Tag: টালিউড

  • কিছু রাত আসে নিঃশব্দে, আর বদলে দিয়ে যায় সবকিছু: ঋতুপর্ণা

    টালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের পর্দায় উপস্থিতি মানেই ভিন্ন কিছু। এবার একদমই ভিন্ন ধাঁচের একটি সামাজিক ও নিষিদ্ধ গল্পের বার্তা নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি। সিনেমার নাম ‘নেভার মাইন্ড’। আর এ সিনেমার মাধ্যমেই প্রথমবার পরিচালকের আসনে বসলেন ঋতুপর্ণার দীর্ঘদিনের বান্ধবী ও অভিনেত্রী চৈতি ঘোষাল।

    বছর দুয়েক আগে টালিপাড়ায় গুঞ্জন উঠেছিল— চৈতির পরিচালনায় ডেবিউ সিনেমায় বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে। অবশেষে সেই জল্পনা সত্যি করে প্রকাশ্যে এলো সিনেমার প্রচার ঝলক।

    এ সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে একজন নারীকে কেন্দ্র করে। কলকাতার বুকে বাস করা এমন কিছু মানুষকে নিয়ে এ সিনেমার গল্প

    যাদের পেশা, জীবনবোধ ও দর্শন একে অপরের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। যিনি নিজের অতীতের একটি বিশেষ অধ্যায় বা বিষয় খুঁজতে খুঁজতে কলকাতার বিখ্যাত পার্ক স্ট্রিটের একটি বারে এসে পৌঁছান। সেখানেই তার সঙ্গে পরিচয় হয় এক অল্প বয়সি বার সংগীতশিল্পীর সঙ্গে। 

    পার্ক স্ট্রিটের চেনা প্রেক্ষাপটকে একেবারে ভিন্ন আঙ্গিকে ও নতুনরূপে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। একই সঙ্গে সিনেমাটিতে একটি মানবিক বার্তাও থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘নেভার মাইন্ড’ সিনেমার মূল গল্প লিখেছেন সম্রাট। এর চিত্রনাট্য তৈরিতে সম্রাটের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছেন মিতালি ঘোষাল রুদ্র। ক্যামেরার দায়িত্বে ছিলেন গোপী ভগৎ। আর সিনেমাটির গান ও আবহ সংগীতের গুরুদায়িত্ব সামলেছেন জনপ্রিয় রকস্টার রূপম ইসলাম।

    সামাজিক মাধ্যমে পোস্টার শেয়ার করে ক্যাপশনে ঋতুপর্ণা লিখেছেন— কিছু রাত আসে নিঃশব্দে, আর বদলে দিয়ে যায় সবকিছু। তেমনই এক রাতের গল্প নিয়ে আসছে ‘নেভার মাইন্ড’। 

    এ সিনেমার আরেকটি বড় চমক হচ্ছে— পরিচালক চৈতি ঘোষালের ছেলে অমর্ত্য রায় এ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন। অবশ্য বড়পর্দায় অমর্ত্যের এটি প্রথম কাজ নয়, এর আগেও তাকে অভিনয়ে দেখা গেছে। তবে এবারই প্রথম মায়ের পরিচালনায় ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন অমর্ত্য। আর মা-ছেলের এই নতুন সিনে-সফরের অন্যতম প্রধান সারথি হয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শুভশ্রীর সঙ্গে ১৭ বছরের বন্ধুত্বে যে কথা রাখলেন দেব

    টালিউড অভিনেতা দীপক অধিকারী দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলি জুটির যাত্রা শুরু হয় ২০০৯ সালে ‘চ্যালেঞ্জ’ সিনেমার মাধ্যমে। মাঝের ১৭ বছরে অনেক চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে গেছে তাদের সম্পর্ক। এর মধ্যে ঘর-সংসারও শুরু করে দিয়েছেন অভিনেত্রী। চলুন ফিরে দেখা যাক এ তারকা জুটির ‘ফিল্মি’ ক্যারিয়ারের ১৭ বছরের জার্নি এখন কোথায় দাঁড়িয়ে।

    খোঁপায় বেলি ফুলের মালা আর সাদা শাড়িতে শুভশ্রী গাঙ্গুলি। অন্যদিকে অভিনেত্রীর পোশাকের সঙ্গে রঙ মিলিয়ে সেজেছেন প্রযোজক তথা পরিচালক-অভিনেতা দেব। মে মাসের শেষ রবিবার হলো ‘দেশু ৭’ সিনেমার মহরত। সেই অনুষ্ঠানে তাদের পাশাপাশি বসতে দেখে আনন্দে আত্মহারা ভক্ত-অনুরাগীরা।

