Tag: টালিউড

  • আবারও মা হচ্ছেন পূজা

    আবারও মা হতে যাচ্ছেন টালিউড অভিনেত্রী পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, তিনি দ্বিতীয়বারের মতো গর্ভবতী। এ সময় তিনি পজিটিভ প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট দেখিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশিত এক ভ্লগে স্বামী কুণাল ভার্মার সঙ্গে এই সুখবর নিজেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    শুধু সুখবরই নয়, ভিডিওতে এক সন্তান থাকার পর দ্বিতীয় সন্তানের আগমনে পরিবারে যে বাস্তব চ্যালেঞ্জ আসে, সেসব বিষয় নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন পূজা ও কুণাল।

    এর আগে প্রায় এক দশকের সম্পর্কের পর ২০২০ সালে আইনি বিয়ে সম্পন্ন করেন পূজা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ভার্মা। করোনা মহামারির সময় বড় আয়োজন না করে বিয়ের জন্য নির্ধারিত বাজেট সমাজসেবামূলক কাজে দান করেছিলেন তারা। একই বছরের অক্টোবর মাসে তাদের ঘর আলো করে জন্ম নেয় প্রথম সন্তান কৃষভ।

    বিয়ের চার বছর পর এবার পরিবারে আসছে নতুন সদস্য। বর্তমানে নতুন অতিথিকে ঘিরে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই তারকা দম্পতি।

    অভিনয় জীবনে পূজা বন্দ্যোপাধ্যায় দেবের বিপরীতে ‘চ্যালেঞ্জ ২’ সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের নজর কাড়েন। এ ছাড়া তাঁকে দেখা গেছে ‘রকি’, ‘হইচই আনলিমিটেড’সহ একাধিক সিনেমায়।

    ওয়েব সিরিজ ‘পাপ’ ও ‘ক্যাবারে’-তেও অভিনয় করেছেন তিনি।

    বাংলা সিনেমার পাশাপাশি হিন্দি টেলিভিশনেও জনপ্রিয় মুখ পূজা। ‘কাহানি হামারে মহাভারত কি’ এবং ‘তুঝ সাং প্রীত লাগাই সাজনা’–র মতো ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি। এ ছাড়া ‘বাংলা ড্যান্স বাংলা ড্যান্স’ অনুষ্ঠানের বিচারক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গমপাচার মামলায় বিপদে অভিনেত্রী

    গম পাচার মামলায় বিপদে আছেন ভারতীয় অভিনেত্রী নুসরত জাহান। রেশন দুর্নীতি মামলায় আগামীকাল সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে নায়িকাকে। তিনি দিল্লির ইডির সদর দপ্তরে হাজিরা দিতে চেয়ে আবেদন করেছেন।

    সূত্রে জানা যায় রেশন দুর্নীতি, গম পাচারের মামলা যে সময় হয়েছিল সেই সময় নুসরত জাহান বসিরহাটের সংসদ ছিলেন। তাই তাকে তলব করা হয়েছে।

    রেশন দুর্নীতির একটি বিশেষ সূত্র ধরে নুসরত জাহানের নাম উঠে এসেছে। যখন বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে দুর্নীতির গম পাচারের অভিযোগ উঠেছিল, সেই সময় বসিরহাটের সংসদ ছিলেন নুসরত। অভিযোগ, এই পাচারচক্রের কিছু আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে অভিনেত্রীর যোগসূত্র থাকতে পারে।

    যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে নুসরাতের পক্ষ থেকে কোনো রকম প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এর আগেও বাণিজ্যক বিষয়ে ইডির তলব পেয়েছিলেন নুসরত। 

    এই মুহূর্তে বিনোদন জগৎ থেকে দূরেই রয়েছেন নুসরত। কিছু দিন আগেই স্বামী, অভিনেতা যশ দাশগুপ্তর সঙ্গে ছুটির মেজাজে দেখা গিয়েছিল অভিনেত্রীকে। বিনোদন জগৎ থেকে দূরে থাকলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ সক্রিয় নুসরত। তাকে বিভিন্ন ট্রেন্ড ফলো করতে যেমন দেখা যায়, তেমনই আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠান নিজের মতো করে পালন করেন তিনি। ফলে সবসময়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের চর্চায় থাকেন এই অভিনেত্রী। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • গোপনে প্রেম করছেন মিমি, অঙ্কুশের কথায় নতুন ইঙ্গিত

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর দাবি তার কোনো প্রেমিক নেই। যদিও এ সুন্দরী যতই মুখে এসব কথা বলুক, কটাক্ষের সুযোগ পেলে আর ছাড়ে না বন্ধুরা। কারণ অভিনেতা-প্রযোজক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে বেশ সিরিয়াস প্রেম ছিল অভিনেত্রীর। আর তা ছিল ইন্ডাস্ট্রির ওপেন সিক্রেট। তবে ঠিক কী কারণে বিচ্ছেদ হয়েছিল, তা অবশ্য খোলাসা করেননি কেউ-ই। 

    একাংশের দাবি— রাজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে শুভশ্রীর। ফলে দূরত্ব কমে আসে মিমির। মাঝে তুরস্কের লাইন প্রোডিউসার মিলি গুলহান কিজিলকায়ার সঙ্গে অভিনেত্রীর প্রেমের গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। বিরসা দাশগুপ্তের ‘গ্যাংস্টার’ সিনেমার শুটিংয়ে গিয়ে ২০১৬ সালে আলাপ হয়। তুরস্কের বোদরুমে নুসরাত জাহানের বিয়েতেও একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল তাদের দুজনকে। দুজনে একসঙ্গে নাচও করেছিলেন। তবে সেটিও টেকেনি। সেই প্রেমিক নিয়ে বন্ধুরা যতই খোঁটা দিক, ৩৭ বছর বয়সে এসেও মিমি নিজেকে ব্যাচেলর বলেই দাবি করেন। তবে সবই এখন অতীত। বহু বছর ধরেই তিনি ‘একা’। যদিও টালিপাড়ায় কান পাতলেই শোনা যায়, একা থাকার সময় শেষ, তার জীবনে পা রেখেছেন মনের মানুষ।

    বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) সামাজিক মাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করেন মিমি চক্রবর্তী। যা তোলা হয়েছে কোনো সি বিচের ধারে। দুই-চারটা সেলফি থাকলেও বেশিরভাগই অন্য কারও হাতে তুলে দেওয়া। আর সেই ছবি শেয়ার করতেই অভিনেত্রীর বেস্ট ফ্রেন্ড অঙ্কুশ হাজরা কমেন্ট করে বসেন। 

    অবশ্য প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেতা, যা আমাদের আরও পাঁচজনের মনেও একই প্রশ্ন। অঙ্কুশ জানতে চেয়েছেন— ‘তোর প্রতিটা সোলো ট্রিপে ছবিগুলো কে তুলে দেয়, এটা একটা বড় রহস্য।’ যদিও মিমির তরফে সেই কমেন্টের কোনো জবাব আসেনি।

    এর আগে ছবি তোলা নিয়ে এক কাণ্ড হয়েছিল। মাসখানেক আগে বেড়াতে যাওয়ার ছবি দিয়ে, ফটো কার্টেসিতে দিয়েছিলেন একটা লাল হৃদয়ের ইমোজি। সেটি দেখেই মিমির কমেন্ট বক্সে সেই সময় পার্নো মিত্র লিখেছিলেন— ‘ছবি সৌজন্যে লাল হৃদয়? হুমমমমম।’ তবে জানা গেছে, মিমি চক্রবর্তীর প্রেমিক নাকি ইন্ডাস্ট্রির কেউ নন।

    বোমা ফাটান আরেক অভিনেত্রী ঋতাভরীও। হইচইয়ের এক পডকাস্টে মজার আড্ডা চলছিল তার ও ইশা সাহার। সেখানেই ঋতাভরী জানতে চান— কাকে স্টক করেন ইশা, তাতে জবাব আসে ‘মিমি’। এরপরই ঋতাভরী বলে ওঠেন— ‘যদিও প্রেমটা করছে আমার বাবির সঙ্গেই। কী আর করব। হট মিমি চক্রবর্তী, ওই জন্য ক্ষমা করে দেওয়া গেল…’! এরপর এই ‘বাবিটা’ কে, তা খুঁজে বের করার দায়িত্ব ভক্ত-অনুরাগীদের!

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেব-শুভশ্রী জুটির সিনেমায় নিষিদ্ধ তকমা কাটিয়ে চমক নিয়ে ফিরছেন অনির্বাণ

    টালিউড অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য ঘিরে দীর্ঘ দিন ধরে সিনেমাঙ্গনে নিষিদ্ধ তকমা নিয়ে আলোচনা চলছিল। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই নতুন খবর— অভিনেতা দেবের নতুন সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন অনির্বাণ। এখন প্রশ্ন উঠেছে— তবে কি সিনেমাঙ্গনের নিষিদ্ধ সংস্কৃতির অবসান হতে চলেছে? এখন অপেক্ষা, কবে শুরু হবে সেই সিনেমার শুটিং এবং বড়পর্দায় কেমন চমক নিয়ে ফেরেন অনির্বাণ। 

    সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য।

    তিনি বলেন, এ বিষয়ে শিল্পী সংগঠনগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে সমস্যার সমাধান কীভাবে হবে, তা সংগঠনের সদস্যরাই বলতে পারবেন। কারণ এসব বৈঠকে তিনি নিজে উপস্থিত থাকেন না। তবে আপাতত তিনি নতুন সিনেমায় কাজ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার লক্ষ্য একটাই— ভালো অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে  জায়গা করে নেওয়া।

    দেবের সঙ্গে আবার কাজ করার সুযোগ পেয়ে খুশি অনির্বাণ। তিনি বলেন, দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলি জুটির জনপ্রিয়তার সঙ্গে যুক্ত হতে পারা তার জন্য আনন্দের। এর পাশাপাশি এ সিনেমার মাধ্যমে দেব প্রথমবার পরিচালনায়ও নাম লিখছেন। এ নিয়েও তিনি বেশ উত্তেজিত।

    অনির্বাণের অভিনয় জীবনেও দেবের সঙ্গে কাজের একটি বিশেষ কারণ রয়েছে। তার প্রথম দিকের সিনেমাতেও দেবের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। তাই নতুন এ সিনেমা ঘিরে অভিনেতার মধ্যে বাড়তি প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে বলে জানান এ অভিনেতা।

    গত ৭ এপ্রিল টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে সাংবাদিকদের সামনে নতুন সিনেমায় অনির্বাণের অভিনয়ের খবর ঘোষণা দেন দেব। তিনি বলেন, সিনেমাঙ্গনে আর নিষিদ্ধ সংস্কৃতি চলতে দেওয়া হবে না। শিল্পীদের কাজের সুযোগ ফিরিয়ে আনতে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। দেবের এ ঘোষণার পর থেকেই আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। যদিও শিল্পী সংগঠন বা সংশ্লিষ্টমহলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যানি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেড় দশক আগের সিনেমা নিয়ে তোলপাড়, মুখ খুললেন পাওলি দাম

    টালিউড অভিনেত্রী পাওলি দাম ২০০৩ সালে ‘জীবন নিয়ে খেলা’ নামক বাংলা টেলিভিশন ধারাবাহিকের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবনের পথচলা শুরু। এরপর তিনি ‘তিথির অতিথি’ ও ‘সোনার হরিণ’-এর মতো জনপ্রিয় সিরিয়ালে অভিনয় করে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। এরপর তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। তার দুর্দান্ত অভিনয় দর্শকমনে দাগ কেটে যায়।  আর সে কারণে একটা সময়ে তার সাহসী দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন অভিনেত্রী। 

    আজ সেসব দৃশ্য সিনেমায়, ওটিটিতে বাঙালি দর্শকের কাছে যেন পানিভাতে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন পরিস্থিতিতে বাংলা ছবি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, সে কথা জানালেন অভিনেত্রী পাওলি দাম।

    সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের একাংশের মনে পড়তে পারে, দেড় দশক আগে শ্রীলংকার পরিচালক বিমুক্তি জয়সুন্দর পরিচালিত বাংলা সিনেমা ‘ছত্রাক’-এর কথা। সেই সিনেমায় পাওলি দাম অভিনীত চরিত্রের একটি নগ্নদৃশ্য নিয়ে প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল দর্শকমহলে। এমনকি খোদ পাওলিকেও এ জন্য ঘরে-বাইরে নানা সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। সেই সময় সামাজিক মাধ্যমের এতটা রমরমা ছিল না, তবু নানা কুমন্তব্য শুনতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে।

    এই দেড় দশকে কি বাংলা সিনেমার দর্শক আধুনিক হয়েছে? এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সেই দিনগুলোর কথা অনিবার্যভাবে উঠে আসে পাওলি দামের বক্তব্যে। অভিনেত্রী বলেন, বাঙালি দর্শক ওই দৃশ্য নেওয়ার মতো পরিণতমনস্ক ছিল না সেই সময়।  সেই সময় আমি জানতাম— আজ না হোক কাল এ ধরনের কাজ হবেই। সেই সময় কিছুটা সাজানোও হয়েছিল। তিনি বলেন, আমারও মনে হয়েছিল, আমি সময়ের থেকে এগিয়ে কিছু করছি। এটা তো হওয়ারই ছিল। আমি ওই ধরনের সিনেমা দেখেই বড় হয়েছি।

    পাওলি দাম বলেন, কিন্তু এখন এ ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষামূলক কাজ হচ্ছে হামেশাই। এমনকি সেসব দৃশ্যের বক্তব্য রীতিমতো ‘সেলিব্রেট’ করা হচ্ছে! অনেক সিনেমাতেই সেটা দেখা যাচ্ছে। যারা এখন এই কাজ সেলিব্রেট করেন, তারা পরিণত হয়েছেন। আগে তারা অপরিণত ছিলেন। তাদের মানসিকতারও পরিবর্তন হয়েছে। তারা শিক্ষিত হয়েছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন
     

    অভিনেত্রী বলেন, এমনিতেও সেন্সর প্রসঙ্গে আমরা বলে থাকি— বাংলা সিনেমায় খোলা পিঠ আর খোলা পা ছাড়া কিছুই দেখানো যায় না। তাই শুধু সেলিব্রেট না করে যদি সাহসী দৃশ্য নিয়ে জড়তা কাটাতে পারেন সিনেমা নির্মাতারা, তাহলে আখেরে বাংলা সিনেমার ভালোই হবে।

    ‘ছত্রাক’ সিনেমার নগ্নতা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই সেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন পাওলি দাম। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, যে কোনো চরিত্রই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আর সেটা ফুটিয়ে তুলতে শিল্পের প্রয়োজনে তিনি বহু দূর যেতে রাজি। চিত্রনাট্যের খাতিরে, শিল্পের প্রয়োজনে সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করার ব্যাপারে তার যে কোনো ‘ট্যাবু’ নেই, সে কথাও এক সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছিলেন পাওলি দাম।

    অভিনেত্রী বলেন, পৃথিবীজুড়ে সিনেমার ভাষা বদলেছে, শুধু আমাদের সিনেমা বাদে। বাংলা সিনেমা অনেক এগিয়ে ছিল। এখন ‘ছিল’ শব্দটা বলতে খারাপই লাগে। কারণ এই বাংলা থেকেই আমার কাজ শেখা। এখানকার দর্শকদেরই ভালোবাসা পাওয়া। তাদের ভালো কিছু দেওয়ার আমার চেষ্টা থাকে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিদ্যুৎস্পর্শে মারা যাওয়া টেকনিশিয়ানের মৃত্যু, স্ত্রী-ছেলের পাশে দেব

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেতা-প্রযোজক ও সংসদ সদস্য দীপক অধিকারী দেব পর্দায় সুপারস্টার, কিন্তু বাস্তবের মাটিতে তিনি যে এক বড়মাপের ‘মানুষ’, তা আরও একবার প্রমাণ করলেন। শুটিং চলাকালীন দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো টেকনিশিয়ানের পরিবাবের পাশে দাঁড়ালেন এ অভিনেতা।

    গ্ল্যামার আর আলোর দুনিয়ার নেপথ্যে যে মানুষগুলো অক্লান্ত পরিশ্রম করেন, সেই টেকনিশিয়ানদের বিপদে পাশে দাঁড়াতে দেব সবসময় একধাপ এগিয়ে। ২০২১ সালের ৩০ জুলাই শুটিং চলাকালীন বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে অকালে প্রাণ হারান প্রোডাকশন অ্যাসিস্ট্যান্ট গিল্ডের সদস্য রাজু মন্ডল। রাজুর অকালপ্রয়াণে সবচেয়ে বড় আঘাত নেমে এসেছিল তার চার বছরের ছেলে রিশানের ওপর। পৃথিবীর আলো দেখার আগেই বাবাকে হারিয়েছিল সে। এবার সেই রিশানের অভিভাবক হয়ে পাশে দাঁড়ালেন দেব।

    বিশেষ উদ্যোগে এবং তারই নির্দেশে সিনে প্রোডাকশন ম্যানেজারস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে রাজুর পরিবারের হাতে দুই লাখ ৩০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে সাহায্য এখানেই শেষ নয়; দেবের নির্দেশানুসারে সংস্থা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, ছোট্ট রিশানের পড়াশোনার যাবতীয় খরচ তারা বহন করবে। প্রতি মাসে দুই হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ছাড়াও তার সারা বছরের বই, খাতা এবং স্কুলের পুনর্ভর্তি বা রি-অ্যাডমিশন ফির দায়িত্বও নিয়েছে এ সংস্থা।

    নিজের মানবিক অবস্থান স্পষ্ট করে সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করে নিয়েছেন এ সংসদ সদস্য। সেই পোস্টে দেব লিখেছেন—আমি সবসময় আমার টেকনিশিয়ান ভাইদের পাশে আছি। ঈশ্বর সবাইকে সুস্থ রাখুক—এ কামনাই করি। শুভ নববর্ষ।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    টালিউড সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনেক বড় বড় প্রতিশ্রুতি যখন সময়ের সঙ্গে ধুয়ে যায়, ঠিক তখনই দেবের এই দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপকে কুর্নিশ জানাচ্ছে টালিপাড়া। টেকনিশিয়ানদের কাছে দেব শুধু একজন অভিনেতাই নন, বরং এক নির্ভরযোগ্য ভরসার নাম। রাজু মন্ডলের মৃত্যু নিয়ে অনেক জলঘোলা হলেও কাজের কাজ করে দেখালেন দেব এবং তার সহযোগী সংস্থা। রিশানের চোখের নতুন স্বপ্ন যেন আজ দেবের মানবিকতায় আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল।

    সম্প্রতি দেবকে ঘিরে কম আলোচনা হয়নি টালিপাড়ায়। ডিরেক্টর্স গিল্ড ও ফেডারেশনের মধ্যে কিছু মতভেদ এবং পরে কিছু আইনি জটিলতা তৈরি হওয়ার কারণে অনির্বাণ ভট্টাচার্য, ঋদ্ধি সেনের মতো অভিনেতারা কাজ করতে পারছিলেন না। সংবাদ সম্মেলনের মধ্যেই দেব জানিয়ে দেন, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় তাকে কথা দিয়েছেন, যেসব শিল্পী কাজ করতে পারছেন না, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের কাজে ফেরাবেন তিনি। পর দিনই সামাজিক মাধ্যমে একটি আইনি চিঠি শেয়ার করে নেন দেব। এরপর ফেডারেশনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি ডিরেক্টর্স গিল্ড। কিন্তু কাউকে না জানিয়ে সেই চিঠি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করায় মনোক্ষুণ্ণ হন প্রসেনজিৎ। প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের সামনে সেই কথা বলেন বুম্বাদা। যদিও সেসব নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি দেব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • একটি যুগ নিয়ে চলে গেলেন আশা ভোসলে: মুনমুন

    ভারতে কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলের মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোকের হাওয়া বইছে। বিনোদন থেকে শুরু করে গোটা উপমহাদেশের বিভিন্ন অঙ্গনের মানুষ এ গুণী সংগীতশিল্পীর প্রতি শোক ও শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। এর মধ্যেই শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রিয়াংকা চোপড়া, উদিত নারায়ণ, এআর রহমান, অলকা ইয়াগনিক থেকে শুরু করে অভিনেত্রী কাজল, শাহরুখ খান, প্রসেনজিৎ প্রমুখ। এবার টালিউডে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মুনমুন সেন এ কিংবদন্তিকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করলেন। জানালেন দীর্ঘদিন কাছ থেকে দেখা তার মনের কথা।

    মুনমুন বলেছেন, আমার স্বামী ভরত দেব বর্মন ত্রিপুরার রাজবাড়ির ছেলে। ওর কাকা শচীন দেব বর্মন। তার ছেলে রাহুল দেব বর্মন। অর্থাৎ ভরত আর রাহুল আত্মীয়তাসূত্রে ‘তুতো’ ভাই। আমরা যখনই মুম্বাইয়ে যেতাম, তখনই আমার স্বামীর জন্য রান্না করা মাছ আসত দেব বর্মন বাড়ি থেকে। তা যত্ন করে টিফিন ক্যারিয়ারে নিজের হাতে ভরে দিতেন আশাজি। এরপর একবার আশাজি এলেন কলকাতায়, আমাদের বাড়িতে। একাই এলেন। 

    তিনি বলেন, আমাদের বাড়িতে এসে ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলেন গোটা বাড়ি। আমাদের বাড়িতে শচীন দেব বর্মনের ছবি সুন্দর করে সাজানো ছিল।

    অভিনেত্রী বলেন, আমি কিছু বলিনি সেদিন। ওই দিন থেকে সম্পর্কটা যেন আরও গভীর, আরও আন্তরিক হয়ে গেল। ওই একটা দিনের কিছু কথা বদলে দিল আমার সম্বোধন। আমি আশাজিকে ‘বউদি’ বলে ডাকা শুরু করলাম। তিনি বলেন, আমার বউদি খুব সাদামাটা। খুব জ্ঞানী। সেই জ্ঞানের দৃঢ়তা কখনো-সখনো প্রকাশ পেত তার কথায় এবং তার আচরণে। বউদি সাদা শাড়ি পরতে ভালোবাসতেন খুব। সব অনুষ্ঠানে খুব সুন্দর করে শাড়ি পরতেন। ওর ফ্যাশন নিয়েও সেই সময়ে কম আলোচনা হয়নি।

    আবেগঘন কণ্ঠে অভিনেত্রী বলেন,  আমার অবশ্য সেসব ছাপিয়ে ওর মুখ, ওর গানের কথাই বেশি মনে পড়ছে। এই যে এত গান গেয়েছেন, সেসব সুর, যেন আঁচলে বেঁধে চলে গেলেন। সেই সুর সেই সময়কে আর তো খুঁজে পাব না। আর ফিরে পাব না আমরা কোনো দিন।

    মুনমুন বলেন, আমাদের প্রায়ই দেখা হতো। মুম্বাই গেলে কিংবা বিমানে চড়ে যাতায়াতের সময়েও। একবার আশা বউদি বলেছিলেন—দুবাইয়ে আমার ভারতীয় রেস্তোরাঁ আছে। তুমি নিশ্চয়ই আসবে। ‘আজ পর্যন্ত সেই নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যেতে পারিনি। 

    তিনি বলেন, তারপর লম্বা সময় আমাদের সাক্ষাৎ বন্ধ। যেদিন রাহুল চলে গেলেন, সেদিন কাকতালীয়ভাবে আমি মুম্বাইয়ে। খবর পেয়ে দেখা করতে গিয়েছিলাম আশা বউদির সঙ্গে। শোকস্তব্ধ বউদি যেন পাথরপ্রতিমা। কারও সঙ্গে কথা বলার মতো অবস্থাতেই নেই। সবাই আসছিলেন, দেখা করে যাচ্ছিলেন। উনি নীরবে সব দেখে যাচ্ছিলেন। যেন বাহ্যজ্ঞানরহিত! সেই শেষ দেখা আশা বউদির সঙ্গে। আজ (রোববার) সকাল থেকে খুব ব্যস্ত ছিলাম। কিছু কাজ ছিল। খবরটা শোনার পর মনে হলো– একটা যুগ নিয়ে চলে গেলেন আশা ভোসলে।

    তিনি বলেন, ওর গাওয়া গান আমার মা সুচিত্রা সেনের ছবিতেও হিট। পরবর্তী সময় আমার ছবিতেও। আরও বড় ব্যাপার—সেসব গানের অনেকগুলোই রাহুল দেব বর্মন বা পঞ্চমের সুর করা। যদিও কোনো দিন সামনে বসে ওর গান শোনার সৌভাগ্য আমার হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রভাবশালী প্রযোজকের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ জনপ্রিয় অভিনেত্রীর

    এবার বাংলা টেলিভিশন জগতের প্রভাবশালী প্রযোজক ও ‘টেন্ট সিনেমা’র কর্ণধার সুশান্ত দাসের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তা এবং কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুকন্যা দত্ত গুহ। অভিনেতা রাহুল ব্যানার্জির মৃত্যুর পর যখন টালিপাড়া উত্তাল, ঠিক সেই মুহূর্তে সামনে এলো এমন এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বার্তা। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে এমনই একটি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। সেই পোস্ট নিয়ে ইতোমধ্যে ‘ন্যাশনাল কমিশন ফর উইমেন’-এর দ্বারস্থ হয়েছেন সুকন্যা দত্ত।

    কয়েক বছর আগের ঘটনা একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুকন্যা দত্ত বলেন, গত আট বছর ধরে তাকে এবং তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে মানসিক ও শারীরিক হেনস্তা করে আসছেন সুশান্ত দাস। ঘটনার সূত্রপাত ধারাবাহিক ‘দীপ জ্বেলে যাই’-এর সেটে বলে জানান এ অভিনেত্রী। 

    সুকন্যা বলেন, ‘সুশান্ত দাস আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন— আমি যদি রাজি না হই, তবে আমার দৃশ্যটি রাখা হবে না। আমি রাজি হইনি বলে শেষ পর্যন্ত সত্যিই আমার সিনটি বাদ দিয়ে শুধু একটি পাসিং শট রাখা হয়েছিল। আর সেখান থেকেই শুরু হয় আমার ওপর অনাচার।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী আরও দাবি করে বলেন, এখানেই শেষ নয়। তার বাবাকে ভালো কাজের সুযোগ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখাতেন তিনি। মফস্বলের মেয়ে হওয়ায় এবং ক্যারিয়ার নষ্ট হওয়ার ভয়ে এতদিন চুপ ছিলেন তিনি। সুকন্যা বলেন, তার স্বামী সাহস জোগানোয় এবং নিজের চার মাসের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তিনি আজ সরব হয়েছেন। 

    অন্যদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এমন গুরুতর অভিযোগ শুনে রীতিমতো বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রযোজক সুশান্ত দাস। তিনি বলেন, আমি সামাজিক মাধ্যমে পোস্টটি দেখেছি। সুকন্যা ২০১৯ সালে আমার একটি ধারাবাহিকে কাজ করেছিল। এত বছর পর হঠাৎ কেন এমন অভিযোগ তোলা হলো, তা ভেবে আমি অবাক হচ্ছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিমান ভুলে ফের তৃণমূলের ‘তারকা প্রচারক’ নুসরাত

    ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে টিকিট না পাওয়ায় তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছিল নুসরাত জাহানের। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে ফের দলের পাশে দাঁড়ালেন বসিরহাটের প্রাক্তন সংসদ সদস্য। তৃণমূলের দ্বিতীয় দফার তারকা প্রচারকের তালিকায় এবার তার নামও রয়েছে।

    ঘাসফুল শিবিরের এই তালিকায় মমতা ব্যানার্জি, অভিষেক ব্যানার্জি, দেব, শত্রুঘ্ন সিনহা, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষের মতো নেতাদের পাশাপাশি বিনোদন ও ক্রীড়া জগতের তারকাদেরও রাখা হয়েছে। প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান, কীর্তি আজাদ এবং চমক হিসেবে কোয়েল মল্লিকও তালিকায় আছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ২০২৪ সালের ভোটের পর নুসরাত একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দিয়ে দলকে মৃদুভাবে বুঝিয়েছিলেন। পোস্টে একটি সাওয়ারডো রুটি এবং ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘I prefer sourdough over sour people অর্থাৎ আমি খিটখিটে মানুষের চেয়ে টক রুটি বেশি পছন্দ করি।,’ যা অনেকেই তৃণমূলের দিকে ইঙ্গিত হিসেবে দেখেছিলেন।

    বসিরহাট কেন্দ্রের সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে নুসরাত ব্যক্তিগত জীবনের নানা বিতর্কেও সংবাদ শিরোনামে ছিলেন। তবে সব কিছুকে পেছনে ফেলে এবার তিনি দলের প্রচারে সক্রিয় হবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আর্টিস্ট ফোরামের মিটিংয়ে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত অঙ্কুশের, কিন্তু কেন?

    টালিউডে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষ থেকে। সেই ডাকে সাড়া দিয়েছেন অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে টেকনিশিয়ানরাও। কিন্তু আর্টিস্ট ফোরামে যোগ দেননি জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা। প্রত্যেকে উপস্থিত থাকলেও বৈঠকে দেখা যায়নি অভিনেতাকে।

    আর্টিস্ট ফোরামের তরফ থেকে ৭ এপ্রিল সকাল ১০টায় কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেই বৈঠকে অনুপস্থিতির কারণ ব্যাখ্যা করে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন অঙ্কুশ হাজরা। সেই পোস্টে অভিনেতা লিখেছেন— আমি ক্ষমাপ্রার্থী আজকের আর্টিস্ট ফোরাম তথা ফেডারেশনের এই মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করতে পারলাম না বলে। তিনি বলেন, আমার পরিবারে একটা মেডিকেল ইমারজেন্সির জন্য আজ (৭ এপ্রিল) আমার পক্ষে থাকা সম্ভব নয় এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেওয়া।

    অঙ্কুশ আরও বলেন, তবে যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তাকে পুরোপুরি সমর্থন করছি আমি। আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব আগামী দিনে এ রকম গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে শুধু অঙ্কুশ হাজরা নন মঙ্গলবারের (৭ এপ্রিল) সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি অভিনেত্রী মানসী সিনহাও। সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন— নিতান্তই ব্যক্তিগত কারণে তিনি বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারলেন না; কিন্তু আর্টিস্ট ফোরামের নেওয়া সিদ্ধান্তকে তিনি পুরোপুরি সমর্থন করছেন।

    তিনি আরও বলেন, তিনি নিজেও বহু অবহেলার শিকার হয়েছেন। মেনে নিয়েছেন তিনি। তবে আজ (মঙ্গলবার) তার মনে হচ্ছে, সেটি ভুল হয়েছে, অনেক আগেই প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। ভবিষ্যতে এমন ভুল আর হবে না বলেও জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    উল্লেখ্য, অভিনেতা অঙ্গুশ হাজরা গত বছর ‘রক্তবীজ ২’ সিনেমায় অসাধারণ অভিনয় করেন। সেই সিনেমায় অভিনেতা খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। চলতি বছর মুক্তি পায় অভিনেতার ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’। কিন্তু এ সিনেমাটি দুর্ভাগ্যবশত বক্স অফিসে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি।

    বিনোদন ডেস্ক