Tag: টালিউড

  • ২৫ বছর পর অবশেষে আমার কথা ভাবল: রাইমা সেন

    টালিউড অভিনেত্রী রাইমা সেন অভিনীত সিনেমা ‘ফুলপিসি ও অ্যাডওয়ার্ড’ চলতি মাসেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে। শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা পরিচালিত এ সিনেমাটি আগামী ২৯ মে মুক্তি পেতে চলেছে। এ সিনেমায় অদিতির চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাইমা সেন। 

    এছাড়াও আরও অভিনয় করেছেন অনন্যা চট্টোপাধ্যায়, কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্জুন চক্রবর্তী প্রমুখ।

    ‘ফুলপিসি ও অ্যাডওয়ার্ড’ সিনেমা ছাড়াও চলতি মাসেই আরও একটি সিনেমা মুক্তি পেতে যাচ্ছে অভিনেত্রীর। টালি মেগাস্টার জিতের সঙ্গে জুটি বেঁধে রাইমা সেন অভিনয় করেছেন ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমাটি। এটি মুক্তি পাবে আগামী ২৭ মে। এবার দেখার পালা এ দুটি সিনেমা একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামে কিনা।

    ‘ফুলপিসি ও অ্যাডওয়ার্ড’ সিনেমাটি উইন্ডোজ প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত হয়েছে। এ প্রোডাকশন হাউসের সঙ্গে অভিনেত্রীর এটি প্রথম কাজ। অন্যদিকে রাইমার সঙ্গে প্রথম কাজ করতে পেরে খুব খুশি পরিচালক শিবপ্রসাদ ও নন্দিতা। 

    কারণ এই প্রথম সেন পরিবারের সঙ্গে কাজ করলেন তারা। যে কথা সামাজিক মাধ্যমে নিজের পোস্টে উল্লেখ করেন শিবপ্রসাদ। কিন্তু অন্যদিকে রাইমাও যে কতটা আপ্লুত উইন্ডোজ প্রোডাকশনের সঙ্গে কাজ করতে পেরে, সেটিও বোঝা যায় অভিনেত্রীর করা একটি পোস্ট থেকে।

    শিবপ্রসাদ ও নন্দিতার সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে দুটি ছবি পোস্ট করেছেন রাইমা সেন। সেই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— ২৫ বছর পর যখন ওরা অবশেষে আমাকে নিয়ে ভেবেছে, তাতে আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। কি করব আমি বুঝতে পারছিলাম না। কারণ ওদের সম্পর্কে আমি অনেক কিছুই শুনেছিলাম। 

    তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম— ওরা ভীষণ কঠোর ডিরেক্টর, কিন্তু যেদিন নন্দিতা রায়ের সঙ্গে দেখা হলো, সেদিন মনে হলো একদম অন্যরকম একজন মানুষকে দেখলাম আমি— যিনি আমার মায়ের মতোই।

    রাইমা আরও বলেন, নন্দিতাদি ভীষণ শান্ত দয়ালু প্রকৃতির মানুষ। কাজের পুরো সময়টাই আমার খুব খেয়াল রেখেছেন তিনি। অন্যদিকে শিবপ্রসাদ সহজ-সরল একজন মানুষ। এই দুই পরিচালকের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা খুব সুন্দর। বাকি যারা ছিলেন, তাদের মধ্যেও এতটা ভালো সম্পর্ক ছিল যে, কখন শুটিং শেষ হয়ে গেল বুঝতেই পারলাম না। এত কাজ করার পরও কখনো ক্লান্ত লাগেনি। সত্যি ভীষণ ভালো অভিজ্ঞতা আমি বারবার ওদের সঙ্গে কাজ করতে চাই বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন: রচনা

    পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর দ্বিতীয় দফার ভোট প্রদানে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ) সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথে ভোটারদের ভিড় দেখা যায়। এ গণতান্ত্রিক উৎসবে সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি টালিউডের অনেক তারকাও ভোট দিতে উপস্থিত হন।

    এদিন রঞ্জিত মল্লিক, জিৎ, আবীর চট্টোপাধ্যায়, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, রাজ চক্রবর্তী, কোয়েল মল্লিকের মতো তারকারা ভোট প্রদান করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ভোট দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    নিজের নির্ধারিত বুথে গিয়ে ভোট দেন তিনি। ভোট প্রদান শেষে চলতি নির্বাচনের লড়াই নিয়ে কথা বলেন রচনা। 

    তিনি বলেন, এবারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন। এ বছরের লড়াই অনেক কঠিন। একেবারে মসৃণ লড়াই নয়। গত কয়েক মাস ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা নিরলস পরিশ্রম করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি আরও বলেন, ভোটারদের কাছে তাদের প্রধান বার্তা ছিল ভোট দেওয়ার আগে গত ১৫ বছরে রাজ্যের উন্নয়ন ও সরকারের কাজ সম্পর্কে একবার ভেবে দেখা। 

    রচনার দাবি, শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, কাজ করে দেখিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বিবেচনা থেকেই ভোট হওয়া উচিত।

    এর আগে ২০২৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই নির্বাচনে তিনি বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়-কে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মমতাকে টেনে ইমনকে কটাক্ষ, কড়া জবাব গায়িকার

    জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী নিজের গান আর শান্ত জীবনযাপন নিয়েই ব্যস্ত থাকতে ভালোবাসেন। তবে কেউ তাকে নিয়ে কোনো মন্তব্য করলে সোজাসাপ্টা জবাব দিতেও ছাড়েন না তিনি।

    ছাত্রীজীবনের এসএফআই করেছেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের নেত্রী ছিলেন তিনি। সিপিআইএমের ছাত্র সংগঠনের কলকাতা জেলা কমিটিরও সদস্য ছিলেন এ জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে অনেক কিছুই। বদল এসেছে তার ভাবনাতেও।

    দিন কয়েক আগেই টালিপাড়ায় জোর চর্চা শুরু হয়েছিল ইমন চক্রবর্তী নাকি এবার ভোটে লড়বেন তৃণমূলের হয়ে। সেই গুঞ্জনে পানি পড়েছে। তবে কটাক্ষ পিছু ছাড়ছে না ইমনের। উন্নয়নের পাঁচালি গাওয়ার আফসোস নেই, স্পষ্ট জানিয়েছেন এ সংগীতশিল্পী। 

    সম্প্রতি নিজের বাড়ির বারান্দার একটি সুন্দর কোণে বসে আলোর মালায় সেজে ওঠা গাছেদের মাঝে একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন ইমন চক্রবর্তী। ছবিতে উঠে এসেছে নিজের মতো সময় কাটানোর আনন্দ। পোস্ট করা সেই ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল— ‘বারান্দা’। কিন্তু সেই মিষ্টি ছবিতেই হঠাৎ আছড়ে পড়ল রাজনৈতিক কাদা! 

    সামাজিক মাধ্যমে তারকাদের প্রতিটি পদক্ষেপই যেন আতশ কাঁচের তলায়। একটু এদিক-ওদিক হলেই শুরু হয়ে যায় ট্রলিং আর কটাক্ষ। বিশেষ করে রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে নেটিজেনরা ইদানীং প্রচণ্ড সংবেদনশীল। এবার সেই রোষানলের মুখে গায়িকা ইমন চক্রবর্তী।

    সেই ছবির কমান্ড বক্সে নেটিজেনদের একাংশের মন্তব্য— ‘তৃণমূলের দালালি করেই তো এই সুখ! দিদির (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) আঁচলের তলায় থাকলে বারান্দাও স্বর্গ হয়ে যায়, তাই না?’ ইমন বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না নিয়েও ওই মন্তব্যে যে সরাসরি শাসক দল ও তার নেত্রীকে টেনে গায়িকাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে, তা বুঝতে কারও অসুবিধা হয়নি। আরেক নেটিজেন লিখেছেন— বারান্দায় জোড়া ফুল, ফ্ল্যাগ, দিদির ছবি কই?

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এবার সেই নেটিজেনদের মন্তব্যে ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নন ইমন। এ ধরনের কুরুচিকর ট্রলিংয়ের সপাটে জবাব দিতে তিনি কালক্ষেপ করেননি। ওই মন্তব্যের পালটা জবাবে গায়িকা লিখেছেন— একদম, ওটা বেডরুমে আছে।

    ইমনের এই সাহসী ও যুক্তিপূর্ণ জবাব এখন নেটপাড়ায় প্রশংসা কুড়াচ্ছে। তার পাশে দাঁড়িয়েছেন বহু অনুরাগী। তাদের মতে, একজন শিল্পীর পরিশ্রম আর তার নান্দনিক বোধকে স্রেফ রাজনৈতিক রঙ দিয়ে বিচার করা অত্যন্ত অনুচিত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নির্বাচনে প্রচারে সায়ন্তিকার সঙ্গী দেব, রাজের সমর্থনে শুভশ্রী

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ প্রচারের মুডটাই যেন ঘুরিয়ে দিল তৃণমূল কংগ্রেস।স্টার পাওয়ার নামিয়ে নোয়াপাড়ায় তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, বরানগরে সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বারাকপুরে রাজ চক্রবর্তীর সমর্থনে টানা তিন রুটে নামলেন দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলি। দুপুরের তপ্ত পিচে ধীরে ধীরে জমে ওঠা ভিড় বিকাল গড়াতেই বদলে গেল ফুল অন শোতে। রোড শো বারবার স্লো, কোথাও থেমে আবার এগোনো— চারদিকে মোবাইল ক্যামেরার ঝলক, হাত বাড়ানো মানুষের চাপ মিলিয়ে টান টান লাইভ সিন, যেন চলন্ত মঞ্চে বদলে যাওয়া রাজপথ।

    নোয়াপাড়ায় পলতা শান্তিনগর মাঠ থেকে দেবের এন্ট্রি শুরুতেই ছন্দ পাল্টে দেয়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই রাস্তার দুপাশে জমে থাকা মানুষ রাস্তায় নেমে পড়ায় মিছিল ঢুকে যায় স্লো জোনে। শান্তিনগর থেকে কুণ্ডুবাড়ি মোড়— ভরে ওঠে পোস্টার কাটআউট আর সেলফির ভিড়ে। হুডখোলা গাড়ি থেকে সামনে ঝুঁকে মানুষের সঙ্গে কানেক্ট করেন অভিনেতা দেব, আর সেই কানেক্টেই ভিড়ের এনার্জি দ্রুত চড়ে যায়। 

    পুলিশকে বারবার ছোট ছোট জায়গা করে গাড়ি এগোতে হয়, কিন্তু সেই ফাঁক মুহূর্তেই ভরে যাচ্ছে মানুষের ভিড়। এ ভিড়ের চাপে একাধিক জায়গায় মিছিল থামে, আবার এগোয়, আর সেই ফাঁকেই সামনে থাকা মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখেন দেব।

    অভিনেতা নোয়াপাড়ার গতি নিয়েই বরানগরে দ্বিতীয় পর্বে ঢুকে পড়েন প্রচারে। ষষ্ঠীতলা থেকে বনহুগলি মোড় রুটে ভিড় শুধু রাস্তায় নয়, ছাদ-বারান্দাতেও ছড়িয়ে পড়ে। উপর-নিচ মিলিয়ে চারদিক থেকে চাপ বাড়তে থাকে মানুষের। ফুলের পাপড়ি উড়ছে, নিচে থেকে অটোগ্রাফের ডাক— মাঝেমধ্যে ব্যারিকেডে চাপ তৈরি হয়। মিছিল থামলেই সামনে এগিয়ে সাড়া দেন দেব, আর সেই মুহূর্তে ভিড়ের উত্তেজনা চূড়ায় ওঠে। পুলিশ দ্রুত ভিড় সরিয়ে রুট সচল রাখার চেষ্টা করলেও চাপ পুরোপুরি কমেনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে একই সময়ে বারাকপুরে নামেন পরিচালক-প্রযোজক অভিনেতা রাজ চক্রবর্তীর স্ত্রী অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। লালকুঠি থেকে মাধব নিবাস রুটে শুরু থেকেই নারী সমর্থকদের ভিড় নজরে পড়ে। রুট যত এগোয় ভিড় তত ঘন হয়, গাড়ির গতি বারবার থামে। সেই ফাঁকেই হাত নেড়ে সাড়া দেন শুভশ্রী, সামনে থাকা মানুষের সঙ্গে সরাসরি কানেক্ট তৈরি করেন। ভিড়ের চাপ বাড়লে পুলিশ করিডর বানিয়ে গাড়ি এগোনোর রাস্তা করে দেয়, তবু শেষ প্রান্তে পৌঁছেও ভিড় সরাতে সময় লাগে। দিনের শেষে তিন রুটেই একই ছবি— স্টার এন্ট্রি, ভিড়ের ঢল আর থেমে থেমে এগোনো মিছিল শেষ রোববারে তৃণমূল লড়াই আরও টান টান করল। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজ চক্রবর্তীর হয়ে ভোটের প্রচারে শুভশ্রী

    আবারও রাজপথে নামলেন টালিউডের ‘লেডি সুপারস্টার’ খ্যাত অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। তবে এবার নিজের জন্য নয়, তার স্বামীর জন্য। ব্যারাকপুর কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর হয়ে ভোট চাইতেই রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে জনসংযোগে অংশ নেন তিনি। 

    ব্যারাকপুরের লালকুঠি থেকে মাধব নিবাস পর্যন্ত আয়োজিত এই রোড শো-কে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। 

    রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালের এই প্রচারের শুরুতে এলাকার একটি মন্দিরে পুজা সম্পন্ন করেন শুভশ্রী। এরপর নীল-সাদা শাড়িতে সেজে হুড খোলা জিপে রাজের পাশে বসে প্রচার সারেন তিনি। 

    এই তারকা যুগলকে এতো কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ ও ভক্তরা। ভিড়ের মাঝে অনেককেই প্রিয় নায়িকার সঙ্গে হাত মেলাতে দেখা যায়। 

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনেও রাজের জয়ের নেপথ্যে শুভশ্রীর সক্রিয় প্রচার বড় ভূমিকা রেখেছিল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিন প্রচারের মধ্যেই সাম্প্রতিক একটি ভাইরাল ভিডিও নিয়েও মুখ খোলেন রাজ চক্রবর্তী। ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, এক বৃদ্ধা ভোটার রাজের পা ধুইয়ে দিচ্ছেন, যা নিয়ে বিরোধী পক্ষ কড়া সমালোচনা শুরু করে। 

    এ প্রসঙ্গে রাজ বলেন, ‘আমি এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। উনি আমাকে সন্তানের মতো এবং নারায়ণের মতো মনে করে ভক্তিভরে পা ধুইয়ে দিয়েছেন। আমি কোনো বাকবিতণ্ডায় যেতে চাই না। গত ৫ বছরে এলাকার ৭০ শতাংশ কাজ আমি করতে পেরেছি, বাকিটাও শেষ করতে চাই।’

    স্বামীর হয়ে রাজনীতির মাঠে থাকলেও এখনই প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে আসার কোনো পরিকল্পনা নেই শুভশ্রীর। রাজ জানান, দুই ছোট সন্তান ইউভান ও ইয়ালিনির দেখাশোনা এবং অভিনয়ের ব্যস্ততার কারণে শুভশ্রী রাজনীতির প্রস্তাব বারবার ফিরিয়ে দিয়েছেন। 

    তবে স্ত্রী হিসেবে রাজের প্রতি তার সমর্থন যে অটুট, রোববারের প্রচার মিছিলে অভিনেত্রীর উপস্থিতি তা আরও একবার প্রমাণ করল।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যারাকপুরে রাজের বিদায়ী বিধায়ক সত্তা এবং শুভশ্রীর জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এবারও এই কেন্দ্রে জয়ের পাল্লা ভারী রাখতে চাইছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • জিজ্ঞাসাবাদের পর নুসরাতের পোস্ট, নতুন করে আলোচনা

    টালিউড অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান রেশন ও ফ্ল্যাট দুর্নীতি মামলার তদন্তে আবারও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর তলবে হাজির হয়েছিলেন। গত ২২ এপ্রিল কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদে মুখোমুখি হন তিনি। প্রায় সাড়ে আট ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে যান অভিনেত্রী। এ সময় গণমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্য করেননি নুসরাত জাহান। তবে পরে সামাজিক মাধ্যমে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দেন তিনি।

