Tag: টালিউড

  • ‘হতে পারে কোয়েল ভুল সিঁড়িতে পা দিয়েছিলেন’

    রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক-এর পদত্যাগ নিয়ে মন্তব্য করেছেন অভিনেতা ও সংসদ সদস্য রুদ্রনীল ঘোষ। তার মতে, কোয়েল হয়তো এমন একটি পথে পা রেখেছিলেন, যা সম্পর্কে তার ধারণা বাস্তবতার সঙ্গে মেলেনি।

    চলতি বছরের এপ্রিলে তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনয়নে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন কোয়েল মল্লিক। তবে মাত্র ৬৬ দিনের মাথায় শুক্রবার (১২ জুন) তিনি পদত্যাগ করেন। এ সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

    শনিবার (১৩ জুন) ‘আবার হাওয়া বদল’ সিনেমার প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিষয়টি নিয়ে নিজের মতামত জানান রুদ্রনীল ঘোষ।

    তিনি বলেন, ‘কোয়েল অত্যন্ত ভদ্র ও সজ্জন একজন মানুষ। মানুষের জানা ও অজানার মাঝখানে অনেক সময় কিছু সিঁড়ি থাকে। হতে পারে তিনি কোনো ভুল সিঁড়িতে পা দিয়েছিলেন। পরে তার মনে হয়েছে, এই সিঁড়ি তো তাকে সেই জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে না, যেখানে যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন।’

    কোয়েলের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে রুদ্রনীল আরও বলেন, ‘তিনি একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ। নিজের বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমার কাছে তিনি অত্যন্ত রুচিশীলা, গুণী এবং প্রিয় একজন মানুষ।’

    এদিকে নিজের সিনেমা ‘আবার হাওয়া বদল’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অতীতের নানা প্রতিবন্ধকতার প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। রুদ্রনীলের দাবি, ছবিটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মুক্তির পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তার ভাষায়, ‘যারা ছবিটি মুক্তি পেতে দেয়নি, মানুষ এখন তাদের ভুলে গেছে। তারা নিজেরাই নিজেদের অবস্থান নিয়ে দ্বিধায় আছে। কিন্তু এর মধ্যেই ‘আবার হাওয়া বদল’ দর্শকদের সামনে এসেছে। মন খারাপের সময়েও এই সিনেমা মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

    প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রসঙ্গ নিয়েও মন্তব্য করেন রুদ্রনীল। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সম্পর্কে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, ‘কুণাল ঘোষ আমার কাছে সবসময়ই এক বিস্ময়ের নাম। তার বক্তব্য নিয়ে অনেকেই আলোচনা করেন।’ 

    সাম্প্রতিক ‘ডিম-রাজনীতি’ নিয়েও মন্তব্য করেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, ‘ডিমের ব্যবহার হওয়া উচিত অমলেট বা সেদ্ধ তৈরির জন্য। যেভাবে ডিম নষ্ট করা হচ্ছে, আমি তার বিরোধী। এ ধরনের অপচয় বন্ধ হওয়া উচিত।’ 

    কোয়েল মল্লিকের পদত্যাগ নিয়ে নানা জল্পনা চললেও এ বিষয়ে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। তবে রুদ্রনীলের মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমরা একে অন্যের জন্য সৃষ্টি— শুভশ্রীকে নিয়ে যিশু

    কিছু দিনের মধ্যেই মুক্তি পেতে চলেছে যিশু সেনগুপ্ত ও শুভশ্রী গাঙ্গুলির সিনেমা ‘অভিমান’। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সিনেমা ও ব্যক্তিগত মান–অভিমান নিয়ে নানা কথা বললেন এ তারকা জুটি।

    আপনাদের দুজনের কাছে ‘অভিমান’ শব্দের সংজ্ঞা কী?—এমন প্রশ্নের উত্তরে যিশু বলেন, অভিমান তার সঙ্গেই হয়, যার সঙ্গে একটা ভালো লাগার এবং ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে। ভালোবাসা কিংবা ভালো লাগার সম্পর্ক না থাকলে অভিমানের বদলে রাগ হয়। যে আমার সব থেকে কাছের মানুষ, তার প্রতিই অভিমান সবচেয়ে বেশি হয়।

    অন্যদিকে শুভশ্রী বলেন, আমার মনে হয় অভিমানের কোনো নির্দিষ্ট ডেফিনেশন হয় না। অভিমান একটা অনুভূতি। ভালোবাসা থাকলে অভিমান থাকবেই। যাকে ভরসা করা যায়, অভিমান তার প্রতিই হয়। এটা ভীষণ মিষ্টি একটা ফিলিংস।

    বন্ধুত্ব নাকি প্রেম— সবচেয়ে বেশি অভিমান হয় কোন সম্পর্কের ক্ষেত্রে? এ প্রসঙ্গে  শুভশ্রী বলেন, আমার তো মনে হয় বন্ধুত্বেই আমাদের সবচেয়ে বেশি অভিমান হয়। প্রেমেও অভিমান থাকে। তবে সেটা একটু আলাদা ধরনের হয়। তোমার কী মনে যিশু দা?

    যিশু বলেন, আমিও শুভশ্রীর সঙ্গেই সহমত। অভিমান দিয়ে সম্পর্ক যাচাই করা যায়। অভিমান গাঢ় হলে বোঝা যায় সম্পর্ক আসলে ঠিক কতটা গভীর। আমার তো বন্ধুদের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি মান-অভিমান হয়, হয়েছে।

    প্রযোজক হিসেবে যিশু সেনগুপ্তকে কত নম্বর দেবেন? উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, একেবারে ফুল মার্কস। সেটে যিশুদাকে অভিনেতা হিসেবেও পেয়েছি। বরং সৌরভ (দাস) প্রযোজনার দায়িত্ব বেশি সামলেছে। 

    দুজনেরই ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক বছর হয়ে গেল। পেছনে কি ফেলে এলেন? অভিনেতা বলেন, সময়ের সঙ্গে অনেক কিছুই তো পেছনে ফেলে এগোতে হয়। তবে সত্যি বলতে— শুধু ইন্ডাস্ট্রি নয়, গোটা ইউনিভার্স থেকে আমি যা কিছু পেয়েছি তার জন্য আমি ধন্য। ছয় মাস কারেন্ট ছিল না, প্রতিবেশীরা খাবার না দিলে খাওয়া জুটত না— এই জায়গা থেকে উঠে এসেছি আমি। 

    এখন যা ইচ্ছা খেতে পারি। তিন-চারটা গাড়ি আছে, বাড়ি হয়েছে। এরপর আর কিছু চাওয়ার থাকতে পারে না। যা পেয়েছি, কাল মরে গেলেও কোনো আক্ষেপ থাকবে না বলে জানিয়েছেন যিশু সেনগুপ্ত। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে শুভশ্রী বলেন, ইন্ডাস্ট্রি থেকে আমার প্রাপ্তির ঝুলিটাই সবচেয়ে ভারি। বদলে কতটা দিতে পেরেছি জানি না। আমার আসলে জীবনের কোনো কিছু নিয়েই বিশেষ অভিযোগ নেই। কোনো আপসোসও নেই। ভগবান সারাজীবনে আমাকে অনেক কিছু দিয়েছেন। যেগুলো ঠিক আমাদের মনের মতো হয় না, সেটাই আমাদের চোখে খারাপ। আমি বিশ্বাস করি সেই খারাপটাও হয় আমাদের ভালোর জন্যই বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    যিশু, আপনি তো চাইলে ক্রিকেটারও হতে পারতেন। মাঝে মধ্যে কি সে জন্য আক্ষেপ হয় না? এমন প্রশ্নের উত্তরে যিশু বলেন, সেটা নিয়ে খারাপ লাগা আছে। তবে আমি এমন একটা প্রফেশনে আছি, চাইলে পর্দায় ক্রিকেটার ও ফুটবলার হতেই পারি। সেটা বাদ দিয়েও ভগবান তো আমাকে সিসিএল খেলার সুযোগ করে দিয়েছেন। আবার ক্যাপ্টেনও হলাম। যে-যে মাঠগুলোতে আমরা খেলি, সবই তো ইন্টারন্যাশনাল গ্রাউন্ড। আমি লাকি যে চিন্নাস্বামীতে গিয়ে খেলতে পেরেছি।

    শুভশ্রী বললেন, যিশুদা যদি প্রফেশনালি ক্রিকেট খেলত, তাহলে তো অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তকে পেতাম না। যিশুদা একসঙ্গে দুটোই করতে পারছে— এটা বেশ ভালো হয়েছে।

    যিশু এবং শুভশ্রীকে জুটি হিসেবে সেভাবে পাওয়া গেল না। যিশু বলেন, অঞ্জনদার (দত্ত) একটা সিনেমায় আমরা হিরো-হিরোইন ছিলাম। তবে প্রথমবার কোনো বড় ছবিতে আমাদের একসঙ্গে দেখা যাবে। তবে জুটি হিসাবে কিনা, সেটা এখন বলা যাবে না।

    শুভশ্রী বলেন, ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’-তে আমরা দুজনেই ছিলাম। তবে জুটি হিসেবে সত্যিই কম কাজ হয়েছে। আমাদের জুটি হতে পারে সেটা হয়তো কেউ ভাবেননি।

    কে বেশি অভিমানী— যিশু না শুভশ্রী। যিশু বলেন, আমরা কেউ-ই নয়; বরং আমি আর শুভশ্রী মেড ফর ইচ আদার। এটা কিন্তু রাজ (চক্রবর্তী) জানে। আবার যেন কেউ না বলে, আমি ফ্লার্ট করছি। সবাই সবটা জানে। মজা করছি। আমার মনে হয় কোলেস্টেরল, সুগার শরীরে না পুষে রাখতে চাইলে অভিমান হলে বলে দেওয়া উচিত। যেমন শুভশ্রীও সেটা করেছিল।

    শুভশ্রী বলেন, আসলে শিল্পীরা পানির মতো খুব সহজ-সরল হয়। অভিমান মনের মধ্যে জমিয়ে না রেখে বলে দেওয়াই উচিত।

    কাজ করতে গিয়ে একে অন্যের সম্পর্কে কোনো ভুল ধারণা ভেঙে গেল? শুভশ্রী বলেন, এটাও আমার প্রাপ্তি। যিশুদা সত্যিই কোনো সিনেমা দেখে না। যিশুদা তো বলছেই এবার অন্য ভাষার ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করা উচিত।

    যিশু বলেন, শুভশ্রী যে এত ভালো অভিনয় করে, সেটা আমি সত্যিই জানতাম না। আমি অ্যাকশন, থ্রিলারের মতো মাইন্ডলেস সিনেমা ছাড়া খুব একটা দেখি না। ফলে জানতাম না যে শুভশ্রী এত ভালো কাজ করছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভুয়া গ্রেফতারের খবরে ক্ষুব্ধ মিমি, মিডিয়াকে এক হাত নিলেন নায়িকা

    টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে জড়িয়ে গত কয়েক দিন ধরে ‘বনগাঁকাণ্ড’ নিয়ে উত্তাল সামাজিক মাধ্যম নেটিজেনদের মাঝে। একাধিক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, বনগাঁ আদালতে মিমির বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করা হয়েছে এবং আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাকে সশরীরে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    এবার এসব প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর’ বলে উড়িয়ে দিয়ে কড়া আইনি বিবৃতি জারি করলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। সোমবার (৮ জুন) সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে পাঠানো এক চিঠিতে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে এমন কোনো আইনি পদক্ষেপের খবর তো দূর, আদতে কোনো এফআইআরই নেই।

    মিমি তার বিবৃতিতে একাধিক প্রথম সারির পোর্টালকে সরাসরি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। ৬ জুন প্রকাশিত ওই সব প্রতিবেদনে অভিযোগকারী তনয় শাস্ত্রীর বয়ানের ওপর ভিত্তি করে মিমির বিরুদ্ধে চার্জশিট ও ১০ দিনের মধ্যে হাজিরার দাবি করা হয়েছিল।

    এ প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দিয়ে মিমি লিখেছেন— এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে, ওই  সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকরা ইন্টারনেট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় এ খবর ছড়িয়ে দেওয়ার আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করার প্রয়োজনটুকুও মনে করেননি। আমার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, মানহানিকর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং সত্যবর্জিত। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন রিপোর্টিং সাধারণ মানুষের দরবারে তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে তৈরি সুনাম ও ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    ভুয়া খবর বন্ধ না করলে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়ে মিমি চক্রবর্তী বলেন, বনগাঁ আদালতে তার বিরুদ্ধে কোনো চার্জশিট দেওয়া হয়নি। বর্তমান তারিখ পর্যন্ত তার নামে কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড বা এফআইআরও নেই।

    ভবিষ্যতে যাতে এই ভুয়া খবর আর না ছড়ায়, তার জন্য কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, আমি সব শ্রদ্ধেয় সংবাদমাধ্যম ও প্রকাশনা সংস্থাকে অনুরোধ করছি— প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল বা সোশ্যাল মিডিয়া— কোথাও যেন এ ধরনের কোনো যাচাই না করা বা মিথ্যা খবর পরিবেশন বা প্রচার না করা হয়। এরপরও যদি কেউ এমনটি করেন, তবে তার সম্পূর্ণ দায় এবং আইনি ঝুঁকি ও খরচ সংশ্লিষ্ট সংস্থাকেই বহন করতে হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়তে পারেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যসভা নির্বাচনে দলের প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে ছিল জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের নাম। রাজ্য পুলিশের সাবেক ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী ছাড়াও ছিলেন কোয়েল মল্লিক। 

    তবে এর কয়েক দিন আগে তদানীন্তন রাজ্যসরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের খতিয়ান নিয়ে মল্লিকবাড়িতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর এপ্রিল মাসে দিল্লিতে রাজ্যসভার সংসদ সদস্যপদে শপথ নিতে যান অভিনেত্রী। সঙ্গে ছিল তার গোটা পরিবার। 

    কোয়েল মল্লিক রাজনীতিতে যেতে ইচ্ছুক— এমনটি আগে কখনো শোনা যায়নি। ফলে গত এপ্রিল মাসে কোয়েল তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভায় যেতে রাজি হয়েছেন শুনে বেশ বিস্মিত হয়েছিলেন তার ঘনিষ্ঠরা। কেউ কেউ এমনও বলেছিলেন— তার হয়ে অন্য কেউ-ই এ প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। 

    শপথের পর অভিনেত্রী বলেছিলেন— অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তা নয়। এটা তো একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা— এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না। সেই জায়গা থেকে আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি যে, আমার নাম মনোনীত হয়েছে এবং আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় আসতে পেরেছি। 

    কোয়েলের রাজ্যসভার পদ ছাড়ার প্রসঙ্গ উঠতেই সেসব কথা ফিরে আসছে সামাজিক মাধ্যমসহ নানা মহলে। রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূলে লাগাতার ধস অব্যাহত। অভিনেত্রীও কি সেই পথেরই পথিক? অভিনেত্রী কি দিল্লির পথে রওনা দিয়েছেন? 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এখন পালাবদলের সময়। যাদের হয়ে রাজ্যসভায় গিয়েছিলেন কোয়েল, সেই তৃণমূলে ভাঙন ধরেছে। কিন্তু তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সদস্যদের দলে কোয়েল যোগদান করবেন না। সম্মান রেখে রাজনীতি থেকে দূরেই থাকবেন তিনি। অভিনেত্রীকে যারা কাছ থেকে চেনেন, তারা অন্তত এমনই মনে করছেন। প্রসঙ্গত সোমবার (৮ জুন) সকাল থেকে কোয়েলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি নিশ্চুপ। মেলেনি এ সংক্রান্ত কোনো উত্তর।

    তৃণমূলের একটি সূত্র জানিয়েছিল, কোয়েলের যেহেতু পাঞ্জাবি পরিবারে বিয়ে, তাই তাকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে নাকি ভবানীপুরের পাঞ্জাবি ভোটারদের কাছে বার্তা দিতে চেয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ভোটের ফলে এই অঙ্ক ভ্রান্ত প্রমাণিত হয়েছে। ভবানীপুরে পাঞ্জাবিদের ভোট এমন কিছু বেশি নয়। ফলে কোয়েলকে রাজ্যসভায় পাঠানোটা ‘তেলা মাথায় অতিরিক্ত তেল’ দেওয়ার মতো ঘটনা বলে অনেকে মনে করেন।

    দলের অন্দরে কান পাতলে আর একটা কথাও শোনা যায়। কোয়েলের স্বামী বর্তমানে প্রযোজনা ছাড়াও কিছু রিয়েল এস্টেটের কাজের সঙ্গে যুক্ত। রিয়েল এস্টেট ব্যবসার স্বার্থেই নাকি তিনি কোয়েলকে মমতার অনুরোধ ফেলতে বারণ করেন। কোয়েল-ঘনিষ্ঠ এক অভিনেতা অবশ্য এ সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন। 

    এমনকি তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার পরও কোয়েলের অভিনেতা পিতা রঞ্জিত মল্লিক বলেছিলেন, কোয়েল বড় হয়েছে। বুঝদার মেয়ে। ওকে আলাদা করে বলার কিছু নেই। খুবই বুদ্ধি নিয়ে কাজ করে। এ ক্ষেত্রেও তেমনই করবে। বাবা হিসাবে যা যা বলার সেটুকু বলেছি। সৎপথে থেকে ভালো কাজ করুক— এটাই চাওয়া।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১০ বছর ইন্ডাস্ট্রিতে নিষিদ্ধ ছিলাম, বিস্ফোরক পোস্ট শ্রীলেখার

    টালিউডে দীর্ঘদিন ক্ষমতা, প্রভাব আর সিন্ডিকেট নিয়ে গুঞ্জন ছিল, তবে সেসব খুব একটা প্রকাশ্যে আসেনি। এবার তা ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসছে। এ ব্যাপারে মুখ খুলেছেন ইন্ডাস্ট্রির আলোচিত ও ঠোঁটকাটা স্বভাবের অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। 

    টালিউডের সংগঠক ও প্রযোজক স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকটি পোস্ট করেছেন তিনি, যা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

    পশ্চিমবঙ্গের সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। গত ৪ জুন রাতে টালিগঞ্জ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পে কথিত চাঁদাবাজি চক্রের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। একজন মেকআপশিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ―দীর্ঘদিন ধরে কাজ না পাওয়ায় সুযোগ চাইতে তার কাছে যাওয়া হলে অর্থ দাবি করা হয়। আর সেই অর্থ দিতে না পারায় হুমকি দেওয়া হয়েছিল তাকে।

    হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হওয়ার পর গত ৫ জুন তিনি তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘একজন মানুষ একদিনে স্বরূপ হয়ে ওঠে না, তাকে তৈরি করে নির্দিষ্ট একটি ব্যবস্থা। ওই ব্যবস্থার সুবিধাভোগীরাও সমানভাবে দায়ী।’

    এ অভিনেত্রীর প্রশ্ন, স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে যারা একসময় নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করেছেন, তাদের ভূমিকা নিয়ে কি আলোচনা হবে? তিনি আরও মনে করিয়ে দেন, একসময় স্বরূপ বিশ্বাস সম্পর্কে শুধু একটি মন্তব্য করার জন্য ব্যাপক আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে। এখন সেসব মানুষগুলোর অবস্থান কী, সেটিও জানতে চেয়েছেন।

    এদিকে এই পোস্টের পরদিন, অর্থাৎ ৬ জুন বেলা ৩টা ৩৩ মিনিটে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে শ্রীলেখা দাবি করেছেন, তাকে মূলত এক দশক ধরে টালিউডে কাজ করতে দেয়া হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেস এবং শিল্পের নিয়ন্ত্রণকারী কিছু তথাকথিত শিল্পীর জন্য নিষিদ্ধ অবস্থায় ছিলেন তিনি।

    এ টালি তারকা লিখেছেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেস এবং এই টালিউড শাসন করা তথাকথিত শিল্পীদের দ্বারা গত দশ বছর ধরে কার্যত আমাকে নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। এ জন্য সংবাদমাধ্যমের বন্ধুদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দয়া করে সাক্ষাৎকারের জন্য কেউ আমার কাছে আসবেন না। আমি যা বলতে চেয়েছিলাম, তা ইতোমধ্যে বলে দিয়েছি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • মানহানি মামলার মাঝেই সতর্কবার্তা দিলেন মিমি

    বনগাঁর একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিতর্কে নতুন মোড় এসেছে। টালিউড অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী এবং তনয় শাস্ত্রীর মধ্যকার আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই এবার সতর্কবার্তা দিলেন মিমি।

    জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার জেরে মিমি চক্রবর্তীর অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হন তনয় শাস্ত্রী। পরে আদালতের নির্দেশে কিছুদিন জেল হেফাজতেও থাকতে হয় তাকে। পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়ে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন তনয়।

    তনয়ের দাবি, মামলার শুনানির জন্য আদালত একাধিকবার দিন ধার্য করলেও মিমি ব্যক্তিগতভাবে হাজির হননি। এ অবস্থায় তনয়ের আইনজীবী ও বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আদালতের কাছে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আবেদন জানিয়েছেন।

    নতুন এই আইনি পদক্ষেপ ঘিরে টলিপাড়ায় শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। যদিও পুরো বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি মিমি। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পরোক্ষভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি।

    মিমির অভিযোগ, তাকে ঘিরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে এমন কিছু তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যার অনেকগুলোরই যথাযথ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে না। ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হলে তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।

    পোস্টে অভিনেত্রী সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তার সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে অবশ্যই তা সঠিকভাবে যাচাই করা উচিত।

    মিমির এই বার্তার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে তনয় শাস্ত্রীর সঙ্গে তার চলমান আইনি বিরোধ। একদিকে মানহানি মামলা, অন্যদিকে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ-সব মিলিয়ে ঘটনাটি এখন টলিউড অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

    এদিকে মামলার পরবর্তী শুনানি ও আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের। আইনি এই লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমি খুব হিসাব করে কথা বলি না: যীশু সেনগুপ্ত

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত গ্ল্যামারের আলোতেও যেন মাটির মানুষ। ব্যক্তিগত অবসাদ থেকে তার সফল বলিউড সফর। নতুন সিরিজ ‘ব্রাউন’ মুক্তির আগে সব কিছু নিয়ে অকপট এই অভিনেতা। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। 

    ‘ব্রাউন’ সিরিজে জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? 

    এমন প্রশ্নের উত্তরে যীশু সেনগুপ্ত বলেন, ‘কারিশমা কাপুর ভীষণ মিষ্টি আর নম্র একজন মানুষ। শুটিংয়ের সময়ে সেই গোবিন্দ বা ডেভিড ধাওয়ানের আমলের নস্টালজিয়াগুলো মনে পড়ছিল। তবে একটা কথা জোর দিয়ে বলতে পারি— হিন্দি জি ফাইভের ‘ব্রাউন’-এ দর্শক এমন এক কারিশমা কাপুরকে দেখতে পাবেন, যা আগে কেউ কোনো দিন দেখেননি। জাস্ট চোখ ধাঁধিয়ে যাবে সবার!’ 

    বলিউড আর টালিউডের মধ্যে এ জায়গায় কোনো ফারাক দেখতে পান? উত্তরে অভিনেতা বলেন, ‘মুম্বাইয়ে কেউ কিন্তু এই বাউন্ডারিটা ক্রস করে না। ওরা পার্সোনাল স্পেসকে সম্মান দিতে জানে, ব্যক্তিগত প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকে। কিন্তু আমাদের এখানে একটু চেনা-জানা হলেই কাঁধে হাত দিয়ে ‘কেমন আছিস’ বলাটা খুব সহজ। কাজের জায়গায় কাজের সম্মানটা দেওয়া খুব প্রয়োজন।’ 

    বর্তমানে রাজনীতির পালাবদলের পর সরকারের কাছ থেকে কোনো নির্দিষ্ট প্রত্যাশা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তেমনভাবে কিছু প্রত্যাশা করছি না। আগের সরকারের কাছ থেকেও তেমন কোনো এক্সপেক্টেশন ছিল না। শুধু একটা কথাই মনে হয়— শিল্পীদের শিল্পীর মতো করে থাকতে দিলেই বোধহয় ভালো হয়।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    একের পর এক কাজ, সাফল্য— এর মধ্যেও শান্ত থাকেন কীভাবে? এক গাল হেসে যীশু সেনগুপ্ত বলেন, ‘সত্যি বলতে— এই প্রশ্নটা আমাকে এর আগে কেউ কোনো দিন করেনি। আমার মনে হয় না এটা কোনো থেরাপি বা প্র্যাকটিসের বিষয়। আসলে এই শিক্ষাটা পড়াশোনা করে হয় না। এটা পুরোপুরি বাবা-মায়ের কাছ থেকে পাওয়া। আমি বরাবরই খুব চমৎকার কিছু মানুষের সান্নিধ্যে থেকেছি। তাই এ প্রশংসাটা আসলে আমার চারপাশের মানুষের প্রাপ্য।’ 

    অভিনেতা বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ডিপ্রেশন মানুষের জীবনে আসতেই পারে, এটি খুবই স্বাভাবিক। আর এ বিষয়ে কথা বলাটা ভীষণ জরুরি। আমি খুব সোজাসাপ্টা কথা বলতে ভালোবাসি। জীবনে অবসাদ এসেছে। আমি নিজেও কাউন্সেলিং করিয়েছি। মনোবিদের কাছে গেছি। এটা নিয়ে লজ্জার কিছু নেই। আমরা যে ধরনের জীবনযাত্রার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, সেখানে নিজেকে ঠিক রাখাটাই সবচেয়ে ডিফিকাল্ট কাজ। তার ওপর এখনকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব। আজকাল কোথাও যেন পার্সোনাল স্পেসের বাউন্ডারিটা গুলিয়ে যাচ্ছে। গত ১০ বছরে চারপাশের পরিস্থিতি বড্ড বেশি বদলে গেছে। 

    আজকের যীশু সেনগুপ্ত অনেক বেশি মেপে কথা বলেন, অনেক সাবধানী? এমন প্রশ্নের উত্তরে যিশু সেনগুপ্তর ভাষ্য, ‘আমি খুব হিসাব করে কথা বলি না। আমার যেটা মনে হয়, আমি সরাসরি বলে দিই। আমি চাইলে তো এই মনোবিদের কাছে যাওয়ার কথাটা লুকিয়ে রাখতে পারতাম।

    আমি তো একজন স্টার, একজন অভিনেতা— আমার এই দুর্বলতা প্রকাশ না করলেও চলত। কিন্তু আমি মনে করি, দিনশেষে আমিও একজন মানুষ। আমাদের এই সমাজটায় কেউ পুরোপুরি সাদা বা কালো নয়— সবাই গ্রে। আমরা প্রত্যেকেই দিনশেষে আয়নার সামনে দাঁড়াই, ক্রিম লাগানোর সময়ে হলেও অন্তত একবার নিজেকে দেখি। তখন তো নিজের ভুলত্রুটিগুলো বা ভালো কাজগুলো নিজের মনের ভেতর স্পষ্ট হয়ে ওঠে।’ 

    তিনি বলেন, আসল সমস্যাটা হলো— আমরা নিজেদের ভালো করে চিনিই না। আমরা সবাই কোনো না কোনো অভিনয় করে যাচ্ছি। নিজেকে ভালো না বাসলে, নিজে আনন্দে না থাকলে, প্রিয় মানুষকে ভালো রাখবেন কীভাবে? এটা কোনো স্বার্থপরতা নয়, এটা বেঁচে থাকার রসদ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সমালোচনার জবাব দিলেন শিল্পা

    অভিনেত্রী শিল্পা শিন্ডে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সম্প্রতি অভিনেত্রী স্বীকার করেছেন— ২০১৬ সালে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ভাভিজি ঘর পর হ্যায়’-এর প্রযোজক সঞ্জয় কোহলির বিরুদ্ধে আনা যৌন হেনস্তার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ছিল। তার এই স্বীকারোক্তির পর সামাজিক মাধ্যমসহ নানা মহলে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। এর পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা গ্রহণ এবং গ্রেফতারের দাবিও উঠেছে।

    তবে এ সমালোচনায় বিচলিত নন অভিনেত্রী শিল্পা শিন্ডে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে  সেই সমালোচনার জবাব দিলেন অভিনেত্রী। তিনি বলেছেন, মানুষ তার সম্পর্কে যা খুশি বলতে পারেন এবং যা ইচ্ছা করতে পারেন। তবে তাতে তার অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হবে না। তিনি দাবি করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তাকে একতরফাভাবে বিচার করা হয়েছে এবং অনেকেই পুরো ঘটনার বাস্তবতা না জেনেই মন্তব্য করছেন।

    শিল্পা বলেন, ‘ভাভিজি ঘর পর হ্যায়’ ধারাবাহিকটি ছাড়ার সময় তিনি তীব্র মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন। সেই সময় তাকে এমন কিছু চুক্তিসই করতে বলা হয়েছিল, যা তার পেশাগত জীবনের জন্য ক্ষতিকর হতে পারত। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠায় তিনি নিজেকে অসহায় ও একা অনুভব করেন। সেই হতাশা থেকেই তিনি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে স্বীকার করেন।

    এদিকে অভিনেত্রীর এ বক্তব্যের পর সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে নানা সমালোচনা শুরু হয়েছে। তাদের মতে, মিথ্যা যৌন হেনস্তার অভিযোগ প্রকৃত ভুক্তভোগীকে ন্যায়বিচারের সংগ্রামকে দুর্বল করে দেয়। এ ছাড়া সমাজে এমন অভিযোগের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ করে। সংগঠন অল ইন্ডিয়া সিন ওয়ার্কারস অ্যাসোসিয়েশনও শিল্পার বিরুদ্ধে আইনিব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজেপির মঞ্চে যশ, দলে ফিরছেন অভিনেতা?

    পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে। জোড়া ফুলের বদলে ফুটেছে পদ্ম। রাজ্য নতুন হাওয়া বইতেই টালিউড অভিনেতা যশ দাশগুপ্তও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠান। একটা সময় সক্রিয়ভাবে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। বিজেপির হয়ে ভোটেও দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু এসেছিল পরাজয়। 

    সেই থেকে আর অভিনেতাকে সেভাবে রাজনীতির মঞ্চে দেখা যায়নি। এরপর পালাবদল হতেই নিজের অবস্থানের কথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি পাঠান অভিনেতা। এরপর বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে বিজেপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেখা গেল যশ দাশগুপ্তকে।

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে বিজেপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন যশ দাশগুপ্ত। আবারও তিনি ফিরেছেন দলে। মঞ্চ থেকে অভিনেতাকে বলতে শোনা যায়, ‘৪ তারিখের পর থেকে সবাই নিশ্চয়ই খুব ভালো আছেন। আরেকটি জিনিস আমি খবর পেয়েছিলাম। আমার মনে হলো— পশ্চিমবঙ্গে ডিমটা খুব শক্ত হয়ে গেছে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    যশ দাশগুপ্ত বলেন, যারা যারা বিজেপি করেছেন, তাদের এত বছর কী সংঘর্ষ করতে হয়েছে আমরা সবাই জানি। এখানে যদি এক একটা মানুষকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তাহলে সবার কাছে একটা গল্প থাকবে যে, তাদের কীসের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। কিন্তু আজকের দিনটি খুবই ভালো একটি কাজের জন্য। এরপরই দেখা যায় তিনি গাছ লাগান। নিজে হাতে সেই গাছে পানিও দেন।

    এর আগে যশ দাশগুপ্ত নিরাপত্তা ফিরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে রাজ্য সরকারকে ইমেইল করেছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে হুগলির চণ্ডীতলা কেন্দ্র থেকে লড়ার পর থেকেই টালিউডে কার্যত একঘরে তিনি।

    তবে স্ত্রী নুসরাত জাহান ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য ছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে অভিনেতা লিখেছিলেন— স্ত্রীর রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অন্য শিবিরের হলেও বিজেপির প্রতি তার নিজের আদর্শ থেকে কখনো সরেননি। আদর্শগতভাবে কখনো আপস করেননি তিনি। এমনকি কাজের ক্ষেত্রে বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়ে মাথা নত করেননি। তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাই সুরক্ষা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মা হচ্ছেন সোহিনী

    ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। সম্প্রতি পশ্চিবঙ্গের গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তিনি মা হতে চলেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে শোভন গাঙ্গুলির সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন সোহিনী। 

    জানা গেছে, চলতি বছরেই এই দম্পতির সংসারে নতুন অতিথি আসতে চলেছে। 

    সম্প্রতি সিনেমার অনুষ্ঠান কিংবা প্রিমিয়ারে কিছুদিন ধরে সোহিনী সরকারকে খুব একটা পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি নিজের সিনেমা ‘ফেরা’র প্রিমিয়ারেও অনুপস্থিত ছিলেন এই অভিনেত্রী। সেখান থেকেই এমন গুঞ্জন চাউর হয়। 

    যদিও এই দম্পতির কেউই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছুই জানাননি। তবে তাদের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সোহিনী সরকার শিগগিরই নাকি মা হবেন। 

    তাদের বন্ধুমহলের অনেকেই নাকি সোহিনীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর জানেন, তবে যতক্ষণ না এই সুখবরটি তারকা দম্পতি নিজেরা প্রকাশ্যে আনছেন, ততক্ষণ মুখে কুলুপ আঁটারই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের শেষেই প্রকাশ্যে আসে অভিনেত্রী সোহিনী ও অভিনেতা রণজয় বিষ্ণুর বিচ্ছেদের খবর। এর মাস কয়েক আগে স্বস্তিকা দত্তর সঙ্গে প্রেম ভাঙে শোভনের। প্রায় একই সময় দুজনের সম্পর্কের ভাঙন। এরপরই সোহিনী ও শোভনের প্রেমের গুঞ্জন চাউর হয়। 

    পরে ২০২৪ সালে টালিউডের এই জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীকে বিয়ে করেন সোহিনী সরকার। 

    বিনোদন ডেস্ক