারা  কলেজজীবনে একে অপরকে বন্ধু হিসেবে জানার পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একসময় কাজের ও পড়াশোনার কারণে দুজনের মধ্যে ভৌগোলিক দূরত্ব তৈরি হলেও এ দূরত্বই তাদের সম্পর্ককে আরও গভীর করে। অবশেষে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পরিণতি হিসেবে ২০১২ সালে হায়দরাবাদে এক জাঁকজমকপূর্ণ রাজকীয় আয়োজনে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

    রামচরণকে নিয়ে আলোচনা নতুন কিছু নয়। দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার এ তারকা অভিনয়, বক্স অফিস সাফল্য ও আন্তর্জাতিক জনপ্রিয়তার কারণে প্রায়ই শিরোনামে থাকেন। কিন্তু তার ব্যক্তিগত জীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো তার স্ত্রী উপাসনা কামিনেনি। ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী স্বাস্থ্যসেবা ব্যবসায়িক পরিবারের উত্তরাধিকারী, সফল করপোরেট নির্বাহী ও সমাজসেবী রামচরণপত্নী।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আবারও আলোচনায় এসেছেন উপাসনা। কারণ তিনি এমন এক ব্যবসায়িক পরিবারের সদস্য, যার সাম্রাজ্যের মূল্য প্রায় ৭৭ হাজার কোটি রুপি বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে শুধু উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া পরিচয় নয়, নিজের কর্মক্ষেত্রেও তিনি তৈরি করেছেন স্বতন্ত্র অবস্থান। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিনোদন জগতের তারকাদের পরিবারে অনেক সময় স্ত্রীদের পরিচয় কেবল তাদের স্বামীদের সাফল্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। কিন্তু উপাসনা কামিনেনির গল্প কিছুটা ভিন্ন কিছুটা আলাদা। তিনি যেমন একটি বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী, ঠিক তেমনি নিজের দক্ষতা, নেতৃত্ব ও সমাজসেবামূলক কাজের মাধ্যমে আলাদা পরিচয় গড়ে তুলেছেন।

    রামচরণের জনপ্রিয়তা উপাসনাকে আলোচনায় এনেছে ঠিক, কিন্তু তাকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে তার নিজস্ব কাজ, দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বের ক্ষমতা। ভারতের করপোরেট ও সামাজিক পরিসরে উপাসনা এমন এক নারীর প্রতীক, যিনি উত্তরাধিকার পেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু সেই উত্তরাধিকারকে অর্থবহ করে তুলেছেন নিজের কর্মের মাধ্যমে।

    রামচরণপত্নীর জন্ম ভারতের সুপরিচিত কামিনেনি পরিবারে। এ পরিবার দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যসেবা, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যবিমা খাতের সঙ্গে যুক্ত। তার দাদা প্রতাপ সিং রেড্ডি ভারতের বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতের পথিকৃৎদের একজন। তার হাত ধরেই গড়ে ওঠে অ্যাপোলো হসপিটালস, যা আজ ভারতের সবচেয়ে পরিচিত হাসপাতাল নেটওয়ার্কগুলোর একটি। ছোটবেলা থেকেই উপাসনা ব্যবসা, নেতৃত্ব ও সমাজসেবার পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন। পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখার পাশাপাশি সেটিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই তিনি শিক্ষাজীবন শেষ করে পারিবারিক ব্যবসায় যুক্ত হন।

    উপাসনার মা শোভনা কামিনেনি করপোরেট জগতের অত্যন্ত পরিচিত মুখ। স্বাস্থ্যসেবা খাতের সম্প্রসারণে তার অবদান ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। উপাসনা বহুবার বলেছেন, মায়ের কাজ ও নেতৃত্ব তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে।

    অনেক সময় তারকাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ধারণা তৈরি হয় যে, তারা কেবল পারিবারিক পরিচয়ের কারণেই আলোচনায় থাকেন। কিন্তু উপাসনার ক্ষেত্রে চিত্রটি ভিন্ন। জাইডাস গ্রুপের স্বাধীন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। বৈশ্বিক এ লাইফ সায়েন্সেস প্রতিষ্ঠানে হাজারো কর্মী কাজ করে থাকেন। একই সঙ্গে তিনি অ্যাপোলো ২৪/৭-এর বোর্ড সদস্য। ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা, অনলাইন ফার্মেসি ও চিকিৎসা পরামর্শসেবাকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এ প্ল্যাটফর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

    এ ছাড়া অ্যাপোলো হসপিটালসের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির নেতৃত্বও দিচ্ছেন তিনি। সমাজের প্রান্তিক মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে তিনি সরাসরি যুক্ত। ফ্যামিলি হেলথ প্ল্যান ইনস্যুরেন্স টিপিএর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবেও কাজ করে আসছেন উপাসনা। স্বাস্থ্যবিমা খাতে তার কাজ তাকে করপোরেট অঙ্গনে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে।

    বহু ধনী পরিবারে উত্তরাধিকার ও সম্পদ বণ্টন নিয়ে দ্বন্দ্বের খবর শোনা যায়। কিন্তু উপাসনার পরিবার এ সমস্যার সমাধানে অনেক আগে থেকেই একটি বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। রামচরণপত্নী জানিয়েছেন, তাদের পরিবারে একটি লিখিত ‘ফ্যামিলি কনস্টিটিউশন’ বা পারিবারিক সংবিধান রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অধিকার, দায়িত্ব ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার নীতিমালা সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে। এ ব্যবস্থার উদ্দেশ্য একটাই— সম্পদ যেন কখনো পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধের কারণ না হয়।

    উপাসনা বলেন, অর্থ মানুষের জীবনকে সহজ করতে পারে, কিন্তু পারিবারিক সম্পর্ক নষ্ট করার কারণ হওয়া উচিত নয়। তার দাদা এমন নীতিমালা তৈরি করেছিলেন, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারে।

    উপাসনার বক্তব্যের সবচেয়ে আলোচিত অংশ ছিল নারী-পুরুষ সমতা নিয়ে তার মন্তব্য। তিনি স্বীকার করেছেন যে একসময় তাদের পরিবারেও পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতার কিছু প্রভাব ছিল। কিন্তু সেই পরিস্থিতি স্থায়ী হয়নি। পরিবারের মেয়েরা নিজেদের অধিকার নিয়ে সরব হয়েছেন এবং সমান অংশীদারত্ব দাবি করেছেন।

    উপাসনা বলেন, পরিবারের নারীরা নিজেদের অবস্থান প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন বলেই আজ নারী ও পুরুষকে সমানভাবে দেখা হয়। ভারতের মতো সমাজে, যেখানে উত্তরাধিকার এবং পারিবারিক ব্যবসার নেতৃত্ব দীর্ঘদিন ধরে পুরুষের হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল, সেখানে উপাসনার এ বক্তব্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

    অন্যদিকে রামচরণও শুধু অভিনেতা হিসেবে সীমাবদ্ধ নন। ভারতের অন্যতম সফল চলচ্চিত্র পরিবারের সদস্য হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায়। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনার সঙ্গেও যুক্ত। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান একাধিক সফল সিনেমা নির্মাণ করেছে। এ ছাড়া ঘোড়দৌড় ও অশ্বারোহণের প্রতি রামচরণের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। এই আগ্রহ থেকেই তিনি হায়দরাবাদ পোলো অ্যান্ড রাইডিং ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগেও তার অংশীদারত্ব রয়েছে। ফলে রামচরণ ও উপাসনা— দুজনই নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রভাবশালী অবস্থান তৈরি করেছেন।

    এবার সংসার সমীকরণ প্রসঙ্গে অভিনেতা রামচরণ বলেছেন, তাদের সংসারের প্রকৃত ‘বস’ উপাসনা। তিনি বলেন, একজন অভিনেতার জীবন অত্যন্ত অনিয়মিত। কখন কোথায় শুটিং, কখন কাজ শেষ হবে— সবকিছুই অনিশ্চিত। এমন জীবনে সংসার সামলাতে অনেক সমঝোতার প্রয়োজন হয়। অভিনেতা বলেন, সেই ভারসাম্য রক্ষায় উপাসনার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    অন্যদিকে উপাসনাও সবসময় স্বামীর সাফল্যে গর্ববোধ করে থাকেন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বাস করেন, একটি সুস্থ সম্পর্কের ভিত্তি হলো— পারস্পরিক সম্মান, নিরাপত্তাবোধ এবং একে অপরের সাফল্যকে উদযাপন করার মানসিকতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রণবীরকে অহেতুক হেনস্তা করা হচ্ছে: পুনম

    বলিউড অভিনেতা রণবীর সিংয়ের ‘ডন ৩’ থেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সে প্রসঙ্গে এবার অভিনেতার সমর্থনে মুখ খুললেন অভিনেত্রী তথা সিন্টার সভাপতি পুনম ধিঁলো। তিনি বলেন, রণবীর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা প্রশংসার যোগ্য। এমনকি প্রযোজনা সংস্থার ক্ষতির কথা মাথায় রেখে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাবও তিনি দিয়েছিলেন বলে জানান পুনম।

    এর আগে গত বছর ডিসেম্বর মাসে ‘ডন ৩’ সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ান রণবীর সিং। এরপর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে বিতর্ক শুরু হয়। ফেডারেশন অব ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিন এমপ্লয়িস তার বিরুদ্ধে ‘নন-কোঅপারেশন ডিরেক্টিভ’ জারি করে। যদিও পরে সেই নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়। এই পুরো ঘটনায় শুরু থেকেই রণবীরের পাশে ছিল ‘Cine and TV Artistes Association।’ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পুনম ধিলো বলেন, তার বিশ্বাস রণবীর অত্যন্ত দায়িত্বশীল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে কারও ক্ষতি করার মানুষ রণবীর নন। বরং এক্সেল এন্টারটেনমেন্টের সঙ্গে রণবীরের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। এর আগে Dil Dhadakne Do এবং Gully Boy-এর মতো সফল ছবিতে প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে কাজ করেছেন রণবীর।

    পুনম বলেন, কোনো অভিনেতা কোনো সিনেমা করতে অস্বস্তিবোধ করতেই পারেন। তার পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে। কিন্তু রণবীরের প্রশংসা প্রাপ্য এ কারণে যে, তিনি প্রযোজকদের আর্থিক ক্ষতির কথা বিবেচনা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং সাইনিং অ্যামাউন্টও ফেরত দিতে রাজি হয়েছিলেন। পুনম বলেন, অনেকেই তো সেটাও করেন না।

    বিনোদন ডেস্ক