Tag: অভিনেতা

  • অপহরণ মামলা থেকে পাকিস্তানি অভিনেতা নির্দোষ প্রমাণিত

    করাচির একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালতে বিচারাধীন চাঞ্চল্যকর অপহরণ ও ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির মামলা থেকে পাকিস্তানি অভিনেতা মুনিব বাটকে সম্পূর্ণ নির্দোষ ঘোষণা করেছেন তদন্তকারীরা।

    মামলার সর্বশেষ শুনানিতে মুনিব বাটসহ অন্য আসামিরা সশরীরে আদালতে হাজির হলে পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত আদালতের কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করা হয়।

    এর আগের শুনানিতে পুলিশের বিশেষ শাখা ‘অ্যান্টি-ভায়োলেন্ট ক্রাইম সেল’ এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছিল।

    তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুনিব বাটের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি এবং তাকে নির্দোষ উল্লেখ করা হয়েছে।

    আদালত জানিয়েছেন, মামলাটির আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের এই প্রতিবেদন এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিবেচনা করা হবে।

    উল্লেখ্য, এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা গালিব এখনো পলাতক রয়েছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আসামিদের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ এনেছে যে, তারা অভিযোগকারীকে অপহরণ করে তার কাছ থেকে আনুমানিক ২৪ লাখ ৯৪ হাজার (২.৪৯৪ মিলিয়ন) মূল্যমানের ক্রিপ্টোকারেন্সি হাতিয়ে নেন। তবে এই বিশাল অঙ্কের হিসাবটি ঠিক কোন দেশের মুদ্রায় (কারেন্সি) করা হয়েছে, তা প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি। 

    মামলার শুরুতে মুনিব বাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তিনি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল সন্দেহভাজনদের জন্য পাকিস্তানের মারিতে থাকার গোপন ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তবে বিস্তারিত তদন্তের পর তদন্ত কর্মকর্তারা এই অপরাধে তার সম্পৃক্ততার কোনো জোরালো বা পর্যাপ্ত প্রমাণ পাননি। ফলে চূড়ান্ত চালানে তাকে নির্দোষ হিসেবে খালাস দেওয়া হয়।

    বর্তমানে মুনিব বাট, মহসিন রাজপার এবং আব্দুল রেহমান চান্দিও এই মামলায় আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।

    প্রসিকিউশনের দেওয়া তথ্যমতে, গত ২৩ এপ্রিল করাচির ব্যস্ততম শাহরাহ-ই-ফয়সাল এলাকা থেকে এক নাগরিককে অপহরণ করে আসামিরা। তাকে জিম্মি করে রাখার সময়েই জোরপূর্বক তার ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র লুটে নেওয়া হয়।

    মামলার নথি অনুযায়ী, ডাকাতি ও লুটপাট শেষে অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীকে করাচির কোরাঙ্গি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। সন্ত্রাসবিরোধী আদালত পুনরায় শুনানি শুরু করলে এই মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

    সূত্র: সামা টিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘তোরে মারার জন্য অরিজিনাল চাবুক অর্ডার দিছি, রেডি থাকবি’

    বিশ্বকাপ ঘিরে দুই ঢালিউড তারকা ওমর সানী ও শাহরিয়ার নাজিম জয়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান ‘খুনসুঁটি’ এবার ভিন্ন মাত্রা পেল। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে নিয়ে দেওয়া এক মন্তব্যের পর জয়ের ব্যঙ্গাত্মক পোস্টের জবাবে এবার ‘অরিজিনাল চাবুক’ আনার কথা জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন চিত্রনায়ক ওমর সানী।

    সোমবার (১৩ জুলাই) রাত ১০টা ৪৬ মিনিটে এক ফেসবুক পোস্টে ওমর সানী লিখেছেন, ‘শোন শাহরিয়ার নাজিম জয়, তোর আপা মৌসুমী শুটিংয়ে তুলার তৈরি চাবুক ব্যবহার করেছে। আর তোরে মারার জন্য অরজিনাল চাবুক অর্ডার দিছি, তুই রেডি থাকবি।’

    তবে পোস্টের শেষেই তিনি ‘সাবজেক্ট: খেলাধুলা, ফান’ লিখে স্পষ্ট করেছেন, এটি নিছকই খেলাধুলা নিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ হাস্যরস, ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ নয়।

    এর আগে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে নিয়ে ওমর সানীর একটি ভিডিও বক্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিষয়টি নিয়ে এরপর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শাহরিয়ার নাজিম জয় একটি পোস্ট দেন। সেই পোস্টে নব্বইয়ের দশকের সিনেমায় কেন মৌসুমী ওমর সানীকে চাবুক মারতেন, সেটি এখন বুঝতে পেরেছেন বলে মন্তব্য করেন জয়।

    জয়ের সেই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই পালটা রসিকতায় ‘অরিজিনাল চাবুক’ অর্ডারের কথা জানালেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় এই নায়ক। 

    অবশ্য ফেসবুকে দুই তারকার মজার এই রসিকতা নেটিজেনরাও যে বেশ উপভোগ করছেন, সেটা তাদের পোস্টের মন্তব্যের ঘর থেকেই স্পষ্ট।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর তামিল রিমেকে কেন অভিনয় করেননি জানালেন আর মাধবন

    বলিউডের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর তামিল রিমেকে অভিনয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন আর মাধবন। সম্প্রতি এর পেছনের আসল কারণটি খোলসা করেছেন তিনি। 

    অভিনেতা জানান, পরিচালকের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে তিনি একমত হতে পারছিলেন না এবং ফারহান কুরেশির মতো একটি জনপ্রিয় ও কালজয়ী চরিত্রের ভাবমূর্তি তিনি কোনোভাবেই নষ্ট করতে চাননি। 

    ২০০৯ সালে রাজকুমার হিরানির পরিচালনায় নির্মিত এই কালজয়ী সিনেমায় ‘ফারহান’-এর চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন ৫৬ বছর বয়সি এই অভিনেতা। সম্প্রতি ইউটিউবে প্রখ্যাত লেখক চেতন ভগতের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় তিনি এই বিষয়ে মুখ খোলেন। 

    মাধবন জানান, একই চরিত্রে আবারও অভিনয় করার মধ্যে এক ধরনের আত্মতুষ্টির ঝুঁকি ছিল, যা তার অভিনয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারত। 

    এই অভিনেতা বলেন, ‘থ্রি ইডিয়টস-এ ফারহান চরিত্রটির জন্য আমি যে সুনাম অর্জন করেছি, রিমেকে একটু উনিশ-বিশ হলে সেই ভালো কাজটি মুছে যেত এবং মানুষ এই ব্যর্থ রিমেইকটিকেই মনে রাখত।’ 

    অভিনেতা আরও প্রকাশ করেন যে, তামিল রিমেকের নির্মাতা শঙ্করের কাজের ধরন ও দৃষ্টিভঙ্গি তাকে বেশ চিন্তিত করে তুলেছিল। মাধবনের ভাষ্যমতে, পরিচালক শঙ্কর তাকে বলেছিলেন যে তিনি অন্য বড় সিনেমার কাজ ধরার আগে ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর রিমেকটি ঝটপট শেষ করার মতো প্রজেক্ট হিসেবে তৈরি করতে চান। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মাধবন ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘পরিচালকের ওই কথাটি আমার মাথায় ভয়ের ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছিল। আপনি কোনোভাবেই থ্রি ইডিয়টস-এর মতো একটি সিনেমাকে তাড়াহুড়ো করে শেষ করার মতো প্রজেক্ট হিসেবে দেখতে পারেন না। এই সিনেমার মূল ভাবনার সঙ্গে তা একেবারেই যায় না।’ 

    ফারহান চরিত্রটিকে নিজের অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও আবেগের জায়গা হিসেবে বর্ণনা করে মাধবন বলেন, এই ভূমিকাটি তার কাছে ‘একটি ধর্মের মতো’ হয়ে উঠেছিল। তাই তিনি এর প্রভাবকে অক্ষুণ্ণ রাখতে চেয়েছিলেন, কেবল অর্থহীনভাবে পুনরায় পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে চাননি। 

    তিনি যোগ করেন যে, কোনো সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হওয়ার আগে তিনি প্রজেক্টটি খুব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মূল্যায়ন করেন এবং নির্মাতারা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কীভাবে প্রকাশ করছেন সেদিকে গভীর নজর দেন। 

    এদিকে, বলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন চলছে যে রাজকুমার হিরানির ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর একটি সিক্যুয়েল (দ্বিতীয় পর্ব) নির্মাণের কাজ চলছে। সিনেমার গল্পে এবার তিন প্রধান চরিত্রের মধ্যবয়সের নানা টানাপোড়েন ও সংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হবে বলে জানা গেছে।

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদবের ৩ মাসের কারাদণ্ড

    চেক জালিয়াতি মামলায় বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদবের সাজা বহাল রেখেছে দিল্লি হাইকোর্ট। তবে নিম্ন আদালতের দেওয়া ৬ মাসের কারাদণ্ডের মেয়াদ আংশিক সংশোধন করে তা কমিয়ে ৩ মাস করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    শুক্রবার (১০ জুলাই) হাইকোর্টের বিচারপতি স্বরণ কান্ত শর্মার একক বেঞ্চ রাজপাল যাদবের করা পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে এই রায় দেন। একই সঙ্গে মামলা চলাকালীন অভিনেতার আচরণ ও বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে তাকে ‘প্রবেশন অব অফেন্ডার্স অ্যাক্ট’-এর অধীনে কোনো ধরনের আইনি ছাড় বা প্রবেশনের সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে আদালত। 

    আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মামলার শুনানির সময় রাজপাল যাদব বকেয়া অর্থ পরিশোধের জন্য একাধিকবার লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। আদালত তাকে বারবার সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও তিনি সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে বা পাওনা টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন। 

    বিচারপতি বলেন, ‘আদালত ও আইনজীবীদের পক্ষ থেকে তাকে বারবার আশ্বস্ত করার এবং সমঝোতার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি আদালতের দেওয়া শর্ত ও নিজের প্রতিশ্রুতিগুলো একের পর এক লঙ্ঘন করেছেন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মূলত মেসার্স মুরলি প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেড নামক একটি কোম্পানির দায়ের করা ৭টি চেক বাউন্সের মামলায় এই রায় দেওয়া হলো। 

    বিচারপতি স্বরণ কান্ত শর্মা নির্দেশ দিয়েছেন যে, রাজপাল যাদবকে ৭টি মামলার প্রতিটিতে ১.০৫ কোটি রুপি করে জরিমানা দিতে হবে। এছাড়া ১ কোটি ৪ লাখ ৭৫ হাজার রুপি অভিযোগকারী সংস্থাকে এবং ২৫,০০০ রুপি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হবে। 

    অভিনেতার পাশাপাশি তার স্ত্রী রাধা যাদবকেও প্রতিটি মামলায় ৫ লাখ ৫১ হাজার ৩৮০ রুপি করে জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অবশ্য অভিনেতা এর আগে যে ২.২৫ কোটি রুপি আদালতে জমা দিয়েছিলেন, তা চূড়ান্ত হিসাবের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। 

    রায় ঘোষণার পর আদালত রাজপাল যাদবের সাজা কার্যকরের প্রক্রিয়াটি আগামী ২ মাসের জন্য স্থগিত রেখেছে। এই সময়ের মধ্যে অভিনেতা চাইলে উচ্চ আদালতে (সুপ্রিম কোর্ট) আপিল করতে পারবেন অথবা আদালতের এই নির্দেশ মেনে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৬১ বছর বয়সে তৃতীয় বিয়ে সারলেন আমির খান, ছবি প্রকাশ

    অবশেষে দীর্ঘ ২৫ বছরের চেনা-জানা এবং দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রেমের সম্পর্কের পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন বলিউড সুপারস্টার আমির খান এবং গৌরী স্প্র্যাট। 

    মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় এই ৬১ বছর বয়সি অভিনেতার নিজস্ব বাসভবনেই অত্যন্ত ঘরোয়া ও জমকালো আয়োজনে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

    ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আমির খান এবং গৌরী স্প্র্যাট ইতোমধ্যেই আইনি নথিপত্রে স্বাক্ষর করে তাদের বিয়েটি আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিস্ট্রি করেছেন। 

    বিয়ের খবর নিশ্চিত হওয়ার পরপরই অভিনেতার জনসংযোগ এজেন্সির পক্ষ থেকে নবদম্পতির প্রথম ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা হয়।

    ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘ভালোবাসা, হাসি এবং অমূল্য কিছু মুহূর্তের উদযাপন। আমির খানের বিয়ের উৎসবের ভেতরের একটি ঝলক, যা উষ্ণতা, আনন্দ এবং একটি সত্যিকারের অবিস্মরণীয় উদযাপনের জাদুতে ভরপুর।’ 

    গত ৪ জুন আমির খান নিজেই গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে তার বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। ২৫ বছর আগে তাদের পরিচয় হলেও মাত্র দুই বছর আগে তারা একে অপরের সঙ্গে ডেটিং শুরু করেন।

    এই অন্তরঙ্গ বিয়েতে আমির খানের তিন সন্তান এবং গৌরী স্প্র্যাটের পুত্র উপস্থিত ছিলেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, আমির খান প্রথমে চলচ্চিত্র প্রযোজক রীনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন, যার সংসারে তাদের দুই সন্তান জুনায়েদ ও ইরা খান রয়েছে। এরপর ২০০৫ সালে তিনি পরিচালক কিরণ রাওকে বিয়ে করেন। ২০২১ সালে তাদের বিচ্ছেদ হলেও তারা যৌথভাবে তাদের পুত্র আজাদের দেখাশোনা করছেন। 

    অন্যদিকে, গৌরী স্প্র্যাটের ছয় বছর বয়সি একটি ছেলে রয়েছে, যাকে লাইমলাইট থেকে দূরে রাখা হয়। বিয়েতে বিদেশ থেকে আসা আত্মীয়-স্বজনসহ প্রায় ১৫০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন। 

    কে এই গৌরী স্প্র্যাট? 

    গৌরী স্প্র্যাটের আদি বাড়ি বেঙ্গালুরুতে এবং তিনি তার জীবনের সিংহভাগ সময় সেখানেই কাটিয়েছেন। তার মা রিতা স্প্র্যাট বেঙ্গালুরুর একটি নামকরা সেলুনের মালিক ছিলেন। গৌরীর লিংকডইন প্রোফাইল অনুযায়ী, তিনি ব্লু মাউন্টেন স্কুলে পড়াশোনা করেছেন এবং ২০০৪ সালে ইউনিভার্সিটি অব দ্য আর্টস লন্ডন থেকে ফ্যাশন স্টাইলিং ও ফটোগ্রাফির ওপর একটি কোর্স সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি মুম্বাইয়ে একটি বিখ্যাত ‘বি ব্লান্ট’ সেলুন পরিচালনা করছেন। 

    সূত্র: এনডিটিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আগামীকাল তৃতীয় বিয়ে করছেন আমির, উপস্থিত থাকবেন সাবেক দুই স্ত্রী

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আমির খান তার জীবনের এক নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন। আগামী ৫ জুলাই প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন তিনি। 

    কিছুদিন আগেই গৌরীর সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে এনেছিলেন আমির। এবার বিয়ের তারিখ চূড়ান্ত হতেই তার ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। 

    তবে জানা গেছে, বলিউডের আর দশটা জমকালো বিয়ের মতো এই আয়োজনে কোনো বাহুল্যতা থাকছে না। কোনো বিলাসবহুল হোটেল বা বড় রিসোর্টের পরিবর্তে আমির নিজের বান্দ্রার বাসভবনে বিয়ের অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সম্পূর্ণ ঘরোয়া ও অত্যন্ত সাদামাদা পরিবেশে এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। 

    এই বিয়েতে আমন্ত্রিত অতিথির তালিকাও বেশ সংক্ষিপ্ত। দুই পরিবারের সদস্য, অল্প কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং বিশেষ কিছু মানুষ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। 

    তবে এই আনন্দঘন মুহূর্তের অন্যতম আকর্ষণীয় দিক হলো আমিরের পূর্বের সম্পর্কগুলোর প্রতি সম্মান। জানা গেছে, আমিরের সাবেক দুই স্ত্রী এবং সন্তানেরাও এই বিয়েতে অংশ নেবেন। ফলে এটি কেবল দুজনের বিয়ে নয়, বরং পরিবারগুলোর এক হওয়ার বিশেষ এক উৎসবে পরিণত হতে যাচ্ছে। 

    সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমির তার এই সাদামাদা আয়োজনের ইচ্ছার কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, যেকোনো বড় উদযাপনের চেয়ে পরিবারের সঙ্গে কাটানো আনন্দের মুহূর্তগুলোই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    একই সঙ্গে তিনি সবার কাছে ভালোবাসা, শুভকামনা ও আশীর্বাদ প্রার্থনা করেছেন। 

    ব্যক্তিগত জীবনে এটি আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। এর আগে দুবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেও বিচ্ছেদ পরবর্তী সময়েও তিনি তার পূর্বের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অত্যন্ত সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন। 

    অন্যদিকে, গৌরী স্প্র্যাটের এটি দ্বিতীয় বিয়ে এবং তার একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। আমিরের তিন সন্তানসহ মোট চার সন্তানই বাবার এই নতুন পথচলায় পাশে থেকে আনন্দ উদযাপনে শামিল হবে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে পুরো বলিউড পাড়ায় এখন এই বিয়ে নিয়ে জোর চর্চা চলছে। বিয়ের জাঁকজমক বাদ দিয়ে পরিবারের গুরুত্ব এবং আপনজনদের নিয়ে এমন সরল উদযাপন অনেকের কাছেই প্রশংসিত হচ্ছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশ্বকাপ জিততে পর্তুগালের ‘অলৌকিক কিছু’ প্রয়োজন: দানিশ তৈমুর

    চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নেতৃত্বাধীন পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দলের ট্রফি জিততে হলে অলৌকিক কিছুর প্রয়োজন—এমনটাই মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেতা ও মডেল দানিশ তৈমুর। 

    জনপ্রিয় নাটক ‘ক্যায়সি তেরি খুদগারজি’ খ্যাত এই অভিনেতা সম্প্রতি পর্তুগালের জার্সি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের এই অভিমত প্রকাশ করেন। 

    দানিশ তৈমুরের মতে, বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের খেলা শেষে পাঁচটি দলকে বাকিদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও গোছানো মনে হয়েছে। শিরোপাদৌড়ে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, ব্রাজিল, স্পেন ও মরক্কোকে এগিয়ে রেখেছেন এই অভিনেতা। 

    এই দলগুলোর খেলার শৈলী, রক্ষণভাগের দৃঢ়তা, প্রেসিং, পজিশনিং, দ্রুত আক্রমণ, বল রিকভারি এবং ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণের ভূয়সী প্রশংসা করেন দানিশ। 

    তিনি বলেন, এই দলগুলো প্রকৃত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো যোগ্যতা দেখিয়েছে এবং টুর্নামেন্টে এই ধারাবাহিকতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারলে এদের মধ্য থেকেই কোনো একটি দল বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তুলবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পাশাপাশি পর্তুগালের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে দানিশ তৈমুর যোগ করেন, ‘মন থেকে আমি পর্তুগালের সাফল্য কামনা করি, কিন্তু মাঠে এখন পর্যন্ত তাদের পারফরম্যান্স কোনো চ্যাম্পিয়ন দলের মতো নয়।’ তিনি স্পষ্ট জানান যে, পর্তুগালকে যদি এই টুর্নামেন্ট জিততে হয়, তবে অসাধারণ কিছু বা অলৌকিক কোনো ঘটনার প্রয়োজন হবে।

    সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ফুটবল ভক্তরা হয়তো এই বিশ্বকাপের মাধ্যমেই ফুটবল বিশ্বের বেশ কয়েকজন জীবন্ত কিংবদন্তির শেষ বিশ্বকাপ দেখছেন। এই তালিকায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি, লুকা মদ্রিচ, ম্যানুয়েল নয়্যার এবং নেইমারের মতো তারকাদের নাম উল্লেখ করেন তিনি। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পী সমিতি নির্বাচনে মুক্তির পক্ষে সমর্থন ওমর সানীর

    আসন্ন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফের সরগরম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। ১৯৯২ সালে ‘চাঁদের আলো’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক করা চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি এবারের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন। অন্য অনেক শিল্পীর মতোই এবার তাকে সমর্থন জানালেন মুক্তির অভিষেক সিনেমায় অভিনয় করা একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী। 

    মজার বিষয় হলো, ‘চাঁদের আলো’ সিনেমাটি ওমর সানীর ক্যারিয়ারেরও প্রথম চলচ্চিত্র। 

    সম্প্রতি এফডিসিতে এসে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মুক্তিকে সমর্থন জানিয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ওমর সানী বলেন, ‘ও (মুক্তি) আমার প্রথম সিনেমার নায়িকা। আমি মুক্তিকে আশীর্বাদ দিতে এফডিসিতে এসেছি। আমি যদি এটা না করি তাহলে আমার কর্মজীবনের সঙ্গে গাফলতি হবে। আমি চাই মুক্তি ভালো কিছু করুক।’

    মুক্তির সঙ্গে একই প্যানেলে সভাপতির পদে লড়বেন অভিনেতা-ফাইট ডিরেক্টর আরমান। তাকে নিয়ে এই অভিনেতার মন্তব্য, ‘আরমান ভাইয়ের সান্নিধ্যে থেকেই আমরা অনেক বড় হয়েছি। শিল্পী সমিতি একটা সময় গিয়ে ভঙ্গুর অবস্থায় ছিল। জোরজবরদস্তির মায়াজাল তৈরি হয়েছিল। গত ১০ বছরে দু-একবার এরকম অনেক ফ্লাকচুয়েট হয়েছে। রীতিমতো জোরজবরদস্তির একটা রাজত্ব কায়েম হয়েছিল। সেটা এবার নেই। মুক্তির জায়গাটা অনেক উজ্জ্বল দেখতে চাই। আমি ওপেন মুক্তির জন্য সঙ্গে আছি। যারা যারা মুক্তির প্যানেলে আছে তাদের জন্য শুভকামনা।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ সময় ওমর সানী সিনিয়র শিল্পীদের শুভকামনা জানিয়ে আরও বলেন, ‘আরমান ভাই অনেক সিনিয়র। আমাদের তুই-তুমি বলা মানুষগুলো হারিয়ে গেছে। এখন হাতেগোনা কয়েকজন আছে। তার মধ্যে আরমান ভাই আছেন। আরমান ভাই সভাপতি প্রার্থী হওয়াতে আমি সারপ্রাইজ হয়েছি। তিনি সবকিছু দিয়ে সিনেমা ভালোবাসেন। আরমান ভাইকে আল্লাহ অনেক কিছু দিয়েছেন। মুক্তি, কমলদের অনেক কিছু আছে। এরা এফডিসিতে না আসলে কিছু যায় আসে না। কিন্তু এই জায়গাটা ভালোবেসে আসে। এই মানুষগুলোকে কাজের সুযোগ দেওয়া দরকার। তাদের জন্য সবসময় শুভকামনা।’ 

    এছাড়া তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মুক্তির পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ‘চাঁদের আলো’ সিনেমার একটি পোস্টার ও মুক্তির ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘আমার প্রথম সিনেমার নায়িকা, শ্রদ্ধেয় আনোয়ারা খালার সুযোগ্য কন্যা মুক্তি শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে দাঁড়িয়েছে। ওর জন্য আমার মন থেকে অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইল।’

    এদিকে ওমর সানীর সমর্থন পেয়ে প্রতিক্রিয়ায় মুক্তি বলেন, ‘সমুদ্রের যেমন কূলকিনারা নেই, এই খুশিরও তেমন কূলকিনারা নেই। আমার প্রথম সিনেমার নায়ক ওমর সানী ভাই। আমাকে দোয়া দিতে তিনি এসেছেন। তিনি আগে থেকেই দোয়া দিয়েছেন। এবার গণমাধ্যমের সামনে দিলেন। তাকে পাশে পেয়ে আমি ভীষণ খুশি।’ 

    উল্লেখ্য, বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতনামা অভিনেত্রী আনোয়ারার মেয়ে মুক্তি। দীর্ঘদিন রুপালি পর্দা থেকে দূরে থাকলেও চলচ্চিত্রের মানুষদের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে সরব থাকেন তিনি। এবার সরাসরি শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে রীতিমতো চমক দেখিয়েছেন এই অভিনেত্রী। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইনি জটিলতার মাঝেই নতুন বাড়ি কেনার পরিকল্পনা সালমানের

    কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলা সংক্রান্ত আসন্ন চলচ্চিত্র ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লেগাসি’ নিয়ে আইনি লড়াইয়ের মাঝেই মুম্বাইয়ের বান্দ্রা এলাকায় একটি ছয় তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন পেয়েছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। 

    এর ফলে তিনি সপরিবারে নতুন এই বাড়িটিতে স্থানান্তরিত হতে যাচ্ছেন বলে জোরালো গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। 

    জানা গেছে, মহারাষ্ট্র কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট অথরিটি গত ১৬ জুন সালমান খানের এই ছয় তলা ভবন নির্মাণের প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে। তবে স্থানান্তরের বিষয়ে অভিনেতা বা তার প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন সম্পত্তিটি বান্দ্রার চিম্বাই এলাকায় অবস্থিত, যা ১৯৭৪ সাল থেকে সালমানের পরিবারের বর্তমান বাসস্থান গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট-এর বেশ কাছাকাছি। নতুন জমিটি মা সালমা খানের নামে কিনেছেন অভিনেতা। 

    এদিকে, নতুন এই আবাসন প্রক্রিয়ার মধ্যেই সালমান খান তার জীবনী ও আইনি বিষয়বস্তুর ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হিন্দি সিনেমা ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লেগাসি’র মুক্তি ও প্রচারণা বন্ধের জন্য আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি দিল্লি হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সালমানের অভিযোগ, তার অনুমতি ছাড়াই এই চলচ্চিত্রে ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলা এবং গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সঙ্গে তার সাম্প্রতিক বিরোধের বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অভিনেতার আইনি দলের মতে, এটি তার ব্যক্তিগত ও প্রচারণার অধিকার ক্ষুণ্ণ করে এবং এর টিজার ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম তার সুনামের ক্ষতি করতে পারে। 

    প্রসঙ্গত, ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লেগাসি’ সিনেমাটিকে সালমান খানের ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি একটি অননুমোদিত ক্রাইম-থ্রিলার হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। 

    রাজস্থানে ‘হাম সাথ-সাথ হ্যায়’ সিনেমার শুটিং চলাকালীন সালমান খানের বিরুদ্ধে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে।

    এই ঘটনাটি বছরের পর বছর ধরে চলা আইনি প্রক্রিয়া এবং গণমাধ্যমে ব্যাপক মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। বিশেষ করে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের মানুষ এর তীব্র সমালোচনা করেন, কারণ তারা কৃষ্ণসার হরিণকে অত্যন্ত পবিত্র ও পূজনীয় মনে করেন। 

    চলমান এই আইনি জটিলতার কারণে সোনু মিশ্রসহ বেশ কয়েকজন অভিনেতা ইতোমধ্যে ‘কালা হিরণ’ সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • হামলাকারীকে ক্ষমা করতে আপত্তি নেই অভিনেতা সাইফ আলি খানের

    পতৌদি পরিবারের নবাব বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি গভীর রাতে নিজ বাড়িতে এক অনুপ্রবেশকারীর ছুরিকাঘাতে আহত হন। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় তার বাড়িতে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

    নিজের ছোট সন্তান জেহর ঘরে এক দুর্বৃত্তকে ছুরি হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তাকে বাধা দিতে গেলে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। হামলাকারী সাইফকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি ছুরি চালায়। অভিনেতাকে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করা হয়। এবং তার শরীরে ৬টি ক্ষত তৈরি হয়, যার একটি তার শিরদাঁড়ার খুব কাছাকাছি ছিল। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে দ্রুত লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। 

    সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার শরীর থেকে ২-৩ ইঞ্চির একটি ছুরির ভাঙা অংশ বের করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর মুম্বাই পুলিশ মহারাষ্ট্রের থানে এলাকা থেকে মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম নামে এক ৩০ বছর বয়সি যুবককে হামলার অভিযোগে গ্রেফতার করে। 

    হামলাকারীর ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছিলেন সাইফপুত্র জেহ। মুম্বাইয়ের ফ্ল্যাটে ঘটে যাওয়া সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন বাংলার পতৌদি পরিবারের নবাব সাইফ আলি খান। তবে ঘটনার ভয়াবহতা স্মরণ করলেও হামলাকারীকে ক্ষমা করে দিতেও আপত্তি নেই অভিনেতার। 

    সাইফ আলি খান বলেন, ঘটনার রাতে তাদের ফ্ল্যাটের পেছনের রাস্তা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে শরিফুল ইসলাম নামে এক যুবক। সে প্রথমে বাথরুমে এবং পরে ছোট ছেলে জাহাঙ্গীরের (জেহ) ঘরে গিয়ে লুকিয়ে থাকে। ঘরে অপরিচিত এক ব্যক্তিকে দেখে শিশুটি কাঁদতে শুরু করলে পাশে থাকা ন্যানি ও জাহাঙ্গীরকে আঘাত করে ওই যুবক। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সন্তানের কান্নার শব্দ শুনে পাশের ঘর থেকে সাইফ ছুটে যান এবং তাকে বাঁচাতে হামলাকারীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। এ সময় ওই যুবক সাইফের ঘাড়, হাত ও পিঠে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। দীর্ঘক্ষণ ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে সাইফ মাটিতে পড়ে গেলেও পরে উঠে দাঁড়িয়ে হামলাকারীকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। এ সুযোগে ন্যানি জাহাঙ্গীরকে নিয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যান এবং বাড়ির অন্য কর্মচারীরা এসে অভিযুক্তকে একটি ঘরে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন।

    গুরুতর আহত সাইফকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেই রাতের স্মৃতিচারণ করে অভিনেতা বলেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার পোশাক ভিজে গিয়েছিল। হাসপাতালে যাওয়ার সময় বড় ছেলে তৈমুর আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল—তুমি কি মারা যাবে? রক্তক্ষরণ ও শারীরিক অবস্থা দেখে তখন আমারও তেমনই মনে হচ্ছিল। 

    তবে এত বড় দুর্ঘটনার পরও অভিযুক্ত যুবককে ক্ষমা করার ইঙ্গিত সাইফ আলি খানের। নিজের এ সিদ্ধান্তের পেছনে সামাজিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি মূলত অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের কারণে সৃষ্ট একটি অপরাধ। সমাজে একশ্রেণির মানুষের কাছে সব থাকে, আর অন্য শ্রেণির কাছে কিছুই থাকে না—এমন বৈষম্যই এ ধরনের ঘটনা উসকে দেয় বলে মনে করেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক