Tag: বিচ্ছেদ

  • ডিভোর্স ইস্যুতে পরীমনিকে যে পরামর্শ দিলেন জায়েদ

    অভিনেতা শরিফুল রাজ ও চিত্রনায়িকা পরীমনির সংসার ভেঙে গেছে। সোমবার রাজের ঠিকানায় ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন অভিনেত্রী। 

    বুধবার গণমাধ্যমে উঠে আসে তাদের বিচ্ছেদের খবর। এর পর শুরু হয় নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো ঝড় বয়ে যাচ্ছে। তবে দুঃসময়ে অনেকেই দিচ্ছেন পরীমনিকে নানা পরামর্শ। 

    রাজ-পরীমনির বিচ্ছেদ ইস্যুতে কথা বলেছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খানও। 

    আরও পড়ুন 

    একসময়ে সিনেমায় পরীমনির নায়ক ছিলেন জায়েদ। সেই নায়িকার ব্যক্তিগত জীবনে এখন ঝড় বয়ে যাচ্ছে। পরীমনির ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ নিয়ে জায়েদ বলেন, আমি মনে করি দাম্পত্য জীবন একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। এ বিষয়গুলো পাবলিকলি এলে শিল্পীদের সম্মান নষ্ট হয়।    

    পরীমনি একের পর পোস্ট দিয়ে রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছেন। এ বিষয়ে পরীমনিকে পরামর্শ দিয়ে জায়েদ বলেন, শিল্পীদের মানুষ এখন আর আগের মতো সম্মান করে না।

    এর কারণ হচ্ছে— ব্যক্তিগত বিষয় সামনে চলে আসছে। আমার পরামর্শ থাকবে— সিনেমার বাইরে ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিজেরাই সমাধান করা উচিত। এগুলো পাবলিকটি এলে পুরো শিল্পীদের ওপর প্রভাব পড়ে। 

    জায়েদ খান যুগান্তরকে আরও বলেন, রাজ-পরীমনির বিচ্ছেদ ঘটেছে, এটি তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। আমি মনে করি ডিভোর্সটা বিয়েরই একটি অংশ। এটি নিয়ে আমার কথা বলা ঠিক হবে না। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরীমনির ডিভোর্স লেটার ও বিয়ের কাগজ কাজি অফিস থেকে নিয়ে গেছেন এক যুবক

    ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনির সংসার ভেঙেই গেল। রাজের সঙ্গে তার একসঙ্গে পথচলা দেড় বছরের বেশি স্থায়ী হয়নি। রাজ বহুদিন ধরেই পরীর সঙ্গে এক ছাদের নিচে থাকছেন না। সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয়ে গেল তাদের।

    ঢালিউডের আলোচিত এই জুটির দেড় বছরের দাম্পত্য জীবনে নানা ঘটনা আলোচনায় এসেছে। কখনো বিদ্যা সিনহা মিম, কখনো সুনেরাহ বিনতে কামালসহ কয়েকজনের সঙ্গে রাজের বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানিয়েছিলেন পরীমনি। 

    এসব বিতর্কের ইতি ঘটে গেল আপাতত। যদিও রাজ জানিয়েছেন তিনি এখনও ডিভোর্ট লেটার পাননি। তবে পরীমনি নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি রাজকে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছেন। কাজি অফিস থেকে এক যুবক রাজের ভাই পরিচয়ে সেই চিঠি নিয়ে গেছে।
     
    ১৮ সেপ্টেম্বর রাজের দেশের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঠিকানায় পরীমনি বিচ্ছেদের নোটিশ পাঠিয়েছেন। ডিভোর্স লেটারে পরীর পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে- পরীমনি চার কারণে রাজকে ডিভোর্স দিতে চান। কারণগুলো হলো- মনের অমিল হওয়া, বনিবনা না হওয়া, খোঁজখবর না নেওয়া ও মানসিক অশান্তি।

    ডিভোর্সের ব্যাপারটি নিশ্চিত করে বুধবার সন্ধ্যার পর কাজি আবু সাইদ বলেন, ১৬ সেপ্টেম্বর আমাদের সঙ্গে পরীর পক্ষের লোকজন যোগাযোগ করেন। লেটারে উল্লিখিত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর পরীমনির আইনজীবীর গুলশান অফিসে ডিভোর্স হয়েছে। সেখানে আমার সহকারী আলী আশরাফ উপস্থিত ছিলেন। পর দিন ১৮ সেপ্টেম্বর উত্তর বাড্ডার আলীর মোড়ে সাতারকুল রোডের আমার অফিস থেকে ডিভোর্স লেটার রেজিস্ট্রি করা হয়। ওই দিনই দুপুর ১২টার দিকে রাজের গ্রামের বাড়ির ঠিকানায় ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দিয়েছি।

    কাজি আরও বলেন, নিয়ম অনুযায়ী পরপর তিন মাস এই চিঠি পাঠানো হবে। যদি রাজ এই চিঠি গ্রহণ না করেন, তাহলে ৯০ দিন পর তাদের ডিভোর্স হয়ে যাবে। আর যদি তিন মাসের মধ্যে তাদের আবার বনিবনা হয়, নিজেদের মধ্যে একটা সমাধান হয়, তাহলে আবারো তারা সংসার করতে পারবেন।

    তিনি বলেন, শুনেছি রাজ খবরটি জানতেন না। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রাজের ভাইয়ের পরিচয়ে একজন আমার অফিসে এসেছিলেন। তিনি কাবিননামার কপি ও ডিভোর্স সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে গেছেন।  

    দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি কিছুক্ষণ আগে ঘুম থেকে উঠেছি। কিছু জানি না। আর কোনো ডিভোর্স লেটারও পাইনি। কোন ঠিকানায় পাঠিয়েছে, তাও তো জানি না। 

    ডিভোর্সের ব্যাপারে পরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার ফোন, ফেসবুক সবই বন্ধ পাওয়া গেছে।

    ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি প্রকাশ্যে আসে রাজ-পরীর সম্পর্কের খবর। গত বছরের ২১ জানুয়ারি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান ও ২২ জানুয়ারি দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ১০১ টাকার দেনমোহরে ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিয়ে হয়। রাজের সঙ্গে সংসার জীবনের ১০ মাসের মাথায় তার কোলজুড়ে আসে সন্তান। একদিন পর ছেলের ছবিসহ নাম প্রকাশ করেন নায়িকা। তিনি জানান, রাজের সঙ্গে মিল রেখে ছেলের নাম রেখেছেন ‘শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরীমনির বিচ্ছেদের চিঠি যাচ্ছে রাজের গ্রামের বাড়িতে

    দাম্পত্য কলহের কারণে ভেঙে গেছে ঢাকাই সিনেমার তারকা দম্পতি শরিফুল রাজ ও পরীমনির সংসার। গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজের ঠিকানায় ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন অভিনেত্রী। 

    এর দুদিন পর ২০ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠে আসে তাদের বিচ্ছেদের খবর। এ ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা না বললেও ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে রাজকে ছেড়ে দেওয়ার কারণ জানান পরী।

    এদিকে রাজের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঠিকানায় ডিভোর্স লেটার পাঠানো হয়েছে। তাতে ডিভোর্স দেওয়ার চারটি কারণ উল্লেখ করেছেন পরীমনি। কারণগুলো হচ্ছে―মনের অমিল হওয়া, বনিবনা না হওয়া, খোঁজ না নেওয়া এবং মানসিক অশান্তি।

    আরও পড়ুন:

    রাজকে পরীমনির ডিভোর্স দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলেছেন কাজী আবু সাইদ। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, গত ১৬ সেপ্টেম্বর আমাদের সঙ্গে পরীমনির পক্ষের মানুষ যোগাযোগ করেন। লেটারে উল্লিখিত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর তার আইনজীবীর গুলশান অফিসে ডিভোর্স হয়। সেখানে আমার সহকারী আলী আশরাফও ছিলেন। আর পর দিন উত্তর বাড্ডার আলীর মোড়ের সাঁতারকুল রোডে আমার অফিস থেকে রেজিস্ট্রি করা হয় ডিভোর্স লেটার। তার পর ওই দিনই দুপুর ১২টার দিকে রাজের গ্রামের বাড়ির ঠিকানায় ডিভোর্স লেটার পাঠানো হয়।

    কাজী আরও বলেন, নিয়মানুযায়ী তিন মাস পর পর চিঠি পাঠানো হবে। রাজ যদি চিঠি গ্রহণ না করেন, তা হলে ৯০ দিন পর ডিভোর্স হয়ে যাবে তাদের। আর যদি তিন মাসের মধ্যে তারা সব মিটিয়ে ফেলেন, তা হলে ফের সংসার করতে পারবেন।

    কাজী আবু সাইদ বলেন, ডিভোর্সের খবর জানতেন না রাজ। সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর নজরে আসে তার। বুধবার বেলা ১১টার দিকে রাজের ভাই পরিচয়ে একজন আমার অফিসে এসেছিলেন। তিনি কাবিননামার কপি ও ডিভোর্স সংক্রান্ত ডকুমেন্টস নিয়ে গেছেন।

    স্পোর্টস ডেস্ক

  • কতদিন টিকল রাজ-পরীর সংসার!

    বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে পরীমনির একাধিক বিয়ের খবর প্রকাশ হয়েছে। তবে পরী নিজ থেকে তিনটি বিয়েকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। বেশ ঢাকঢোল পিটিয়েই ভক্তদের সঙ্গে সেই বিয়ের খবরগুলো শেয়ার করেছেন।

    সর্বশেষ ঢাকাই সিনেমার অভিনেতা শরিফুল রাজকে ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেন পরীমনি। মাত্র সাত দিনের পরিচয়ে বিয়ে করেছিলেন তারা। সেই খবর প্রকাশ্যে আনেন ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি। এই সংসারও দুই বছরের মাথায় ভেঙে গেল অভিনেত্রীর। স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে শরিফুল রাজকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন পরীমনি।  

    হিসাব করলে দেখা যায়, রাজের সঙ্গে পরীমনির সংসার ছিল ১ বছর ১১ মাস ৩ দিন।

    এর আগে পরীমনি প্রথম সম্পর্কের কথা জানান ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি। এক সাংবাদিকের প্রেমে জড়ান তিনি। দীর্ঘ সময় প্রেমের পর বাগদানও হয় এই জুটির। স্বামীকে নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও ঘুরে বেড়ান। কিন্তু সেই সংসার স্থায়িত্ব পায়নি। বিয়ের এক বছর পার না হতেই বিচ্ছেদ ঘটে এই দম্পতির।

    এর পর ২০২০ সালের ৯ মার্চ আবারও বিয়ে করেন পরী। সেদিন রাতে অভিনেত্রী ও পরিচালক হৃদি হকের অফিসে কাজি ডেকে তার সহকারী কামরুজ্জামান রনিকে মাত্র তিন টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু সে বিয়েও বেশি দিন টেকেনি।

    বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে সেই বিয়ের খবর জানালেও নীরবেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন এই জুটি। কেন রনির সঙ্গে সংসার করা হলো না পরীর, সে বিষয়েও কখনো গণমাধ্যমে মুখ খুলেননি তিনি।

    এদিকে রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের আগে পরী জানিয়েছিলেন, রাজের থেকে মুক্তি চান তিনি। যত দ্রুত সম্ভব রাজ যেন তাকে ডিভোর্স দিয়ে দেন।

    অন্যদিকে শরিফুল রাজ জানিয়েছিলেন নতুন করে জীবন সাজাতে চান তিনি। এমনকি ১০ আগস্ট ছেলে রাজ্যর জন্মদিনের আয়োজনেও দেখা যায়নি রাজকে।

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরীমনি হাসপাতালে, বাসায় ফিরলেন রাজ 

    চিত্রনায়িকা পরীমনিকে বাসায় রেখে গত ২০ মে নিজের সব জিনিসপত্র নিয়ে বেরিয়ে যান শরিফুল রাজ। এর পর ২৯ মে রাতে রাজের ফেসবুক আইডি থেকে রাজ ও তিন অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত কিছু ছবি ও ভিডিও ফাঁস হয়। তার পর থেকে দুজনের সম্পর্কে অবনতি ঘটতে থাকে।

    rnrn

    তবে আবারও এক হয়েছেন পরীমনি ও শরিফুল রাজ—এমনটি শোনা গেলেও বাস্তবে আলাদা থাকছেন এ তারকা দম্পতি।

    rnrn

    গতকাল শুক্রবার থেকে জ্বরের কারণে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন পরীমনি। সেই সময়ে স্ত্রীর পাশে দেখা যায়নি শরিফুল রাজকে।

    rnrn

    একই দিনে শুক্রবার ভোরে শরিফুল রাজ দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মাথায় আঘাত পান। রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয় তাকে। সেখানে মাথায় চারটি সেলাই নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজের বাসায় ফিরে যান রাজ।

    rnrn

    একাধিক সূত্র যুগান্তরকে জানায়, তাদের দুজনের মধ্যকার সম্পর্ক ঠিক হয়নি, আগের মতোই আছে। রাজ্যের জন্মদিন উপলক্ষ্যে তারা একদিন একসঙ্গে কাটিয়েছিলেন। কিন্তু দুজনেই আলাদা থাকছেন।

    rnrn

    এদিকে ছেলের জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানের ঠিক দুদিন আগে কলকাতা থেকে দেশে ফেরেন রাজ। জানা যায়, অনুষ্ঠানের আগের রাতে পরীর বাসায় গিয়ে ছেলের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

    rnrn

    কলকাতা থেকে আনা উপহার ছেলের হাতে তুলে দেন। ছেলের সঙ্গে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে চলে আসেন। অনেকে ধারণা করেছিলেন, ছেলের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে রাজ যাবেন কিন্তু তাকে দেখা যায়নি।

    rnrn

    পরে গত বুধবার রাতে ছেলে রাজ্যকে নিয়ে একসঙ্গে কেক কাটতে দেখা যায় রাজ-পরীকে। গান-বাংলার স্টুডিওতে কৌশিক হোসেন তাপস ও ফারজানা মুন্নীর সঙ্গে দেখা গেছে তাদের।

    rnrn

    প্রসঙ্গত, 'গুণিন' সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান পরীমনি ও শরীফুল রাজ। গত বছরের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেন তারা। এর পর গত ১০ জানুয়ারি সেই খবর প্রকাশ্যে আনেন। 
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমাদের মধ্যে দূরত্ব ছিল, বিরোধ তো ছিল না: অপু বিশ্বাস

    তারকা জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসার জোড়া লাগছে এমন গুঞ্জন জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি দুই তারকার যুক্তরাষ্ট্রে একসঙ্গে সময় কাটানোর মুহূর্তগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে শাকিব-অপুর ভক্তরা ধরে নিয়েছেন, দুজন আবারও এক ছাদের নিচে বসবাস করবেন।

    এ বিষয়ে অপু বিশ্বাস-শাকিব খান কী ভাবছেন?

    এ বিষয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, আমাদের মধ্যে দূরত্ব ছিল কিন্তু কোনো বিরোধ তো ছিল না। আমার মা-বাবা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। আমি নতুন করে মা-বাবা পেয়েছি। শুধু স্বামী নয়– সন্তান, শ্বশুর-শাশুড়ি, ননদসহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে সুন্দর জীবন পার করতে চাই। তাই একটু সময় দিন, সুন্দর সময়ে সুন্দর কথাগুলো বলব।

    তবে অপুর সঙ্গে পুনর্মিলন নিয়ে শাকিব খানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    তবে ফেসবুকের ছবিগুলো বলছে, আমেরিকায় ছেলে আব্রাম খান জয়ের সঙ্গে শাকিবের সময়টা বেশ কেটেছে। তেমন ইঙ্গিতই দিলেন অপু। ‘বাবা-ছেলে সময় করে একসঙ্গে ঘুরেছে। জয়ের সঙ্গে ওর বাবার (শাকিব) সম্পর্কটা তো বন্ধুর মতো। দুই বন্ধু যখন পাশাপাশি থাকে, তার চেয়ে সুন্দর সৃষ্টি আর কিছু হয় না। আমি ওদের এই বিষয়টি উপভোগ করেছি।’

    জয়ের সঙ্গে শাকিবের পার্কে সময় কাটানোর ছবি প্রসঙ্গে অপু গণমাধ্যমকে বলেন, জয় একটা রেস্টুরেন্টে খাবার খাচ্ছিল। হঠাৎ তার মনে হয়েছে সে টায়ার্ড হয়ে গেছে, ঘুমাবে। এ কারণে বেঞ্চে শুয়ে পড়ে। তখন সে তার বাবাকে ডেকে বলে– বাবা তোমাকে এখানেই (বেঞ্চের সামনে মাটিতে) বসতে হবে। বাবাও সেখানে বসে পড়ে। সেটা দেখে আমার মনে হয়েছিল, বাহ্‌ দারুণ তো মুহূর্তটা। এ জন্যই ছবিটা আমিই তুলি।
    আরও পড়ুন

    এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাকিব খানের সঙ্গে বর্তমানে সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছিলেন অপু। সেই সাক্ষাৎকারে সংবাদমাধ্যমটির পক্ষ থেকে অপুর কাছে প্রশ্ন ছিল— ‘আপনার ও শাকিব খানের সম্পর্ক এখন ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে, আপনারা কি বিবাহিত?

    সেই প্রশ্নের জবাবে রহস্য রেখে অপু বলেন, ‘সেটি এখনই বলছি না, উহ্য থাক। সময় এলে গণমাধ্যমকে জানাব। তবে আগের মতো ক্ষোভ রাখতে চাই না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বিচ্ছেদ’ নিয়ে প্রকাশিত খবরে পাত্তা দেন না মিথিলা

    সম্প্রতি চাউর হয় সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মিথিলার বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে এতদিন মিথিলার প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

    rnrn

    গত মঙ্গলবার দেশের একটি জনপ্রিয় দৈনিককে মিথিলা বলেন, একটা মিথ্যা জিনিস মানুষ কিভাবে ছড়িয়ে দেয়, অবাক লাগে। অথচ কত ভালো ভালো কাজ করে যাচ্ছি, সেগুলো নিয়ে ওভাবে লেখাও হয় না, ছড়ানোও হয় না। অনলাইনের যুগে এসে যে যেভাবে পারছে, মনগড়া লিখে দিচ্ছে। তবে এসব নিয়ে আমি একদমই মাথা ঘামাই না। দিনশেষে মিথ্যা মিথ্যাই থেকে যায়।

    rnrn

    মিথিলা আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গের একটি অনলাইন পোর্টালে মজা করে লেখা একটি গসিপ স্টোরি হয়েছিল। সেখানে কারো নামও উল্লেখ ছিল না, কিন্তু পরবর্তী সময়ে বিষয়টিকে অন্যান্য ওয়েব পোর্টাল রং দিয়ে আমাদের নাম জুড়ে দিয়েছে। এরপর যার যার মতো করে ছড়িয়েছে। কলকাতায় এ ধরনের গসিপের চর্চা নিয়মিতই হয়। সেখানে তারকারা এসব গসিপ নিয়ে মাথা ঘামায় না। কারণ কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা, তা সবাই জানে, বোঝে।

    rnrn

    সংসার জীবনে এ ধরনের গুজব নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, বিরক্ত লাগার কী আছে, এসব মিথ্যা খবর আমি পাত্তাই দিই না, মাথা ঘামাই না। আমার সংসার-পরিবার, চাকরি, অভিনয়-এসব নিয়েই আমার দিনরাত্রি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদের পর অনন্য উচ্চতায় শাকিরা

    ফুটবল তারকা জেরার্ড পিকের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কলোম্বিয়ান সঙ্গীতশিল্পী শাকিরা নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছেন। ২০২২ সালের ৪ জুন তাদের বিচ্ছেদ হয়। এর সাত মাস পর গেল অক্টোবরে মুক্তি পায় শাকিরার গান। 

    যে গানে তুলে ধরেছেন এমন এক নারীকে, যিনি ১২ বছরের সম্পর্কে ইতি টেনেও ভেঙে পড়েননি। ঘুরে দাঁড়িয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। 

    পিকের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে করা যে গানে শাকিরা গেয়েছেন, অনুভূতির বাইরে একটি বাস্তব জগৎ আছে। যেখানে আমরা (নারীরা) বাসায় পড়ে পড়ে কাঁদতে চাই না।

    কেবল স্পটিফাইতেই যে গান শোনা হয়েছে ৬৪ কোটিবারের বেশি। এ গান প্রকাশের পরবর্তী তিনদিন বিশ্বব্যাপী স্পটিফাইয়ের সেরা গান ছিল এটি। পরের সপ্তাহে ছিল দ্বিতীয় সেরা। ফেব্রুয়ারিতে সেরা ছয়ে আর মার্চে ছিল সেরা ১৫-এর মধ্যে। 

    গানটি অনেকগুলো রেকর্ড ভেঙেছে। ল্যাটিন সঙ্গীতের মধ্যে মুক্তি পাওয়ার ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশিবার দর্শন ও যে কোনো সংগীতের ক্ষেত্রে দ্রুততর সময়ে ১০ কোটিবার দেখার রেকর্ড গড়েছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডও এসবের স্বীকৃতি দিয়েছে। অথচ পিকের সঙ্গে সম্পর্কের জন্যই সংগীত থেকে অনেকটা বিরতই ছিলেন শাকিরা।

    সংগীত সমালোচক, সাংবাদিক মিগুয়েল আনহেল বুরগুয়েনো বলেছেন, শাকিরা নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছেন। এক বছর আগেও শাকিরার ক্যারিয়ার পড়তির দিকে ছিল। 

    মাদ্রিদের ইউনিভার্সিদেদ কম্প্লুটেন্সের সাংবাদিকতার অধ্যাপক এবং লিঙ্গ ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আসুনসিও বার্নার্দেজ বলেন, শাকিরার আচরণ নারীবাদকে শক্তিশালী করার বিষয়ে আদর্শ রূপে কাজ করেছে। তরুণীদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে অনুভূতির বাইরে একটি বাস্তব জগৎ আছে। যেখানে আমরা (নারীরা) বাসায় পড়ে পড়ে কাঁদতে চাই না।

    গানের একটি লাইন- ওমেন ডোন্ট ক্রাই, ওমেন ক্যাশ ইন (নারীরা কাঁদে না, নারীরা সুবিধা নেয়)। এটি এখন পুরো প্রজন্মের শ্রোতোদের মূলমন্ত্র হয়ে উঠেছে। মার্চে নারী দিবসের প্ল্যাকার্ডেও পংক্তিগুলো দেখা গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরীমনির সঙ্গে বিচ্ছেদের বিষয়ে যা বললেন রাজ

    ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে অস্বাভাবিক দাম্পত্যজীবনের জন্য তৃতীয় পক্ষকে দায়ী করেছেন শরিফুল রাজ। অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়ের সঙ্গে দীর্ঘসময়ের ফোনালাপে এমন অভিযোগই করেছেন রাজ।

    রাজ জানান, পরীর অপরিণত সব কাজের পেছনে ওর কোনো হাত নেই। ওকে ওর আশপাশের মানুষ ইন্ধন জোগানোর পরই এমন করেন পরী।

    শনিবার সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে জয়ের পোস্ট করা ভিডিও থেকে আরও জানা যায়, মাত্র দুই বছরের দাম্পত্যজীবনে যতবার দাম্পত্যকলহ তৈরি হয়েছে, সবসময়ই তৃতীয় পক্ষের হাত ছিল, এখনো আছে।

    ফোনালাপের একপর্যায়ে জয় বলেন, ব্যক্তিগতজীবন সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হলে তা আর ব্যক্তিগত থাকে না, হয়ে যায় পাবলিক প্রোপার্টি। কেন ঘরের সব ইস্যু বারবার বাইরে চলে আসে?

    জয়ের এমন প্রশ্নে রাজ বলেন, ‘আমার সংসারে কী হচ্ছে, আমি নিজেই জানি না। মিডিয়ার খবরে প্রকাশিত সংবাদ আর সামাজিকমাধ্যম থেকে আমি আমার সংসারের খবর জানি।’

    এ জন্য পরীকে অবশ্য দায়ী করেননি রাজ। দায়ী করেছেন পরীর আশপাশের মানুষকে। রাজ বলেন, ‘আমি সারাজীবন পরীর সঙ্গে সংসার করতে চাই। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের জন্য তা সম্ভব হয়ে উঠছে না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত জানালেন পরীমনি

    আবারও বিচ্ছেদের সুর আলোচিত তারকা দম্পতি শরিফুল রাজ ও পরীমনির সংসারে। মাঝখানে কিছুটা মিটমাটের আভাস পাওয়া গেলেও পুরোনো আগুনে যেন আবারও ঘি ঢেলে দিলো গত সোমবার দিবাগত রাতে ফাঁস হওয়া কিছু ভিডিও ও স্থিরচিত্র। এরপর থেকেই রাজ-পরীর সংসারে ভাঙনের সুর স্পষ্ট।

    এদিকে বাসা থেকে জিনিসপত্র নিয়ে বের হয়ে যাওয়া, ফোন না ধরার যে কথা পরীমনি বলছেন, সেটি ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন রাজ। আর এসব না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে শনিবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘আমি বাসা থেকে কেন বেরিয়ে এসেছি, পরী ভালো করে জানে। কীভাবে বেরিয়ে এসেছি, কেন বেরিয়ে এসেছি, তাও সে ভালো করে জানে। ওই দিন বাসায় তার ও আমার পরিচালক গুরু গিয়াস উদ্দিন সেলিম ছিলেন। সঙ্গে তার স্ত্রীও ছিলেন।’

    পরীমনির বক্তব্যকে ‘মিথ্যাচার’ অভিহিত করে রাজ বলেন, ‘আমি ঢাকাতেই আছি, কাজ করছি। এরই মধ্যে “দেয়ালের দেশ”, “ইনফিনিটি”, “কাজলরেখা” ছবিগুলোর ডাবিং শেষ করছি। সুতরাং আমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, এটা ডাহা মিথ্যা কথা। এসব মিথ্যাচার করে কী লাভ হচ্ছে, তা আমার জানা নাই। আমি সব সময়ই পরীকে সম্মান দিয়ে কথা বলি। কিন্তু সে কেন এমন করে, বুঝি না।’

    রাজের বক্তব্য ধরে একই দিন কথা হয় পরীমনির সঙ্গে। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রাজ বাইরে ছিল, সেলিম ভাই ও তার বউ তাকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় এসেছিলেন। সম্ভবত এটি গত ২০ মের ঘটনা। আসার আগে সেলিম ভাই আমাকে ফোন দিয়ে বলেন, আমি রাজকে সঙ্গে করে নিয়ে তোমার বাসায় আসছি। এসে বলেন, রাজ তো তোমার সঙ্গে থাকতে চায় না। বিচ্ছেদের ব্যাপারে চিন্তা করতে পার। আমি বললাম, ‘ও আমার সঙ্গে থাকতে চায় না, তা হলে ওই আমাকে ডিভোর্স দিক। আমি কেন দিতে যাব।’ পরে সেলিম ভাই বললেন, যদি তোমাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তা হলে বাচ্চাকে দেখভাল করতে কীভাবে কী করবে, চিন্তাভাবনা করে দেখ। এর পর আমি বললাম, বাচ্চা আমার কাছেই থাকবে। তবে বিচ্ছেদ হওয়ার পর অবশ্যই সে বাচ্চা দেখতে আসতে পারবে। তবে শর্ত, সে অস্বাভাবিক সময়ে বাসায় এলে বাচ্চাকে দেখতে দেব না। যদি রাত ৪টায় আসে, ভোরবেলায় আসে, তা হলে তো বাচ্চা দেখতে দেওয়ার সুযোগই নেই। স্বাভাবিক, সঠিক সময়ে এসে সে বাচ্চা দেখতেই পারে। কোনো সমস্যা নাই।’

    পরী আরও বলেন, ‘এসব বিষয় নিয়ে ওই রাতে সেলিম ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক কথা কাটাকাটি হয়। রাজের সঙ্গেও হয়েছে। কারণ ওই দিন বিভিন্নজনের সঙ্গে মিলিয়ে রাজ আমার চরিত্র নিয়েও অনেক কথা তুলেছিল। একটা পর্যায়ে সেলিম ভাই, তার বউসহ রাজ তার সব জিনিসপত্র নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেছে। এর পর আর আসেনি।’

    পরীমনির এমন বক্তব্যের বিষয়ে রাজ বলেন, ‘আমি খুব হতাশ। ঢাকায় আসার পর থেকে এই দীর্ঘ সময়ে আমি কখনই এত আপসেট হইনি। আমি এভাবে কখনই মানসিকভাবে ভেঙে পড়িনি। আমার কাছে আর এসব কথা জানতে চাইবেন না। আমি এসব নিয়ে আর কথা বলতে চাই না, কথা বাড়াতে চাই না। আমি একটু নিরিবিলি, শান্তিতে থাকতে চাই।’

    রাজ-পরীর ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে ‘দামাল’ ছবি মুক্তির সময় মিমের সঙ্গে রাজের সম্পর্ক জড়িয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন পরীমনি। মূলত তখন থেকেই রাজ-পরীর সম্পর্কটা স্বাভাবিক যাচ্ছিল না।  

    বিষয়টি স্বীকার করে পরীমনি বলেন, দামাল ছবির মুক্তির সময় থেকেই আমাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক যাচ্ছিল না। রাজ আগের মতো নিয়মিত বাসায় থাকত না। সন্তানের প্রতিও তার সে ধরনের দায়িত্ব চোখে পড়েনি।

    কিন্তু এরপরও সিনেমার বা বিভিন্ন ইভেন্টের অনুষ্ঠানে ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে দেখা গেছে দুজনকে। এ ব্যাপারে পরীমনির বক্তব্য, ‘এগুলো ছিল রাজের লোকদেখানো। আমার কোনো অনুষ্ঠান থাকলে সঙ্গে সে যেত। বিশ্বাস করেন, কিছুদিন আগে আমি হাসপাতালে ছিলাম, আমাকে দেখতেও যায়নি সে। আমার সঙ্গে তার এখন শারীরিক, মানসিক কোনো অ্যাটাচমেন্টই নাই। আমি যখন হাসপাতালে, তখনই বাসায় রাজ তার জিনিসপত্র গুছিয়ে রেখেছিল। আগেই প্রস্তুত ছিল বাসা থেকে বেরিয়ে যাবে। সম্পর্ক রাখবে না। এভাবে তো আর সংসার, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।’

    তাহলে কি বিচ্ছেদের দিকে যাচ্ছে আপনাদের সংসার?—এমন প্রশ্নে ঢাকাই সিনেমার এই অভিনেত্রী বলেন, ‘ও তো আমাকে ছেড়েই চলে গেছে, বিচ্ছেদ তো হয়েই গেছে। আমি আর কল্পনাতেও ভাবতে চাই না শরীফুল রাজ আমার জামাই। একটা মানুষ চলে গেলে তো আর ধরে রাখা যায় না।’ হাসতে হাসতে পরী আরও বলেন, ‘রাজ এখন বলে কী, আমাদের বিয়ের কাবিননামা নাকি ভুল। আমাদের নাকি ঠিকঠিক বিয়েই হয়নি। যে এভাবে বলতে পারে, সে ভয়ংকর মানুষ। তার সঙ্গে থাকা যাবে না। আমি চাই সে আমাকে তালাক দিয়ে দিক। আমি ওর প্রাক্তন, এটাই শুনতে আমার আরাম লাগবে। আমি রাজের বউ, এটি আর শুনতে চাই না।’

    দুঃখ করে পরী বলেন, ‘রাজ আমার বাচ্চার বাপ, সেটা অস্বীকার করা যাবে না। আমরা একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু আমাদের সন্তানের জন্য আফসোস হয়ে থাকবে, বাবা-মাকে নিয়ে সুখী জীবন পাচ্ছে না আমাদের সন্তান। আর এর জন্য দায়ী রাজ। আমাকে দোষ দেওয়ার কোনো সুযোগ নাই। এই সংসার টেকানোর জন্য আমি কী পরিমাণ চেষ্টা করে গেছি, রাজও জানে সেটি।’

    কিন্তু সন্তানের দিকে তাকিয়ে কিংবা নিজের উপলব্ধি থেকে যদি রাজ আবার ফিরে আসেন, তাহলে? এ বিষয়ে পরী বলেন, ‘বিয়ে-সংসার কি মুদিদোকানের মতো কারবার? ফিরে আসার আর সুযোগ নাই। যে মানুষ স্ত্রী, বাচ্চার মায়ের চরিত্র নিয়ে কথা তুলতে পারে, তার সঙ্গে ঘর করার সুযোগ নাই আর।’

    বিনোদন ডেস্ক