Tag: হিরো আলম

  • হিরো আলমের পাশে দাঁড়ালেন ম্যাক্স রাজুর স্ত্রী

    দেশের আলোচিত-সমালোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে রিয়া মনির প্রেমে পড়েন। পরে তারা বিয়েও করেন। সম্প্রতি তার তৃতীয় স্ত্রী রিয়া মনিকে তালাক দিয়েছেন। 

    এরপর রিয়া মনির সঙ্গে ম্যাক্স রাজু নামে আরেক কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের সম্পর্কের কথা জানান হিরো আলম। এবার সেই ম্যাক্স রাজুর স্ত্রী ইতিকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।

    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় জামালপুর মিয়া শিশুমেলা পার্কে গতকাল শনিবার (২৬ এপ্রিল) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হিরো আলম। এ সময় পাশেই বসা ছিলেন ম্যাক্স রাজুর স্ত্রী ইতি।

    হিরো আলম বলেন, মৃত্যুশয্যায় বাবার কাছে না থেকে রিয়া মনি ম্যাক্স রাজুর সঙ্গে ড্যান্স ভিডিও তৈরি করে। এই মেয়েকে নিয়ে কি সংসার করা যায়? তাই আমি রিয়া মনিকে তালাক দিয়েছি। রিয়া মনির কারণে আমার সংসার, যে মেয়ে বাবার দেখাশোনা করেছে, সেই মিতির সংসার এবং ম্যাক্স রাজুর স্ত্রী ইতির সংসার ভেঙে গেছে।

    এদিকে ম্যাক্স রাজুর স্ত্রী ইতি বলেন, আমার স্বামীর (ম্যাক্স রাজু) নাম মুখে নিতে আমার ঘৃণা লাগে। তবে রিয়া মনিকে ধন্যবাদ। কারণ আমার জীবন থেকে আমার স্বামীর মতো বাজে লোককে নিয়ে গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রিয়া মনির কারণে তিনটি সংসার ভেঙে গেছে: হিরো আলম

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেতা আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম সম্প্রতি তার তৃতীয় স্ত্রী রিয়া মনিকে তালাক দিয়েছেন। এরপর রিয়া মনির সঙ্গে ম্যাক্স রাজু নামে এক কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের সম্পর্কের কথা জানান হিরো আলম। 

    এবার সেই ম্যাক্স রাজুর স্ত্রী ইতিকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি তুলে ধরেছেন হিরো আলম।  

    শনিবার দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার জামালপুর মিয়া শিশু মেলা পার্কে সাংবাদিকদের হিরো আলম বলেন, আমার বাবা মৃত্যুশয্যায়, অথচ আমার স্ত্রী রিয়া মনি বাবার কাছে না এসে ম্যাক্স রাজুর সঙ্গে ড্যান্স ভিডিও বানায়। এই মেয়েকে নিয়ে কি সংসার করা যায়? তাই আমি রিয়া মনিকে তালাক দিয়েছি। এই রিয়া মনির কারণে আমার সংসার, যে মেয়ে আমার বাবার দেখাশোনা করেছে-সেই মিতির সংসার ও মাক্স রাজুর স্ত্রী ইতির সংসার ভেঙে গেছে।  

    এই সময় ম্যাক্স রাজুর স্ত্রী ইতি বলেন, আমার স্বামীর নাম মুখে নিতে আমার ঘেন্না লাগে। রিয়া মনিকে ধন্যবাদ, কারণ আমার জীবন থেকে আমার স্বামীর মতো বাজে লোককে নিয়ে গেছেন। 

    একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে রিয়ামনির প্রেমে পড়েছিলেন হিরো আলম। সে কারণেই দ্বিতীয় স্ত্রী মডেল নুসরাত জাহান হিরো আলমকে ডিভোর্স দেন। পরে হিরো আলম রিয়ামনিকে বিয়ে করেন। তার সঙ্গে জুটি বেঁধে বেশ কিছু কাজ করেছেন হিরো আলম।

    এরআগে ২০১০ সালে সাদিয়া বেগম সুমির সঙ্গে বিয়ে হয় হিরো আলমের। সেই সংসারে আলো ও আঁখি নামে দুই মেয়ে ও আবির নামে একটা ছেলে সন্তান রয়েছে তার। ২০১৫ সালের দিকে কমেডিয়ান হিসেবে ফেসবুকে ডেব্যু হয় হিরো আলমের।

    ২০১৯ সালের ৬ মার্চ যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেফতার হন হিরো আলম। পরে ৭ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক আহমেদ শাহরিয়ার তারিক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সুমিকে মারধরের অভিযোগে ৬ মার্চ বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন তার (হিরো আলম) শ্বশুর সাইফুল ইসলাম।

    ওই বছরের ১৯ এপ্রিল জামিনে মুক্তি পান হিরো আলম। ১০ হাজার টাকা বন্ডের বিপরীতে তার জামিন মঞ্জুর করেন বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার। তবে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছড়ির হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

  • স্ত্রী রিয়া মনিকে বয়কটের পর ডিভোর্সের ঘোষণা হিরো আলমের

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম সামাজিক মাধ্যমে সবসময় আলোচনা-সমালোচনায় থাকেন। কখনো বেফাঁস মন্তবের কারণে, কখনো নির্বাচন নিয়ে, আবার কখনো ভোট করতে গিয়ে মার খাওয়ার কারণে আলোচনায় থাকেন তিনি। কিন্তু এবার আলোচনায় এলেন ব্যক্তিগত কারণে। স্ত্রী রিয়া মনিকে ডিভোর্স দেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন হিরো আলম। স্ত্রীর সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না তাই ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

    বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সংবাদ সম্মেলনে হিরো আলম এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। এর আগে বুধবার স্ত্রীকে ‘বয়কটের’ ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।

    এ প্রসঙ্গে হিরো আলম বলেন, জীবনের শেষ সময়ে পালক বাবার পাশে ছিল না রিয়া মনি। সে জন্য গতকাল বুধবার (১৭ এপ্রিল) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে রিয়া মনিকে বয়কটের ঘোষণা দিয়েছি।

    তিনি বলেন, এর আগে ২০১৭ সালে প্রথম স্ত্রী তার বিরুদ্ধে বগুড়ায় মামলা করেন। ওই মামলা কেন্দ্র করে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে সংসার ভেঙে যায়। এরপর ২০২২ সালে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গেও বনিবনা না হওয়ায় সংসার ভেঙে যায়। এরপর রিয়া মনির (হিরো আলম প্রযোজিত সিনেমার নায়িকা) সঙ্গে পরিচয় হয়। পরবর্তী সময়ে তারা বিয়ে করেন। 

    হিরো আলম বলেন, এর আগে অনেকবার মাফ করেছি রিয়া মনিকে, আর নয়। তিনি বলেন, আপনারা সবাই জানেন— আমি তাকে ‘বয়কট’ করেছি। ‘বয়কট’ মানে তার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখব না। 

    এ সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলেন, আমি ঢাকায় যাওয়ার পর তার সঙ্গে সেপারেট (আলাদা) হয়ে যাব। যে বক্তব্যগুলো রিয়া মনি আমার বিরুদ্ধে দিচ্ছে, সেগুলো প্রমাণসহ দিতে হবে।

    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হিরো আলমের পালক বাবা আবদুর রাজ্জাক মারা যান। গতকাল বুধবার বগুড়ার এরুলিয়ায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

    লাইফস্টাইল ডেস্ক

  • তৃতীয় বিয়ে টিকছে না হিরো আলমের!

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেতা আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের বাবা মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাত ৯টায় রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে।  

    পালক বাবার মৃত্যুর সংবাদটি হিরো আলম নিজেই গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। বাবার পাশে না থাকায় স্ত্রী ও মডেল রিয়ামনিকে জীবন থেকে বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

    আবদুর রাজ্জাকের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করলেও রিয়ামনির বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি তিনি।

    রিয়ামনির বিষয়ে হিরো আলম ফেসবুকে লিখেছেন, রিয়ামনিকে আমার জীবন থেকে বয়কট করলাম। কারণ আমার বাবা হসপিটালে। সে আমার বাবার কাছে না থেকে বিভিন্ন ছেলেদের নিয়ে নাচগান করে বেড়ায়।  আমার বাবা হসপিটালে ভর্তি।  তার পরিবারে কোনো সদস্য আমার বাবাকে কোনদিন দেখতে আসেনি।

    তিনি আরও লিখেছেন, আমার বাবা বেঁচে থাকতে দেখতে আসলো না। তাহলে আমি পড়ে থাকলে সে কি করবে?

    হিরো আলম আরও উল্লেখ করেন, রিয়ামনি ঢাকা শহরে বিভিন্ন বারের ডান্সার। সেখান থেকে আমি একটা ভালো পথে আনার চেষ্টা করেছিলাম। ছেড়ে দেওয়া গরু কোনদিন ঘরে বন্দি করে রাখা যায়?

    এদিকে হিরো আলমের মন্তব্যের পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রিয়ামনি। হিরো আলমের ফেসবুক পোস্টের কথা শুনেছেন জানিয়ে রিয়ামনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘উনি (হিরো আলম) মানসিকভাবে ঠিক নেই উনি। যেহেতু উনার বাবা মারা গেছেন। সত্য কথা বলতে কী- এই বিষয়ে আমার বলার কিছু নেই।’

    দুপুরের দিকে ফেসবুকেও হিরো আলমকে নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন রিয়ামনি। যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা যেহেতু বিনোদনের মানুষ দেশের মানুষ আমাদের থেকে শুধুই বিনোদন চায়। তাই আমি চাচ্ছিলাম না পার্সোনাল বিষয় নিয়ে মিডিয়ার সামনে আসতে। কিন্তু আলম যে বাড়াবাড়ি শুরু করেছে তাতে আর পারছি না।

    একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে রিয়ামনির প্রেমে পড়েছিলেন হিরো আলম। সে কারণেই দ্বিতীয় স্ত্রী মডেল নুসরাত জাহান হিরো আলমকে ডিভোর্স দেন। পরে হিরো আলম রিয়ামনিকে বিয়ে করেন। তার সঙ্গে জুটি বেঁধে বেশ কিছু কাজ করেছেন হিরো আলম।

    এরআগে ২০১০ সালে সাদিয়া বেগম সুমির সঙ্গে বিয়ে হয় হিরো আলমের। সেই সংসারে আলো ও আঁখি নামে দুই মেয়ে ও আবির নামে একটা ছেলে সন্তান রয়েছে তার। ২০১৫ সালের দিকে কমেডিয়ান হিসেবে ফেসবুকে ডেব্যু হয় হিরো আলমের।

    ২০১৯ সালের ৬ মার্চ যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেফতার হন হিরো আলম। পরে ৭ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক আহমেদ শাহরিয়ার তারিক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সুমিকে মারধরের অভিযোগে ৬ মার্চ বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন তার (হিরো আলম) শ্বশুর সাইফুল ইসলাম।

    ওই বছরের ১৯ এপ্রিল জামিনে মুক্তি পান হিরো আলম। ১০ হাজার টাকা বন্ডের বিপরীতে তার জামিন মঞ্জুর করেন বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার। তবে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছড়ির হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মারা গেছেন হিরো আলমের বাবা

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেতা আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের বাবা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার রাত ৯টায় রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

    বুধবার (১৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন হিরো আলম।

    ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমার বাবা একটু আগে মারা গেছেন ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন।’

    জানা গেছে, কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন হিরো আলমের বাবা। কিছুদিন আগেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিইউতে ভর্তি করা হয় তাকে। ওই সময় হিরো আলম জানিয়েছিলেন, ‘সবাই যেন তার বাবার জন্য দোয়া করেন, যাতে তার বাবা সুস্থ হয়ে ফিরে আসেন সবার মাঝে।’

    প্রসঙ্গত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হিরো আলম প্রায় সময়ই আলোচনায় থাকেন। কখনো মিউজিক ভিডিও, কনটেন্ট ও সমসাময়িক ইস্যুতে কথা বলে, আবার কখনো জাতীয় ইস্যুতে কথা বলে।

    এর আগে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন হিরো আলম। ২০২৩ সালের ওই নির্বাচনে বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে মহাজোটের প্রার্থী একেএম রেজাউল করিম তানসেন মশাল প্রতীকে ২০ হাজার ৪০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিরো আলম একতারা প্রতীকে পেয়েছিলেন ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সিমিকে উল্টো মানহানি মামলার হুমকি দিলেন হিরো আলম

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন প্রযোজক সিমি ইসলাম কলি। এ মামলায় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকেও আসামি করা হয়েছে। এটি আইনিভাবেই মোকাবেলা করবেন জানিয়ে সিমিকে উল্টো মানহানি মামলার হুমকি দিয়েছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। 

    গণমাধ্যমকে হিরো আলম বলেন, আমার নামে এটা শতভাগ মিথ্যা মামলা। তার কাছ থেকে যে আমি টাকা নিয়েছি সেটার কোনো প্রমাণ আছে? কোনো সাক্ষী আছে? যদি থাকে সেটা যেন জানাতে বলেন। আর না থাকলে এবং আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হলে আমি উল্টো মানহানির মামলা করব।

    তিনি বলেন, ভেবেছিলাম নিজেরা নিজেরা একটা সমাধান করব, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে আদালতের মাধ্যমেই সমাধান করতে হবে। আমি জানি শতভাগ মিথ্যা মামলার বিষয়টি আদালতেও টিকবে না।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছর আগস্টে সিমির ইউটিউব চ্যানেলটি হ্যাক করেছেন বিবাদী অপু বিশ্বাস ও জাহিদুল ইসলাম আপন। এরপর চ্যানেলটি ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েও ফিরিয়ে দেননি অপু বিশ্বাস। তাই বাধ্য হয়ে লালবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সিমি।

    এ বিষয়ে প্রযোজক সিমি জানান, বিষয়টি নিয়ে চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি লালবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। সাধারণ ডায়েরি ও প্রযোজক সমিতির মাধ্যমে সুরাহার চেষ্টা করলেও সমাধান পাননি তিনি। তাই বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন। গত ২৪ আগস্ট মামলাটি করেন প্রযোজক সিমি ইসলাম কলি।

    জানা গেছে, অপু বিশ্বাসের ইউটিউব চ্যানেলগুলোর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন জাহিদুল ইসলাম। 

    বিষয়টির সমাধান করার জন্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে এগিয়ে আসেন হিরো আলম। এরপর চ্যানেলটি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ১০ লাখ টাকা চাওয়া হয় বাদীর কাছে। বলা হয়, অপু বিশ্বাসের পক্ষ থেকে এই টাকা চাওয়া হয়েছে। দর-কষাকষির পর চ্যানেলটি ফিরে পাওয়ার আশায় হিরো আলমকে ৫ লাখ টাকা দেন বাদী সিমি ইসলাম।

    টাকা পেয়ে চ্যানেলটি ফিরিয়ে দেন তারা; কিন্তু বাদী দেখতে পান, ইউটিউব চ্যানেলে থাকা তার ভিডিওগুলো নেই। বিষয়টি অপু বিশ্বাস ও হিরো আলমকে জানান সিমি; কিন্তু তারা ভিডিওগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার নাম করে কালক্ষেপণ করেন। 

    বিষয়টি নিয়ে চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতিতেও কথা বলা হয়; কিন্তু শেষপর্যন্ত কোনো সমাধান না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন সিমি।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • তারেক রহমানকে বকার ভিডিও দেখাতে পারলে জুতার মালা পরবেন হিরো আলম

    ঢালিউড অভিনেতা ও আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করতে গেলে তার ওপর হামলা করে একদল যুবক। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে, হিরো আলমকে বেধড়ক পেটানো হচ্ছে। এমনকি কানে ধরে ওঠবসও করানো হচ্ছে।

    এ বিষয়ে শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে হিরো আলম বলেন, যে অপরাধ করেননি, সেই অপরাধের অভিযোগে আবারও পিটুনির শিকার হলেন তিনি। 

    হিরো আলম বলেন, ‘আমাকে এলোপাতাড়ি পেটানো হয়েছে। সারা শরীরে ব্যথা। পিটিয়ে আমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল ওরা।’ কী অপরাধে পেটানো হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো অপরাধ করিনি। আমি মামলা করতে গিয়েছিলাম।’

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ এনে কয়েকজন যুবক তাকে পিটুনি দিয়েছে বলে জানান এ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। হিরো আলম বলেন, ‘আজকে আমাকে বিএনপির লোকজন মারধর করল। তারা বলছে— আমি তারেক জিয়ার নামে কী বলছি। কেউ যদি সেই ভিডিও দেখাতে পারেন যে, আমি হিরো আলম তারেক জিয়াকে বকা দিছি, গালি দিছি… তাহলে আমি পুরো জুতার মালা গলায় দিয়ে বগুড়া শহর ঘুরব।’

    মারধরের শিকার এ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বলেন, ‘এক স্বৈরাচারের পতনের পর আরেক দল নিজেদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ শুরু করেছে— এটি কি স্বাধীনতা? প্রকাশ্যে আমাকে হত্যাচেষ্টা করা হলো! আমি কখনো তারেক জিয়াকে নিয়ে কটূক্তি করিনি। 

    তিনি বলেন, ডিবি হারুন আমার পরিবারকে জিম্মি করে রিজভী সাহেবের বিরুদ্ধে মামলা করিয়েছিল। এ কথা আগেও বলেছি। এর পরও আমাকে আদালতের মতো জায়গায় সবার সামনে পেটানো হলো। যারা এ হামলা করেছে, তাদের ফুটেজ আছে; শনাক্ত করে এদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান হিরো আলম।

    উল্লেখ্য, ‘২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন ও ২০২৩ সালের উপনির্বাচনে হিরো আলমের ওপর হামলা করা হয়েছিল। ভোট কারচুপি করা হয়েছে। এসব অভিযোগে ৩৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করতে আদালতে গিয়েছিলেন হিরো আলম। ওই ৩৯ ব্যক্তির মধ্যে আছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বগুড়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল করিম তানসেন ও সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢাকার পর বগুড়ায় মামলা করছেন হিরো আলম

    ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন ও ২০২৩ সালের উপনির্বাচনে হামলা এবং ভোটে কারচুপির অভিযোগে এবার বগুড়ায় মামলা করছেন আলোচিত ইউটিউবার আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। 

    বৃহস্পতিবার বগুড়ার আদালতে হাজির হয়েছিলেন মামলাটি করতে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা দিতে না পারায় আজ আর তার মামলাটি করা হয়নি তার। 

    পরে হিরো আলম গণমাধ্যমকে জানান, মামলার দরকারি কিছু কাগজ ও প্রক্রিয়া শেষ করতে কিছুটা দেরি হওয়ায় আজ আবেদন জমা দিতে পারেননি। সব প্রক্রিয়া শেষে রোববার মামলার আবেদন আদালতে জমা দেবেন।

    এ সময় তার কাছে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল- এত মামলা কেন করছেন? জবাবে হিরো আলম বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হয়েছে, তাই মামলা করছি। আশা করছি প্রত্যেকটি মামলার সুষ্ঠু বিচার পাব।’

    বগুড়ার আদালতে কার বিরুদ্ধে মামলা করছেন- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, বগুড়ার সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল করিম তানসেন ও বগুড়ার সদ্যবিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সাইফুল ইসলামসহ অন্তত ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করছি।’

    উল্লেখ্য, হিরো আলম ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসন থেকে প্রথমবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেন। যদিও পরে ‘অনিয়মের’ অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। এরপর ২০২৩ সালে উপনির্বাচনে বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে প্রার্থী হন তিনি। সেবার বগুড়া-৪ আসনে মাত্র ১ হাজার ভোটের ব্যবধানে ১৪ দলের প্রার্থী জাসদের রেজাউল করিম তানসেনের কাছে পরাজিত হন তিনি।

    এ ছাড়া ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। সেটিতে পরাজিত হন, হারান জামানতও। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আরাফাত (মোহাম্মদ এ আরাফাত) নির্বাচিত হন। 

    অনলাইন ডেস্ক

  • ‌‘আরাফাতের চার বউ’ ও ‘মাস্তান হারুন’ নামে ছবি বানাবেন হিরো আলম

    দেশের আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। অভিনয় ও গানের পাশাপাশি তিনি রাজনীতির মাঠেও সক্রিয়। সবশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গত বছর ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচনে তিনি ছিলেন সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে সেই নির্বাচন ছিল ঘটনাবহুল। প্রার্থী হওয়ার কারণে সেসময় হিরো আলমকে রাস্তায় ফেলে পিটিয়েছিল দুর্বৃত্তরা।

    rnrn

    হিরো আলম তখন জানিয়েছিলেন, কোনো দুর্বৃত্ত না, আরাফাত ও আওয়ামী লীগের গুন্ডাবাহিনীরা তাকে পিটিয়েছে।

    rnrn

    সেই আরাফাতকে নিয়েই এবার সিনেমা বানাতে যাচ্ছেন এই ইউটিউবার। নাম ‘আরাফাতের চার বউ’। এটি নির্মাণ করছেন শাওন আশরাফ। শুধু তাই নয়, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাবেক প্রধান হারুন অর রশীদকে নিয়েও একটি সিনেমা বানাচ্ছেন তিনি। ‘মাস্তান হারুন’ নামে এটি পরিচালনা করবেন ইভান মল্লিক। দুটি সিনেমারই প্রযোজনায় থাকছেন লন্ডন প্রবাসী জেনিফা চৌধুরী।

    rnrn

    জানা গেছে, ইতিমধ্যে সিনেমা দুটির অভিনয়শিল্পী বাছাই শুরু করেছেন হিরো আলম। শিগগিরই জানাবেন বিস্তারিত।

    অনলাইন ডেস্ক

  • বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভায় আমি মন্ত্রী হতে চাই: হিরো আলম

    এফডিসিতে লাঞ্ছিত হওয়ার পরও এবার মন্ত্রিত্ব দাবি করে বসলেন হিরো আলম। কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু করে সরকার পতনের একদফা দাবিতে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এখন দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে অবস্থান করছেন তিনি। গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা।

    বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের দাড়প্রান্তে বাংলাদেশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সেনাবাহিনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির সৌজন্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। আজ রাত ৮টায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। সেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন মন্ত্রিত্বের দাবি করেছেন সম্প্রতি এফডিসিতে লাঞ্ছিত হওয়া অভিনেতা হিরো আলম।

    অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি দেশজুড়ে। এ পরিস্থিতিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান হিসাবে বেছে নিয়ে দেশের পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বৈঠক হয় এবং অবশেষে এ নেওয়া সিদ্ধান্ত হয়। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আজ রাত ৮টায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে।  সেই সরকারের একজন মন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন হিরো আলম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের 'নতুন মন্ত্রিসভায় আমি মন্ত্রী হতে চাই'।

    প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক বছরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন অভিনেতা ও ইউটিউবার হিরো আলম। প্রতিবারই কখনো প্রচারে, আবার কখনো বা ভোটের দিন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হাতে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন তিনি। দাবি তুলেছিলেন, একপ্রকার জোর করেই তাকে হারিয়ে দেওয়া হয়। এরই মাঝে শুরু হয় ছাত্র আন্দোলন। আওয়ামী লীগ সরকারের বিরোধিতায় পথে নামেন হিরো আলম। শেখ হাসিনা দেশছাড়ার পর পথে নামেন তিনি। এবার বাংলাদেশ নয়া সরকার তৈরির পথে তিনিও একজনমন্ত্রিত্বের দাবি জানান।

    তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

    বিনোদন ডেস্ক