Tag: অভিনেত্রী

  • এআই অপব্যবহারের বিরুদ্ধে ম্রুণাল ঠাকুরের আইনি হুঁশিয়ারি

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ভুয়া ও বিকৃত ‘ডিপফেক’ কনটেন্ট তৈরি করার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর। 

    সুনির্দিষ্ট কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে তিনি এই মন্তব্য করেছেন তা স্পষ্ট না করলেও, এটিকে তার পক্ষ থেকে শেষ সতর্কবার্তা বা ‘আল্টিমেটাম’ হিসেবে ধরে নেওয়ার কথা বলেছেন এই তারকা। 

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে ম্রুণাল লেখেন, ‘আমার চেহারা বা পরিচয় বিকৃত করে কৃত্রিম বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি করা কিংবা তা ছড়িয়ে দেওয়া সম্পূর্ণ আইনি অপরাধ এবং অগ্রহণযোগ্য। এটাকে অবিলম্বে এ জাতীয় কাজ বন্ধ করার একটি আনুষ্ঠানিক নোটিশ হিসেবে গণ্য করুন। পরবর্তীতে আমার পরিচয়ের যেকোনো অপব্যবহার করা হলে সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

    সম্প্রতি এআই-এর মাধ্যমে ব্যক্তিত্ব, কণ্ঠ ও ছবির অপব্যবহার ঠেকাতে বলিউডের একাধিক তারকা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। 

    অক্ষয় কুমার, বরুণ ধাওয়ান, অনিল কাপুর, শিল্পা শেঠি, প্রীতি জিন্তা, কার্তিক আরিয়ান এবং সুনীল শেঠির মতো তারকাদের নাম এই তালিকায় রয়েছে। তারা তাদের ব্যক্তিসত্ত্বা এবং ‘পার্সোনালিটি রাইটস’ রক্ষার জন্য আইনি লড়াইয়ের পথ বেছে নিয়েছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নারীদের নিয়ে অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তিনি লেখেন, ‘যখন সত্যকেও বানিয়ে ফেলা যায়, তখন বিবেচনা এবং বুদ্ধিই হয় আমাদের সেরা প্রতিরক্ষা। এআই নিঃসন্দেহে অগ্রগতির প্রতীক, কিন্তু নারীদের লক্ষ্য করে অশ্লীলতা ছড়াতে এর ব্যবহার কিছু মানুষের চরম নৈতিক পতনকে প্রকাশ করে।’ 

    রাশমিকা আরও যোগ করেন, ‘ইন্টারনেট এখন আর সততার প্রতীক নয়, বরং এটি এমন এক ক্যানভাস যেখানে যেকোনো কিছু বানিয়ে ফেলা সম্ভব। অপব্যবহারের ঊর্ধ্বে উঠে আসুন আমরা আরও দায়িত্বশীল সমাজ গঠনে এআই ব্যবহার করি। মানুষ যদি মানুষের মতো আচরণ না করতে পারে, তবে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত।’ 

    উল্লেখ্য, রাশমিকা মান্দানার চেহারা ব্যবহার করে কৃত্রিম বিভ্রান্তিকর ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ইতোমধ্যে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • লাইভে এসে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের জ্যোতিকা

    টেলিভিশন ও সিনেমার পরিচিত মুখ এবং আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ তারকাদের মধ্যে অন্যতম এক অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি। যিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থী হত্যাচেষ্টায় অভিযুক্ত এবং হোয়াটসঅ্যাপের ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের একজন সক্রিয় সদস্য। আর এ অভিনেত্রী এবার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে আবেগাপ্লুত হয়ে নিজের বর্তমান পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন।

    সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় ফেসবুক ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে জ্যোতিকা জানান― দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ, অনলাইনে হয়রানি ও কাজের সংকটে ভীষণভাবে বিপর্যস্ত তিনি। আর একপর্যায়ে এ অভিনেত্রী বলেন, আমি আর পারছি না।

    জ্যোতিকা শুরুতেই বলেন, নিজের কষ্ট ভাগ করে নেওয়ার মতো কেউ নেই। তিনি বলেন, কোনো দুর্ঘটনার পর অনেক কথা বলি আমরা। কিন্তু যে মানুষটি এমন অবস্থার মধ্যে থাকে, তার কষ্ট শুধু তিনি নিজেই জানেন। আমি নিজেকে সবসময় শক্ত রাখার চেষ্টা করেছি, যা এখন আর পারছি না।

    তার দাবি―গত দুই বছর ধরে তেমন কোনো কাজ নেই তার। কিন্তু এই সময় নিয়মিত অনলাইনে হয়রানি, কটূক্তি ও ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হয়েছেন। আর্থিক সংকটের কথাও জানান তিনি। বলেন, অনেক সময় মা-বাবার কাছ থেকে সাহায্য নিতে হচ্ছে, যা তাকে অধিকতর মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ সময় জ্যোতিকা অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের পর থেকে তার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার ও হয়রানি বেড়ে যায়। তার ভাষ্য, তার রাজনৈতিক ও আদর্শিক অবস্থানের কারণে একাধিক পক্ষের সমালোচনা, হুমকি এবং অনলাইন বুলিংয়ের মুখে পড়তে হয়েছে। এমনকি তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলেও দাবি করেন।রাজনৈতিক সংবাদ

    তিনি বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণ দীর্ঘ সময় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেননি। নানা সময় তাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিকর মন্তব্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে। যা তার জন্য খুবই কষ্টের। আর এসব ঘটনার প্রভাব তার পেশাগত জীবনে পড়ছে বলেও জানিয়েছেন জ্যোতিকা।

    এ অভিনেত্রীর দাবি, তাকে নিয়ে কাজ করতে এখন অনেকেই ভয় পান। এ কারণে তার পেশাগত জীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, আমি কারও কাছে গিয়ে কাজ চাইতে পারি না। আবার আপস করেও কাজ করতে পারি না। আমার জীবন একদম নরকের মতো হয়ে গেছে।

    এছাড়া লাইভের শেষ দিকে জ্যোতিকা বলেন, আমি হেল্পলেস। আমি দুঃখিত, এভাবে আমার দুর্বলতা প্রকাশ করতে হলো। কিন্তু আমার আর শক্তি নেই। মনে হচ্ছে, আর ঘুরে দাঁড়াতে পারব না।

    এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিকে ঘিরেও আলোচনায় আসেন জ্যোতিকা জ্যোতি। সে সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, তাকে অফিসকক্ষে আটকে রাখা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে কটাক্ষ, জবাব দিলেন কিয়ারা

    ভারতের দক্ষিণী সুপারস্টার যশের সঙ্গে ‘টক্সিক: অ্যা ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’ চলচ্চিত্রে জুটি বেঁধে নতুন করে চর্চায় এসেছেন বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। সিনেমাটিতে বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ ও সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করে একশ্রেণির নেটনাগরিকের কটাক্ষের মুখে পড়েছেন তিনি। নিন্দকদের বড় একটি অংশের অভিযোগ মা হওয়ার পর পর্দায় এমন চরিত্রে অভিনয় করা মোটেও সমীচীন হয়নি।

    তবে এসব সমালোচনা ও ট্রলের মাঝে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী নিজেই; স্পষ্ট করেছেন কেন তিনি ‘টক্সিক’-এর মতো চ্যালেঞ্জিং প্রজেক্টে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, ‘টক্সিক’ ছবিটি হতে যাচ্ছে কিয়ারার অভিনয়জীবনের অন্যতম সাহসী ও বৈচিত্র্যময় কাজ। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের যুক্ত হওয়ার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে কিয়ারা বলেন, ‘গল্পটা প্রথম যখন শুনি, তখনই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার চরিত্রটি সুন্দর ভাবে তৈরি করা হয়েছে, একজন অভিনেত্রী হিসেবে এমন চরিত্রই তো সব সময় খুঁজি। আমার মনে হয়েছিল, ক্যারিয়ারের এমন এক জায়গায় পৌঁছেছি, যেখানে এমন কঠিন একটি চরিত্র করার আত্মবিশ্বাস এসেছে।’

    যদিও চলচ্চিত্রে কিয়ারার মূল চরিত্রটি ঠিক কেমন, তা নিয়ে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে পর্দায় যশের বিপরীতে ‘নাদিয়া’ চরিত্রে তার উপস্থিতিও সাহসী দৃশ্যগুলো এরই মধ্যে দর্শক ও অনুরাগীদের নজর কেড়েছে। নারী চরিত্রের প্রচলিত রূপরেখা প্রসঙ্গে নিজের শক্ত অবস্থানের কথা তুলে ধরে কিয়ারা জানান, তিনি কখনোই চান না কোনো নারী চরিত্রকে একটি নির্দিষ্ট ছকে বেঁধে রাখা হোক।

    অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘আমি চাই না, নারীদের এক ধরনের চরিত্রে আটকে রাখা হোক। আমরা তার চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। তাহলে পর্দার চরিত্রও কেন তেমন হবে না?’ তিনি মনে করেন, পর্দায় নারী চরিত্রগুলোর উপস্থাপন হওয়া উচিত বেশ শক্তিশালী ও স্বতন্ত্র, আর ‘টক্সিক’-এর চরিত্রটি ঠিক তেমনই এক নির্মাণ।

    প্রসঙ্গত, ‘টক্সিক’ সিনেমাটির যৌথভাবে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন নায়ক যশ ও গীতু মোহনদাস। এটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন গীতু মোহনদাস নিজেই। প্রযোজনা সূত্রে জানা গেছে, ছবিটি মূল দ্বভাষিক হিসেবে ইংরেজি ও কন্নড় ভাষায় একসঙ্গে শুট করা হয়েছে। পরবর্তীতে এটি হিন্দি, তেলুগু, তামিল ও মলয়ালমসহ একাধিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভাষায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনের জন্য ২ কোটি রুপির প্রস্তাব কেন ফিরিয়ে দেন সাই পল্লবী?

    সাই পল্লবী—দক্ষিণী সিনেমার এমন এক নাম, যিনি গ্ল্যামারের বাঁধাধরা ছক ভেঙে বারবার নিজের সততা ও স্বাভাবিক সৌন্দর্যের জন্য প্রশংসিত হয়েছেন। নীতি ও আদর্শের জায়গায় কখনোই আপস করেননি এই অভিনেত্রী। এই যেমন, ২০১৯ সালে একটি ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনের জন্য ২ কোটি রুপির বিশাল অঙ্কের প্রস্তাব পেয়েও তা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। 

    অর্থ বা খ্যাতির চেয়ে নিজের আত্মসম্মান ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে যে তিনি কতটা প্রাধান্য দেন, এই ঘটনা তারই বড় প্রমাণ।

    ২০২০ সালের ডিসেম্বরে ‘বলিউড হাঙ্গামা’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাই পল্লবী জানান, সৌন্দর্য সচেতনতার নামে সমাজে প্রচলিত তথাকথিত গায়ের রঙের বৈষম্য তিনি কাছ থেকে দেখেছেন। কীভাবে গায়ের রঙের কারণে স্বজন ও বন্ধুদের হীনমন্যতায় ভুগতে হয়, তা তিনি জানেন।

    বিশেষ করে নিজের ছোট বোনের একটি ঘটনা তার মন গভীরভাবে ছুঁয়ে যায়। পল্লবীর বোন একটু চাপা রঙের হওয়ায় মা প্রায়ই তাকে জোর করে ফল ও সবজি খাওয়াতেন এবং বলতেন এগুলো খেলে গায়ের রঙ ফর্সা হবে। বোনের এই অনিচ্ছাকৃত লড়াই সাই পল্লবীর মনে গভীর দাগ কাটে। 

    অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার বোনকে এভাবে কষ্ট পেতে দেখে খুব আঘাত পেয়েছিলাম। তখনই মনে হয়েছিল, অন্তত আমার বোনের জন্য হলেও এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো উচিত। তা না হলে এত টাকা দিয়ে আমি কী করব?’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ব্যক্তিজীবনে সাই পল্লবী অত্যন্ত সাদামাটা। তিনি কোনো সৌন্দর্যের প্রসাধনী ব্যবহার করতে পছন্দ করেন না। মেকআপে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না বলেই তিনি পর্দায় বা বাইরে নিজের ব্রণ বা ত্বকের খুঁত লুকানোর চেষ্টা করেন না। তার মতে, মানুষ যেমন, ঠিক তেমনভাবেই নিজেকে ভালোবাসতে শেখা উচিত। 

    অথচ রূপালি পর্দায় আসার আগে দৃশ্যপট এমন ছিল না। ২০১৫ সালে ‘প্রেমাম’ সিনেমা দিয়ে আত্মপ্রকাশের আগে সাই পল্লবী নিজেও ব্রণ নিয়ে মারাত্মক হীনমন্যতায় ভুগেছেন। ব্রণ ঢাকতে শত শত ক্রিম মেখেছেন এবং বাড়ি থেকে বের হতেও দ্বিধাবোধ করতেন। তার মনে হতো সবাই বুঝি তার চোখের দিকে না তাকিয়ে মুখের ব্রণের দিকে তাকিয়ে কথা বলছে।

    তবে ‘প্রেমাম’ মুক্তির পর বদলে যায় পুরো দৃশ্যপট। মেকআপহীন ও ব্রণসহ চেহারাতেই দর্শক তাকে বিপুল ভালোবাসা দিয়ে গ্রহণ করেন। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরী ও তরুণ প্রজন্ম তাকে দেখে অনুধাবন করে যে, গায়ের রঙ বা ত্বকের সমস্যা কোনো বাধার কারণ হতে পারে না। 

    দর্শকদের এই ভালোবাসাই সাই পল্লবীকে নতুন শক্তি দেয়। পল্লবী মনে করেন, যে ভক্তরা তাকে তার স্বাভাবিক রূপেই গ্রহণ করেছেন ও ভালোবেসেছেন, কোনো ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপন করে তাদের বিশ্বাস ভাঙা উচিত নয়। এ ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচার করলে সাধারণ মানুষ নিজের ত্বকের রঙ নিয়ে সংশয়ে ভুগবে এবং বডি ইমেজ সমস্যায় পড়বে। তাই কোনোভাবেই তিনি নিজের ভক্তদের অনুভূতির সঙ্গে প্রতারণা করতে চাননি। 

    এই অভিনেত্রীকে সামনে নিতেশ তিওয়ারির বহুলপ্রতীক্ষিত মহাকাব্যিক সিনেমা ‘রামায়ণ: পার্ট ১’-এ সীতার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে, যা এ বছরের ৮ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। পর্দায় তার এই চরিত্র যেমন আলোড়ন তোলার অপেক্ষায়, তেমনি বাস্তবেও তার এই ব্যতিক্রমী আদর্শ কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে আছে। 

    সূত্র: এনডিটিভি 

    অনলাইন ডেস্ক

  • ৯ বছরে রূপ-লাবণ্যে কতটা বদলালেন পূজা

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা চেরী প্রথম সারির অভিনেত্রী হয়ে উঠেছেন। তার অভিনীত সিনেমার সাফল্যও কম নয়। বড়পর্দায় তার অভিনয় বরাবরই প্রশংসিত। 

    পূজা চেরীকে সর্বশেষ দেখা গেছে, কুরবানির ঈদের সিনেমা ‘মাসুদ রানা’য়। সৈকত নাসিরের এ সিনেমাটি অবশ্য প্রেক্ষাগৃহে সাড়া জাগাতে পারেনি। এরপর থেকেই অবশ্য আর নতুন কোনো সিনেমার খবরে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে সামাজিক মাধ্যমে বরাবরের মতোই তার উপস্থিতি রয়েছে। প্রায়ই নিজের নানা ভালোলাগা-মন্দলাগার মুহূর্ত শেয়ার করে নেন অভিনেত্রী। যেমন মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে দুটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। যার একটি তোলা হয়েছিল ২০১৭ সালে, অন্যটি বর্তমান সময়ের।

    সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা একটি ছবিতে দেখা গেছে, কালো রঙের ওপর গোলাপি নকশার একটি জামা পরে আছেন পূজা চেরী। এ ছবিটি ২০১২ সালে ‘ভালোবাসার রঙ’-এ শিশুশিল্পী হিসেবে তার অভিনয়ের পথচলা শুরু। অন্য ছবিতে দেখা গেছে, ধূসর রঙের জামা পরা অবস্থায়। নায়িকা চরিত্রে অভিষেক হওয়া ২০১৮ সালে, ‘নূরজাহান’ সিনেমা দিয়ে। দুটি ছবিতেই তার চেহারার পার্থক্য দেখা গেছে। কারণ এরই মধ্যে কেটে গেছে ৯ বছর।

    অভিষেক সিনেমা ‘নূরজাহান’ দিয়ে বাজিমাৎ করেছিলেন পূজা চেরী। এরপর সুপারহিট ‘পোড়ামন ২’ দিয়ে পেয়ে যান রাতারাতি খ্যাতি। একই বছর চমকে দেন ‘দহন’ সিনেমায় অভিনয় করে। এরপর একে একে হাজির হয়েছেন ‘শান’, ‘গলুই’, ‘হৃদিতা’, ‘জ্বীন’, ‘লিপস্টিক’, ‘আগন্তুক’ ও ‘দম’-এর মতো আলোচিত সিনেমায়। 

    সময়ের সঙ্গে পূজার ক্যারিয়ার যেমন বদলেছে, ঠিক তেমনি বদলেছে তার রূপ-লাবণ্য চেহারায়ও। অভিনেত্রী এই ছবি পোস্টের পর নেটিজেনদের কেউ কেউ লিখেছেন— ‘আগেই বেশি কিউট ছিলে পূজা’। কেউ লিখেছেন— ‘টিন ভার্সেস ম্যাচিউর’। আবার বেউ লিখেছেন— ‘সময় বদলেছে, কিন্তু তুমি যেন একই রয়ে গেছ’। 

    কেউ আবার পূজাকে এবার বিয়ের পরামর্শও দিয়েছেন। তবে বরাবরের মতোই তার ভক্তঅনুরাগীদের মন্তব্যের কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি অভিনেত্রী পূজা চেরী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধানুশের পর এবার নতুন ক্রিকেটারের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ম্রুনালের

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় সুপারস্টার ধানুশের সঙ্গে প্রেম ও বিয়ের জল্পনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়েছে বলিউড অভিনেত্রী ম্রুনাল ঠাকুরকে ঘিরে। এবার নাকি এক তরুণ ক্রিকেটারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি।

    সম্প্রতি মুম্বাইয়ের একটি ক্যাফেতে সেই ক্রিকেটারের সঙ্গে একই সময়ে দেখা গেছে অভিনেত্রীকে। সেই থেকে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। 

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, মুম্বাইয়ের বান্দ্রা ওয়েস্ট এলাকার একটি ক্যাফে থেকে ধারণ করা হয়েছিল সেই ভিডিওটি। যাতে দেখা গেছে, ২৪ বছর বয়সি ক্রিকেটার যশস্বী জয়সওয়াল ক্যাফে থেকে হেঁটে বের হয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে অভিনেত্রী ম্রূণাল ঠাকুর তখনো ক্যাফের ভেতরেই অবস্থান করছিলেন।

    যদিও এ ভিডিওটির কোনো দৃশ্যেই তাদের দুজনকে একসঙ্গে কিংবা কোনো রোমান্টিক মুহূর্তে দেখা যায়নি। এমনকি তাদের একসঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়নি। তা সত্ত্বেও সামাজিক মাধ্যমে সেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ নিয়ে বিভিন্ন ফ্যান পেজে শেয়ার করে তাদের দুজনের প্রেমের ইঙ্গিতে গুঞ্জনটি দ্রুত ছড়াতে থাকে। এ নিয়ে তারা সত্যিই ডেটে গিয়েছিলেন কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। 

    এ ছাড়া সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এ ভিডিও এবং প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে এখন পর্যন্ত অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর কিংবা ক্রিকেটার যশস্বী জয়সওয়াল কেউই কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি। 

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী ম্রুনাল ঠাকুর বর্তমানে ‘পূজা মেরি জান’ ও তেলুগু ‘রাকা’ সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। এর মধ্যে ‘পূজা মেরি জান’ সিনেমার শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে সেই সিনেমাটির পোস্ট প্রডাকশনের কাজ চলছে। এর মধ্যেই সেই সিনেমার টিজার প্রকাশ পেয়েছে। তবে মুক্তির তারিখ এখনো জানানো হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাংলাদেশে শুটিংয়ে এসে তিক্ত অভিজ্ঞতা নোরা ফাতেহির, কপিলের রসিকতা

    ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া সুন্দরবনের প্রেক্ষাপটে একটি শক্তিশালী সাদা বাঘ ঘিরে দলের অভিযানের গল্প তুলে ধরা হয় ‘রোর: টাইগার্স অব দ্য সুন্দরবনস’ সিনেমাটিতে। এ সিনেমাটি পরিচালনা করেন কমল সদানা। 

    অ্যাডভেঞ্চার থ্রিলার ঘরানার সেই সিনেমাটিতে সিজে চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয় মডেল, নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী নোরা ফাতেহির। সিনেমাটির শুটিং হয়েছিল সুন্দরবনের ঘন ম্যানগ্রোভ অরণ্যকে ঘিরে। এতে সুন্দরবনের আকাশ থেকে ধারণ করা দৃশ্যের পাশাপাশি ৮০০টির বেশি ভিএফএক্স শট ব্যবহার করা হয়। সেই সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে ঘটে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। যা ‘দ্য কপিল শর্মা শো’-তে স্মরণ করলেন অভিনেত্রী।

    সেই সময় অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি বাংলাদেশে ‘রোর: টাইগার্স অব দ্য সুন্দরবনস’ সিনেমার শুটিংয়ে এসে সহ-অভিনেতার সঙ্গে মারামারির পুরোনো ঘটনা আবারও স্মরণ করেন। সিনেমার শুটিং চলাকালে ওই সহ-অভিনেতাকে চড় মারার পর পাল্টা চড় খেয়েছিলেন বলে জানান নোরা ফাতেহি। এ সময় দুজনের মধ্যে চুল টানাটানিও হয়েছিল বলে স্বীকার করেন। 

    সে ঘটনাই সম্প্রতি ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে আবার উঠে এলো।  ‘দ্য কপিল শর্মা শো’-তে ‘অ্যান অ্যাকশন হিরো’ সিনেমার ‘ঝেদা নশা’ গানের প্রচারে আয়ুষ্মান খুরানার সঙ্গে বছর কয়েক আগে হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেখানেই বাংলাদেশে শুটিংয়ের সেই অপ্রীতিকর ঘটনা তুলে ধরেন তিনি।

    ‘রোর: টাইগার্স অব দ্য সুন্দরবনস’ সিনেমাটির শুটিংয়ের সময় সহ-অভিনেতার দুর্ব্যবহার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে নোরা বলেন, আমরা বাংলাদেশের সুন্দরবনের জঙ্গলে শুটিং করছিলাম। সেখানে এক সহ-অভিনেতা আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ওই অভিনেতাকে চড় মারেন। এরপর ওই অভিনেতাও তাকে চড় মারেন এবং তার চুল টেনে ধরেন। তিনিও পাল্টা তার চুল টানেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে বড় ধরনের ঝগড়া শুরু হলে পরিচালককে এসে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয় বলে জানান নোরা ফাহেতি।

    অভিনেত্রী বলেন, তাই আমি তাকে চড় মারি। এরপর সে আমার চুল টেনে ধরে। আমিও তার চুল টানি। এরপর বড় ধরনের ঝগড়া শুরু হয়। পরিচালককে এসে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল।

    নোরা ফাতেহির এ কথা শুনে অনুষ্ঠানের উপস্থাপক কপিল শর্মা রসিকতা করে বলেন, ‘তার গায়ে গজব পড়ুক।’ জবাবে নোরাও ওই সহ-অভিনেতাকে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সে আসলেই একটা বাজে মানুষ।’ যদিও নোরা কখনোই সেই অভিনেতার নাম প্রকাশ করেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছাত্র আন্দোলন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে বিপাকে ভারতীয় অভিনেত্রী

    রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস মালয়ালম’-এর সাবেক প্রতিযোগী, অভিনেত্রী ও সঞ্চালক পার্ল মানি ভারতের সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন নিয়ে পোস্ট করে চরম বিতর্কের মুখে পড়েছেন। বিতর্কিত বক্তব্যের পর ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও ইউটিউবে তার অনুসারীর (ফলোয়ার) সংখ্যা হু-হু করে কমতে শুরু করেছে। 

    পরিস্থিতি সামাল দিতে নিজের পোস্টের কমেন্ট সেকশন বন্ধ করলেও ক্ষোভ কমেনি নেটিজেনদের। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কেবল ইনস্টাগ্রামেই মাত্র দুই দিনে তিন লাখের বেশি অনুসারী হারিয়েছেন এই অভিনেত্রী। 

    গত ২৪ জুলাই শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তা শেয়ার করেন পার্ল মানি। 

    আন্দোলনের দৃশ্যকে ‘হৃদয়বিদারক’ উল্লেখ করে তিনি ওই পোস্টে লেখেন, ‘আমার একটাই প্রার্থনা—কেউ যেন আঘাত না পান, সবাই নিরাপদে থাকুন। জীবন বিপন্ন হলে ঘরে ফিরে যান, কোনো দাবির জন্যই জীবন দেওয়া যুক্তিযুক্ত নয়।’ 

    তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন যেন মূল আন্দোলনটি অন্য কোনো খাতে মোড় না নেয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে নিজের ওই পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘আমার কমেন্ট সেকশনটি আমার বাকস্বাধীনতার প্রতিফলন’—আর এই মন্তব্য করেই তিনি পোস্টের কমেন্ট সেকশন পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। অভিনেত্রীর এমন ‘কূটনৈতিক’ অবস্থান এবং কমেন্ট সেকশন বন্ধ করার বিষয়টি সাধারণ মানুষের একাংশকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। 

    আন্দোলন সম্পর্কিত পোস্টটির কমেন্ট বক্স বন্ধ থাকায় ক্ষুব্ধ ব্যবহারকারীরা পার্লের অন্যান্য পুরনো পোস্টে গিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। অনেক নেটিজেন তাকে ‘সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মানো সুবিধাভোগী’ উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন যে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংগ্রাম ও ত্যাগ বোঝার সক্ষমতা তার নেই। 

    ২৪ জুলাইয়ের আগে ইনস্টাগ্রামে পার্লের অনুসারী ছিল প্রায় ২৭ লাখ (২.৭ মিলিয়ন)। বিতর্কের পর দুই দিনের ব্যবধানে তা কমে ২৪ লাখে (২.৪ মিলিয়ন) নেমে এসেছে। একই সঙ্গে ইউটিউব ও ফেসবুকেও তার সাবস্ক্রাইবার ও অনুসারী কমছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • হানিয়া-সজল কারোর সঙ্গেই আমার বন্ধুত্ব নেই: মাহিরা খান

    ফিলিস্তিনের গাজায় মানবিক সহায়তার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক দাতব্য তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যুক্তরাজ্যে গেছেন পাকিস্তানি চলচ্চিত্র ও নাট্যজগতের শীর্ষ তারকা মাহিরা খান। ‘লাক্স ইভেন্টস ইউকে’র উদ্যোগে লন্ডনে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি ব্রিটিশ-পাকিস্তানি কমিউনিটির ভক্তদের সঙ্গে বিশেষ মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে অংশ নেন। 

    অনুষ্ঠান চলাকালীন এক প্রশ্নের জবাবে মাহিরা খানের কাছে জানতে চাওয়া হয়— সজল আলি, হানিয়া আমির ও ইকরা আজিজের মধ্যে কার সঙ্গে তিনি পরবর্তীতে কাজ করতে চান? 

    প্রশ্নের উত্তরে মাহিরা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানান, এই তিন সহশিল্পীর সঙ্গেই তার সুন্দর সম্পর্ক রয়েছে, তবে তারা কেউই তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু নন। 

    মাহিরা বলেন, ‘তাদের সবার সঙ্গেই আমার সুসম্পর্ক রয়েছে, কিন্তু তাদের কারোর সঙ্গেই আমার গভীর বন্ধুত্ব নেই।’ ব্যস্ত সূচির কারণে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ বা আড্ডা দেওয়া সম্ভব হয় না বলেই তাদের মধ্যে দূরত্ব থাকে বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

    শিল্পীদের মধ্যে কোনো ধরণের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা তিক্ততা রয়েছে কিনা— এমন সম্ভাবনাও নাকচ করে দেন মাহিরা। 

    কথোপকথনের একপর্যায়ে অভিনেত্রী সজল আলির ভূয়সী প্রশংসা করেন মাহিরা। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে তিনি ও সজল যদি কোনো সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেন, তবে তা পাকিস্তানি চলচ্চিত্রের ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা হতে পারে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মাহিরায় এমন স্পষ্টবাদী বক্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভক্তরা তার এই সততার প্রশংসা করেন। অনেকেই ভবিষ্যতে পর্দায় সজল ও মাহিরার রসায়ন দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। 

    মাহিরা খানকে সর্বশেষ ‘লাভ গুরু’, ‘নিলুফার’ এবং ‘আগ লাগে বস্তি মে’ চলচ্চিত্রে দেখা গেছে। এ ছাড়া ‘রাজিয়া’, ‘হাম কাহাঁ কে সাচে থে’, ‘এক হ্যায় নিগার’, ‘সদকে তুমহারে’, ‘বিন রায়’ ও ‘কায়েদ-ই-আজম জিন্দাবাদ’-এর মতো জনপ্রিয় ড্রামা ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

    খুব শিগগিরই তাকে ওয়াহাজ আলির বিপরীতে নতুন ধারাবাহিক ‘মিট্টি দে বাওয়ে’-তে দেখতে পাবেন দর্শকরা। 

    সূত্র: সিয়াসাত ডেইলি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের তন্বী চেহারার রহস্য জানালেন জয়া আহসান

