Tag: সংগীতশিল্পী

  • সন্তানকে জোর করে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমর্থক বানাবেন না: আসিফ

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খোলামেলা মত প্রকাশের জন্য পরিচিত সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। প্রায়ই সমসাময়িক নানা ইস্যুতে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন তিনি। সম্প্রতি বিশ্বকাপে কোনো দলকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি যেন শিশুদের উপর চাপিয়ে দেওয়া না হয় সে সম্পর্কে অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে সচেতনতার বার্তা দিয়েছেন আসিফ। 

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাংলাদেশ সময় মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর। গোটা বিশ্বের মতো বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও এই উন্মাদনায় মেতে উঠেছে। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থকদের উচ্ছ্বাস যেন একটু বেশিই। বাংলাদেশে এই দুদলের সমর্থকদের সংখ্যাও অন্য যে কোনো দলের থেকে বেশি। তাদের মধ্যে আবেগ, উচ্ছ্বাস ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাও দীর্ঘদিনের। প্রতিনিয়ত কথার লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে তা অনেক বাড়াবাড়ি পর্যায়েও পৌঁছে যায়। 

    তবে আসিফের মতামত, শিশুরা কোন দল সমর্থন করবে এটা যেন অভিভাবকরা তাদের উপর চাপিয়ে না দেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, সন্তানদের ওপর নিজেদের পছন্দ চাপিয়ে না দিয়ে তাদের নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দকে সম্মান জানানো উচিত। 

    ফেসবুক স্ট্যাটাসে আসিফ আকবর লিখেছেন, ‘আপনার সন্তানকে জোর করে আর্জেন্টিনা কিংবা ব্রাজিলের সমর্থক বানাবেন না। তাদের পছন্দকে সমর্থন দিন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আসিফের এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে। মন্তব্যের ঘরে তার এই বক্তব্যের সঙ্গে অনেককেই সহমত পোষণ করতে দেখা গেছে। ফুটবলকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রায়ই আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে মজার খুনসুটি দেখা যায়। অনেক পরিবারেই বাবা-মা বা বড় ভাইবোনদের পছন্দের দল অনুসরণ করে ছোটরাও সমর্থক হয়ে ওঠে। তবে আসিফের মতে, এক্ষেত্রে শিশুদের ওপর কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ করা উচিত নয়। 

    আসিফের ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘একদম ঠিক কথা বলেছেন আসিফ ভাই কারণ আমি ব্রাজিল করি আর আমার ছেলে আর্জেন্টিনা সমর্থন করে।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘নিজের মত চাপিয়ে নয়, তাদের নিজস্ব পছন্দ গড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়াই প্রকৃত অভিভাবকত্ব।’ 

    আসিফ আকবরের এই বক্তব্যকে অনেকেই কেবল ফুটবল সমর্থনের প্রসঙ্গ হিসেবে দেখছেন না; বরং এটি সন্তানদের মতামত, পছন্দ ও ব্যক্তিস্বাধীনতাকে সম্মান করার একটি বৃহত্তর বার্তা বলেও মনে করছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের ৬ মাস না যেতেই বাদশার জীবনে নতুন মানুষ, কে সেই নারী

    সবুজের মাঝে এক রহস্যময়ী নারীর হাত ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি পোস্ট করেছেন ভারতের জনপ্রিয় র‌্যাপার বাদশাহ। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চা যেন থামতেই চাইছে না এ সংগীতশিল্পীর।

    একদিকে যখন পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখির সঙ্গে তার গোপনে বিয়ে সেরে ফেলার গুঞ্জনে উত্তাল বিনোদন জগত, ঠিক তখনই নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ‘রহস্যময়ী’ নারীর সঙ্গে একাধিক ঘনিষ্ঠ ছবি পোস্ট করে জল্পনা বহুগুণ বাড়িয়ে দিলেন গায়ক, যা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে। কে সেই রহস্য়ময়ী নারী?

    একটি সবুজ মাঠের মাঝে ওই নারীর হাত শক্ত করে ধরে পোজ দিয়েছেন বাদশাহ। তবে আশ্চর্যজনকভাবে ক্যামেরার দিকে পিঠ করে থাকায় নারীর মুখটি দেখা যাচ্ছে না। সেই ছবির ক্যাপশনে এ সংগীতশিল্পী লিখেছেন— ‘মহাবিশ্বের মানুষকে আপনার জীবনে নিয়ে আসার এক অদ্ভুত উপায় রয়েছে।’

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাদশাহর এই পোস্ট কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঝড় তোলে। পোস্টের কমেন্টবক্স তার ভক্ত-অনুরাগীদের কমেন্টে ভরে গেছে। অনেকেই অনুমান করছেন, ছবির সেই রহস্যময়ী নারী আর কেউ নন, বরং পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অনেক দিন ধরেই হানিয়া আমির ও বাদশাহর ডেটিং ও বন্ধুত্বের গুঞ্জন ভারত-পাকিস্তান দুই দেশের মিডিয়াতেই চর্চায় রয়েছে। কমেন্টবক্সে এক অনুরাগী লিখেছেন— ‘ওটা কি হানিয়া আমির?’ আরেক নেটিজেন লিখেছেন— ‘দেখে তো হানিয়া বলেই মনে হচ্ছে।’ অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন— এটি কোনো নতুন মিউজিক ভিডিওর কোলাবরেশন বা প্রচারের অংশ কিনা।

    উল্লেখ্য, র‌্যাপার বাদশাহর এই রহস্যময়ী নারীর ছবি আসার ঠিক আগেই তার বিয়ের গুঞ্জন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের প্রায় ছয় বছর পর বাদশাহ নাকি পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন। জল্পনা আরও জোরালো হয় যখন ইশা রিখির মা পুনম রিখি নিজের ইনস্টাগ্রামে প্রথাগত বিয়ের রীতিনীতির কিছু ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন। 

    বিয়ের পোশাকে বাদশাহ ও ইশাকে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের উপস্থিতিতে মালাবদল করতে দেখা যায়। ছবিগুলো পোস্ট করে ক্যাপশনে পুনম রিখি লিখেছেন— ‘ঈশ্বর তোমাদের মঙ্গল করুক ইশা-বাদশা’। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নারীর পোশাকে নয়, নিজেদের কাজে মনোযোগী হোন

    জনসমক্ষে ছোট পোশাক পরা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়নের জন্য পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মারিয়াম নওয়াজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন পাকিস্তানি গায়ক ফালাক শাবির। তার এ মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের নেত্রী হিনা পারভেজ বাট। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে হিনা পারভেজ বলেন, ফালাক শাবিরের মতো মানুষরা কেন সবসময় নারীর পোশাক নিয়ে এত মগ্ন থাকেন, তা তিনি বুঝতে পারেন না। 

    উদাহরণ টেনে বলেন, ইস্তাম্বুলের মতো শহরে নারীরা কী পরিধান করছেন তা নিয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করে না। অথচ পাকিস্তানে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসে নারীদের পোশাক নিয়ে মন্তব্য করা শুরু করে দেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হিনা পারভেজ বাট স্পষ্ট ভাষায় জানান, এ ধরনের সংকীর্ণ মানসিকতাই পাকিস্তানের অগ্রগতি এবং উন্নয়নের পথে অন্যতম বড় বাধা। 

    তিনি দেশের মানুষকে অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে নিজেদের কাজে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, মানুষ যদি অন্যের ব্যক্তিগত পছন্দে বাধা দেওয়া বন্ধ করে, তবে সমাজ সামগ্রিকভাবে অনেক বেশি উপকৃত হবে। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কনসার্টে স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে ক্ষুব্ধ ম্যাডোনা

    গেল শুক্রবার (৫ জুন) রাতে ম্যানহাটনের আপার ওয়েস্ট সাইডের ঐতিহ্যবাহী বিকন থিয়েটারে পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা এবং তার ভক্তদের ঢল নেমেছিল। উপলক্ষ ছিল তার বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘কনফেশনস টু – দ্য ফিল্ম’র প্রিমিয়ার। 

    স্ক্রিনিং শেষে এই পপ কুইন এবং ছবির পরিচালক জুটি ডেভিড টোরো ও সোলোমন চেজ দর্শকদের মুখোমুখি হয়ে একটি বিশেষ প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন। 

    সময়ের টানাপোড়েনের কারণে শেষ মুহূর্তে জনপ্রিয় সঞ্চালক জিমি ফ্যালনের পরিবর্তে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্ব নেন অ্যান্ডারসন কুপার। ম্যাডোনা সহ এই চারজনের আড্ডা জমার পর চলচ্চিত্র, শুটিং সেটের সৃজনশীল অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে ম্যাডোনার তারকাখ্যাতি এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার বিবর্তনের গল্প—সবই উঠে আসে আলোচনায়। 

    কথার সূত্র ধরে কুপার দর্শকদের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান যে, মিলনায়তনে প্রবেশ করা প্রতিটি মানুষের ফোন একটি বিশেষ ‘ইয়ন্ডার পাউচ’-এ লক করে রাখা হয়েছিল, যা অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগে খোলার কোনো উপায় ছিল না। 

    এ প্রসঙ্গে ম্যাডোনা বলেন, বর্তমান যুগে মানুষের মধ্যে সবকিছু ফ্রেমবন্দি বা রেকর্ড করার এক নতুন এবং ‘অদম্য ক্ষুধা’ তৈরি হয়েছে, যা আমাদের জীবনযাত্রাকেই বদলে দিয়েছে। বাস্তবতা মেনে নিলেও নিজের ব্যক্তিগত দর্শনে তিনি অটল এই পপ তারকা বলেন, ‘আমি এই পৃথিবীতে এসেছি কাজ করতে, শুধু দর্শক হয়ে অন্যের জীবন দেখতে নয়।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নিজের বক্তব্যের সপক্ষে কোচেলা মিউজিক ফেস্টিভ্যালের উদাহরণ টানেন ম্যাডোনা, যেখানে তিনি তরুণ পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টারের সঙ্গে পারফর্ম করেছিলেন। অভিজ্ঞতাটি দারুণ হলেও তার কাছে বিষয়টি বেশ অদ্ভুত ও ভীতিকর লেগেছিল বলে জানান তিনি। 

    ম্যাডোনা বলেন, মঞ্চ থেকে যখনই সামনে তাকিয়েছেন, মানুষের মুখের চেয়ে হাজার হাজার মোবাইলের স্ক্রিনই বেশি চোখে পড়েছে তার। তার মতে, যেকোনো ধরনের নাচ বা পারফরমেন্স আসলে মানুষের সঙ্গে মহাবিশ্বের এবং একে অপরের এক ‘গভীর আদিম মেলবন্ধন’ তৈরি করে। কিন্তু বর্তমানের এই মোবাইল সংস্কৃতির কারণে মানুষ মুহূর্তের গভীরে ডুবে না গিয়ে তা ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত থাকে, যা এই পরম সত্যটিকে নষ্ট করে দিচ্ছে। 

    অনুষ্ঠানের শেষ মুহূর্তে দর্শকদের উদ্দেশ্যে কোনো বিদায়ী বার্তা আছে কিনা জানতে চাওয়া হলে, ম্যাডোনা কোনো রকম ভণিতা না করে সরাসরি চাঁছাছোলা ভাষায় বলেন, ‘আপনাদের ওই বিরক্তিকর ফোনগুলো এবার পকেটে রাখুন এবং একে অপরের সঙ্গে মন থেকে সংযুক্ত হোন।’ 

    আগামী ৮ জুন ইউটিউবে অফিশিয়ালি প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে ‘কনফেশনস টু – দ্য ফিল্ম’। এর পরপরই ৩ জুলাই ওয়ার্নার রেকর্ডসের ব্যানারে মুক্তি পাবে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত স্টুডিও অ্যালবাম ‘কনফেশনস টু’। 

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এই গায়িকা আগামী মাসগুলোতে বেশ কিছু চমকপ্রদ সারপ্রাইজ পারফরমেন্সের আভাস দিলেও, নতুন কোনো কনসার্ট ট্যুরের ব্যাপারে এখনই মুখ খোলেননি। আপাতত তার পরবর্তী মেগা পারফরমেন্স হতে যাচ্ছে আগামী ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে, ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের জমকালো আয়োজনে। 

    সূত্র: ভ্যারাইটি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভক্তদের জন্য গায়ক রিংকুর দুঃসংবাদ

    ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী মশিউর রহমান রিংকু। দীর্ঘদিন ধরেই সংগীতাঙ্গন থেকে দূরে আছেন তিনি। শারীরিকভাবে অসুস্থ এই কণ্ঠশিল্পী সম্প্রতি জানিয়েছেন, চারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি আর সংগীতাঙ্গনে ফিরতে পারবেন না বলে মনে করছেন। 

    তিনি আরও জানান, পরিপূর্ণভাবে ফিরতে না পারলে গানে ফেরারও তার কোনো ইচ্ছা নেই। শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে বর্তমানে নিজ গ্রামের বাড়িতেই নিভৃতে সময় কাটছে এই শিল্পীর। 

    সম্প্রতি ‘পথের গল্প’ নামের একটি ট্রাভেল ডকুমেন্টারিতে অংশ নিয়ে নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থা, সংগীতজীবন এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন রিংকু। সেখানেই এসব কথা তুলে ধরেন তিনি। 

    রিংকু বলেন, ‘পুরোপুরি গানে ফেরার ইচ্ছা আমার নেই। ইচ্ছা করলেও সেই সম্ভাবনা নেই। কারণ চারবার স্ট্রোক হয়েছে। এর মধ্যে একবার-দুবার তো কেউ জানতই না। চারবার যখন স্ট্রোক হয়ে গেল, তখন আমি বুঝলাম সব আশা শেষ। এটা মানতে হবে, কারণ এটাই সত্য।’ 

    সংগীত জগতে প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে তার ভাষ্য, ‘আসলে আমি যেভাবে ব্যাক করতে চাই, সেভাবে আর হবে না। পরিপূর্ণভাবে ব্যাক করতে না পারলে ব্যাক করার দরকার নেই। আমি মরে গেলেও গানগুলো তো থাকবে। একটাই আহ্বান আমার, গানগুলো যেন নষ্ট না হয়।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শহুরে মানুষের সম্পর্ক ও ভালোবাসা নিয়েও এই লোকসংগীতশিল্পীর কণ্ঠে ঝরে আক্ষেপের সুর। তিনি মনে করেন, গ্রামের মানুষের ভালোবাসা অনেক বেশি আন্তরিক। রিংকুর কথায়, ‘শহরের মানুষের ভালোবাসা হচ্ছে কাজের জন্য ভালোবাসা। আর গ্রামের মানুষের ভালোবাসা অরিজিনাল। তারাই এখন আমার বন্ধু। একটা কথা আছে কাজ করলে কাজী, কাজ ফুরালে পাজি। ঠিক তেমন হচ্ছে শহরের মানুষের ভালোবাসা। 

    যদি কারো কাজ করে দিতাম তাহলে ভালোবাসত, কাজ না করে দিলে আমি নেই বিষয়টি এমন আরকি। সেই সময়ের কোনো বন্ধুই নেই এখন। কেউ খোঁজ রাখে না। যদি কারো জন্য কিছু করে থাকি, সেটা আমি করেছি। কিন্তু কারো সিমপ্যাথি আমি চাই না।’ 

    উল্লেখ্য, ২০২০ সালে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই শারীরিকভাবে বেশ ভুগছেন রিংকু। শরীরের একপাশ অবশ হয়ে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপনও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। সেই বাস্তবতা মেনে নিয়েই এখন গ্রামের মানুষদের সান্নিধ্যে দিন কাটছে তার। বর্তমানে গ্রামের সাধারণ মানুষের ভালোবাসা এবং সান্নিধ্যই তাকে বেঁচে থাকার শক্তি জোগাচ্ছে বলে জানান রিংকু। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘প্লিজ অবুঝ প্রাণীটার প্রতি রহম করুন’, আলোচিত সেই মহিষ প্রসঙ্গে আসিফ

    বাংলা গানের জনপ্রিয় শিল্পী আসিফ আকবর বরাবরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব থাকেন। ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও চলমান নানা ইস্যুতে নিজের মতামত ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে দেখা যায় তাকে। 

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহুল আলোচিত অ্যালবিনো জাতের মহিষ যেটির অদ্ভুত সাদা রং ও মাথার বিশেষ ধরনের চুলের কারণে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামকরণ করা হয়েছিল, সেটি নিয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। 

    ফেসবুকে সাম্প্রতিক এক পোস্টে চিড়িয়াখানায় থাকা ওই মহিষটির বর্তমান অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি প্রাণিটির প্রতি মানবিক আচরণের আকুতি জানান তিনি। 

    শনিবার (৬ জুন) এক ফেসবুক পোস্টে আসিফ লিখেছেন, ‘এই বাফেলো’টার জন্য মানুষের নরম মন কাঁদছে। দেশে কত দুঃসহ ঘটনাই তো ঘটছে! আরও অসহ্য অনেক কিছুই হবে! এ মহিষটা তো জানে না তার দোষ কী! সে একটা আদুরে পরিবেশে বেড়ে উঠেছে, ভবিষ্যৎ জানি না।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বর্তমানে রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানায় থাকা এই মহিষটিকে খামারির কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সংগীতশিল্পী আরও বলেন, ‘অনেক মারপ্যাঁচের মধ্যেও তার জীবনটা যেহেতু এখনো আছে, প্লিজ তাকে খামারির কাছে পৌঁছে দিন। সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ রইল, প্লিজ এ অবুঝ প্রাণিটার প্রতি রহম করুন। মানুষের মনের ছোট্ট অনুভূতিগুলোও বেঁচে থাকুক। প্লিজ!’ 

    জানা যায়, বর্তমানে আলোচিত এই অ্যালবিনো জাতের মহিষটি জাতীয় চিড়িয়াখানার ৭ নম্বর শেডে রাখা হয়েছে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অতিরিক্ত জনসমাগম ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং বিরল প্রাণী হিসেবে সংরক্ষণের জন্য কেরানীগঞ্জ থেকে মহিষটিকে সেখানে স্থানান্তর করা হয়। 

    চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, প্রথমে মহিষটিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয় এবং পরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, পরিচর্যা ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। বর্তমানে প্রাণীটি পর্যবেক্ষণে রয়েছে এবং সুস্থ আছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৩৬ বছর বয়সেই দুই বিলিয়ন সম্পদের মালিক টেইলর সুইফট

    ‘ওয়ান ফর দ্য মানি, টু ফর দ্য শো’—টেইলর সুইফট যেন থামবার পাত্রী নন। ‘শ্যাম্পেন প্রবলেমস’ খ্যাত এই গায়িকার আনুমানিক মোট সম্পত্তি মাত্র দুই বছর আগে ছিল ১.৬ বিলিয়ন ডলার। তবে ফোর্বসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সেই অঙ্ক এখন এক লাফে পৌঁছে গেছে রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলা ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডলারে। 

    গত ৩ জুন প্রকাশিত ফোর্বসের ‘আইকনোক্লাস্ট ৫০’ তালিকা অনুসারে, ২০২৩ সালে প্রথমবার বিলিয়নিয়ারের ক্লাবে পা রাখার পর মাত্র তিন বছরের মাথায় নিজের মোট সম্পত্তি দ্বিগুণ করেছেন এই গ্র্যামিজয়ী তারকা। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত চলা তার রেকর্ড-ব্রেকিং ‘ইরাস ট্যুর’ এবং পুরোনো অ্যালবামগুলোর রি-রেকর্ডেড সংস্করণ বিক্রির অভাবনীয় সাফল্যই মূলত তার এই আর্থিক সম্পত্তি বৃদ্ধির মূল কারণ। 

    এছাড়া বর্তমানে ৩৬ বছর বয়সী এই শিল্পী ২০২৪ ও ২০২৫ সালে যথাক্রমে ‘টর্চার্ড পোয়েটস ডিপার্টমেন্ট’ এবং ‘লাইফ অব আ শোগার্ল’ শিরোনামে দুটি নতুন অ্যালবাম উপহার দিয়েছেন। এখানেই শেষ নয়, গত বছর তিনি তার প্রথম ছয়টি অ্যালবামের মালিকানা স্বত্বও (রাইটস) সফলভাবে কিনে নিয়েছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, ‘ওপালাইট’ খ্যাত এই গায়িকার বর্তমান মোট সম্পত্তির ব্যবচ্ছেদ করলে দেখা যায়, কনসার্ট ট্যুর ও রয়্যালটি থেকে তার আয় প্রায় ৮০ কোটি ডলার। এছাড়া তার মিউজিক ক্যাটালগের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬০ কোটি ডলার এবং আবাসন বা রিয়েল এস্টেট সম্পদ আছে প্রায় ১১ কোটি ডলারের। 

    ২ বিলিয়ন ডলারের এই বিপুল সাম্রাজ্যের মালিক হয়ে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারী সংগীতশিল্পীর খেতাবটি নিজের দখলে আরও শক্তভাবে ধরে রাখলেন টেইলর। এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ১.৬ বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি নিয়ে পপ তারকা রিয়ানাকে ছাড়িয়ে তিনি এই মুকুট মাথায় পরেছিলেন।  

    নারী শিল্পীদের মধ্যে শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও, সার্বিকভাবে সবচেয়ে ধনী সংগীতশিল্পী অবশ্য তিনি নন। ফোর্বসের হালনাগাদ অনুযায়ী, ২.৮ বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি নিয়ে সেই শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছেন মার্কিন র্যাপার ও ব্যবসায়ী জে-জি। 

    তবুও টেইলর সুইফটের এই অর্জন ঐতিহাসিক। কারণ ফোর্বস আগেই ঘোষণা করেছিল, টেইলর হলেন ইতিহাসের প্রথম সংগীতশিল্পী যিনি কোনো ধরনের রিটেইল বা ফ্যাশন ব্র্যান্ডের ব্যবসার ওপর নির্ভর না করে মূলত নিজের গান, অ্যালবাম এবং পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে বিলিয়নিয়ারের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন। 

    সূত্র: ইনিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভারতের কিংবদন্তি গায়িকা সুমন কল্যাণপুর মারা গেছেন

    ভারতীয় সংগীত জগতের এক দেদীপ্যমান নক্ষত্রের পতন হলো। 

    রোববার (৩১ মে) সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের লোখান্ডওয়ালার নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন প্রখ্যাত প্লেব্যাক গায়িকা সুমন কল্যাণপুর। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। এই গায়িকা তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। 

    তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী তথা বিখ্যাত মারাঠি জীবনীগ্রন্থ ‘সুমন সুগন্ধ’-এর লেখিকা মঙ্গলা খাড়িলকর সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানান, রোববার রাত ৮টা নাগাদ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ও নীরবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই সুরসম্রাজ্ঞী। জীবনের শেষ দিনগুলোতেও তিনি নিজের গাওয়া গান শুনেই সময় কাটাতে ভালোবাসতেন। তার প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের এক গৌরবময় অধ্যায়ের অবসান ঘটল। 

    দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় সংগীত জগতকে সমৃদ্ধ করেছেন পদ্মভূষণজয়ী এই শিল্পী। ঢাকায় জন্ম হলেও সুমন কল্যাণপুর পরবর্তীতে মুম্বাইয়ে স্থায়ী হন এবং নিজের অসামান্য কণ্ঠের জাদুতে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে এক অনন্য স্থান তৈরি করেন। রাগপ্রধান ধ্রুপদী গান থেকে শুরু করে রোমান্টিক ডুয়েট বা ভক্তিগীতি—সবখানেই ছিল তার অবাধ যাতায়াত। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হিন্দি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তার গাওয়া ‘আজকাল তেরে মেরে পেয়ার কে চৰ্চে’, ‘না না করতে পেয়ার তুমহি সে’ কিংবা ‘তুমনে পুকারা অউর হম চলে আয়ে’-র মতো কালজয়ী গান আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে অমলিন। শুধু হিন্দিই নয়, মারাঠি, বাংলা ও ওড়িয়া সহ একাধিক আঞ্চলিক ভাষাতেও তিনি অজস্র জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। 

    তার গাওয়া মারাঠি গান ‘কেতকিচ্যা বনী তিথে’, ‘সাং কধী কল্নার তুলা’ কিংবা কালজয়ী ঘুমপাড়ানি গান ‘নিম্বোণিয়াচ্যা ঝাড়ামাঘে’ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সংগীতপ্রেমীদের মনে আবেগের জায়গা জুড়ে রয়েছে। 

    সুমন কল্যাণপুরের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও গুণীজনেরা। 

    মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘এটি এক ঐশ্বরিক কণ্ঠের মহাপ্রস্থান, যা ভারতের সুরের ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছিল। মারাঠি, হিন্দি, বাংলা ও ওড়িয়া সংগীতে তার অবদান অতুলনীয়। তার শারীরিক উপস্থিতি আমরা মিস করব, কিন্তু তার অমর সুর চিরকাল শ্রোতাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।’ 

    এছাড়া এনসিপি (এসপি) প্রধান শরদ পওয়ার এক শোকবার্তায় জানান, ‘সুমনজির প্রয়াণে ভারতীয় শাস্ত্রীয় ও লঘু সংগীতের একটি স্বর্ণযুগের অবসান হলো। তার আবেগঘন ও সুমধুর কণ্ঠ যুগের পর যুগ ধরে মানুষকে মুগ্ধ করেছে।’ 

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ী গভীর দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘সুমনজির অবদান আগামী প্রজন্মের সংগীতশিল্পীদের চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে।’ 

    এক শান্ত, স্নিগ্ধ ও বিনয়ী ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন সুমন কল্যাণপুর। পার্থিব জগৎ থেকে তার বিদায় ঘটলেও, তার রেখে যাওয়া অমূল্য সুরের উত্তরাধিকার কোটি কোটি শ্রোতার হৃদয়ে চিরকাল অনুরণিত হতে থাকবে।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • নায়িকার পর এবার গায়িকা নাজিফা তুষি

    ছোট ও বড়পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। তবে এবার অভিনয়ের বাইরেও নতুন পরিচয় যুক্ত হচ্ছে এই অভিনেত্রীর নামের পাশে। আসন্ন ঈদুল আজহায় মুক্তি পাবে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘রইদ’। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি সিনেমার একটি গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন তুষি। 

    জানা গেছে, সিনেমার ‘পাগলীর প্রেম জ্বালা’ শিরোনামের গানটি তিনি গেয়েছেন। সম্প্রতি ‘রইদ এর গান’ শিরোনামের কনসার্টে গান গেয়ে নতুনভাবে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী। গানটি শ্রোতাদের বেশ নজর কেড়েছে। 

    গান প্রসঙ্গে তুষি বলেন, ‘এই (রইদ) সিনেমায় আমার কণ্ঠে একটি গান থাকছে। বিষয়টি আমার জন্য অনেক বিশেষ। কারণ আমি মূলত অভিনয়ের মানুষ হলেও গান সবসময় আমার ভেতরের একটা ভালোবাসার জায়গা ছিল। 

    যখন ‘রইদ’ টিম আমাকে গানটি গাওয়ার কথা বলল, তখন একটু ভয়ও কাজ করছিল দর্শক কীভাবে নেবে, তারা আমাকে গায়িকা হিসেবে গ্রহণ করবে কিনা। কিন্তু গানটি গাওয়ার পর যে পরিমাণ ভালোবাসা পেয়েছি, সেটা সত্যিই অভাবনীয়।’ 

    তিনি আরও বলেন, ‘রবীন্দ্র সরোবরে যখন পাগলীর প্রেম জ্বালা গানটি গেয়েছি, তখন দর্শকদের প্রতিক্রিয়া আমাকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছে। সবাই খুব আন্তরিকভাবে গানটি গ্রহণ করেছে। আমার মনে হয়েছে, গানটি মানুষের হৃদয়ে পৌঁছাতে পেরেছি। 

    আসলে রইদ সিনেমার গল্প, এর আবহ আর গানগুলো সবকিছুই খুব মাটির কাছাকাছি। সেই অনুভূতিটা গানটির মধ্যেও আছে। আমি চেষ্টা করেছি নিজের অনুভূতি দিয়েই গানটি গাইতে। আশা করছি, গানটি প্রকাশের পর দর্শক আরও বেশি পছন্দ করবেন।’ 

    ‘পাগলীর প্রেম জ্বালা’ গানটির কথা ও সুর করেছেন বশর কোম্পানী। সংগীতায়োজন করেছেন সোহাগ চক্রবর্তী। 

    এরই মধ্যে ‘রইদ’ সিনেমার তিনটি গান প্রকাশ পেয়েছে। ‘রইদে আইলা গা জুড়াইতে’ গানটিতে কথা, সুর ও কণ্ঠ দিয়েছেন সহজিয়া ব্যান্ডের রাজীব আহমেদ রাজু। সংগীত পরিচালনা করেছেন রাশীদ শরীফ শোয়েব। 

    গত ৭ মে প্রকাশ পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গের প্রয়াত বাউলশিল্পী কানাই দাস বাউলের গাওয়া ‘মন ছাড়া কি মনের মানুষ রয়’ গানটি। মাতান চাঁদ গোঁসাইয়ের লেখা এই গানের নতুন সংগীতায়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী। 

    এছাড়া সর্বশেষ ১৫ মে মুক্তি পেয়েছে ‘রহে না’ গানটি, যা গেয়েছে মেঘদল। 

    সাধু, তার পাগল স্ত্রী এবং তাদের বাড়ির পাশের তালগাছকে ঘিরে সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে। এর ভেতর দিয়ে আদম-হাওয়ার আদিম আখ্যানকে নতুনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন নির্মাতারা।  

    নাজিফা তুষি ছাড়াও ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ও গাজী রাকায়েতের মতো অভিনেতারা।  

    ‘রইদ’র গল্প লিখেছেন মেজবাউর রহমান সুমন ও সেলিনা বানু মনি। চিত্রনাট্য লিখেছেন মেজবাউর রহমান সুমন, জাহিন ফারুক আমিন, সিদ্দিক আহমেদ, রফিকুল ইসলাম পল্টু এবং সুকর্ণ শাহেদ ধীমান। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • জনপ্রিয় গায়িকা জোজোর অস্ত্রোপচার

    ওপার বাংলার শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী জোজো মুখোপাধ্যায়। এই গায়িকার শনির দশা যেন কাটছেই না। সম্প্রতি শারীরিক জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর এবার চিকিসকের পরামর্শে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হলো তার। 

    জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই হিপ জয়েন্টের সমস্যায় ভুগছিলেন এই সংগীতশিল্পী। 

    জোজো জানিয়েছেন, কয়েক বছর আগে শুটিংয়ে পড়ে গিয়ে তিনি মারাত্মক চোট পান। কিন্তু সেসময়ে খুব একটা আমলে নেননি। পরবর্তীতে সেই সমস্যা আরও বাড়ে। মূলত শুটিংয়ে পড়ে গিয়ে জোজোর হিপ জয়েন্টে চিড় ধরেছিল। ফলে অনেক দিন ধরেই ব্যথায় ভুগছিলেন তিনি। তবে সেই যন্ত্রণা নিয়েই ‘সারেগামাপা’র শুটিং করে গিয়েছেন। 

    বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে একাধিকবার নতুন করে আঘাতও পান তিনি। ব্যথা কমানোর ওষুধ ও ইনজেকশন নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। একসময় লাঠি নিয়েও শুটিং করতে হয়েছে বলে জানান এই শিল্পী। তাই শেষমেশ হাসপাতালে গিয়ে অস্ত্রোপচার করাতে বাধ্য হলেন জোজো। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অস্ত্রোপচারের পর বর্তমানে শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে গায়িকা জানান, তিনি এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। কিন্তু আপাতত কয়েকদিন হাসপাতালেই থাকতে হবে। 

    সোমবার (১৮ মে) তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। সব ঠিক থাকলে শুক্রবার (২২ মে) হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরবেন তিনি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আপাতত উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। তবে চিকিৎসকরা তাকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। 

    এদিকে বর্তমানে কাজের চাপ কম থাকার কারণে এখন পর্যাপ্ত বিশ্রামের সময় পাবেন বলেও জানান এই গায়িকা। 

    বিনোদন ডেস্ক