Tag: অভিনেত্রী

  • রান্না ও ঘর গোছানো শুধু নারীর কাজ নয়: প্রিয়াংকা চোপড়া

    সংসারের দায়িত্ব নিয়ে বিদ্যমান লিঙ্গবৈষম্য দূর করার বিষয়ে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন খ্যাতিমান বলিউড ও হলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া। 

    তার মতে, রান্না বা ঘর গোছানোর মতো কাজগুলোকে কেবল নারীর কাজ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। এগুলো মানুষের জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক দক্ষতা এবং একে কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গের ফ্রেমে বাঁধা ঠিক নয়। 

    সম্প্রতি কান লায়ন্সে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে প্রিয়াংকা ঘরে ঘরে প্রচলিত এই লিঙ্গভিত্তিক ধ্যানধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানান। তিনি বলেন, আজও অনেক পরিবারে রান্না করা, ঘর পরিষ্কার করা এবং প্রতিদিনের অন্যান্য কাজকে কেবলই নারীর দায়িত্ব হিসেবে দেখা হয়।

    এই বিষয়ে নিজের স্পষ্ট মতামত তুলে ধরে অভিনেত্রী বলেন, ‘ঘর পরিষ্কার রাখা এবং রান্না করা কোনো নির্দিষ্ট নারীর কাজ নয়। এগুলো প্রাপ্তবয়স্ক একজন মানুষের সাধারণ কাণ্ডজ্ঞান। নিজের অলসতাকে লিঙ্গবৈষম্যের অজুহাতে আড়াল করবেন না।’ 

    ৪৩ বছর বয়সি এই তারকা বিশ্বজুড়ে সিনেমা এবং গল্প বলার ধরনের পরিবর্তনশীল রূপ নিয়েও কথা বলেন। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া হলিউডের সুপারন্যাচারাল হরর সিনেমা ‘অবসেশন’-এর সাফল্যের প্রশংসা করে তিনি জানান, প্রযুক্তির কল্যাণে এখন মানুষের জন্য নতুন কিছু সৃষ্টি করা অনেক সহজ হয়ে গেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রিয়াংকা বলেন, ‘আগে যদি কেউ চলচ্চিত্র নির্মাণে আসতে চাইতেন, তবে তাকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নিশ্চিত হতে হতো যে তিনি কি কাজ করবেন। এই ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করা তখন সত্যিই খুব কঠিন ছিল।’ 

    তবে বর্তমান সময়ের চিত্র তুলে ধরে তিনি যোগ করেন, ‘এখন আপনার মাথায় কোনো আইডিয়া থাকলে তা শুট করে ইউটিউবে আপলোড করে দিতে পারেন, যা পরবর্তী সময়ে ‘অবসেশন’-এর মতো সিনেমায় রূপ নিতে পারে। বিনোদন জগতের মানুষদের জন্য এটি একটি চমৎকার সময়।’ 

    কাজের ক্ষেত্রে খুব শিগগিরই হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে প্রিয়াংকাকে একটি প্রজেক্টে দেখা যাবে। ‘ফরচুন ইন্ডিয়া’কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে এই কোলাবোরেশনটি কোনো সিনেমা, বিজ্ঞাপন নাকি কোনো দাতব্য উদ্যোগ—তা নিয়ে এখনই মুখ খোলেননি তিনি। 

    অ্যাঞ্জেলিনা জোলির পাশাপাশি অভিনেতা অরল্যান্ডো ব্লুমের সঙ্গেও তিনি একটি নতুন প্রজেক্টের কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন, যা এরই মধ্যে বিনোদন দুনিয়ায় বেশ সাড়া ফেলেছে।

    হলিউডের পাশাপাশি ভারতীয় সিনেমাতেও বড় ধামাকা নিয়ে আসছেন প্রিয়াংকা। পরিচালক এস এস রাজামৌলির বহুল প্রতীক্ষিত আসন্ন সিনেমা ‘বারাণসী’-তে অভিনয় করবেন তিনি, যেখানে তার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করবেন জনপ্রিয় অভিনেতা মহেশ বাবু এবং পৃথ্বীরাজ সুকুমারন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের বৃহৎ পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রিয়াংকা

