Tag: সংগীতশিল্পী

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে শুভেচ্ছা জানালেন মনির খান

    বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। আজ বঙ্গভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা দেশ-বিদেশ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা-অভিনন্দন জানাচ্ছেন। বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মনির খানও তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন এ শিল্পী।

    বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে নিজের একটি ছবিও প্রকাশ করেছেন মনির খান। সেখানে শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়ে এ গায়ক লিখেছেন— ‘১৯৯১ সালের পর আজ ২০ আগস্ট ২০২৬ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এই নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আমি তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমি নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’

    এদিকে ১৯৯১ সালের পর এবারই প্রথম একাধিক প্রার্থীর অংশগ্রহণে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এর আগে টানা কয়েকবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সম্পন্ন হয়েছিল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এবারের নির্বাচন দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতায় নতুন একটি অধ্যায় যুক্ত করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে জাতীয় সংসদে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সাদা কাগজে কালো কালিতে ছাপা ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট দেন সংসদ সদস্যরা। সংসদ অধিবেশন কক্ষে রাখা তিনটি নির্ধারিত ব্যালটবাক্সে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৩৪৯ সংসদ সদস্য এ নির্বাচনে ভোটার ছিলেন। তাদের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দেন। ভোটগ্রহণ শেষে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ফল ঘোষণা করেন।

    বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। অন্যদিকে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ নেবেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৬০০ টাকা নিয়ে ঢাকায় এসে কিংবদন্তি, আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন আজ

    বাংলা ব্যান্ড জগতের কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু। দেশের জনপ্রিয় এই গায়ক, গিটারবাদক, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক ১৯৬২ সালের আজকের এই দিনে (১৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৫৬ বছরের ছোট্ট জীবনে এই কিংবদন্তি বাংলা ব্যান্ডজগতকে কেবল সমৃদ্ধই করে গেছেন। বেঁচে থাকলে আজ ৬৪ বছরে পা দিতেন তিনি। 

    ১৯৭৮ সালে ‘ফিলিংস’ ব্যান্ডের মাধ্যমে ব্যান্ড সংগীতে পথচলা শুরু করেন আইয়ুব বাচ্চু। ১৯৮৩ সালে মাত্র ৬০০ টাকা নিয়ে পা রাখেন ঢাকায়। এরপর প্রতিভা, পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা হিসেবে। এরপর ১০ বছর সোলস ব্যান্ডের লিড গিটারিস্ট হিসেবে কাজ করেন তিনি। 

    ১৯৯০ সালে যাত্রা শুরু হয় তার নিজের ব্যান্ড দল ‘এলআরবি’র। শুরুতে ব্যান্ডটির নাম ‘লিটল রিভার ব্যান্ড’ রাখা হলেও পরবর্তী সময়ে ‘লাভ রান্স ব্লাইন্ড’ বা এলআরবি নামে এটি পরিচিতি পায়। 

    রক সংগীতের বরপুত্র হিসেবে খ্যাত হলেও আইয়ুব বাচ্চু নিজের সুরের ভুবন কেবল একটি নির্দিষ্ট ঘরানায় সীমাবদ্ধ রাখেননি। আধুনিক গান, লোকসংগীত কিংবা চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক—সবখানেই তিনি শ্রোতাদের বিমোহিত করেছেন তার অসাধারণ কণ্ঠ, সুর ও গিটারের জাদুকরী মূর্ছনায়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শ্রোতাদের সামনে হাসিমুখ ও উল্লাসের আড়ালে এই শিল্পীর ভেতরে লুকিয়ে ছিল গভীর অভিমান। কাছে থেকে যারা তাকে চিনেছেন, তাদের মতে তিনি ছিলেন অত্যন্ত আবেগপ্রবণ ও সংবেদনশীল এক হৃদয়বান মানুষ। তবে নিজের ভেতরে জমে থাকা কষ্টের কথাগুলো মুখ ফুটে না বললেও, তা ফুটে উঠত তার গান আর সুরের মুর্ছনায়। 

    জানা যায়, মায়ের প্রয়াণ ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কা। মায়ের প্রতি গভীর ও নিঃশর্ত ভালোবাসার কথা তিনি বারবার প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন আড্ডায় ও সাক্ষাৎকারে। মায়ের এই না-ফেরার দেশে চলে যাওয়া তার আত্মাকে গভীরভাবে ক্ষতবিক্ষত করেছিল। 

    পাশাপাশি, ব্যান্ডের সহশিল্পীদের দলছুট হওয়াও তাকে প্রবলভাবে আহত করত। কারণ ব্যান্ড সদস্যদের তিনি কেবল মিউজিশিয়ান মনে করতেন না, ভাবতেন তার নিজের পরিবারেরই অংশ। আর আইয়ুব বাচ্চুর সবচেয়ে বড় ভালোবাসা ছিল গিটার। তিনি বলতেন, গিটারই তার প্রথম ও শেষ ভালোবাসা। জীবনের বড় একটি অংশ তিনি গিটার সংগ্রহ ও বাজানোর পেছনে ব্যয় করেছেন। 

    দীর্ঘ কয়েক দশকের সংগীত জীবনে অসংখ্য কালজয়ী ও শ্রোতাপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন আইয়ুব বাচ্চু। ‘চলো বদলে যাই,’ ‘হাসতে দেখো,’ ‘এখন অনেক রাত,’ ‘রুপালি গিটার’, ‘মেয়ে’ ‘আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি,’ ‘সুখের এ পৃথিবী,’ ‘ফেরারী মন,’ ‘উড়াল দেবো আকাশে,’ ‘বাংলাদেশ,’ ‘আমি বারো মাস তোমায় ভালোবাসি,’ ‘এক আকাশের তারা,’ ‘সেই তারা ভরা রাতে,’ ‘কবিতা,’ ‘আমি তো প্রেমে পড়িনি,’ ‘তিন পুরুষ,’ ‘যেওনা চলে বন্ধু,’ ‘বেলা শেষে ফিরে এসে,’ ‘আমি তো প্রেমে পড়িনি,’ ‘তিন পুরুষ’ সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা তিনি। 

    ২০১৮ সালের ১৬ আগস্ট ঘরোয়া আয়োজনে কাছের মানুষদের নিয়ে নিজের শেষ জন্মদিন পালন করেছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। তার মাত্র দুই মাস পর ১৮ অক্টোবর হঠাৎ করেই না ফেরার দেশে চলে যান বাংলা ব্যান্ড সংগীতের এই কিংবদন্তি। 

    আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার প্রায় ৮ বছর হতে চললেও এ কিংবদন্তির সৃষ্টি, গান ও গিটারের সুর প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে তাকে বাঁচিয়ে রাখবে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘তেরা মেরা রিশতা ২.০’ নিয়ে ফিরলেন মুস্তফা জাহিদ

    প্রায় দুই দশক পর ইমরান হাশমির ২০০৭ সালের আলোচিত সিনেমা ‘আওয়ারাপান’-এর জনপ্রিয় গান ‘তেরা মেরা রিশতা’ নতুন করে শ্রোতাদের সামনে নিয়ে এলেন পাকিস্তানি রক ব্যান্ড রক্সেন-এর প্রধান গায়ক মুস্তফা জাহিদ। 

    গত ১৪ আগস্ট গানটির নতুন সংস্করণ প্রকাশ করেন তিনি। গানটিতে মূল সুরের প্রাণবন্ত আমেজ ঠিক রেখে লিরিক্সে কিছুটা পরিমার্জন আনা হয়েছে। 

    মিউজিক ভিডিওতে জাহিদকে একটি উন্মুক্ত স্থানে রাতের বেলা গানটি পরিবেশন করতে দেখা যায়, যার পটভূমিতে দৃশ্যমান ছিল শহরের চোখধাঁধানো স্কাইলাইন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভারতীয় সিনেমায় পাকিস্তানি শিল্পীদের কাজের ওপর চলমান নিষেধাজ্ঞার কারণে ‘আওয়ারাপান ২’ সিনেমার অফিশিয়াল সাউন্ডট্র্যাকে অংশ নিতে পারেননি মুস্তফা জাহিদ। মূল অ্যালবাম থেকে বাদ পড়লেও এই ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে গানটিকে হারিয়ে যেতে দেননি তিনি। ভক্তদের কথা ভেবেই ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম রিলস এবং বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে স্বাধীনভাবে নিজের এই একক সংস্করণটি মুক্তি দেন তিনি। 

    অন্যদিকে, ইমরান হাশমি ও দিশা পাটানি অভিনীত ‘আওয়ারাপান ২’ সিনেমাটি নিজস্ব অফিশিয়াল সাউন্ডট্র্যাক নিয়েই মুক্তি পেয়েছে। তবে প্রযোজনা সংস্থার অ্যালবাম থেকে বাদ পড়লেও, নিজস্ব কণ্ঠে গানটি নিয়ে এসে দুই দেশের শ্রোতাদের ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সেই পুরানো আবেগে আবারও ভাসিয়েছেন মুস্তফা জাহিদ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভারতীয় ভক্তদের উদ্দেশে আতিফ আসলাম, ‘আমি সবসময়ই তোমাদের মিস করেছি’

    বলিউডে কাজের পুরনো স্মৃতি এবং ভারতীয় শ্রোতাদের ভালোবাসার কথা স্মরণ করে পাকিস্তানি জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম বলেছেন, তিনি তার ভারতীয় ভক্তদের অত্যন্ত মিস করেন। একই সঙ্গে তিনি দুদেশের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বাধার মধ্যেও ক্রমাগত সমর্থনের জন্য ভক্তদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আতিফ আসলাম তার নতুন মিউজিক প্রজেক্ট ‘বর্ডারলেস মিউজিক’ নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণ ও প্রবীণ শিল্পী, সংগীত পরিচালক, গীতিকার এবং ইন্ডাস্ট্রির কিংবদন্তিদের একসঙ্গে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

    আতিফ বলেন, ‘আমি বর্ডারলেস মিউজিক নামের একটি নতুন প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছি।’ তিনি আরও জানান, এই প্রজেক্টের আওতায় শ্রোতারা শিগগিরই প্রচুর নতুন গান দেখতে পাবেন। 

    পাশাপাশি, ভারতে পাকিস্তানি শিল্পীদের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গে আতিফ তার অনুরাগীদের মন খারাপ না করার পরামর্শ দেন। ভারতীয় ভক্তদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমি আমার সব ভারতীয় ভক্তদের বলতে চাই, নিষেধাজ্ঞার কারণে আপনারা মন খারাপ করবেন না বা দুঃখ পাবেন না। শুধু জেনে রাখুন, আমি সবসময়ই আপনাদের মিস করেছি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে আতিফ এও স্পষ্ট করেন যে, সেখানে কাজ করার চেয়ে ভারতীয় শ্রোতাদের সঙ্গে সংগীতের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সেই আত্মিক যোগাযোগটিকেই তিনি বেশি মিস করেন। এই সংগীতশিল্পীর ভাষায়, ‘আমি সেখানে কাজ করা মিস করি না, তবে আমি অবশ্যই আপনাদের সবাইকে মিস করি।’ 

    নিজের সংগীত জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে আতিফ আরও বলেন, বলিউডে প্লেব্যাক গাওয়া তাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। এই অভিজ্ঞতাই পরবর্তীতে তাকে নিজস্ব স্বতন্ত্র মিউজিক তৈরিতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

    তিনি ইঙ্গিত দেন যে, পাকিস্তানি শিল্পীদের ওপর যদি এই নিষেধাজ্ঞা না আসত, তবে হয়তো তিনি সৃজনশীলভাবে আজকের এই ধারায় কাজ করতেন না। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সব সময় তার পাশে থাকার জন্য এবং ভালোবাসা দেওয়ার জন্য ভারতীয় ভক্তদের ধন্যবাদ জানান এই জনপ্রিয় গায়ক। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • গান ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা নেই আতিফ আসলামের

    খ্যাতি, সাফল্যের চাপ এবং সংগীত জীবনকে বিদায় জানানোর চিন্তা—এমন নানা বিষয়ে সম্প্রতি খোলামেলা কথা বলেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আতিফ আসলাম। 

    ভারতীয় ইউটিউব চ্যানেল ‘দ্য কার্লি টেলস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার এই অভাবনীয় সাফল্যের পথচলা এবং খ্যাতির পেছনের মানসিক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। 

    সাক্ষাৎকারে নিজের উত্থানকে কেবল কঠোর পরিশ্রমের ফল বলতে নারাজ এই গায়ক। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই জানি না কীভাবে এত সাফল্য পেয়েছি। আজও আমার কাছে এটি স্পষ্ট নয়।’ 

    নিজের ঝুলিতে শত সাফল্য থাকা সত্ত্বেও বিনম্র আতিফ বলেন, ‘অনেকে এটিকে কঠোর পরিশ্রমের ফল বলেন, কিন্তু সত্যি বলতে এখানে কেবল আমার পরিশ্রম ছিল না। আল্লাহ আপনাকে সেখানেই পৌঁছে দেন, যেখানে তিনি আপনাকে দেখতে চান।’ 

    ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর কথা স্মরণ করে আতিফ জানান, প্রতিটি নতুন গান মুক্তির পর এক অদ্ভুত অনিশ্চয়তা কাজ করত। ‘একটি গান সফল হওয়ার পর মনে হতো—এরপর কী? দ্বিতীয় গানের পর মনে হতো, ব্যাস এইটুকুই! হয়তো মানুষ আর আমাকে পছন্দ করছে না।’ পরবর্তীতে তার একক অ্যালবাম এবং বিশেষ করে বলিউড সিনেমায় প্লেব্যাক করার পর জনপ্রিয়তা যেমন হু হু করে বাড়ে, তেমনই সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চাপও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সংগীত থেকে অবসর নেওয়ার বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে আতিফ আসলাম জানান, গান ছেড়ে দেওয়ার কথা তিনি কখনো গম্ভীরভাবে ভাবেননি। তবে একজন শিল্পীর জীবনে যে স্থবিরতা বা সৃষ্টিশীলতায় বাধা আসে, সেটিকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখেন তিনি।

    শিল্পীদের মানসিকভাবে শূন্য হয়ে যাওয়ার এই পর্যায়টি নিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন শিল্পী হিসেবে আপনাকে এমন একটা ধাপের মধ্য দিয়ে যেতেই হয়, যখন নতুন কিছু লেখা বা সুর করা সম্ভব হয় না। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।’ তবে সেই কঠিন সময় একসময় কেটে যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এমন সময় আসে যখন আপনি নিজের সৃষ্টিতে পরিতৃপ্তি পান। তখন শুধু চুপচাপ বসে স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে হয় এবং মুহূর্তটি উপভোগ করতে হয়।’ 

    পাকিস্তানি এই কণ্ঠশিল্পী এখনো দেশে ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিয়মিত গান পরিবেশন করে যাচ্ছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশেও পারফর্ম করে গেছেন এই তারকা সংগীতশিল্পী। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অপারেশন থিয়েটারেই চিকিৎসকদের গান শোনালেন সনু নিগম

    অস্ত্রোপচারের টেবিলে অচিন্তনীয় এক মুহূর্তের জন্ম দিলেন ভারতের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী সনু নিগম। হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে চিকিৎসা চলার মাঝেই তিনি নিজের চিকিৎসক ও পুরো মেডিকেল টিমের জন্য খালি গলায় গাইলেন ক্লাসিক গান। ব্যথার সঙ্গে লড়াই করার ফাঁকেই সৃষ্টি করলেন এই সুরের আবেশ। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে সনু নিগম নিজেই এই বিশেষ মুহূর্তের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, অস্ত্রোপচার চলাকালীন তিনি অত্যন্ত সাবলীলভাবে গাইছেন ১৯৪৯ সালের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘দুলারী’র প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী মোহাম্মদ রফির আইকনিক গান—‘সুহানী রাত ঢল চুকী’।

    ভিডিওটির ক্যাপশনে সনু লেখেন, ‘আমার অস্ত্রোপচার চলাকালীন শ্রদ্ধেয় চিকিৎসক নিলেশ সাতভাই এবং তার ভালোবাসায় ভরা টিমের জন্য একটি তাৎক্ষণিক পরিবেশনা। ব্যথার মধ্যে গান গাওয়া… গানের এই তো আনন্দ!’ 

    ব্যতিক্রমী এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট হতেই দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। সনুর এমন আবেগপূর্ণ গান শুনে ভক্তরা মন্তব্যের ঘরে ভালোবাসা প্রকাশের পাশাপাশি তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এক অনুরাগী মন্তব্য করে লিখেছেন, ‘কী দারুণ কণ্ঠ আপনার! দয়া করে নিজের খেয়াল রাখুন, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘ঈশ্বরের এই স্বর্গীয় কণ্ঠের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।’ আবার অনেকেই সনুর এই ইতিবাচক মনোভাবের প্রশংসা করে তার দ্রুত শারীরিক সুস্থতা প্রার্থনা করেছেন। 

    তবে ঠিক কী কারণে সনুর এই অস্ত্রোপচার করা হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট করা হয়নি। উল্লেখ্য, গত জুন মাসে এক সাক্ষাৎকারে সনু জানান যে তিনি একটি স্নায়ুজনিত ব্যথাদায়ক সমস্যায় ভুগছেন। সেই সময় চিকিৎসা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তার একাধিক এমআরআই ও সিটি স্ক্যান করাতে হয়েছিল এবং তিনি নিয়মিত ওষুধও সেবন করছিলেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ময়না ছলাৎ ছলাৎ’ খ্যাত গায়ক স্বাগত দে মারা গেছেন

    ওপার বাংলার লোকসংগীতের জনপ্রিয় শিল্পী স্বাগত দে আর নেই। সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

    এই সংগীতশিল্পী ‘ময়না ছলাৎ ছলাৎ’ এবং ‘সোনা বন্ধু রে’র মতো অসামান্য সব জনপ্রিয় লোকগানের মাধ্যমে বাংলা গানের জগতে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। 

    পরিবার জানায়, সোমবার (৩ আগস্ট) তিনি সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এরপর থেকে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সব চেষ্টা ব্যর্থ করে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই গুণী শিল্পী। 

    স্বাগত দে জাদুকরী ও প্রাণবন্ত কণ্ঠে বাংলা লোকসংগীত নতুন প্রজন্মের কাছেও দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। বিশেষ করে সুরেলা কণ্ঠ ও আবেগঘন পরিবেশনার মাধ্যমে শ্রোতাদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। তার এই আকস্মিক প্রয়াণে সংগীত ও সংস্কৃতি অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সদ্য প্রয়াত এই শিল্পীর আত্মার শান্তি কামনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওপার বাংলার গায়িকা জোজো লিখেছেন, ‘তারাদের দেশে ভালো থেকো স্বাগতদা। ওম শান্তি।’ 

    অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী স্মৃতিচারণ করে লেখেন, খবরটা শুনে ছোটবেলার অনেক স্মৃতি ফিরে এলো। বিশ্বাসই করতে পারছি না, স্বাগতদা আর নেই। 

    আরেক লোকসংগীতশিল্পী দেব চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, স্বাগত আমাদের সমসাময়িক ছিল। খবরটা মেনে নিতে পারছি না। বাংলা লোকগানের জন্য এটি বড় ক্ষতি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢাকায় অনুপম রায়ের কনসার্ট আবারও স্থগিত

    কলকাতার শিল্পী অনুপম রায়ের সমস্ত আয়োজন ও আইনি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরও শেষ মুহূর্তে এসে থামতে হলো আয়োজকদের। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক নির্দেশে হঠাৎ করেই স্থগিত হয়ে গেল ‘ওয়ান ট্রু সাউন্ড উইথ অনুপম রায়’ কনসার্টটি।

    বুধবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আয়োজক প্রতিষ্ঠান ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশন জানিয়েছে, কনসার্টটি আবারও স্থগিত করা হয়েছে।

    ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশনের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে লেখা হয়, ‘অনুষ্ঠানটি আয়োজনের লক্ষ্যে আয়োজক প্রতিষ্ঠান সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে সম্পন্ন করে। তবে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে সকল প্রস্তুতি ও অনুমোদন সম্পন্ন হওয়ার পরও অনিবার্য কারণ উল্লেখ করে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর ফলে কনসার্টটি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।’

    বিবৃতিতে আরও লেখা হয়, ‘এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে হাজারো সংগীতপ্রেমী, টিকিটধারী, শিল্পী, স্পনসর, অংশীদার এবং সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। তবু আয়োজক প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনাকে সর্বোচ্চ সম্মান জানিয়ে তা সম্পূর্ণরূপে অনুসরণ করছে।’

    সব টিকিটধারীকে তাঁদের কেনা টিকিটের সম্পূর্ণ মূল্য অফিশিয়াল টিকেটিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ফেরত দেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বন্যার্তদের সহায়তায় আজ গান গাইবেন রুনা লায়লা

    দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে পারিবারিক কাজ শেষে দেশে ফিরেছেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। দেশে ফিরেই মানবিক এক উদ্যোগের অংশ হচ্ছেন তিনি। 

    শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে তার বহুল প্রতীক্ষিত একক সংগীতানুষ্ঠান। এই আয়োজন থেকে প্রাপ্ত অর্থ ব্যয় করা হবে বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায়।

    আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানের টিকিট বিক্রি থেকে প্রাপ্ত সম্পূর্ণ অর্থ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে জমা দেওয়া হবে, যা বন্যার্ত মানুষের সহায়তায় ব্যবহার করা হবে। এ কারণেই সংগীতানুষ্ঠানটি শুধু সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, মানবিক উদ্যোগ হিসেবেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

    ছয় দশকেরও বেশি সময়ের গৌরবময় সংগীতজীবনে দেশ-বিদেশের অসংখ্য মঞ্চে গান গাইলেও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে এটিই হতে যাচ্ছে রুনা লায়লার প্রথম একক সংগীতানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে তিনি তার ৬২ বছরের পেশাদার সংগীতজীবনের বিভিন্ন সময়ের শ্রোতাপ্রিয় ও কালজয়ী ১০টি গান পরিবেশন করবেন। একই অনুষ্ঠানে তাকে বিশেষ সম্মাননায়ও ভূষিত করা হবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আয়োজনটি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রুনা লায়লা বলেন, আমাদের সংগীতের দীর্ঘ পথচলা, গান ও স্মৃতিগুলো নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। শ্রোতাদের প্রিয় কিছু গান পরিবেশনের চেষ্টা থাকবে। ৬২ বছরের পেশাদার সংগীতজীবনে শিল্পকলা একাডেমিতে ২-৩ বারের বেশি গাওয়া হয়নি। তবে একক গানের অনুষ্ঠান এবারই প্রথম। আশা করি, শ্রোতাদের সঙ্গে সুন্দর ও স্মরণীয় একটি সন্ধ্যা কাটবে।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এমন বিশেষ সম্মাননা আয়োজন নতুন নয়। এর আগে একই ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন ও সৈয়দ আব্দুল হাদীকেও সম্মাননা জানানো হয়েছিল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মঞ্চ মাতাতে ঢাকায় পৌঁছেছেন আতিফ আসলাম

    অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম। বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাতে ঢাকায় পৌঁছান পাকিস্তানের এই শিল্পী। 

    আগামীকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর মাদানী এভিনিউতে অনুষ্ঠিত ‘মেইন স্টেজ শো ফিচারিং আতিফ আসলাম’ কনসার্টটিতে অংশ নিতেই তার এই আগমন। এর মাধ্যমে এই সংগীতশিল্পীর ভক্তদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হলো। 

    যদিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনসার্টটি বাতিল হওয়া নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে আয়োজক প্রতিষ্ঠান থেকে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানানো হয়। কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২৪ জুলাই রাতেই মঞ্চে উঠবেন দক্ষিণ এশিয়ার এই শ্রোতাপ্রিয় গায়ক। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আতিফ আসলাম পাকিস্তানের পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়। বলিউডের অসংখ্য সুপারহিট গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি উপমহাদেশজুড়ে কোটি কোটি সংগীতপ্রেমীর হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। সেই শিল্পীকে আবারও সরাসরি মঞ্চে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশের ভক্তরা। 

    কনসার্টটি ঘিরে আয়োজকদের প্রত্যাশা, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে কনসার্টটি এ বছরের অন্যতম বড় সংগীতায়োজনে পরিণত হবে। 

    বিনোদন ডেস্ক