    ১০ বছর পর আবার একসঙ্গে নতুন সিনেমার শুটিং করবেন দেব-শুভশ্রী। মাঝের দিনগুলো দুজনের জীবন অনেক বদলে গেছে। ২০১৬ সালে শুটিং হওয়া ‘ধূমকেতু’ মুক্তি পায় ২০২৫ সালে। তারপর থেকে আবার ‘দেশু’ জুটির একসঙ্গে কাজের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। 

    পরে শুভশ্রীর সঙ্গে নতুন কাজের ঘোষণা দেন প্রযোজক দেব। সহকর্মী, বন্ধু হিসেবে তাদের যাত্রা কম হলো না। মাঝে মান-অভিমানের পালায় সময় বয়ে গেছে অনেকটাই।

    সালটা ২০০৯। সেই সময় শুভশ্রী গাঙ্গুলি টালিউডে নতুন মুখ। অন্যদিকে দেব তখন অভিনয় করে ফেলেছেন ‘আই লাভ ইউ’, ‘প্রেমের কাহিনি’র মতো সিনেমায়। ‘রোমান্টিক’ নায়ক হিসাবে অনুরাগীদের মনে ধীরে ধীরে জায়গাও তৈরি করে ফেলেছেন অভিনেতা। সেই সময় পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর ‘চ্যালেঞ্জ’ সিনেমার মাধ্যমে পর্দায় আগমন নতুন জুটি দেব-শুভশ্রীর। নৌকায় নতুন জুটির রোম্যান্স প্রথম ঝলকেই মন জয় করেছিল ভক্ত-অনুরাগীদের।

    অনুরাগীদের মনে গুনগুন করত ‘দেখেছি তোমাকে শ্রাবণে’। শোনা যায়, এ সিনেমার পর নায়ক-নায়িকার ব্যক্তিগত জীবনেও তৈরি হয়েছিল বিশেষ বন্ধুত্ব। সেই সময়ে একের পর এক সিনেমাতে দর্শক দেখেছিলেন দেব ও শুভশ্রীকে। এমনকি তখন অন্দরে ফিসফাস শুরু— ব্যক্তিগত সমীকরণের কারণেই নায়ক-নায়িকা বারবার একসঙ্গে অভিনয় করছেন।

    ‘চ্যালেঞ্জ’ মুক্তি পেয়েছিল ২০০৯ সালে। সেই একই বছরে মুক্তি পায় সিনেমা ‘পরান যায় জ্বলিয়া রে’। এ সিনেমাটি টালিউডে জায়গা আরও পাকা করে দেয় দেব-শুভশ্রী জুটির। কিন্তু ২০০৯ সালের পর প্রায় দুই বছর এ জুটিকে আর একসঙ্গে পর্দায় দেখা যায়নি। শোনা গিয়েছিল, সেই সময় নায়িকা তথা শুভশ্রী বাদ পড়েছিলেন অনেক সিনেমা থেকে। তারপর নাকি ‘বন্ধু’ দেবের তৎপরতাতেই নতুন কাজের কথা শুরু হয়।

    দুই বছরের ব্যবধানে ‘রোমিও’ সিনেমার মাধ্যমে আবার পর্দায় ফেরেন শুভশ্রী গাঙ্গুলি। বিপরীতে আবার সেই দেব। এ সিনেমায় নিজের চেহারার আদ্যোপান্ত বদল এনেছিলেন নায়িকা, যা রীতিমতো প্রশংসিত হয়েছিল দর্শক ও সমালোচক মহলে। তার আগে থেকেই অবশ্য দেব-শুভশ্রীর প্রেমের কাহিনিতে সরগরম ছিল টালিপাড়া। যদিও জনসমক্ষে নিজেদের প্রেমের কাহিনি কখনো স্বীকার করেননি তারা। বরং বরাবরই ভালো বন্ধু বলে এড়িয়ে গেছেন। সেই সময়ে প্রযোজকেদের তালিকাতেও প্রথম সারিতে ছিলেন দেব-শুভশ্রী জুটি। বেশ কিছু জায়গায় আমন্ত্রিত হিসেবেও একসঙ্গে দেখা গেছে তাদের।

    ২০১২ সালে ‘দেশু’ জুটির ‘খোকাবাবু’ও বক্স অফিসে বিপুল সাড়া ফেলেছিল। তার পরের বছর মুক্তি পেয়েছিল ‘খোকা ৪২০’। শোনা যায়, এ সিনেমার পর থেকেই তাদের দূরত্ব তৈরি হয়। 

    যদিও নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কখনো প্রকাশ্যে না কথা বললেও তাদের বন্ধুত্বে ভাঙন, দূরত্ব নিয়ে বিপুল লেখালেখি হয়েছিল সেই সময়ে। তারপরও অবশ্য একসঙ্গে কাজ করেছেন দেব ও শুভশ্রী। অনেক সাক্ষাৎকারেই দেব বলেছেন, তিনি কথা দিয়েছিলেন তার প্রথম প্রযোজিত সিনেমায় নায়িকা হবেন শুভশ্রী। সেই কথামতোই ‘ধূমকেতু’ সিনেমায় নায়িকা হিসাবে সই করানো হয় শুভশ্রীকে। ততদিনে দেব-শুভশ্রীর মাঝে অনেকটাই দূরত্ব তৈরি হয়েছে। 

    তারই মাঝে অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রের সঙ্গে দেবের ‘বিশেষ’ বন্ধুত্বের গুঞ্জনও তৈরি হয়। কিন্তু যেমনটা কথা দিয়েছিলেন, ২০১৬ সালে সেই মতো শুভশ্রীকে নিয়ে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত ‘ধূমকেতু’র শুটিং করেন দেব। সেই সিনেমাতে প্রযোজক হিসেবে দেখা গিয়েছিল নায়কের নাম। সঙ্গে প্রযোজনার দায়িত্ব সামলেছিলেন প্রযোজক রানা সরকারও। কিন্তু অভ্যন্তরীণ বেশ কিছু সমস্যার কারণে সেই সিনেমা তখন মুক্তি পায়নি। ২০১৬ সালে তৈরি হওয়া সিনেমা মুক্তি পায় ২০২৫ সালে। মাঝে এতগুলো বছরে দেব আরও পোক্ত হয়েছেন প্রযোজক হিসেবে। শুভশ্রীও ঘর পেতেছেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে। তাদের দুই সন্তান।

    ২০১৬ সালের পর আর কোথাও একসঙ্গে দেখা যায়নি দেব ও শুভশ্রীকে। তাই ২০২৫ সালে যখন ‘ধূমকেতু’ মুক্তির দিনক্ষণ ঠিক হয়, তখন থেকেই সবার মনে প্রশ্ন ছিল— আবার কি একসঙ্গে দেখা যাবে ‘দেশু’ জুটিকে? সবার ইচ্ছা— ভক্ত-অনুরাগীদের ইচ্ছায় ‘ধূমকেতু’র প্রচার ঝলকের অনুষ্ঠানে একসঙ্গে হাতে হাত ধরে মঞ্চে ধরা দেন দেব ও শুভশ্রী। তারপর থেকেই ইচ্ছা আরও দৃঢ় হয়েছে ভক্ত-অনুরাগীদের। সেই মতো ‘দেশু ৭’ সিনেমার ঘোষণা করেন দেব। 

    উল্লেখ্য, পরিচালক দেবের প্রথম নায়িকাও হলেন শুভশ্রী গাঙ্গুলি। যেমনটি প্রযোজক দেবের প্রথম নায়িকা ছিলেন শুভশ্রী। এ কি নিছকই কাকতালীয়, তা অবশ্য বলা কঠিন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

    আর্থিক সংকট, মানসিক হতাশা এবং কাজের অনিশ্চয়তায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী মৌলি দত্ত। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ায় হয়। বর্তমানে শারীরিকভাবে অনেকটা সুস্থ আছেন মৌলি। 

    অভিনেত্রীর ভাষ্য, নতুন কাজের জন্য বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করলেও আশানুরূপ সাড়া পাননি। কেউ অপেক্ষা করতে বলেছেন, আবার কেউ জানিয়েছেন যে তাঁর জন্য উপযুক্ত চরিত্র নেই। এসব কারণে হতাশা ক্রমেই বাড়ছিল।

    মৌলি জানান, ঘটনার দিন কাজ নিয়ে হতাশার পাশাপাশি কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সঙ্গে মনোমালিন্যও হয়েছিল। সবকিছু মিলিয়ে নিজেকে খুব একা মনে হচ্ছিল। তাঁর মনে হয়েছিল, তাকে বোঝার মতো কেউ পাশে নেই। সেই আবেগঘন মুহূর্তেই তিনি চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহৃত ঘুমের ওষুধের পুরো একটি স্ট্রিপ খেয়ে ফেলেন।

    তিনি আরও বলেন, এই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে কে প্রকৃত বন্ধু আর কে নয়, সেটিও বুঝতে পেরেছেন।

    সাক্ষাৎকারে মৌলি আরও বলেন, এই মুহূর্তে তাঁর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নিয়মিত কাজ। তার মতে, অভিনয়জগতে জনপ্রিয়তা অর্জনের চেয়ে সেই জনপ্রিয়তা ধরে রাখা অনেক বেশি কঠিন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কুকুর মেরে ফেলা প্রসঙ্গে যা বললেন শ্রীলেখা

    পথকুকুর ‘পাগল’ হয়ে গেলে কিংবা খুব বেশি ‘হিংস্র’ হয়ে গেলে তাকে মেরে ফেলা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। এরপর থেকেই কপালে ভাঁজ পড়েছে পশুপ্রেমীদের। ইতোমধ্যে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান রাস্তা থেকে হিংস্র পথকুকুরদের নির্মূল করার কথা ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে শীর্ষ আদালতের ঘোষণার সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

    পথকুকুরদের হয়ে একাধিকবার সরব হয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। নিজেও পথকুকুরদের খেয়াল রাখেন তিনি। অভিনেত্রীর দাবি, শীর্ষ আদালতের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভুলভাবে তুলে ধরা হচ্ছে।  তিনি বলেন, অসুস্থ বা রেবিস আক্রান্ত কুকুরদের ওষুধের মাধ্যমে চিরঘুমে পাঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ আগে থেকেই ছিল। তবে তার আগে পশুচিকিৎসকের অনুমতি থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। পাঞ্জাবে যা চলছে, তা পশুদের প্রতি হিংসা থেকেই হচ্ছে।

    কোনো কুকুর হিংস্র বা হিংস্রতা কতটা— এসব নির্ধারণ করবে কে? এই প্রশ্নও রেখেছেন অভিনেত্রী। শ্রীলেখা বলেন, প্রথমত কোনো প্রাণীই অকারণে কামড়াতে আসে না। কুকুর তো নয়ই। ওদের পেটভরা থাকলে নিশ্চিন্তে ঘুমায়। 

    তিনি বলেন, মানুষও তো খালি পেটে মেজাজ হারিয়ে ফেলে। তা ছাড়া মানুষের দ্বারা কখনো আঘাতপ্রাপ্ত হলে, সেই কুকুরদেরও আতঙ্ক তাড়া করে বেড়ায়। তাই আবার কোনো মানুষ ওদের কাছে গেলে, ওরা ভয়ে কামড়ে দেয়।

    হিংস্র পথকুকুরদের রাস্তা থেকে উদ্ধার করে সুস্থ করে তোলারও প্রক্রিয়া আছে বলে জানিয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। তিনি বলেন, তাহলে কেন অবোলা জীবদের ওপর অত্যাচার?

    এদিকে চলচ্চিত্র নির্মাতা ও লেখক তথাগত মুখোপাধ্যায়ও পশুপ্রেমী হিসেবে পরিচিত। পশুদের অধিকার নিয়ে প্রায়ই সরব হন তিনি। অসুস্থ ও হিংস্র কুকুরদের এনেস্থেশিয়ার মাধ্যমে মেরে ফেলা নিয়ে তথাগত মুখোপাধ্যায় বলেন, বিভিন্ন দেশে মানুষের জন্য এ প্রক্রিয়ার অনুমোদন রয়েছে। কিন্তু অবোলা প্রাণীদের ক্ষেত্রে এই শব্দ হাস্যকর! তারা তো বলতেই পারে না। তাহলে সেটা আর স্বেচ্ছামৃত্যু কীভাবে রইল? চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে সভ্য দেশে একটা অসুস্থ ও ‘হিংস্র’ প্রাণীকে এনেস্থেশিয়ার মাধ্যমে মেরে ফেলাটা অত্যন্ত অমানবিক।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তথাগত বলেন, নির্দেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ছাড়া কেউ যদি কোনো কুকুরকে আঘাত করে বা মারার চেষ্টা করে, তা দণ্ডনীয় অপরাধ। পাশাপাশি যথেষ্ট প্রামাণ্য তথ্য থাকতে হবে যে, কুকুরটি কাউকে কামড়েছে বা হিংস্র হয়ে উঠেছে অথবা মারণ রোগে অসুস্থ। আইন এটাই বলে। তবে আইনের ফাঁক খুঁজে কিছু লোক সুযোগ নেবে, সেটিও জানি।

    তবে পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদল হওয়ার পর থেকে কিছুটা আশাবাদী বলে জানিয়েছেন তথাগত। তিনি বলেন, আগে কুকুরের কোনো ঘটনা হলে হেসে উড়িয়ে দেওয়া হতো। তবে এখন অন্তত অভিযোগ করা হচ্ছে। গুরুত্বটুকু দেওয়া হচ্ছে। গরুদের প্রাণকে মূল্য দেওয়া হচ্ছে। তাই প্রত্যাশা আছে— কুকুর ও অন্য প্রাণীদেরও প্রাণের মূল্য থাকবে।

    পথকুকুরদের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে বহু মানুষেরও। তাই কোনো আইন চালু করে পথকুকুরদের নির্মূল করা সহজ নয়, প্রয়োজনে হাই কোর্টেও কেউ আবেদন করতে পারেন বলে মনে করেন পরিচালক-অভিনেতা। তথাগত বলেন, আসলে নিষ্ঠুরতার প্রচার করবে, তেমন আইন তৈরিই হয়নি। ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। আর নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে আমরা আগেও লড়েছি। আজীবন লড়ে যাব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাসপাতালে ভর্তি দর্শনা, কেমন আছেন জানালেন সঙ্গী সৌরভ দাস

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দর্শনা বণিক বেশ কিছু দিন ধরেই জ্বর ও পেটের সংক্রমণে আক্রান্ত। তাই কাজের মাঝেই সময় বের করে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। চিকিৎসকের পরামর্শে বৃহস্পতিবার (২১ মে) তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। দর্শনার শারীরিক অবস্থার খবর দিলেন তার স্বামী অভিনেতা সৌরভ দাস।  

    হাসপাতালে এখন কেমন আছেন অভিনেত্রী? জানতে চাইলে গণমাধ্যমকে অভিনেতা বলেন, তেমন সিরিয়াস কিছু নয়। এখন আগের থেকে অনেকটাই ভালো আছে ও। পেটে ব্যথা হচ্ছিল। এই গরমের কারণেই হয়তো হবে। ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিল। তারপরেই চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা শুরু হওয়ায় এখন আগের তুলনায় অনেকটাই ভালো আছেন বলেও জানান সৌরভ দাস। 

    এদিকে দর্শনা বণিক হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর দ্রুতই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তার ভক্ত-অনুরাগীরা রীতিমতো উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। যদিও সৌরভ দাস অবশ্য অনুরাগীদের আশ্বস্ত করে বলেন, শিগগিরই হয়তো হাসপাতাল থেকে ছাড়া হতে পারে দর্শনাকে।

    উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে শুক্রবার আসছে পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্যের নতুন সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘গোর্কির মা’। ক্যামেলিয়া প্রোডাকশনসের ব্যানারে এ সিরিজে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৌরভ দাস ও দর্শনা বণিক। আরও আছেন অনন্যা চট্টোপাধ্যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাংলাদেশি শিল্পীদের সঙ্গে কাজ নিয়ে যা বললেন রুদ্রনীল

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর টালিউডের টেকনিশিয়ানদের সঙ্গে নবনির্বাচিত বিজেপির সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের এটিই ছিল প্রথম বৈঠক। সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জমে থাকা নানা ক্ষোভ ও বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন সহকর্মীরা। তবে এখন বাংলাদেশি শিল্পীদের টালিউডে কাজের বিষয়ে নতুন সরকার কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন দুই বাংলার শিল্পীরা। 

    রাজনৈতিক পালাবদলের পর টালিউডে বাংলাদেশি তারকাদের কাজ করা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রুদ্রনীল ঘোষের ডাকা এক বৈঠকে টেকনিশিয়ানদের ক্ষোভের পর বিষয়টি সামনে আসে।

    বুধবার (২০ মে) বিকালে টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওতে টালিউডের অন্দরের নানা সমস্যা নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে অভিনেতা পরমব্রত চ্যাটার্জি, নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তসহ টালিপাড়ার অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। 

    সেখানে এক টেকনিশিয়ান অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশে কাজ করতে গিয়ে তারা অপমানিত হয়েছেন, অথচ বাংলাদেশি শিল্পীরা কলকাতায় এসে অবাধে কাজ করছেন। এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    এ বিষয়ে রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, ভারতীয় হিসেবে এমন অসম্মানের বিষয়টি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। সুযোগ পেলে তিনি বিষয়টি সরকারকে জানাবেন। এটি সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশের এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা ভারতকে অন্তর থেকে ভালোবাসেন। আবার কিছু উগ্রবাদী শক্তিরও নজির রয়েছে। তবে স্বল্পসংখ্যক মানুষ আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে পুরো দেশকে বিচার করা উচিত নয়। তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে, সেটুকু নিশ্চিত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবের প্রোফাইলে শুভশ্রীর ‘অভিমান’

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি অভিনীত সিনেমা ‘অভিমান’ খুব শিগগিরই বড়পর্দায় মুক্তি পাচ্ছে। এ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও যিশু সেনগুপ্ত। মঙ্গলবার (১৯ মে) সিনেমাটির টিজার মুক্তি পেয়েছে, যা দেখে দর্শকরা আন্দাজ করে ফেলেছেন— সিনেমাটি সবার মনে জায়গা করে নিতে পারবে।

    অনেকেই ‘অভিমান’সিনেমার টিজার শেয়ার করছেন। আগামী দিনে এই সিনেমার পরিবারকে শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন। এবার এর টিজার শেয়ার করে শুভশ্রীসহ গোটা টিমকে শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা দীপক অধিকারী ওরফে দেব। 

    ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের পরিচালনায় ‘অভিমান’ সিনেমাটি যিশু সেনগুপ্ত ও সৌরভ দাসের হোয়াই সো সিরিয়াস প্রযোজনা সংস্থার অধীনে নির্মিত হওয়া প্রথম পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছবি হতে চলেছে। এটি মুক্তি পাবে আগামী ১৯ জুন। মুক্তির ঠিক এক মাস আগে দর্শকদের সামনে নিয়ে আনা হলো টিজারটি। 

    সিনেমাটিতে প্রসেনজিৎ অভিনীত চরিত্রের নাম ‘আকাশ চট্টোপাধ্যায়’। এই সিনেমায় নায়ককে একজন গায়কের ভূমিকায় দেখা যাবে। যিশুর চরিত্রের নাম ‘ঋষি চট্টোপাধ্যায়’। আর শুভশ্রী অভিনীত চরিত্রের নাম ‘শ্রী’। সিনেমায় একটি ত্রিকোণ প্রেমের গল্প দেখতে পাবেন দর্শকরা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে দ্রুতই শুরু হয়ে যাবে দেব-শুভশ্রী জুটির আগামী সিনেমার শুটিং, যার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তবে তার আগে মুক্তি পাবে শুভশ্রীর ‘অভিমান’। 

    প্রসেনজিৎ-শুভশ্রীর আসন্ন এ সিনেমার টিজার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে দেব শুভশ্রী, প্রসেনজিৎ, যীশু ও পরিচালক ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তকে শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন।

    এদিকে দেব-শুভশ্রীর পরবর্তী সিনেমাটি মুক্তি পাবে চলতি বছর দুর্গাপূজায়। অনেক দিন পর আবার এ জুটিকে বড়পর্দায় দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন দেশু ভক্তরা। যদিও সিনেমাটির নাম এখনো ঠিক করা হয়নি। 

    এতে দেব ও শুভশ্রী ছাড়াও অভিনয় করবেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য। যদিও তিনি ঠিক কোন চরিত্রে অভিনয় করবেন, সেটি এখনো জানা সম্ভব হয়নি। বহুল প্রতীক্ষিত এ ছবিটির প্রথম দিনের শো-ও ইতোমধ্যে হাউসফুল। গোল্ডেন টিকিট কিনে ফেলেছেন দর্শকরা, যেখানে উপহারস্বরূপ রয়েছে দেব-শুভশ্রীর অটোগ্রাফ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রাণনাশের হুমকি পেয়ে যা বললেন সোহম

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর পরিস্থিতি বদলে গেছে রাজ্যে। এর মধ্যেই প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন বিদায়ী বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী। নেপথ্যে কি কোনো রাজনৈতিক কারণ? বিষয়টি তেমন না; বরং এক্ষেত্রে জড়িয়ে আছে তার অভিনয় পেশা।

    এর আগে ২০১৮ সালে একটি বাংলা সিনেমায় অভিনয় করার কথা ছিল সোহম চক্রবর্তীর। পরিচালক ছিলেন মহুয়া চক্রবর্তী। প্রযোজনার দায়িত্বে ছিলেন তরুণ দাস। এ সিনেমায় অভিনয় করার জন্য নিয়মমাফিক ১৫ লাখ টাকা অগ্রিমও দেওয়া হয়েছিল অভিনেতাকে। তবে সোহমের দাবি— পরে হঠাৎই পরিচালক মহুয়া তাকে জানান, প্রযোজকের ব্যবহারে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন না। তাই ছবিটি থেকে সরে যাচ্ছেন তিনি। 

    সোহম ছবিটি করার জন্য প্রথম থেকেই প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু এই প্রযোজক আগে কখনোই সরাসরি সোহমকে ফোন করেননি, দেখাও করেননি। বরাবরই তার টিমের মাধ্যমে কথা হয়েছিল। এরপর গত ৮ বছর ধরে ছবিটি নিয়ে আর নাড়াচাড়া হয়নি।

    কয়েক দিন আগে প্রযোজকের তরফ থেকে ফোন করা হয় সোহমকে, অগ্রিম ১৫ লাখ টাকা ফেরত নেওয়ার জন্য। কিন্তু সোহম প্রযোজককে স্পষ্ট জানিয়েছেন— ইন্ডাস্ট্রির নিয়মানুযায়ী, অগ্রিম টাকা এ ক্ষেত্রে ফেরত দেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। কারণ প্রযোজকই ছবিটি তৈরি করছেন না। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে প্রযোজকের তরফ থেকে অভিযোগ ছিল— সোহমের কাছে বারবার ডেট চেয়েও না পাওয়ার কারণেই নাকি সিনেমাটা তৈরি করা যায়নি। প্রযোজকের এই অভিযোগ নস্যাৎ করে সোহম জানিয়েছেন, সেই সময় তিনি এতটাও ব্যস্ত ছিলেন না যে ডেট দিতে পারতেন না। 

    এখানেই শেষ নয়; সোহমের অভিযোগ— প্রযোজক তার অফিসে আসেন এবং টাকা ফেরত চান। তিনি জানিয়ে দেন— অগ্রিম টাকা এক্ষেত্রে ফেরতযোগ্য নয়। এর পরেই মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে সোহমকে ফোন করে প্রযোজক তরুণ দাস অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। প্রযোজক বলেন, তীর-ধনুক চলবে, খেলা হবে। 

    সোহম বলেন, ‘প্রযোজক রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের কথা বলে আমাকে প্রাণনাশের হুমকিও দিয়েছেন। সঙ্গে যোগ করেছেন জয় শ্রীরাম স্লোগান!’ এই অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন সোহম চক্রবর্তী। 

    রাজনীতি থেকে দূরে থাকা প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, আর যাই করি, রাজনীতি আমি ছাড়ব না। তবে এ মুহূর্তে পরিবারকে সময় দিতে চান তিনি। সঙ্গে মনোযোগ দিতে চান তার অভিনয়জীবনেও। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • দৃষ্টিশক্তি হারাতে বসেছিলেন কাঞ্চন

    ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি ক্রমশ হারাতে বসেছিলেন টালিউডের কৌতুক অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। তবে ক্লাস ওয়ান থেকে চোখে চশমা পরা এ অভিনেতা বড় বিপদ থেকে ‘এক নতুন সূর্য’র মতো পাশে পেলেন ডাক্তারকে।

    আরজি কর আন্দোলনের সময় তৎকালীন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিপরীতে প্রতিবাদে শামিল হওয়া ডাক্তারদের নিয়ে আলটপকা মন্তব্য করেছিলেন কাঞ্চন মল্লিক। সেদিন তিনি বলেছিলেন— যারা কর্মবিরতি করছেন বা শাসক দলের বিরুদ্ধে বলছেন, তারা সরকারি বেতনটা নিচ্ছেন তো, নাকি নিচ্ছেন না? পূজার বোনাসটা নেবেন তো?

    সেই সময় এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে রীতিমতো ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় অভিনেতাকে। কাঞ্চনের বলা কথার প্রতিবাদ করেন তার ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মী থেকে শুরু করে আমজনতা। যদিও সেসব এখন অতীত। 

    বর্তমানে শাসক দলের ছত্রছায়ায় আর তিনি নেই বললেই চলে। সঙ্গে বিধায়ক তকমাও হারিয়েছেন নির্বাচনের পর। যদিও ক্ষমতাসীন দল এবারের নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দেয়নি। এবার এক ডাক্তারকেই নিজের জীবনের ‘একজন নতুন আলো, এক নতুন সূর্য’ বলে অভিহিত করলেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শুক্রবার (১৫ মে) সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে কাঞ্চন মল্লিক জানালেন, তার ডান চোখে দৃষ্টিশক্তি ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসছিল। বেশিরভাগ ডাক্তারই যখন হাত তুলে নিয়েছিলেন, তখন একজন চিকিৎসক দেবদূত হয়ে তার জীবনে আসেন। আর লেজার ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে ফিরে পান দেখার ক্ষমতা। শুধু তাই নয়, অপারেশন সাকসেসফুল। তাই চশমা পরারও আর প্রয়োজন নেই।

    সেই পোস্টে কৌতুক অভিনেতা আরও লিখেছেন, আমার ক্লাস ওয়ানেরও আগে থেকে চোখে চশমা। ডান চোখে সাংঘাতিক মাইনাস পাওয়ার— ডান চোখে মাইনাস ৮, বাম চোখে মাইনাস ৩। ধীরে ধীরে যখন আমার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি কমতে থাকে, আমি বিভিন্ন ডাক্তার দেখানো শুরু করি। 

    কিন্তু একটা পর্যায় ডাক্তার আমায় বলেন যে, ডান চোখে প্রপার দেওয়া হলে সেটা হবে মাইনাস ১৮! যেটা সারানো একেবারেই অসম্ভব। এভাবেই চলতে হবে সারাজীবন।

    এরপর স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের পরামর্শে পৌঁছে যান শহরের এক নামি বেসরকারি আই হসপিটালে। সেখানে ড. সমর কুমার বসাক তাকে আশ্বস্ত করেন যে, লেজার অপারেশনের মাধ্যমে অভিনেতা ডান চোখের দৃষ্টি ফিরে পাবেন। আর সেটাই হয়। নিজের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন কাঞ্চন। 

    তিনি লিখেছেন, ড. সমর কুমার বসাক আমার জীবনে শুধু একজন ডাক্তার নন, তিনি আমার জীবনের একজন নতুন আলো, এক নতুন সূর্য; যিনি আমাকে এ পৃথিবীটাকে নতুন করে দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন। 

    লেজার অপারেশনের পর এখন আমার ডান চোখে কোনো পাওয়ারই নেই, বাম চোখে মাইনাস ১। চশমাটি শুধু এখন একটা অপশন মাত্র। দরকার পড়লে পরতে পারি। আমি ভাবতেও পারিনি ৪০ বছরের ওপর যেটিকে নাকের ওপর বহন করেছি, সেটা একটিমাত্র অপারেশনে পালটে যাবে। অপারেশনের পর যখন প্রথম আমি চারপাশে তাকিয়ে দেখেছি, তখন ওই গানটাই মনে পড়েছে— ‘এই এত আলো, এত আকাশ আগে দেখিনি। ওই চোখে পড়েনি…।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘দেশু ৭’ সিনেমার শুটিংয়ে অনির্বাণ, যা বললেন দেব

    সম্প্রতি টালিউডে ‘ব্যান কালচার’ নির্মূল করতে ‘বুম্বাদা’খ্যাত বর্ষীয়ান অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে দেবের দেওয়া ‘৭২ ঘণ্টা চ্যালেঞ্জ’ ঘিরে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর সঠিক বিচারের দাবিতে যখন আর্টিস্ট ফোরাম উত্তাল, ঠিক তখনই দেবের এমন অবস্থান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ‘বুম্বাদা’। প্রসেনজিৎ পালটা প্রশ্ন তুলেছিলেন পাবলিক ফোরামে— এ ধরনের চ্যালেঞ্জের যৌক্তিকতা নিয়ে।

    শেষ পর্যন্ত টালিপাড়ার অন্দরের রাজনীতি আর অসহযোগিতা কিংবা তথাকথিত ‘ব্যান কালচার’ কোনো কিছুই আর দমাতে পারল না মেগাস্টার দেবকে। সব বাধা উপেক্ষা করে নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে অভিনেতা শুরু করলেন তার নতুন সিনেমা ‘দেশু ৭’-এর শুটিং। আর এ যাত্রায় তার সারথি হিসেবে পাশে আছেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য।

    ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলার রাজনীতির পাশাপাশি টালিউডের অন্দরেও ক্ষমতার রদবদল ঘটেছে। পাপিয়া অধিকারী, রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ চট্টোপাধ্যায় এবং রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো ব্যক্তিত্বরা যখন নতুন দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন, ঠিক তখনই সেই পালাবদলের আবহেই নিজের প্রোডাকশনের কাজ শুরু করলেন দেব।

    ‘রঘু ডাকাত’ সিনেমায় অনির্বাণের অনবদ্য পারফরম্যান্সের পর থেকেই দেবের লক্ষ্য ছিল, তার পরবর্তী প্রজেক্টে এ অভিনেতাকে রাখা হবে। যদিও ইন্ডাস্ট্রির একটি বড় অংশ এ জুটিকে রুখে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু দেব ছিলেন পাহাড়ের মতো অটল। তিনি ঠিকই শুটিংয়ে নামিয়ে দিলেন। প্রিয় অভিনেতার পর্দায় প্রত্যাবর্তন নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝেও বইছে উচ্ছ্বাসের জোয়ার।

    টিম ‘দেশু ৭’ নিয়ে শুটিং ফ্লোরে নেমে পড়েছেন দেব। সামাজিক মাধ্যমে অনির্বাণের উপস্থিতি সিলমোহর দিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন দেব। 

    সেই পোস্টে অভিনেতা লিখেছেন— ‘শুটিং মোড অন’। ইন্ডাস্ট্রির জটিল সমীকরণে যখন অনির্বাণের মতো অভিনেতাকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হয়েছিল, ঠিক তখনই দেবের এই সাহসী পদক্ষেপ টালিউডে নতুন করে ‘রাজার রাজা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করল।

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক