Tag: বিচ্ছেদ

  • বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মাঝেও অভিষেককে শুভেচ্ছা ঐশ্বরিয়ার

    সাম্প্রতিক কয়েক মাস ধরে বলিউড তারকা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনের বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এমন গুঞ্জনের মধ্যে সোমবার ছিল অভিষেক বচ্চনের জন্মদিন। ৪৮ বছর পূর্ণ করলেন তিনি। 

    rnrn

    জন্মদিনে ঐশ্বরিয়া তাকে শুভেচ্ছা জানাবেন নাকি এড়িয়ে যাবেন, এ বিষয়ে সবার নজর ছিল। অবশেষে স্বামীর জন্মদিনে পোস্ট করলেন ঐশ্বরিয়া। 

    rnrn

    অভিষেকের ছোটবেলার একটি ছবি ও আরাধ্যা-অভিষেকের একটি ছবি পোস্ট করে ঐশ্বরিয়া লেখেন- তোমাকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা জানাই। সঙ্গে চেয়ে নিই সুখ, ভালোবাসা, শান্তি আর সুস্বাস্থ্য। ঈশ্বর তোমাকে ভালো রাখুন। তুমি আরও অনেক উজ্জ্বল হও। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সন্তান নিতে চাওয়ায় স্বামীকে তালাক অভিনেত্রীর!

    হলিউডের এ তারকা দম্পতি সোফিয়া ভারগারা ও জো ম্যাঙ্গানিয়েলো।গত বছর জুলাইয়ে হঠাৎ করেই তারা বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। তবে এত দিন এ নিয়ে মুখ খোলেননি তারা কেউই।

    rnrn

    তবে সম্প্রতি স্পেনের সংবাদমাধ্যম এল পাইসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৫১ বছর বয়সী সোফিয়া জানান, পরিবারে নতুন সদস্য আনা নিয়ে তার আর জোর মধ্যে মতের অমিল হয়। এই অমিলই শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদে গড়ায়। 

    rnrn

    সোফিয়া বলেন, ‘আমার স্বামী আমার চেয়ে বয়সে ছোট হওয়ায় আমাদের বিয়ে ভেঙে গেছে। সে সন্তান চাইত, কিন্তু আমি বুড়ো বয়সে মা হতে চাইনি। আমার মনে হয়, সন্তানের সঙ্গে এমনটা করা ঠিক হবে না। কেউ বেশি বয়সে মা হলে আমি তাঁদের সম্মান করি, তবে আমার পক্ষে আর এটা সম্ভব হবে না।’ 

    rnrn

    সোফিয়া ও তার সাবেক স্বামী জো গোঞ্জালেজের একটি ছেলে আছে, মানোলো। এ বিষয়ে সোফিয়া বলেন, ‘১৯ বছর বয়সে আমার একটা ছেলে হয়েছিল। তার বয়স এখন ৩২। আমি এখন দাদি হতে প্রস্তুত, মা নই। জীবনে ভালোবাসা আসতে হলে, তাকে নিজের সন্তানসহ আসতে হবে।’ 

    rnrn

    মার্কিন টিভি সিরিজ ‘মডার্ন ফ্যামিলি’ তারকা সোফিয়া বলেন, ‘আমি প্রায় মেনোপজে (রজঃনিবৃত্তি) পৌঁছে গেছি। এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। যখন আমার ছেলে বাবা হবে, সে তখন তার সন্তান নিয়ে আমার কাছে আসবে। আমি তাকে ফেরত দেব, আর নিজের জীবনের দিকে মনোযোগ দেব! (এটা হয় না)’ 

    rnrn

    গত জুলাইয়ে সোফিয়া ও ৪৭ বছর বয়সী জো যৌথ এক বিবৃতিতে জানান, সাত বছরের বৈবাহিক জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। গত ২ জুলাই আইনগতভাবে বিচ্ছেদের আবেদন করেন জো। বিচ্ছেদের পর নিজের মতো করে জীবন গুছিয়ে নিয়েছেন দুজনই। এরই মধ্যে অভিনেত্রী কেইটলিন ও’কনোরের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়েছেন জো। এদিকে গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকবার একসঙ্গে দেখা গেছে সোফিয়া ও তার কথিত প্রেমিক অর্থোপেডিক সার্জন জাস্টিন সালিমানকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদ গুঞ্জন তুঙ্গে, কেন মুখে কুলুপ অভিষেকের?

    বলিউডের তারকা দম্পতি ঐশ্বরিয়া রাই ও অভিষেক বচ্চন। ভালোবেসে বিয়ের পর বহুবার তাদের সংসার ভাঙার গুঞ্জন প্রকাশ পেয়েছে। এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও বলিউডের একসময়ের শক্তিশালী জুটি ঐশ্বরিয়া আর অভিষেক সম্পর্কে বহুদিন ধরেই চলছে টানাপোড়েন। 

    ইতোমধ্যে বচ্চনদের বাড়ি ছেড়ে মেয়ে আরাধ্যা বচ্চনকে নিয়ে মায়ের সঙ্গে থাকছেন অভিনেত্রী। দিন কয়েক আগে এক অনুষ্ঠানে অভিষেকের হাতে বিয়ের আংটির অনুপস্থিতি নজরে আসে অনেকের। 

    তার পরেই খবর পাওয়া যায়, ঐশ্বরিয়াকে নাকি সামাজিক মাধ্যমে ‘আনফলো’ করে দিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন। দিন দিন নাকি শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে মনোমালিন্য বেড়েই চলেছে ঐশ্বরিয়ার। 

    নিত্যদিন বচ্চন পরিবারের অন্দরের অশান্তির খবর, অভিষেকের সঙ্গে বিশ্বসুন্দরীর ঘর ভাঙার জল্পনা সত্ত্বেও মুখে কুলুপ অভিষেকের। 

    অভিষেকের সঙ্গে বিয়ের পর স্বামীকে একটি উপদেশ দেন ঐশ্বরিয়া। তারকা হলেও কীভাবে ব্যক্তিগত জীবনে গোপনীয়তা বজায় রাখবেন! ঐশ্বরিয়া বলেন, ‘আমরা যে জগতে বাস করি সেখানে কটাক্ষ, বিতর্ক থাকবেই, কিন্তু তা কোনো কারণে জীবনের আনন্দময় দিকগুলোর থেকে বড় নয়। কটু কথা নয়, বরং মানুষের ভালোবাসাই সব থেকে বড়। তাই বিরূপ মন্তব্য নিয়ে বিচলিত হতে নেই।’

    আরও পড়ুন: 

    স্ত্রীর বলা এই কথাই এখন জীবনের এই পর্যায়ে এসে অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলছেন অভিষেক, এমনটাই মত ঘনিষ্ঠ মহলের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার বিচ্ছেদ গুঞ্জনের শুরু যেখান থেকে

    অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবনে বেজে উঠেছে ভাঙনের সুর! বেশ কিছু দিন ধরে শোনা যাচ্ছে— বচ্চন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার মনোমালিন্যের খবর। কিন্তু কেন এই ভাঙনের অশনি সংকেত সেটি নিয়ে কোনো কথা বলেননি বচ্চন পরিবারের কেউ। 

    তবে টাইমস ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, ঐশ্বরিয়া ও অভিষেকের বিচ্ছেদ গুঞ্জনের শুরু হয়েছিল একটি কাবাডি লিগের ম্যাচ থেকে। সেই ম্যাচের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, যেখানে দেখা গিয়েছিল ঐশ্বরিয়া অভিষেকের প্রতি চরম বিরক্ত। এ ছাড়া তার পর থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অভিষেকের ভাইঝি নভ্যা নাভেলি নন্দা এবং ঐশ্বরিয়াকে একই ফ্রেমে আর দেখা যায়নি। তারা একই ফ্রেমে একসঙ্গে পোজ দেওয়া এড়িয়ে যেতেন। এমনকি যখন এই জুটি প্যারিস ফ্যাশন উইকে একই ব্র্যান্ডের জন্য র্যাম্পে হাঁটলেন, তখনো তারা একে অন্যের চেয়ে দূরে দূরে ছিলেন। 

    তার পর নিজের ৫০তম জন্মদিন একাই কাটিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুকনো মুখেই স্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে দায় সেরেছিলেন জুনিয়র বচ্চন। 

    এর পরই খবর পাওয়া যায়, ‘বৌরানি’ ঐশ্বরিয়াকে নাকি ইনস্টাগ্রামে আনফলো করে দিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন। এ ছাড়া শ্বেতা বচ্চনও নাকি ঐশ্বরিয়াকে আনফলো করে দিয়েছেন। 

    এর পর দীপাবলির পূজাতেও বচ্চন পরিবারে হাজির ছিলেন না তিনি। এ ছাড়া মেয়ের নামে তার প্রথম বাংলো ‘প্রতীক্ষা’ও লিখে দিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন। 

    শোনা যায়, তার পর নাকি দূরত্ব আরও বাড়ে। ঐশ্বরিয়ার ননদের ছেলে অগস্ত্য নন্দার প্রথম ছবি ‘দি আর্চিজ’-এর অনুষ্ঠানে বচ্চন পরিবারের সঙ্গে দেখা যায় ঐশ্বরিয়াকে।

    তবে ভক্তদের কাছে সবচেয়ে বড় আশ্চর্যের বিষয় হয়, যখন দিনকয়েক আগে এক অনুষ্ঠানে অভিষেকের হাতে দেখা যায়নি বিয়ের আংটিও। 

    আরও পড়ুন: 

    যদিও অভিষেক বা ঐশ্বরিয়া কারও কাছ থেকেই বিচ্ছেদের আভাস পাওয়া যায়নি, তার পরও দুই-দুইয়ে চার মিলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন অনেকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেকের সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জন, ভাগ্নের ছবি দেখে যা বললেন ঐশ্বরিয়া

    প্রায় এক মাস হলো শাশুড়ি জয়া বচ্চন ও ননদ শ্বেতা নন্দার সঙ্গে নাকি মনোমালিন্য চলছে সাবেক বিশ্বসুন্দরীর ঐশ্বরিয়ার। তার প্রভাব পড়েছে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে তার দাম্পত্য জীবনে। বচ্চন পরিবারের এই দ্বন্দ্বের পরিধি নাকি দিন দিন বাড়ছে। 

    এবার নিজের ৫০তম জন্মদিন একাই কাটিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। এর পর দীপাবলির পূজাতেও বচ্চন পরিবারে হাজির ছিলেন না তিনি। সম্প্রতি মেয়ের নামে তার প্রথম বাংলো ‘প্রতীক্ষা’ লিখে দিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন। শোনা যায়, তার পর নাকি দূরত্ব আরও বাড়ে। যদিও ননদের ছেলে অগস্ত্য নন্দার প্রথম ছবি ‘দি আর্চিজ’-এর অনুষ্ঠানে বচ্চন পরিবারের সঙ্গে দেখা যায় ঐশ্বরিয়াকে।

    জয়া আখতার পরিচালিত ‘দি আর্চিজ’ ছবির মাধ্যমেই বলিউডে অভিষেক হয় একঝাঁক তারকা সন্তানের। যার মধ্যে রয়েছেন শাহরুখকন্যা সুহানা খান, অমিতাভের নাতি অগস্ত্য ও শ্রীদেবীকন্যা খুশি কাপুর। বলিউডের নতুন প্রজন্মের অভিষেক হচ্ছে। তাই এই ছবির প্রিমিয়ারে হাজির ছিল গোটা বলিউড। গোটা পরিবারের সঙ্গে এসেছিলেন সুহানা। দিদি জাহ্নবি কাপুর, অংশুলা কাপুর, বাবা বনি কাপুর এসেছিলেন মেয়ে খুশির প্রথম ছবির প্রিমিয়ারে। অগস্ত্যের জন্য এক ফ্রেমে ধরা দেন গোটা বচ্চন পরিবার। ছবি দেখে নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভাগ্নেকে নিয়ে আবেগঘন হয়ে পড়েন অভিষেক। নাতিকে উৎসাহ দিতে ময়দানে নামে দাদু নিজেই। কিন্তু এখানেও কিছুটা দূরত্ব দেখা যায় ঐশ্বরিয়াকে। 

    ‘দি আর্চিজ’ ছবি দেখে বেরিয়ে অভিনেত্রী বলেন, আমার অনেক শুভেচ্ছা গোটা টিমের জন্য।

    ভাগ্নের অগস্ত্যের প্রথম ছবি হলেও তার নাম আলাদা করে শোনা যায়নি তার মুখ থেকে। যদিও প্রিমিয়ারের দিন অগস্ত্যের গাল টিপে খানিক আদর করেন মামি। তবে বচ্চন পরিবারের অন্দরের সমীকরণ কোন খাতে বইছে, তা এখনই বলা শক্ত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জোরালো হচ্ছে অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার বিচ্ছেদ গুঞ্জন!

    অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবনে বেজে উঠেছে ভাঙনের সুর। বেশ কিছু দিন ধরে শোনা যাচ্ছে— বচ্চন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার মনোমালিন্যের খবর। শুধু তাই নয়, সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী ঘর-সংসার ফেলে ফিরে গেছেন মায়ের বাড়িতে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বচ্চন পরিবারের অন্দরমহলে অনেক দিন ধরে চলছে শাশুড়ি-বউয়ের বাগ্যুদ্ধ, যা একে অন্যের প্রতি অসন্তোষ বাড়িয়ে দিয়েছে।

    শুধু শাশুড়ি জয়া বচ্চনই নন, ননদ শ্বেতা বচ্চন নন্দাও কদিন আগে এক টিভি অনুষ্ঠানে ঐশ্বরিয়ার স্বভাব নিয়ে সমালোচনা করেছেন। যে কারণে সম্প্রতি স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি, ননদ সবাইকে রেখে মা বৃন্দা রাই ও মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে জন্মদিন পালন করেছেন ঐশ্বরিয়া। অবাক করা বিষয় হলো— এদিন অভিষেক ছাড়া শ্বশুরবাড়ির কেউ-ই শুভেচ্ছা জানাননি নন্দিত এই বলিউড অভিনেত্রীকে।

    এদিকে আবার বিচ্ছেদ গুঞ্জনের আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছেন অভিষেক। খুলে ফেলেছেন বিয়ের আংটি। সেই খবর রটতে না রটতেই দেখা গেছে, ঐশ্বরিয়ার হাত থেকেও গায়েব বিয়ের আংটি।

    সম্প্রতি ‘দি আর্চিস’ ছবির প্রিমিয়ারে হাজির হয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। ছিলেন অভিষেকও। যে ছবির মধ্য দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক হচ্ছে ননদের কন্যা অগস্ত্য নন্দার। সেই ‘দি আর্চিস’ ছবির প্রিমিয়ারেই দেখা গেছে ঐশ্বরিয়ার আঙুল একেবারে ফাঁকা। হাতে নেই বিয়ের আংটি।

    এখানেই শেষ নয়, বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনও এরই মধ্যে তার পুত্রবধূকে টুইটারে আনফলো করে দিয়েছেন, যা দেখে এই তারকা দম্পতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নেটদুনিয়ার বাসিন্দারা নানা রকম মন্তব্য করছেন। যদিও অভিষেক বা ঐশ্বরিয়া কারও কাছ থেকেই বিচ্ছেদের আভাস পাওয়া যায়নি, তার পরও দুই-দুইয়ে চার মিলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন অনেকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এখনো মায়ের বাড়িতেই ঐশ্বরিয়া, জোরালো হচ্ছে বিচ্ছেদের গুঞ্জন

    সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ১ নভেম্বর পঞ্চাশে পা দিয়েছেন। অভিনেত্রীর জন্মদিনে বিগ বি’সহ বচ্চন পরিবারের সদস্যরা ছিলেন একদম নীরব। স্বামী অভিষেক ছাড়া বচ্চন পরিবারের অন্য কোনো সদস্য ঐশ্বরিয়াকে শুভেচ্ছা জানাননি। এমনকি নাতনি আরাধ্যর ১২তম জন্মদিনেও অমিতাভ বচ্চন কোনো পোস্ট করেননি।

    ভারতের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, এখন ঐশ্বরিয়া মায়ের বাড়িতেই বেশি সময় থাকছেন। বচ্চন পরিবারের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের, এমন খবর বেশ কিছুদিন ধরেই দেখা যাচ্ছিল ভারতের গণমাধ্যমগুলোতে।

    ঘটনার শুরু অক্টোবরে অনুষ্ঠিত প্যারিস ফ্যাশন উইক থেকে। প্যারিস ফ্যাশন উইকে ল’রিয়ালের হয়ে দীর্ঘদিন পর র্যাম্পে ফেরেন ঐশ্বরিয়া। একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ বচ্চনের নাতনি নভ্যা নভেলি নন্দা। নভ্যাও ল’রিয়ালের হয়েই অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। তবে নভ্যা ও ঐশ্বরিয়াকে দেখা যায়নি এক ফ্রেমে।

    এছাড়া নভ্যার সঙ্গে প্যারিসে গিয়েছিলেন তার মা শ্বেতা বচ্চন ও নানি জয়া বচ্চন। প্যারিস ফ্যাশন উইক নিয়ে শ্বেতার ইনস্টাগ্রাম পোস্টেও ঐশ্বরিয়ার কথা উল্লেখ ছিল না।

    বচ্চন পরিবারের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার সম্পর্কের টানাপোড়েনের গুঞ্জন আরও জোরালো হয় অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিনে ঐশ্বরিয়ার পোস্টকে ঘিরে। বিগ বি’র ৮১তম জন্মদিনে মেয়ে আরাধ্য ও অমিতাভ বচ্চনের একটি ছবি পোস্ট করেন ঐশ্বরিয়া। মূল ছবিতে জয়া বচ্চন, নভ্যা নন্দা ও অগস্তা নন্দাও ছিলেন। তবে সেই ছবি থেকে জয়া, নভ্যা ও অগস্তাকে ক্রপ করে পোস্ট করেন ঐশ্বরিয়া। তখন নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন জাগে- বচ্চন পরিবারে সব ঠিক আছে তো?

    মনীশ মালহোত্রার দীপাবলির অনুষ্ঠানে ঐশ্বরিয়া একা উপস্থিত হয়েছেন। এ থেকে তাদের পারিবারিক কলহের গুজব আরও জোরদার হয়। এছাড়া বচ্চন পরিবারের দীপাবলির পূজায়ও অনুপস্থিত ছিলেন ঐশ্বরিয়া ও আরাধ্য, পূজার কয়েক ঘণ্টা আগে তাদের মুম্বাই ছাড়তে দেখা গেছে।

    ভারতের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, তবে এসব গুঞ্জন নিয়ে বরাবরের মতোই চুপ ঐশ্বরিয়া। তাই এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

    অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ২০০৭ সালে গাঁটছাড়া বাঁধেন। ২০১১ সালে জন্ম হয় তাদের একমাত্র মেয়ে আরাধ্য বচ্চনের। ঐশ্বরিয়াকে সর্বশেষ মনি রত্নমের ‘পনিইন সিলভান ২’ ছবিতে দেখা গেছে।

    তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • তবে কি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া?

    অভিষেকের সঙ্গে আপনার কি ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে? বাবার বাড়িতে আর কত দিন থাকবেন? আরাধ্যার নিজের বাড়িতে ফিরবে না? এসব প্রশ্নে ছেয়ে গেছে সাবেক বিশ্বসুন্দরী, বচ্চনদের পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সামাজিকমাধ্যমের অ্যাকাউন্টের পাতা।

    টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঐশ্বরিয়া তার মেয়ে আরাধ্যা বচ্চনকে নিয়ে বাবার বাড়িতে আছেন কয়েক দিন ধরে। ইদানীং সামাজিকমাধ্যমে অভিষেককে নিয়ে কোনো ছবি দিচ্ছেন না তিনি। পোস্ট করছেন কেবল নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গে তোলা ছবি। আরাধ্যার জন্মদিনেও অমিতাভ-জয়ার কাছ মেলেনি ভার্চুয়াল শুভেচ্ছা। এসব কারণ খতিয়ে দেখে যেন ক্ষেপে উঠেছেন সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। তাদের প্রশ্ন আর কৌতূহল উসকে দিচ্ছে অভিষেকের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার ‘সংসার ভাঙার’ গুঞ্জন। 

    কিছু দিন আগে ঐশ্বরিয়ার মৃত বাবা কৃষ্ণরাজ রাইয়ের জন্মদিন গেছে। দিনটিতে আরাধ্যার শৈশবের ছবির সঙ্গে বাবার ছবি পোস্ট করেন এই অভিনেত্রী।

    তাতে একজন লিখেছেন— সব বুঝলাম, কেবল বুঝতে পারছি না অভিষেকের সঙ্গে সমস্যা কোথায় আপনার?

    তিনি আরও লেখেন— আপনি কেন অভিষেকের সঙ্গে ছবি দিচ্ছেন না? আপনার বাবা-মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি— তাদের সঙ্গে তোলা ছবি পোস্ট করছেন, সেটা আপানার একান্ত ইচ্ছা, কিন্তু স্বামী বা শ্বশুরবাড়ি এড়িয়ে যাচ্ছেন কেন?

    এক জন লেখেন— দীপাবলি একাই করলেন, বিচ্ছেদ হয়ে গেছে!

    কৃষ্ণরাজ রাই ও আরাধ্যার ছবির নিচে ঐশ্বরিয়াকে উদ্দেশ্য করে এ ধরনের মন্তব্যে উপচে পড়ছে কমেন্ট বক্স।

    ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল কিছু দিন আগে প্যারিস ফ্যাশন উইকে। সেখানে ঐশ্বরিয়ার পাশাপাশি শ্বেতা বচ্চানের মেয়ে নভ্যা নাভেলি নন্দা উপস্থিত থাকলেও, একে অপরকে এড়িয়ে যান তারা।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে— পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে বচ্চনদের। চলতি মাসের প্রথম দিন নিজের ৫০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের যে ছবি পোস্ট করেছিলেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী, সেখানে তার পাশে স্বামী অভিষেক বা শ্বশুরবাড়ির কাউকে দেখা যায়নি।

    কেবল মেয়ে আরাধ্যা এবং মা বৃন্দা রাইকে পাশে নিয়ে নিজের ওই বিশেষ দিনটি উদযাপন করেছিলেন ঐশ্বরিয়া।

    এর মধ্যে ১২ নভেম্বর দীপাবলির দিন বচ্চনবাড়ির পূজায় উপস্থিত না থেকে মেয়েকে নিয়ে মুম্বাই ছাড়তে দেখা যায় ঐশ্বরিয়াকে।

    এর পর ১৬ নভেম্বর আরাধ্যার জন্মদিনে তার বাবা ও মা আলাদা আলাদাভাবে সামাজিকমাধ্যমে যে পোস্ট করেছেন, তাতেও চুপ থেকেছেন অমিতাভ, জয়া, শ্বেতা এবং তার ছেলেমেয়ারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হায়রে তানিয়া! আমার ভালোবাসাটাও তুমি বুঝতে পারোনি: এসআই টুটুল

    অভিনেত্রী তানিয়া আহমেদ ও গায়ক এসআই টুটুলের দীর্ঘদিন সংসার করার পর ২০২১ সালে বিচ্ছেদ হয়। তবে কেন সংসার ভাঙল তা নিয়ে মুখ খোলেননি কেউই। । এবার মুখ খুললেন টুটুল। 

    দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন এসআই টুটুল। সেখান থেকেই বিয়েবিচ্ছেদের কারণসহ ২৩ বছরের সংসারজীবনের নানা ঘটনা নিয়ে একটি জাতীয় দৈনিককে সাক্ষাতকার দিয়েছেন তিনি। 

    বিচ্ছেদ নিয়ে এতদিন চুপ থাকা প্রসঙ্গে এই শিল্পী বলেন, যারা সত্যিকার ভালোবাসে, তারা কখনোই বিচ্ছেদ চায় না। আমিও চাইনি। আমি একজন ক্ষুদ্র সুরকার ও সংগীতশিল্পী। একজন শিল্পীর সুর সৃষ্টির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হলো মানসিক প্রশান্তি। যখন মনে এই শান্তিটাও থাকে না, তখন সেই মানুষটি দুঃখের সাগরে ডুবে যেতে থাকে এবং বাঁচার অবলম্বন হিসেবে একটা কিছু আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করে। আমার জীবনেও তেমনই কিছু ঘটেছিল। আমাদের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়টি নিয়ে কথা বলে ভক্তদের বিচলিত করতে চাইনি বলেই কিছু বলিনি।

    কেন বিচ্ছেদ হলো এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তানিয়ার সঙ্গে আমি কখনোই বিচ্ছেদটা চাইনি। আমার নিজের উদ্যোগেও আমি বিচ্ছেদ করিনি বরং তানিয়াই বিচ্ছেদ চেয়েছিল বারবার। কেন চেয়েছিল, সত্যটা সে নিজেই সবচেয়ে ভালো বলতে পারবে। সে তো বলেছে সে সত্যটা বলে দেওয়াই পছন্দ করে, তাই এই বিষয়টা তার কাছে জানতে চাইলে ভালো হবে। 

    টুটুল আরও বলেন, তানিয়া আমাকে বলেছিল, সে স্বাধীনভাবে জীবন যাপন করতে চায়, সংসারের কোনো বাধ্যবাধকতা সে আর একেবারেই চায় না। সে বলেছিল, যখন যেখানে খুশি বেরিয়ে যাবে। কোথায় যাচ্ছে, কখন ফিরবে—এসব কোনো কিছুই আমি জানতেও চাইতে পারব না ইত্যাদি। একসময় সে চলাফেরাও শুরু করেছিল সে রকমভাবেই। এ ছাড়া আমার সঙ্গে তার ব্যবহার-আচার এবং অনেক কিছুই, যা আমি মেনে নিতে পারিনি। তাই বিচ্ছেদে আমিও একসময় রাজি হয়েছিলাম।

    ‘আমাদের বিয়েবিচ্ছেদের সব প্রক্রিয়া তানিয়া নিজেই তার ছোট ভাই এবং ভাবির মাধ্যমে করিয়েছিল। কিন্তু সবাই জানল, আমিই নাকি তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে গেছি। আমার মাধ্যমে ডিভোর্স–প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। এ ব্যাপারে মানুষ আমাকে ভুল বুঝেছেন।’

    দীর্ঘ ৪–৫ বছর আলাদা থাকার পর আমি যুক্তরাষ্ট্রে আসার প্রায় দেড় বছর আগে আমাদের বিয়েবিচ্ছেদের পেপারে স্বাক্ষর হয় বলে জানান টুটুল।

    যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের গুঞ্জন প্রসঙ্গে এই সংগীত শিল্পী বলেন, তানিয়ার সঙ্গে আমার বিয়েবিচ্ছেদের যখন এক বছরের বেশি সময় পার হয়ে গেছে, সেই সময়ে আমি একজন সিঙ্গেল মানুষ হিসেবে জীবন কাটাচ্ছিলাম। তখন একটা অনুষ্ঠানের কাজে নিউইয়র্কে আসি। সেখানে একজনের সঙ্গে দেখা হয়, পরে সখ্য হয়, একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আমাদের বিয়ের কথাও হয়েছিল। কিন্তু সৃষ্টিকর্তার হয় তো হুকুম হয়নি তাই, কখনো কোনোভাবেই আমাদের বিয়ে হয়নি। 

    তানিয়ার বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে টুটুল বলেন, সে আমার সম্পর্কে তারকাখ্যাতির অহংকার বা রূঢ় আচরণের অভিযোগ করেছে। আমি যদি এমন কিছু করে থাকি, তা অজান্তে ভুল করে করেছি। কেউ নিজের ব্যবহারকে নিজে উপলব্ধি করতে কমই পারে। যখন মানুষ একজন অন্যজনকে খুবই ভালোবাসে, ধীরে ধীরে অজান্তেই একজন আরেকজনের ওপর একটা অধিকার তৈরি হয়। তখন জীবনের অনেক ধরনের স্ট্রেসগুলো নিজের আপন মানুষের ওপরই কোনো না কোনোভাবে প্রকাশ করে। আমারও এমন কিছু হতে পারে মেনে নিচ্ছি। 

    অনেকটা ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমার চাইতেও সে যে একজন বড় সেলিব্রেটি, সেটা কে না জানে? আমার রূঢ় আচরণ শুধুই কি তিনিই দেখেছেন? আমার পরিচিত বন্ধুবান্ধব ভক্তরা কেউ দেখেনি? স্ত্রীর সঙ্গে তারকাখ্যাতির অহংকার অবশ্যই কোনো মানসিক রোগী ছাড়া কোনো নরমাল মানুষ করবে না। তবু আমি ক্ষমা চাই, আমার অজান্তে যদি কারও সঙ্গেই এমন কিছু করে থাকি।

    তানিয়াকে ব্লক করার কারণ জানিয়ে টুটুল বলেন, সে আমাকে এই কষ্টের জীবনে ঠেলে দিয়েছে, তাই অভিমান করেই আমি তানিয়াকে ব্লক করেছিলাম। আমাকে তার জীবন থেকেই ব্লক করে দিয়েছে, তার সঙ্গে আর যোগাযোগ থেকেই বা লাভ কি-এমনই মনে হয়েছিল আমার। আরও কিছু কারণও ছিল হয়তো, তা বলতে চাই না, ক্ষমা করবেন। কিন্তু সংসারের দায়িত্ব পালন করা থেকে কখনোই তাদের কাছ থেকে নিজেকে ব্লক করিনি।

    অতীত স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আমারও কিছু কষ্ট আছে। আমার যখন বড় বড় অ্যাওয়ার্ড পাওয়া শুরু হলো, আমি রিসিভ করতে যাব, সেই অনুষ্ঠানগুলোর কোনোটাতেই আমি অনুরোধ করলেও তানিয়াকে পাশে পাইনি। সে যেত না। এতে আমার খুব মন খারাপ লাগত। আমার এই অর্জনগুলোতে আমি ওকে আমার পাশে খুব চাইতাম কিন্তু সে বারবার একই কথা বলত ‘আমি যাব না’। অ্যাওয়ার্ড আমি ওকে উৎসর্গ করব ভেবে রাখতাম কিন্তু ওকে পাইনি। তাই হয়তো অভিমান থেকে আমি এ রকম কিছু বলেও থাকতে পারি। 

    ‘হায়রে তানিয়া! আমার ভালোবাসাটাও তুমি বুঝতে পারোনি। আমার এই জীবনটা যে দিয়ে দিয়েছিলাম তোমাকেই, তা তুমি ভালো করেই জানো।’

    তানিয়াকে উদ্দেশ করে টুটুল আরও বলেন, সংসার করার সময় আমি কোনো যোগ–বিয়োগ করিনি, রাগ করলে আমিই করেছি আর ভালোবাসলেও আমিই বেসেছি। কখনো বলিনি এটা করতে পারবে না, ওটা করতে পারবে না, এখানে যাবে না, ওখানে যাবে না, আমাকে রান্না করে খাওয়াতে হবে। এমন কথা সে কোনো দিন বলতে পারবে না। বরং বাচ্চাদের স্কুল থেকে শুরু করে যেকোনো কাজে নব্বই ভাগ সময় আমিই গিয়েছি। তাহলে এত যোগ-বিয়োগ করে আমার জীবনটা কেন এত এলোমেলো করে দিলা? আমরা কি দোষগুণ মেনে বাকি জীবনটা কাটাতে পারতাম না? অন্তত বাচ্চাদের কথাটা ভেবে। এমন কী দোষ ছিল আমার?

    সাক্ষাতকারে এই গায়ক জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে তার নিজের একটা প্রফেশনাল অডিও স্টুডিও আছে। এ ছাড়া আমেরিকায় ফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করছেন।

    নতুন গানের বিষয়ে তিনি জানান, গত দুই বছর অনেকটা নিভৃতে ছিলেন তিনি। একেবারেই একাকী জীবন কাটিয়েছেন। নানা মাধ্যমে তাকে নিয়ে ট্রল আর অসম্মান করায় বেঁচে থাকার আগ্রহটাও তিনি হারিয়ে ফেলেছিলেন। তবে সম্প্রতি কয়েকজন শুভাকাক্ষীর অনুপ্রেরণায় আবার কাজ শুরু করেছেন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • জোয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তারই সাবেক প্রেমিকা টেলর সুইফটের আশ্রয়ে সোফি

    জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে পপ তারকা জো জোনাস ও অভিনেত্রী সোফি টার্নারের সম্পর্কের সমীকরণ। এক সময় চুটিয়ে প্রেম করেছেন যে যুগল, এখনো একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় খাড়া করতেও পিছপা হচ্ছেন না তারা।

    rnrn

    জো ও সোফির তিন বছরের প্রেম ও চার বছরের দাম্পত্যের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে কয়েক দিন আগেই। বিচ্ছেদ নিয়ে কানাঘুষা শুরু হওয়ার সপ্তাহখানেকের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন জো ও সোফি। তাদের এ সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছে তাদের দুই মেয়ে। বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলাকালীন সন্তানদের নিয়ে রীতিমতো টানাটানি শুরু হয়েছে প্রাক্তন দম্পতির মধ্যে।

    rnrn

    তাদের দুই মেয়ে কোথায় ও কার কাছে থাকবে, অনেক টানাপোড়েনের পর অবশেষে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আদালত। দুই সন্তানের সঙ্গে থাকার জন্য আপাতত ইংল্যান্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসেছেন সোফি। তবে বিচ্ছেদের পর আর জো এর বাড়িতে ফেরেননি অভিনেত্রী। তাহলে কোথায় ঠাঁই হয়েছে সোফির?

    rnrn

    দ্য ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দুই সন্তানকে নিয়ে থাকার জন্য সোফিকে নিজের পুরো অ্যাপার্টমেন্টটাই ছেড়ে দিয়েছেন পপ তারকা টেলর সুইফট। আপাতত সেখানেই থাকছেন সোফি। বিচ্ছেদের পরে দুই সন্তানকে যুক্তরাষ্ট্রে আটকে রাখার অভিযোগে জো এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করেছিলেন সোফি। সেই মামলায় আপাতত আমেরিকার নিউইয়র্ক ও তার আশপাশেই জো ও সোফির দুই সন্তানকে রাখার পরামর্শ দিয়েছিল আদালত।

    rnrn

    আদালত নির্দেশনা অনুযায়ী নিউইয়র্ক সিটি, লং আইল্যান্ড, হাডসন ভ্যালির মতো কোনো একটি জায়গায় থাকতে পারে তারা। আদালতের এ সিদ্ধান্তে সম্মতি জানান জো ও সোফিও। সন্তানদের কাছাকাছি থাকার কথা মাথায় রেখেই নিউইয়র্ক সিটিতে থাকার ভাবনা সোফির।

    rnrn

    এদিকে জো এর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর জো এর সাবেক প্রেমিকা টেলরের সঙ্গে একাধিকবার দেখা গিয়েছিল সোফিকে। সম্প্রতি নিউইয়র্কের এক রেস্তোরাঁয় পপ তারকার সঙ্গে ডিনারেও দেখা গেছে সোফিকে। জোয়ের দুই প্রাক্তনের মধ্যে সম্পর্ক যে বন্ধুত্বপূর্ণ, তা নিয়ে এখন আর সন্দেহের কোনো জায়গাই নেই।

    rnrn

    প্রসঙ্গত, বছর ১৫ আগে ২০০৮ সালে কয়েক মাসের জন্য একে অপরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন জো ও টেলর। সামান্য একটা মেসেজ পাঠিয়ে টেলরের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙেছিলেন জো। এক সাক্ষাৎকারে সে কথাও জানিয়েছিলেন টেলর। আমেরিকায় পা রেখেই প্রথমে টেলরের সঙ্গেই ডিনার ডেটে যান সোফি। এবার তার বাড়িতে থাকা শুরু করলেন অভিনেত্রী।

    অনলাইন ডেস্ক