Tag: টালিউড

  • ৩ বিয়ে করেও অভিনেত্রীর আক্ষেপ

    ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন মালায়লাম অভিনেত্রী মীরা বাসুদেবন। ৪৪ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনটা ব্যর্থ বিয়ে তার জীবনের মূল্যবান ১৭ বছর কেড়ে নিয়েছে।

    এক সাক্ষাৎকারে মীরা বাসুদেবন বলেন, ‘আমি প্রায়ই আমার ছেলেকে বলি, আমি জীবনের ১৭টা বছর তিনটি ভুল বিয়েতে নষ্ট করেছি। এই সময়টা আমি যদি নিজের কাজ, ক্যারিয়ার বা ভালোবাসার বিষয়গুলোতে দিতাম, তাহলে আরও অনেক কিছু অর্জন করতে পারতাম।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি এমন মানুষের পেছনে সময় দিয়েছি, যারা আমাকে কখনো গুরুত্ব দেয়নি বা সম্মান করেনি। পরিবার, বাবা-মা ও বোনের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটাতে পারতাম, কিন্তু তা হয়নি।’

    এর আগে চলতি বছরেও তিনি নিজের ভুল স্বীকার করে বলেন, অতীত নিয়ে লুকানোর কিছু নেই, বরং এখন নতুনভাবে জীবন গুছিয়ে নিতে চান তিনি। বর্তমানে ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত এবং জীবনের একটি ভালো পর্যায়ে আছেন বলেও জানান এই অভিনেত্রী।

    ২০০৫ সালে চিত্রনায়ক অশোক কুমারের ছেলে ব্যবসায়ী বিশাল আগারওয়ালের সঙ্গে প্রথম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী মীরা বাসুদেবন। সেই বিয়ে ২০১০ সালে বিচ্ছেদে রূপ নেয়। এরপর ২০১২ সালে তিনি মালয়ালম চলচ্চিত্র অভিনেতা জন কোকেনকে বিয়ে করেন। এই সংসারে তাদের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। ২০১৬ সালে সেই সম্পর্কও ভেঙে যায়।

    সবশেষে ২০২৪ সালে চিত্রগ্রাহক বিপিন পুথিয়াঙ্কমকে বিয়ে করলেও ২০২৫ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়।

    ১৯৮২ সালের ২৯ জানুয়ারি ভারতের মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ের একটি তামিল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মীরা বসুদেবন।  ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বলিউডের ‘রুলস: পেয়ার কা সুপারহিট ফর্মুলা’ সিনেমায় দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় তার।২০০৫ সালের ‘তাপমাত্রা’ সিনেমায় মোহনলালের বিপরীতে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা পান মীরা।

    এছাড়া ‘ওরুভান’ ,‘একান্তম’, ‘কুট্টিমামা’সহ একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।  তার ছোট বোন অশ্বিনী, যিনি সালমান খান অভিনীত ‘জনম সামঝা করো’ সিনেমা শিশুশিল্পী হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • মমতার মসনদ পালটাতেই নারী কমিশন থেকে ইস্তফা লীনার

    লেখক, প্রযোজক, পরিচালক ও পশ্চিমবঙ্গ নারী কমিশনের চেয়ারপারসন লীনা গঙ্গোপাধ্য়ায় ৯ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার মাস কয়েক আগেই কমিশন থেকে সরে দাঁড়ালেন। রাজ্য়ের পালাবদলের অপেক্ষায় ছিলেন লেখিকা? 

    মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে একটি গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানিয়েছেন নারী কমিশনের এ চেয়ারপারসন। 

    বিষয়টি নিশ্চিত করে লীন গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, দিন দুই আগে ইস্তফা দিয়েছি। তবে তার ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বার্তা তিনি পাননি।

    আপাতত টালিপাড়া ও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা— লীনার এই প্রস্থান কি কোনো নতুন শুরুর ইঙ্গিত? না কি কেবলই নিয়মের বেড়াজালে এক অধ্যায়ের অবসান হলো? 

    নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তর রয়েছে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের হাতে। কার্যত বাধ্য হয়েই ইস্তফা দিয়েছেন লীনা, বলছে ওয়াকিবহাল মহল। ওদিকে রাহুলকাণ্ডের তদন্ত নতুন সরকারের আমলে গতি পায় কিনা সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে টালিউড।

    অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যু মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল লীনা গঙ্গোপাধ্য়ায়কে। রাহুলের মৃত্যুর পর টালিউডের একটি বড় অংশ কমিশনের পক্ষ থেকে তার পদত্যাগ চেয়ে সরব হয়েছিল। এসব কিছুর মাঝে নিজেকে সামলাতেই কিছু দিন জনসমক্ষ থেকে দূরে ছিলেন এ পরিচালক। তবে আজ বুধবার (১৩ মে) কমিশনের অফিসে একটি বৈঠক ডেকেছেন তিনি, যেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা হতে পারে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর বাংলার মসনদে এখন বিজেপি। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ও যে পদ ছাড়বেন, তা ছিল সময়ের অপেক্ষা মাত্র। নিয়মানুযায়ী, এই সাম্মানিক পদে সর্বোচ্চ ৯ বছর থাকা যায়, যা জুলাই মাসেই পূর্ণ হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই নিজে থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন তিনি।

    লীনা গঙ্গোপাধ্যায় তবে কি ফিরছেন সিরিয়ালে? লীনা মানেই বাঙালির ড্রয়িংরুমে সুপারহিট সব মেগা সিরিয়াল। রাজনৈতিক দায়িত্বভার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি কি আবার নিজের পুরোনো পেশায়, অর্থাৎ ধারাবাহিকের চিত্রনাট্য লেখায় ফিরবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে লীনা বললেন, ‘ফিরলে আপনারা জানতে পারবেন।’ কিন্তু লীনার এই ফেরা সহজ নয়; কারণ রাহুল বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের মৃত্য়ুর জেরে ম্যাজিক মোমেন্টস সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এমনকি কনে দেখা আলোর লেখিকা হিসেবে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন লীনা। তার সঙ্গে কাজ করতে রাজি নন, কোনো কলাকুশলীও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সমুদ্রের তীরে নজর কেড়েছেন শুভশ্রী, যে কারণে আলোচনা

    টালিউডের জনপ্রিয় তারকা জুটি পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ও অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি দম্পতির অষ্টম বিবাহবার্ষিকীর সেলিব্রেশন এখন টালিপাড়ার হট টপিক। থাইল্যান্ডের নীল সমুদ্রের তীরে শুভশ্রীর পরনে যে নীল বডিকন গাউনটি নজর কেড়েছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নেটিজেনদের এক অদ্ভুত সম্মিলন। কাকতালীয়ভাবে মাস কয়েক আগেই ঠিক একই পোশাকে ক্যামেরাবন্দি হয়েছিলেন রাজের সাবেক প্রেমিকা অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

    থাইল্যান্ডের নীল জলরাশি আর পামগাছের সারির মাঝেই অষ্টম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করছেন টালিউডের ‘পাওয়ার কাপল’ এ দম্পতি। সেখানেই বিশেষ এই রাতে রাজ-ঘরনির পরনে ছিল এক গাঢ় নীল বডিকন গাউন। আর সেই পোশাক ঘিরেই শুরু হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে নতুন চর্চা। মাস কয়েক আগেই একই রকম পোশাকে দেখা গিয়েছিল মিমি চক্রবর্তীকেও। পর্দার দুই নায়িকার এই ‘ফ্যাশন টুইনিং’ এখন সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

    বিবাহবার্ষিকীর রাতে রাজের বাহুলগ্না শুভশ্রীর এই লুক যেমন স্নিগ্ধ, ঠিক তেমনই গ্ল্যামারাস। অন্যদিকে মিমিও যখন এ পোশাকটি পরেছিলেন, তার বোল্ডনেসও ছিল নজরকাড়া। দুই নায়িকার একই পোশাক পছন্দ করা যেন বুঝিয়ে দিচ্ছে— রুচির দিক থেকেও তারা এখন একই মেরুতে অবস্থান করছেন।

    আর সাধারণত তারকাদের পোশাকের দাম সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে। কিন্তু শুভশ্রী আর মিমির এ পোশাকটির ক্ষেত্রে বিষয়টি একেবারেই উল্টো। মিন্ত্রার মতো ই-কমার্স সাইটে গেলেই মিলবে এই হুবহু নীল গাউন। আশ্চর্যের বিষয় হলো— এই স্টাইলিশ পোশাকটির দাম মাত্র ৭৫৮ টাকা। অর্থাৎ সেলিব্রিটি ফ্যাশন এখন যে কেউ অনায়াসেই নিজের ওয়ার্ডরোবে শামিল করতে পারেন।

    একসময় রাজকে কেন্দ্র করে মিমি চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গাঙ্গুলির সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে অনেক জলঘোলা হয়েছিল। তবে সেসব এখন অতীত। মিমি এখন রাজের ‘সাবেক’ তকমা ঝেড়ে ফেলে শুভশ্রীর বিশেষ বন্ধু। আর সেই বন্ধুত্বেরই যেন এক অলিখিত প্রতিফলন দেখা গেল তাদের পোশাকে। নীল রঙের এই বডিকন গাউনে দুজনেই সমান উজ্জ্বল— যদিও স্টাইলিং ছিল ভিন্ন। খোলা চুলে নীল পোশাকে মিমিকে দেখাচ্ছিল অপরূপা।

    এক অ্য়াওয়ার্ড শোর জন্য এ পোশাক বেছে নিয়েছিলেন মিমি। সঙ্গে ছিল ঝোলা দুল,ন্যুড লিপস্টিক আর স্মোকি আইস। শুভশ্রীর সাজ একটু ঘরোয়া। আলুথালু করে চুলে খোঁপা করা। সঙ্গে হালকা মেকআপে ভারি সুন্দর দেখাচ্ছিল রাজ-ঘরনিকে। কঠিন সময়ে শক্ত করে বরের হাত ধরলেন শুভশ্রী। সমুদ্রের পারে ক্যান্ডেল লাইট ডিনার থেকে ফানুস ওড়ানো, কিছুই বাদ থাকল না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশ্ব মা দিবসে অজানা কথা জানালেন লাবণী সরকার

    প্রতি বছর  মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস উদযাপন করা হয়। এই বিশেষ দিনে টালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী লাবণী সরকার শেয়ার করে নিলেন তার জীবনে ঘটে যাওয়া অজানা গল্প— কীভাবে ১৩ বছরের ছেলের সঙ্গে তার বাঁধন তৈরি হলো?

    লাবণী সরকার বলেন, কৌশিক আর আমার বৈবাহিক সম্পর্কে জড়ানোর নেপথ্যে ছিল আমার ছেলে। ঘেঁটু আমাদের মাঝে না থাকলে হয়তো সম্পর্ককে এভাবে গড়ব বলে ভাবতামই না। 

    তিনি বলেন, ওর ভালো নাম সুস্নাত। কিন্তু আমি যখন যেমন ইচ্ছা হয় সেই নামে ও ক ডাকি। যে নামেই ডাকি না কেন, ও ঠিক সাড়া দেয়। তখন ওর ১৩ বছর বয়স, যখন আমি ওদের জীবনে আসি।

    এ অভিনেত্রী বলেন, আমার আর ঘেঁটুর সম্পর্কের মাঝে কৌশিক নেই। ১৩ বছরের শিশুকে যখন দেখেছিলাম, মনে হয়েছিল ওর জীবনে সত্যিই মায়ের দরকার। রক্তের সম্পর্কই যে আসল। এ ভাবনায় আমি কোনো দিনই বিশ্বাসী নই। তাই কোনো দিনই মনে হয়নি, আবার নতুন কাউকে আনব। 

    লাবণী সরকার বলেন, একটা কথাই বারবার ভাবতাম, যে শিশু মায়ের আদর-ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত, তাকেই নিজের সবটা দিয়ে বড় করি। শুধু আমার গর্ভজাত সন্তান নয় বলে নতুন কাউকে আনব, আবার তাকে বঞ্চিত করে দেব? আমি কোনো দিনই তথাকথিত পথে হাঁটার ভাবনায় নিজেকে তৈরি করিনি। তাই আমার জীবনও আর পাঁচজনের মতো চেনা ছকে এগোয়নি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী বলেন, আমরা কোনো দিন আলাদা করে মাতৃদিবস পালন করিনি। ১৩ বছর বয়স থেকে ছেলের আমার সঙ্গে একটা বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। ও সবসময় আমাকে বলে এসেছে— ওর সব সিদ্ধান্তে যেন আমি পাশে থাকি। ওকে বড় করার ক্ষেত্রে তাই মাথার চেয়ে হৃদয়কেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছিলাম আমি। প্রকৃতিগতভাবে আমার মধ্যে যে মাতৃত্ববোধ আছে, সেটা ব্যবহার করেছিলাম। চেয়েছিলাম ও যেন সৎপথে নিজের মতো বড় হয়। আর ওর মধ্যে যে একটা শূন্যতা আছে, সেটা টের পেয়েছিলাম।

    লাবণী সরকার বলেন, কৃষ্ণের জীবনেও তো দুই মা ছিল। একজন জন্মদাত্রী, অন্যজন যিনি কৃষ্ণকে বড় করেছিলেন। আসলে এ বিষয় নিয়ে মানুষের মধ্যে অনেক আবেগ রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে যদি এমন কোনো ঘটনা চোখের সামনে হয়, তাহলে সেটা সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তবে আমি কখনো এসব নিয়ে ভাবিনি। 

    তিনি বলেন, অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছি আমরা। এখন ও-ই আমার বাবা। আমার বড় আশ্রয়ের জায়গা। আমি শুধু ওরই ‘মাম্মাম’। এত বছর পর এসে একটাই কথা উপলব্ধি করেছি— ১৩ বছরের শিশুটা আমাকে এত ভালোবাসা দিয়ে আগলে না নিলে হয়তো সম্পর্কগুলো এভাবে তৈরি হতো না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজেপি-তে নাম লেখাবেন জিৎ?

    টালিউড সুপারস্টার জিৎ ক্যারিয়ারে বরাবরই রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলেছেন। কোনো দলীয় প্রচার বা সভায় তাকে এতদিন দেখা যায়নি, বরং নিজের কাজ ও ব্যক্তিগত পরিসরেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন তিনি।

    তবে এই তারকার সাম্প্রতিক কিন্তু কার্যক্রমের ফলে তিনি রাজনীতিতে নাম লেখাবেন কিনা তা নিয়ে নেটপাড়ায় ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। 

    এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জিৎ মন্তব্য করেছিলেন, ‘৪ তারিখে কী হচ্ছে দেখে নাও আগে…’। আর ৪ তারিখ ফলাফল প্রকাশের দিন টালিউডের তিনিই প্রথম, যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজেপিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। 

    এবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও দেখা গেল তাকে। 

    শুক্রবার (৮ মে) ভিআইপি নিরাপত্তায় অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে দেখা যায় জিৎকে। এদিন কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে শপথ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই অনুষ্ঠানেই উপস্থিত ছিলেন টালিউডের ‘বস’ খ্যাত এই অভিনেতা। অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সেখানকার ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি এবার তার গায়েও রাজনীতির রঙ লাগল? 

    এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে ওপার বাংলায় গেরুয়া শিবিরের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে মঙ্গলবার (৫ মে) ফেসবুকে বিজেপিকে নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন জিৎ। সেই পোস্টে অভিনেতা লিখেছিলেন, ‘বাংলার জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই জয়ের জন্য অভিনন্দন। আশা করি, এই পরিবর্তন রাজ্যের উন্নয়ন ও অগ্রগতির নতুন পথ খুলে দেবে।’ 

    এসব থেকেই দুইয়ে দুইয়ে চার মেলানোর চেষ্টা করছে অনেকেই। তবে রাজনীতিতে যোগ দেওয়া বা নির্বাচনে দাঁড়ানো নিয়ে এখনো সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি টালিউড সুপারস্টার। 

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা অবলম্বনে 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভোটে হেরে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা রাজ চক্রবর্তীর

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। এর মধ্যে তারকাসমৃদ্ধ তৃণমূল কংগ্রেস দলের ভরাডুবি হয়েছে। এ দলেরই সংসদ সদস্য ছিলেন টালিউড নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী। গত ৪ মে নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন ব্যারাকপুরের গণনাকেন্দ্র থেকে বেরোনোর সময় এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সম্মুখীন হন এ নির্মাতা। রাজনীতির ময়দান কুসুমাস্তীর্ণ নয়, তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলেন তিনি। 

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে পরাজয়ের পর এবার সক্রিয় রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নেওয়ার ঘোষণা দিলেন রাজ চক্রবর্তী। ভোটের ফল ঘোষণার ৯৬ ঘণ্টা পর নীরবতা ভেঙে সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানিয়েদিলেন— তার রাজনৈতিক জীবনের পথচলা এখানেই শেষ।

    রাজকে একটা সময় যারা তার গলায় ফুলের মালা পরানোর জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন, আজ তাদের একাংশই ‘চোর চোর’ স্লোগান তুলে তার দিকে কাদা ও চটি ছোড়েন বলে অভিযোগ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সেই সময়ে নিজেকে সংযত রাখলেও এ অপমান যে তার মনে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করেছে, তা স্পষ্ট তার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে। নীরবতা ভেঙে এ পরিচালক সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট শেয়ার করে নিয়েছেন। সেই পোস্টে ব্যারাকপুরের মানুষের রায়ের প্রতি তিনি শ্রদ্ধাশীল বলে জানান। তবে যে তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি তাকে হতে হয়েছে, তারপর আর রাজনীতির আঙিনায় নিজেকে মানিয়ে নিতে পারছেন না তিনি। 

    এ পরিচালক বলেন, ২০২৬ সালে রাজনীতির ময়দান ছাড়লাম। এই সফরটা ছিল অনেক অভিজ্ঞতার, অনেক চড়াই-উতরাইয়ের। এবার নিজের আসল কাজ, অর্থাৎ সিনেমা তৈরিতেই সম্পূর্ণ সময় দিতে চাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • চন্দ্রনাথ আমাদের সবার আপন ভাই ছিল, মনে রেখ তৃণমূল: রুদ্রনীল

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনি লড়াই শেষ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বাংলার মাটি থেকে হিংসার কালো মেঘ সরছে না। ভোটের ফল প্রকাশের পরপরই উত্তর২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে যেভাবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন করা হলো— এ ঘটনায় শোকাতুর ও ক্ষুব্ধ বিজেপি শিবিরের অন্যতম সেনানি টালিউড অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ।

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেতা। তিনি লিখেছেন— ‘তৃণমূল প্রমাণ দিল তারা তৃণমূল। ভাই চন্দ্রনাথ রথ শুধু শুভেন্দুদার আপন ছিল না, আমাদের সবার আপন ভাই ছিল। মনে রেখ তৃণমূল।’ 

    রুদ্রনীল ঘোষ এ বার্তার পর রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তার অভিযোগের তীর স্পষ্টতই শাসক দলের দিকে। যদিও এ ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি— এর পেছনে কোনো অভ্যন্তরীণ বিবাদ বা অন্য কারণ থাকতে পারে, পুলিশ তদন্ত করলেই সত্য বেরিয়ে আসবে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নির্বাচনে জয়ের আনন্দ ম্লান করে দিয়ে আবার মাথা চাড়া দিচ্ছে রাজনৈতিক হত্যা—এমনটাই দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। রুদ্রনীল ঘোষের মতো নবনির্বাচিত বিধায়করা এখন রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানানোর কথা বলছেন। রুদ্রনীলের হুঁশিয়ারি থেকে স্পষ্ট, এ ঘটনা ঘিরে আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতি আরও উত্তাল হতে চলেছে।

    উল্লেখ্য, চন্দ্রনাথ রথ কাজ সেরে কলকাতায় ফেরার পথে দোহরিয়া এলাকায় তার গাড়ি আটকে তিন-চারজন দুষ্কৃতকারী অতর্কিতে হামলা চালায়। তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। বাইক থেকে গুলি করে দুষ্কৃতকারীরা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনায় গুরুতর জখম গাড়ির চালক। তারও তিনটে গুলি লেগেছে। শুভেন্দু অধিকারী নিজে হাসপাতালে গিয়ে দেহটি শনাক্ত করেন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তৃণমূলের পরাজয়ে পরমব্রতর ‘স্বস্তির নিঃশ্বাস’

    আলোচিত টালিউড অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে তৃণমূলের হারের পর টালিউড তারকাদের অনেকেই প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছেন। এবার সেই ধারায় যোগ দিলেন এই জনপ্রিয় অভিনেতা।

    সম্প্রতি কলকাতার সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনকে তিনি বলেন, ‘আসলে জনসাধারণের মধ্যে একটা রাগ ছিল। সেই রাগটা থাকা স্বাভাবিক। কারণ তৃণমূলের কজন নেতা-মন্ত্রী, বিধায়কের জুলুমবাজি জনতার কাছে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ভালো কাজকে গৌণ করে দিয়েছে। এটা তৃণমূলের অতি বড় সমর্থকও স্বীকার করবেন। সেখানে আমি তো তৃণমূল পার্টির সদস্য কিংবা কর্মীও নই।’ 

    পরমব্রত আরও বলেন, ‘বাংলার সাবেক শাসক দলের যেমন কিছু ভালো প্রকল্প কাজ ছিল, তেমনই তাদের একটা অংশের কর্মীদের ঔদ্ধত্য, মানুষের জীবনে ঢুকে যাওয়ার চেষ্টা, একই সঙ্গে দুর্নীতি – এগুলো কোনোটাই তো অস্বীকার করা যায় না।’ 

    এর আগে জল্পনা উঠেছিল, তৃণমূলে যোগদান করতে পারেন এই অভিনেতা। এমনকি দলটির হয়ে মঞ্চে বক্তৃতা দিয়ে বেশ সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল তাকে। সেই দল নিয়ে এত সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও কেন তৃণমূলের হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে অভিনেতার স্পষ্ট বার্তা, ‘ভোটার তালিকা থেকে যেভাবে লাখ লাখ মানুষের নাম বাদ পড়েছে, সেটা আমার অসাংবিধানিক মনে হয়েছে। আর গণতান্ত্রিক দেশে কোনো রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা করার অধিকারও আমার রয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বর্তমানে রাজ্যে বামেরা সেভাবে নেই, আর কংগ্রেস তো অস্তিত্ব সংকটে, তাই প্রতিবাদের পথ হিসেবে তৃণমূলকেই বেছে নিয়েছিলাম। তাছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক ছিল এবং রয়েছে। উনিও জানতেন, আমি এসআইআর বিরোধী। সেকারণেই নির্বাচনের অন্তিম লগ্নে বেশ কটা প্রচারে গিয়েছিলাম।’ 

    অর্থাৎ তার কথা থেকে স্পষ্ট, মূলত বিকল্প না থাকায় তৃণমূলের সঙ্গে প্রচারে ছিলেন ‘বাইশে শ্রাবণ’ খ্যাত এই তারকা।

    টালিউডে তৃণমূলের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার প্রসঙ্গে পরমব্রত বলেন, ‘তৃণমূল সরকার সিনেশিল্পটা এমন কিছু লোকের হাতে তুলে দিয়েছিল, যারা কোনোভাবেই সিনেমার সঙ্গে যুক্ত নন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে চলা সেই ক্ষমতার আস্ফালনের বিরুদ্ধেই লড়াইয়ে নেমেছিলাম আমরা। কিন্তু আমাদের সব কাজ নিষিদ্ধ করে দেওয়ার পর একটা সময়ে আমাকে অব্যাহতি চাইতেই হয়। 

    আর আমার সেই লড়াইয়ের উপরই রাজনৈতিক রং লাগিয়ে দেওয়া হয়। অনেকের মতো আমাকেও অনেক অপমান হজম করতে হয়েছে। নির্বাচনি রেজাল্ট নিয়ে বহু রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, কাঁটাছেড়া হতে পারে, কিন্তু এহেন ফলাফলে যদি আখেরে সিনেমার উন্নতি হয় কিংবা ফেডারেশনের খবরদারি বন্ধ হয়, তাহলে সেটা স্বস্তির।’  

    বিনোদন ডেস্ক

  • হঠাৎ বিজেপিকে নিয়ে জিতের ফেসবুক পোস্ট, যা লিখলেন

    দীর্ঘ দেড় দশক পর এবার রাজনৈতিক পালাবদলের হাওয়া লেগেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসন শেষে ক্ষমতা হারিয়েছে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা শেষে ওপার বাংলার ক্ষমতার মসনদে বসতে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

    ইতোমধ্যে এ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা, যেখানে টালিউডের তারকারাও তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। এমন আবহে এবার বিজেপির জয়ে দলটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন কলকাতা সিনেমার ‘বস’ খ্যাত অভিনেতা জিৎ। 

    এই চিত্রনায়ক বরাবরই রাজনীতি থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন। কখনোই গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতে দেননি। অভিনেতাকে কখনোই রাজনীতি নিয়ে কিছু বলতেও শোনা যায়নি, কিন্তু এবার বাংলায় গেরুয়া শিবিরের জয়ে হঠাৎই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন। 

    সুপারস্টার জিৎ বরাবরই রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছেন। কোনো দলীয় প্রচার বা সভায় তাকে দেখা যায়নি, বরং নিজের কাজ ও ব্যক্তিগত পরিসরেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কিন্তু হঠাৎ মঙ্গলবার (৫ মে) ফেসবুকে বিজেপিকে নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন জিৎ। সেই পোস্টে বিজেপির জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জিৎ লিখেছেন, ‘বাংলার জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই জয়ের জন্য অভিনন্দন। আশা করি, এই পরিবর্তন রাজ্যের উন্নয়ন ও অগ্রগতির নতুন পথ খুলে দেবে।’ 

    এদিকে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে অভিনেত্রী মৈত্রয়ী মিত্র সতর্কতার সুরে বলেন, ‘যেই যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ। না এমনি মনে পড়ে গেল প্রবাদটা। জনগণ ঘর পোড়া গরু কিনা সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়।’

    আরেক অভিনেত্রী-সঞ্চালক সুদীপা চট্টোপাধ্যায় শান্তির আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সোনার বাংলায় নতুন ভোর’ থেকে প্রতিটি সকাল যেন শান্তিপূর্ণ থাকে। কোনো প্ররোচনায় পা না দেওয়ারও অনুরোধ করেছেন তিনি।

    অভিনেতা-সঙ্গীতশিল্পী সাহেব চট্টোপাধ্যায় অতীত স্মৃতির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘গদিতে যারাই আসুন, বাংলার যেন ভালো হয়।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনীতির ‘কাদা’ গায়ে মাখতে চান না প্রসেনজিৎ

    অভিনয় শিল্পী থেকে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে তামিল চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক থালাপতি বিজয়। এতদিন পর্দায় দেখা গেছে নানা বীরোচিত ভূমিকায়। মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে রাজনীতির মাঠে নেমে মানুষের হৃদয় জয় করলেন তিনি। সদ্য শেষ হওয়া নির্বাচনে তামিলনাড়ুর বিধানসভা থেকে বিপুল ভোটে জিতে মূখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে বিজয়।

    থালাপতি বিজয়ের মতো তারকারা রাজনীতির মাঠ কাপালেও রাজনীতির কাদা গায়ে মাখতে চান না টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রসেনজিৎ লেখেন, ‘আমি বহু বছর ধরে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে অভিনয় করে আসছি এবং আগামী দিনেও একইভাবে কাজ করে যেতে চাই। আপনাদের সকলের কাছে আমার একটাই বিনীত অনুরোধ—দয়া করে আমার গায়ে কোনো রাজনৈতিক রঙ লাগাবেন না।’

    প্রসেনজিৎ বলেন, ‘আমি কাউকে ফোন করিনি; বরং আমার ছোট ভাই ফোন করেছিল আমাকে। বড় দাদা হিসেবে কাউকে আশীর্বাদ করা আমার কর্তব্য, আর আমি সেটুকুই করেছি।’

    মূলত শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী ও প্রসেনজিতের ভাই রুদ্রনীল ঘোষ বিপুল ভোটে জয়লাভ করার পর এই বিতর্কের সূত্রপাত।

    জয়ী হওয়ার খবরটি নিজেই প্রসেনজিৎকে জানান রুদ্রনীল। এরপর তাদের কথোপকথন প্রকাশ্যে এলে অনেকেই ধারণা করতে থাকেন, হয়তো রাজনীতিতে নাম লেখাতে যাচ্ছেন প্রসেনজিৎ। এমনকি তাকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও আলোচনায় আসে। তবে সেই সব জল্পনা একেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

    নির্বাচনের আগেও প্রসেনজিতের পরিবারকে ঘিরে রাজনৈতিক গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘এখন সহজেই বোঝা যায় কোন ছবি আসল আর কোনটা সম্পাদিত। অদ্ভুত লাগে, একটি ২০ বছরের ছেলেকে নিয়েও এমন ভুয়া প্রচার করা হচ্ছে, এমনকি আমাকে জড়িয়েও।’

    যুগান্তর প্রতিবেদন