    বলিউড থেকে হলিউডে নিজের স্থায়ী জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন দেশি গার্লখ্যাত অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া। নতুন এবং প্রতিভাবান নির্মাতাদের সাহায্য করার জন্যই নিজের প্রযোজনা সংস্থা শুরু করেছেন বলে জানান তিনি। এর পাশাপাশি হলিউডেও নিজের কর্মজীবনে আরও উন্নতি করতে চান বলে জানান। 

    বুধবার (২৪ জুন) গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে নিজের প্রযোজক হওয়া নিয়ে এমন কথাই বললেন প্রিয়াংকা চোপড়া।

    দেশি গার্লখ্যাত অভিনেত্রী বলেন, নিজের কাজ মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। তার জন্য সামাজিক মাধ্যমের সাহায্য নিতে হবে। 

    তার মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অবসেশন’ সিনেমার কথা উল্লেখ করে তিনি  বলেন, আমার মনে হয়, আপনার যদি ভালো কোনো ভাবনা থাকে, তাহলে সেটি শুট করে ইউটিউবে তুলে ধরুন। সেটি ‘অবসেশন’ সিনেমার মতো সফল ছবিও হয়ে উঠতে পারে।

    প্রিয়াংকা চোপড়া বলেন, বিনোদন জগতে কাজ করার জন্য এখন দারুণ সময়। কারণ এখনকার দিনে ভাবনাই সবচেয়ে বড় সম্পদ। আগে বিষয়টি এত সহজ ছিল না। তিনি যখন চলচ্চিত্র জগতে আসেন, তখন তার কোনো পরিচিতি বা যোগাযোগ ছিল না। 

    তিনি বলেন, আমার বাবা-মা দুজনেই চিকিৎসক ছিলেন। তাই চলচ্চিত্র জগতে কীভাবে এগোতে হয়, সেই সম্পর্কে আমার কোনো ধারণাই ছিল না। তখন এ জগতে প্রবেশ করা খুব কঠিন ছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রিয়াংকা চোপড়া বলেন, কর্মজীবনের গোড়ার দিকে তাকে বলা হয়েছিল যে, ভারতীয় চলচ্চিত্র কখনোই হলিউডের মতো বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হবে না। কারণ সেগুলো ইংরেজি ভাষায় তৈরি হয় না। তিনি বলেন, আমাদের ছবি হিন্দি, তেলুগু, মারাঠি বা অন্য ভাষায় তৈরি হয়। তাই সবাই সেগুলো বুঝবে না— এমনটাই বলা হতো। এখন দিন বদলেছে, সবকিছুই সম্ভব।

    সম্প্রতি ‘সিটাডেল’ সিরিজ সাফল্যের পর হলিউডের কাজকে তিনি আরও বড় পর্যায়ে নিয়ে যেতে চান বলে জানিয়েছেন প্রিয়াংকা চোপড়া।  তিনি বলেন, হিন্দি সিনেমায় আমি সেরা পরিচালক ও অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছি। নানা ধরনের গল্প ও চরিত্রে অভিনয় করেছি। কিন্তু আমেরিকায় ইংরেজি ভাষার কাজের ক্ষেত্রে এখনো তেমন কোনো সুযোগ পাইনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে ভুলের কারণে দীর্ঘ ৪০ দিন শয্যাশায়ী ছিলেন রাকুল প্রিত

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাকুল প্রিত সিং ফিটনেস সচেতন তারকাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি নিয়মিত শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝেও বেশ পরিচিত। তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এবং একটি ছোট ভুল যে কত বড় বিপদের কারণ হতে পারে, সে অভিজ্ঞতাই সম্প্রতি তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। 

    সম্প্রতি একটি চ্যাট শোতে অংশ নিয়ে রাকুল প্রিত সিং তার ভয়াবহ ফিটনেস দুর্ঘটনার কথা প্রকাশ করেছেন। 

    তিনি বলেন, জিমে ৮০ কেজি ডেডলিফট করার সময় নিরাপত্তা বেল্ট ব্যবহার না করায় কোমরে বেশ চোট পান। সেই আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে, তাকে টানা ৪০ দিন বিছানায় থাকতে হয়েছিল। 

    সেই ঘটনা সম্পর্কে অভিনেত্রী আরও বলেন, তিনি সাধারণত ডেডলিফট করার সময় নিরাপত্তা বেল্ট ব্যবহার করতেন। কিন্তু দুর্ঘটনার দিন সেটি পরেননি। আর সেই একটি ভুলই তার জীবনে বড় ধরনের ভোগান্তি ডেকে এনেছে।

    রাকুল প্রিত বলেন, সেই এক ভুলের কারণে আমার স্নিপড ডিস্ক হয়েছিল এবং ৪০ দিন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হয়েছিল। এটি শুধু শারীরিক আঘাত ছিল না, মানসিকভাবেও আমাকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করেছিল। 

    তিনি বলেন, হঠাৎ করেই আমি স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারছিলাম না। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিক চাপও আমাকে ভেঙে দিচ্ছিল।

    অভিনেত্রী বলেন, সক্রিয় জীবনযাপনে অভ্যস্ত একজন মানুষের জন্য দীর্ঘ সময় শয্যাশায়ী থাকা অত্যন্ত কঠিন। বিশেষ করে কাজ, ব্যায়াম ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকা তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। 

    এই কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য স্বামী জ্যাকি ভগ্নানির প্রশংসাও করেন রাকুল। এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল— ৮০ কেজি ওজন তোলার সময় প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় রাকুলের কোমরের নিচের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে। এতে তার স্নায়ুতন্ত্রেও চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। চোট পাওয়ার পরও তিনি কিছু দিন ব্যথানাশক ও পেশি শিথিলকারী ওষুধের সাহায্যে পেশাগত কাজ চালিয়ে যান। তবে পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে যেতে হয়।

    সম্প্রতি রাকুল প্রিত সিং অভিনীত রোমান্টিক কমেডি সিনেমা ‘পতি পত্নি অউর ও দো’ মুক্তি পেয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আলিয়া-অনন্যার পথেই হাঁটলেন শ্রদ্ধা কাপুর

    বিনোদন জগতের তারকারা একটু পরিচিতি পেলেই মা-বাবার বাড়ি ছেড়ে আলাদা থাকার বন্দোবস্ত করেন। বিশেষ করে তারকার সন্তানরা প্রাপ্তবয়স্ক হলেই মা-বাবার বাড়ি ছেড়ে নিজেদের আস্তানা গুছিয়ে নেন। এই চল রয়েছে পশ্চিমা দেশগুলোতে। এখন সেই একই ধারা বহুল মাত্রায় শুরু হয়েছে বলিউডেও। 

    অভিনেত্রী আলিয়া ভাট ও অনন্যা পান্ডে তো আগেই বাবা-মায়ের বাড়ি ছেড়ে আলাদা থাকতে শুরু করেছেন। এবার সেই একই পথ ধরলেন আরেক বলিউড অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর। এতদিন তিনি মা-বাবা ও দাদার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকলেও এবার জুহুর কাছে একটি আবাসনে বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন ‘স্ত্রী ২’ অভিনেত্রী। ওই একই বাড়িতে কিছু দিন আগে হৃতিক রোশন ভাড়া থাকতেন। এবার শ্রদ্ধা সেই বাড়িতে থাকবেন। 

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রদ্ধার নতুন প্রতিবেশীরা হলেন— খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার, সাজিয়া নাদিয়াদওয়ালা। ইতোমধ্যে নিজের মতো বাড়ি সাজিয়ে নিয়েছেন অভিনেত্রী।

    যদিও এতদিন এই নায়িকা বলে আসছিলেন, তিনি পরিবারের সঙ্গেই থাকতে চান। তবে এখন এ বাড়িটিতে একাই থাকবেন শ্রদ্ধা। তার মা মাঝে মধ্যে এসে মেয়ের সঙ্গে থাকবেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হলেই মা-বাবার থেকে আলাদা থাকার চল আবার বলিউডের একাংশের পছন্দ নয়। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান জানিয়েছেন, তিনি ব্যক্তিগত পরিসরের জন্য মা-বাবার থেকে আলাদা থাকায় বিশ্বাসী নন। এছাড়া একবার ঐশ্বরিয়া রাইকেও তির্যকভাবে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, তিনি কি এখনো মা-বাবার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন? সেই সময় স্পষ্ট ভাষায় অভিনেত্রী উত্তর দিয়েছিলেন— ‘হ্যাঁ, মা-বাবার সঙ্গে দেখা করতে আমাদের আলাদা করে সময় নিতে হয় না।’  

    উল্লেখ্য, শ্রদ্ধা কাপুর ‘স্ত্রী ২’ সিনেমার সাফল্যের পরেই আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জানা গেছে শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রুক্মিণীর বিকৃত ছবি অনলাইনে ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার ৩

    ভারতের কন্নড় ইন্ডাস্ট্রির অভিনেত্রী রুক্মিণী বসন্তকে নিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-জেনারেটেড ভুয়া কনটেন্ট তৈরি ও শেয়ার করার অভিযোগে বেঙ্গালুরু সাইবার ক্রাইম পুলিশ তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। নিজের বিকৃত ছবি ও ভিডিও অনুমতি ছাড়া অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার পর এই কন্নড় অভিনেত্রীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এ ব্যবস্থা নেয়। 

    কন্নড় সিনেমার উদীয়মান তারকা রুক্মিণী ‘সপ্ত সাগরাদাঁচে এল্লো’ এবং ‘কান্তারা: চ্যাপ্টার ১’-এর মতো চলচ্চিত্রের জন্য পরিচিত। সামাজিক মাধ্যমে নিজের আপত্তিকর এআই-জেনারেটেড ভিজ্যুয়াল দেখতে পেয়ে তিনি কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হন। 

    সম্প্রতি বিকৃত করা কিছু ছবি ও ভিডিও রুক্মিণীর দাবি করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং মিথ্যা দাবি করা হয় যে এগুলো একটি সিনেমার শুটিংয়ের দৃশ্য।

    অভিযোগে রুক্মিণী উল্লেখ করেন, এই কনটেন্টগুলো অত্যন্ত মানহানিকর এবং এগুলো তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানসিক সুস্থতার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। 

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত তিন অভিযুক্তের পরিচয় মিলেছে। তারা হলেন— বাগলকোট জেলার রবিকুমার (২৪), শিবমোগার বাসিন্দা চন্দ্রকান্ত (৩৩) (যিনি বর্তমানে বেঙ্গালুরুতে থাকেন) এবং বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা রঞ্জিত (২৫)। পুলিশ তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করেছে, যা এই এআই কনটেন্ট তৈরি ও ছড়ানোর কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিযুক্তদের পরবর্তীতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-এর প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এই চক্রের পেছনে আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। 

    গত মাসে সামাজিক মাধ্যমে এই ভুয়া ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়ার পরপরই রুক্মিণী বসন্ত প্রকাশ্যে এর প্রতিবাদ করেছিলেন। এক্স (সাবেক টুইটার)-এ একটি বিবৃতি শেয়ার করে তিনি দৃঢ়ভাবে জানান যে, এই ভিজ্যুয়ালগুলোর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং এগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট।

    তিনি লিখেছিলেন, ‘আমার এবং আমার টিমের নজরে এসেছে যে আমার নামে কিছু এআই-জেনারেটেড ছবি অনলাইনে ছড়ানো হচ্ছে। আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, এই ছবিগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানোয়াট।’ 

    এই ঘটনাকে তার গোপনীয়তার চরম লঙ্ঘন উল্লেখ করে রুক্মিণী বলেন, যারা এই কনটেন্ট তৈরি ও শেয়ার করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছি এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ও সাইবার ক্রাইম পদক্ষেপ নিচ্ছি।’ 

    বর্তমানে রুক্মিণী বসন্তের হাতে বেশ কয়েকটি বড় প্রজেক্ট রয়েছে। তাকে সুপারস্টার যশের বিপরীতে ‘টক্সিক’ এবং জুনিয়র এনটিআর-এর সঙ্গে প্রশান্ত নীল পরিচালিত বহুল প্রতীক্ষিত অ্যাকশন ড্রামা ‘ড্রাগন’-এ দেখা যাবে। এছাড়া ধানুশের আসন্ন চলচ্চিত্র ‘ডি৫৬’-এও তিনি অভিনয় করছেন বলে জানা গেছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মা হচ্ছেন সামান্থা!

    দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু কি তবে জীবনের নতুন এক অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন? সম্প্রতি নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে এমনটাই জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। 

    তার সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’-এর সাফল্য উদযাপনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই সামান্থার মা হতে যাওয়ার জল্পনা তুঙ্গে। তবে এই বিষয়ে সামান্থা কিংবা তার স্বামী পরিচালক রাজ নিদিমোরু—কারো পক্ষ থেকেই এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

    মূলত ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ ছবির সাফল্য উদযাপনের একটি ভিডিও ক্লিপ নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পরেই এই আলোচনার সূত্রপাত। ভিডিওটিতে সামান্থাকে একটি সাদা টি-শার্ট এবং ডেনিম জিন্স পরিহিত অবস্থায় তার স্বামী, প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা রাজ নিদিমোরুর পাশে দেখা যায়। বেশ কয়েকজন নেটিজেন দাবি করেছেন, ভিডিওটিতে সামান্থার ‘বেবি বাম্প’ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। আর তাতেই অনুরাগীদের মনে প্রশ্ন জেগেছে—তবে কি প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন এই তারকা দম্পতি? 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    যদিও এই বিষয়ে সামান্থা বা রাজের কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, তাদের এক ঘনিষ্ঠ সূত্র এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। ওই সূত্র জানায়, ‘হ্যাঁ, খবরটি সত্যি। তারা দুজনেই জীবনের এই নতুন শুরুর জন্য অত্যন্ত আনন্দিত এবং খুব শিগগিরই তারা আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে এটি জানাবেন।’ 

    এই গুঞ্জনের মাঝেই সামান্থার মাতৃত্ব নিয়ে করা আগের কিছু মন্তব্য আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় উঠে এসেছে। এর আগে টাইমস নাও-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে পর্দায় মায়ের চরিত্রে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার সময় নিজের ব্যক্তিগত জীবনেও মা হওয়ার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

    সামান্থা জানিয়েছিলেন, মা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা তার বহু বছরের। বয়স কখনো মা হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয় না খুব বেশি দেরি হয়ে গেছে। মা হওয়ার স্বপ্ন আমার এখনো আছে এবং অবশ্যই আমি মা হতে পছন্দ করব। আমি সবসময়ই মা হতে চেয়েছি; এটি অত্যন্ত সুন্দর একটি অভিজ্ঞতা। আমি এই সুন্দর সময়টার অপেক্ষায় আছি। মানুষ প্রায়শই বয়স নিয়ে চিন্তা করেন, কিন্তু আমার বিশ্বাস, জীবনে এমন কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই যখন আপনি মা হতে পারবেন না।’ 

    উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন প্রেমের গুঞ্জনের পর ২০২৫ সালের ১লা ডিসেম্বর পরিচালক জুটি রাজ ও ডিকে-র অন্যতম পরিচালক রাজ নিদিমোরুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সামান্থা রুথ প্রভু। পরবর্তীতে সামান্থা নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের ছবি শেয়ার করে সব জল্পনার অবসান ঘটান।

    রাজের সঙ্গে বিয়ের আগে অভিনেতা নাগা চৈতন্যের সঙ্গে গাঁটছড়া বেধেছিলেন সামান্থা। ২০১৭ সালে ভারতের গোয়াতে হিন্দু ও খ্রিস্টান উভয় রীতিতে তারা বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের প্রায় চার বছর পর, ২০২১ সালের অক্টোবরে তারা যৌথভাবে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। 

    সূত্র: নিউজ১৮ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ত্রিভুজ প্রেমের সিনেমা ‘ককটেল ২’, প্রশংসায় ভাসছেন শহীদ-কৃতি-রাশমিকা

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার সিনেমা ‘ককটেল ২’ মুক্তির আগেই চর্চায় ছিল। শুক্রবার (১৯ জুন) সিনেমা দেখার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে উপচে পড়ছে নেটিজেনদের একের পর এক পোস্ট। হোমি আদাজানিয়ার এ রোমান্টিক ড্রামা নিয়ে নানা মুনির নানা মত। 

    অভিনেতা শহীদ কাপুর, কৃতি শ্যানন ও রাশমিকা মান্দানা— এ ত্রয়ীর নতুন জুটিকে একদিকে যেমন ভালোবাসায় ভরিয়েছেন সবাই, ঠিক তেমনই উঠেছে সমালোচনার ঝড়ও। সামাজিক মাধ্যমের নেটিজেনদের একাংশ আবার সিনেমাটির অভিনয় ও আবেগঘন মুহূর্তগুলোর প্রশংসা করেছেন। 

    সব মিলিয়ে নেটদুনিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বলা চলে। এ ত্রয়ী অভিনয়ের মধ্যে অবশ্য কৃতি শ্যাননই তুলনায় দর্শকদের সবচেয়ে বেশি প্রশংসা পেয়েছেন। আবার কেউ কেউ এ সিনেমাটিকে কৃতির ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ বলেও অভিহিত করেছেন। 

    এক নেটিজেন লিখেছেন— পর্দায় কৃতি শ্যাননের উপস্থিতি রাশমিকা মান্দানাকে পুরোপুরি ছাপিয়ে গেছে। আরেক নেটিজেন লিখেছেন,— কৃতি শ্যাননই আক্ষরিক অর্থে ‘ককটেল ২’ সিনেমার প্রাণ সঞ্চার করেছেন।

    এদিকে রাশমিকা মান্দানার অভিনয়ে ততোধিক খুশি নন সিনেমাপ্রেমী দর্শকরা। কিছু দর্শকের মতে, সহ-অভিনেতার তুলনায় রাশমিকার অভিনয় অনেকটাই ম্লান। কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন এ সিনেমায় তার ভূমিকা নিয়েও। অনেকের কাছেই যা অপ্রয়োজনীয় বলে মনে হয়েছে।

    অন্যদিকে শহীদ কাপুরের অভিনয়ে বহু দর্শক যেমন তার চরিত্রের সঙ্গে ও দুই নায়িকার অন-স্ক্রিন রসায়নের প্রশংসা করেছেন। ঠিক তেমনই আবার কোথাও কোথাও ‘অতিরঞ্জিত’ বলেও মনে হয়েছে অভিনেতাকে।

    সিনেমার বিজনেস অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শ অবশ্য সিনেমাটিকে ভিন্ন স্বাদের বলে ব্যাখ্যা করেছেন। ইতিবাচক পর্যালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, প্রত্যাশা পূরণ করেছে ‘ককটেল ২’ সিনেমা। একই সঙ্গে অভিনেতাদের অভিনয়ও এ সিনেমাটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। তিনি সিনেমার গান ও চিত্রনাট্যেরও প্রশংসা করেছেন।

    এর আগে ২০১২ সালে অভিনেতা সাইফ আলি খান, অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন ও ডায়ানা পেন্টি অভিনীত ‘ককটেল’ মুক্তি পেয়েছিল। ১৪ বছর পর এর সিক্যুয়েল মুক্তি পেল ‘ককটেল ২’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • খারাপ পার্টনার থাকার চেয়ে একা থাকাই শ্রেয়: শবনম ফারিয়া

    ছোটপর্দার পরিচিত মুখ শবনম ফারিয়া। অভিনয়ের পাশাপাশি চলমান নানা ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সরব থাকেন তিনি। এই তারকাকে নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদেরও যেন আগ্রহের শেষ নেই। 

    এবার নিজের করা এক মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিলেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে হাজির হন শবনম ফারিয়া। সেখানে আলাপকালে খারাপ পার্টনার থাকার চেয়ে একা থাকাই শ্রেয় বলে মন্তব্য করেন এ অভিনেত্রী। 

    অভিনয় জগতের নারীদের জন্য এমন পরিস্থিতি সামলানো অনেক বেশি কঠিন ও মানসিক চাপের বলে তিনি মনে করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শবনমের কথায়, ‘পার্টনার যদি ভালো না হয়, তার চেয়ে পার্টনার না থাকা বেটার। একজন মেয়ের জন্য খারাপ পার্টনার হ্যান্ডেল করা মানসিকভাবে ও প্রফেশনালি অত্যন্ত স্ট্রেসফুল। বিশেষ করে অভিনয় পেশায় যেখানে অন্য চরিত্রে নিজেকে ফুটিয়ে তুলতে হয়, যেখানে চারপাশের অসংখ্য মানুষকে সামলাতে হয় এবং সবাই একনামে চেনে, সেখানে ব্যক্তিগত জীবন ঠিক থাকা জরুরি।’ 

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, একজন মানুষ যখন নিজে ডিপ্রেসড থাকে, তখন যদি তার ঘরেও কোনো শান্তি না থাকে, তবে জীবনটা এতটাই দুর্বিষহ হয়ে ওঠে যে সেটা আর বেশিদিন টেনে নেওয়া সম্ভব হয় না। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতিশোধস্পৃহ নারীকেন্দ্রিক ‘কুইনস’ সিরিজে মিমি

    এবার টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর ওটিটি সিরিজ ‘কুইনস’ মুক্তি পেয়েছে। সদ্য হইচইয়ে মুক্তি এ সিরিজটির প্রেক্ষাপট নারীকেন্দ্রিক। প্রতিশোধের গল্প সাজিয়েছেন পরিচালক নির্ঝর মিত্র।

    এক নারীর নেতৃত্বে আরও তিন নারীর জীবন-সংগ্রামের গল্প নিয়েই ‘হইচই’ প্ল্যাটফর্মে নতুন ওয়েব সিরিজ ‘কুইনস’। নারীর হাতে তরবারির বদলে চার নারীর পরনে অদৃশ্য যুদ্ধসাজ। প্রতিহিংসা, পারিবারিক শত্রুতা, ক্ষমতায়নের ছকে ‘কুইনস’-এর প্লট তৈরি করেছেন পরিচালক নির্ঝর মিত্র।

    নারী অবলা নয়। নারীরা চাইলেই অসাধ্য সাধন করতে পারে। নারীর বদলার গল্প ‘কুইনস’-এ খুনের পর খুন। বদলা সবসময় গান্ধীগিরিতে নয়, ইটের বদলে পাটকেল কিংবা নিউটনের তৃতীয় সূত্রের মতোই হওয়া উচিত তা বুঝিয়ে দেয় এ সিরিজ। 

    ‘কুইনস’ মীরা নিজেকে সেভাবেই তৈরি করেন। শত্রুপক্ষের চালেই শত্রু বিনাশ করে বাজিমাত করেন মীরা। নীলমণি মিত্রের খলচরিত্রে জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বেশ ভালো। দুর্বার শর্মার অভিনয় ছাড়া ‘ভোলা’ চরিত্রটি ভাবা যেত না। নেগেটিভ চরিত্রে অর্ণ মুখোপাধ্যায় অভিনয় গুণে তার চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছেন। 

    স্বল্প পরিসরে ‘লেপচা’র ভূমিকায় অরিজিৎ দত্ত যথাযথ। সিরিজে ব্যবহৃত র্যাপটি আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। গল্পের সঙ্গে মানানসই। মূক চরিত্রে নজর কেড়েছেন পায়েল দে। আবারও নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি। তবে অনেক দিন পর বৈশাখী মার্জিতকেও ভালো লেগেছে। নারী পাচার, রাজনীতির চোরাস্রোত, খুনসহ একাধিক অপরাধমূলক ঘটনাবলির সিরিজ ‘কুইনস’। সব মিলিয়ে বেশ টান টান কাহিনি এবং অভিনয়ে উপভোগ্য ‘কুইনস’। বুদ্ধিদীপ্তভাবে সিরিজের দ্বিতীয় পর্বের আগাম ঝলক দিয়ে রেখেছেন পরিচালক।

