Tag: সংগীতশিল্পী

  • আমি কখনই মা হতে চাইনি: রাধিকা আপ্তে

    বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে মা হতে চলেছেন। ২০১১ সালে ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী ও সুরকার বেনেডিক্ট টেলরের সঙ্গে লন্ডনে লিভ ইন শুরু করেন তিনি। এরপর জানা যায়, আইনিভাবে বিয়ে সারেন এ যুগল। 

    করণ কান্ধারি পরিচালিত ‘সিস্টার মিডনাইট’ ছবিটির প্রিমিয়ার উৎসবে উপস্থিত ছিলেন রাধিকা আপ্তে। গত অক্টোবরে লন্ডনের সেই চলচ্চিত্র উৎসবে তার বেবি বাম্প নজরে আসতেই অভিনেত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। 

    পরে উৎসবে তোলা কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন নেন রাধিকা আপ্তে। কিন্তু নিজের মা হওয়ার প্রসঙ্গে সেদিন একটি শব্দও তিনি লেখেননি। এমনকি খবর জানাজানি হওয়ার পরও কোনো কথা বলেননি এ অভিনেত্রী।

    তবে এবার নিজের অন্তঃসত্ত্বা নিয়ে মুখ খুললেন রাধিকা। অন্য তারকাদের তুলনায় একটু আলাদাই এ অভিনেত্রী। তাই জীবনের নতুন সুখবরটির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সোজা বলে ফেললেন— আমি কোনো দিনই সন্তানের মা হতে চাইনি।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে খানিক মজার সুরেই রাধিকা বলেন, তিনি এবং তার স্বামী কোনো দিনই সন্তান চাননি তাদের জীবনে। অভিনেত্রী বলেন, বাচ্চাদের পোশাক কীভাবে পরাতে হয়, পরিবর্তন করতে হয়; সেটুকু পর্যন্ত জানি না আমরা। তিনি আরও বলেন, লন্ডনের ওই চলচ্চিত্র উৎসবে হাজির না হলে তার মা হতে যাওয়ার খবর হয়তো জানাজানি হতো না। কারণ তা নিয়ে জানাজানি হোক, এমন কোনো ইচ্ছাও ছিল না তার।

    অভিনেত্রী বলেন, ‘প্রথম যেদিন জানতে পারলাম পেটে সন্তান, বিস্ময়ে হাঁ হয়ে গিয়েছিলাম। মানতেই চাইছিলাম না। ভাবছিলাম, কীভাবে হলো। যাই হোক, সন্তান নেওয়াটা কোনো দিনই আমার পরিকল্পনার মধ্যে ছিল না। রাধিকা বলেন, মা হওয়ার যে এই পথ চলাটা তা কিন্তু মোটেই দারুণ আনন্দদায়ক নয়, অন্তত আমার কাছে। যথেষ্ট কঠিন ও কষ্টের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে বলিউড নায়িকার সঙ্গে পরকীয়ায় ঘর ভাঙে কুমার শানুর

    জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী মীনাক্ষী শেষাদ্রির সঙ্গে প্রেম নিয়ে জল্পনা শুরু হয় সংগীতশিল্পী কুমার শানুর। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয় সমালোচনা। তাদের এ সম্পর্কের কারণে নাকি ঘরও ভাঙে এ সংগীতশিল্পীর। 

    ১৯৮৮ সালে প্রথম প্লেব্যাক শুরু করেন সংগীতশিল্পী কুমার শানু ওরফে কেদারনাথ ভট্টাচার্য। ‘হিরো হীরালাল’ সিনেমায় তিনি প্রথম গান করেন। এরপর ‘৯০-এর দশকে সংগীতজগতে বলিউড কাঁপান এ সংগীতশিল্পী। ‘৯০ সালেই মুক্তি পায় মহেশ ভাটের ছবি ‘জুর্ম’। বিনোদ খান্না, মীনাক্ষী শেষাদ্রি, সংগীতা বিজলানি অভিনীত ছবিটির ‘যব কোয়ি বাত বিগড় যায়ে’ গানটি তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিল। গানটি গেয়েছিলেন কুমার শানু ও সাধনা সরগম।

    কুমার শানুর গলায় গানটি শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন মীনাক্ষীও। ‘জুর্ম’ ছবির প্রিমিয়ারে আলাপ হয় কুমার শানু আর মীনাক্ষীর। আলাপ, বন্ধুত্ব আর ভালোলাগা থেকে ভালোবাসা। ছুটতে থাকে তাদের প্রেমের রেলগাড়ি। সেই সময় কুমার শানু বিবাহিত ছিলেন। বলিউডে পা রাখার আগেই রীতা ভট্টাচার্যকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। 

    ততদিনে তাদের দাম্পত্য জীবন ১০ বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু ভালোবাসা তো অন্ধ! শানু বিবাহিত জেনেও তাকে মনের কথা জানান মীনাক্ষী। শানুও তখন মীনাক্ষীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন। গোপনেই প্রায় তিন বছরের বেশি চলে তাদের প্রেমকাহিনি।

    কিন্তু ১৯৯৩ সালে কুমার শানুর সচিব এই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানতে পারেন। প্রকাশ্যেও বলে ফেলেন, ‘কুমারের অনেক বান্ধবী আছেন। জনপ্রিয় নায়িকা মীনাক্ষী শেষাদ্রির সঙ্গেও তিনি প্রেম করছেন।’

    এ কথা যায় কুমার শানুর স্ত্রীর কানে। তারপর ১৯৯৪ সালে রীতার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায় এ সংগীতশিল্পীর। সম্পর্কের ভাঙনের জন্য তিনি মীনাক্ষীকেই দায়ী করেছিলেন। অন্যদিকে ততদিনে বলিউডে মীনাক্ষীর হাতে কাজ কমতে শুরু করেছে। 

    শেষমেশ ১৯৯৫ সালে আমেরিকার একজন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকারের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন অভিনেত্রী। তিনি আপাতত থাকেন টেক্সাসে। ভরতনাট্যম, কত্থক এবং ওডিসি নাচের প্রশিক্ষণ দেন। অভিনয় জগত থেকে নিজেকে বহুদূরে সরিয়ে রাখেন এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। 

    এদিকে রীতার সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পর সালোনিকে বিয়ে করেন কুমার শানু। প্রথম পক্ষের তিন সন্তান এবং দ্বিতীয় পক্ষের দুই সন্তান রয়েছে শানুর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন মনি কিশোর, তার ইচ্ছেতেই হবে দাফন

    রাজধানী ঢাকার রামপুরা টেলিভিশন ভবনের পাশের একটি বাড়া বাসায় একাই থাকতেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মনি কিশোর। গত শনিবার রাতে বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ কর্মকর্তারা। মৃত্যুর প্রায় একদিন পার হতে চললেও এখনো মরদেহের শেষ কার্যক্রম সমাপ্ত হয়নি।

    এ গায়ক অবশ্য মৃত্যুর আগে একমাত্র মেয়ে নিন্তিকে জানিয়ে গেছেন, তার মরদেহ কী করতে হবে। রোববার (২০ অক্টোবর) একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বিষয়টি জানান মনি কিশোরের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা অশোক কুমার মণ্ডল। তিনি জানান, মনি কিশোর হচ্ছে তার পোশাকি নাম। প্রকৃত নাম হচ্ছে অরুণ কুমার মণ্ডল।

    নব্বই দশকের শুরুর দিকে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন মনি কিশোর। তবে দেড় যুগ আগে তাদের দাম্পত্যজীবনের ইতি ঘটেছে। আর বিয়ের সময় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন গায়ক। সেই হিসেবে তার মরদেহ দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন গায়কের ভাই অশোক কুমার। এ ব্যাপারে তিনি জানান, জীবিত অবস্থায় দাফনের বিষয়টি একমাত্র মেয়ে নিন্তিকে জানিয়েছিলেন মনি কিশোর।

    অশোক কুমার বলেন, নিন্তি জানিয়েছে, তার বাবাকে যেন দাফন করা হয়। ওর বাবা এটা নাকি বলে গিয়েছিল। যেহেতু মেয়েকে বলে গিয়েছে, এ জন্য তার ইচ্ছামতোই দাফনের কাজ করা হবে। এ নিয়ে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে যাব না আমরা।

    নব্বই দশকের শুরুতে ‘চার্মিং বউ’ অ্যালবামের ‘কী ছিলে আমার’ শিরোনামের একটি গান মনি কিশোর দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিত পান। সেই সময় প্রায় সবার মুখে মুখে ছিল এই গানটি। এরপর একে একে ৩০টিরও বেশি একক অ্যালবাম করেন এই গুনি শিল্পী। 

    পাঁচ শতাধিক গানে কণ্ঠ দেওয়া মনি কিশোরের জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘কী ছিলে আমার’, ‘সেই দুটি চোখ কোথায় তোমার’, ‘তুমি শুধু আমারই জন্য’, ‘মুখে বলো ভালোবাসি’, ‘আমি মরে গেলে জানি তুমি’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।নড়াইল জেলার লক্ষ্মীপুরে মামাবাড়িতে ১৯৫৮ সালে জন্ম মনি কিশোরের। পুলিশ কর্মকর্তা বাবা অনিল কুমার মণ্ডলের ছেলে অরুণ কুমার মণ্ডল ছিলেন কিশোর কুমারের ভক্ত। ডাকনাম ছিল মনি। কিশোর কুমারের ভক্ত ছিলেন বলে নামের সঙ্গে ‘কিশোর’ জুড়ে নিয়েছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সংগীতশিল্পী সুজেয় শ্যাম আর নেই

    স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী সুজেয় শ্যাম আর নেই। বরেণ্য এই সংগীতশিল্পী রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সুজেয় শ্যামের বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৫০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।

    সুজেয় শ্যামের মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার মেয়ে রুপা মঞ্জুরী শ্যাম।

    দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন সুজেয় শ্যাম। সম্প্রতি তার হৃদ্‌যন্ত্রে ‘পেসমেকার’ বসানো হয়। পরে প্রবীণ এই শিল্পীর শরীরের ভেতরে সংক্রমণ হয়। সংক্রমণ পরে রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া ডায়াবেটিসও ছিল অনিয়ন্ত্রিত। কিডনির সমস্যাও ছিল। 

    সুজেয় শ্যামের সুর করা গানগুলোর মধ্যে ‘রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি’, ‘রক্ত চাই রক্ত চাই’, ‘আহা ধন্য আমার জন্মভূমি’, ‘আয় রে চাষি মজুর কুলি’, ‘মুক্তির একই পথ সংগ্রাম’, ‘শোন রে তোরা শোন’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

    একাত্তরে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শেষ গান এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর প্রথম গানটির সুর করেছিলেন সুজেয় শ্যাম।

    গীতিকার শহীদুল আমিনের লেখা ‘বিজয় নিশান উড়ছে ওই’ গানটির সুর ও সংগীত পরিচালনা করেন তিনি। সংগীতে অবদানের জন্য তিনি ২০১৮ সালে একুশে পদক এবং এর আগে ২০১৫ সালে পান শিল্পকলা পদক।

    সুজেয় শ্যাম ১৯৪৬ সালের ১৪ মার্চ সিলেট জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা অমরেন্দ্র চন্দ্র শাহ ছিলেন ‘ইন্দ্রেশর-টি’ নামের একটি চা–বাগানের মালিক। তার শৈশব কেটেছে সিলেটের চা–বাগানে। ১০ ভাইবোনের মধ্যে সুজেয় ছিলেন ষষ্ঠ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তুই কিন্তু আসিফ নজরুলের খালা শাশুড়ি: সোহানা সাবাকে শাওন

