Tag: হিরো আলম

  • একের পর এক বিয়ের প্রস্তাব পাচ্ছেন হিরো আলম

    এ মুহূর্তে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম তার দাম্পত্য কলহের কারণে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছেন। তিনি তার তৃতীয় স্ত্রী রিয়া মনিকে মৌখিকভাবে তিন তালাক দিয়েছেন। শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর আফতাবনগরে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দুধ দিয়ে গোসল করেছেন এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

    এদিকে হিরো আলম রিয়া মনিকে তালাক দেওয়ার পর থেকেই অনেক নারী তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেন, রিয়া মনিকে তালাক দেওয়ার পর থেকে মেসেঞ্জারে প্রবেশ করতে পারছি না। অনেক মেয়ে মেসেজ করছে। তারা আমাকে বিয়ে করতে চায়। আমি এই ভালোবাসা ও আগ্রহকে সম্মান করি বলে জানান এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর। 

    হিরো আলম বলেন, তবে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই— আমি এখনো কাউকে বিয়ের আশ্বাস দিইনি। এ বিষয়টি শুধু আমার একার সিদ্ধান্ত নয়; আমার পরিবার, মা-বাবা, ভাইবোনদের সঙ্গে পরামর্শ করেই আমি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।

    এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলেন, আমি বিয়ে করতে চাই, তবে তা হুটহাট কোনো আবেগে নয়। বরং ভেবেচিন্তে এবং স্থিরভাবে এবারের বিয়েটা করব। তিনি বলেন, আমি চাই আমার সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যৎ, ভালো একটি পরিবার। এ জন্যই আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী খুঁজছি, যিনি ভালো মনের অধিকারী হবেন এবং বাস্তবতা বুঝে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে জানান হিরো আলম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হিরো আলমের দুধ দিয়ে গোসল করা প্রসঙ্গে যা বললেন রিয়া মনি

    সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম ও তার স্ত্রী রিয়া মনিকে নিয়ে কয়েক দিন ধরে নেটিজেনদের মধ্যে চলছে সমালোচনা। সেই আলোচিত-সমালোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবার স্ত্রী রিয়া মনিকে তিন তালাক দিয়েছেন।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর আফতাবনগরের এম ব্লকে রিয়া মনিকে মৌখিক তিন তালাক দিয়ে দুধ দিয়ে গোসল করেন হিরো আলম। তার আগে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নারী ভক্তরা হিরো আলমের জন্য দুধ নিয়ে আসেন। সেই দুধ দিয়ে প্রকাশ্যে গোসল করেন এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

    তিন তালাক দেওয়ার পর হিরো আলম বলেন, ডিভোর্সের কাগজপত্র চূড়ান্ত করেছেন তার উকিল। কোর্টের মাধ্যমে তিন মাসের মধ্যে রিয়া মনি তালাকের কাগজ পাবেন। তিনি বলেন, রিয়া মনি আমাকে খুন করতে চেয়েছিল। সে পরকীয়া করেছে। আজ তাকে তালাক দিয়েছি। এ জন্য দুধ দিয়ে গোসল করে আমি নতুনভাবে নিজেকে শুদ্ধ করছি।

    এদিকে স্ত্রী রিয়া মনির সঙ্গে হিরো আলমের পারিবারিক জীবনে টানাপোড়েন অনেক দিন ধরেই চলে আসছে। এবার তা বিচ্ছেদে রূপ নিয়েছে। হিরো আলম তিন তালাক দিয়ে দুধ দিয়ে গোসল করা প্রসঙ্গে রিয়া মনি বলেন, এ নিয়ে তার কিছু বলার নেই। হিরো আলম যা ভালো মনে করেছে, সে তাই করবে। আমার কোনো অভিযোগ নেই। আমি তো চেষ্টা করেছি সংসার টিকিয়ে রাখতে। কিন্তু সেটি করতে পারিনি।

    হিরো আলমের আনা অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে রিয়া মনি বলেন, দেখুন, হিরো আলম আমার নামে অভিযোগ করতে পারে। সেটি তার অধিকার। কিন্তু সেই অভিযোগগুলো প্রমাণ দিতে হবে তো। তিনি বলেন, আমি আর কিছু বলতে চাই না। যদি বলতে হয় আদালতে বলব। আইনের কাছে তো মিথ্যা বলতে পারবে না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুধ দিয়ে গোসল কি কোনো রীতি?

    আলোচিত-সমালোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম তার স্ত্রী রিয়া মনিকে তিন তালাক দিয়েছেন। শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর আফতাবনগরের এম ব্লকে রিয়া মনিকে মৌখিক তিন তালাক দিয়ে দুধ দিয়ে গোসল করেছেন এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর। এ মুহূর্তে হিরো আলম তার দাম্পত্য কলহের কারণে সামাজিক মাধ্যমে বেশ ভাইরাল। তিনি তার তৃতীয় স্ত্রী রিয়া মনিকে মৌখিকভাবে তালাক দিয়ে প্রকাশ্যে দুধ দিয়ে গোসল করেন।

    এ দুধ দিয়ে গোসল করে নিজেকে শুদ্ধ হওয়ার রীতিনীতি শুধু দেশেই নয়; বিদেশেও এমন ঘটনার খবর আমরা পেয়ে থাকি। প্রশ্ন হচ্ছে— দুধ নিয়ে গোসল আসলে কি হয়? ভারতীয় উপমহাদেশে দুধ দিয়ে গোসলের মাধ্যমে পবিত্র হওয়ার ধারণা প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে। এটিকে শুদ্ধতার প্রতীক হিসেবে সবাই দেখে থাকে। 

    উপমহাদেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশে বা সংস্কৃতিতে দুধ দিয়ে গোসল করার রেওয়াজ ছিল। প্রাচীনকালে রোমানরাও ত্বক কোমল রাখতে নিয়মিত দুধ মিশ্রিত পানিতে গোসল করতেন। মিশরের রানি ক্লিওপেট্রাও দুধ দিয়ে গোসল করে তার অপরূপ সৌন্দর্য ধরে রেখেছিলেন। তবে আসলেই কি এর কোনো উপকার আছে? 

    চলনু জেনে নেওয়া যাক, দুধ দিয়ে গোসল করলে কি কি উপকার পাওয়া যায়—

    প্রথমত, ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে দুধ। দুধ ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে অসাধারণ ভূমিকা পালন করে। এতে থাকা প্রাকৃতিক ফ্যাট ও প্রোটিন ত্বকের শুষ্কতা দূর করে, ত্বককে নরম ও নমনীয় করে তোলে। নিয়মিত দুধ দিয়ে গোসল করলে ত্বকে প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় থাকে। গভীরভাবে ময়েশ্চারাইজিং হয়।

    দ্বিতীয়ত রোদে পোড়াভাব দূর করে দূধ। দুধে থাকা প্রোটিন, ভিটামিন ‘এ’ ও ‘ডি’ ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করে। রোদ থেকে ঘুরে আসার পর দুধ দিয়ে গোসল করতে পারেন। দুধ দিয়ে গোসলের সময় পানিতে অ্যালোভেরা মিশিয়ে নিলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।

    তৃতীয়ত ত্বকের মৃত কোষ দূর করে দুধ। আর দুধের ভেতর রয়েছে ল্যাকটিক অ্যাসিড, যা একধরনের প্রাকৃতিক হাইড্রোক্সি অ্যাসিড। এ উপাদানটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে নতুন কোষ জন্মাতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক হয় মসৃণ ও উজ্জ্বল।

    চতুর্থত  প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনে দুধ। আর দুধে থাকা এনজাইম ও ভিটামিন ত্বকের কালচে ভাব দূর করে ত্বকের রঙ সমান করে তোলে। নিয়মিত দুধ দিয়ে গোসল করলে মুখ ও শরীরের ত্বক ধীরে ধীরে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। এটি ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে তোলে। ফলে ত্বকে আসে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রিয়া মনিকে তালাক দিয়ে দুধ দিয়ে গোসল করব: হিরো আলম

    সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম ও তার স্ত্রী রিয়া মনিকে নিয়ে কয়েক দিন ধরে নেটিজেনদের মাঝে চলছে সমালোচনা। সেই আলোচিত-সমালোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবার স্ত্রী রিয়া মনিকে তালাক দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আজ শনিবার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার মাধ্যমে দুধ দিয়ে গোসল করার কথাও জানিয়েছেন হিরো আলম। 

    তিনি বলেন, আজ (১৮ অক্টোবর) শনিবার দুপুর ১টায় রাজধানীর আফতাবনগরের এম ব্লকে রিয়া মনিকে মৌখিক তিন তালাক দিয়ে দুধ দিয়ে গোসল করবেন। রিয়া মনি আমাকে খুন করতে চেয়েছিল। সে পরকীয়া করে। তার সম্পূর্ণ সাক্ষী-প্রমাণ আপনাদের সামনে তুলে ধরব। 

    স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পরেই বিয়ে করবেন হিরো আলম, এমন কথা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে হিরো আলম বলছেন ভিন্নকথা। তিনি বলেন, এখন আর বিয়ে করার বয়স নেই। আমার তিন সন্তানকে দেখাশোনার জন্য একজন মা খুঁজছি। 

    এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলেন, আমি একা তাদের মানুষ করতে পারব না। আগে দুইটা বিবাহ করেছি। তারা সবাই আমাকে বিক্রি করে স্টার হতে এসেছিল। মিডিয়ার সামনে মিথ্যা কথা বলেছে। তারা মুখে বলেছে আমার সন্তানের মা হবে, কিন্তু তাদের অন্তরে ছিল স্টার হওয়ার নেশা। এ কারণে সংসারটা করা হলো না।

    এর আগে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে হিরো আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন স্ত্রী রিয়া মনি। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, তার সঙ্গে সংসার করা অবস্থায় হিরো আলম মিথিলা নামে একজনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ান। সেই নারী আলমকে ধর্ষণ মামলাও দিয়েছে। এসব নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে হিরো আলমকে ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন রিয়া মনি। এমনকি তাকে তালাকনামাও পাঠিয়েছিলেন তিনি। তালাকের কাগজ হাতে পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিলেন হিরো আলম। বাধ্য হয়ে হিরো আলমের সংসারেই থেকে যান তিনি। কিন্তু হিরো আলম তার মন্দ চরিত্র বদলাননি বলে দাবি করেন রিয়া মনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সেদিন সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে রিয়া মনি বলেন, আমি আর নিতে পারছি না। আলম বলছে— আমাকে ধ্বংস করে দেবে। তুমি তো নিজে ধ্বংস হয়ে গেলা, পাগলা হয়ে গেলা। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সবাই উঠে দাঁড়াতে পারে না। তুমি আলম মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছো, আমি তোমাকে বাঁচিয়েছি। এখন তুমি আমাকে ধ্বংস করতে আসছো! তোমার মতো মানুষ আমাকে কি ধ্বংস করবে, মানুষের ডির্ভোস হয় না? ডির্ভোস হলে কি সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়? তুমি আলম পরকীয়া করেছিলে। সেই নারী তোমাকে ধর্ষণ মামলা দিয়েছে। আমার আল্লাহ যদি সঙ্গে থাকে, তুমি কিছু করতে পারবে না। তুমি সংসারজীবনে সুখি না। সব জায়গায় রাজনীতি চলে না আলম।

    রিয়া মনি আরও বলেন, আমি তোমাকে ভালোবাসছিলাম। ভালোবেসে পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে তোমাকে বিয়ে করেছিলাম। তোমার সঙ্গে নাটক করিনি। তোমার টাকা দিয়ে আমি চলিও নাই। তোমাকে আমি লাখ লাখ টাকা দিয়েছি। সব শেষে ভালো থাকা প্রয়োজন, সেইটা তুমি থাকতে পারছ না। সে জন্য আমাকে জ্বালাতে এসো না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তিন সন্তানের জন্য মা খুঁজছেন হিরো আলম

    আলোচিত-সামালোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বলেছেন, এখন আর বিয়ে করার বয়স নেই। আমার তিন সন্তানকে দেখাশোনার জন্য একজন মা খুঁজছি। আমি একা তাদের মানুষ করতে পারব না। গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

    হিরো আলম বলেন, আগে দুইটা বিবাহ করেছি। তারা সবাই আমাকে বিক্রি করে স্টার হতে এসেছিল। মিডিয়ার সামনে মিথ্যা কথা বলেছে। তারা মুখে বলেছে আমার সন্তানের মা হবে, কিন্তু তাদের অন্তরে ছিল স্টার হওয়ার নেশা। এ কারণে সংসারটা করা হলো না।

    হিরো আলম এখন কী করবেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, নতুন কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলেন, নতুন কাজ তো করতে পারছি না। একটা না একটা সমস্যা তৈরি হচ্ছে আমার জীবনে। তবে নতুন সিনেমার গানের কাজ শেষ করেছি। সামনে মুক্তি পাবে। এগুলোর কাজ দেখছি। নতুন কয়েকটা সিনেমার কথা চলছে।

    এদিকে বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে হিরো আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরেন রিয়া মনি। কাঁদতে কাঁদতে তিনি জানান, তার সঙ্গে সংসার করা অবস্থায় হিরো আলম মিথিলা নামের একজনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ান। সেই নারী আলমকে ধর্ষণ মামলাও দিয়েছে। এসব নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে হিরো আলমকে ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন রিয়া মনি। এমনকি তাকে তালাকনামাও পাঠিয়েছিলেন তিনি। তালাকের কাগজ হাতে পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিলেন আলম। বাধ্য হয়ে হিরো আলমের সংসারেই থেকে যান রিয়া মনি। কিন্তু হিরো আলম তার মন্দ চরিত্র বদলাননি বলে দাবি করেন রিয়া মনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার হিরো আলমকে নিয়ে ফেসবুক লাইভে এসে যা বললেন রিয়া মনি

    বিনোদন জগতের সামাজিক মাধ্যম কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলমের সঙ্গে স্ত্রী রিয়া মনির বেশ কয়েক দিন ধরে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। রিয়া মনি নাকি আবার তাকে তালাক দিতে যাচ্ছেন—এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। যদিও এমন কথা রিয়া মনি পরিষ্কার করে বলেননি। সেই গুঞ্জনের ভিড়ে আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) রিয়া মনি ফেসবুক লাইভে এসে হিরো আলমের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ তুলে ধরেন। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় হিরোপত্নীকে। 

    এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর দাবি করে বলেন, তার সংসার করা অবস্থায় এর আগে হিরো আলম মিথিলা নামে একজনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। সেই নারী তাকে ধর্ষণ মামলাও দিয়েছে। এসব ঝামেলার কারণে হিরো আলমকে তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। 

    রিয়া মনি বলেন, কিন্তু হিরো আলম সুইসাইডের চেষ্টা করেন। বাধ্য হয়ে হিরো আলমের সংসারে থেকে যান তিনি।  হিরো আলম তার মন্দ চরিত্র বদলাননি বলেও জানান রিয়া মনি।

    তিনি বলেন, আমি আর নিতে পারছি না। আলম আমাকে বলছে— ধ্বংস করে দেবে। তুমি তো নিজে ধ্বংস হয়ে গেলা, পাগলা হয়ে গেলা। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সবাই উঠে দাঁড়াতে পারে না। তুমি আলম মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছো, আমি তোমাকে বাঁচিয়েছি। 

    তিনি বলেন, এখন আমাকে তুমি ধ্বংস করতে আসো। তোমার মতো মানুষ আমাকে কি ধ্বংস করবে? মানুষের ডির্ভোস হয় না? ডির্ভোস হলে কি সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। তুমি আলম পরকীয়া করেছিলে। সেই নারী তোমাকে ধর্ষণ মামলা দিয়েছে। আমার আল্লাহ যদি থাকে তুমি কিছু্ করতে পারবে না। তুমি সংসারজীবনে সুখী না। সব জায়গায় রাজনীতি চলে না আলম বলে জানান রিয়া মনি।

    তিনটা সংসারে কথা জানিয়ে হিরোপত্নী বলেন, আমি তোমাকে ভালোবাসছিলাম। ভালোবেসে পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে আমি বিয়ে করেছিলাম। তোমার সঙ্গে নাটক করিনি। তোমার টাকা দিয়ে আমি চলিও না। তোমাকে আমি লাখ লাখ টাকা দিয়েছি। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। সবশেষে ভালো থাকা প্রযোজন সেইটা তুমি থাকতে পারছ না। সে জন্য আমাকে জ্বালাতে এসো না বলে জানান রিয়া মনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হিরো আলম ইস্যুতে মুখ খুললেন স্ত্রী রিয়া মনি

    বিনোদন জগতের কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম ও তার স্ত্রী রিয়া মনিকে ঘিরে আবার শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সম্প্রতি এক রহস্যজনক ফেসবুক পোস্টে ইঙ্গিত মিলেছে, তাদের দাম্পত্য জীবনে আবারও ভাঙনের সুর। 

    সোমবার (১৩ অক্টোবর) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন হিরো আলম। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন—রিয়া মনি নাকি আমাকে ডিভোর্স দেবে। ডিভোর্সটা দিলে একবারে সব বিষয়ে কথা বলব। আজকের সংবাদ সম্মেলনের সময়ও পরিবর্তন করা হয়েছে।

    সামাজিক মাধ্যমে হিরো আলমের সেই পোস্টে চোখ পড়ে তার স্ত্রী রিয়া মনির। এরপরই হিরো আলমের পোস্টের মন্তব্যের ঘরে রিয়া মনি লিখেছেন—যে বউ তোমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করতে পারে, তার ডিভোর্সের জন্য অপেক্ষা করছ কেন? তোমার তো তালাক দেওয়ার কথা তাকে? 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

     সম্প্রতি রাজধানীর আফতাব নগরে হামলার শিকার হয়েছেন হিরো আলম। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

    হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় নেটিজেনদের একাংশের সন্দেহের তীর এখনো রিয়া মনির দিকেই। অনেকে মন্তব্য করেছেন— রিয়াকে রিমান্ডে নিলে সব বেরিয়ে আসবে। এই হামলার নেপথ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী রিয়া মনি। 

    হিরো আলম অনুসারীদের একাংশের দাবি— এ ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী রিয়া মনি। তাদের ভাষ্য, কিছু দিন আগে যখন হাতিরঝিলের একটি বাসায় স্থানীয়রা ম্যাক্স অভিকে পিটুনি দেয়, তখন রিয়া মনি তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান। আর হিরো আলম যখন হামলার শিকার হলেন, তখন রিয়া মনি তাকে বাঁচাতে যাননি। এমনকি তার চোখে পানিও দেখা যায়নি। এতেই প্রমাণ হয় হিরো আলমের হামলার ঘটনায় কে দায়ী?

    এদিকে গত ৫ অক্টোবর বাড্ডা থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন হিরো আলম। সেখানে ম্যাক্স অভি, মিথিলাসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সেই মামলার আসামি হিসেবে ম্যাক্স অভিকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। 

    গত আাগস্টেও দাম্পত্য টানাপোড়েনের কারণে রিয়া মনি প্রকাশ্যে হিরো আলমকে ডিভোর্স দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপর সাময়িকভাবে সম্পর্কের বরফ গললেও আবারও শুরু হয়েছে সেই পুরোনো নাটক। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এখন দেখার বিষয় এ দম্পতির মধ্যে সত্যিই বিচ্ছেদ হয় কিনা, নাকি এটি কেবল আরেকটি সামাজিক মাধ্যমের বিতর্কের পর্ব হয়ে দাঁড়ায়!

    হামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার সময় আফতাবনগর এলাকায় তিনটি মোটরসাইকেলে করে ৬ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি হিরো আলমকে কাশবনে নিয়ে যায়। সেখানে কাঠের লাঠি ও ধারালো লোহার স্কেল দিয়ে তার মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। তার মোবাইল ভাঙা হয় এবং হামলাকারীরা বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়।

    ওই ঘটনার পর হিরো আলম জানান, তাকে মারধর করা হয়েছে। বেশ কয়েকজন এসে তাকে মারছিল আর বারবার বলছিল— তিনি কেন নির্বাচনে দাঁড়ান। এরপর ওই ব্যক্তিরা তাকে অন্ধকারে নিয়ে গিয়ে মারধর করে ও হত্যাচেষ্টা চালায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আবারও বিয়ে করতে যাচ্ছেন হিরো আলম!

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও মডেল আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম ফের বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।  সম্প্রতি তার টিমে মডেলিং হিসেবে যুক্ত হওয়া ইতি নামের এক তরুণী হলেন পাত্রী। ইতোমধ্যেই তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে এবং সামনে যেকোনো সময় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হতে পারে বলে জানা গেছে।

    রোববার বিকালে গণমাধ্যমকে হিরো আলম বলেন, আমরা প্রেমের সম্পর্কে আছি—এটা সত্য। কিন্তু বিয়ে তো সম্পূর্ণ আল্লাহর হাতে। যদি তেমন পরিণতির দিকে যায় তাহলে বিয়ে করব।’

    ইতিও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হিরো আলমের সঙ্গে একাধিক মিউজিক ভিডিওতে কাজ করতে গিয়েই তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। 

    হিরো আলম বললেন, ‘ইতি গাজীপুরের মেয়ে। অনেক ভালো একটা মেয়ে। আমাকে ফোন করে জানায় যে সে মিউজিক ভিডিওতে কাজ করতে চায়। আমি তাকে আমার সঙ্গে কাজে নিই। এভাবেই এই জগতে ইতির আসা।’