    ফ্ল্যাট দুর্নীতিসংক্রান্ত একটি পুরোনো বিতর্কের মাঝেও দমে যাওয়ার পাত্রী নন নুসরাত জাহান। ইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার কয়েক দিন পরই সামাজিক মাধ্যমে নিজের কিছু গ্ল্যামারাস ছবি পোস্ট করেন অভিনেত্রী। 

    তবে ছবির আবেদনের চেয়েও নেটিজেনদের বেশি নজর কেড়েছে তার দেওয়া ক্যাপশনটি। ছবির ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগের মাঝে কোথাও শান্তি খুঁজে নিচ্ছি। যতক্ষণ না আমরা সেই সত্যের দেখা পাই।’ একই পোস্টে তিনি সমালোচকদের প্রতি ছুড়ে দিয়েছেন কড়া বার্তা—‘এসো নিন্দুকগণ, যা ইচ্ছে বলার বলে ফেলো।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, একটি বিশেষ সূত্র ধরে রেশন দুর্নীতি মামলায় নুসরাত জাহানের নাম উঠে আসে। কয়েক বছর আগে বাংলাদেশে গম পাচারের অভিযোগ ওঠার সময় তিনি বসিরহাটের সংসদ সদস্য ছিলেন। সেই সময় কোনো আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতেই তাকে তলব করা হয়েছিল। 

    অন্যদিকে রাজারহাট এলাকায় ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে ‘সেভেন সেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ সংক্রান্ত মামলাতেও তার ভূমিকা নিয়ে তদন্ত চলছে। ওই সংস্থার সঙ্গে নুসরাতের সংশ্লিষ্টতা থাকায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হয় বলে জানা গেছে।

    এ ঘটনার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে নুসরাত জাহানকে নিয়ে শুরু হয় ট্রলিং আর সমালোচনার ঝড়। রেশন দুর্নীতির থেকে শুরু করে ‘সেভেন সেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ সংস্থার আর্থিক অনিয়ম নেটিজেনদের নিশানায় বারবার উঠে আসে তার নাম। বাদ যাচ্ছে না নুসরাত জাহানের ব্যক্তিগত জীবনের পুরোনো বিবাদ কিংবা বিয়ের বিতর্কও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব দাশগুপ্ত মারা গেছেন

    পশ্চিমবঙ্গের বরেণ্য অভিনেতা ও বাচিকশিল্পী বিপ্লব দাশগুপ্ত আর নেই। দেড় বছর ধরে অসুস্থ থাকার পর শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে নিজ বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।  তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। 

    অভিনেতার স্ত্রী রুমা দাশগুপ্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিপ্লব দাশগুপ্ত গত দেড় বছর ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন অসুস্থতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুর পর সন্ধ্যায় দক্ষিণ কলকাতার গল্ফক্লাব রোডের নিজ বাসভবন থেকে তার মরদেহ টালিগঞ্জ টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান কলকাতার অভিনয় জগতের তারকা ও কলাকুশলীরা। 

    প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রজগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বিপ্লব দাশগুপ্ত। ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘শ্যাডোজ অব টাইম’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জীবনে পা রাখেন তিনি। এরপর ‘ফেলুদা’, ‘বাইশে শ্রাবণ’, ‘গুমনামি’ ইত্যাদি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। 

    ২০১৯ সালে তিনি ‘দেবতার গ্রাস’ ছবিতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও নাসিরুদ্দিন শাহের মতো অভিনেতাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন। ‘কুয়াশা যখন’, ‘রাগে অনুরাগে’, ‘সখী’, ‘নেতাজি’র মতো আরও একঝাঁক জনপ্রিয় বাংলা ধারাবাহিকে নিজের অভিনয় দিয়ে দর্শকের মন ছুঁয়েছেন বিপ্লব। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পেশাগত জীবনে শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে অভিনয় ও আবৃত্তিতেই থিতু হন এই অভিনেতা। বাচিকশিল্পী হিসেবেও ভারত ও বাংলাদেশের দর্শকদের কাছে তিনি অত্যন্ত পরিচিত ছিলেন। এছাড়া ভয়েস ওভার আর্টিস্ট ও বিজ্ঞাপনী জগতেও ছিল তার সরব উপস্থিতি। 

    বর্ষীয়ান এই অভিনেতার প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বাংলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি, জয়জিৎ ব্যানার্জি, রূপাঞ্জনা মিত্রসহ আরও অনেকে। 

    এই অভিনেতা স্ত্রী ও এক কন্যা রেখে গেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনীতিতে আসা অভিনয়শিল্পীদের একহাত নিলেন খরাজ মুখার্জি

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে চলছে ভোটের লড়াই। এর মধ্যেই প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় দফার ভোট আগামী ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এই ভোট নিয়ে নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা খরাজ মুখার্জি। 

    তিনি বলেন, প্রথমবার যখন ভোট দিই সেই সময় থেকেই যথেষ্ট রাজনৈতিকভাবে সচেতন মানুষ ছিলাম। কিন্তু বর্তমানে যা হচ্ছে, সেটি দেখেশুনে রাজনীতি থেকে নিজেকে মানসিকভাবে দূরে সরিয়ে নিয়েছি।

    খরাজ মুখার্জি বলেন, ছোট থেকে যখন বড় হয়েছি তখন দেখেছি— রাজনীতি মানে আদর্শের জায়গা। এই পেশায় আসতে গেলে পড়াশোনার প্রয়োজন। বাড়িতে বড়দের দেখেছি—আদর্শের রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে। কিন্তু এখন দেখি, সবার শুধু ক্ষমতা আর টাকা চাই। 

    তিনি বলেন, আমার বয়স হয়েছে। অভিনয় করে সংসার চালাই। তাই শৈশবের স্মৃতি যেন ধুয়েমুছে যাচ্ছে এই সময়ের এই অস্থির আদর্শহীন একটা সমাজকে দেখে।

    এ অভিনেতা বলেন, ভোট নিয়ে হিংসা বন্ধ করার অনেক উপায় আছে। পৃথিবীতে যখন সবকিছুই অনলাইনে হচ্ছে, ভোটটা কেন করা যাচ্ছে না অনলাইনে? এই প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছি না।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    খরাজ মুখার্জি বলেন, আমার ভোট চাক্ষুষ করা সত্তরের দশকে। তখনো অস্থির অবস্থা ছিল রাজ্যে। কিন্তু এখনকার মতো অবস্থা ছিল না। আসলে ভোটের দিনগুলোয় আগে ছিল ছুটির মেজাজ। আমি ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে ভোটকেন্দ্রে যেতাম। পোলিং অফিসাররা আমাকে দেখে বেশ আদরের সঙ্গেই বলতেন— ‘কী বাবু, তুমি ভোট দেবে?’ আমি তখন মাথা নেড়ে বলতাম— ‘হ্যাঁ দেব।’ আমার মন রাখতে তারা ভোটের কালি লাগিয়ে দিতেন আমার নখে। সেটা পেয়েই যেন আলাদা একটা উৎসাহ আসত। মনে হতো আমিও বাবার মতো বড় হয়ে গেলাম। ভোটকেন্দ্রে পোলিং অফিসারদের সঙ্গে গল্প জমিয়ে ফেলতাম। তার মাঝেই বাবার ভোট দেওয়া শেষ।

    তিনি বলেন, আসলে তখন এত হই হট্টগোল, ঝামেলা ও ঝগড়াঝাঁটির বিষয় তো ছিল না। এখন ছোটবেলার সেই সুন্দর স্মৃতি মুছে গেছে। ভোট দিতে যাওয়া মানে যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়া! রাস্তায় বেরোলেই বন্দুকের নল, ভোটকেন্দ্রের বাইরেও উর্দিধারীরা বন্দুক তাক করে বসে থাকে। উনিশ-বিশ হলেই বিপদ। আসলে এখন ব্যাপারটা হলো— নিরীহ মানুষের প্রাণ যায় যাক, ভোটটা ঠিক হতে হবে।

    এ অভিনেতা বলেন, আমাদের সময় ভোটে দেখতাম, পাড়ায় মাইকে মাইকে প্রচার হচ্ছে। জনসভা হচ্ছে রাস্তায়। এখন আমরা সামাজিক মাধ্যম থেকে টেলিভিশন— সর্বত্র ঝগড়া দেখি। ছোটবেলায় একটা জিনিস দেখতাম, রাজনীতির লোকেরা কেউ খেটে খাওয়া কিংবা কেউ পড়াশোনা জানা মানুষ। 

    তিনি বলেন, আর একটা জিনিস ছিল। আগে যারা রাজনীতিতে অভিজ্ঞ তারাই রাজনীতি করতেন। এখন তো অভিনেতারাই রাজনীতিতে—কী যোগ্যতা আছে তাদের? আসলে যে কোনো জিনিস করতে গেলে সেটা শিখতে হয়। কিন্তু শুধু দেশ চালানোর ক্ষেত্রে কোনো শিক্ষার দেখি প্রয়োজন পড়ে না। 

    খরাজ মুখার্জি বলেন, অভিনেতা-অভিনেত্রীরা কী এমন করেছেন, যারা দেশ চালানোর যোগ্যতা রাতারাতি অর্জন করে ফেলেছেন? আসলে আমার আশপাশে এত মানুষকে দেখলাম নেতা, বিধায়ক, মন্ত্রী হতে এখন তো তাদের সতীর্থ বলতেও খারাপ লাগে। আর রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রীরাই বা অভিনেতাদের সাহায্য নেন কেন? প্রশ্ন জাগে। আমি বীতশ্রদ্ধ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ সিনেমার নায়িকা প্রিয়াংকা নন, প্রথম পছন্দ ছিলেন শুভশ্রী

    টালিউডের সদ্য প্রয়াত অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দোপাধ্যায় ও অভিনেত্রী প্রিয়াংকা সরকার অভিনীত সুপারহিট সিনেমা ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ আজও সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। এ সিনেমার হাত ধরেই মেগার গণ্ডি পেরিয়ে বড়পর্দায় পা রেখেছিলেন রাহুল-প্রিয়াংকা। তাদের জুটিও দর্শকদের দারুণ পছন্দ হয়েছিল। কিন্তু আপনি শুনলে অবাক হবেন— এ সিনেমায়  প্রথমে প্রিয়াংকা সরকারের কাজ করার কোনো কথাই ছিল না। কাজ করার কথা ছিল অন্য এক নায়িকার। 

    এ সিনেমার পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ সিনেমার জন্য প্রথমে অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলীকে বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু তা হয়নি। তাহলে কেন নায়িকা বদল হয়েছিল? সিনেমা মুক্তির পর কোনো এক অনুষ্ঠানে সে কথা জানিয়েছিলেন প্রয়াত নায়ক রাহুল বন্দোপাধ্যায়।

    তিনি বলেছিলেন, প্রথমত বলি— ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ সিনেমায়  প্রিয়াংকা কিন্তু কাস্ট ছিল না। তখন আমার নায়িকা হিসেবে মোটামুটিভাবে শুভশ্রী গাঙ্গুলীকে এক প্রকার মনোনীত করা হয়েছিল। কিন্তু আমি অডিশনে সিলেক্ট হওয়ার পর রাজের মনে হয়েছিল শুভশ্রী যেহেতু একটু লম্বা-চওড়া, আর আমি যেহেতু ছোটখাটো চেহারার মানুষ, সেখানে ওকে সুডেন্ট আর আমাকে মেকানিক কতটা মানাবে?

    রাহুল আরও বলেন, সেই সময় রাজ-ই আমাকে বলেছিল— ’তোর চোখে আর কি কেউ আছে?’ সেই সময় আমি আর প্রিয়াংকা একসঙ্গে ধারাবাহিকে কাজ করতাম। তখন আমি প্রিয়াংকাকে বলেছিলাম— ‘যা গিয়ে একবার অডিশন দে’। প্রিয়াংকা যায়, অডিশন দেয় এবং ওকে সবার খুবই পছন্দ হয়। 

    তিনি আরও বলেন, এমন নয় যে শুভশ্রী অপছন্দ ছিল। শুভশ্রীকে সবাই খুবই পছন্দ করেছিলেন। কিন্তু আমাদের চেহারা অনুযায়ী আমাদের একসঙ্গে মানাচ্ছিল না।

    রাহুল বলেন, সেই সময় প্রিয়াংকা সরকার ‘বাজিমাত’ সিনেমার জন্য মনোনীত হয়েছিল। তখন এসভিএফের শ্রীকান্ত দা আর মণিদা সিনেমা দুটির নায়িকা বদল করলেন। বাজিমাত’ সিনেমার মাধ্যমে শুভশ্রী গাঙ্গুলীকে লঞ্চ করা হলো। আর প্রিয়াংকা চলে এলো ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ সিনেমায়। ভাবা যায়, সেই শুভশ্রীর সঙ্গেই কয়েক বছর পর রাজের সঙ্গে বিয়ে হবে বলে জানান রাহুল বন্দোপাধ্যায়।

    উল্লেখ্য, ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ সিনেমা সুপারহিট হয়। এ সিনেমা মুক্তির পর  রাহুল-প্রিয়াংকার প্রেমের খবর প্রকাশ্যে আসে। তারপর তারা বিয়ে করেন। এরপর ছেলে সহজের জন্ম হয়। কিন্তু মাঝে রাহুল-প্রিয়াংকার সম্পর্কে ফাটল দেখা দেয়। যদিও পরে ছেলের জন্য আবার এক হন তারা। আর তারপরই শুটিং করতে গিয়ে মৃত্যু হয় রাহুলের। 

    গত ২৯ মার্চ তালসারিতে ‘ভোলেবাবা পাড় করেগা…’ ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়ে সমুদ্রের পানিতে ডুবে প্রয়াত হন রাহুল। তার মৃত্যুতে প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে অব্যবস্থা ও গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। এরপর কলকাতা ও তালসারিতে প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে আর্টিস্ট ফোরামের সঙ্গে এফআইআর করেন প্রিয়াংকা সরকার। তবে এখনো সবটাই বিচারাধীন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফ্ল্যাট দুর্নীতি মামলায় আদালতে নুসরাত, সঙ্গে যশ

    পশ্চিমবঙ্গজুড়ে চলছে ভোট উৎসব। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজ্যের প্রথম দফার ভোট শুরু হবে। কড়া নিরাপত্তায় মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যকে। এ সবকিছুর মধ্যেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) দপ্তরে হাজিরা দিতে গেলেন টালিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহান।

    বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় টালিগঞ্জের বাড়ি থেকে ইডির অফিসের দিকে রওনা হন তিনি। বেলা সাড়ে ১০টা নাগাদ অভিনেত্রী পৌঁছে যান ইডি অফিসে। গাড়ি থেকে নেমেই সোজা ইডির দপ্তরে প্রবেশ করতে দেখা যায় নুসরাত জাহানকে, সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত।

    এর আগে নুসরাত জাহান কলকাতায় হাজিরা দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। অভিনেত্রী চেয়েছিলেন দিল্লির দপ্তরে হাজিরা দিতে, কিন্তু সেই আর্জি খারিজ করে দেওয়ার ফলে অবশেষে কলকাতায় এসেই হাজরা দিতে হলো নুসরাত জাহানকে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিনেত্রীর নাম উঠে এসেছে, তাই তাকে হাজিরা দেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে। কিন্তু পরে জানা গেছে যে, রেশন দুর্নীতি মামলার জন্য নয়; বরং ফ্ল্যাট দুর্নীতি মামলার জন্য অভিনেত্রীকে তলব করা হয়েছে।

    বেশ কিছু দিন আগে রাজারহাট এলাকায় ফ্ল্যাট কেনাবেচার ক্ষেত্রে যে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল, সেই বিষয় নিয়ে তদন্ত শুরু করেছিল ইডি। এই তদন্তে যে সংস্থার কথা জানা যায়, সেখানকার ডিরেক্টর ছিলেন নুসরাত জাহান। বিগত কয়েক মাসে তদন্ত চলাকালীন বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে ইডি আধিকারিকদের হাতে, সেই তথ্যের ভিত্তিতেই এবার তলব করা হয় অভিনেত্রীকে।

    গত সোমবার ফ্ল্যাট দুর্নীতি মামলায় নুসরাত জাহানকে তলব করা হয়েছিল ইডির তরফ থেকে। বুধবার হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল অভিনেত্রীর। সেই কথা মতোই বুধবার সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স- এ হাজিরা দিলেন নুসরাত জাহান।

    বিনোদন ডেস্ক