    জনপ্রিয় নির্মাতা, প্রযোজক, অভিনেত্রী ও সংগীতশিল্পী মেহের আফরোজ শাওন ও ছোটপর্দার অভিনেত্রী সোহানা সাবার মধ্যে বেশ ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। সেই বন্ধুত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও স্পষ্ট। দুজনেই ফেসবুকে অ্যাক্টিভ থাকেন। 

    সম্প্রতি সময় ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ কাণ্ডের পর থেকে নিয়মিত ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে যাচ্ছেন সোহানা সাবা। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরোক্ষভাবেই একের পর এক স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন এ অভিনেত্রী। যার ধারাবাহিকতায় গত কয়েক দিনে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের পুরোনো স্ট্যাটাস একের পর এক নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার দিতে দেখা গেছে সোহানা সাবাকে। 

    অনেকটা ‘খোঁচা’ দেওয়ার মতোই স্ট্যাটাসগুলো শেয়ার করে বিভিন্ন মজার ক্যাপশনজুড়ে দিচ্ছেন এ অভিনেত্রী। যেখানে সোহানা সাবা বলেন, তিনি আজকাল উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের ‘ভক্ত’ হয়ে গেছেন! এর আগেই এ অভিনেত্রী আসিফ নজরুলের পুরোনো একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন—আজকাল স্যারের ফেসবুক পেজ ঘুরে দেখতে খুব ভালো লাগে। আমি তার ফ্যানগার্ল।

    আর তার এই পোস্ট নজর এড়ায়নি হুমায়ূনপত্নী শাওনের। তিনি কমেন্টবক্সে মেসেজ দিয়ে হুঁশিয়ার করেছেন সোহানা সাবাকে। তাকে উদ্দেশ্য করে শাওন লিখেছেন— আমার মেয়ের জামাইয়ের দিকে চোখ দিবি না, খবরদার। এ মন্তব্যে অবশ্য পাল্টা জবাবও দিয়েছেন সোহানা সাবা। এ অভিনেত্রী লিখেছেন—আপু, আমি স্যারের ফ্যানগার্ল মাত্র। 

    এখানেই শেষ নয়, গতকাল শনিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে শাওনকে উদ্দেশ্য করে আরেকটি স্ট্যাটাস দিতে দেখা যায় সোহানা সাবাকে। যেখানে এ অভিনেত্রী লিখেছেন— চীনের দুঃখ হোয়াংহো, আমার মেহের আফরোজ শাওন আপুর মেয়ের জামাই (আসিফ নজরুল) ওরফে স্যারের দুঃখ তার পুরোনো ফেসবুক স্ট্যাটাস। 

    ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে এসে শাওন আবার সোহানা সাবাকে মনে করিয়ে দেন— তুই কিন্তু খালা শাশুড়ি, হুমমম। জবাবে সাবা একটি গানের লিংক শেয়ার করে বলেন, আমার মনের বর্তমান অবস্থা। 

    প্রসঙ্গত, কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। আর লেখকের প্রথম ঘরের সন্তান অভিনেত্রী শিলা আহমেদের স্বামী হচ্ছেন ড. আসিফ নজরুল। সেদিক থেকে সম্পর্কে অভিনেত্রী শাওনের মেয়ের জামাই হন এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়; প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১৫ বছর কেন নিষিদ্ধ ছিলাম, প্রশ্ন ফেরদৌস আরার

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা। যিনি গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে গান গাইতে পারেননি। অংশ নিতে পারেননি কোনো অনুষ্ঠানে। ভিন্নমতের হওয়ায় বিগত সরকারের আমলে অনেক শিল্পীই সেই কালো তালিকাভুক্ত ছিলেন।

     রাষ্ট্রীয় বেতার ও টিভি চ্যানেলে কোন কোন শিল্পী পরিবেশন করতে পারবেন, আর কে কে পারবেন না— তা ছিল একটি অঘোষিত তালিকা। এমনকি একটি ‘কালো তালিকা’ও ছিল। সেই কালো তালিকায় নাম ছিল এ জনপ্রিয় নজরুলসংগীত শিল্পী ফেরদৌস আরার। এমনটিই জানিয়েছেন এ শিল্পী।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। এর পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আবারও ফেরদৌস আরা বিটিভি ও বেতারের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। কদিন আগে তার গাওয়া একটি আধুনিক গান প্রচার করা হয়েছে বিটিভিতে। মারজুক রাসেলের লেখা ‘আমি আমার মতোই আছি/তুমি তোমার মতো থেকো’ গানটি প্রচারের পর অনেকেই গানটির প্রশংসা করেছেন।

    এতদিন পর রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে গান প্রচার হওয়ায় কেমন লাগছে? —এমন প্রশ্নে ফেরদৌস আরা বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও আমাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান বিটিভিতে গাইতে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে। শিল্পী তৈরিতে এ প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা বর্ণনাতীত। কিন্তু কী কারণে আমাকে দীর্ঘদিন কোনো অনুষ্ঠানে ডাকা হয়নি জানি না। শুনেছি অনেক শিল্পী রাজনীতি করার কারণে বিটিভি-বেতারে নিষিদ্ধ ছিলেন। কিন্তু আমি তো রাজনীতি করি না। আমাকে কেন এত বছর বঞ্চিত করা হয়েছে?

    বিএনপি সরকারের আমলে সচিব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন ফেরদৌস আরার স্বামী ড. রফিকুল মুহাম্মদ। বিগত সরকারের অনুসারীরা ধরে নিয়েছিলেন— রাজনৈতিকভাবে তারা বিএনপিপন্থি ও দলটির অনুগত। এ কারণেও ফেরদৌস আরাকে রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে গান করতে দেওয়া হতো না বলে ধারণা অনেকের। 

    আক্ষেপ করে এই শিল্পী বলেন, আমার স্বামীর চাকরির কারণে যদি এমনটি হয়ে থাকে, সেটি কি কোনো যুক্তির কথা? আমার স্বামী কোনো রাজনীতি করতেন না। এ কোন দেশে বাস করি আমরা? শিল্পী তো নির্দিষ্ট কোনো দলের হতে পারে না। শিল্পী সবার— সব মানুষের জন্য গান করে।

    অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আবারও সরকারি অনুষ্ঠানগুলোতে আমন্ত্রণ পেতে শুরু করেছেন ফেরদৌস আরা। সম্প্রতি নজরুল ইনস্টিটিউটের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। গত সপ্তাহে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয় বাংলাদেশ বেতারের একটি অনুষ্ঠানে। সেখানে নজরুলসংগীতবিষয়ক একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি।

    উল্লেখ্য, সব ধরনের গান গাইলেও নজরুলসংগীত শিল্পী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন ফেরদৌস আরা। চার যুগেরও বেশি সময় ধরে সংগীতচর্চা করছেন এ শিল্পী। উজবেকিস্তানে জাতিসংঘ আয়োজিত লোকসংগীত উৎসবে নজরুলসংগীত গেয়ে পুরস্কৃত হয়েছিলেন তিনি।

    ফেরদৌস আরা বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন অধ্যাপনা, নজরুল ইনস্টিটিউটে নজরুলসংগীতের প্রশিক্ষক, সংগীত অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, লেখালেখি, প্লে-ব্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। সঠিকভাবে নজরুল ও উচ্চাঙ্গ সংগীতচর্চার জন্য এ শিল্পী ২০০০ সালে ঢাকার মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোডে গড়ে তোলেন সংগীত প্রতিষ্ঠান সুরসপ্তক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাসিনার বিদায়ের পর দেশে ফিরছেন বেবী নাজনীন

    দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় বসবাস করছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে বাংলাদেশে তার পেশাগত কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলের শুরু থেকেই। মাঝে নির্বাচনেও অংশ নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নানাবিধ বাধা বিপত্তিতে হয়ে উঠেনি। শেখ হাসিনা সরকারের বিদায়ের পর অনেকে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। তালিকায় আছেন বেবী নাজনীনও। 

    তার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, শিগগিরই দেশে ফিরবেন ব্ল্যাক ডায়মন্ডখ্যাত এই সংগীতশিল্পী। এরই মধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছেন। হাতে থাকা কাজগুলো দ্রুত গুছিয়ে ফ্লাইট ধরবেন বেবী। 

    জমে থাকা কাজের মধ্যে রয়েছে পূর্বে সিডিউল দেওয়া স্টেজ প্রোগ্রাম। আমেরিকায় নিয়মিত স্টেজ অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। সম্প্রতি প্রবাসী ভক্তদের উদ্যোগে একটি একক সংগীতানুষ্ঠানে গান করেছেন তিনি। 

    সোমবার নিউইয়র্কের কুইন্সের ওয়ার্ল্ড ফেয়ার মেরিনাতে সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করে তার ফ্যানস ক্লাব। এছাড়া আরও কিছু শো আছে। সেগুলো শেষ করেই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন। 

    উল্লেখ্য, বহু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই সংগীতশিল্পী। আধুনিক সংগীতের সর্বাধিক সংখ্যক একক, দ্বৈত ও মিশ্র অডিও অ্যালবামের শিল্পী বেবী নাজনীন তার সংগীত জীবনের শুরু থেকেই অডিও মাধ্যম, বেতার, টেলিভিশন, সিনেমা এবং দেশ-বিদেশের মঞ্চ মাতিয়েছেন সমান তালে।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • এবার কনাকে সঙ্গী করে আসিফের সুখবর

    বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনে তুমুল জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। ক্যাসেট-সিডির যুগে অডিওতে রাজত্ব করা এই শিল্পী এখনো বেশ দাপুটে। তার মতো করেই গান প্রকাশ করে চলেছেন তিনি। তৈরি করেছেন নিজস্ব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে তার গাওয়া গানের অডিও-ভিডিও সবই পাওয়া যায়।

    এদিকে আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা। সিনেমা, নাটক, অ্যালবাম ও বিজ্ঞাপনের জিঙ্গেল থেকে শুরু করে রেডিও-টিভি—সব মাধ্যমেই ভেসে বেড়াচ্ছে তার কণ্ঠ। গত ঈদে ‘তুফান’ সিনেমায় তার গাওয়া ‘দুষ্টু কোকিল’ গানটি দর্শকদের মনে বেশ জায়গা করে নিয়েছে। পুরো গানটি প্রকাশ হয় সিনেমা মুক্তির বেশ কয়েক দিন পর। এটি প্রকাশের পরই শ্রোতারা গানটি সাদরে গ্রহণ করেছেন।

    এবার এই দুই জনপ্রিয় শিল্পী বেশ লম্বা সময় পর ফের একসঙ্গে গান করতে চলেছেন। নতুন গানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসিফ আকবর নিয়েই।

    গতকাল রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে আসিফ আকবর লিখেছেন—বাংলাদেশে যে কোনো ঘটনায় প্রথম আক্রান্ত হয় সাংস্কৃতিক মাধ্যম। সবকিছু চলে— শুধু আমাদের পেশাগত ক্ষেত্র হয়ে যায় নিশ্চল। তবুও থেমে থাকি না, অপেক্ষা করি ভালো সময়ে কখন কাজ করতে পারব! শিল্প সংস্কৃতির মানুষ এ দেশে অনেকটা কলাগাছের ভেলার মতো, রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক নিরাপত্তার কোনো ব্যবস্থাই নেই।

    তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের আগে ও পরে তিন মাস কেটে গেল। এখনো প্রাণ ফেরেনি আমাদের পেশাগত ক্ষেত্রে। অবশেষে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সাউন্ডটেকের ব্যানারে গাইলাম একটি ডুয়েট গান। স্নেহের দিলশাদ নাহার কনার সঙ্গে অনেক দিন পর গাইলাম। গীতিকবি আহমেদ রিজভী ভাইয়ের কথায় গানটি সুর করেছেন শ্রদ্ধেয় মনোয়ার হোসাইন টুটুল ভাই। সংগীত আয়োজন করেছেন তরুণ ট্যালেন্টেড কম্পোজার সজীব দাস। 

    আসিফ বলেন, ভীষণরকম ভালোবাসি, টাইটেলে গানটি মেলডি ঘরানার। টুটুল ভাই, রিজভী ভাইয়ের প্রথম রসায়ন; সেই সঙ্গে প্রিয় কনা এবং সজীবের সংযুক্তি পিওর রোমান্টিক গানটিকে প্রাণ দিয়েছে। গানটি আমারও ভালো লেগেছে অনেক। টিকে থাকুক আমাদের ইন্ডাস্ট্রি, জুলাই বিপ্লবের আলোয় আলোকিত হোক সংগীতাঙ্গন। ভালোবাসা অবিরাম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজেকে শুধরে ফিরছেন নোবেল

    কলকাতার একটি গানের অনুষ্ঠান থেকে উত্থান গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের। এরপর মৌলিক কিছু গান নিয়েও হাজির হন তিনি। যা তাকে ভক্ত-শ্রোতার কাছাকাছি নিয়ে যেতে আরও সহযোগিতা করে।

    কিন্তু একটা সময় পর ব্যক্তিজীবনে নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও মন্তব্যের কারণে সমালোচনায় জর্জরিত হতে থাকেন এ সংগীতশিল্পী। এতে তার ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন তার ভক্ত ও শ্রোতারা। এরপর একটা সময় অন্ধকারে হারিয়ে যান ‘সারেগামাপা’খ্যাত এ সংগীতশিল্পী।

    মাদকাসক্ত হয়ে নিজের ওপর থেকেও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তবে দীর্ঘদিন আড়ালে থাকার পর, নিজেকে শুধরে ফিরছেন নোবেল। নিজের ভুলগুলোও বুঝতে পেরেছেন তিনি। আশা ব্যক্ত করেছেন নিয়মিত গান করারও।

    নোবেল বলেন, ‘আমার কিছু কার্যকলাপ, সেসব ভুল ছিল। আমার কাছে মানুষের যা প্রত্যাশা ছিল, আমি সে অনুযায়ী চলতে পারিনি। এখন নিয়মিত আমার ভক্ত-শ্রোতাদের জন্য শুধু গানটাই গেয়ে যাব। আর কোনো ভুল করতে চাই না।’

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • হোটেলে সংগীতশিল্পীকে শ্লীলতাহানি

    ভারতের কলকাতায় আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গজুড়ে আন্দোলন চলছে। নারীর সুরক্ষায় রাস্তায় নেমেছেন সাধারণ মানুষও। আন্দোলনের পরও প্রতিনিয়ত হেনস্তার শিকার হচ্ছেন নারীরা।

    rnrn

    সম্প্রতি কলকাতা শহরের একটি পাঁচতারকা হোটেলে এক নারী সংগীতশিল্পীকে অশালীন ভাবে স্পর্শ করেছেন হোটেলের কর্মকর্তারা।

    rnrn

    ওই শিল্পী জনপ্রিয় একটি টেলিভিশনের শোয়ে ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে এক বন্ধুর জন্মদিন পালন করতে গিয়েছিলেন। সঙ্গে ছিলেন তার বোন বন্ধুরাও। সেখানেই ঘটে এক অপ্রীতিকর ঘটনা।

    rnrn

    সংগীতশিল্পী জানিয়েছেন, হোটেলে থাকা মধ্যবয়সী দুইজন পুরুষ তাদের সঙ্গে অশালীন আচরণ শুরু করেন। এমনকি অশ্লীলভাবে স্পর্শ করতে শুরু করেন। ওই দুই অভিযুক্ত শুধু অশালীনভাবে স্পর্শ করেননি, তার বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেন। তাকে নিয়ে জোর করে নাচতে চান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে এক নারী শিল্পী গান গাইছিলেন, তাকেও বিরক্ত করেন। 

    rnrn

    ভুক্তভোগীরা যখন হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে সিসিটিভির ফুটেজ চান, তারা দিতে অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে পুলিশ সেখানে গিয়ে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করে। 

    বিনোদন ডেস্ক