Tag: অভিনেতা

  • বিয়ে নিয়ে ‘রসিকতা’ করায় ‘নারী বিদ্বেষী’ কটাক্ষ, পালটা জবাব ভিকির

    সময়ের আলোচিত বলিউড অভিনেতা ভিকি কৌশল ২০২১ সালের ৯ ডিসেম্বর রাজস্থানের সিক্স সেন্সেস ফোর্ট বারওয়ারায় ধুমধাম করে অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন। দীর্ঘদিন নিজেদের সম্পর্ক গোপন রাখার পর বিয়ে করেন এ তারকা জুটি। ২০২৫ সালে তাদের কোল আলো করে আসে পুত্রসন্তান ‘বিহান’। 

    গত মার্চে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ‘স্ত্রী ও দাম্পত্য’ নিয়ে রসিকতা করে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ভিকি কৌশল। নেটিজেনদের একাংশ তার সেই মন্তব্যকে ‘নারী বিদ্বেষী’ বলে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। এবার সেই বিতর্ক ও ট্রলিং নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন অভিনেতা। ‘দ্য নড ম্যাগাজিন’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভিকি কৌশল বলেন, তারকা হলেই যে কাউকে সবসময় নিখুঁত হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই।

    সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে বরের বাবার সঙ্গে কথা বলছেন ভিকি কৌশল। একপর্যায়ে তিনি বরকে উদ্দেশ্য করে তার ‘উরি’ সিনেমার বিখ্যাত সংলাপ ‘হাউজ দ্য জোশ’ আওড়াতে বলেন। 

    এ সময় উপস্থিত অতিথিরা সমস্বরে ‘হাই, স্যার’ বলে উঠতেই ভিকি ফোড়ন কেটে বলেন, আমি খেয়াল করেছি, অবিবাহিতদের জোশ সবসময় হাই থাকে। আমাদের মতো বিবাহিতদের জোশ বছরের পর বছর কমতে থাকে। তবে চিন্তার কিছু নেই, চার দিনে জোশ কমে না।

    অভিনেতার এমন মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে বিতর্ক। অনেকেই অভিনেতাকে ‘রেড ফ্ল্যাগ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। এক নেটিজেন মন্তব্য করে বলেছেন, আজকের প্রজন্ম যখন এ ধরনের নারী বিদ্বেষী রসিকতা এবং বাঁধাধরা মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে, ঠিক তখনই ভিকির মতো মানুষের কাছ থেকে এমনটি আশা করা যায় না।

    অন্য আরেক নেটিজেন ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ভীষণ বিরক্তিকর। ভাবতাম উনি একজন আদর্শ স্বামী, এবার সেই ভুল ভাঙল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে এমন কটাক্ষের পর অভিনেতা ভিকি কৌশল নীরবতা ভাঙলেন? নেটিজেনদের একাংশের এ সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, মানুষ তাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবে, তার ওপর তার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। 

    অভিনেতা বলেন, আপনি একজন পাবলিক ফিগার বলেই যে আপনাকে সবসময় পারফেক্ট হতে হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই। মাঝে মাঝে আমাদের সমালোচনা পাওয়াই উচিত। এর থেকে আমার বড় শিক্ষা হলো— মানুষ আমাকে যতটা ভালোবাসা দেন, তার সঙ্গে একটা বড় দায়িত্বও আসে।

    তিনি আরও বলেন, এমন কোনো অভিনেতা নেই, যিনি খ্যাতি পেয়েছেন অথচ তার উল্টো দিকটা দেখেননি। আমি সচেতনভাবেই এ পেশা বেছে নিয়েছি। এখন এই খ্যাতি আমি কীভাবে সামলাব, তা সম্পূর্ণ আমার ওপর নির্ভর করছে। আর সমালোচনা যদি গঠনমূলক হয়, তবে তা থেকে অবশ্যই শেখা উচিত।

    উল্লেখ্য, ভিকি কৌশলকে আগামীতে দেখা যাবে সঞ্জয় লীলা বানশালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ সিনেমায়। এই বিগ বাজেট সিনেমাটিতে তার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করবেন রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট। রোমান্টিক ঘরানার এ সিনেমাটি চলতি বছরেই মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে এর কাজ বাকি থাকায় মুক্তির তারিখ পিছিয়েছে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সমালোচনার কড়া জবাব দিলেন প্যাটিনসন

    ‘ব্যাটম্যান: পার্ট ২’ চলচ্চিত্রে নিজের চরিত্রের জন্য যথাযথ শারীরিক প্রস্তুতি নেননি—গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন হলিউড তারকা রবার্ট প্যাটিনসন। 

    সম্প্রতি ৪০ বছর বয়সি এই টোয়াইলাইট খ্যাত অভিনেতা শারীরিক কসরত এড়িয়ে যাওয়ার দাবিটিকে সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে জানিয়েছেন, এই সুপারহিরো চরিত্রের জন্য তিনি অত্যন্ত কঠোর ও নিয়মতান্ত্রিক ফিটনেস রুটিন মেনে চলছেন। 

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে প্যাটিনসনের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল, যেখানে তিনি মজা করে ওয়ার্কআউট করাকে ‘আনকুল’ বা ফ্যাশনবহির্ভূত বলে অভিহিত করেছিলেন। নেটিজেনদের একাংশ তখন থেকেই ব্যাটম্যান চরিত্রের প্রতি তার আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। 

    সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত লাইফস্টাইল সাময়িকী জিকিউ ম্যাগাজিন-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে প্যাটিনসন নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। 

    তার শারীরিক প্রস্তুতি নিয়ে ওঠা দাবিগুলোকে সম্পূর্ণ ভুল আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিদিন জানপ্রাণ দিয়ে ওয়ার্কআউট করেছি। কিন্তু এত পরিশ্রমের পরেও দেখতে এমন লাগে যেন আমি ব্যায়ামই করিনি! আমি দিনে দুইবার করে ওয়ার্কআউট করেছি, কখনো কখনো ভোররাত তিনটার দিকেও আমাকে জিমে ঘাম ঝরাতে হয়েছে।’ 

    জনসাধারণের ধারণা যাই হোক না কেন, তিনি যে নিজের ব্যায়ামের রুটিন নিয়ে অত্যন্ত ধারাবাহিক ছিলেন, তা তিনি দৃঢ়ভাবে পুনর্ব্যক্ত করেন। 

    ব্যাটম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজির আগামী সিক্যুয়েলের জন্য নিজেকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখতে প্যাটিনসন বেভারলি হিলসে তার নিজস্ব বাসভবনে একটি ব্যক্তিগত জিমনেসিয়ামও তৈরি করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কিছুটা রসিকতার ছলে তিনি স্বীকার করেন, চরিত্রের প্রয়োজনে ফিট থাকার জন্য অভিনেতা এখন পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে তিনি এটিও উল্লেখ করেছেন যে, সিনেমার মূল শুটিংয়ের অফিশিয়াল শিডিউল বা সময়সূচি এখনো তার হাতে এসে পৌঁছায়নি। 

    প্যাটিনসন জানান, সম্প্রতি সিনেমার স্ট্যান্ট কোঅর্ডিনেটরের সঙ্গে তার কথা হয়েছে এবং সেখান থেকেই তিনি জানতে পেরেছেন যে সিনেমাটির প্রোডাকশন শিডিউল বেশ কঠিন হতে যাচ্ছে। 

    প্যাটিনসন বলেন, ‘কদিন আগে স্ট্যান্টের দায়িত্বে থাকা ভদ্রলোক আমাকে বললেন, উফ, টানা ১১ সপ্তাহ রাতের শিফটে শুটিং করতে হবে। আমি তো অবাক হয়ে বললাম, বলছেন কী! আমাকে তো এখনো কেউ কোনো শিডিউলই পাঠায়নি!’ 

    ম্যাট রিভস পরিচালিত এই বহুল প্রতীক্ষিত সিক্যুয়েলটি নিয়ে ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে কমিকস ও সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে তুমুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। ছবিটিতে আরও অভিনয় করছেন সেবাস্তিয়ান স্ট্যান, স্কারলেট জোহানসন, ব্রায়ান টাইরি হেনরি, চার্লস ড্যান্স এবং সেবাস্তিয়ান কখ। 

    ‘ব্যাটম্যান: পার্ট ২’ চলচ্চিত্রটি ২০২৭ সালের ১ অক্টোবর মুক্তির কথা রয়েছে। 

    বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৭ সালের সবচেয়ে বড় এবং প্রতীক্ষিত সুপারহিরো সিক্যুয়েলগুলোর একটি হতে যাচ্ছে এটি। আর পর্দার পেছনে প্যাটিনসনের এই কঠোর পরিশ্রমই প্রমাণ করে, পর্দায় আবারও এক দুর্দান্ত ‘ডার্ক নাইট’কে দেখতে চলেছেন দর্শকরা। 

    সূত্র: জিও নিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্পাইডারম্যান নিয়ে নিজের পুরোনো মন্তব্য থেকে সরে এলেন হল্যান্ড

    স্পাইডারম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে নিজের করা অন্যতম আলোচিত ও বহুল প্রচারিত একটি মন্তব্য থেকে অবশেষে সরে এসেছেন হলিউড তারকা টম হল্যান্ড। 

    ২০২১ সালে বিশ্বখ্যাত লাইফস্টাইল সাময়িকী জিকিউ ম্যাগাজিন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হল্যান্ড বলেছিলেন, ‘৩০ বছর বয়সের পরেও যদি আমি স্পাইডারম্যান চরিত্রে অভিনয় করতে থাকি, তবে বুঝতে হবে আমি নিশ্চিতভাবেই কোনো ভুল করছি।’

    তবে সম্প্রতি এই অভিনেতা অকপটে স্বীকার করেছেন, যখন তিনি ওই মন্তব্যটি করেছিলেন, তখন আসলে ঠিক কী ভেবে করেছিলেন তা তার নিজেরও জানা নেই।

    বর্তমানে হল্যান্ডের বয়স ঠিক ৩০ বছর। অথচ স্পাইডারম্যান হিসেবে তার নতুন সিনেমা ব্র্যান্ড নিউ ডে আগামী ৩১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে এবং এখনই এই সুপারহিরো স্যুটটি তুলে রাখার কোনো পরিকল্পনা তার নেই বলে জানান অভিনেতা। 

    সম্প্রতি ক্রিস্টোফার নোলানের আসন্ন সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’র প্রচারণামূলক কাজের অংশ হিসেবে আবারও জিকিউ-এর মুখোমুখি হয়ে নিজের এই স্ববিরোধী মন্তব্য নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। 

    নিজের পুরোনো মন্তব্যটি নিয়ে হাসতে হাসতে টম হল্যান্ড বলেন, ‘মজার ব্যাপার হলো, সম্প্রতি কোটেশনটি আবার কোথাও আমার চোখে পড়েছে এবং আমি নিজেই কিছুটা ভড়কে গিয়েছিলাম। কারণ আমি মনে করার চেষ্টা করছিলাম যে আসলে কোন অর্থে আমি কথাটা বলেছিলাম।’ 

    নিজের পুরোনো মন্তব্যের সপক্ষে একটি ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে তিনি জানান, সেটি আসলে অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কোনো ব্যক্তিগত ডেডলাইন ছিল না, বরং চরিত্রটির উত্তরাধিকার নিয়ে কথা ছিল। বিশেষ করে, অন্য কারো হাতে এই ব্যাটন বা চরিত্রটি তুলে দেওয়ার দীর্ঘদিনের সুপ্ত ইচ্ছার কথাই তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হল্যান্ড বলেন, ‘আমি আসলে বোঝাতে চেয়েছিলাম যে আমি চরিত্রটির ব্যাটন পরবর্তী কারো হাতে তুলে দিতে পারলে খুশি হব, যা আমি এখনো অর্জন করতে পারিনি। স্টুডিওতে আমরা এটা নিয়ে প্রায়ই আলোচনা করি। 

    তাই হয়তো এখন আমার কোটেশনটি পরিবর্তন করে ৩০-এর জায়গায় ৩৭ বছর করা উচিত!’ 

    তবে এর পেছনে আরও একটি হিসাবনিকাশের তত্ত্বও উড়িয়ে দিচ্ছেন না এই অভিনেতা। তিনি রসিকতার ছলে বলেন, ‘এমনও হতে পারে যে সনি-র সঙ্গে তখন আমার নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছিল। তাই স্পাইডারম্যান ৪-এ আমি থাকব না—এমন একটা ভয় দেখিয়ে তাদের ওপর একটু চাপ সৃষ্টি করতে চেয়েছিলাম। আমি নিশ্চিত নই আসলে কী ছিল, এটি ভয় দেখানোর একটি কৌশলও হতে পারে।’ 

    অতীতের উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, চরিত্রটি নিয়ে বর্তমানে তার অবস্থান একদম পরিষ্কার। হল্যান্ড বলেন, ‘সত্যি বলতে, স্পাইডারম্যান চরিত্রে অভিনয় করাটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়। আমি এখন এমন এক অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছি যেখানে আমি বলতে পারি—যতদিন তারা আমাকে চাইবে, আমি এই চরিত্রে অভিনয় করে যাব।’ 

    স্পাইডারম্যান চরিত্রের প্রতি হল্যান্ডের এই ভালোবাসার প্রমাণ আগেও পাওয়া গেছে। তিনি নিজে সনি পিকচার্সের কাছে লবিং করে ব্র্যান্ড নিউ ডে সিনেমার কাজ কিছুটা পিছিয়ে দেন, যাতে তিনি প্রথমে ক্রিস্টোফার নোলানের দ্য ওডিসি-র শুটিং শেষ করতে পারেন। 

    এর চেয়েও বড় প্রমাণ মেলে ২০১৯ সালে, যখন ডিজনী ও সনির মধ্যকার চুক্তি ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল এবং মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স থেকে স্পাইডারম্যান বাদ পড়ার ঝুঁকিতে ছিল। তখন হল্যান্ড নিজে ডিজনীর প্রধান নির্বাহী বব আইগারকে ফোন করে কেঁদে ফেলেছিলেন এবং চরিত্রটির ভবিষ্যতের জন্য অনুরোধ করেছিলেন।

    পরবর্তীতে বব আইগার সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করে বলেছিলেন, ‘টম ফোনে কাঁদছিল। ওর সেই অকৃত্রিম আবেগ দেখেই আমি নিজে সনির সঙ্গে আবার কথা বলার সিদ্ধান্ত নিই—টম এবং ভক্তদের স্বার্থে। আর এভাবেই চুক্তিটি রক্ষা পায়।’ 

    যে মানুষটি একসময় ভেবেছিলেন ৩০ বছর বয়সেই স্পাইডার-ম্যান অধ্যায় শেষ করবেন, ২০২৬ সালে এসে মনে হচ্ছে পিটার পার্কার হিসেবে তার আসল যাত্রা তো কেবল শুরু হলো! 

    সূত্র: জিও নিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কৃতি ও রাশমিকার মধ্যে বিতর্কিত সম্পর্ক, যা বললেন অভিনেত্রী

    ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ‘ককটেল ২’ সিনেমার ট্রেলার ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। যে সিনেমায় উঠে আসছে ত্রিকোণ প্রেমের প্রেক্ষাপট। তবে এবারের গল্পে সমকামী প্রেমেরও ছাপ পড়েছে। ট্রেলারের ঝলক দেখে নানা প্রশ্নও উঠছে। প্রতিটা চরিত্র তাদের নিজস্বতা দিয়ে নানা মুহূর্ত শেয়ার করেছেন। অভিনেত্রী কৃতি শ্যাননকে মজার ছলে বলতে শোনা গেছে ‘থ্রিসাম’-এর মতো, যা ঘিরে শুরু হয়েছে নেটিজেনদের মাঝে বিস্তর চর্চা।

    অভিনেতা শহীদ কাপুর ও কৃতি শ্যাননের পাশাপাশি গল্পে রয়েছেন অভিনেত্রী রাশমিকাও। এ সিনেমায় শহীদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলেও মনে করা হয়। তিনজনের মধ্যে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে ঘনিষ্ঠতা। সেখানেই বেশ কিছু আবেগঘন দৃশ্য দেখানো হয়েছে।

    শুধু বিভিন্ন দৃশ্যের জন্য নয়; এ সিনেমায় তারকাদের পারিশ্রমিক নিয়েও হয়েছে বিস্তর চর্চা। বিশেষ করে শহীদ কাপুরের পারিশ্রমিক নিয়েও তুঙ্গে চর্চা। প্রায় ৩৫ কোটি টাকা নিয়েছেন তিনি। এক তরুণীর চরিত্রে দেখা গেছে কৃতিকে। ‘ককটেল ২’  সিনেমার জন্য ১৫ কোটি টাকা করেই পারিশ্রমিক পেয়েছেন কৃতি ও রাশমিকা মান্দানা। 

    তবে যে বিষয় নিয়ে সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে, তা হলো— সমকামী যুগল হিসেবে দেখা যাবে কৃতি ও রাশমিকাকে। যদিও এ বিষয়টিকে ‘সমকামী’ বলতে নারাজ কৃতি শ্যানন। দুজন ছেলের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব হলে যদি এমনটি মনে করা না হয়, তাহলে দুজন মেয়ের ক্ষেত্রে কেন? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেত্রী কৃতি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফুটবলপ্রেমী শাহরুখ যেভাবে ‘কেকেআর’র মালিক হলেন

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি দল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। যদিও এই ফ্র্যাঞ্চাইজির ভিত্তিপ্রস্তর কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করপোরেট বোর্ডরুমে কিংবা কলকাতায় স্থাপিত হয়নি; এর বীজ রোপিত হয়েছিল জয়পুরের একটি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। 

    ঘটনাটি ঘটেছিল সেদিন, যেদিন গ্যালারির হাজার হাজার দর্শককে উন্মাতাল হতে দেখেছিলেন ললিত মোদি—আর এর নেপথ্যে কোনো ক্রিকেটার ছিলেন না, ছিলেন স্বয়ং বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। 

    সম্প্রতি হিউম্যানস অব বোম্বে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইপিএলের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বিসিসিআই-এর সাবেক সহ-সভাপতি ললিত মোদি টুর্নামেন্টের অন্যতম জনপ্রিয় এই দলটির শুরুর গল্প শুনিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি উন্মোচন করেছেন, কীভাবে ক্রিকেট সম্পর্কে প্রায় অজ্ঞ এবং ফুটবলপ্রেমী এক বলিউড তারকাকে এমন একটি দল কিনতে রাজি করানো হয়েছিল, যার জন্য প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত অর্থও সে সময় তার সঞ্চয়ে ছিল না। 

    ললিত মোদি সেই দিনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘আমি যখন বিসিসিআই-এর সহ-সভাপতি, তখন শাহরুখকে রাজস্থানের একটি ম্যাচ দেখতে নিয়ে যাই। জয়পুরের মাটিতে সেটিই ছিল প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আইপিএল শুরুর প্রায় এক বছর আগের ঘটনা এটি। মাঠে শাহরুখ পা রাখামাত্রই পুরো গ্যালারি যেভাবে ফেটে পড়েছিল, তা ছিল অবিশ্বাস্য। চোখের পলকে সে ম্যাচের মূল আকর্ষণে পরিণত হয়।’ 

    দর্শকদের এই অভাবনীয় উন্মাদনা ললিত মোদির মনের একটি ধারণাকে শতভাগ নিশ্চিত করে দেয়—ভারতবর্ষে যদি ক্রিকেট ও বলিউডকে এক সুতোয় গাঁথা যায়, তবে এমন একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ তৈরি করা সম্ভব যা ভারতীয় টেলিভিশনের প্রাইম-টাইম বা মূল সম্প্রচার সময়কে পুরোপুরি শাসন করতে পারবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে বিসিসিআই-এর মাধ্যমে ললিত মোদি ইতোমধ্যেই ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী বিজ্ঞাপন বাজার নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছিলেন। তবে আইপিএল নিয়ে তার চ্যালেঞ্জটা ছিল একদমই ভিন্ন। বর্তমান বিশ্বের সেরা এই ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগটিকে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নামতে হতো ভারতীয় টেলিভিশনের জনপ্রিয় ‘শাশুড়ি-বউ’ ধারার ধারাবাহিক নাটকগুলোর সঙ্গে, তাও আবার রাত ৮টার সবচেয়ে মূল্যবান স্লটে। 

    মোদি বলেন, ‘ভারতে মূলত দুটি জিনিস সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়—ক্রিকেট এবং বলিউড। ক্রিকেটীয় বিজ্ঞাপনের টাকা আমি আগেই বিসিসিআই-এর জন্য নিশ্চিত করেছিলাম। আর বাকি সব বড় বড় ব্র্যান্ডের টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের বাজেট যাচ্ছিল বিনোদন দুনিয়ায়। আইপিএলকে সফল করতে আমার রাত ৮টার ওই স্লটটি দরকার ছিল। ক্রিকেটকে এর আগে কখনো রাতের প্রাইম-টাইম প্রোডাক্ট হিসেবে ভাবা হয়নি। এমনকি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও দিনের আলোতেই হতো। রাতের বেলা এই মেগা ইভেন্ট নামানোটা ছিল এক বিশাল ঝুঁকি।’ 

    ললিত মোদি হিসাব কষে দেখলেন, দলগুলোর মালিকানায় যদি তারকাদের রাখা যায়, তবে কেবল ক্রিকেটপ্রেমীরাই নন, বরং বিনোদন দুনিয়ার বিশাল দর্শক শ্রেণিও খেলা দেখতে মাঠ ও টেলিভিশনের পর্দায় ভিড় জমাবে। আর এই ভাবনায় তার প্রথম পছন্দই ছিলেন শাহরুখ খান।

    তবে পরিকল্পনার মাঝে বড় একটি বাধা ছিল—শাহরুখ খান মোটেও ক্রিকেটের ভক্ত ছিলেন না।

    ললিত মোদি হেসে বলেন, ‘দল মালিকানার জন্য শাহরুখের চেয়ে যোগ্য আর কে হতে পারত? কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, শাহরুখ ক্রিকেট পছন্দ করতেন না এবং খেলাটি ভালো বুঝতেনও না। তিনি ছিলেন মূলত ফুটবলের ভক্ত। আমি যখন তাকে দল কেনার প্রস্তাব দিই, তিনি বেশ দ্বিধায় পড়ে যান এবং বলেন, ‘আমি তো ক্রিকেট বুঝি না।’ আমি তাকে আশ্বস্ত করে বলেছিলাম, ফুটবল নিয়েই থাকুন, ক্রিকেট ও সঠিক দল গোছানোর দায়িত্ব আমার।’ 

    এরপরের বাধাটি ছিল আর্থিক। শাহরুখ জানতে চেয়েছিলেন, ‘আমি যদি নিলামে দল পেয়েও যাই, তবে আমাকে কত রুপি দিতে হবে?’ মোদি জানান, প্রাথমিক ডাউন পেমেন্ট হিসেবে লাগবে ২০ কোটি রুপি। শুনে শাহরুখের চটজলদি উত্তর ছিল, ‘কিন্তু এটা তো আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঞ্চয়ের একটা বড় অংশ!’ 

    এই আর্থিক জটিলতার একটি দারুণ ও সময়োপযোগী সমাধান বের করেন ললিত মোদি। সেই সময়ে মোবাইল হ্যান্ডসেট বাজারের শীর্ষ ব্র্যান্ড ‘নকিয়া’ দীর্ঘদিন ধরে শাহরুখকে তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে পেতে চাচ্ছিল, কিন্তু শাহরুখ তাতে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না। 

    ললিত মোদি এই সুযোগটি কাজে লাগান। তিনি বলেন, ‘শাহরুখের ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপনের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ আমার ছিল না। তাই আমি সরাসরি নকিয়াকে প্রস্তাব দিই—শাহরুখ যদি একটি দল কেনেন, তবে তারা সেই দলের জার্সির প্রধান স্পনসর হবে কিনা? আমি তাদের গ্যারান্টি দিয়েছিলাম যে শাহরুখ স্বয়ং তাদের লোগো সম্বলিত জার্সি ও ক্যাপ পরবেন। বিনিময়ে তাদের কাছে ৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২০ কোটি রুপি) অগ্রিম দাবি করি। তারা এক বাক্যে রাজি হয়ে যায়।’ 

    সে সময়ে এই দূরদর্শী চুক্তি সবার জন্যই এক দারুণ সমীকরণ নিয়ে আসে। নকিয়ার জন্য শাহরুখের দলের স্পনসর হতে পারাটা ছিল বিশাল ব্র্যান্ডিং, আবার নকিয়ার অগ্রিম টাকার কারণে শাহরুখের পকেট থেকে কোনো বাড়তি টাকাই খরচ হলো না। ললিত মোদির ভাষায়, ‘সে মূলত একদম বিনামূল্যে দলটি পেয়ে গিয়েছিল।’ 

    আর এই পুরো অর্থায়ন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছিল মাত্র এক দিনের ব্যবধানে। দুপুর ১২টায় শাহরুখ দল কেনার চেকে সই করেন, আর বিকেলের মধ্যেই নকিয়া কেকেআর কনসোর্টিয়ামের স্পনসরশিপের অগ্রিম চেকটি বুঝিয়ে দেয়। 

    পরবর্তীতে জুহি চাওলা এবং ব্যবসায়ী জয় মেহতার যৌথ মালিকানায় কলকাতা নাইট রাইডার্স বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয়, বাণিজ্যিকভাবে সফল এবং একাধিক শিরোপাজয়ী ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। আর এভাবেই ক্রিকেট না বোঝা এক ফুটবলপ্রেমী মালিকের হাত ধরে যাত্রা শুরু হয় কেকেআরের। 

    সূত্র: এমএসএন 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন আমির খান

    চলতি বছরেই জীবনের এক নতুন ইনিংস শুরু করতে যাচ্ছেন সুপারস্টার আমির খান। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৫ জুলাই এক ঘরোয়া আয়োজনে তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন এই বলিউড অভিনেতা। 

    পাত্রী তার প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাট, যার সঙ্গে গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্কে রয়েছেন ৬০ বছর বয়সী আমির। 

    সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আমির ও গৌরী গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে একই ছাদের নিচে আছেন। অবশেষে তারা এই সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে যাচ্ছেন। 

    আমির ও গৌরীর প্রেমের শুরুটা ২০২৪ সালের শুরুর দিকে। আমিরের কাজিন নুজহাত খানের মাধ্যমে বেঙ্গালুরুতে তাদের প্রথম দেখা হয়। দীর্ঘদিনের চেনা-জানা থাকলেও ২০২৫ সালে নিজের ৬০তম জন্মদিনে আমির খান আনুষ্ঠানিকভাবে গৌরীকে মিডিয়া ও সবার সামনে নিজের ‘সঙ্গী’ বা পার্টনার হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন। 

    গৌরী স্প্র্যাট আগে বেঙ্গালুরুর একটি নামী সেলুন চেইনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে বর্তমানে তিনি আমিরের প্রযোজনা সংস্থা ‘আমির খান প্রোডাকশনস’-এ কর্মরত আছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গৌরীর একটি পারিবারিক ঐতিহাসিক পরিচয়ও রয়েছে; তিনি ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত কমিউনিস্ট বুদ্ধিজীবী ফিলিপ স্প্র্যাটের নাতনি, যিনি ১৯২০-এর দশকে ভারতে এসেছিলেন এবং পরবর্তীতে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলেন। গৌরীর আগের সংসারে কুইন নামের ৭ বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। 

    জানা গেছে, কোনো জাঁকজমকপূর্ণ বা বড় ধরনের পাবলিক অনুষ্ঠান ছাড়াই আমিরের নিজস্ব বাসভবনেই এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। চূড়ান্ত অতিথি তালিকা এখনো গোপন রাখা হলেও বলিপাড়ার গুঞ্জন—আমিরের দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু সালমান খান এবং শাহরুখ খান তাদের ব্যস্ত শিডিউল থেকে সময় মেলাতে পারলে এই বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন। 

    প্রসঙ্গত, গৌরীর সঙ্গে সম্পর্ক নিজের জীবনে এক বড় স্বস্তি ও স্থায়িত্ব এনে দিয়েছে বলে অকপটে স্বীকার করেছেন আমির। সম্প্রতি ‘স্ক্রিন’-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘গৌরী আর আমি একে অপরের প্রতি ভীষণ সিরিয়াস এবং আমরা অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি সম্পর্কে আছি। আমরা একে অপরের জীবনসঙ্গী। সত্যি বলতে, মনের দিক থেকে আমি নিজেকে ওর সঙ্গে বিবাহিতই মনে করি। এখন এটাকে কাগজে-কলমে কবে আনুষ্ঠানিক রূপ দেব, তা আমরা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নেব।’ 

    এর আগে আমির খান দুবার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন। মাত্র ২১ বছর বয়সে প্রথম স্ত্রী রিনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন আমির। এই সংসারে তার দুই সন্তান রয়েছে—আইরা খান এবং জুনায়েদ খান। ১৬ বছর সংসারের পর ২০০২ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। 

    এরপর ২০০৫ সালে নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। সারোগেসির মাধ্যমে এই দম্পতির ঘরে আসে পুত্র আজাদ রাও খান। ২০২১ সালে এই দীর্ঘ ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবনেরও অবসান ঘটে। 

    তবে দুই সাবেক স্ত্রীর সঙ্গেই আমিরের বর্তমান সম্পর্ক অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ। সন্তানদের সহ-অভিভাবকত্ব (কো-প্যারেন্টিং) করার পাশাপাশি বিভিন্ন পারিবারিক উৎসব ও অনুষ্ঠানে রিনা ও কিরণ—উভয়কেই আমিরের পাশে হাসিমুখে দেখা যায়। জীবনের এই নতুন অধ্যায়েও দুই পরিবারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে জানা গেছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেন মনীষার সঙ্গে শুটিং করতে রাজি হননি ববি?

    বলিউডে একসময় ববি দেওল ও মণীষা কৈরালার জুটি দর্শকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় ছিল। নব্বই দশকে তারা একাধিক সিনেমায় জুটি হয়ে কাজ করেছেন। তবে সম্প্রতি এক পুরোনো ঘটনার কথা সামনে এসেছে, যা শুনে অনেকেই অবাক হয়েছেন।

    একসময় মণীষার সঙ্গে একটি দৃশ্যের শুটিং করতে আপত্তি জানিয়েছিলেন ববি। কিন্তু কেন?

    বলিউড অভিনেতা ববি দেওল তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের অনেক মজার ও আকর্ষণীয় গল্প শেয়ার করে নিয়েছেন। আসলে ক্যারিয়ারের শুরুতে ইন্ডাস্ট্রিতে তার এমন একটি ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছিল যে, তিনি সহ-অভিনেত্রীদের বিরক্ত করেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ববি হাসতে হাসতে এসব গুঞ্জনের নেপথ্যের কারণ প্রকাশ  করেন।

    প্রথম সিনেমার শুটিংয়ের সময় টুইঙ্কেল খান্নার সঙ্গে ক্রমাগত ঝগড়া করতেন কিনা— এমন প্রশ্নের উত্তরে ববি হেসে বলেন, ‘আমরা দুজনেই তখন খুব তরুণ এবং অনভিজ্ঞ ছিলাম। দুঃখিত, কিন্তু আমার ছোটবেলা থেকেই পেটের সমস্যা আছে। আমি সেটে সবসময় এটা নিয়ে কথা বলতাম। যেমন আজ ওয়াশরুমে গিয়েছিলাম কিনা বা সব কিছু কেমন চলছে।

    আমার এই অভ্যাসে টুইঙ্কেল খুব বিরক্ত হতো। ব্যাপারটা চরমে পৌঁছায় যখন সে সিনেমার জন্য তার সাক্ষাৎকারে আমার সমস্যার কথা উল্লেখ করে। আমি সঙ্গে সঙ্গে ওকে ফোন করে বলি— তুমি সাক্ষাৎকারে এমন কথা কী করে বলতে পারো?’ তবে এটা ছিল শুধুই ছেলেমানুষি।’

    এছাড়া ‘বিচ্ছু’ সিনেমার সময় তিনি নাকি রানি মুখার্জির উচ্চতা নিয়ে ঠাট্টা করে তাকে ‘দেড় ফুটিয়া’ বলে ডাকতেন। ববি বলেন, ‘রানি আমার খুব ভালো বন্ধু, আর আমাদের বন্ধুত্বটা এ সিনেমার সেটেই শুরু হয়েছিল। আসলে একটা গানের শুটিংয়ের সময় আমরা একটা নৌকায় ছিলাম। খুব জোরে হাওয়া বইছিল, তাই রানি বলল যে, সে অন্যদিকে মুখ করে দাঁড়াবে, যাতে তার চুল মুখে না পড়ে।’

    ‘কিন্তু এমনটা করতে গিয়ে ওর চুল আমার মুখের ওপর এসে পড়ল। আমি ওকে একপাশে সরে দাঁড়াতে বললাম, যাতে আমাদের দুজনের চুল একই দিকে ওড়ে। আমরা কেউই হার মানতে রাজি ছিলাম না, আর আমাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে গেল। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়— ওই একটা ঝগড়ার পরেই আমাদের মধ্যে এতটাই সখ্যতা গড়ে উঠল যে, আমরা ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে গেলাম। এরপর থেকে ও প্রতিদিন বাড়ি থেকে আমার জন্য মজাদার খাবার নিয়ে আসত।’ 

    ১৯৯৭ সালের সুপারহিট সিনেমা ‘গুপ্ত: দ্য হিডেন ট্রুথ’ থেকেও একটি মজার ঘটনা শেয়ার করেন ববি দেওল। গুঞ্জন ছিল— অভিনেত্রী মনীষা কৈরালার মুখের দুর্গন্ধের কারণে তিনি তার সঙ্গে একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করতে রাজি হননি।

    সে প্রসঙ্গে ববি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমার মনে আছে। শুটিংয়ের সময় খুব ঠান্ডা ছিল। আর একজন ভাজাছোলা বিক্রি করছিল, যা মনীষা খুব আনন্দের সঙ্গে খাচ্ছিল। ঠিক তারপরেই একটি দৃশ্য ছিল, যেখানে ওকে আমার ঠোঁটে কামড় দিতে হতো। ওর মুখ থেকে পেঁয়াজের এত তীব্র গন্ধ আসছিল যে, আমি কোনো অভিব্যক্তিই প্রকাশ করতে পারিনি।’

    হাসতে হাসতে অভিনেতা আরও বলেন, এরপর আমাদের কলেজের ভেতরে একটা দৃশ্যের শুটিং করতে হয়েছিল, যেখানে এক নতুন ছেলে আমাকে মারতে যাচ্ছিল। আমি নতুন অভিনেতাটিকে তার অভিনয়ে বাস্তবতা আনার জন্য প্রচুর পেঁয়াজ খেতে বলেছিলাম। আমি ওকে অনেক পেঁয়াজ খাইয়ে মনীষার সামনে শুটিং করতে পাঠিয়ে দিলাম, কিন্তু মনীষার মুখের ভাব একটুও বদলায়নি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘কে ভেবেছিল একজন উন্মাদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হবেন?’, ট্রাম্পকে হলিউড অভিনেতার কটাক্ষ

    হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা রিচার্ড গিয়ার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করে তাকে একজন ‘উন্মাদ’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ভালো ‘প্রায় সবকিছুই ধ্বংস করে দিয়েছেন’। 

    সম্প্রতি অসলোতে ‘ভ্যাকলাভ হ্যাভেল ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর ক্রিয়েটিভ ডিসেন্ট’ (মানবাধিকার ও সৃজনশীল প্রতিরোধের জন্য প্রদত্ত পুরস্কার) প্রদান অনুষ্ঠানে ৭৬ বছর বয়সি এই তারকা বলেন, ‘আমরা এই গ্রহের বুকে আমার দেখা সবচেয়ে অন্ধকার মুহূর্তটির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।’ 

    শত শত দর্শকের উপস্থিতিতে গিয়ার প্রশ্ন তোলেন, ‘কে ভেবেছিল আমেরিকা এভাবে বদলে যেতে পারে? কে ভেবেছিল এই ধরণের একজন উন্মাদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হবেন? দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই এই ব্যক্তি মার্কিন সরকার এবং মার্কিন জনগণের ভালো ভালো উদ্যোগগুলোর প্রায় সবকিছুই ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন।’ 

    অসলো ফ্রিডম ফোরামে কারাবন্দি চীনা শিল্পী গাও জেন এবং মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী ভিন্নমতাবলম্বী সাই-এর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার সময় রিচার্ড গিয়ার স্বীকার করেন যে, হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের ফিরে আসার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতে তিনি নিজে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারেননি। 

    প্রবীণ এই অভিনেতা আক্ষেপ করে বলেন, ‘এটা কীভাবে সম্ভব হলো? কারণ আমরা ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। আমরা গুরুত্ব দিইনি। আমরা ভোট দিইনি। আমরা আসলে শুনিনি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নিজের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে গিয়ার জানান, কিছুদিন আগেই তিনি জার্মানির দাগাউতে অবস্থিত সাবেক নাৎসি কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেন, ‘আমাদের লক্ষণগুলো দেখতে হবে—এই দানবদের একনায়কতন্ত্র কত দ্রুত ঘটে যায়, তা বুঝতে হবে। আমাদের সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে।’ 

    দীর্ঘদিন ধরে তিব্বতের সমর্থক এবং বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষিত রিচার্ড গিয়ার প্রায়শই তিব্বতের নির্বাসিত আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামার সঙ্গে দেখা করেছেন। উল্লেখ্য, চীন সরকারের তরফ থেকে দালাই লামার বিরুদ্ধে হিমালয় অঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদ উসকে দেওয়ার অভিযোগ অনেকদিনের। 

    ২০২৪ সাল থেকে মার্কিন অভিনেতা রিচার্ড গিয়ার তার তৃতীয় স্ত্রী আলেজান্দ্রা সিলভার সঙ্গে স্পেনে বসবাস করছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়ের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনের মাঝেই তৃষার কড়া জবাব

    তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় এবং অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সম্পর্ক নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে দক্ষিণী চলচ্চিত্র পাড়ায় চলছে তীব্র গুঞ্জন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্রমাগত কটাক্ষ ও সমালোচনার শিকার হতে হচ্ছে তৃষাকে। এবার নীরবতা ভেঙে সমালোচকদের এক হাত নিলেন অভিনেত্রী। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি রহস্যময় পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিন্দুকদের মোক্ষম জবাব দিয়েছেন। 

    সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নিজের ‘মে ডাম্প’ (মে মাসের কিছু বিশেষ মুহূর্তের ছবি) শেয়ার করেন তৃষা। সেখানে নিজের কিছু চমৎকার মুহূর্তের পাশাপাশি তার পোষা কুকুরের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন, ‘ম্যাজিক্যাল মে-র আরও কিছু মুহূর্ত। যা আমার মুখে দীর্ঘদিন হাসি ধরে রাখবে।’ 

    তবে ভক্তদের নজর কেড়েছে তার শেয়ার করা একটি ভিডিওর ক্যাপশন। বিছানায় শুয়ে থাকা তার পোষ্য কুকুরের একটি ভিডিওর ওপর তৃষা লেখেন, ‘আমার ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলানোর অনুমতি কেবল এই একটি নাকেরই রয়েছে।’ 

    সেখানে কোনো নাম উল্লেখ না করলেও, নেটিজেনদের বুঝতে বাকি নেই যে এই বার্তাটি আসলে তাকে নিয়ে ছড়াতে থাকা গুঞ্জন এবং সমালোচকদের উদ্দেশেই দেওয়া। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    যেভাবে ছড়াল বিজয়-তৃষার সম্পর্কের গুঞ্জন 

    ২০১৫ সালে ব্যবসায়ী বরুণ মানিয়ানের সঙ্গে বাগদান হয় তৃষার। কিন্তু পরে তা ভেঙে যায়। অন্যদিকে ১৯৯৯ সালে সংগীতা সোর্নালিঙ্গমকে বিয়ে করেন অভিনেতা বিজয়। তাদের ঘরে দুই সন্তানও রয়েছে। তবে চলতি বছরের শুরুতে খবর ছড়ায় যে, প্রায় তিন দশকের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে বিচ্ছেদের আবেদন করেছেন সংগীতা। গুঞ্জন ওঠে, এক নামী অভিনেত্রীর সঙ্গে বিজয়ের সম্পর্কের জের ধরেই এই সিদ্ধান্ত। 

    এর পরপরই গত মার্চ মাসে চেন্নাইয়ে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে বিজয় ও তৃষাকে একই রঙের (গোল্ডেন) পোশাকে দেখা গেলে গুঞ্জন আরও ডালপালা মেলে। এছাড়া সম্প্রতি বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তৃষাকে আবেগপ্রবণ হতে এবং অভিনেতা অজিত কুমারের মায়ের মৃত্যুতে বিজয়ের সঙ্গে তার বাড়িতে সান্ত্বনা জানাতে যেতে দেখা যায়। তবে এই সমস্ত গুঞ্জন নিয়ে বিজয় বা তৃষা কেউই এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি। 

    ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মাঝেই বক্স অফিসে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন তৃষা। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া আরজে বালাজি পরিচালিত এবং সুরিয়া অভিনীত তার ‘কারুপ্পু’ সিনেমাটি সমালোচক ও দর্শক মহলে দারুণ প্রশংসিত হয়েছে।

    ইতিমধ্যেই সিনেমাটি ২০২৬ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী তামিল চলচ্চিত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ভারতে ১৮০ কোটি টাকার বেশি ব্যবসা করার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে এটি ৩০০ কোটি রুপির মাইলফলক স্পর্শ করার দোরগোড়ায় রয়েছে। 

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রিয় অভিনেতাকে দেখতে গিয়ে আহত ৫

    গত ৩১ মে চীনের নাননিং শহরে একটি ব্র্যান্ড ইভেন্টে অংশ নেওয়ার কথা ছিল জনপ্রিয় চীনা অভিনেতা ঝাং লিংহের (২৮)। তবে প্রিয় তারকাকে সশরীরে দেখার সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় চরম হতাশ তার ভক্ত-অনুরাগীরা। 

    উল্টো অনিয়ন্ত্রিত বিশৃঙ্খলা ও অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার কারণে সেই ইভেন্টে পাঁচজন আহতও হন। এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এবার দুঃখ প্রকাশ করে অনুরাগীদের যাতায়াত ও হোটেল খরচের সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়ার এক নজিরবিহীন ঘোষণা দিল অভিনেতার স্টুডিও। 

    ২০২৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত  ব্লকবাস্টার সি-ড্রামা সিনেমা ‘পারস্যুট অব জেড’-এর মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া এই তারকার চীনা আইওয়্যার ব্র্যান্ড ‘মলসিয়ন’-এর প্রচারণায় গুয়াংসি প্রদেশের রাজধানী নাননিংয়ের একটি শপিং মলে হাজির হওয়ার কথা ছিল।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, শপিং মলটি খোলার অনেক আগে থেকেই বাইরে হাজার হাজার ভক্ত ভিড় জমান। সকালবেলা মলের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই ভেতরে ঢোকার জন্য হুড়োহুড়ি শুরু হয়। মানুষের প্রচণ্ড চাপে মলের একটি কাঁচের দরজা ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন সামান্য কেটে গিয়ে আহত হন এবং তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। 

    অন্যান্য ফুটেজে দেখা যায়, অভিনেতাকে একনজর দেখার জন্য ভালো জায়গা নিশ্চিত করতে অনুরাগীরা মলের ছয়টি তলা জুড়েই তাড়াহুড়ো করে ছোটাছুটি করছিলেন। 

    নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে শেষ মুহূর্তে আয়োজকরা অনুষ্ঠানটি বাতিল করতে বাধ্য হন। সশরীরে উপস্থিত হতে না পারলেও ঝাং লিংহে পরবর্তীতে তার অনুরাগীদের জন্য একটি অনলাইন লাইভস্ট্রিমের আয়োজন করেন। 

    উইবো-তে দেওয়া এক বিবৃতিতে আইওয়্যার ব্র্যান্ড ‘মলসিয়ন’ দুপুর ১২টা ৩২ মিনিটে ভক্ত-অনুরাগী এবং ঝাং লিংহের কাছে এই আকস্মিক পরিস্থিতির জন্য ক্ষমা চায়। বিবৃতিতে তাদের ভাষ্য, ‘ভবিষ্যতের ইভেন্টগুলোর জন্য আমরা সমস্ত প্রক্রিয়া আরও ভালোভাবে করব এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করব, যাতে একটি সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ অনুষ্ঠান উপহার দেওয়া যায়।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সেদিনই পরবর্তীতে ঝাং লিংহের স্টুডিও থেকে একটি আলাদা বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনুরাগীদের প্রতি গভীর দুঃখ প্রকাশ করে তাদের সম্পূর্ণ যাতায়াত, পরিবহন এবং হোটেল বুকিংয়ের খরচ পরিশোধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নাননিংয়ে এটিই ছিল লিংহের প্রথম কাজ। আমরা সবাই এই ইভেন্টটি নিয়ে এবং আপনাদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলাম। আমরা জানি অনেক ভক্তই লিংহেকে দেখতে অন্য শহর থেকে ভ্রমণ করে এসেছেন এবং স্থানীয়রাও নিজেদের শহরে তার আগমনের অপেক্ষায় ছিলেন। আপনাদের এই ভালোবাসার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ এবং যারা বুকভরা আশা নিয়ে এসে হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন, তাদের এই কষ্ট আমরা অনুভব করতে পারছি।’ 

    স্টুডিওর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ৩ জুন দুপুর ১২টার মধ্যে ভক্তদের একটি নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করতে হবে এবং আগামী ১৫ জুনের মধ্যে সমস্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। 

    জনপ্রিয়তার শীর্ষে ঝাং লিং-হে 

    ‘লাভ বিটুইন ফেয়ারি অ্যান্ড ডেভিল’ (২০২২) এবং ‘স্টোরি অফ কুনিং প্যালেস’ (২০২৩)-এর মতো জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে আগেই পরিচিতি পেয়েছিলেন লিংহে। তবে গত ২৭ মার্চ সমাপ্ত হওয়া ‘পারস্যুট অব জেড’-এ ‘শিয়ে ঝেং’ চরিত্রে তার অভিনয় তাকে জনপ্রিয়তার এক নতুন শিখরে নিয়ে গেছে। 

    অবশ্য এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার কিছু নেতিবাচক দিকও ইদানীং সামনে আসছে। গত এপ্রিলে ঝেজিয়াংয়ের একটি রেলওয়ে স্টেশনে রিয়েলিটি শো ‘দ্য ট্রুথ সিজন ৪’-এর শুটিংয়ে যাওয়ার পথে কিছু অতি-উৎসাহী ভক্ত এবং আলোকচিত্রীদের দ্বারা হেনস্থার শিকার হতে হয় এই অভিনেতাকে। 

    বিনোদন ডেস্ক