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান সম্প্রতি কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’তে অভিনয়ের পর ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তবে নিজের কর্মক্ষমতা ধরে রাখার জন্য প্রত্যেক শিল্পীকেই নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। ব্যতিক্রম নন জয়া আহসানও। কিন্তু তার প্রতিদিনের জীবনযাপন খানিক অবাক করে দিতে পারে তার ভক্ত-অনুরাগীদের।

    ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’র চরিত্র পদ্মা তথা জয়া আহসানের জিমে বড় আলস্য। এ সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার মাসকয়েক আগে থেকে জিম করা শুরু করেন অভিনেত্রী। তখন পিলাটিজ করে ক্যালোরি ঝরান তিনি। অর্থাৎ চিরাচরিত ফিটনেস রুটিনের প্রতি ঝোঁক নেই তার। কিন্তু জনপ্রিয় শারীরচর্চা থেকে খানিক দূরে থাকলেও মাঠঘাট, চাষের ক্ষেত তাকে সুস্থ রাখে, আনন্দে রাখে। 

    জয়া বলেন, জিম করা যে দরকার, তা অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে যে যার মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। সে সময়ে মাটি তৈরি করা থেকে শুরু করে, দরকারে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও করি। 

    বাড়িতে হরেকরকম সবজির চাষ হয়। খাবারের থালাতেও সেই সবিজ রাঁধা পদই থাকে। বাড়িতে তৈরি সবজি দিয়ে রাঁধা খাবারই বেশি পছন্দ তার। ফলে রাসায়নিক সারের ভীতি থাকে না। নিজে চাষ করে খাওয়াদাওয়ারই পক্ষপাতি জয়া। তবে কালেভদ্রে যে বাইরের খাবার খান না, তা নয়। পিৎজা তার খুবই পছন্দের একটি খাবার। তা ছাড়া জাঙ্ক ফুডের প্রতি তত প্রীতি নেই তার। 

    জয়া বলেন, যদি জাঙ্ক ফুড খেয়েও ফেলি, তা নিয়ে অপরাধবোধে ভুগি না আমি। কারণ মাঝে মাঝে মন ও আত্মাকেও খাওয়ানো উচিত বলে মনে করি। আর খুব বেশি সতর্ক হয়ে গেলে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন কীভাবে বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিক বলেন, চাষ করার চেয়ে ভালো শারীরচর্চা আর কী-ই বা হতে পারে! যারা নিয়মিত চাষবাস করেন, তাদের যে কেবল ক্যালোরি ঝরে, তা-ই নয়, পেশি মজবুত হয়, টোনিংয়ের কাজও হয়। তা ছাড়া সূর্যালোকের সংস্পর্শে শরীরে ভিটামিন ডির মাত্রা বেড়ে যায়। এই ভিটামিন শরীরের হাজারো কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

    অনন্যা ভৌমিক আরও বলেন, আদিম যুগে কি জিম ছিল? যন্ত্র বা ব্যায়ামের নতুন ধারাও তখন আবিষ্কার হয়নি। তখন তারা ক্ষেতের কাজ করতেন, মাছ ধরতে যেতেন, কেউ বা শিকারে যেতেন। আর এসব কাজই একটা মানুষকে সুস্থ রাখতে পারে। যত কায়িক শ্রম হবে, ততই শারীরবৃত্তীয় কাজ স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হবে। এর পাশাপাশি নিজের হাতে তৈরি সবজি দিয়ে রান্না করা খাবার খাওয়ার মতো স্বাস্থ্যকর কী-ই বা হবে।

    বাগান হোক বা চাষের কাজ করা হোক, পুষ্টিবিদের মতে, এই সমস্ত কাজ মনকে আনন্দ দেয়। ফলে শরীরে ‘হ্যাপি হরমোন’-এর ক্ষরণ বাড়ে, আবার স্ট্রেস হরমোন অর্থাৎ কর্টিসলের মাত্রা কমে। সব মিলিয়ে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্যও মাঠেঘাটে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

    পুষ্টিবিদের পরামর্শ, যারা চাষের ক্ষেতে কাজ করার সুযোগ পান না, তারা বড় করে বাগান করতে পারেন। অনেকটা জায়গাজুড়ে হাঁটাচলা করা, ঘোরাঘুরি করার মাধ্যমেও শরীর বেশ সক্রিয় থাকে। কিন্তু ছোটখাটো বাগানে এই উপকারিতাগুলো মিলবে না।

    বিনোদন ডেস্ক