    অন্যদিকে, ব্যক্তিগত জীবনে হিরো আলম বর্তমানে তৃতীয় স্ত্রী রিয়া মণির সঙ্গে সংসার না করার ঘোষণা দিয়েছেন। তার অভিযোগ, বাবার মৃত্যুর সময় তিনি হাসপাতালে এক মাস ধরে অবস্থান করলেও স্ত্রী রিয়া পাশে ছিলেন না, এমনকি বাবার লাশও দেখতে আসেননি। 

    একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে রিয়া মনির প্রেমে পড়েছিলেন হিরো আলম। সে কারণেই হিরো আলমের দ্বিতীয় স্ত্রী মডেল নুসরাত জাহান তাকে ডিভোর্স দেন। পরে  রিয়া মনিকে বিয়ে করেন। তার সঙ্গে জুটি বেঁধে বেশ কিছু কাজ করেছেন হিরো আলম।

    এর আগে ২০১০ সালে সাদিয়া বেগম সুমির সঙ্গে বিয়ে হয় হিরো আলমের। সেই সংসারে আলো ও আঁখি নামে দুই মেয়ে ও আবির নামে এক ছেলেসন্তান রয়েছে। ২০১৫ সালের দিকে কমেডিয়ান হিসেবে ফেসবুকে ডেব্যু হয় হিরো আলমের।

    ২০১৯ সালের ৬ মার্চ যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেফতার হন হিরো আলম। পরে ৭ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক আহমেদ শাহরিয়ার তারিক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সুমিকে মারধরের অভিযোগে ৬ মার্চ বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন তার (হিরো আলম) শ্বশুর সাইফুল ইসলাম।

    ওই বছরের ১৯ এপ্রিল জামিনে মুক্তি পান হিরো আলম। ১০ হাজার টাকা বন্ডের বিপরীতে তার জামিন মঞ্জুর করেন বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার। তবে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছড়ির হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হিরো আলমের ধর্ষণ ও গর্ভপাতের মামলার তদন্তে পিবিআই

    মামলায় জড়িয়ে পড়লেন সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার হিরো আলম। তার নামে বিয়ের প্রতিশ্রুতিসহ নায়িকা বানানো স্বপ্ন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, উঠেছে গর্ভপাত করানোর অভিযোগও। অভিনেতাসহ ছয়জনের নামে মামলা করা হয়েছে। 

    সূত্রের খবর, গত রোববার (৪ মে) বগুড়া জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ১-এ এক নারী এ মামলা দায়ের করেছেন। আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক ওই নারীর অভিযোগ গ্রহণ করেছেন। সেই সঙ্গে নিয়েছেন তার জবানবন্দি। শুধু তাই নয়, তিনি এ অভিযোগ তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন।

    হিরো আলমের বিরুদ্ধে এই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন এবং বগুড়া পুলিশ সুপারকে। তদন্তের পর রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফে।

    সেই নারী হিরো আলম ছাড়াও যে পাঁচজনের নামে অভিযোগ করেছেন, তারা হলেন— হিরো আলমের মেয়ে আলো খাতুন, তার দুই সহকারী আল আমিন, মালেক এবং মালেকের স্ত্রী জেরিন ও আহসান হাবিব।

    এ অভিযোগে সেই নারী জানিয়েছেন, হিরো আলম তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। শুধু তাই নয়, দিয়েছিলেন নায়িকা বানানোর আশ্বাস। বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়েও বাড়ি ভাড়া করে তারা একসঙ্গে থাকেন বেশ কিছু দিন ধরে। কিন্তু ইতোমধ্যে সেই নারী গর্ভবতী হলে তাকে গত ১৮ এপ্রিল বগুড়ার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চাপ দেওয়া হয় গর্ভপাত করানোর। তিনি গর্ভপাত না করতে চাইলে তার সহযোগী ওই পাঁচজন এবং হিরো আলম তাকে মারধর করেন বলেও অভিযোগে জানিয়েছেন সেই নারী। সে মারধরের ফলে তার রক্তক্ষরণ হয়। বাধ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় তাকে। সেখানেই তার গর্ভপাত হয় বলে জানান ওই নারী। গত ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত সেই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে জানান ওই অভিযোগকারিণী।

    কেবল ধর্ষণ ও গর্ভপাত কিংবা নায়িকা বানানোর মিথ্যে প্রতিশ্রুতি নয়, হিরো আলমের বিরুদ্ধে এ নারী ১৫ লাখ টাকা ধার নেওয়ার অভিযোগও এনেছেন। যদিও এই অভিযোগ স্বীকার করেননি হিরো আলম। তিনি বলেন, তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন— তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে রিয়া মনিকে নিয়ে লাইভে আসলেন হিরো আলমের পঞ্চম স্ত্রী

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম সম্প্রতি তার স্ত্রী রিয়া মনিকে তালাক দিয়েছেন। রোববার রাতে চতুর্থ স্ত্রী রিয়া মনি হিরো আলমের পঞ্চম স্ত্রীকে নিয়ে লাইভে আসেন। তার নাম মিথিলা। তিনি একজন ব্যবসায়ী বলে দাবি করেন।

    মিথিলা লাইভে এসে বলেন, হিরো আলম আমাকে এক বছর আগে বিয়ে করেছেন। আমি তার গ্রামের বাড়িতে তার ছেলে-মেয়ের সঙ্গে থাকি। 

    তিনি বলেন, আলমের বাবার চিকিৎসার জন্য ঢাকাই এসে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে আমি ছিলাম। আমার কাছে তার সঙ্গে বিষয়ে যথেষ্ট প্রমাণ আছে।

    এর আগে রোববার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট দেন রিয়ামনি। তাতে তিনি লিখেছেন, ‘হিরো আলমের পঞ্চম বউকে নিয়ে আজ রাত ৮টায় রামপুরার বেটার লাইফ হাসপাতালের পাশে উঠান রেস্টুরেন্টের রুফটপে সংবাদ সম্মেলন করা হবে। সাংবাদিক ভাইবোনেরা আমন্ত্রিত।’

    তবে হিরো আলম পাঁচটি বিয়ে করেছেন এমন তথ্য কখনো পাওয়া যায়নি। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য বলছে, রিয়া মনিসহ তিনটি বিয়ে করেছেন তিনি। শোনা যাচ্ছে, রিয়ার পর আরও একটি বিয়ে করেছেন হিরো। এমনটি হলে এটি হবে বগুড়ার সাবেক ডিশ ব্যবসায়ী হিরো আলমের চতুর্থ বিয়ে।

    এর আগে শনিবার দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার জামালপুর মিয়া শিশুমেলা পার্কে সাংবাদিকদের হিরো আলম বলেন, ‘আমার বাবা মৃত্যুশয্যায়, অথচ আমার স্ত্রী রিয়া মনি বাবার কাছে না এসে ম্যাক্স রাজুর সঙ্গে ড্যান্স ভিডিও বানায়। এই মেয়েকে নিয়ে কি সংসার করা যায়? তাই আমি রিয়া মনিকে তালাক দিয়েছি। এই রিয়া মনির কারণে আমার সংসার, যে মেয়ে আমার বাবার দেখাশোনা করেছে-সেই মিতির সংসার ও মাক্স রাজুর স্ত্রী ইতির সংসার ভেঙে গেছে।’

    একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে রিয়া মনির প্রেমে পড়েছিলেন হিরো আলম। সে কারণেই মডেল নুসরাত জাহান হিরো আলমকে ডিভোর্স দেন। পরে  রিয়া মনিকে বিয়ে করেন। তার সঙ্গে জুটি বেঁধে বেশ কিছু কাজ করেছেন হিরো আলম।

    এর আগে ২০১০ সালে সাদিয়া বেগম সুমির সঙ্গে বিয়ে হয় হিরো আলমের। সেই সংসারে আলো ও আঁখি নামে দুই মেয়ে ও আবির নামে এক ছেলেসন্তান রয়েছে। ২০১৫ সালের দিকে কমেডিয়ান হিসেবে ফেসবুকে ডেব্যু হয় হিরো আলমের।

    ২০১৯ সালের ৬ মার্চ যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেফতার হন হিরো আলম। পরে ৭ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক আহমেদ শাহরিয়ার তারিক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সুমিকে মারধরের অভিযোগে ৬ মার্চ বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন তার (হিরো আলম) শ্বশুর সাইফুল ইসলাম।

    ওই বছরের ১৯ এপ্রিল জামিনে মুক্তি পান হিরো আলম। ১০ হাজার টাকা বন্ডের বিপরীতে তার জামিন মঞ্জুর করেন বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার। তবে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছড়ির হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    বিনোদন ডেস্ক