    জানা গেছে, গল্পের প্রেক্ষাপট পাহাড়ঘেরা ‘সাহেববাড়ি’। কিন্তু সেই সুন্দর মনোরম পরিবেশে মেঘ-কুয়াশার লুকোচুরির মাঝেই ওঁৎ পেতে রয়েছে বিপদ। একের পর এক খুনে রক্তে ভেজা সাহেববাড়ির মাটি। পরিচালক নির্ঝর মিত্র এবং মিমি চক্রবর্তী দুজনেরই শেকড় উত্তরবঙ্গে। তাই দুজনেই যেন চেনা পিচে ছক্কা হাঁকিয়েছেন। গল্পের বাঁধুনি যেমন টান টান, ঠিক তেমনই পরিচালনাও বেশ ভালো। অনবদ্য অভিনয়ে ‘কুইনস’-এর তাজ মিমির মাথায়। 

    এক রাতেই খুন হন পরিবারের চার পুরুষ সদস্য। এ ঘটনায় চার স্বামীহারা অসহায় নারী একে অপরের পরিপূরক হয়ে ওঠেন। অভিজাত বাড়ির ছোট ছেলের বউভাত বলে কথা। জাঁকজমকের অভাব নেই। চারদিকে আলোর রোশনাই। অতিথিদের ভিড়। এরই মাঝে গুলির শব্দ। 

    রিসেপশনের আনন্দ নিমেষে বদলে যায় শোকের আবহে। সেই রাতেই নববধূর চোখের সামনে একের পর এক গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে যায় তার বর। হাতের মেহেন্দির রঙ ফিকে হওয়ার আগেই সেই হাতে স্বামীর শ্রাদ্ধ করে সন্তানসম্ভবা মীরা। এই চরিত্রে মিমি চক্রবর্তী নিজেকে নিংড়ে দিয়েছেন। মিমির বেশ কিছু এক্সপ্রেশন অনবদ্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৩৫তম জন্মদিনের একদিন পর তুর্কি অভিনেত্রীর আকস্মিক মৃত্যু

    জনপ্রিয় তুর্কি টেলিভিশন নাটক ওয়ান লাভ-এ ‘ইশিল’ চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পাওয়া অভিনেত্রী ইসি ইরতেম আর নেই। মাত্র ৩৫ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। 

    অভিনেত্রীর আইনজীবী উগুর গোক্কোয়ুন জানান, গত সোমবার (১৫ জুন) বিকালে ইসি ইরতেমকে তার নিজ বাসায় অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। অভিনেত্রী সেখানে তার মায়ের সঙ্গে থাকতেন। 

    ঘটনাটি অত্যন্ত আকস্মিকভাবে ঘটে এবং দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা সত্ত্বেও তাকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি। 

    অত্যন্ত হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, নিজের ৩৫তম জন্মদিন উদযাপনের মাত্র একদিন পরেই তার এই অকাল মৃত্যু ঘটল। 

    আইনজীবী গোক্কোয়ুন উল্লেখ করেন যে, প্রাথমিক চিকিৎসা প্রতিবেদনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়াকেই (হার্ট অ্যাটাক) মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    একই সঙ্গে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই গুঞ্জনটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন যে অভিনেত্রী নিজের জীবন নিজে শেষ করে দিয়েছেন (আত্মহত্যা)। তিনি সবাইকে এই ধরণের সংবেদনশীল সময়ে অপপ্রচার চালানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান। 

    ১৯৯১ সালের ১৪ জুন তুরস্কের সিভাসে জন্ম এই অভিনেত্রী ২০১৪ সালে ইয়াসার ইউনিভার্সিটির ‘অপেরা অ্যান্ড ভোকাল পারফরম্যান্স’ বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে ইস্তাম্বুলের সাদরি আলিশিক কালচারাল সেন্টারে অভিনয়ের ওপর আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নেন। 

    দেশের অন্যতম উদীয়মান ও প্রতিশ্রুতিশীল অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ইসি ইরতেমের এই আকস্মিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তুরস্কের বিনোদন অঙ্গন এবং তার অগণিত ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক