ভুয়া গ্রেফতারের খবরে ক্ষুব্ধ মিমি, মিডিয়াকে এক হাত নিলেন নায়িকা

Written by

in

টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে জড়িয়ে গত কয়েক দিন ধরে ‘বনগাঁকাণ্ড’ নিয়ে উত্তাল সামাজিক মাধ্যম নেটিজেনদের মাঝে। একাধিক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, বনগাঁ আদালতে মিমির বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করা হয়েছে এবং আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাকে সশরীরে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

এবার এসব প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর’ বলে উড়িয়ে দিয়ে কড়া আইনি বিবৃতি জারি করলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। সোমবার (৮ জুন) সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে পাঠানো এক চিঠিতে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে এমন কোনো আইনি পদক্ষেপের খবর তো দূর, আদতে কোনো এফআইআরই নেই।

মিমি তার বিবৃতিতে একাধিক প্রথম সারির পোর্টালকে সরাসরি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। ৬ জুন প্রকাশিত ওই সব প্রতিবেদনে অভিযোগকারী তনয় শাস্ত্রীর বয়ানের ওপর ভিত্তি করে মিমির বিরুদ্ধে চার্জশিট ও ১০ দিনের মধ্যে হাজিরার দাবি করা হয়েছিল।

এ প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দিয়ে মিমি লিখেছেন— এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে, ওই  সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকরা ইন্টারনেট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় এ খবর ছড়িয়ে দেওয়ার আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করার প্রয়োজনটুকুও মনে করেননি। আমার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, মানহানিকর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং সত্যবর্জিত। 

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

তিনি বলেন, এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন রিপোর্টিং সাধারণ মানুষের দরবারে তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে তৈরি সুনাম ও ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

ভুয়া খবর বন্ধ না করলে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়ে মিমি চক্রবর্তী বলেন, বনগাঁ আদালতে তার বিরুদ্ধে কোনো চার্জশিট দেওয়া হয়নি। বর্তমান তারিখ পর্যন্ত তার নামে কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড বা এফআইআরও নেই।

ভবিষ্যতে যাতে এই ভুয়া খবর আর না ছড়ায়, তার জন্য কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, আমি সব শ্রদ্ধেয় সংবাদমাধ্যম ও প্রকাশনা সংস্থাকে অনুরোধ করছি— প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল বা সোশ্যাল মিডিয়া— কোথাও যেন এ ধরনের কোনো যাচাই না করা বা মিথ্যা খবর পরিবেশন বা প্রচার না করা হয়। এরপরও যদি কেউ এমনটি করেন, তবে তার সম্পূর্ণ দায় এবং আইনি ঝুঁকি ও খরচ সংশ্লিষ্ট সংস্থাকেই বহন করতে হবে।

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *