Tag: সংগীতশিল্পী

  • যন্ত্রণায় জীবন স্থবির চমকের

    আতিফ আসলাম পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী।  ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশন ‘ম্যাজিকাল নাইট ২.০’ শিরোনামে একটি কনসার্ট আয়োজন করে। 

    আর্মি স্টেডিয়ামে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় এই কনসার্টটি। সেখানে গান পরিবেশন করেন আতিফ আসলামসহ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিল্পীরা। 

    এ আয়োজনকে ঘিরে আর্মি স্টেডিয়ামসহ তার আশেপাশের রাস্তায় জ্যাম দেখা গেছে। এ ঘটনায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক।

    চমক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে জানান, ফেসবুকে পোস্ট আর রাস্তায় জ্যামের যন্ত্রণায় জীবন স্থবির।

    চমকের লিখেন, আমার গাড়িতে আতিফ আসলামের গান চলতেছে, এটাই বড় বিষয়। যাই হোক প্রয়োজন ছাড়া আজ বের হইয়েন না। না মানে, ডিনার যদি আর্লি করতে চান আরকি।

    প্রসঙ্গত, সর্বশেষ গত এপ্রিলে ঢাকায় এসে দর্শকদের গান শুনিয়ে গেছেন আতিফ আসলাম। ‘লেটস ভাইভ আর্ট অ্যান্ড মিউজিক ফেস্টিভ্যাল’ শিরোনামের কনসার্টে গেয়ে শোনান ‘ও লামহে’, ‘তেরে বিন’, ‘পেহলি নাজার ম্যায়’, ‘তেরে লিয়ে’সহ তাঁর গাওয়া জনপ্রিয় বেশ কিছু গান।

    সেই কনসার্টে আতিফের সঙ্গে পারফর্ম করেন বাংলাদেশের আহমেদ হাসান সানি, ব্যান্ড কাকতাল, ফিরোজ জং ও কার্নিভ্যাল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিকিনিতে ছবি দিলেই ভাইরাল: ইমন

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী। লোকগানের পাশাপাশি আধুনিক কিংবা রবীন্দ্রসংগীত— সব ধরনের গানেই পারদর্শী তিনি। পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কারও। ওপার বাংলার পাশাপাশি বাংলাদেশেও বিভিন্ন সময় এসে পারফর্ম করে গেছেন এ গায়িকা। 

    ক্যারিয়ারে সফলতা পেলেও এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সে ঘটনাই তুলে ধরেন ইমন। জানালেন এক গায়ক গাড়িতে বসেই তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

    গায়িকা বলেন, ২০১২ সালে একজন সেলিব্রিটি গায়কের সঙ্গে একটি প্রোগ্রামে যান। গাড়িতে আমার বাবা সামনের সিটে বসা। ওই গায়ক ছিলেন পেছনে আমার পাশের সিটে। উনি ইশারায় আমাকে বলছিলেন— ওনার সঙ্গে কোথাও যাওয়ার জন্য।

    বিষয়টি মোটেও ভালোভাবে নেননি ইমন। গায়কের কুপ্রস্তাবের জবাবে ফুঁসে উঠে চিৎকার করে বলেছিলেন— ইউ ওয়ান্ট টু ডু ইট রাইট নাও? আপনি কি এখনই করতে চান?

    এত বছর পর সেই ঘটনা ফাঁস করলেও সেই গায়কের নাম বলেননি ইমন। শুধু জানালেন— প্রত্যেকের ক্যারিয়ারেই স্ট্রাগল থাকে, তারও ছিল। একটা সময় লিলুয়া থেকে রবীন্দ্রভারতী, সেখান থেকে টালিগঞ্জে গান শিখতে যেতেন। ফের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে রাত ১১টায় বাড়ি ফিরতেন। সহজ ছিল না এ সফর।

    ওই সাক্ষাৎকারে মিডিয়ার ওপর ক্ষোভ প্রাকশ করে ইমন বলেন, তার নতুন গান নিয়ে হইচই হয় না। অথচ বিকিনিতে ছবি দিলেই ভাইরাল, যা মোটেই কাম্য নয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাহমানের জীবনে মোহিনী, সে কারণেই বিচ্ছেদ—কী বললেন সুরকারের মেয়ে

    অস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী ও পরিচালক এআর রাহমান ও তার স্ত্রী সায়রা বানু ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন। গত মঙ্গলবার রাতে বিবাহবিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন তারা। 

    এর ঘণ্টাখানেকের মধ্যে রাহমানের সহযোগী মোহিনী দে-ও তার স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন। আর তার পরেই দুইয়ে-দুইয়ে চার করতে শুরু করেন অনেকে। সমাজের নীতিবানরা আঙুল তুলতে শুরু করেন মোহিনীর দিকে। 

    তাদের ধারণা, এই বঙ্গললনার কারণেই নাকি ঘর ভেঙেছে সুরকারের। যদিও লোকের কথায় কান দেওয়ার পাত্রী নন মোহিনী। দিব্যি শো করছেন, নিজের স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। 

    তবে আতশকাচের তলায় যেন বারবার রাখা হচ্ছে অস্কারপ্রাপ্ত সুরকার এআর রাহমানকে। ক্রমাগত সমালোচনা ও কটাক্ষের মাঝে এবার মুখ খুললেন রাহমানের মেয়ে।

    এদিকে বিচ্ছেদ নিয়ে এআর রাহমানের স্ত্রীর আইনজীবী বন্দনা শাহ জানিয়েছেন, দীর্ঘ তিক্ততা এ বিচ্ছেদের নেপথ্য কারণ। উভয় পক্ষই আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন মিটিয়ে নিতে। কিন্তু তা আর সম্ভব নয়। ফলে দীর্ঘ দাম্পত্যের পর এই সিদ্ধান্ত নিতে যথেষ্ট কষ্ট হয়েছে তার। কিন্তু সায়রা অপারগ। 

    তাদের বিচ্ছেদের পর বিপুল অঙ্কের খোরপোশ পাবেন সায়রা। এ নিয়ে ইতোমধ্যে নানা কথা শোনা যাচ্ছে বিভিন্ন মহলে।

    তবে সেসব কথা উড়িয়ে দিয়েছেন সায়রার আইনজীবী। তিনি পাশাপাশি এ বিষয়টিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন— রাহমান-সায়রার বিয়ে ভাঙলেও তাদের বন্ধুত্ব অটুট। এর পর স্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেন, তাদের এই বিচ্ছেদের সঙ্গে মোহিনীর কোনো সংযোগ নেই। 

    রহমান ও সায়রার দীর্ঘ দাম্পত্যে তিন সন্তান রয়েছে তাদের। দুই মেয়ে খাতিজা ও রহিমা এবং এক ছেলে আমিন। খাতিজা বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। আমিন অবশ্য সর্বক্ষণ বাবার পাশে পাশে থাকেন। আর মেয়ে রহিমা অবশ্য অনেক বেশি সোজাসাপটা কথা বলেন।

    নেটপাড়ায় রহমান-মোহিনীকে নিয়ে নানা চটুল, রসালো খবর চাউর হতেই শেষমেশ মুখ খুললেন বড়কন্যা রহিমা রহমান। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন— সর্বদা মনে রাখবেন, গুজবের জন্ম দেয় নিন্দুকেরা। ছড়িয়ে দেয় বোকারা। সেটি বিশ্বাস করে নির্বোধরা। সত্যিই বলছি— নিজের চরকায় তেল দিন। 

    ছোট বোনের সেই পোস্ট শেয়ার করেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বড় বোন খাতিজা রহমানও। 

    আসলে নাম উল্লেখ না করেই বাবাকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুজবের কড়া জবাব দিয়েছেন রহিমা। 

    উল্লেখ্য, অস্কারজয়ী সুরকার ও সংগীত পরিচালক এআর রাহমানের ঘরভাঙার খবরে তোলপাড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। দোষারোপ করা হচ্ছে তারই টিমের নারী সদস্য গিটারিস্ট মোহিনী দের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে এ সংগীত পরিচালকের। 

    তবে এ নিয়ে এখনো মুখ খোলেননি এআর রাহমান। ১৯৯৫ সালে এআর রাহমান ও সায়রা বানুর বিবাহ হয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তুমুল বিতর্কে স্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন রহমান, যা ঘটেছিল সেদিন

    গত বছর অভিনেত্রী কস্তুরী শংকর ‘ভিকাতান অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন, যেখানে দেখা যায় রহমানের পাশে রয়েছেন স্ত্রী সায়রা বানু। সেই ভিডিও পোস্ট করে সায়রার তামিল ভাষায় সাবলীলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভিনেত্রী।

    শুধু তাই নয়, অভিনেত্রী সায়রার মাতৃভাষা ঠিক কী, বাড়িতে কোন ভাষায় কথা বলেন— এ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সেই সময় বহু অনুরাগী এআর রহমান ও তার স্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ এবং অযৌক্তিক মন্তব্য করার জন্য অভিনেত্রী কস্তুরী শংকরের সমালোচনাও করেছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে কস্তুরীর টুইটের জবাবে বেশ শান্তভাবে সামাল দেন অস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী। তিনি সেদিন তামিল ভাষায় যা লিখেছিলেন, তার অর্থ—‘ভালোবাসার প্রতি শ্রদ্ধা’।

    এক সাক্ষাৎকারে রহমান বলেন, সায়রা বানু কচ্ছ ও ইংরেজি ভাষায় কথা বলেন। তিনি সায়রাকে ইংরেজি ভাষাতেই বিয়ের জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

    প্রসঙ্গত ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবন শেষ করে দিলেন অন্যতম বিখ্যাত অস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী এআর রহমান। মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা নিজেই করেন এআর রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি একটি পোস্ট করে লিখেছিলেন— ‘আমরা ভেবেছিলাম ৩০ বছর অতিক্রান্ত করে ফেলব, কিন্তু তা হলো না। আমার মনে হয় সব কিছুরই পরিণতি আগে থেকেই স্থির করা থাকে। একটি ভগ্ন হৃদয় নিয়ে এটা জানাতেই হচ্ছে যে, সবকিছু শেষ হয়ে গেল। সবাইকে অশেষ ধন্যবাদ আমাদের এই ব্যক্তিগত মতামতকে সম্মান দেওয়ার জন্য।’

    উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এআর রহমান ও সায়রা বানু। তিন সন্তানের বাবা-মা তারা। কিন্তু হঠাৎ করে এত বছর পর বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন এই তারকা দম্পতি, খবর শুনে স্বাভাবিকভাবেই অবাক হয়ে যান সংগীতশিল্পীর ভক্তরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশেষ চুক্তিতে সায়রাকে বিয়ে করেন রহমান, সামনে এলো পুরোনো কথা

    ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবন শেষ করে দিলেন অন্যতম বিখ্যাত সংগীতশিল্পী এআর রহমান। তবে এই ডিভোর্সের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলো পুরোনো একটি ভিডিও, যেখানে অভিনেত্রী সিমি গারেওয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় সংগীতশিল্পীকে বলতে শোনা যায় একটি চুক্তির কথা। কী বলেছিলেন সেই চুক্তির বিষয়ে।

    সিমির সঙ্গে এআর রহমানের যে পুরোনো সাক্ষাৎকারের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে— এআর রহমান বলছেন—আমি আমার ক্যারিয়ারের জন্য ভীষণ ব্যস্ত ছিলাম সেই সময়। পাত্রী খোঁজার সময় ছিল না আমার কাছে। ২৯ বছর বয়সে যখন আমার মা আমার জন্য পাত্রী খুঁজছিলেন, তখন আমি বলেছিলাম— আমার একজন সাধারণ স্ত্রী চাই, যাতে আমি আমার সংগীত চর্চা চালিয়ে যেতে পারি।’

    সংগীতশিল্পী আরও বলেন, ‘সায়রা ছিল একজন শান্ত স্বভাবের মেয়ে। তবে প্রথম দিকে ও খুব হতাশ হয়ে থাকত। কারণ যখন তখন বাইরে বের হতে পারত না আমার সঙ্গে। ও নিজেই বুঝেছিল ব্যাপারটি ভীষণ স্বাভাবিক। কারণ আমি বিয়ের আগেই এই কথা ওকে বলে রেখেছিলাম। আমাদের মধ্যে এটাই চুক্তি ছিল যে, ও আর পাঁচটা মানুষের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপন অতিবাহিত করতে পারবে না। এই চুক্তিতেই আমাদের বিয়ে হয়েছিল।’

    এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নিজের বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা নিজেই করেন এআর রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি একটি পোস্ট করে লিখেছিলেন— ‘আমরা ভেবেছিলাম ৩০ বছর অতিক্রান্ত করে ফেলব, কিন্তু তা হলো না। আমার মনে হয় সব কিছুরই পরিণতি আগে থেকেই স্থির করা থাকে। একটি ভগ্ন হৃদয় নিয়ে এটা জানাতেই হচ্ছে যে, সবকিছু শেষ হয়ে গেল। সবাইকে অশেষ ধন্যবাদ আমাদের এই ব্যক্তিগত মতামতকে সম্মান দেওয়ার জন্য।’

    উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এআর রহমান ও সায়রা বানু। তিন সন্তানের পিতামাতা তারা। কিন্তু হঠাৎ করে এত বছর পর বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন এই তারকা দম্পতি, খবর শুনে স্বাভাবিকভাবেই অবাক হয়ে যান সংগীতশিল্পীর ভক্তরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জীবনের তাল কেটে গেল এআর রহমানের

    ভারতবাসীকে থমকে দিয়েছে এআর রহমান। জীবনের তাল কেটে গেল এ অস্কারজয়ী সংগীতশিল্পীর। জীবন-সংসারের গতি থমকে দাঁড়িয়েছে তাদের জীবনে। ইতোমধ্যে এ দম্পতির বিচ্ছেদের খবর জেনে গেছেন ভক্ত-অনুরাগীরাও। কী কারণে বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন এ দম্পতি, জানালেন রহমানপত্নীর আইনজীবী।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, বিচ্ছেদের পথে এআর রহমান। এই খবর জানিয়েছেন তার স্ত্রী সায়রা বানুর আইনজীবী বন্দনা শাহ। মঙ্গলবার রাতে এক বিবৃতিতে জানান, তিক্ত সম্পর্কের জেরেই এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তার মক্কেল। উভয়ের সম্মতিতেই এ পদক্ষেপ। এআর রহমানের বিচ্ছেদের খবর হাওয়ার বেগে ছড়াতেই বাকরুদ্ধ গোটা দেশ।

    কেন এই বিচ্ছেদ? সায়রা বানুর আইনজীবী বন্দনা শাহ জানিয়েছেন, দীর্ঘ তিক্ততা এই বিচ্ছেদের নেপথ্য কারণ। উভয় পক্ষই আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন মিটিয়ে নিতে। কিন্তু তা আর সম্ভব নয়। ফলে দীর্ঘ দাম্পত্যের পর এই সিদ্ধান্ত নিতে যথেষ্ট কষ্ট হয়েছে তার। কিন্তু সায়রা অপারগ।

    এই জায়গা থেকেই আইনজীবীর অনুরোধ— এ মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে কেউ যেন সায়রাকে বিব্রত না করেন। তিনি মানসিক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। কারণ দীর্ঘ দাম্পত্যে ইতি টানা সহজ কথা নয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাসিনাকে বুকে জেঁকে বসা জগদ্দল পাথরেরে সঙ্গে তুলনা বেবী নাজনীনের

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে ঢাকা ফিরেছেন বিনোদন জগতের ব্লাক ডায়মন্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বেবী নাজনীন। গতকাল রোববার (১০ নভেম্বর) সকালে বিমানবন্দরে নামেন তিনি। এ সময় গণমাধ্যমকর্মী ও বিএনপিকর্মীদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হন জনপ্রিয় এ সংগীতশিল্পী। স্লোগানে স্লোগানে তাকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপির একদল কর্মী। তবে তাদের কারও হাত থেকেই ফুলের তোড়া গ্রহণ করেননি বেবী নাজনীন। জানিয়েছেন— ফুল নয়, কেবল শুভেচ্ছাই যথেষ্ট। তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি রাজনীতির সঙ্গেই আছি, মিডিয়াকর্মী হিসেবে আছি।

    বেবী নাজনীন বলেন, ‘জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বাংলাদেশে শহিদ ছাত্র-জনতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। আহত ভাইবোনদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। তাদের আত্মত্যাগে নতুন স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। পতন হয়েছে বাংলাদেশের বুকে জেঁকে বসা জগদ্দল পাথর শেখ হাসিনা সরকারের। দীর্ঘ ১৬ বছর পর বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারছেন বাংলাদেশের মানুষ, কথা বলতে পারছেন স্বাধীনভাবে।’

    এ সংগীতশিল্পী বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে— যে স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে স্বৈরাচারের বুলেটের সামনে বুক পেতে দিয়েছে ছাত্র-জনতা, তাদের সেই স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বলেন, স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে কাজ করতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তি রয়েছেন। এতে আমরা আশাবাদী হতেই পারি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কারসম্পন্ন করে নির্বাচন দিয়ে একটি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।’

    বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় এ সংগীতশিল্পী বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, দেশমাতা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনা করছি। তার দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’ 

    উপস্থিত সাংবাদিকরা তার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বেবী নাজনীন বলেন, ‘আমি রাজনীতির সঙ্গেই আছি। মিডিয়াকর্মী হিসেবে আপনাদের সঙ্গেও আছি। কেবল দেশে ফিরেছি। আমার পরিকল্পনার কথা আপনাদের জানাব।

    বাংলাদেশ বেতার-টিভি-মঞ্চ— কোনো মাধ্যমেই বেবী নাজনীন স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারেননি। একপর্যায়ে তিনি দেশছাড়তেই বাধ্য হন। তবে আন্তর্জাতিকভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে বেবী নাজনীন সবসময়ই সমাদৃত ছিলেন এবং আছেন। ফলে বিদেশের মাটিতে তার কাজকর্মে কোনো বাধা আসেনি। 

    বরং এই সময়ে আমেরিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন বেবী নাজনীন। সাড়ে চার দশকের ক্যারিয়ারে আধুনিক সংগীতের অর্ধশতাধিক একক অডিও অ্যালবামসহ অসংখ্য দ্বৈত অডিও অ্যালবামে গান গেয়েছেন এ ব্লাক ডায়মন্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী। ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আশা ভোঁশলে, বাপ্পি লাহেরি, কুমার শানু, কবিতা কৃষ্ণমূর্তির সঙ্গেও একাধিক অডিও অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তার।

    বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিশেষ শ্রেণির তালিকাভুক্ত সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন চলচ্চিত্র, অডিও মাধ্যমে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। 

    মানুষ নিষ্পাপ পৃথিবীতে আসে, আমার একটা মানুষ আছে, ওই রঙধনু থেকে, পত্রমিতা, এলোমলো বাতাসে উড়িয়েছি শাড়ির আঁচল, কাল সারারাত ছিল স্বপনেরও রাত, দুচোখে ঘুম আসে না তোমাকে দেখার পর, আমার ঘুম ভাঙাইয়া গেলোরে মরার কোকিলে, লোকে বলে আমার ঘরে নাকি চাঁদ উঠেছে, আজ পাশা খেলবো রে শাম, প্রিয়তমা, সারা বাংলায় খুঁজি তোমারে, ও বন্ধু তুমি কই কই রে, এ প্রাণো বুঝি যায় রে-এমন অসংখ্য গানের মাধ্যমে বাংলা গানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছেন এই সংগীত তারকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পানওয়ালার গান শুনে হাউমাউ করে কাঁদলেন শ্রেয়া ঘোষাল

    খড়গপুরের পানওয়ালা থেকে গানওয়ালা হওয়ার জার্নিতে আরও একধাপ এগোলেন শুভজিৎ। খড়গপুরের ছেলের কণ্ঠে বাংলার লোকগীত শুনে কান্না থামল না সংগীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষালের। 

    গত সিজনের মতো এবারও ইন্ডিয়ান আইডলের স্টেজে বাংলার গায়ক-গায়িকারা ঝড় তুলছেন। চলতি সপ্তাহে ইন্ডিয়ান আইডল টপ ১৫-এর বাছাই করতে গিয়ে মহাফ্যাঁসাদে বিচারকরা। কাকে ছেড়ে কাকে বাছবেন, এখন সেই অগ্নিপরীক্ষা শ্রেয়া, বিশাল, নীতির। 

    হ্যাঁ, এ সপ্তাহে বাদশার পরিবর্তে অতিথি বিচারক হিসাবে রয়েছেন নীতি মোহন। স্বপ্নপূরণের নেশায় পানের দোকান ফেলে ইন্ডিয়ান আইডলে বাংলার শুভজিৎ! হৃদমাঝারে-দাগাবাজের ম্যাশাপে মুগ্ধ বিচারকরা। অডিশন পর্বেই বাংলার ‘পানওয়ালা’ শুভজিৎ চক্রবর্তীর সুরের জাদুতে মুগ্ধ হয়েছিলেন ইন্ডিয়ান আইডলের বিচারকরা। থিয়েটার গালা রাউন্ডেও নিরাশ করলেন না শুভজিৎ। বরং তার গান শুনে শ্রেয়া ঘোষালের চোখের জল বাঁধ মানল না। হাউমাউ করে কেঁদেই ফেললেন তিনি। এর আগে সুপার সিঙ্গার সিজন ৩-এর মঞ্চে সাড়া ফেলেছিলেন এই পানওয়ালা। 

    ফের একবার রাহাত ফতেহ আলি খানের গান গাইলেন শুভজিৎ। সেই সঙ্গে বাংলার ফোক গান উঠে এলো তার দরদ ভরা কণ্ঠে। যুবরাজ ছবির ‘সুরিলি আঁখিওয়ালে….’ গান দিয়ে এদিনের পারফরম্যান্স শুরু করে শুভজিৎ। এদিন প্রিয় বাদ্যযন্ত্র খমকও সঙ্গে ছিল না তার। শুধু কণ্ঠের জাদুতেই সবাইকে আচ্ছন্ন করল খড়গপুরের ছেলে।

    শুভজিৎ এরপর যখন অন্তরা গাইতে গাইতে ঢুকে পড়লেন ‘আমায় ডুবাইলি রে, আমায় ভাসাইলি রে…’ তখন আর স্থির থাকতে পারেননি শ্রেয়া-বিশালরা। শুভজিতের সুর সাগরে ডুব দিয়ে নাচতে শুরু করেন তারা। বিশালকে জড়িয়ে ধরেন শ্রেয়া। তার চোখ দিয়ে তখন জল গড়িয়ে পড়ছে অবিরাম। মঞ্চে গিয়ে শুভজিতের হাতে সেরা ১৫-এর মাইক তুলে দেন শ্রেয়া। তাকে বলতে শোনা গেল— আমি এই গানের নেশা থেকে বার হতেই চাই না… চাই না এই সম্মোহন শেষ হোক।

    খড়গপুর অঞ্চলের এক পান বিক্রেতা শুভজিৎ। সংগীত তার ধমনীতে বইছে। বাবা হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান করে ফেরেন পথে পথে। বাবাকে স্কুটার কিনে দেওয়ার স্বপ্ন নিয়েই আইডলের মঞ্চে এসেছে শুভজিৎ। 

    অডিশন পর্বেই ‘দগাবাজ’ গেয়ে সবার মন জিতে নিয়েছিল শুভজিৎ। সেই মুগ্ধতা আরও কয়েকগুণ বেড়ে গেল শনিবারের পারফরম্যান্স শেষে। সেরা ১৫-তে জায়গা পাওয়াটা শুভজিতের কাছেও স্বপ্নের মতো। বিচারকদের পর গোটা ইন্ডিয়ার হৃদমাঝারে জায়গা করে নিতে সফল হবেন শুভজিৎ? সেটিই এখন দেখর পালা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে ঢাকা ফিরছেন বেবী নাজনীন

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে ঢাকা ফিরছেন বিনোদন জগতের ব্লাক ডায়মন্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বেবী নাজনীন। 

    সূত্রে জানা গেছে, আগামী রোববার (১০ নভেম্বর) সকাল ১০টায় কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন তিনি। বিগত ১৬ বছরের আওয়ামী লীগ শাসনামলে নিজের পেশাগত কাজকর্মে বারবার বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয় বেবী নাজনীনের সংগীতজীবন।

    বাংলাদেশ বেতার-টিভি-মঞ্চ— কোনো মাধ্যমেই বেবী নাজনীন স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারেননি। একপর্যায়ে তিনি দেশছাড়তেই বাধ্য হন। তবে আন্তর্জাতিকভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে বেবী নাজনীন সবসময়ই সমাদৃত ছিলেন এবং আছেন। ফলে বিদেশের মাটিতে তার কাজকর্মে কোনো বাধা আসেনি। 

    বরং এই সময়ে আমেরিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ব্লাক ডায়মন্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন। সাড়ে চার দশকের ক্যারিয়ারে আধুনিক সংগীতের অর্ধশতাধিক একক অডিও অ্যালবামসহ অসংখ্য দ্বৈত অডিও অ্যালবামে গান গেয়েছেন এ গায়িকা। ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আশা ভোঁশলে, বাপ্পি লাহেরি, কুমার শানু, কবিতা কৃষ্ণমূর্তির সঙ্গেও একাধিক অডিও অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তার।

    বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিশেষ শ্রেণির তালিকাভুক্ত সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন চলচ্চিত্র, অডিও মাধ্যমে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। 

    মানুষ নিষ্পাপ পৃথিবীতে আসে, আমার একটা মানুষ আছে, ওই রঙধনু থেকে, পত্রমিতা, এলোমলো বাতাসে উড়িয়েছি শাড়ির আঁচল, কাল সারারাত ছিল স্বপনেরও রাত, দুচোখে ঘুম আসে না তোমাকে দেখার পর, আমার ঘুম ভাঙাইয়া গেলোরে মরার কোকিলে, লোকে বলে আমার ঘরে নাকি চাঁদ উঠেছে, আজ পাশা খেলবো রে শাম, প্রিয়তমা, সারা বাংলায় খুঁজি তোমারে, ও বন্ধু তুমি কই কই রে, এ প্রাণো বুঝি যায় রে-এমন অসংখ্য গানের মাধ্যমে বাংলা গানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছেন এই সংগীত তারকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ক্রাইম পেট্রোল’ খ্যাত অভিনেতা নীতিন চৌহানের রহস্যজনক মৃত্যু

    একজনের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে উঠার আগেই আরেকজনের মৃত্যুর খবর উঠে আসেছে সিনেমাজগতে। গত ৫ নভেম্বর রাতে ভারতের লোকগানের বরেণ্য সংগীতশিল্পী শারদা সিনহা মারা যান। এবার মারা গেলেন জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘দাদাগিরি ২’ জয়ী এবং ‘ক্রাইম পেট্রোল’ খ্যাত আলোচিত অভিনেতা নীতিন চৌহান।

    শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সকালে মুম্বাইতে মৃত্যু হয়েছে তার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। বিষয়টি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন অভিনেতার বন্ধু কুলদীপ। 

    তিনি বলেন, আজ সকালেই ওর মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পারি। নীতিনের বাবা ও বোন ফোনে জানিয়েছেন বিষয়টি।

    কুলদীপ বলেন, নীতিনের বাবা ও বোন ওর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে জানিয়েছেন। আমি তো শুনে অবাক হয়েছি। কেননা, আগামী মাসেই দিল্লি আসার কথা ছিল ওর। খাটু শ্যামজির মন্দিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল আমাদের।

    অভিনেতার এ বন্ধু জানান, বর্তমানে নীতিনের পরিবারের সঙ্গে মুম্বাইয়ে রয়েছেন তিনি। লাশ দিল্লিতে নেওয়ার জন্য এসেছেন। রাত ১০টায় রওনা দিয়েছেন। বন্ধুর সঙ্গে অনেক স্মৃতি রয়েছে তার।

    এদিকে নীতিনের মৃত্যুতে তার আত্মার শান্তি কামনা করে সোশ্যাল মিডিয়া ইনস্টাগ্রামে পোস্ট দিয়েছেন তার বন্ধু সুদীপ সাহির। তিনি লিখেছেন, ‘বন্ধু, শান্তিতে বিশ্রাম নিন।’ অভিনেত্রী বিভূতি ঠাকুর লিখেছেন, ‘শান্তিতে বিশ্রাম নিন, আমার প্রিয়। আমি সত্যিই খুবই মর্মাহত ও দুঃখিত। ভালো হতো যদি সব শক্তি দিয়ে সব সমস্যা মোকাবিলা করতেন।’ এছাড়া অভিনেত্রী সায়ন্তী ঘোষও শোক প্রকাশ করেছেন।

    প্রসঙ্গত, ভারতের উত্তর প্রদেশের আলিগড়ে জন্ম নীতিন চৌহানের। রিয়েলিটি শো ‘দাদাগিরি ২’ জয়ের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে খ্যাতি লাভ করতে থাকেন। এরপর ‘এমটিভি স্প্লিটসভিলা’, ‘জিন্দেগি ডটকম’, ‘ক্রাইম পেট্রোল’ ও ‘ফ্রেন্ডস’র মতো জনপ্রিয় সিরিজে দেখা গেছে তাকে। 

    সবশেষ ২০২২ সালে ‘তেরা ইয়ার হুঁতে’ অভিনয় করেছিলেন এ অভিনেতা।

    বিনোদন ডেস্ক