Tag: সংগীতশিল্পী

  • রোজাকে নিয়ে যা বললেন তাহসান

    নতুন বছরটা চমকপ্রদভাবে শুরু করলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। গত ৪ জানুয়ারি পারিবারিকভাবে দ্বিতীয় বারের মতো বিয়ে করেছেন তিনি। বিয়ের পর যুগান্তরের ‘হ্যালো…’ বিভাগের সঙ্গে কথা বলেছেন এই সংগীতশিল্পী। সাক্ষৎকারে দ্বিতীয় স্ত্রী রোজা আহমদের বিষয়টি উঠে আসে। 

    আবারো জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন। কেমন লাগছে?

    তাহসান: বিয়ে জীবনেরই একটি অংশ। আমার ব্যক্তিগত জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভালোলাগার মতোই একটি কাজ। এছাড়া রোজার (স্ত্রী রোজা আহমেদ) সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল আগে থেকেই। সেখান থেকে দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে হয়। দুজনের প্রতি দুজনের শ্রদ্ধা ও সম্মানের জায়গাটা রয়েছে। তাহসানের বিয়ে নিয়ে অনেকেই জানার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এটাই স্বাভাবিক। তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জানার আগ্রহ দর্শক-শ্রোতাদের থাকে। তাই বিয়ে করার খবর নিজেই জানালাম।

    আপনার বিয়ের পর কিছু বিষয় নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে কী বলবেন?

    তাহসান: আমাদের দেশে রসবোধের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি একটু ভিন্ন। আমরা সবকিছুতেই রসবোধটা আনতে পারি না। আবার সবার কাছে ঠিকভাবে পৌঁছায়ও না। তাই এর উত্তর যেভাবে দিলে একটু মজা লাগত, সেভাবে হয়তো দিতে পারছি না। আমার কাছে মনে হয়, জাতিগতভাবে আমরা একটু বেশি জাজমেন্টাল। সব বিষয়ে ও সবার বিষয়ে আমরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করি। কিছু মানুষ থাকেন যারা অন্যদের নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। এটা উচিত নয়। এসব বিষয় মাথায় রাখলে এগিয়ে যাওয়া কঠিন। তাই খুব বেশি ভাবছি না।

    ব্যক্তি তাহসানকে নিয়ে কী বলবেন?

    তাহসান: নিতান্তই একজন সাধারণ মানুষ। একজন শিল্পী। দর্শক-শ্রোতারা হয়তো আমাকে অনেক বড় তারকা ভাবেন। কিন্তু আমার জীবন খুবই সাধারণ। সাদামাটাভাবেই চলাফেরা করি। আমি সুপারশপে যাই, মাঝে মধ্যে মাস্ক পরে রাস্তায় হাঁটি। অন্য দশটা মানুষের মতোই ব্যক্তি তাহসান। আমি সাধারণ জীবনযাপন করতেই পছন্দ করি।

    বিয়ের পর প্রথম গান প্রকাশ করলেন। কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

    তাহসান: এটি চলতি বছরে আমার প্রথম গান। এ গানের কনসেপ্ট এ রকম যে, ভালোবাসার মানুষ ঘরে ছিল, কিন্তু এমন কিছু হয়েছে যা তাদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করেছে। দূরত্ব তৈরি হলেও একে অপরকে অবহেলা করছে না। হয়তো একঘরে আর নেই। গানের শিরোনাম ‘একা ঘর আমার’। এতে আমার সঙ্গে গেয়েছেন সিঁথি সাহা। গানটি নিয়ে আমার প্রত্যাশা অনেক। সাড়া পাচ্ছি, তবে কয়েকদিন হলো প্রকাশ হয়েছে। তাই এখনই বিচার করা যাবে না। বিশ্বাস করি, আমার এ গানটি বেঁচে থাকবে। এটা হয়তো বাংলাদেশজুড়ে তোলপাড় করবে না। তবে বেঁচে থাকবে।

    নতুন আর কোনো গান গেয়েছেন?

    তাহসান: একটি নতুন গান করেছি। এটি সিয়াম অভিনীত ‘জংলি’ সিনেমার। প্রথমে অবশ্য জানতাম না এটি সিনেমার জন্য। পরে জেনেছি। গানটি করেছি একজন মানুষের জন্য। তিনি আমার খুব পছন্দের মিউজিক কম্পোজার। এ রকম মানুষজন যখন ডাক দেয় তখন নিষেধ করতে পারি না। সেটা সিনেমা বা অন্য যা-ই হোক। পরে শুনলাম এটি সিনেমায় ব্যবহার করা হচ্ছে। খুব খুশি হয়েছি যে, ভালো একটি সিনেমায় গান গাইতে পেরেছি। সর্বশেষ ২০১৭-১৮ সালের দিকে ‘যদি একদিন’ সিনেমার জন্য গেয়েছিলাম। এবার অনেক বছর পর আবার গেয়েছি। কিছু গান থাকে গাওয়ার পর মনে হয়, এটি এ বছরের বিগেস্ট গান হবে। যেমন গত বছর ‘রঙে রঙে রঙিন হব’ গাওয়ার সময়ই জানতাম এটা সবার খুব ভালো লাগবে। ‘জংলি’ গানটাও সবার ভালো লাগবে আশা করি। ভালোবাসা দিবসে গানটি সবাই শুনতে পারবে। এছাড়া আমার এক বন্ধুর সঙ্গে ইংলিশ একটা গান করেছি। এটাও শিগ্গির প্রকাশ হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পারমিতার ‘হেমামালিনী’তে রবীন্দ্রনাথের গান গাইলেন রূপম

    সংগীতশিল্পী রূপম ইসলামের মঞ্চে গাওয়া ‘আমরা সবাই রাজা’ গানটি দর্শকদের একসময় মাতিয়ে তুলেছিল। এখনো সেই গান সংগীতপ্রেমীদের ঠোঁটে শোনা যায়। আর এ শিল্পীর রয়েছে রবীন্দ্রগানের অ্যালবামও। এবার ছায়াছবিতে প্রথম রবীন্দ্রসংগীত গাইলেন এ গায়ক। পরিচালক পারমিতা মুন্সীর ‘হেমামালিনী’ ছবিতে তার কণ্ঠে শোনা যাবে বিরহের গান— কেন চোখের জলে ভিজিয়ে দিলেম না। 

    এ সংবাদ পাওয়ার পর আনন্দবাজার অনলাইন যোগাযোগ করেছিল পরিচালক ও গায়কের সঙ্গে। পারমিতার দীর্ঘ দিনের বন্ধু রূপম। সেই বন্ধুত্বের স্বীকৃতি হিসেবেই ছবিতে তাদের যুগলবন্দি বলে জানিয়েছেন এ গায়ক।

    রক থেকে রবীন্দ্রসংগীত— যাত্রাপথ কেমন? এমন প্রশ্নের উত্তরে রূপম বলেন, আগে একটি ছবিতে রবীন্দ্রসংগীত গেয়েছিলাম। ছবিটি মুক্তি পায়নি। সেদিক থেকে পারমিতার ছবিতে আমার প্রথম রবীন্দ্রসংগীতে কণ্ঠদান। গেয়ে খুব তৃপ্তি পেয়েছি। ছবিতে অন্য সংগীত পরিচালক থাকলেও এ গানটির সংগীত আয়োজন তিনি নিজেই করেছেন বলে জানান।

    এদিকে দর্শক-শ্রোতাদের চমক দিতেই কি রূপমকে বেছে নিলেন পারমিতা?—এমন প্রশ্ন করেন পরিচালকের কাছে। পারমিতা বলেন, রূপম ছোটবেলার বন্ধু। আমি ওর ‘ফসিলস’-এর একনিষ্ঠ ভক্ত। তা ছাড়া রূপমের পরিবারে নজরুলগীতি, রবীন্দ্রনাথের গানের চর্চা আছে। তাই ওকেই বেছে নিয়েছি। তিনি আরও বলেন, গায়ক নিজেই গানটি বেছে দিয়েছে। রবীন্দ্রগানের বিশুদ্ধ গায়কী মেনে গেয়েছে। পরিচালক বলেন, ছবিতে চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। রূপমের গান বাজবে নেপথ্যে বলে জানান পারমিতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সুখবর দিলেন অভিনেত্রী মিথিলা

    অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী তাহসান খান শনিবার দ্বিতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। জনপ্রিয় মেকওভার আর্টিস্ট রোজা আহমেদকে তিনি বিয়ে করেছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তাহসান নিজেই। এবার সুখবর দিলেন তার সাবেক স্ত্রী অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। কিন্তু কী সেই সুখবর?

    অভিনয়ের জগতে বরাবরই সফল মিথিলা। টেলিভিশন, ওয়েব সিরিজ থেকে শুরু করে কলকাতার সিনেমাগুলোতে নায়িকা চরিত্রে দেখা গেছে এ অভিনেত্রীকে। এবার জনপ্রিয় কোরিয়ান নাটক ‘ডেসেন্ড্যান্টস অফ দ্য সান (ডটস)’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। তবে অভিনয়ে নয়, নাটকটির গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে বাংলা ডাবিংয়ে কণ্ঠ দেবেন তিনি। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিথিলা নিজেই। তিনি বলেন, কাজটি করার ব্যাপারে আমি সম্মতি দিয়েছি। বর্তমানে বিদেশে আছি, দেশে ফিরেই কাজ শুরু করব।

    খালিদ হোসেন অভি নাটকটির বাংলা ডাবিংয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন।এর আগে ‘রিপ্লাই ১৯৮৮’, ‘লেজেন্ড অব দ্য ব্লু সি’ ও ‘মিস্টার কুইন’-এর মতো কোরিয়ান ড্রামাগুলোর বাংলা ডাবিং প্রযোজনা করেছেন। সিরিজটির দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ডক্টর ইউন মিউং জু চরিত্রে বাচিক অভিনয় করবেন অভিনেত্রী মিথিলা।

    এ ব্যাপারে অভি জানান, ‘ডটস’-এর সঙ্গে রয়েছেন মিথিলা। ‘ডেসেন্ড্যান্টস অফ দ্য সান’র বহুল প্রত্যাশিত বাংলা ডাবে উগ্র এবং শক্তিশালী ড. ইউন মিউং জু’র চরিত্রে কণ্ঠ দেবেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীর বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় আগুন

    বলিউড সংগীতশিল্পী শানের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার রাতে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় এ শিল্পীর অ্যাপার্টমেন্টেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে শর্টসার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। গায়ক শান জানালেন তিনি সুস্থ আছেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এদিন স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়েই বাসায় ছিলেন তিনি। যখন আগুন লাগে তার আগেই তারা ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। একপর্যায়ে তাদের ছেলে সোহম ঘুম থেকে ডেকে তুললে বাড়ির সব সদস্যকে নিয়ে নিরাপদে অবস্থান করেন তারা।

    শান বলেন, রাত সাড়ে ১২টার দিকে সপ্তম তলায় আগুন লাগে। আমরা তখন ঘুমাচ্ছিলাম। রাত ১টার দিকে ঘুম ভাঙে। ততক্ষণে ৭তলা ও নিচের অন্যান্য তলা থেকে বেশিরভাগ মানুষ নিচে নেমে যান। আমাদের ছাদে যেতে বলা হয়েছিল, কিন্তু ছাদে তখন তালা বন্ধ। তিনি বলেন, আগুনের ধোঁয়া ক্রমাগত বাড়ছিল। তাই আমরা ১৪ তলায় আমাদের প্রতিবেশী মিসেস কাজীর বাড়িতে আশ্রয় নিই। আমরা প্রায় ৪০ মিনিট সেখানে ছিলাম, যতক্ষণ না দমকলকর্মীরা আমাদের উদ্ধার করে নিয়ে যান।

    এ সংগীতশিল্পী বলেন, আগুনে সপ্তম তলা সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে। ষষ্ঠ ও অষ্টম তলা আংশিক পুড়ে গেলেও বহুতলের অন্যান্য অংশ তেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। আমাদের বাড়িও ঠিক আছে। আমরাও ঠিক আছি।

    এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট। প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • থাপ্পড় মেরেছেন শাহরুখ, সেদিন যা ঘটেছিল জানালেন হানি সিং

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে হোটেল রুমে ঢুকে পাঞ্জাবি সংগীতশিল্পী হানি সিংয়ের ওপর চড়াও হন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। কয়েক বছর আগে এমন খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, সেই সময়  কিছু গণমাধ্যমের দাবি ছিল— গায়ককে এত জোরে চড় মারেন বাদশাহ যে, আহত হয়ে পড়েন শিল্পী হানি সিং। তার কপাল ফেটে নাকি অঝোরে রক্তও বেরিয়েছিল। যে কারণে সেদিন আর মঞ্চে পারফর্ম করতে পারেননি হানি। সেই সময় এ ঘটনা নিয়ে বলিপাড়ায় আলোচনা হয়েছিল প্রচুর। 

    এবার সেই ঘটনার ৯ বছর পর ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন,তা নিয়ে মুখ খুললেন পাঞ্জাবি সংগীতশিল্পী হানি সিং। প্রকাশ্যে আনলেন রটে যাওয়া ঘটনার আসল সত্যতা। সম্প্রতি ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে হানি সিংয়ের জীবনের ওপর তৈরি তথ্যচিত্র। আর সেই তথ্যচিত্রেই আসল গল্পটা ফাঁস করলেন গায়ক। 

    হানি সিং বলেন, বলিউড কিং খান কখনই আমার গায়ে হাত তুলবেন না। উনি এমন মানুষই নন। আমাকে খুবই ভালোবাসেন বাদশাহ। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে দাদা-ভাইয়ের সম্পর্ক। তাই শাহরুখ আমাকে মেরেছে, সেটি একেবারেই মিথ্যা কথা।

    এ গায়ক বলেন, আসলে সেদিন আমার মঞ্চে উঠতে ইচ্ছে করছিল না। মনে হচ্ছিল— মঞ্চে উঠলেই মরে যাব। তাই প্রথমে হোটেলের রুমে ঢুকে মাথার সব চুল কেটে ফেললাম। তারপর নিজের মাথায় একটা কফি মাগ ভাঙলাম। এতেই আহত হই। এসব করেই সেদিনের শো আটকে ছিলাম।

    হানি সিংয়ের এই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন তার বোনও। তিনি বলেন, এ ঘটনার পরই মাথায় রক্ত নিয়ে ফোন করে হানি। আমরা তো খুবই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। এর নেপথ্যে শাহরুখের কোনো দোষ নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পারিশ্রমিক ছাড়াই রাহাত ফতেহ আলির কনসার্টে উপস্থাপনা করবেন দীপ্তি

    উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলি খান আজ রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে কনসার্টে গান গাইবেন। আর এ কনসার্টে কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই গান গাইবেন এ সংগীতের জাদুকর। আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’ শীর্ষক কনসার্টের আয়োজন করছে ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ প্ল্যাটফর্ম। এই কনসার্ট থেকে আয়কৃত সম্পূর্ণ অর্থ শহিদ ও আহতদের পরিবার নিয়ে কাজ করা কল্যাণমূলক সংস্থা— ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এ দান করা হবে। এর মধ্যেই এ চ্যারিটি কনসার্টের টিকিট বিক্রি অনলাইনে চলমান রয়েছে। 

    এদিকে কনসার্টটি উপস্থাপনা করবেন দীপ্তি চৌধুরী। তিনি বলেন, বিনা পারিশ্রমিকে আন্তর্জাতিক এই কনসার্টের উপস্থাপনা করবেন তিনি। দীপ্তি বলেন, এটি শুধু কনসার্ট নয়, এখান থেকে অর্জিত অর্থ যাবে জুলাই বিপ্লবে আহতের সহায়তায়। এ আয়োজনে আমি কোনো পারিশ্রমিক নিচ্ছি না। এতে করে কাজটির মাধ্যমে এই মহতি উদ্যোগের অংশীদার হতে পারব বলে মনে করি।

    আয়োজক স্পিরিট অব জুলাই কর্তৃপক্ষ জানায়, ছাত্র-জনতার জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের সহায়তার জন্য এই কনসার্টের টিকিট বিক্রির সব অর্থ শহিদ জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনে দান করা হবে। রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে কনসার্টটি। আজ শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বসছে এ জমকালো গানের আসর।

    কনসার্টে আরও গান গাইবেন রাহাত ফতেহ আলি ছাড়াও জনপ্রিয় দেশীয় ব্যান্ড আর্টসেল, চিরকুট, আফটারম্যাথ ও সিলসিলার শিল্পীরা। এর বাইরেও র্যাপ সংগীত শিল্পী শেজান ও হান্নানের পরিবেশনাও থাকছে।

    এদিকে আগেই জানানো হয়েছিল, এই কনসার্টের বিক্রীত টিকিট থেকে আয়োজক সংস্থা কোনো অর্থ নেবে না। এ ছাড়া গায়ক রাহাত ফতেহ আলি খান ও তার দল কোনো পারিশ্রমিক নিচ্ছে না। আর কনসার্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে সব ধরনের ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক অব্যাহতি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) প্রথম সচিব (মূসক বাস্তবায়ন) মোহাম্মদ আরিফুল ইসলামের সই করা বিশেষ আদেশ জারি করা হয়েছে।

    আদেশে বলা হয়েছে— ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ এবং ‘স্কাইট্র্যাকার লিমিটেড’ কর্তৃক আয়োজিত ‘ইকোস অব রেভ্যুলিউশন’ কনসার্টটি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ও সম্পূরক শুল্ক হতে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।

    এদিকে এর আগে আর্মি স্টেডিয়ামের সম্পূর্ণ ভাড়া মওকুফ ঘোষণা দিয়েছে সেনা ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ড। কনসার্ট থেকে আয়কৃত যে পরিমাণ অর্থ জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে প্রদান করা যেত, ভেন্যু ভাড়া মওকুফ হওয়ায় তার চেয়ে বেশি অর্থ প্রদান করতে পারবে বলে আশা করছে স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ। সে কারণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীরও বিশাল কন্ট্রিবিউশন যুক্ত হলো, যা ভবিষ্যতে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে তাদের বিশ্বাস।

    এদিকে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’ আয়োজন কেন্দ্র করে বিমানবন্দর সড়কে যান চলাচলে বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ওই দিন দুপুর ২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে। যানজট এড়াতে এ সময় টোল ছাড়াই বিমানবন্দর, কুড়িল ও বনানী র্যাম্প ব্যবহার করে এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচলের সুযোগ থাকবে। ডিএমপির কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বদভ্যাস পরিবর্তনে প্রশাসনের কিছু করার থাকে না: কঙ্গনা

    সংগীতশিল্পী দিলজিৎ দোসাঞ্জের গানে মদ ও মাদকের ব্যবহার নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে উত্তাল গোটা ভারত। তেলেঙ্গানা ও গুজরাটে এ নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন গায়ক। গানের কথা বদলে অনুষ্ঠান করতে হয়েছে তাকে। এবার গানের কথায় মদ, মাদক বা হিংসার উল্লেখ থাকলে কী করা উচিত, তার উদহারণ দিলেন বিজেপির মান্ডির সংসদ সদস্য ও বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

    পাঞ্জাবি রকস্টার দিলজিতের গানের ভক্ত ছড়িয়ে আছে বিশ্বজুড়ে। গত কয়েক মাসে তিনি ভারতের বিভিন্ন শহরে গানের অনুষ্ঠান করে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু তেলেঙ্গানা আর গুজরাটে তাকে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে। সেই গান খানিক উচ্চকিত বটে। গানের কথায় অনেক সময়ই আবেগের ছোঁয়া ধরা পড়ে। বিশেষত দুটি গান নিয়েই বিতর্ক— ‘পাঁচ তারা’ আর ‘লেমোনেড’। এই দুটি গানের কথায় মদ ও মদের ঠেকের উল্লেখ রয়েছে। ওই দুটি গানের কথা বদলে গাইতে হয়েছে তাকে। যদিও এর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন দিলজিৎ। 

    মঞ্চে উঠেই তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন তিনি নিজে মদপান করেন না। এমনকি গানের মাধ্যমে তিনি মদপানবিরোধী প্রচার চালাতেও প্রস্তুত; কিন্তু তার আগে প্রশাসনকে উদ্যোগী হয়ে সব মদের দোকান বন্ধ করে দিতে হবে।

    এবার দিলজিতের পাশেই যেন দাঁড়ালেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। এ মান্ডির সংসদ সদস্য বলেন, শৈল্পিক অভিব্যক্তি কারও ধার ধারে না। হিমাচল লোকসংগীতেও এমন অনেক বিষয় রয়েছে। শিল্পের ক্ষেত্রে আবেগটাই বড় বিষয়। কিন্তু যখন মানুষ সেটিকে বদভ্যাসে পরিণত করে ফেলেন, তখন আর প্রশাসনেরও কিছু করার থাকে না। দায়িত্বটা সাধারণ নাগরিকেরও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • চলে গেলেন সংগীতশিল্পী পাপিয়া সারোয়ার

    বেশকিছুদিন ধরেই অসুস্থ একুশে পদকপ্রাপ্ত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী পাপিয়া সারোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ভেন্টিলেশন সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। তবে আর ফিরলেন না তিনি। চলে গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী পাপিয়া সারোয়ার। 

    বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। 

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাপিয়া সারোয়ারের স্বামী সারওয়ার আলম। তিনি জানান, প্রয়াতের মরদেহ আজ বারডেমের হিমঘরে রাখা হবে। কাল জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।  

    জানা গেছে, তিনি কয়েক বছর ধরে ক্যানসারে ভুগছেন। চার দিন ধরে ঢাকার তেজগাঁওয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন। এর আগে কয়েক দিন ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না, চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে চলে গেলেন গুণী এই শিল্পী। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি স্বামী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন।

    মেয়ে জারা সারোয়ার কলেজ অব নিউ জার্সিতে জীববিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক এবং ছোট মেয়ে জিশা সারোয়ার কানাডার অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন নির্বাহী।

    পাপিয়া সারোয়ারের জন্ম বরিশালে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। পরে ১৯৭৩ সালে ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রসংগীতে ডিগ্রি নিতে ভারত যান। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনিই প্রথম ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে সেখানে স্নাতক করার সুযোগ পান। আর এর আগে তিনি ১৯৬৬ সালে ছায়ানটে ওয়াহিদুল হক, সনজীদা খাতুন এবং জাহেদুর রহিমের কাছে এবং পরবর্তীতে বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে সংগীতদীক্ষা নেন। 

    দীর্ঘ সংগীত ক্যারিয়ারে রবীন্দ্রসংগীতের জন্য কোটি শ্রোতার ভালোবাসা পেয়েছেন। আধুনিক গানেও তিনি সফল। ‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন নাইরে টেলিগ্রাম’ গানটি তাকে আপামর বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়তা দিয়েছে।

    পাপিয়া সারোয়ার ২০১৩ সালে বাংলা একাডেমি থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৫ সালে বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ লাভ করেন। ২০২১ সালে পেয়েছেন একুশে পদক। আধুনিক গানেও আছে তার সাফল্য। ‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন নাইরে টেলিগ্রাম’ গানটি তাকে আপামর বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়তা দিয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢাকায় রাস্তায় সত্যিই কি নামাজ পড়েছেন আতিফ আসলাম?

    সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম পাকিস্তান ও ভারতে অসংখ্য জনপ্রিয় গান গেয়েছেন।  হিন্দি সিনেমা আজব প্রেম কি গজব কাহানি সিনেমার ‘তেরা হোনে লাগা হু’ ও ‘তু জানে না’ গান দুটি তার গাওয়া। এক যুগের বেশি সময় পরও গানগুলোর জনপ্রিয়তায় কমেনি। এক সিনেমায় একই শিল্পীর দুটি গান জনপ্রিয়তার রেকর্ড শুধু আতিফ আসলামেরই আছে। গান দুটির মধ্যে আলাদা দুটি সত্তা আছে। তার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন বলিউডে।  শুক্রবার বাংলাদেশের মানুষেরও হৃদয় ছুঁয়ে গেছেন এই গায়ক।

    ওইদিন ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে পারফর্ম করে গেছেন তিনি। উপমহাদেশের জনপ্রিয় এই গায়কের গান সরাসরি উপভোগ করতে ভক্ত-শ্রোতাদের মধ্যে উন্মাদনার পারদ চড়েছিল।

    ম্যাজিকেল নাইট ২.০’ কনসার্টের মঞ্চে দর্শকদের গান শোনাতে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে স্টেজে ওঠেন তিনি। টানা তিন ঘণ্টা ননস্টপ পারফর্ম করে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন এই গায়ক। লাখো মানুষের ভিড় জমে যায় প্রিয় গায়ককে এক নজর দেখার জন্য। 

    বাংলাদেশকে আতিফ কতটা পছন্দ করেন, সেটা অনেকবার নিজের মন্তব্যেই প্রকাশ করেছেন। এবারো স্টেজে উঠেই জানালেন, ‘বাংলাদেশ তার দ্বিতীয় বাড়ি।’

    বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে এসে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে উঠেছিলেন আতিফ আসলাম। এরপর শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজ আদায় করতে হোটেল থেকে বের হন তিনি। রাস্তার পাশেই মাস্ক পরা অবস্থা তার নামাজ আদায়ের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে নেটদুনিয়ায়।

    ভাইরাল ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, রাস্তায় বিছানো জায়নামাজে মাথায় ক্যাপ ও মুখে মাস্ক পরে মুসল্লিদের সঙ্গে বসে আছেন আতিফ আসলাম। তার অদূরে দুজন নিরাপত্তাকর্মী ঠায়  দাঁড়িয়ে। শান্ত পরিবেশ। সাধারণ মুসল্লিরা কেউই ধারণাই করতে পারেননি যে, তাদের গা ঘেঁষে বসে আছেন তুমুল জনপ্রিয় শিল্পী আতিফ আসলাম।

    ‘ম্যাজিকাল নাইট ২.০’ কনসার্টের আয়োজক ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশনের পক্ষ থেকেও ভিডিওর সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ বিভাগ থেকে জানায়, কনসার্টের দিন দুপুরে হোটেল থেকে জুমার নামাজ আদায়ের জন্য বের হয়েছিলেন আতিফ আসলাম। ধারণা করা হচ্ছে, খিলক্ষেতের আশেপাশের এলাকার কোনো একটি মসজিদে নামাজ পড়েছেন তিনি।

    এদিকে পাকিস্তানি এই গায়কের এমন সাদামাটা আচরণের কারণে প্রশংসা করছেন নেটিজেনরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ময়ূরীতে মুগ্ধ সোনু নিগম

    বিনোদন জগতের সংগীতশিল্পী সোনু নিগম ইনস্টগ্রামে ফলো করেন বঙ্গতনয়া মানসীকে। তার গানে লিভিং লিজেন্ডের মন্তব্য দেখে বাদশা বললেন, ‘আমার ঈর্ষা হচ্ছে’। 

    হিন্দুস্তান টাইমস সূত্রে জানা গেছে, ইন্ডিয়ান আইডলের ১৫তম সিজনের মূলপর্ব জমে উঠেছে। আর অন্যান্য বছরের মতো এবারও সনি টিভির এই রিয়ালিটি শোর মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছেন একঝাঁক তরুণ বাঙালি সংগীতশিল্পী। সেরা ১৬-র মধ্যে ৮ জন বাঙালি রয়েছেন চলতি বছর ইন্ডিয়ান আইডলে। যার অন্যতম কলকাতার বিন্দাস কন্যা মানসী ঘোষ। কলকাতার মানসীর গান শুনে চোখ জল বাদশার, কার দরদ ভরা কণ্ঠ কাঁদালেন শ্রেয়াকে?

    ২৪ বছরের এই কন্যার সুরেলা কণ্ঠ আর রাখঢাকহীন স্বভাব ইতোমধ্যে নজর কেড়েছে গোটা দেশের। মানসী মনের কথা চেপে রাখে না, যা মনে হয় তা নির্দ্বিধায় বলে ফেলে। চলতি সপ্তাহেও ইন্ডিয়ান আইডলে চলল মানসী-ম্যাজিক। 

    ফিরোজ খান স্পেশ্যাল পর্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে হাজির হয়েছিলেন জিনাত আমান ও ফারদিন খান। এদিন মানসীর পারফরম্যান্স শুরুর আগে সঞ্চালক আদিত্য় নারায়ণ ফাঁস করেন, মানসীর গত সপ্তাহের পারফরম্যান্সের ভিডিওতে মন্তব্য করেছেন স্বয়ং সোনু নিগম।

    সোনুর গাওয়া ‘ইয়ে দিল দিওয়ানা’ গেয়ে চমকে দিয়েছিলেন মানসী। সেই গান শুনে সোনু জানান, ‘সাবাস’। গানের অরিজিন্যাল গায়কের কাছে এই প্রশংসা শুনে আপ্লুত মানসী। তবে সে কথা জেনে বাদশা তো বলেই ফেললেন ‘হায় মেরি জ্বলন’। অনেকেই হয়তো জানেন না— গানের সূত্রেই মানসীর সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচয় রয়েছে সোনুর। ইনস্টাগ্রামে মানসীকে ফলোও করেন সোনু নিগম!

    এদিনও ‘হরে রামা হরে কৃষ্ণা’ ছবির দম মারো দম গেয়ে তাক লাগালেন মানসী। তার পারফরম্যান্সে মুগ্ধ জিনাত আমানও। বর্ষীয়ান অভিনেত্রী বলেন, ‘তুমি তো পুরো বোমা! অসাধারণ গেয়েছ। এই এপিসোডটা সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানাচ্ছে, আর আমার মনে হয় তুমি একদম নিভর্য় হয়ে গেয়েছ’। 

    শ্রেয়াও বলেন, অডিশনেও আমরা ওর গান শুনে শকড হয়ে গিয়েছিলাম। মানসী রকড, জাজেস শকড। মানসীকে ‘রকস্টার’ খেতাব দেন বাদশাও। 

    বাংলা রিয়ালিটি শোর জগতে পরিচিত নাম মানসী। স্টার জলসার সুপারস্টার সিঙ্গারের ফার্স্ট রানারআপও হয়েছেন তিনি। 

    উল্লেখ্য, গত ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১৫। এই শোটি প্রতি শনি ও রোববার রাত ৯টা থেকে সনি চ্যানেলে দেখা যায়। তিন বিচারকের পাশাপাশি সঞ্চালকের ভূমিকায় রয়েছেন আদিত্য নারায়ণ।

    বিনোদন ডেস্ক