Tag: অভিনেত্রী

  • ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে শর্মিলা ঠাকুরের মন্তব্য, সংকীর্ণ চিন্তাধারা বললেন কঙ্গনা

    ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে দেশটির বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের একটি বক্তব্যের পর তার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াত। 

    শর্মিলা ঠাকুর অতি সম্প্রতি বন্দে মাতরমের কিছু অংশ একশ্বরবাদে বিশ্বাসী মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে না মেলার বিষয়টি তুলে ধরলে তার জবাবে শিল্পের স্বাধীন রূপক ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরেন কঙ্গনা। 

    ভারতীয় বার্তা সংস্থা আইএএনএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে শর্মিলা ঠাকুর বলেন, ‘অনেক ধর্মীয় মানুষ আছেন যারা বহু ঈশ্বরে নয়, কেবল এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন। বন্দে মাতরমের একটি স্তবকে একাধিক দেব-দেবীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যারা এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন, তাদের জন্য ‘বন্দে কালী’ বা ‘বন্দে দুর্গা’ বলা কিছুটা কঠিন। তাই ভারতের সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে এগোতে চাইলে গানটির প্রথম দুটি স্তবকই সবচেয়ে উপযুক্ত।’ 

    শর্মিলা ঠাকুরের এই সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে কঙ্গনা রানাওয়াত লেখেন, ‘বন্দে মাতরম নিয়ে শর্মিলা জি তার আপত্তির কথা সরাসরি তুলে ধরেছেন, বিষয়টিকে আমি সাধুবাদ জানাই। তবে একজন শিল্পী হিসেবে শিল্প বা কবিতার প্রতি তার এমন সংকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ চিন্তাধারা দেখে আমি অবাক হয়েছি। যেকোনো কবিতা বা গানে শব্দগুলো রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একজন কবি বা শিল্পী কাঙ্ক্ষিত বার্তা পৌঁছাতে কল্পনার নানা রূপ ফুটিয়ে তোলেন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘বন্দে মাতরম হলো আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল চেতনা। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই গানের মাধ্যমে দেশবাসীকে ভেতরের শক্তিকে জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এত বড় একটি শিল্পকর্মকে কীভাবে শুধু ধর্মীয় অনুশীলনের সঙ্গে তুলনা করা যায়?’ 

    স্বামী বিবেকানন্দের একটি উক্তি স্মরণ করিয়ে দিয়ে কঙ্গনা লেখেন, ‘বিবেকানন্দ বলেছিলেন, আমার এমন তরুণ সমাজ প্রয়োজন যাদের শরীর লোহার মতো এবং রগ বজ্রের মতো শক্তিশালী। তিনি কিন্তু সেখানে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিচ্ছিলেন না; তিনি ভেতরের ‘শক্তি’ বা ক্ষমতার জাগরণ চেয়েছিলেন। দয়া করে এই হিন্দু-মুসলিম মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসুন। এমনকি ডাক্তাররাও মানুষের শারীরিক সামর্থ্যকে শক্তি বলে থাকেন। চলুন আমরা একে অপরকে আপন করে নিই।’ 

    শর্মিলা ঠাকুরের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে কঙ্গনা আরও লেখেন, ‘আমি আপনাকে অত্যন্ত ভালোবাসি এবং আপনার সেই উষ্ণ ভালোবাসার আলিঙ্গন মিস করি।’ 

    কঙ্গনার এই মন্তব্যের বিষয়ে শর্মিলা ঠাকুরের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাহিরা-ফাহাদকে জাতীয় পুরস্কার দিতে নারাজ পাকিস্তান সরকার

    পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী সৈয়দ জুলফিকার আলী শাহ দাবি করেছেন যে, পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় দুই অভিনয়শিল্পী মাহিরা খান এবং ফাহাদ মুস্তফাকে সম্মানজনক জাতীয় বেসামরিক পুরস্কার ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’-এর জন্য মনোনীত করা হলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে ফেডারেল (কেন্দ্রীয়) সরকার। 

    করাচিতে আয়োজিত আট দিনব্যাপী ‘ওয়েস-ধারী সিন্ধি থিয়েটার ফেস্টিভাল ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। 

    জুলফিকার শাহ জানান, সিন্ধু সংস্কৃতি বিভাগ থেকে দুই দফায় মাহিরা খান এবং ফাহাদ মুস্তফার নাম সিতারা-ই-ইমতিয়াজের জন্য সুপারিশ করে পাঠানো হয়েছিল। 

    তিনি উল্লেখ করেন, প্রখ্যাত ব্যক্তিত্বদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটির সুপারিশক্রমেই এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো সুস্পষ্ট বা ব্যাখ্যাসহ কারণ দর্শানো ছাড়াই কেন্দ্রীয় সরকার প্রস্তাবটি বাতিল করে দেয়। 

    এ ঘটনায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিনোদন শিল্পে অসামান্য অবদান রাখা সত্ত্বেও কেন সিন্ধুর দুই গুণী তারকাকে জাতীয় পর্যায়ে মূল্যায়ন করা হলো না। 

    পাকিস্তানের সিন্ধু অঞ্চলের শিল্পীদের সার্বিক অবদানের কথা তুলে ধরে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রদেশের শিল্পীরা কেবল পাকিস্তানেই নয়, ভারত এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতেও নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা ও সুনাম তৈরি করেছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রদেশের শিল্পীরা সীমানা পেরিয়ে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, অথচ তাদের একটি বড় অংশই কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি পাননি। আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে তিনি বিশেষভাবে মাহিরা খান ও ফাহাদ মুস্তফার অবদানের কথা উল্লেখ করেন। 

    পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক খাত ও শিল্পীদের মূল্যায়নে কেন্দ্রীয় সরকারকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান সিন্ধুর সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী জুলফিকার আলী শাহ। তিনি বলেন, সিন্ধুর খ্যাতিমান শিল্পীরা পুরো পাকিস্তানের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন, তাই জাতীয় পর্যায়ে তাদের যথাযথ স্বীকৃতি পাওয়া প্রাপ্য। 

    ‘আমি কেন্দ্রকে আহ্বান জানাব যেন তারা শিল্পীদের এবং দেশের সাংস্কৃতিক খাতকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে,’ বলেন তিনি। 

    সিতারা-ই-ইমতিয়াজের মতো মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার না পাওয়ার ঘটনাটি পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক ও বিনোদন অঙ্গনে শিল্পীদের প্রতি কেন্দ্রীয় সমর্থনের ঘাটতিকেই ফুটিয়ে তোলে বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সংসার ভাঙল মিমের, জানা গেল কারণ

    ২০১২ সালের ৭ ডিসেম্বর ডা. শাহরিয়ার আহমেদ সজিবের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবরিনা সাকা মীম। বিয়ের পর একটা সময়ে ছেড়েছিলেন অভিনয়। কিন্তু সাড়ে পাঁচ বছর সংসার করার পর ২০১৮ সালের ৭ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তিনি। 

    এই ঘটনার প্রায় ৮ বছর পর সম্প্রতি সংগীতশিল্পী পুতুলের এক পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এই বিবাহবিচ্ছেদের খবরটি প্রকাশ্যে আনেন মিম। বিচ্ছেদের পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও নতুন করে আর কোনো সম্পর্কে জড়াননি কিংবা ঘর বাঁধার সাহস পাননি এই অভিনেত্রী। 

    বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে মিম জানান, যেকোনো সাধারণ মেয়ের মতোই সুন্দর একটি জীবনের স্বপ্ন নিয়ে তিনি বিয়ে করেছিলেন। উভয় পক্ষ থেকে যথেষ্ট চেষ্টাও ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সম্পর্ক আর টেকেনি। 

    বিয়ের পর অভিনয় জগত ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে মিম জানান, শ্বশুরবাড়ির আপত্তির কারণে অভিনয় থেকে তিনি সরে দাঁড়ান। 

    তবে এটিই বিচ্ছেদের কারণ ছিল না। মীম জানান, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য বিভিন্ন সমস্যাও তৈরি হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত সাড়ে ৫ বছর আপ্রাণ চেষ্টা ও অপেক্ষার পর, ২০১৮ সালের ৭ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের নথিতে স্বাক্ষর করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিচ্ছেদের পর দীর্ঘ ৯ বছর কেটে গেলেও নতুন করে আর কোনো সম্পর্কে জড়াননি কিংবা ঘর বাঁধার সাহস পাননি এই অভিনেত্রী। বিচ্ছেদের দায় একা কাউকে না দিয়ে তিনি বলেন, মানুষ হিসেবে তারা হয়তো দুজনই নিজ নিজ জায়গায় দোষী ছিলেন। 

    উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে বিটিভির নাটকের মাধ্যমে অভিনয়যাত্রা শুরু হয় সাবরিনা সাকা মীমের। পরিণত বয়সেও নাটকের প্রধান নারী চরিত্রে তাকে দেখা গেছে। অভিনয় গুণে অল্প সময়ের মধ্যে নাট্যাঙ্গনে নিজের শক্ত জায়গা গড়ে তোলেন। টানা প্রায় ১৮ বছর শোবিজে কাজ করার পর এই অঙ্গন থেকে দূরে সরে যান মীম। 

    ২০১২ সালে সর্বশেষ তাকে নাটকে দেখা যায়। এরপরই অভিনয় থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমার হৃদয় চায় উড়ে পাকিস্তানে চলে যাই’

    নিজের ৮০তম জন্মদিনে পাকিস্তানের কাটানো স্মৃতি এবং সেখানকার মানুষের কাছ থেকে পাওয়া অফুরন্ত ভালোবাসার কথা গভীর অনুরাগের সঙ্গে স্মরণ করলেন প্রাক-স্বাধীন ও স্বাধীনোত্তর যুগের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শবনম। 

    ঢাকায় আয়োজিত জন্মদিনের বিশেষ অনুষ্ঠানে ‘দেহলিজ’ খ্যাত এই কিংবদন্তি বাংলাদেশি অভিনেত্রী জানান, তার ভক্তরা ভালোবেসে নিজেদের কন্যাসন্তানদের নামও তার নামে রাখতেন।

    পাকিস্তান চলচ্চিত্রের স্মৃতিকাতরতায় তিনি বলেন, ‘আমি পাকিস্তানকে খুব মিস করি। আমার হৃদয় চায় উড়ে পাকিস্তানে চলে যাই।’ 

    নিজের দীর্ঘ অভিনয় জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, তৎকালীন সময়ের প্রায় সব শীর্ষ নায়কের সঙ্গেই কাজ করার সুযোগ হয়েছে তার। তবে প্রবীণ অভিনেতা নাদিমের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ৮০তম জন্মদিনে পদার্পণ উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা বার্তায় সিক্ত হন এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। নন্দিত এই অভিনেত্রী ১৯৪৬ সালের ১৭ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। 

    উল্লেখ্য, শবনম তার ক্যারিয়ারে উর্দু, বাংলা ও পাঞ্জাবি মিলিয়ে প্রায় ১৬০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। বিশেষ করে পাকিস্তানের কিংবদন্তি অভিনেতা নাদিমের সঙ্গে তার অনস্ক্রিন জুটি তৎকালীন সময়ে একের পর এক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছিল, যা আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের হৃদয়ে অমলিন। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পোশাক নিয়ে সমালোচনার মুখে ওয়ামিকা

    সম্প্রতি ‘আওয়ারাপান ২’ সিনেমার একটি অনুষ্ঠানে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী লুকে উপস্থিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ওয়ামিকা গাব্বি। চিরাচরিত লাল গালিচার জমকালো পোশাক কিংবা গ্ল্যামারাস গাউন এড়িয়ে স্পোর্টি ও ‘ওয়াইটুকে’ অনুপ্রাণিত একটি পরীক্ষামূলক পোশাক বেছে নিয়েছিলেন তিনি। তবে তার এই অনন্য সাজ নেটিজেনদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। 

    অনুষ্ঠানের জন্য ওয়ামিকা একটি ওভারসাইজড বাদামী ও কালো শেডের চিতা-প্রিন্ট ফুটবল জার্সি বেছে নেন। জার্সির কলারটি ছিল সাদা-কালো রঙে তৈরি এবং সামনে ছিল বোল্ড গ্রাফিক ডিটেইলিং। 

    তিনি জার্সিটিকে একটি মিনি ড্রেস হিসেবে পরিধান করেন, যার নিচের অংশ থেকে সামান্য কালো রঙের টিউল বা ঝালর উঁকি দিচ্ছিল।

    খেলাধুলার এই ক্যাজুয়াল পোশাকটিকে রাতের মানানসই রূপ দিতে তিনি বেছে নেন সরু স্টিলেটো হিলসহ কালো অ্যাঙ্কেল বুট। অভিনেত্রীর পুরো সাজের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ ছিল চোখ ঢাকা ওয়াইটুকে ধাঁচের কালো সানগ্লাস। পাশাপাশি তার ছোট, উস্কোখুস্কো হেয়ারস্টাইল তার পুরো চেহারায় একটি ভিন্ন আমেজ এনে দেয়। গহনা ছাড়াই তার পোশাক, চশমা ও জুতোকে লুকের মূল আকর্ষণ হিসেবে রাখেন এই অভিনেত্রী। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ওয়ামিকা সাহসিকতার সঙ্গে নতুন এই ফ্যাশন উপভোগ করলেও ইন্টারনেটে ভক্ত ও নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র। অনেকেই এই ওভারসাইজড জার্সি, অদ্ভুত চশমা ও হেয়ারস্টাইলের সমন্বয়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন তাকে নিয়ে মজা করে কমেন্ট করেছেন ‘বলিউডের শহীদ আফ্রিদি’। তবে কিছু মন্তব্য ছিল অনেক বেশি কঠোর, যেখানে নেটিজেনরা—‘খুবই সস্তা লুক’, ‘বাজে’, ‘ছাপরি’ কিংবা ‘পুরো জোকার লাগছে…’ বলে কটাক্ষ করে মন্তব্য করেন। 

    অন্য একজন লিখেছেন, ‘সব স্টাইল সবাইকে মানায় না। ওয়ামিকা গাব্বি এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তার ওপর মেকআপ বাজে এবং ড্রেসটির ফিটিং ভালো নয়।’ 

    তবে সমালোচনার পাশাপাশি অনেক অনুরাগী তার এই ভিন্নমাত্রার চেষ্টার প্রশংসাও করেছেন। ভক্তদের একাংশ তার এই সাহসী লুককে ‘মনোমুগ্ধকর’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং তার নিজস্ব ইউনিক ফ্যাশন সেন্সের প্রশংসা করেছেন। 

    সূত্র: ফ্রি প্রেস জার্নাল 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সবচেয়ে হৃদয়বিদারক কাজ হলো মাতৃত্ব: স্মৃতি ইরানি

    সংসার, সন্তান পালন আর হাইপ্রোফাইল ক্যারিয়ার— দুইয়ের মধ্যে সমতা বজায় রেখে এগিয়ে চলা যে কোনো নারীর জন্যই একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেত্রী ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্মৃতি ইরানি। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে আয়োজিত ‘মম পাওয়ার কনফারেন্স ২০২৬’ সম্মেলনে যোগ দিয়ে মাতৃত্বের সেই অম্লমধুর ও কঠিন বাস্তবতার কথা তুলে ধরেন তিনি।

    তিন সন্তানের জননী অভিনেত্রী বলেন, একজন মায়ের জীবন মানে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আর ত্যাগ। কীভাবে দিন-রাত পরিশ্রম করে মায়েরা সন্তানদের বড় করে। অথচ সেই সন্তান বড় হয়ে স্বাধীন হওয়ার পর মায়ের ওপর নির্ভরতা হারিয়ে ফেলে।

    কর্মজীবী মায়েদের লড়াই নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্মৃতি ইরানি বলেন, ক্যারিয়ার ও মাতৃত্ব সামলাতে গিয়ে জীবনের একটি বড় সময় কখন যে কেটে যায়, মায়েরা তা মনেই রাখতে পারেন না। তিনি বলেন, এখানে কি কোনো কর্মজীবী মা আছেন? এসব দায়িত্ব সামলানোর কোনো স্পষ্ট স্মৃতি কি আপনাদের মনে আছে? যদি বিন্দুমাত্র মনে থাকে, তা হলো চ্যালেঞ্জ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী বলেন, সন্তানকে বড় করতে গিয়ে প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে কত রকম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। বাইরে উদয়াস্ত পরিশ্রম করে বাড়ি ফিরে সন্তানকে খাওয়ানো, হোমওয়ার্ক করানো, একই সঙ্গে সংসারের কাজ, রান্না, আবার পরের দিনের জন্য অফিসের প্রেজেন্টেশন— কত রাত যে তারা না ঘুমিয়ে কাটিয়েছেন, তার ইয়ত্তা নেই।

    এ বিজেপি নেত্রী বলেন, মায়েরা নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দেন সন্তানকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলার জন্য। কিন্তু সন্তান যখন স্বাধীন হয়ে যায়, তখনই মায়ের জীবনের আসল ট্র্যাজেডি শুরু হয়। সন্তানকে স্বাবলম্বী করার জন্য মায়েরা জীবনের অর্ধেক সময় ব্যয় করেন। আর যখন তাদের বয়স ৫০-৫৫ বছর হয়, ঠিক তখনই সন্তানরা যার যার নিজস্ব জীবনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

    স্মৃতি ইরানি বলেন, সবচেয়ে হৃদয়বিদারক কাজ হলো মাতৃত্ব। এটি এমন একটি কাজ, যা তখনই সফলভাবে সম্পন্ন হয় বলে ধরা হয়, যখন সন্তানের আর তার মায়ের কোনো প্রয়োজন থাকে না। আর এটিই একজন মায়ের জন্য সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয়। আপনি জীবনের অর্ধেক সময় ব্যয় করলেন যাতে পরবর্তী অর্ধেকে আপনাকে ভুলে যাওয়া হয়। এই ত্যাগের কি কোনো অর্থনৈতিক মূল্য হিসাব করা সম্ভব?

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাসপাতালে শ্বেতা তিওয়ারী, কী হয়েছে?

    বলিউড অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারী গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে বারবার আলোচনায় উঠে এসেছেন। কখনো সাবেক স্বামী রাজা চৌধুরীর মন্তব্য, আবার কখনো নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনায় শিরোনামে আসেন তিনি। এরই মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি শ্বেতা তিওয়ারী।

     ‘কসৌটি জিন্দেগি কি’খ্যাত অভিনেত্রী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে অভিনেত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। অনেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দ্রুত সুস্থ হয়ে ফেরার প্রার্থনা করেছেন।

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) থেকে প্রাইম ভিডিওতে শুরু হয়েছে ‘দ্য ট্রেইটর্স’-এর দ্বিতীয় সিজন। করণ জোহরের সঞ্চালনায় এ রিয়্যালিটি শোর ২১ প্রতিযোগীর মধ্যে রয়েছেন তিনি। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই তার উপস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছিল সংশয়। অনুষ্ঠানে শ্বেতা আদৌ যোগ দিতে পারবেন কিনা, তা নিয়েই উদ্বেগে ছিলেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অনুষ্ঠানের একটি প্রচার ভিডিওতে ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কথা বলতে দেখা গেছে শ্বেতা তিওয়ারীকে। অভিনেত্রী সেখানে জানিয়েছেন— তিনি নাকি অনায়াসেই স্বামীর প্রতারণা ধরে ফেলেছিলেন। তার এ মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয় অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে।

    শ্বেতার এমন মন্তব্যের কয়েক দিন আগেই তার সাবেক স্বামী রাজা চৌধুরীর একটি সাক্ষাৎকার ছড়িয়ে পড়েছিল। সেখানে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেন রাজা। তার দাবি, তাদের দাম্পত্যে থাকাকালে শ্বেতার একাধিক সম্পর্ক ছিল। এমনকি অভিনেতা সিজান খানের সঙ্গে শ্বেতা সম্পর্কে ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন রাজা। এত বছর ধরে তিনি বিষয়গুলো নিয়ে নীরব ছিলেন। অথচ এই সময়ের মধ্যে তাকেই বারবার নানা অভিযোগের মুখে পড়তে হয়েছে।

    একদিকে সাবেক স্বামীর বিস্ফোরক মন্তব্য, অন্যদিকে নতুন রিয়্যালিটি শো ঘিরে আগ্রহ— সব মিলিয়ে শ্বেতা তিওয়ারীকে নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। তার মধ্যেই অভিনেত্রীর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার খবর তার ভক্ত-অনুরাগীদের বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেই রাত ছিল ভয়ঙ্কর অন্ধকার, মনে হচ্ছিল আমি মারা যাব: মনীষা

    বলিউড অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা ২০১২ সালে চতুর্থ পর্যায়ের ডিম্বাশয়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। চিকিৎসার জন্য নিউইয়র্কে গিয়ে অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন তিনি। চলেছিল কেমোথেরাপিও। ২০১৩ সালের এপ্রিলে কেমোথেরাপি সম্পূর্ণ করেন অভিনেত্রী। পরে তাকে ক্যানসারমুক্ত ঘোষণা করা হয়। তবে অভিনেত্রী একসময় ভাবতে শুরু করেছিলেন, তিনি আর বাঁচবেন না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই কঠিন সময়ের স্মৃতিচারণ করে এমন কথাই বললেন অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা। 

    তিনি বলেন, নেপালের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জানতে পেরেছিলেন, তার ক্যানসার হয়েছে। আর সেই রাতটাই হয়ে উঠেছিল তার জীবনের অন্যতম অন্ধকার রাত। 

    মনীষা কৈরালা বলেন, সেই রাতটা ছিল আমার কাছে সবচেয়ে নিঃসঙ্গ এবং দীর্ঘ রাত। মনে হচ্ছিল, একটা অন্ধকার জায়গায় চলে গেছি। মনে হয়েছিল, আমি মারা যাব। গুরুতর অসুস্থতার সময়ে একজন রোগী কতটা একাকিত্ব অনুভব করতে পারেন, সেই অভিজ্ঞতাও তার রয়েছে বলে জানান এ অভিনেত্রী। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ক্যানসার পর্ব তাকে বহু শিক্ষা দিয়েছে। তার উপলব্ধি হয়েছে, ভিড়ের মধ্যেও মানুষ কখনো  কখনো একা হয়ে পড়েন। বলিউডের পার্টিতে থেকেও অনেক সময়ে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেননি বলে জানান মনীষা কৈরালা।

    ক্যানসারকে জীবনের দ্বিতীয় সুযোগ হিসাবে দেখেন অভিনেত্রী। তাই যা তার মূল্যবোধের সঙ্গে মেলে না— এমন সব অপ্রয়োজনীয় বিষয় সরিয়ে দিয়েছেন জীবন থেকে। এখন পরিবারের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তার। ছোট এবং অর্থপূর্ণ বন্ধুমহলই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।

    আগে নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি একেবারেই যত্নশীল ছিলেন না জানিয়ে মনীষা কৈরালা বলেন,  দ্বিতীয় সুযোগ পাওয়ার পর স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। এর পাশাপাশি প্রকৃতি ও প্রিয় মানুষের সান্নিধ্য, জীবন উপভোগের স্বাদ পেতে শুরু করেছেন তিনি। বেঁচে থাকার জন্য কৃতজ্ঞ থাকাকেই এখন জীবনের মূল মন্ত্র করতে চান বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৌনির সঙ্গে নাম জড়াতেই মুখ খুললেন অর্জুন বিজলানি

    বলিউড অভিনেত্রী মৌনি রায় ও অভিনেতা অর্জুন বিজলানির বন্ধুত্ব বহু পুরোনো। একসঙ্গে কাজ করার সময় থেকেই তাদের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি সেই বন্ধুত্ব নিয়ে শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে নতুন করে জল্পনা-কল্পনা।

    মুম্বাইয়ে এক রেস্তোঁরায় দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পরেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এবার সেই জল্পনায় পানি ঢেলে দিলেন অর্জুন বিজলানি। এর পাশাপাশি শুধু সম্পর্কের গুঞ্জন অস্বীকার করাই নয়, মৌনি রায়ের পাশে দাঁড়িয়ে তার বিরুদ্ধে ছড়ানো নানা মন্তব্য নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেতা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে অর্জুন বিজলানি বলেন, মৌনি রায়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক শুধুই বন্ধুত্বের। তাদের একসঙ্গে ডিনারে যাওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়। বরং বহুবার তারা বন্ধুদের সঙ্গে কিংবা একসঙ্গে দুজনে বাইরেও খেতে গেছেন। ফলে এটা নতুন কোনো বিষয় নয়।

    এ অভিনেতা আরও বলেন, সেদিন তারা একা ছিলেন না। আরও কয়েকজন বন্ধু তাদের সঙ্গে ছিল। একসঙ্গে বন্ধুদের ডিনারে যাওয়ার ঘটনা যদি আগেও অসংখ্যবার ঘটে থাকে, তাহলে এবারই বা সেটিকে অন্যভাবে দেখার কারণ কী? মৌনির সঙ্গে তার বহুবার ডিনারে যাওয়া এবং সময় কাটানো হয়েছে। তাই এ ঘটনা ঘিরে তৈরি হওয়া প্রেমের গল্পের কোনো ভিত্তি নেই বলেও জানান অর্জুন বিজলানি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জামিনের পর তিশা, ‘স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে’

    শাড়ি আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জামিন পেয়েছেন ছোটপর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। এদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন জানান তিনি। শুনানি শেষে আদালত তাকে জামিন মঞ্জুর করেন। 

    তবে জামিন পাওয়ার পরই আদালত প্রাঙ্গণে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিশা। তার বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী একজন নারী হয়েও স্বামীর ক্ষমতা ব্যবহার করে অভিনেত্রীকে হেনস্তা করতেই এই অপচেষ্টা চালিয়েছেন বলে সরাসরি অভিযোগ করেন তিনি। 

    তিশা বলেন, ‘যিনি আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন, তিনি একজন নারী। তার স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে এবং সে আমাকে অনেক ধরনের হুমকিও দিয়েছে সেগুলো আমি প্রকাশ করব। সেই সংক্রান্ত অনেক বিষয়ই আমার কাছে আছে, যা আমি সময়মতো প্রকাশ্যে আনব।’ 

    তার বিরুদ্ধে এই আইনি জটিলতা তৈরি করাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তিশা আরও বলেন, ‘একটি ২৭ হাজার টাকা মূল্যের শাড়ির জন্য বলা হচ্ছে, আমি নাকি আত্মসাত করেছি! আমার দীর্ঘ ১৫ বছরের ক্যারিয়ার। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয় যে, আমাকে মাত্র একটি শাড়ির জন্য আদালতে আসতে হবে। আমি যেন সঠিক ও ন্যায়বিচার পাই, এটাই আমার একমাত্র কামনা।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিশা অভিযোগকারীর প্রতি ইঙ্গিত করে আরও বলেন, ‘তারও একটা ছোট মেয়ে আছে, তারও সংসার ও একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে। উনি নিজেও একজন নারী। সেই জায়গা থেকে আরেকজন নারীকে এভাবে হয়রানি করা কোনোভাবেই মানা যায় না। আমি আশা করি ভবিষ্যতে আর কাউকে যেন এমন হীন উদ্দেশ্যে হয়রানি না করা হয়। আমরা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার পাব বলেই বিশ্বাস করি।’ 

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নেন তানজিন তিশা। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, শাড়িটির প্রচার চালানো এবং এর মূল্য পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরবর্তীতে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন অভিনেত্রী। 

    এ ঘটনায় শাড়িটির মূল্য পরিশোধ না করা এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রচার না চালানোর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলা করা হয়। 

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন জানান তানজিন তিশা। শুনানি শেষে আদালত তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।  

    বিনোদন ডেস্ক