Tag: টালিউড

  • ‘পথের পাঁচালী’ দেখে মুগ্ধ ক্রিস্টোফার নোলান

    হলিউডের অস্কারজয়ী খ্যাতনামা পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান আবারও ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রতি তার গভীর অনুরাগ ও শ্রদ্ধার কথা প্রকাশ করলেন। এবার তার প্রশংসায় ভেসেছেন বিশ্ববরেণ্য বাঙালি চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। 

    সম্প্রতি নিউইয়র্কের বিখ্যাত ‘ক্রাইটেরিয়ন ক্লোজেট’ পরিদর্শনের সময় নোলান সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী ‘অপু ট্রিলজি’ নিজের জন্য বেছে নেন এবং চলচ্চিত্রে সত্যজিৎ রায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেন। 

    ‘ক্রাইটেরিয়ন ক্লোজেট’ মূলত ক্রাইটেরিয়ন কালেকশনের একটি সুপরিচিত আর্কাইভ, যেখানে বিশ্বমানের ১,০০০টিরও বেশি কালজয়ী ক্লাসিক সিনেমা সংরক্ষিত রয়েছে। সারাবিশ্ব থেকে আসা খ্যাতনামা নির্মাতা, অভিনেতা ও শিল্পীরা প্রায়শই এই কক্ষে ঘুরে বেড়ান এবং যেসব সিনেমা তাদের অনুপ্রাণিত করেছে, সেগুলো নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।

    ক্রাইটেরিয়ন কালেকশনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) শেয়ার করা একটি ভিডিওতে নোলানকে তাকগুলো ঘুরে দেখতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে তিনি ‘দি অপু ট্রিলজি’-র বক্সে এসে থামেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সত্যজিৎ রায়ের প্রশংসা করে নোলান বলেন, ‘এরপর রয়েছে ভারতের অন্যতম সেরা চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের ‘দি অপু ট্রিলজি’। এই ট্রিলজির সূচনা ‘পথের পাঁচালী’ দিয়ে, যা এক কথায় অসাধারণ এক চলচ্চিত্র। এটি দেখার পর আমি পুরো মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। ট্রিলজির দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্ব দুটি আমার এখনো দেখা হয়ে ওঠেনি। তাই এই সংগ্রহটি সঙ্গে নিয়ে গল্পটি শেষ করার জন্য আমি বেশ মুখিয়ে আছি।’ 

    ১৯৫৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পথের পাঁচালী’ হলো অপু ট্রিলজির প্রথম সিনেমা। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত বাংলা ভাষার এই চলচ্চিত্রে গ্রামীণ বাংলায় এক দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠা ছোট্ট অপুর জীবনসংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অতি সাধারণ অথচ বাস্তবধর্মী গল্পবলার শৈলী এবং গভীর আবেগের জন্য চলচ্চিত্রটি বিশ্বজুড়ে বিপুল প্রশংসিত হয়। আজও এটি পৃথিবীর সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্রগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত। 

    পরবর্তীতে অপুর শৈশব থেকে শুরু করে কৈশোর ও প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে ১৯৫৬ সালে ‘অপরাজিত’ এবং ১৯৫৯ সালে ‘অপুর সংসার’ মুক্তির মাধ্যমে এই ট্রিলজিটি সম্পূর্ণ হয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নয়া লুকে জিৎ

    অনন্ত সিংয়ের দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল জীবনের নানা অধ্যায়কে পর্দায় ধরতেই ৯ রূপের পরিকল্পনা। তরুণ বিপ্লবী, আত্মগোপনে থাকা পলাতক, বয়সের ভারে নুয়ে পড়া মানুষ— প্রতিটি পর্যায়ের জন্য আলাদা শারীরিক গঠন, রূপটান, পোশাক এবং স্টাইলিংয়ে তৈরি হয়েছে স্বতন্ত্র পরিচয়। বিপ্লবী না ডাকাত— অনন্ত সিং রূপে প্রকাশ্যে ধরা দিলেন টালিউডের সুপারস্টার জিৎ। 

    একজন মানুষ। অথচ ৯টি ভিন্ন চরিত্রে উপস্থাপন। যেন এক অনন্য অভিনেতা, যা কেবল জিতের পক্ষেই সম্ভব। ইতিহাস যাকে কখনো স্বাধীনতা সংগ্রামী, কখনো আবার দুর্ধর্ষ ডাকাত হিসাবে মনে রেখেছেন, সেই অনন্ত সিংকে পর্দায় জীবন্ত করতে অভাবনীয় রূপান্তরের পথে হাঁটলেন জিৎ। ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমায় অভিনেতার ৯টি ‘লুক’ সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে।

    নির্মাতাদের দাবি, প্রতিটি ‘লুক’ শুধু চেহারার বদল নয়, চরিত্রের মানসিক বিবর্তনেরও প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টায় কোনো ত্রুটি রাখা হয়নি। এ রূপান্তরের নেপথ্যে রয়েছেন রূপটানশিল্পী সোমনাথ কুণ্ডু। তার নেতৃত্বে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলে গবেষণা, ঐতিহাসিক তথ্য খতিয়ে দেখা এবং একাধিক ‘লুক টেস্ট’। সোমনাথ বলেন, অনন্ত সিংয়ের জীবনের প্রতিটি পর্বকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে সূক্ষ্ম ও নিখুঁত পরিকল্পনার প্রয়োজন ছিল। একই সঙ্গে চরিত্রের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাও ছিল বড় চ্যালেঞ্জ।

    এ বিষয়ে পরিচালক পথিকৃৎ বসু বলেন, অনন্ত সিংকে কোনো একটি পরিচয়ে বেঁধে রাখা যায় না। ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে তাকে বিভিন্ন চোখে দেখা হয়েছে। সে কারণেই এ সিনেমাটি আলাদা অবতার রয়েছে। 

    পরিচালক বলেন, প্রতিটি ‘লুক’ দর্শকদের সামনে চরিত্রটির একেকটি অজানা স্তর উন্মোচন করবে। এ ছবিতে জিৎ শুধু চেহারা বদলাননি, প্রতিটি পর্যায়ে চরিত্রটির মানসিক অবস্থাকেও আত্মস্থ করেছেন বলে জানান পথিকৃৎ বসু। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমার গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে ষাটের দশকের কলকাতা। শহরে একের পর এক পরিকল্পিত ডাকাতির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। তদন্তে নামেন ইন্সপেক্টর দুর্গাপ্রসাদ রায়। যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন টোটা রায়চৌধুরী। তদন্তের সূত্র ধরে ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় অনন্ত সিংয়ের অতীত। একসময় মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে স্বাধীনতা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন তিনি। স্বাধীনতার পর সমাজে দুর্নীতি ও আদর্শের অবক্ষয় তাকে অন্য পথে হাঁটতে বাধ্য করে। এর পরেই শুরু হয় তার নতুন লড়াই— যেখানে তিনি আইনের চোখে অপরাধী, কিন্তু অনেক নিপীড়িত মানুষের রক্ষাকর্তা।

    ‘নন্দী মুভিজ’ ও ‘জিৎজ ফিল্মওয়ার্কস’ প্রযোজিত ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমায় সংগীত পরিচালনা করেছেন শান্তনু মৈত্র। সিনেমা মুক্তির আগেই জিতের ৯টি লুক দর্শকের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেবের ‘দাদাগিরি’তে অহনা দত্তের স্বপ্নপূরণ

    বিনোদন জগতের ছোটপর্দার একাধিক অভিনেত্রী বড়পর্দায় অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছেন। তবে তার থেকেও বড় কথা— টালিউড অভিনেতা দেবের বিপরীতে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছেন অনেক অভিনেত্রী। এবার সেই সুযোগ পেলেন অভিনেত্রী অহনা দত্ত। দেবের সঙ্গে একমঞ্চে নাচ করার সুযোগ পেলেন তিনি। একটা স্বপ্নপূরণ হলো অভিনেত্রীর। সম্প্রতি জি বাংলার পর্দায় শুরু হয়েছে ‘দাদাগিরি’, সেখানেই মনের মানুষের সঙ্গে নাচ করে স্বপ্নপূরণের কথা জানালেন অহনা দত্ত।

    নতুন বাংলার ‘দাদাগিরি’ নতুন দাদা দীপক অধিকারী দেব। নতুন ‘দাদা’ হিসেবে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন দেব। যদিও নিজেকে ‘দাদা’ বলতে নারাজ তিনি। বরং তার মুখে ঘুরেফিরে আসছে সৌরভেরই নাম। তিনি বারবারই বলছেন, সবার দাদা একজনই— তিনি সৌরভ গাঙ্গুলি। 

    তবে এবার কলকাতার দাদা সৌরভ গাঙ্গুলি নন; এবারের দাদা হলেন দেব। প্রথমে অনেকেই মনে করেছিলেন সৌরভের পরিবর্তে দেবকে কতটা দর্শকরা মেনে নিতে পারবেন তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু পরবর্তীকালে দেখা গেল নিজের স্বভাব-সিদ্ধ ভঙ্গিতে সবার মন জয় করতে পেরেছেন এ পাগলুখ্যাত অভিনেতা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নতুন দাদাগিরির শুরুর দিনেই উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। এ ছাড়া দেবকে সঙ্গ দিতে আসেন কোয়েল মল্লিকও। তবে এবার মঞ্চে দেবের সঙ্গে নাচ করতে দেখা যায় অহনা দত্তকে। দেবের সঙ্গে এভাবে স্ক্রিন শেয়ার করার বহুদিনের স্বপ্ন ছিল অভিনেত্রীর, অবশেষে সেই স্বপ্ন হয়েছে পূরণ।

    সম্প্রতি জি বাংলা সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে— দাদাগিরির মঞ্চে প্রতিযোগী হয়ে এসেছেন অহনা দত্ত। সেই প্রতিযোগিতা চলাকালে দেব ও শুভশ্রী অভিনীত ‘রোমিও’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘ঘুম ঘুম এই চোখে’, গানের তালে তালে নাচ করতে দেখা যায় অহনাকে। তবে শুধু অহনা একা নন, এ পর্বে উপস্থিত ছিলেন আরও অনেক অভিনেত্রী। অহনা দত্তের এই বিশেষ মুহূর্তের ভিডিও শেয়ার করেছেন তার স্বামী দীপঙ্কর। 

    উল্লেখ্য, ছোট্ট কন্যাসন্তানকে সামলে ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন অহনা দত্ত। এ মুহূর্তে তিনি অভিনয় করছেন ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ ধারাবাহিকে। সেই ধারাবাহিকেও অহনাকে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্বস্তিকাকে ‘রাক্ষসী’ বলে কটাক্ষ, জবাবে যা বললেন নতুন ‘দিদি’

    টালিউডের জনপ্রিয় বর্ষীয়ান অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়’দিদি নম্বর ১’-এর নতুন দিদি। দীর্ঘদিন ধরে এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা রচনা ব্যানার্জির পরিবর্তে সঞ্চালকের আসনে বসেছেন তিনি। নতুন ভূমিকায় তাকে ঘিরে যেমন কৌতূহল তৈরি হয়েছে, ঠিক তেমনই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা ধরনের মন্তব্যও। তবে সমালোচনাকে গুরুত্ব না দিয়ে বরং নিজের স্বভাবসিদ্ধ রসবোধেই জবাব দিলেন অভিনেত্রী  স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। 

    সম্প্রতি ‘দিদি নম্বর ১’-এর একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন— যদি কেউ তাকে কোনো কাল্পনিক চরিত্রের সঙ্গে তুলনা করতেই চান, তাহলে ‘রাক্ষসী’ নয়; বরং ‘শাকচুন্নি’ বললেই তিনি বেশি খুশি হবেন। 

    কারণ বাংলা লোককথার এ চরিত্রটির প্রতি তার আলাদা দুর্বলতা রয়েছে। এমনকি তার অভিনীত জনপ্রিয় চরিত্র ‘কদলীবালা’-র প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি। সব মিলিয়ে গোটা পোস্টেই ছিল রসিকতায় ছোঁয়া।

    স্বস্তিকার এ হালকা মেজাজের প্রতিক্রিয়া মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই অভিনেত্রীর আত্মবিশ্বাস ও হাস্যরসের প্রশংসা করেছেন। নেটিজেনদের একাংশের মতে, সফল ও প্রতিভাবান নারীদের এমন কটাক্ষের মুখে পড়তেই হয়।

    অনেকে লিখেছেন— ‘নিজের শর্তে বাঁচতে জানেন বলেই স্বস্তিকাকে নিয়ে এত আলোচনা।’ আবার কেউ কেউ নতুন সঞ্চালিকা হিসেবে তার সহজ-সরল উপস্থাপনাকে প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, অতিরিক্ত নাটকীয়তার বদলে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দর্শকদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে পারছেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধর্ষণের অভিযোগে পিএস গ্রেফতার, মুখ খুললেন শ্রাবন্তী

    টালিউডের অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জির সহকারী ম্যানেজার অর্ঘ্যকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার হাড়ার ষষ্ঠী তলা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই সমালোচনা ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে টালিপাড়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    এ ঘটনায় অনেকেই অভিনেত্রীর মন্তব্য জানতে চেয়েছেন। একজন তারকা অভিনেত্রীর সহকারী হয়ে কীভাবে এমন জঘন্য কাজটি করলেন, তা নিয়েই প্রশ্ন। তবে বিষয়টি নিয়ে চুপ থাকেননি তিনি। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে এ ব্যাপারে কথা বলেছেন শ্রাবন্তী।

    তিনি লিখেছেন, ‘২০২৪ সাল থেকে অর্ঘ্যর সঙ্গে পরিচয় ট্যালেন্টওয়ালা নামের একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা আমার ইভেন্ট ও দৈনন্দিন সূচি দেখার দায়িত্ব নেয়। কিন্তু সম্প্রতিই জানতে পারি, এই ব্যক্তি একটি অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। খবরটি অস্বস্তিতে ফেলেছে আমাকে। ওর ব্যক্তিগত পরিসর সম্পর্কে জানা নেই আমার। আর এ ঘটনার পর আগামীতে ওর সঙ্গে যুক্ত থাকতে চাই না। ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে এ ব্যাপারে জানিয়েছি আমি।

    এদিকে গ্রেফতার অর্ঘ্যর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিন আদালতে তোলা হয়েছিল তাকে। আপাতত ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার অর্ঘ্য যে সংস্থায় কাজ করতেন, সেখানে ভুক্তভোগীও কাজ করতেন। গত ১২ এপ্রিল অর্ঘ্যর বাড়িতে কোনো একটি কাজে যায় ওই নারী। সেখানেই তাকে ধর্ষণ করে অর্ঘ্য। পরে ১২ জুন ভুক্তভোগী নারী চ্যাটার্জিহাট থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন।

    ভুক্তভোগীর অভিযোগের পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে রোববার (১২ জুলাই) অভিযুক্ত অর্ঘ্যকে গ্রেফতার করা হয়। এরইমধ্যে তার বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য মামলা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) হাওড়া আদালতে তোলা হয়েছিল তাকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রুক্মিণীর সঙ্গে এক যুগের প্রেম, তবু কেন বিয়ে করছেন না দেব?

    টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি দেব ও রুক্মিণী মৈত্র। দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর ধরে সম্পর্কে থাকলেও এখনও বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি এই তারকা জুটি। তাই প্রতি বছরই তাদের বিয়ে নিয়ে ভক্তদের মধ্যে জল্পনা তৈরি হয়। এবার সেই প্রসঙ্গই উঠে এলো জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘দাদাগিরির আসন্ন পর্বে, যেখানে দেবকে নিয়ে মজার মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছে অনুষ্ঠানের ‘এআই মহাশয়’।

    আসন্ন পর্বে ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ ছবির পুরো টিম অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠান চলাকালে স্বাভাবিকভাবেই দেবের বিয়ের প্রসঙ্গ ওঠে। তখন ‘এআই মহাশয়’ দেবের বাংলা উচ্চারণ নিয়ে পুরোনো ট্রোলের প্রসঙ্গ টেনে তাকে একটি সংস্কৃত বিয়ের মন্ত্র উচ্চারণ করতে বলেন। 

    মন্ত্রটি ছিল—যদিয়ং হৃদয়ং তব, তদিয়ং হৃদয়ং মম।

    কঠিন সংস্কৃত মন্ত্রটি বলতে কিছুটা ইতস্তত করেন দেব। আর সেই সুযোগেই রসিকতা করে ‘এআই মহাশয়’ বলেন, ওহ, বুঝেছি! এই মন্ত্র উচ্চারণের ভয়েই তুমি এতদিন বিয়ে করছ না! এআইএর এই মন্তব্য শুনে হাসিতে ফেটে পড়েন দেবসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই।

    আড্ডার একপর্যায়ে দেব জানান, তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তার পরিবার। ব্যস্ত কর্মজীবনের পর পরিবারের কাছেই তিনি সবচেয়ে বেশি স্বস্তি খুঁজে পান।

    একসময় অভিনেত্রী শুভশ্রীর সঙ্গে দেবের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হলেও, গত এক দশকের বেশি সময় ধরে অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রের সঙ্গে তার সম্পর্ক প্রকাশ্য। কাজের ব্যস্ততার মাঝেও সম্প্রতি রুক্মিণীর জন্মদিন উদযাপন করতে মুম্বাইয়ে গিয়েছিলেন দেব।

    ৪৩ বছর বয়স পেরিয়ে গেলেও বিয়ের প্রসঙ্গ এলে দেব বরাবরই কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে ‘এআই মহাশয়ের এই মজার খোঁচা দর্শকদের বাড়তি বিনোদন দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার রহস্যময় চরিত্রে জিৎ

    স্বাধীনতা দিবসের আবহে আগামী ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমাটি। এ সিনেমাটি বিপ্লবী অনন্ত সিংয়ের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মাণ করেছেন পরিচালক পথিকৃৎ বসু। আর এ সিনেমায় এক রহস্যময় চরিত্রে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন টালিউডের জনপ্রিয় সুপারস্টার জিৎ।

    এর মধ্যেই ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমার মোশন পোস্টার সামনে এসেছে। সেখানে অভিনেতা স্বাধীনতা সংগ্রামের এক সাহসী যোদ্ধা হিসেবে যেমন বহু মানুষের কাছে শ্রদ্ধেয়, ঠিক তেমনই অন্যদের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন একজন ডাকাত হিসেবে। 

    মোশন পোস্টার সামনে আসা প্রসঙ্গে পরিচালক পথিকৃৎ বসু বলেন, স্বাধীনতা দিবসের ঠিক আগে কিংবদন্তি অনন্ত সিংয়ের কাহিনি বড়পর্দায় তুলে ধরতে পারা আমার কাছে দারুণ এক গর্বের বিষয়। আর যে কোনো ভালো জিনিস তৈরি হতে সময় লাগে। আর একটি অনন্য সৃষ্টি গড়ে তুলতে গেলে লাগে বেশ কিছুটা ধৈর্য। 

    পরিচালক বলেন, তাই ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমাটি আমার কাছে শুধু একটি চলচ্চিত্র নয়; এটি ভালোবাসা, নিষ্ঠা ও ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা থেকে তৈরি এক স্বপ্নের প্রকল্প।

    এ প্রসঙ্গে নির্মাতা বলেন, এই দ্বৈত পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক জটিল, সাহসী ও সংগ্রামী মানুষের কাহিনিই উঠে এসেছে ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমায়। এ সিনেমা ঘিরে আগ্রহী রয়েছে সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে। জিতের ভক্ত-অনুরাগীরাও অপেক্ষায় রয়েছেন অভিনেতাকে নতুন মেজাজে বড়পর্দায় দেখার জন্য।

    ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমার সংগীত পরিচালনা করেছেন শান্তনু মৈত্র। তার সুর সিনেমার আবেগ, ইতিহাস ও নাটকীয়তাকে আরও গভীরতা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

    উল্লেখ্য, সুপারস্টার জিৎ ছাড়াও আরও অভিনয় করেছেন টোটা রায়চৌধুরী, চন্দন সেন, লোকনাথ দে, কৌশিক সেন, রজতাভ দত্ত, প্রিয়াংকা সরকার, সৃজলা গুহ প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‌‘আমি চাই, আমার কোনো শত্রুও যেন এ রকম পরিস্থিতিতে না পড়ে’

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানকে কেন্দ্র করেই বড়পর্দায় ফিরছে পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলীর আলোচিত সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। এ সিনেমাটি আজ মুক্তি পাচ্ছে। ২০২৩ সালের সফল সিনেমা ‘অর্ধাঙ্গিনী’র দ্বিতীয় কিস্তি এটি। চেনা চরিত্রগুলো ফিরছে অচেনা মোড় নিয়ে। কিছু দিন ধরে প্রচারে তাই বৃষ্টি-ঘামে ভিজছেন নির্মাতা-শিল্পীরা।

    এর আগে বহুল প্রশংসিত ‘অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমার এটি দ্বিতীয় কিস্তি। এ সিনেমায়ও জয়ার চরিত্র ঘিরে নির্মিত হয়েছে। প্রথম পর্বে অভিনেত্রীর অভিনয় সিনেমাপ্রেমী দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। নতুন কিস্তিতেও তার চরিত্রের আবেগ, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং জীবনের নানা দ্বন্দ্বই গল্পের মূল চালিকাশক্তি হবে। 

    এ ছাড়া প্রথম পর্বের সিনেমার সাফল্য এবং জয়া আহসানের জনপ্রিয়তার কারণে দ্বিতীয় পর্ব ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ নিয়ে এরই মধ্যে দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সম্পর্কের সূক্ষ্ম অনুভূতি ও মানুষের অন্তর্গত দ্বন্দ্ব কেন্দ্র করে নির্মিত এ সিনেমাটি আবারও দর্শকদের  মন ছুঁয়ে যাবে বলেই প্রত্যাশা নির্মাতার। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমা প্রসঙ্গে পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলী বলেন, প্রথম সিনেমা নির্মাণের সময় থেকেই দ্বিতীয় পর্বের ভাবনা তার মাথায় ছিল। তবে দর্শকদের ভালোবাসা ও অভূতপূর্ব সাড়াই সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে অনুপ্রাণিত করেছে।

    এ নির্মাতা বলেন, ‘অর্ধাঙ্গিনী’ মুক্তির পর তিনি যেখানেই গেছেন, সেখানেই সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা শুনেছেন। দর্শকদের এমন আগ্রহ তার প্রত্যাশারও বাইরে ছিল। একই সময়ে বড় বাজেটের একটি জনপ্রিয় সিনেমা মুক্তি পেলেও ‘অর্ধাঙ্গিনী’ দর্শকের ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল।

    তিনি বলেন, একটি সিনেমা অনেকটা গাছের মতো। নির্মাতা শুধু বীজ বপন করতে পারেন, কিন্তু সেটি বড় হয়ে ওঠে দর্শকের ভালোবাসা, গ্রহণযোগ্যতা ও সমর্থনে। সেই ভালোবাসার ফল হিসেবেই এবার আসছে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’।

    কৌশিক গাঙ্গুলী বলেন, নতুন সিনেমাটির গল্প আবর্তিত হবে সম্পর্কের জটিলতা, অতীত ও বর্তমানের টানাপোড়েন এবং মানুষের না-বলা অনুভূতিকে ঘিরে। অতীত কখনো মুছে যায় না— এ উপলব্ধিই সিনেমাটির অন্যতম ভিত্তি।‘অর্ধাঙ্গিনী’র দুই পর্বেই জয়া আহসানের সঙ্গে জুটি হয়ে কাজ করেছেন চূর্ণী গাঙ্গুলি। তারা দুজনেই ভালো করেছে।

    নারীকেন্দ্রিক চরিত্র প্রসঙ্গে এ নির্মাতা বলেন, পর্দায় নারীর অনুভূতি, মনস্তত্ত্ব ও জীবনসংগ্রাম তুলে ধরতে তিনি সবসময় আগ্রহী। নারী চরিত্রের গভীরতা অন্বেষণ একজন নির্মাতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল দায়িত্ব বলে মনে করেন তিনি।

    ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা জয়া আহসান প্রচারে ব্যস্ত। কাকভেজা শহরে ছুটতে গিয়ে ঝক্কি পোহাতে হয়। ঠাণ্ডা লেগেছে অভিনেত্রীর। আপাতত তাই ওষুধকে সঙ্গী করে দায়িত্ব সামলে নেওয়ার চেষ্টা। অসুস্থতার সঙ্গে মন খারাপও আছে বৈকি! এদিক-ওদিক ছোটাছুটির ফাঁকে টের পাচ্ছেন দর্শকদের আগ্রহ? দর্শক ভীষণ আগ্রহী। অস্থির হয়ে আছে সিনেমাটি দেখার জন্য। আগেরটা সবাই পছন্দ করেছিল, আর এবার ট্রেলারটা দেখার পর মনে হচ্ছে সবার আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে বলে জানান জয়া আহসান। তিনি বলেন, যেসব হলে চূড়ান্ত হয়েছে, সেগুলোতে অলরেডি সব শো হাউজফুল হয়ে গেছে। হলের পুরো তালিকা এলে তবেই তো দর্শক টিকিট সংগ্রহ করতে পারবে। 

    তিন বছর পর ‘অর্ধাঙ্গিনী’দের ফেরা। হাঁড়ির খবর তো আর জানতে চাওয়া চলে না। কিন্তু হাঁড়িতে নতুন রসদ কী, সেটুকু নিশ্চয়ই বলা যায়? রহস্য জিইয়ে কিংবা আরেকটু বাড়িয়েই উত্তরটা দিলেন ‘দেবী’খ্যাত অভিনেত্রী জয়া আহসান, ‘একটাই কথা বলতে পারি— এবার ডোজটা একটু কড়া।’

    বলতে দ্বিধা নেই, নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলির ছবি দিয়েই ওপার বাংলায় অনন্য অবস্থান গড়ে নিয়েছেন জয়া আহসান। তার ‘বিসর্জন’, ‘বিজয়া’ কিংবা ‘অর্ধাঙ্গিনী’ ছবিগুলো জয়াকে নিয়ে গেছে মুগ্ধতার শিখরে। এ নির্মাতা প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, তিনি (কৌশিক গাঙ্গুলি) অত্যন্ত গুণী নির্মাতা ও অভিনেতা। এর পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও অনন্য। আমার মনে হয়, চিত্রনাট্য সম্পর্ক বিল্ডআপের ক্ষেত্রে পিএইচডির ওপরেও যদি কোনো ডিগ্রি থাকে, সেটার অধিকারী কৌশিক দা।

    তিনি বলেন, ‌আজও অর্ধাঙ্গিনী সিনেমায় এমন কিছু কৌতূহলের পারদ রয়েছে, যা এক লাফে আকাশ ছুঁতে পারে। এ সিনেমায় কিছু জটিল ও স্পর্শকাতর মোড় আছে; আমি চাই, আমার কোনো শত্রুও যেন এ রকম পরিস্থিতিতে না পড়ে।

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী জয়া আহসান ছাড়াও ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন চূর্ণী ও কৌশিক সেন, অম্বরিশ ভট্টাচার্য, লিলি চক্রবর্তী, ইন্দ্রাশিস রায়, রায়া ভট্টাচার্য, ডিম্পল আচার্য প্রমুখ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৭ বছরের অপেক্ষার পর সন্তানের মুখ দেখলেন সুস্মিতা

    টালিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা রায় গত ৬ জুলাই মা হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্বামী শুভাশিসের সঙ্গে মাতৃত্বকালীন একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নেন অভিনেত্রী। সেই ছবিতে স্পষ্ট তার স্ফীতোদর। সেখানেই জানালেন সন্তানের নাম ও মা হওয়ার কথা। তবে এর আগে প্রকাশ করেননি— ছেলে হয়েছে নাকি মেয়ে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে তবেই জানাবেন সবটা—এমন কথা বলেছিলেন সুস্মিতা রায়। 

    বাড়ি ফিরে সামাজিক মাধ্যমে অভিনেত্রী লিখলেন, আমাদের ছোট্ট পুত্রসন্তান— সিডো। তোমাকে বুকে নিয়ে বুঝলাম— সাত বছরের সব অপেক্ষা, সব কান্না, সব লড়াই এক মুহূর্তেই সার্থক হয়ে যায়। তুমি এসেছ বলেই আজ আমার পৃথিবীটা সম্পূর্ণ। 

    সেই সঙ্গে ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে একরত্তির জন্য আশীর্বাদও চেয়ে নিয়েছেন অভিনেত্রী। সুস্মিতা রায় বলেন, আমাদের ছোট্ট রাজপুত্রের জন্য সবাই আশীর্বাদ করবেন। সুস্থ থাকুক, ভালো মানুষ হয়ে উঠুক— এটাই আমাদের একমাত্র প্রার্থনা।

    এর আগে সুস্মিতা রায়ের সন্তানসম্ভবা হওয়ার খবর নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছিল। তার দ্বিতীয় বিয়ে ভাঙা এবং আবার নতুন করে সংসার পাতা নিয়েও আলোচনার শেষ ছিল না সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে। কিন্তু কোনো সময়েই সন্তান আসার খবর নিশ্চিত করেননি তিনি। বরাবরই এড়িয়ে গেছেন অভিনেত্রী।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অবশেষে সোমবার (৬ জুলাই) সন্তান আসার খবর সামাজিক মাধ্যমে জানিয়ে অভিনেত্রী লিখেছিলেন— ২০১৯ সালের ১৯ মার্চ যে স্বপ্নটা থেমে গিয়েছিল, আজ যেন তারই নতুন করে শুরু। দীর্ঘ সাত বছরের অপেক্ষা, লড়াই, অগণিত কষ্ট আর না পাওয়ার যন্ত্রণার পর আজ আমি মাতৃত্বের স্বাদ পেলাম। 

    বরাবরই মাতৃত্বের স্বাদ পেতে চেয়েছিলেন সুস্মিতা রায়। সন্তান জন্মের পর খুবই উচ্ছ্বসিত সুস্মিতা ও শুভাশিস দম্পতি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গাউনে ‘নিঃশ্বাস আটকে’ পোজ ঋতুপর্ণার, আয়নায় মুখ দেখার পরামর্শ শ্রীলেখার

    টালিউড অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিয়ে সামাজিক মাধ্যমের পাতায় নেটিজেনদের ট্রলিং যেন এক নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। বিশেষ করে প্রথমসারির তারকাদের পোশাক কিংবা লাইফস্টাইল নিয়ে কাঁটাছেড়া করতে যেন ওস্তাদ নেটিজেনরা। এবার সে তালিকায় নতুন সংযোজন টালিউডের কিংবদন্তি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। 

    অভিনেত্রীর নিজের সদ্য় মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘নেভার মাইন্ড’-এর প্রিমিয়ারে হাজির হলে নিজের পোশাক নিয়ে তীব্র ট্রলিংয়ের মুখে পড়েন তিনি। অভিনেত্রী ঠিক এ গরম আবহাওয়ার মাঝেই ঘি ঢাললেন টালিপাড়ার ‘ঠোঁটকাটা’ স্পষ্টভাষী হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। নাম না করে ঋতুপর্ণাকে একহাত নিলেন তিনি। 

    ঋতুপর্ণার সঙ্গে শ্রীলেখার সম্পর্ক যে আদায়-কাঁচকলায় তা কারুর অজানা নয়। শ্রীলেখার এই ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়ে পড়ে। আর সেই প্রভাব পড়ে ‘নেভার মাইন্ড’ সিনেমার প্রিমিয়ারে ট্রলডের শিকার হন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

    জানা গেছে, নতুন সিনেমা ‘নেভার মাইন্ড’-এর জমকালো প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে একটি ওয়েস্টার্ন লং গাউন পরে হাজির হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তবে রেড কার্পেটে পা রাখা মাত্রই বিপত্তি। পাপারাজ্জি ও ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে গিয়ে নিজের পোশাক নিয়ে চরম অস্বস্তিতে পড়তে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। সেই ভিডিও ও ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ট্রলের বন্যা বয়ে যায়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্য— যে পোশাক পরে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করা যায় না, তা জোর করে পরার মানে কি? 

    আবার কেউ কেউ ওর ফ্যাশন সেন্স নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করতে শুরু করেছেন। আবার কেউ বয়স নিয়ে ঋতুপর্ণাকে খোঁচা দেন। কারও মতে, ‘নিঃশ্বাস আটকে ভুঁড়ি লুকানোর চেষ্টা’ করছেন অভিনেত্রী।

    ঋতুপর্ণার এই পোশাক বিভ্রাট ও ট্রলিংয়ের খবর সামাজিক মাধ্যমে চাউর হতেই শ্রীলেখা মিত্র একটি তীক্ষ্ণ পোস্টে লিখেছেন— পোশাক আপনার পরা উচিত, এমনটি হওয়া উচিত নয় যে পোশাকই আপনাকে দমিয়ে দিচ্ছে বা আপনার ওপর চেপে বসছে। মনে কোনো সন্দেহ থাকলে অবিলম্বে একটা বড় আয়না দেখে নেওয়া উচিত। অবশ্য বলে রাখি— আমি এখানে কাউকে বডি শেমিং বা এজ শেমিং করছি না। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শ্রীলেখা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে তিনি কারও বয়স বা শারীরিক গঠন নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করছেন না, কিন্তু এমন পোশাক পরা উচিত যা ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে, অস্বস্তিতে ফেলে দেয় না।  

    ‘ফুল সাইজ আয়না’ দেখার পরামর্শ দিয়ে তিনি যে পরোক্ষভাবে ঋতুপর্ণার ফ্যাশন চয়েসকেই তুলাধোনা করলেন, তা নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই স্টুডিও টালিপাড়ায়। পোস্টের কমেন্ট বক্সে এক নেটিজেন লিখেছেন—  টালিপাড়ার পুরোনো শত্রুতা বনাম পেশাদারত্ব। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও শ্রীলেখা মিত্রের এই মন কষাকষি আজ নতুন নয়। এর আগেও টালিউডের স্বজনপোষণ বিতর্ক, প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির একাধিপত্য নিয়ে মুখ খুলেছিলেন শ্রীলেখা। বিমানকাণ্ড থেকে শুরু করে ইডির তলব— ঋতুপর্ণার জীবনের যে কোনো বিতর্কিত অধ্যায়েই নাম না করে তোপ দেগেছেন শ্রীলেখা। এবারও ঋতুপর্ণার পোশাকের অস্বস্তিকে হাতিয়ার করে শ্রীলেখা যেভাবে ‘উচিত শিক্ষা’ দেওয়ার চেষ্টা করলেন, তাতে টালিপাড়ার এই দুই সমসাময়িক অভিনেত্রীর পুরোনো তিক্ততা আরও একবার প্রকাশ্য দিবালোকে চলে এলো। 

    বিনোদন ডেস্ক