Tag: দেব

  • কোটি পেরিয়ে এগোচ্ছে দেব-শুভশ্রীর ‘ধুমকেতু’

    দীপক অধিকারী দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলি ‘ধূমকেতু’ এগোচ্ছে দুর্বার গতিতে। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) মুভিটি মুক্তির পর প্রথম দিনেই বক্স অফিসে বাজিমাত করেছে।

    ‘ধূমকেতু’ সিনেমাটি গতকাল রাত ২টা থেকেই শুরু হয়ে গেছে উদযাপন। প্রথম দিনে কোটি টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে বক্স অফিস কালেকশন। 

    গতকাল শুভশ্রী ও দেব দুজনেই একটি ছবি শেয়ার করে সবাইকে জানিয়েছেন— প্রথম দিনেই ২.১০ কোটি রুপি আয় করেছে ‘ধূমকেতু’।

    সামাজিক মাধ্যমে শুভশ্রী একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, বক্স অফিস শুধু কথা বলছে না, রীতিমতো গর্জন করছে। এই গর্জন ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। আগামী কয়েক দিনেই সিনেমাটি ১০০ কোটি টাকার গণ্ডি ছাড়িয়েও যেতে পারে। শুভশ্রী ও দেব ছাড়াও এ সিনেমাটি নিয়ে পোস্ট শেয়ার করেছেন দিব্যজ্যোতি ও কৌশিক গাঙ্গুলি। 

    পরিচালক সিনেমার উন্মাদনা নিয়ে লিখেছেন, ‘সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের ভালোবাসা আবেগ অপেক্ষার একটি সংখ্যারূপ মাত্র। আমাকে সত্যিই আনন্দ দিচ্ছে, সারা বাংলাজুড়ে আমাদের সিনেমা নিয়ে এ উন্মাদনা দেখে।’

    ‘ধূমকেতু’ যে বাংলা সিনেমাতে একটি পরিবর্তন নিয়ে এলো তা বলাই বাহুল্য। ধূমকেতুর সঙ্গে একই দিনে একটি হিন্দি ও দক্ষিণী সিনেমা মুক্তি পেলেও ধূমকেতুর কাছাকাছি আসতে পারেনি কেউ।

    এর আগে ২০০৯ সালে ‘চ্যালেঞ্জ’ সিনেমার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল দেব ও শুভশ্রী জুটির রুপালি পর্দায় রসায়ন। এরপর তারা একসঙ্গে উপহার দিয়েছেন ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘রোমিও’, ‘খোকাবাবু’, ‘খোকা ৪২০’-এর মতো অসংখ্য সুপারহিট সিনেমা। পরে তাদের মধ্যে সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজ-শুভশ্রী-রুক্মিণীর কাছে ক্ষমা চাইলেন দেব

    দশ বছরের অপেক্ষার পর মুক্তি পেতে চলেছে ‘ধূমকেতু’। এ সিনেমার মাধ্যমে
    দেব-শুভশ্রী জুটির প্রত্যাবর্তন ঘটবে। সিনেমাটি ঘিরে দর্শক-অনুরাগীদের মধ্যে উন্মাদন
    তুঙ্গে।  ধূমকেতুর ট্রেলার লঞ্চের পর থেকেই
    এ দুই তারকার পুরোনো রসায়ন নিয়ে উচ্ছ্বসিত তাদের ভক্তরা।  তবে এ উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
    তাদের বর্তমান সঙ্গী রাজ চক্রবর্তী ও রুক্মিণী মৈত্রকে নিয়ে কিছু কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য
    এবং মিম ছড়িয়ে পড়েছে।

    এসব নিয়ে নীরবতা ভেঙে এবার মুখ খুললেন দেব। সরাসরি ক্ষমা চাইলেন রাজ
    ও রুক্মিণীর কাছে। সম্প্রতি একটি পার্টিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেব এ অপ্রীতিকর
    ঘটনা নিয়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন।

    দেব বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে কিছু মানুষ ভালো কিছুকেও ইতিবাচকভাবে
    নিতে পারে না। রাজ ও রুক্মিণী দুজনেই বিষয়টি অত্যন্ত ভালোভাবে সামলেছে। আমাদের পরিবারই
    আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘রাজ ও শুভশ্রীর পরিবারের সমর্থন না থাকলে এটা সম্ভব
    হতো না। একজন প্রযোজক হিসেবে আমি রাজ, শুভশ্রী ও রুক্মিণীর কাছে এ ব্যক্তিগত আক্রমণের
    জন্য ক্ষমা চাইছি।’

    তার কথায়, ‘আমরা দর্শকদের চাহিদা অনুযায়ী দেব-শুভশ্রী জুটির নস্টালজিয়া
    ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কিছু মানুষ ব্যক্তিগত আক্রমণ করছে, যা একেবারেই ঠিক
    নয়। এ ছবিতে সবার অবদান রয়েছে, বিশেষ করে রুক্মিণীর। আমি তাকে নিয়ে গর্বিত।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ব্যক্তিগত আক্রমণ ইস্যুতে যা বললেন দেব

    ২০০৯ সালে ‘চ্যালেঞ্জ’ সিনেমার মাধ্যমে যাত্রা শুরু হয়েছিল অভিনেতা দীপক অধিকারী দেব ও অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি জুটির। এরপর তারা একসঙ্গে উপহার দিয়েছেন ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘রোমিও’, ‘খোকাবাবু’, ‘খোকা ৪২০’-এর মতো অসংখ্য সুপারহিট সিনেমা।

    একটা সময় এ তারকা জুটির রসায়ন বিচ্ছেদে রূপ নেয়। দুজন দুদিকে গা ভাসিয়ে দেন। এরপরই আটকা পড়ে তাদের শেষ সিনেমা ‘ধূমকেতু’। দীর্ঘ বিরতির পর আবার সেই সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১৪ আগস্ট। এ সিনেমা পর্দায় আসার আগেই অগ্রিম টিকিট বুকিংয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন সিনেমাপ্রেমী দর্শকরা। 

    এর আগে ৪ আগস্ট ছিল ‘ধূমকেতু’র ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রায় ১০ বছর পর একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে। তাদের গলায় ধরা পড়েছিল অভিমান। সবশেষে তারা একে অপরের সঙ্গে নাচ করেন। তাদের এ অনুষ্ঠান ঘিরে তোলপাড় হয় সামাজিক মাধ্যম।

    কটাক্ষের তীর ধেয়ে আসে দেবের প্রেমিকা অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র ও শুভশ্রীর স্বামী নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর দিকে, যা মোটেও কাম্য ছিল না। এবার সেই ব্যক্তিগত আক্রমণ নিয়ে কথা বললেন দেব।

    গতকাল রোববার রানা সরকারের প্রোডাকশন হাউসের ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে একটি পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে বাংলা বিনোদন জগতের উজ্জ্বল সব তারকা উপস্থিত ছিলেন। হাজির ছিলেন দেবও। সেখানেই অভিনেতা এ প্রসঙ্গে কথা বলেন।

    আম অর্পিতা চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেব বলেন, এ ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এখন ভালোটাকে কেউ ভালোভাবে দেখতে চায় না। প্রতিটা লাইন নিয়ে কাটাছেঁড়া করে। তবে রাজ আর রুক্মিণী খুব ভালোভাবে এই দিকটা সামাল দিচ্ছে। তিনি বলেন, আসলে আমাদের পরিবারই কিন্তু আমাদের বড় সাপোর্ট। আমি শুভশ্রীকে শ্রদ্ধা করি। আমি চাই ও ভালো থাকুক। একটা সিনেমা কিংবা প্রোমোশন এটা বদলে দিতে পারে না। আর আমরা এমন কিছু করিনি, যার মূল্য হবে এটি। 

    অভিনেতা বলেন, সিনেমাপ্রেমী দর্শকরা দেব-শুভশ্রীকে যেভাবে দেখতে চেয়েছিল, সেটাই আমরা রি-ক্রিয়েট করার চেষ্টা করেছিলাম। একটা ওয়ার্ল্ড তৈরি করছিলাম যাতে নস্টালজিয়ার বিষয়টি ফিরে আসে। 

    দেব বলেন, কিন্তু যখন ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হচ্ছে, সেটি সত্যিই খারাপ লাগছে। আমার গায়ে লাগে না। তবে আমার মনে হয় যে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা ঠিক নয়। কারণ প্রত্যেকের কন্টিবিউশন আছে। যদি আমি রুক্মিণীর কথা বলি, ‘ধূমকেতু’র পেছনে ওর অনেক অবদান রয়েছে। ও আমার সঙ্গে রিলও বানিয়েছে। তিনি বলেন, আজ যখন আমার সঙ্গে দেখা হলো ও আমাকে বলল— খুব ভালো ওপেনিং হচ্ছে। আমি তোমার জন্য গর্বিত। 

    তিনি আরও বলেন, অভিনেতা রাজের সঙ্গে আমার সরাসরি কথা হয়নি, কিন্তু শুভকে দেখে বোঝা যায় যে, ও কতটা খুশি। আর পরিবারের সাপোর্ট না পেলে ওই আনন্দটা আসে না।

    দেব বলেন, আমরা সেদিন অভিনয় করিনি। আমার দর্শক, যারা দেব-শুভশ্রীকে বানিয়েছে, তারা যেন পূর্ণ হন সেই চেষ্টা করেছি। আর যদি অপমান হয়ে থাকে, তাহলে আমি শুভশ্রী, রাজ, রুক্মিণীর কাছে দুঃখিত। তবে এটা হয়েছে।

    এ অভিনেতা বলেন, কিন্তু সামাজিক মাধ্যম থেকে এর থেকে বেশি আর কী আশা করা যায়। আসলে মানুষকে নিয়ে যত বিরূপ মন্তব্য করবে, তত তাদের ফলোয়ার বাড়বে। কিন্তু এই ফলোয়ার নিয়ে লাভটা কী? 

    তিনি বলেন, আমি জানি নেগেটিভ জিনিসও অনেক দূর পর্যন্ত যায়। তবে পজিটিভ বিষয়ের একটা ভিত্তি আছে, একটা আনন্দ আছে। কম শেয়ার হলো, কম লাইক হলো কিন্তু তার মধ্যেও একটা আনন্দ আছে যে, আমি কোনো নোংরামি করলাম না। 

    দেব বলেন, আমরা এত ঝগড়া-ঝামেলা মিটিয়ে ওদিন মঞ্চে ছিলাম, এখনো আছি। তবে আমরা জানি ছবিটা কী। আমাদের নিয়ে অনেকের মধ্যে অনেক নেগেটিভিটি ছিল। তাই আমরা ছবিটা মুক্তির আগে সবার সামনে আসতে চেয়েছিলাম। শুভ অনেক জায়গায় বলেছে যে, দেবের জন্য চার বছর…।

    তা ছাড়া ‘সন্তান’, ‘খাদান’ সবটা নিয়ে একটা নেগেটিভ বিষয় তৈরি হয়েছিল। আমি আর শুভশ্রী ভেবেছিলাম যে, সেই নেগেটিভ ইমেজটা মুছে ফেলতে হবে। দেব-শুভশ্রীর মধ্যে যে পজিটিভিটি আছে, আমাদের পরিবারের মধ্যে যে পজিটিভি আছে, সেটাকে মানুষের সামনে নিয়ে আসতে হবে। আর এটা তখনই সম্ভব হবে, যখন আমাদের পরিবার আমাদের পাশে থাকবে। আমি রাজ ও রুক্মিণীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, ওরা যেভাবে পুরো বিষয়টি হ্যান্ডেল করেছে।

    শেষে ট্রলারদের উদ্দেশ্যে অভিনেতা বলেন, যারা যারা ট্রল করছেন চালিয়ে যান, কারণ তাতে আমার ছবিই আরও বড় হচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যখন আর কিছু হারানোর ছিল না, তখনই সাফল্য আসতে শুরু করে: শুভশ্রী

    টালিউডের জনপ্রিয় জুটি ছিলেন দেব-শুভশ্রী। পর্দার বাইরেও প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন এই জুটি। দীর্ঘদিন প্রেম করেছিলেন দুজন। তবে শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাদের। 

    এত বছর পর সেই সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করলেন শুভশ্রী। জানালেন, বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।

    জি বাংলার এক পুরোনো রিয়েলিটি শো ‘হ্যাপি প্যারেন্টস ডে’-তে অতিথি হয়ে এসে শুভশ্রী নিজের জীবনের সেই কঠিন সময়ের কথা শোনালেন। 

    তিনি বলেন, ‘আমি খুব ছোট বয়সে জীবনের খারাপ সময়টা দেখেছি। একটা সময় কাজ থেকেও আমার মন উঠে গিয়েছিল। নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ ছেড়ে দিই। পরাণ যায় জ্বলিয়া রে… ছবির পর কাজ করাই বন্ধ করে দিই।’

    তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর যেই সম্পর্কের জন্য সব কিছু ত্যাগ করেছিলেন, সেটাই টিকল না। আর তখনই বুঝেছিলেন জীবনের অনিশ্চয়তা।

    শুভশ্রী বলেন, ‘সেই সময় আমি আমার চারটি বছর নষ্ট করেছি। মনের কষ্ট বাবা-মায়ের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারিনি। বাইরে থেকে হাসিখুশি থাকলেও, পাঁচ মিনিট অন্তর বাথরুমে গিয়ে কেঁদে ফিরতাম।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে জীবনের সেই কঠিন সময়ও নায়িকাকে ভেঙে দিতে পারেনি। তিনি বলেন, ‘যখন আমার আর কিছু হারানোর ছিল না, তখনই বলেছিলাম—যা পাব সেটাই আমার প্রাপ্তি হবে। তারপর থেকেই ঈশ্বরের আশীর্বাদে জীবনে সাফল্য আসতে শুরু করে।’

    ভালোবাসা নিয়ে তার বিশ্বাস আজও অটুট। শুভশ্রীর ভাষায়, ‘আমি ভালোবাসাকে কখনও অস্বীকার করিনি। খারাপ অভিজ্ঞতা হলেও ভালোবাসা খুব সুন্দর একটা অনুভূতি। পৃথিবীর সব মানুষই ভালোবাসার খোঁজে আসে। পেশা, টাকা—সব কিছু পরে আসে। ভালোবাসা থাকলে সবটাই সহজ হয়ে যায়।’

    বর্তমানে পরিচালক রাজ চক্রবর্তীকে বিয়ে করে সুখে সংসার করছেন শুভশ্রী। ছেলে ইউভানকে নিয়ে এখন তার ঘর ভরা আনন্দ। এর মধ্যেই প্রাক্তন দেবের সঙ্গে ধুমকেতু নিয়ে হাজির হচ্ছেন অভিনেত্রী। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবের সঙ্গে শুভশ্রী, রাজকে যে কারণে খোঁচা দিলেন সাবেক স্ত্রী

    দীর্ঘদিন পর বড় পর্দায় ফিরছেন টালিউডের জনপ্রিয় জুটি দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলী। তাদের নতুন ছবি ‘ধূমকেতু’-র ট্রেলার মুক্তির পর থেকেই উত্তেজনায় টলিপাড়া। এই আইকনিক জুটিকে আবার একসঙ্গে দেখতে মুখিয়ে রয়েছেন দর্শকরা। তবে এই সিনেমা ঘিরে আলোচনায় উঠে এসেছেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী।

    দেব-শুভশ্রীর পুরনো রসায়নের মাঝে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন রাজের সাবেক স্ত্রী শতাব্দী মিত্র। শুভশ্রীর সিনেমার ট্রেলার মুক্তির ঠিক পরের সন্ধ্যায় শতাব্দীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট নতুন করে জল্পনা সৃষ্টি করেছে।

    শতাব্দী লিখেছেন, কিরে, কেমন লাগছে? আমারও ঠিক এরকমই লেগেছিল, ঠিক এইরকমই। বুঝলি তো? হিসট্রি রিপিটস। বুকের বাঁ-দিকটা চিনচিন করছে তো! আমারও করেছিল, ঠিক ১৩ বছর আগে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি আরও লেখেন, আজ তুই যে জায়গায় দাঁড়িয়ে, আমি অনেক আগেই হেঁটেছি সেই পথ ধরে। তোর এই বুকের বাঁ-দিকের চিনচিনে ব্যথা। আমারও খুব চেনা, ঠিক একই পথ ধরে।

    যদিও শতাব্দী কারও নাম উল্লেখ করেননি, তবে তার ইঙ্গিত যে রাজ চক্রবর্তীর দিকেই, তা নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই টলিউডে। একসময় রাজের ক্যারিয়ারের শুরুতে শতাব্দীই ছিলেন তার পাশে। পরবর্তীতে রাজের জীবনে আসে একাধিক সম্পর্কের গুঞ্জন। এরপর বিচ্ছেদ ঘটে শতাব্দীর সঙ্গে।

    পরবর্তীতে শুভশ্রীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন রাজ। এখন তাদের সংসার সুখেই চলছে। একমাত্র সন্তানকে নিয়ে রাজ ও শুভশ্রী সম্প্রতি ছুটি কাটাতে বেরিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবের ‘প্রাক্তন’ আমার স্ত্রী, প্রত্যেকেরই অতীত আছে: রাজ

    দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর ফের এক মঞ্চে দেখা গেল টালিউডের জনপ্রিয় জুটি দেব ও শুভশ্রীকে। সোমবার তাদের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘ধূমকেতু’–র ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা যায় এ জুটিকে। আগামী ১৪ আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে এই ছবি, যা বহু বছর আগেই নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছিল।

    দেব ও শুভশ্রী দুজনেই ছিলেন হাসিখুশি মেজাজে, একে-অন্যের সঙ্গে খুনসুটিতে মাতেন, জবাব দেন ভক্তদের নানা প্রশ্নেরও।

    তবে অনুষ্ঠান ঘিরে নতুন করে আলোচনায় চলে আসেন শুভশ্রীর স্বামী, নির্মাতা ও রাজনীতিবিদ রাজ চক্রবর্তী। অনেকেই জানতে চেয়েছেন—সেই মঞ্চে কেন ছিলেন না রাজ?

    এই প্রসঙ্গে ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার যোগাযোগ করলে রাজ জানিয়ে দেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি, তবে পরে শুনছেন সেখানে কি কি হয়েছে। 

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকা প্রসঙ্গে রাজ বলেন, আমার অনেক কাজ ছিল, অনেক মিটিং ছিল। তাছাড়া, আমি তো এই অনুষ্ঠানে যেতে পারি না! আমি এই ছবির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নই, তৃতীয় পক্ষ। এটা তো আমার বিয়ে হচ্ছে না যে আমাকে থাকতে হবে। এটা একটা অনুষ্ঠান। এই ছবির সঙ্গে যারা যারা যুক্ত তারা উপস্থিত ছিলেন। আমরা দু’জনেই কাজের দুনিয়ায় ভীষণ ব্যস্ত। নিজের কাজ মিটিয়ে তার পরে বাকি দিক সামলানোর চেষ্টা করি।

    দেব ও শুভশ্রীর সম্পর্ক নিয়ে রাজ বলেন, পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হওয়ার থেকেও বেশি জরুরি, এত দিন পরে ‘ধূমকেতু’র মুক্তি। একটা জুটি আবার ফিরছে, সেটাও বড় ব্যাপার। পুরোনো বন্ধুত্বের কথা ওদের মাথায় ছিল কিনা জানি না। ওদের কাছে তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ, অনেক দিন পরে ওরা একটা জায়গায় আসছে। সেটা যেন সফল হয়। এটাই স্বাভাবিক।

    সবশেষ এই নির্মাতা বলেন, দেবের ‘প্রাক্তন বান্ধবী’ শুভশ্রী আমার স্ত্রী। প্রত্যেক মানুষের ‘অতীত’ আছে। আপনার জীবনেও হয়তো আছে। সেটা নিয়ে কথা বললে কি আপনার ভালো লাগবে? (নিজেকে সামলে নিয়ে) মানুষের অতীত নিয়ে কথা বলা উচিত নয়। এটা কোনো অপরাধ নয়। তার মধ্যে অনেক স্মৃতি আছে, অনেক ইতিবাচক দিক রয়েছে। সেটা আছে বলেই সোমবারের অনুষ্ঠান এত সুন্দর, এত সফল। আমি একে সম্মান করি, ঈর্ষা করি না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এক যুগ পর শুভশ্রীর পাশে দাঁড়িয়ে যা বললেন দেব

    প্রায় এক দশক পর ফের একসঙ্গে হাজির হলেন টলিউডের জনপ্রিয় জুটি দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলী। বহু প্রতীক্ষার পর তাদের শেষ কাজ ‘ধূমকেতু’ অবশেষে মুক্তি পেতে চলেছে। আর সেই উপলক্ষে দক্ষিণ কলকাতার নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় ছবির বিশেষ প্রচার ও ঝলক মুক্তির অনুষ্ঠান, যেখানে হাজির ছিলেন দেব-শুভশ্রী জুটি ও তাদের শত শত অনুরাগী।

    সকাল থেকেই নজরুল মঞ্চের বাইরে উপচে পড়া ভিড়। প্রেক্ষাগৃহের দরজা খুলতেই মুহূর্তে ভরে ওঠে দর্শকে। যদিও দেব ও শুভশ্রী আলাদাভাবে প্রবেশ করেন, তবে মঞ্চে তারা হাজির হন একসঙ্গে—যা দেখে উত্তেজনায় ফেটে পড়ে গোটা অডিটোরিয়াম। চারিদিকে শুধুই চিৎকার, হাততালি আর ক্যামেরার ঝলক।

    অনুষ্ঠানে গান, খুনসুটি, স্মৃতি রোমন্থনের পাশাপাশি ‘ধূমকেতু’ নিয়ে হয় নানা আলোচনা। ঠিক তখনই ছবির অন্যতম প্রযোজক রানা সরকার দর্শকের সারি থেকে চিৎকার করে দেবকে প্রশ্ন করেন—‘বাকি সব থাক, বল তো—‘ধূমকেতু’র পর আবার কবে তোমরা দু’জনে বড়পর্দায় একসঙ্গে ফিরছ?’

    প্রশ্ন শুনে হেসে ওঠেন দেব। তারপর গম্ভীর কণ্ঠে জবাব দেন, ‘অবশ্যই আমরা আবার একসঙ্গে কাজ করতে পারি। তবে তার জন্য দরকার উপযুক্ত চিত্রনাট্য, চরিত্রগুলোর মধ্যে আমাদের মতো করে মজা থাকতে হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে আমরা আবার ফিরব একসঙ্গে।’

    এই কথার মাঝেই পাশে দাঁড়ানো শুভশ্রী বলেন, ‘চলো কৌশিক গাঙ্গুলীকে জিজ্ঞেস করা যাক, কবে আবার দেব-শুভশ্রী জুটিকে নিয়ে ছবি করবেন।’

    জবাবে দেব মজা করে বলেন, ‘ধুর! কৌশিকদা আমাদের নিয়ে ছবি করবেন নাকি! উনি তো সব ছবি প্রসেনজিৎ, জয়া আহসানদের দিয়েই বানান!’

    দেবের এই মন্তব্যে হাসির রোল পড়ে গোটা অডিটোরিয়ামে।

    এরপর ‘ধূমকেতু’র ঝলক মুক্তির আগে প্রযোজনা সংস্থার সকল সদস্যকে ধন্যবাদ জানালেন দেব। একে একে ডেকে নিলেন নিজের এবং শুভশ্রীর ব্যক্তিগত টিমের সদস্যদের। নিজের এবং শুভশ্রীর পাশে মঞ্চে ডেকে নিলেন প্রযোজক এবং ছবির অন্যান্য শিল্পীদেরও। 

    সবাই সেই ডাকে সাড়া দিয়ে মঞ্চে উঠতেই দেব বলে ওঠেন, ‘ব্যাস! ঠিক আছে। এবার একটা ফ্যামিলি ফটো হয়ে যাক!’

    নিজের হাতে ফোন তুলে নিয়ে তুলে ফেলেন একটি সেলফি—এক যুগ পরে পূর্ণ হলো বহু প্রত্যাশিত এক মুহূর্ত।

    দর্শকের মতে, এই অনুষ্ঠান শুধু একটি ছবি মুক্তির প্রচার নয়, বরং ছিল একটি জুটির ফিরে আসার আবেগঘন মুহূর্ত। এখন শুধু অপেক্ষা—দেব ও শুভশ্রীর আবারও পর্দায় ফেরার দিনের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে ভেঙে যায় দেব-শুভশ্রীর প্রেম

    একসময় টলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটি ছিলেন দেব ও শুভশ্রী। তাদের সম্পর্ক নিয়ে শুধু গুঞ্জন নয়, ছিল সত্যিকার ভালোবাসার ছাপ, যা পর্দার বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছিল। এমনকি শুভশ্রীর পরিবারও দেবকে মেনে নিয়েছিল। অনুরাগীরাও আশায় ছিলেন, প্রিয় এই জুটির বিয়ে দেখতে পাবেন। কিন্তু সে স্বপ্ন পূরণ হয়নি, বরং এক সময় তাদের প্রেমের সমাপ্তি ঘটে।

    তবে বিচ্ছেদের আগে ছিল এক সুন্দর শুরু। ২০০৯ সালে রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় ‘চ্যালেঞ্জ’ ছবিতে প্রথম জুটি বাঁধেন দেব–শুভশ্রী। সেই ছবির সাফল্য তাদের কেবল পর্দায় নয়, বাস্তবেও কাছাকাছি নিয়ে আসে। এরপর ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘রোমিও’, ‘খোকাবাবু’— একের পর এক ছবিতে তাদের রসায়ন দর্শকদের মুগ্ধ করে।

    ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’ সিনেমার সময়ই তাদের প্রেম গভীর হয়। সম্পর্ক এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে পরিবারও এতে জড়িত হয়ে পড়ে। কিন্তু সবকিছুর পরেও বিয়েতে গড়ায়নি সেই প্রেম।

    তাহলে হঠাৎ কী ঘটেছিল? কেনই বা ভাঙল এতটা জমে ওঠা সম্পর্ক?

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেবের জীবনে প্রবেশ করেন আরেক তরুণী—রুক্মিণী মৈত্র। সে সময় রুক্মিণী মডেলিংয়ে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু দেব–রুক্মিণীর ঘনিষ্ঠতা শুভশ্রীর কানে গেলে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। একপর্যায়ে দুজনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়, সম্পর্কের ইতি ঘটে।

    ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘খোকা ৪২০’ ছিল দেব–শুভশ্রীর শেষ ছবি একসঙ্গে। যদিও প্রেম ভাঙার পর ২০১৫ সালে তারা আবার জুটি বাঁধেন ‘ধূমকেতু’ ছবিতে, যা প্রেমের গল্পে ভরপুর। এই ছবিটি নানা জটিলতায় আটকে ছিল দীর্ঘদিন, অবশেষে এক দশক পর এই মাসেই মুক্তি পাচ্ছে। আর তাতেই আবার আলোচনায় এসেছে দেব–শুভশ্রীর পুরোনো সম্পর্ক।

    শুভশ্রী সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, পেশাদারিত্বই তাদের পথচলার ভিত্তি। ভালো গল্প ও চরিত্র পেলে তারা আবারও একসঙ্গে কাজ করবেন। অন্যদিকে দেবও এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এই জন্মে শুভশ্রী তার নাম থেকে দেবকে সরাতে পারবে না, আমিও পারব না আমার নাম থেকে শুভশ্রীকে। অনস্ক্রিন জুটি হিসেবে আমরা একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে থাকব।’

    নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীরও বহু প্রতীক্ষার অবসান হচ্ছে ‘ধূমকেতু’ মুক্তির মাধ্যমে। আর দেবের বর্তমান সঙ্গী রুক্মিণী মৈত্র নিজেই জানিয়েছেন, ‘আমি জানি, এই ছবির মুক্তির জন্য দেব কতটা অপেক্ষায় ছিল।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • এ জন্মে আমার নাম থেকে শুভশ্রীকে সরাতে পারব না: দেব

    টলিউডের এক সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনস্ক্রিন এবং অফস্ক্রিন জুটি ছিলেন দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলী। বাস্তবের প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর দীর্ঘ ৯ বছর তারা একসঙ্গে কাজ করেননি। তবে ভক্তদের জন্য সুখবর—এতদিনের বিরতির পর আবারও বড় পর্দায় ফিরছে দেব-শুভশ্রী জুটি, সিনেমা ‘ধূমকেতু’ নিয়ে, যা মুক্তি পেতে যাচ্ছে আগামী ১৪ আগস্ট।

    দীর্ঘ এই ব্যবধানের পর তাদের একসঙ্গে ফিরে আসা ঘিরে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কৌতূহল। পুরনো সম্পর্কের আবেগ, অপূর্ণ কথাবার্তা, এবং ভক্তদের স্মৃতিময় ভালোবাসা ঘিরে বারবার সামনে আসছে দেব-শুভশ্রীর প্রসঙ্গ।

    এ প্রসঙ্গে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘ট্রাইব টিভি’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেব বলেন, ‘আমি ওই রকম জায়গায় যেতামই না, যেখানে জানতাম শুভশ্রী থাকবে, বা শুভশ্রীর সঙ্গে দেখা হবে। যদি এটা আমার শুভশ্রীর সঙ্গে শেষ সিনেমা হয়, তবে আমি চাই আমাদেরকে দর্শকরা যেভাবে দেখে এসেছেন বা ভালোবাসা দিয়ে এসেছেন, তার থেকে বেশি যেন ভালোবাসা দেন। এটা সত্যি যে, এই জন্মে না শুভশ্রী তার নাম থেকে দেবকে সরাতে পারবে, না আমি আমার নাম থেকে শুভশ্রী সরাতে পারব, অনস্ক্রিন জুটি হিসেবে।’

    দেব আরও বলেন, ‘একটা প্রজন্ম আমাদের জুটিকে নিয়ে বড় হয়েছে। আজ তাদের অনেকেই হয়তো বিদেশে চাকরি করছে। আমি যখন লন্ডনে শুট করছিলাম, সেখানেও অনেক বাঙালি বলছিল, ‘ধূমকেতু লন্ডনে দেখতে চাই।’ আমি জিজ্ঞেস করলাম, কে কোথায় থাকেন। কেউ বললেন ঢাকা, কেউ মেদিনীপুর। তারা জানালেন, আমরা দেব-শুভশ্রীর ভক্ত হিসেবে সিনেমা দেখতাম।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার পরিশ্রমটা দেবের চোখে পড়েছে: শুভশ্রী

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা দীপক অধিকারী দেব ও অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী একটা সময়ে আলোচিত জুটি ছিলেন। ছিল প্রেম, ছিল ভালোবাসা—আরও অনেক কিছু ছিল; কিন্তু হঠাৎ করে সেই সম্পর্কে যেন ছন্দপতন ঘটে। এরপর কেটে গেল ৯ বছর। তারপর আবার দুজনে ফিরছেন পর্দায়।  

    এ তারকা জুটির সম্পর্ক ভেঙেছে অনেক বছর আগে। বর্তমানে শুভশ্রী স্বামী টালি প্রযোজক রাজ চক্রবর্তী ও দুই সন্তানকে নিয়ে সুখের সংসার করছেন। অন্যদিকে দেব অভিনেতা হওয়ার পাশাপাশি একজন সংসদ সদস্য হিসেবেও নিজ দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

    তাদের প্রেম, বিচ্ছেদ— এরপর দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে এবার একে অপরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন তারা। প্রায় ৯ বছর পর মুক্তি পেতে চলেছে তাদের অভিনীত শেষ সিনেমা ‘ধূমকেতু’। এ সিনেমার প্রচার কেন্দ্র করেই যেন আবার আলোচনায় উঠে এসেছেন এ সাবেক তারকা জুটি।

    একটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, দেব তার সাবেক প্রেমিকা শুভশ্রীকে নিয়ে প্রশংসা করে বলেছেন, আমার ওর সঙ্গে কী কথা থাকতে পারে। পাশাপাশি দাঁড়ালে কী বলব, জানি না। তিনি বলেন, আমি তার কাছ থেকে কী-ই বা নেব, যা আমার কাছে নেই। আমি ওকে কী-ই বা দেব, যা ওর কাছে নেই। একটা মেয়ে হয়ে সংসার, সন্তান ও ক্যারিয়ার যেভাবে সামাল দিচ্ছে, তা প্রশংসনীয়, খুব সোজা কাজ নয়।

    দেবের প্রশংসা শুনে চুপ থাকেননি শুভশ্রী গাঙ্গুলী। তিনি বলেন, ও আমাকে নিয়ে কিছু বলেছে বলে আমাকেও বলতে হবে, এমনটি নয়। তবে এত বছর পর সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে, এটিই বড় বিষয়। যদিও আমি দেবকে ধন্যবাদ জানাব, আমার এই পরিশ্রমটা ওর চোখে পড়েছে, প্রশংসা করেছে। আমিও বলছি, দেবও খুব ভালো কাজ করছে।

    বিনোদন ডেস্ক