Tag: অভিনেত্রী

  • কসমেটিক সার্জারি সম্পর্কে যে কথা বললেন দিয়া মির্জা

    বলিউডে সৌন্দর্যের নির্দিষ্ট মানদণ্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনা-সমালোচনার গুঞ্জন চলছে। এ নিয়ে কটু কথাও শুনতে হয়েছে অভিনেত্রী দিয়া মির্জাকে। সম্প্রতি দ্য পিপলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌন্দর্যের প্রচলিত মানদণ্ড, বয়স নিয়ে বৈষম্য এবং কসমেটিক সার্জারি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। 

    কীভাবে নারীদের প্রায়শই ইন্ডাস্ট্রিতে তাদের চেহারা উন্নত করতে বলা হয়। কেন নারীদের স্বাভাবিক সৌন্দর্য বদলে ফেলতে উৎসাহিত করা হয়। এমনকি তাকে স্তন বড় করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। 

    কসমেটিক সার্জারি প্রসঙ্গে দিয়া মির্জা বলেন, ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তাকে নিজের চেহারা বদলানোর পরামর্শ দেওয়া হতো। কখনো বলা হয়েছে ঠোঁটে ফিলার করাতে, আবার কখনো স্তনের আকার বড় করতে। তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে— এই মন্তব্যগুলো কোনো নারী নয়; বরং পুরুষের কাছ থেকেই এসেছে।

    অভিনেত্রী বলেন, এটা ভয়ঙ্কর। এখন অনেক নারী কসমেটিক সার্জারির প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। কিন্তু বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক। কারণ এ ইন্ডাস্ট্রির চালিকাশক্তি মূলত পুরুষরা। তাদের তৈরি করা এ ব্যবস্থার ভিত্তিই হলো মানুষের অনিরাপত্তা ও ভয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, যখন কোনো নারী নিজের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যকে অস্বীকার করে ভাবতে শুরু করেন যে, কসমেটিক সার্জির মাধ্যমে তাকে আরও সুন্দর হতে হবে, তখন সেটাই একটি ফাঁদ। এতে তারা নিজেদের প্রকৃত সত্তাকে গ্রহণ করতে পারে না।

    দিয়া মির্জা বলেন, একটা সময় তাকে বয়স ও চেহারা নিয়ে নানা মন্তব্য শুনতে হয়েছে। আমাকে বারবার বলা হয়েছে— আমার শরীরে কী পরিবর্তন করা উচিত, কী করলে আরও সুন্দর দেখাবে। কিন্তু এসব কথা কোনো নারী বলেনি। 

    তিনি বলেন, কোনো নারী কখনো এসে আমাকে বলেনি— তোমার ঠোঁট পাতলা, ফিলার করাও কিংবা তোমার স্তন ছোট, বড় করাও। এ ধরনের মন্তব্য সবসময় পুরুষের কাছ থেকেই এসেছে— এটাই সত্যি।

    অভিনেত্রী বলেন, এসব মন্তব্য তাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করেছিল। শুনে অদ্ভুত লাগত। কারণ তখন তিনি দুটি বিউটি টাইটেল জিতে ফেলেছেন। খুবই তরুণী ছিলাম, তখনো আমার বয়স ২০ বছর হয়নি। তারপরও বারবার শুনতে হয়েছে— কখনো পরিচালক, কখনো প্রযোজক, আবার কেউ নিজেকে বিশেষজ্ঞ বলে এসব পরামর্শ দিতেন। কিন্তু কোনো নারীকে এমন কথা বলতে আমি কখনো শুনিনি বলে জানান দিয়া মির্জা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আর্জেন্টিনার সঙ্গে বিয়ের কি সম্পর্ক?’

    প্রতিবার ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা উঠলে এর উন্মাদনার ঢেউ বাংলাদেশেও আছড়ে পড়ে। সাধারণ ফুটবল সমর্থক থেকে শুরু করে শোবিজ অঙ্গনের তারকাদেরও এ সময়টায় পছন্দের দল নিয়ে নানা কথায় শামিল হতে দেখা যায়। অনেকেই নানা প্রতিশ্রুতির বাণী শোনান। 

    তবে এক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তার পছন্দের দল আর্জেন্টিনা হলেও প্রিয় দলের জয়ের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে একেবারেই মেলাতে চান না বলে জানিয়েছেন তিনি। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিশা বলেন, ‘এখন মানুষ বলতে পারে আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক, আর্জেন্টিনা জিতে গেছে। কিন্তু আমি জার্সি পরে কোনো ছবিও দিইনি। আমি বহুবার বলেছি, আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। কারণ আমার বাবা আর্জেন্টিনার সমর্থক ছিলেন। তাই আমিও এই দলকে সমর্থন করি।’ 

    আলোচনার একপর্যায়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়, আর্জেন্টিনা যদি শিরোপা জেতে, তাহলে তিনি কি বিয়ে করবেন? এমন প্রশ্ন শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পালটা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনার সঙ্গে বিয়ের কী সম্পর্ক?’ তিশার এই সোজাসাপ্টা জবাব এরই মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নেটিজেনরা তার এই স্পষ্ট বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন। 

    প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শ্বাসরুদ্ধকর জয়ের পর চিত্রনায়িকা পরীমনি সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে বলেছিলেন, ‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আরেকটা বিয়ে করব।’ 

    এরপর থেকেই বিয়ের বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে বেশ চর্চা হচ্ছে। 

    তারই ধারাবাহিকতায় তানজিন তিশার কাছেও একই ধরনের প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। তবে এসব বিষয়ে অভিনেত্রীর স্পষ্ট জবাব, ফুটবল দলের জয়-পরাজয়ের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কোনো সম্পর্ক নেই। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বানভাসি মানুষ আর অবোলা প্রাণীর প্রতি মানবিক আহ্বান স্পর্শিয়ার

    বানভাসি মানুষ আর অবোলা প্রাণীদের প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। দেশের চলমান বন্যা পরিস্থিতির অবসান ঘটলেও এখনো দীর্ঘমেয়াদি ক্ষত রয়েছে। পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে নতুন এক নীরব সংকট। আর এই কঠিন সময়ে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্ট দিয়ে জানান দিয়েছেন অভিনেত্রী। সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ও সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    বন্যাপরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন অর্চিতা স্পর্শিয়া। সেই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— বন্যার পানি একসময় সরে যায়। কিন্তু যে ক্ষত রেখে যায়, সেটি শুকাতে অনেক সময় লাগে। পানি নেমে যাওয়ার পরই শুরু হয় আরেকটি নীরব সংকট। 

    তিনি বলেন, দূষিত পানির কারণে ছড়িয়ে পড়ে ডায়রিয়া, জ্বর, চর্মরোগসহ নানা সংক্রমণ। তাই এখন থেকেই বিশুদ্ধ পানি পান করুন, খাবার ভালোভাবে সংরক্ষণ করুন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন এবং আশপাশের মানুষকেও সচেতন করুন।

    অভিনেত্রী বলেন, আমরা অনেক সময় ভুলে যাই। আমাদের গৃহপালিত প্রাণী আর পথের অবোলা প্রাণীগুলোরও বাঁচার অধিকার আছে। ওরাও ভয় পায়, ওরাও ক্ষুধার্ত হয়, ওরাও আশ্রয় খোঁজে। 

    তিনি বলেন, যদি আপনার সামর্থ্য থাকে, একটি শুকনো জায়গা আর একবেলা খাবারের ব্যবস্থা করুন। আপনার ছোট্ট এই মানবিকতাই হয়তো একটি প্রাণ বাঁচিয়ে দিতে পারে।

    অর্চিতা স্পর্শিয়া বলেন এই দুর্যোগে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন শুধু অর্থ নয়, প্রয়োজন দায়িত্ববোধ, সচেতনতা আর একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা। কারণ একটি শক্তিশালী দেশ শুধু বড় বড় স্থাপনায় তৈরি হয় না; তৈরি হয় এমন মানুষ দিয়ে, যারা সংকটের সময় অন্যের হাত ধরে।

    দুর্যোগের এই সময়ে সমাজে যারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন, তাদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন এ অভিনেত্রী। তিনি বলেন, বিশেষ করে আমাদের সবচেয়ে অসহায় মানুষগুলোর দিকে একটু বেশি নজর দিন। ঘরের বৃদ্ধ সদস্য, গর্ভবতী মা, ছোট্ট শিশুরা এবং অসুস্থ মানুষ, তাদের জন্য এ দুর্যোগ অনেক বেশি কঠিন বলে জানান স্পর্শিয়া। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমি আসলে প্রেম করার সুযোগ পাইনি: দীঘি

    বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়ের দর্শকপ্রিয় শিশুশিল্পী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। বর্তমানে রুপালি পর্দায় অভিনয় করা এই নায়িকা এখনো নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে না পারলেও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রায়শই চর্চায় থাকেন তিনি। 

    এবার এক পডকাস্টে প্রেম ও সম্পর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন দীঘি। 

    ওই পডকাস্টে দীঘিকে প্রশ্ন করা হয়, ‘তুমি এ পর্যন্ত কয়টা প্রেম করেছ?’ উত্তরে দীঘি বলেন, ‘আমি ওভাবে কখনো প্রেম করিনি।’ উপস্থাপক বলেন, ‘সেভাবে কয়টা করেছ?’ হাসতে হাসতে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি আসলে প্রেম করার সুযোগ পাইনি।’ 

    নাছোড়বান্দা উপস্থাপক ফের প্রশ্ন রাখেন, ‘সুযোগের আড়ালে কয়টা করেছ।?’ এবার দীঘি বলেন, ‘সুযোগের আড়ালেও করা হয়নি। কারণ আমি যখন স্কুলে পড়ি তখন খুব রেস্ট্রিকশনে থাকতাম। ক্লাস সিক্স থেকে অস্বাভাবিক রেস্ট্রিকশন শুরু হয়। আমি ফোন ব্যবহার শুরু করেছি এসএসসির পর। সো, আমি অনেক রেস্ট্রিকশনে থেকেছি এবং আমাকে খুব চোখে চোখে রাখা হতো।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী আরও জানান, স্কুল কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তার খোঁজ নিত পরিবার। তার মতে, দীর্ঘদিন এমন কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে প্রেম করার সুযোগ বা মানসিক পরিবেশ- কোনোটিই তৈরি হয়নি। 

    তবে প্রেমের কথা অস্বীকার করলেও দীঘিকে ঘিরে একাধিক প্রেমঘটিত গুঞ্জন এর আগে আলোচনায় এসেছিল। এর মধ্যে কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদির সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন শোবিজের আকাশে বাতাসে ভেসেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহাইমিন রাশিদ নামের এক তরুণের সঙ্গেও এই অভিনেত্রীর বেশ কিছু ছবি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। 

    তবে ওই সময়ও দীঘি প্রেমের খবর বা গুঞ্জনের কোনো সত্যতা নেই দাবি করে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, তৌহিদ আফ্রিদি ও মুহাইমিন রাশিদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল কেবল বন্ধুত্বের। এবার এই পডকাস্টেও কখনো সম্পর্কে জড়াননি বলেই দাবি করলেন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সব জল্পনা উসকে ফের একই ফ্রেমে কৃতি-কবির, অবশেষে প্রেমের স্বীকারোক্তি

    অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন প্রেম করছেন! বেশ কিছু দিন ধরেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনের মধ্যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে— প্রবাসী ব্যবসায়ী কবির বাহিয়াকে মন দিয়েছেন দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। বলিপাড়ায় কান পাতলেই ভেসে আসছে প্রেমের গুঞ্জন। 

    সম্প্রতি ভারত-ইংল্যান্ড একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে একসঙ্গে বসে খেলা দেখতে দেখা গেল অভিনেত্রীকে, যা আবারও জল্পনা উসকে দিল।

    বার্মিংহামের স্টেডিয়ামে চলছিল ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচ। সাধারণ মানুষের মতো কৃতি শ্যানন ও কবির বাহিয়াও গিয়েছিলেন সেই ম্যাচ দেখতে। ম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়াম থেকেই একটি ছবি সামাজিক মাধ্যম নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে নেন কবির বাহিয়া। সেখানে দেখা যাচ্ছে, কবির ও কৃতি শ্যাননের সঙ্গে তাদের এক বন্ধুকেও। সবুজ ডোরাকাটা স্লিভলেস টপ, সাদা ট্রাউজার, রিং কানের দুল আর ছোট্ট পেনডেন্ট ও সানগ্লাসে ধরা দেন কৃতি শ্যানন। অন্যদিকে সাদা টি-শার্টের ওপর বাদামি লেদার জ্যাকেট পরে কৃতিকে সঙ্গ দেন কবির বাহিয়া। সরাসরি টিভি সম্প্রচারেও দুজনের পাশাপাশি ছবি ভেসে ওঠে। সেই দৃশ্যের ছবিও সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে পড়ে ।

    এ ঘটনার পর থেকেই কৃতি-কবিরের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে তার ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে। গত কয়েক মাস ধরেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। কখনো একসঙ্গে বিশেষ দিন উদযাপন করেছেন তারা, আবার কখনো ঘুরতে গিয়ে একই জায়গা থেকে আলাদা আলাদা ছবি পোস্ট করেছেন নেটিজেনদের পছন্দের এ নতুন জুটি।

    এর আগে ২০২৪ সালে প্রথম কৃতি শ্যান ও কবির বাহিয়ার সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। সামাজিক মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন পোস্ট এবং একই জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার ছবি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে একাধিক ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা এবং পারিবারিক অনুষ্ঠানেও তাদের উপস্থিতি দেখে অনেকেই ধরে নিয়েছেন— তারা সম্পর্কে রয়েছেন। যদিও এ সম্পর্ক নিয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি কৃতি শ্যানন বা কবির বাহিয়া। যদিও তারকাদের ক্ষেত্রে এমন বহু উদাহরণ দেখা গেছে যে, বিয়ের আগে তারা সম্পর্ক প্রকাশ্যে আনেননি। কিন্তু বিয়ের পর ভক্ত-অনুরাগীদের জন্য এক বিশেষ পোস্টে ভালোবাসা উজাড় করে দিয়েছেন তারা। তাই অনুরাগীরা আপাতত অপেক্ষায় তাদের প্রেমের স্বীকারোক্তির।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফের কিয়ারার মা হওয়ার বিষয়ে যা জানা গেল

    বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি ও অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা দম্পতির সংসার আলো করে এসেছে তাদের প্রথম সন্তান। এর মাঝেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা। নেটিজেনদের একাংশের দাবি— কিয়ারা আদভানি নাকি মা হতে চলেছেন। আবারও মা হচ্ছেন অভিনেত্রী। 

    এই পুরো বিষয়টিই আপাতত সম্পূর্ণ গুজব এবং অসমর্থিত জল্পনার স্তরে রয়েছে বলে জানা গেছে। কিয়ারা, তার পরিবার কিংবা তার জনসংযোগকারী দলের পক্ষ থেকে এ রিপোর্টের কোনো আনুষ্ঠানিক সত্যতা স্বীকার বা কোনো ঘোষণা করা হয়নি।

    এর আগে ২০২৫ সালের জুলাই মাসেই কিয়ারা আদভানির কোল আলো করে এসেছে ফুটফুটে কন্যাসন্তান— সারায়াহ। খুব স্বাভাবিকভাবেই বর্তমানে কিয়ারা তার প্রসবপরবর্তী দিনগুলো উপভোগ করছেন এবং মাতৃত্বের এক নতুন সফরের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছেন। একই সঙ্গে নিজের ক্যারিয়ার ও ফিটনেসেও মন দিয়েছেন তিনি। কিন্তু এর মাঝেই কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই কিছু অনুরাগী দ্বিতীয় সন্তান আসার মনগড়া তথ্য ছড়াতে শুরু করেছেন।

    বলিউড তারকাদের ক্ষেত্রে এমন ভুয়া প্রেগন্যান্সির গুজব ছড়ানো নতুন কিছু নয়। তবে এ মুহূর্তে কিয়ারা কিংবা স্বামী সিদ্ধার্থ মালহোত্রা— কারও তরফ থেকেই নতুন কোনো সুখবরের ঘোষণা আসেনি। তাই আপাতত এ খবরকে স্রেফ ‘গুজব’ বলেই উড়িয়ে দিচ্ছেন বিনোদন দুনিয়ার বোদ্ধারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার পরিচালনায় আসছেন উর্বশী, বানাতে চান টাইটানিকের মতো সিনেমা

    ২০২৬ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভারতের হয়ে লাল গালিচায় হেঁটেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলা। সেখানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেশ গর্বের সঙ্গেই বলেছিলেন অভিনেত্রী— আমি যখনই আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করি, আমি আর উর্বশী থাকি না। তখন আমি স্বয়ং ইন্ডিয়া! কানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিয়েতনামের বিখ্যাত ডিজাইনার জোলিপোলির এই সুন্দর পোশাক পরে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য যারপরনাই আনন্দের বলে জানান উর্বশী রাউতেলা।

    অভিনেত্রী যাই করেন না কেন, তা লাইমলাইটে আসতে বাধ্য। প্রচার পেয়েই ছাড়বে! সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একগুচ্ছ বোমা ফাটালেন এ অভিনেত্রী।

    খুব শিগগির রাজনীতিতে যোগ দিতে চলেছেন উর্বশী রাউতেলা। পাশাপাশি নিজের প্রযোজনা সংস্থা চালিয়ে যেতে চান তিনি। অভিনেত্রী বলেন, রাজনীতি ও প্রযোজনার পরিকল্পনা অবশ্যই তালিকায় আছে, তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে আমি একটু বেশিই ব্যস্ত ছিলাম।

    অভিনয়ের পর তিনি কখনো পরিচালনা করতে চান কি না?—এমন প্রশ্নে কোনো রকম দ্বিধা না রেখে উর্বশী বলেন, হ্যাঁ, আমি গান গাইতে পারি, আর ছবি পরিচালনা করতেও ভীষণ পছন্দ করব। তাই নিশ্চিতভাবেই আমি সিনেমা পরিচালনা করব।

    কিন্তু কেমন হবে তার প্রথম সিনেমা? উর্বশী যোগ করেন, মানুষ হিসেবে আমি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ। তাই আমি একটা জাঁদরেল প্রেমের গল্প পরিচালনা করতে চাই— হয়তো ঠিক ‘টাইটানিক’-এর মতো কিছু একটা!

    উর্বশীর এ সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে আপলোড হতেই শুরু হয়ে যায় হাসির রোল আর ট্রলিংয়ের বন্যা। হাতে একটি কাচের জার নিয়ে সাক্ষাৎকার দেওয়ায় এক নেটিজেন খোঁচা দিয়ে লিখেছেন— ‘ইতিহাসের প্রথম অভিনেত্রী, যিনি হাতে কাচের বয়াম নিয়ে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন।’ উর্বশীর ‘টাইটানিক’ বানানোর স্বপ্নকে কটাক্ষ করে অন্য আরেক নেটিজেন লিখেছেন— ‘এই ছবির নাম হওয়া উচিত টাইটানিক নয়, ট্রাই-প্যানিক!’ তৃতীয় এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘হলিউড নায়িকাদের মতো আচরণ করার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, কিন্তু বাস্তবে স্রেফ হাসির খোরাক হচ্ছেন।’ তবে ট্রলারদের ভিড়ে উর্বশীর ভক্তরাও ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। কেউ লিখেছেন— আমাদের উজ্জ্বল নক্ষত্র, তোমার জন্য গর্বিত।’ আবার কারও মতে, ‘উনি সত্যিই প্রতিভাবান, ওর ছবি পরিচালনা করা উচিত।

    অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলাকে সম্প্রতি দেখা গেছে তার জনপ্রিয় ওটিটি সিরিজ ‘ইন্সপেক্টর অবিনাশ সিজন ২’ সিনেমায়। নিজের এ কাজ নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী অভিনেত্রী। ‘ইন্সপেক্টর অবিনাশ সিজন ২’ আগের চেয়েও অনেক বড়, সাহসী এবং বিস্ফোরক। অ্যাকশন, ইমোশন আর টুইস্টে ভরপুর এ গল্পের অংশ হতে পেরে আমার দারুণ লেগেছে বলে জানান অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী

    দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর ছেলে সন্তানের আশা করেছিলেন কিনা—এমন একটি প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দিয়েছেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি অভিনেত্রী সারা খান। 

    তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি এবং তার স্বামী, প্রখ্যাত গায়ক ফালাক শাবির—উভয়েই কেবল একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক সন্তান চেয়েছিলেন।

    সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ভক্তদের সঙ্গে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন সারা। সেখানে এক অনুরাগী জানতে চান, দ্বিতীয়বার মা হওয়ার সময় তিনি কোনো ছেলে সন্তান আশা করেছিলেন কিনা।

    জবাবে সারা খান অত্যন্ত সহজভাবে বলেন, ‘আমরা শুধু একটি সন্তান চেয়েছিলাম (লিঙ্গ আমাদের কাছে মুখ্য ছিল না)।’ 

    বর্তমানে আলিয়ানা এবং রানিয়া নামের দুই কন্যাসন্তানের জননী সারা। প্রশ্নোত্তর সেশনে মাতৃত্ব কীভাবে তার জীবনকে বদলে দিয়েছে, সেই অনুভূতিও ব্যক্ত করেন তিনি। 

    বিয়ের আগের এবং সন্তান হওয়ার পূর্বের জীবনের কোন জিনিসটি তিনি সবচেয়ে বেশি মিস করেন—এমন প্রশ্নের জবাবে সারা জানান, দুই সন্তানের মা হওয়ার পর একমাত্র ‘একটানা গভীর ঘুম’ ছাড়া তিনি আর কিছুই মিস করেন না। 

    চলতি ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে তিনি বেশ রসিকতা করে বলেন, ‘আজকাল আমি শুধু একটাই খেলা দেখছি, আর তা হলো আমার দুই মেয়ে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে এই অভিনেত্রী তার কন্যাদের জীবনের সেরা উপহার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমার জীবন এখন আরও সুন্দর হয়ে উঠেছে। আগের চেয়ে ব্যস্ততা অনেক বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু এটাই আমার জীবনের সেরা সময়। আমি আমার মেয়েদের ভীষণ ভালোবাসি। তারা আমার ওপর আল্লাহর দেওয়া সেরা নেয়ামত।’ 

    মা হিসেবে নিজের সবচেয়ে বড় লক্ষ্যের কথা জানিয়ে সারা বলেন, তিনি তার সন্তানদের দয়ালু ও সহানুভূতিশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। একই সঙ্গে তিনি সকল বিবাহিত নারীর জন্য সুস্থ সন্তানের দোয়া করেন।

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি অভিনেতা দানিশ তৈমুরের সাথে ‘শের’ নাটকে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন সারা খান। শিগগিরই পাকিস্তানের একটি টিভি চ্যানেলের একটি নতুন নাটকে জনপ্রিয় অভিনেতা ফিরোজ খানের বিপরীতে তাকে দেখা যাবে। 

    সূত্র: সামা টিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার সম্মান নৈতিকতা ও চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে: পরীমনি

    জনপ্রিয় ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি এখন অনেকটাই দূরে সরে গেছেন। বর্তমানে রুপালি পর্দায় তাকে দেখা না গেলেও সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনায় আছেন তিনি। আবারও আলোচনায় এলেন অভিনেত্রী। 

    শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ১২টা ২০ মিনিটে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দীর্ঘ একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী। চার বছর আগে র‌্যাবের অভিযানে গ্রেফতার হওয়া নিয়ে সেই পোস্টে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন পরীমনি। ২০২১ সালের ৪ আগস্ট তাকে ‘সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে’ এবং ‘বিশেষ মহলের স্বার্থে’ গ্রেফতার করা হয়েছিল বলে মনে করেন তিনি। সেই ঘটনায় তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রের কাছে জানতে চেয়েছেন তিনি— তার হারিয়ে যাওয়া সম্মান, মানসিক শান্তি আর জীবনের মূল্যবোধ আদৌ ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব কিনা।

    র‌্যাবের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাইরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্টে  অভিনেত্রী লিখেছেন— সম্প্রতি একটি অনলাইন টকশোতে তিনি এমন কিছু তথ্য প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন, যার মাধ্যমে দেশের মানুষ জানতে পেরেছেন— বনানীতে তার বাসায় দীর্ঘ অভিযানের পর তৎকালীন র‌্যাব মহাপরিচালক ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের নির্দেশে তাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    তিনি বলেন, ‘আমার জীবনের একটি অধ্যায় আমাকে একজন শিল্পী হিসেবে, একজন নারী হিসেবে এবং একজন মানুষ হিসেবে গভীরভাবে আঘাত করেছিল। সেই ঘটনার কারণে আমার ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পেশাগত জীবন— সবকিছুই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

    পরীমনি বলেন, ‘পরবর্তী সময়ে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় আমাকে গ্রেফতার দেখিয়ে টানা ২৮ দিন কারাগারে রাখা হয়েছিল। সেই সময় আমার জীবনকে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপর্যস্ত করেছে, তা আল্লাহ আর আমি ছাড়া পৃথিবীর আর কারও পক্ষে পুরোপুরি জানা সম্ভব নয়।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী বলেন, গ্রেফতারের পর থেকে আজ পর্যন্ত তিনি ওই ঘটনার একজন ভুক্তভোগী হিসেবেই জীবন কাটাচ্ছেন। যেভাবে আমাকে অপদস্থ করা হয়েছে, আমার সম্মান, নৈতিকতা ও চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে থাকবে।’

    রাষ্ট্রকে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘আমার সেই দিনগুলো কি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব? যে জীবন, যে সম্মান, যে মানসিক শান্তি আমি হারিয়েছি, তা কি আর কখনো ফিরে পাব? মানুষের মনে আমাকে নিয়ে যে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও বিতর্কিত ধারণা তৈরি করা হয়েছে, রাষ্ট্র কি তার দায় নেবে?’

    প্রতিশোধ নয়, সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে থাকতে চান বলে জানিয়েছেন পরীমনি।  তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে ছোট করতে চাই না, কাউকে অপমানও করতে চাই না। আমি শুধু চাই— ভবিষ্যতে আর কোনো নির্দোষ মানুষ যেন এ ধরনের অন্যায়ের শিকার না হন।’

    অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি অতীতের ক্ষত বয়ে বেড়াতে চাই না। আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই। আমি মুক্ত আকাশে পরীর মতো করেই উড়তে চাই। আমার কাজ, আমার সন্তান, আমার পরিবার এবং আমার দর্শকদের ভালোবাসা নিয়েই আমি বাকি জীবন বাঁচতে চাই।’

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট বনানীর বাসায় অভিযান চালিয়ে অভিনেত্রী পরীমনিকে গ্রেফতার করেছিল র্যাব-১। পরে র্যাবের কর্মকর্তা মো. মজিবর রহমান বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছিলেন। মাদক মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে— পরীমনির বাসা থেকে বিদেশি মদ, চার গ্রাম আইস (ক্রিস্টাল মেথ) এবং একটি এলএসডি ব্লট উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে এ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ১০-এ সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

    এদিকে ২০২১ সালের ৮ জুন ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন পরীমনি। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। পরে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরীমনির আইনজীবীর তথ্য অনুযায়ী, মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

    অন্যদিকে একই ঘটনার জেরে ২০২২ সালের ১৮ জুলাই পরীমনির বিরুদ্ধে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ঢাকার আদালতে নালিশি মামলা করেন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ। তার অভিযোগ, বোট ক্লাবে অ্যালকোহল বিনামূল্যে দিতে অস্বীকৃতি জানালে পরীমনি তাকে গালমন্দ করেন এবং গ্লাস ছুড়ে মারেন। সেই মামলাটিও বিচারাধীন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হানিয়া আমিরের পোশাক নিয়ে নেটপাড়ায় তীব্র বিতর্ক, উরফি জাভেদের সঙ্গে তুলনা

    পাকিস্তানের লাহোরের ডলমেন মলে বিশ্বখ্যাত লাক্সারি ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘ইভস সেন্ট লরেন্ট’-এর আউটলেট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন দেশটির জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির। 

    ইভেন্টে তার লুক ও ফ্যাশন চয়েস প্রশংসিত হলেও, পোশাকের ধরন নিয়ে নেটিজেনদের একাংশের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই অভিনেত্রী।

    কী পোশাক পরেছিলেন হানিয়া?

    হাই-প্রোফাইল এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওগুলোতে হানিয়াকে ভক্তদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়তে, ছবি তুলতে এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায়। 

    অনুষ্ঠানে হানিয়া সম্পূর্ণ কালো রঙের একটি ‘ইভস সেন্ট লরেন্ট’ অনসাম্বল (পোশাক) পরিধান করেছিলেন, যার মধ্যে ছিল একটি সিল্কের রাফেল্ড ম্যাক্সি স্কার্ট এবং সঙ্গে কালো স্টকিংস। এই ওয়েস্টার্ন লুকের সঙ্গে তিনি নুড মেকআপ এবং একটি স্লিক ওয়েট-হেয়ার (ভেজা চুলের) স্টাইল বেছে নিয়েছিলেন। 

    হানিয়ার এই খোলামেলা ওয়েস্টার্ন পোশাকের ভিডিও সামনে আসতেই নেটদুনিয়া স্পষ্ট দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। একদল ভক্ত হানিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে তার ফ্যাশন চয়েসকে সমর্থন করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    একজন ভক্ত সমালোচকদের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘আপনাদের সমস্যাটা কী? এটা সম্পূর্ণ তার (হানিয়া) নিজের পছন্দ। তাকে তার মতো থাকতে দিন। আপনারা সবসময় মানুষকে তার চেহারা বা পোশাক দিয়ে বিচার করতে প্রস্তুত থাকেন।’ 

    অন্যদিকে, সমালোচকদের মতে এ ধরনের ফ্যাশন পাকিস্তানের নিজস্ব সংস্কৃতি, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অনেকে হানিয়াকে ভারতীয় ইন্টারনেট সেনসেশন উরফি জাভেদ ও রাখি সাওয়ান্তের সঙ্গে তুলনা করতেও ছাড়েননি। 

    পাকিস্তানের জনপ্রিয় অনলাইন শপিং সাইটের নাম টেনে একজন মন্তব্য করেন, ‘যখন আপনি দারাজ থেকে উরফি জাভেদের অর্ডার দেবেন!’ আবার কেউ কেউ লিখেছেন, ‘আমাদের মেয়েদের জন্য এটি একটি খারাপ উদাহরণ।’ 

    এছাড়া অনেকে অভিনেত্রী আলিজাহ শাহর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আলিজাহ এই ধরনের পোশাক পরলে হয়তো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর চেয়েও অনেক বেশি ট্রোলের শিকার হতেন। 

    এদিকে, পোশাক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক ও ট্রোল চললেও এই বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানাননি হানিয়া আমির। সাধারণত যেকোনো বিতর্কিত বিষয় এড়িয়ে চলতেই পছন্দ করেন এই অভিনেত্রী। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক