Tag: হলিউড

  • সৌদি আরবে ইসলাম গ্রহণ করলেন ‘ব্রেকিং ব্যাড’ তারকা

    জনপ্রিয় মার্কিন টেলিভিশন সিরিজ ‘ব্রেকিং ব্যাড’-এর কুখ্যাত চরিত্র ‘গাস ফ্রিং’ খ্যাত প্রখ্যাত হলিউড অভিনেতা জিয়ানকার্লো এস্পোসিতো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। 

    বর্তমানে একটি বড় বাজেটের সিনেমার নির্মাণকাজে সৌদি আরবে অবস্থানকালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মুসলিম হন বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। 

    সৌদি আরবের জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান তুর্কি আল-শেখ এই তথ্যটি প্রকাশ করেন। 

    তিনি জানান, সৌদি আরবে অবস্থানকালে স্থানীয় সংস্কৃতি এবং মুসলিম সহকর্মীদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সময় কাটানোর পর এস্পোসিতো ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হন। পরবর্তীতে তিনি ইসলামের মূল স্তম্ভ ‘শাহাদা’ (কালেমা) পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হন। 

    ইসলাম গ্রহণের পর এস্পোসিতো তার শুটিং ইউনিটের সদস্যদের সঙ্গে একটি মসজিদে গিয়ে নামাজেও অংশ নেন। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এই ৬৬ বছর বয়সি অভিনেতা তার সহকর্মীদের সঙ্গে অত্যন্ত বিনম্রভাবে সারিবদ্ধ হয়ে নামাজ আদায় করছেন। ভিডিওটি অনলাইনে প্রকাশের পর বিশ্বজুড়ে তার ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তুর্কি আল-শেখের বক্তব্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের সামগ্রিক পরিবেশ, স্থানীয় জনগণের চমৎকার আতিথেয়তা এবং ভাতৃত্ববোধ এস্পোসিতোর এই ব্যক্তিগত ও আধ্যাত্মিক সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা পালন করেছে। শুটিং সেটের সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে বলে জানা গেছে। 

    প্রসঙ্গত, জিয়ানকার্লো এস্পোসিতো বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ‘ব্রেকিং ব্যাড’ এবং এর প্রিক্যুয়েল ‘বেটার কল সল’ সিরিজে ড্রাগ লর্ড গাস ফ্রিং চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। এছাড়া তিনি ‘দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান’ সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় হলিউড সিনেমা ও সিরিজে অভিনয় করে বৈশ্বিক খ্যাতি অর্জন করেছেন। 

    বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের ক্রমবর্ধমান বিনোদন জগতের অন্যতম বড় প্রজেক্ট ‘৭ ডগস’ নামের একটি সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই সিনেমার কাজ চলাকালীনই তিনি তার জীবনের এই নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্পিলবার্গের ‘ডিসক্লোজার ডে’ মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই বক্স অফিসে হিট

    দীর্ঘদিন পর বিশ্ব চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম সফল, প্রভাবশালী ও সর্বকালের সেরা মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক স্টিভেন স্পিলবার্গ ফিরলেন তার সেই পুরোনো পরিচিত ময়দানে। যেখানে রহস্য, প্রযুক্তি ও বিস্ময় আর অজানার আকর্ষণ একসঙ্গে কাজ করে। আর ফিরেই নিজের জাদু দেখালেন নন্দিত এ নির্মাতা। তার নতুন বিজ্ঞান কল্পকাহিনিনির্ভর সিনেমা ‘ডিসক্লোজার ডে’ মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পেয়েছে। গড়েছে স্পিলবার্গের ক্যারিয়ারের নতুন রেকর্ড। 

    যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তে ছবিটি আয় করেছে চার কোটি ৪০ লাখ ডলার। এ আয় স্পিলবার্গ পরিচালিত কোনো মৌলিক গল্পভিত্তিক সিনেমার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়। যদিও স্পিলবার্গের সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয় এখনো ‘ইন্ডিয়ানা জোন্স অ্যান্ড দ্য কিংডম অব দ্য ক্রিস্টাল স্কাল’–এর দখলে, যা মুক্তির প্রথম সপ্তাহে ১০ কোটি ডলার আয় করেছিল।

    ‘ডিসক্লোজার ডে’ সিনেমা মূলত ভিনগ্রহবাসীর অস্তিত্ব বিশ্ববাসীর সামনে প্রকাশ করার এক রোমাঞ্চকর অভিযানের গল্প। এ সিনেমায়  অভিনয় করেছেন এমিলি ব্লান্ট, জশ ও’কনস, কোলম্যান ডমিঙ্গো, কলিন ফার্থ প্রমুখ। 

    ভিনগ্রহবাসী ও অজানা জগতের প্রতি স্পিলবার্গের আগ্রহ নতুন নয়; এর আগে তিনি নির্মাণ করেন ‘ই টি দি এক্সট্রা-টেরেস্ট্রিয়াল’ ও ‘ক্লোজ এনকাউন্টারস অব দ্য থার্ড কাইন্ড’-এর মতো সিনেমা। সেই পুরোনো জগতে ফিরে গিয়ে তিনি যেন আবারও দর্শকদের মুগ্ধ করতে পেরেছেন।

    এর আগে স্টিভেন স্পিলবার্গের দুই সিনেমা— ‘দ্য ফ্যাবলম্যানস’ ও ‘ওয়েস্ট সাইড স্টোরি’ সমালোচকদের প্রশংসা পেলেও বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমা দুটি চার কোটি ডলারের কম আয় করেছিল। সেই তুলনায় ‘ডিসক্লোজার ডে’ মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই সেই অঙ্ক ছাড়িয়ে গেছে। ফলে এটিকে স্পিলবার্গের বাণিজ্যিক প্রত্যাবর্তন বলছেন বিশ্লেষকরা।

     ‘দ্য বিএফজি’ সিনেমার পর এটিই প্রথম স্টিভেন স্পিলবার্গের গ্রীষ্মকালীন বড় মুক্তি। এ সিনেমার প্রচারের সময় তিনি একাধিক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘ডিসক্লোজার ডে’কে পুরোপুরি বিজ্ঞান কল্পকাহিনি হিসেবে তিনি দেখেন না। তিনি বলেন, একবিংশ শতাব্দীতে প্রযুক্তির উন্নতির কারণে মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি দৃশ্যমান প্রমাণ সংগ্রহ করতে পারছে। সে কারণেই মহাবিশ্বে মানুষ একা নয়; এই বিশ্বাস তার কাছে এখন আরও শক্তিশালী মনে হয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    স্টিভেন স্পিলবার্গ বলেন, আমাদের হাতে থাকা প্রযুক্তি এমন অনেক কিছু দেখিয়েছে, যা আগে কল্পনার বিষয় ছিল। আমার কাছে এখন এটা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে আমরা মহাবিশ্বে একা নই।

    এর মধ্যেই ‘ডিসক্লোজার ডে’ সিনেমার সাফল্যের পর এ নির্মাতার পরবর্তী প্রকল্প নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও তিনি এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বহুদিনের স্বপ্নের একটি ওয়েস্টার্ন সিনেমা নিয়ে কাজ করছেন তিনি।

    উল্লেখ্য, স্টিভেন স্পিলবার্গ হলিউড সিনেমা যুগের অন্যতম প্রধান রূপকার এবং ‘ব্লকবাস্টার’ চলচ্চিত্রের পথপ্রদর্শক হিসেবে গণ্য করা হয়। তার দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি তিনটি একাডেমি পুরস্কার (অস্কার) লাভ করেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সুপারম্যান হেনরি ক্যাভিলের সঙ্গে একান্তে সারা, ছবি ভাইরাল

    পতৌদি পরিবারের নবাবকন্যা বলিউড অভিনেত্রী সারা আলি খান বরাবরই তার বিন্দাস আন্দাজ এবং ভ্রমণের ছবির জন্য চর্চায় থাকেন। তবে এবার তিনি যা করে দেখালেন, তা দেখে হিংসায় জ্বলে-পুড়ে যাচ্ছেন বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সিনেমাপ্রেমী। তার প্রেমে হাবুডুবু খায় বিশ্বের কোটি কোটি তরুণী। এবার সেই হেনরি ক্যাভিলের পাশে সারা আলি খান। পতৌদির পরিবারের রাজকন্যাকে ঘিরে শোরগোল নেটদুনিয়া।

    ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা ‘রয়্যাল অ্যাসকটে’ আমন্ত্রিত হয়ে বিশ্ববিখ্যাত ‘সুপারম্যান’ ও ‘দ্য উইচার’খ্যাত হলিউড মেগাস্টার হেনরি ক্যাভিলের মুখোমুখি হন অভিনেত্রী। হেনরি ক্যাভিলের সঙ্গে সারার সেই রয়্যাল মুহূর্তের ছবি সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আসতেই লাইক ও কমেন্টের বন্যা বয়ে গেছে। হলিউড ও বলিউডের এ রয়্যাল কোলাব দেখে নিজেদের উত্তেজনা ধরে রাখতে পারছেন না সারার ভক্ত-অনুরাগীরা।

    কান চলচ্চিত্র উৎসব থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন উইক— গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে সারা আলি খানের উপস্থিতি দিন দিন যেন বাড়ছে। রয়্যাল অ্যাসকটের মতো এক মর্যাদাপূর্ণ ব্রিটিশ রাজকীয় অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকা এবং সেখানে হেনরি ক্যাভিলের মতো বিশ্বখ্যাত তারকার সঙ্গে কুশলবিনিময় করা নিশ্চিতভাবেই অভিনেত্রীর ক্যারিয়ার ও জনপ্রিয়তায় এক নতুন পালক যোগ করেছে।

    ইংল্যান্ডের বার্কশায়ারে আয়োজিত রয়্যাল অ্যাসকট তার রাজকীয় আভিজাত্য ও কঠোর ‘ড্রেস কোড’-এর জন্য পরিচিত। এ অনুষ্ঠানে সারা আলি খান হাজির হয়েছিলেন একটি অত্যন্ত মার্জিত ও চমৎকার পোশাকে, যার মাথায় ছিল রয়্যাল অ্যাসকটের ঐতিহ্যবাহী মানানসই হ্যাট বা ফাসিনেটর।

    অন্যদিকে হলিউডের ‘হার্টথ্রব’ হেনরি ক্যাভিলকে দেখা গেছে থ্রিপিস স্যুট ও ক্লাসিক ডার্বি হ্যাটে। ঠিক যেন এক খাঁটি ব্রিটিশ জেন্টলম্যান। ছবিতে দুজনকে বেশ হাসিমুখে আড্ডা দিতে এবং ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে দেখা গেছে।

    সারা ও হেনরির এ ছবি সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হতেই এক্স (টুইটার) এবং ইনস্টাগ্রামে ভক্তদের উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। হলিউডের অন্যতম সুপুরুষ অভিনেতা হিসেবে পরিচিত হেনরির পাশে সারা আলি খানকে দেখে নেটিজেনরা নানা মন্তব্য করছেন।

    এক নেটিজেন লিখেছেন—আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছি না! বলিউডের সবচেয়ে চনমনে অভিনেত্রী আর হলিউডের সবচেয়ে হ্যান্ডসাম সুপারম্যান একই ফ্রেমে।— এটা সত্যিই এক স্বপ্নের কোলাবরেশন।

    অরেক নেটিজেন রসিকতা করে লিখেছেন— সারা, প্লিজ ওর সামনে নিজের সেই বিখ্যাত ‘নমস্তে দর্শক’ শায়রি শুরু করে দিও না! 

    অন্য আরেক নেটিজেন লিখেছেন—হেনরিকে সবসময়ের মতোই দারুণ দেখাচ্ছে, আর সারাও এই রাজকীয় লুকে এক্কেবারে পারফেক্ট।

    উল্লেখ্য, সারা আলি খানকে শেষবার দেখা গিয়েছিল ‘পতি পত্নী অউর ওহ দো’ সিনেমায়। আগামীতে আয়ুষ্মান খুরানার সঙ্গে একটি স্পাই কমেডিতে দেখা যাবে  অভিনেত্রীকে। সিনেমাটি ধর্মা প্রোডাকশনস ও শিখ এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজনায় আকাশ এ কৌশিকের পরিচালনায় আত্মপ্রকাশ করেছে। খুব দ্রুতই বাবা সাইফ আলি খানের সঙ্গেও স্ক্রিন শেয়ার করবেন সারা আলি খান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশ্বকাপের উন্মাদনায় অর্ধেক বয়সি প্রেমিকা নিয়ে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও’র পার্টি

    ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় শুক্রবার রাতে লস অ্যানজেলেসে আয়োজিত উৎসবমুখর পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন হলিউড তারকা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। সঙ্গে ছিলেন তার চেয়ে প্রায় অর্ধেক বয়সি প্রেমিকা ভিট্টোরিয়া চেরেত্তি। আরও ছিলেন ডিক্যাপ্রিওর স্কটিশ সৎবাবা ডেভিড ওয়ার্ড। 

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০১২ সালে ডিক্যাপ্রিও নিজেই তার মা ইরমেলিন ইনডেনবিরকেনের সঙ্গে ডেভিড ওয়ার্ডের পরিচয় করিয়ে দেন। যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল দল প্যারাগুয়েকে হারানোর পর মেলরোজ এভিনিউয়ের অভিজাত ইতালীয় রেস্তোরাঁ ‘আলবা’য় আয়োজিত আফটারপার্টি থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় এ তিনজনকে। পারিবারিক এ আয়োজনে ৫১ বছর বয়সি ডিক্যাপ্রিও মুখে মাস্ক এবং কপাল পর্যন্ত নামিয়ে রাখা বেসবল ক্যাপ পরে নিজের পরিচয় আড়াল করার চেষ্টা করেন।  

    সম্প্রতি ওজন কমিয়ে নতুন শারীরিক গঠনের কারণে তিনি একাধিকবার সংবাদ শিরোনামে এসেছেন। তিনি এদিন মধ্যরাতে নীল রঙের জ্যাকেটসহ বেশ সাধারণ পোশাকে উপস্থিত হন। অন্যদিকে প্রায় তিন বছর ধরে সম্পর্কে থাকা তার ২৮ বছর বয়সি ইতালিয় মডেল প্রেমিকা ভিট্টোরিয়া চেরেত্তি আঁটসাঁট হাতাকাটা টপ পরে নিজের সুঠাম গড়নকে ফুটিয়ে তোলেন। গ্রীষ্মকালীন আবহের ছোঁয়া আনতে তিনি ছোট কাটঅফ শর্টস পরেন। কালো রঙের উঁচু স্টিলেটো জুতায় সাবলীলভাবে হাঁটছিলেন তিনি, যা তার হ্যান্ডব্যাগের সঙ্গেও মানিয়ে গিয়েছিল। তার কালো চুল ঢেউ খেলানোভাবে কাঁধ বেয়ে নেমে এসেছিল। হালকা মেকআপ এবং ন্যুড লিপস্টিক তার উজ্জ্বল ত্বকের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তোলে।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ডেভিড ওয়ার্ডকে অনেকেই ডস একুইস বিজ্ঞাপনে জনাথন গোল্ডস্মিথ অভিনীত ‘দ্য মোস্ট ইন্টারেস্টিং ম্যান ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’র সঙ্গে তুলনা করেন। পার্টি শেষে তাকেই খাবারের টেকঅ্যাওয়ে ব্যাগ বহন করতে দেখা যায়। তার এক বাহুর নিচে একটি লাল কুশন। আবার মনে হচ্ছিল, রাতের খাবারের কিছু অংশ তার সাদা টি-শার্টের সামনের দিকে পড়ে গেছে। ডিক্যাপ্রিওর বয়স যখন মাত্র এক বছর, তখন তার পিতা জর্জ অন্য এক নারীর জন্য তার মাকে ছেড়ে যান। তবে সন্তানের যৌথ লালন-পালন সহজ করতে সাবেক এই দম্পতি পাশাপাশি বাসায় বসবাস করতেন। ‘টাইটানিক’ খ্যাত তারকা ক্যাপ্রিও এখনো তার পিতা জর্জের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখেন। কমিক বইয়ের শিল্পী জর্জকে গত বছর তিনি নিজের জন্য ‘প্রজ্ঞার চূড়ান্ত উৎস’ বলে উল্লেখ করেন।

    ডেভিড ওয়ার্ডের আগের স্ত্রী ছিলেন কিম নামের এক নারী। তিনি ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে মারা যান। বহু বছর পর ডিক্যাপ্রিও তার মা ইরমেলিনের সঙ্গে ডেভিডের পরিচয় করিয়ে দেন। শুধু সৎছেলের কারণে নয়, নিজের মেয়ে এমিলির কারণেও হলিউডের সঙ্গে ডেভিড ওয়ার্ডের বিস্তৃত যোগাযোগ রয়েছে। পেশায় ইন্টেরিয়র ডেকোরেটর এমিলি একসময় দ্য ব্ল্যাক কিজ ব্যান্ডের ড্রামার প্যাট্রিক কার্নির স্ত্রী ছিলেন। পরে তিনি অভিনেতা জিওভান্নি রিবিসির সঙ্গেও সম্পর্কে জড়ান। এমিলির পরিচিতদের তালিকায় রয়েছেন ‘ফিফটি শেডস অব গ্রে’ তারকা ডাকোটা জনসন এবং ওয়েসিস ব্যান্ডের সদস্য নোয়েল গ্যালাঘারের দ্বিতীয় সাবেক স্ত্রী সারা ম্যাকডোনাল্ড। লস কাবোসে একটি ভেগান রেস্তোরাঁর মালিক ডেভিড ওয়ার্ড পরিবেশবাদ নিয়ে অভিন্ন আগ্রহের সূত্রে ডিক্যাপ্রিওর ঘনিষ্ঠ হন। শোনা যায়, ২০২৩ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে ডিক্যাপ্রিও এবং চেরেত্তির পরিচয় হয়। ওই উৎসবেই পরিচালক মার্টিন স্করসেসির নতুন ছবি ‘কিলার্স অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’র প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ওই বছরের আগস্টে প্রথমবারের মতো তাদের সম্পর্কের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তার আগে ডিক্যাপ্রিওর নাম আরেক সুপারমডেল জিজি হাদিদের সঙ্গে জড়িয়ে নানা গুঞ্জন ওঠে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    চেরেত্তিকে ডিক্যাপ্রিওর সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেখা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে চলতি বছরের অস্কার অনুষ্ঠান এবং গত জুনে জেফ বেজোস ও লরা সানচেজের ভেনিসে অনুষ্ঠিত বিয়ের অনুষ্ঠান। কখনো কখনো চেরেত্তির অনামিকায় আংটি দেখা গেছে, যা তাদের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। চেরেত্তি ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ইতালিয় ডিজে মাত্তেও মিল্লেরির সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন। মাত্তেও বার্লিনভিত্তিক সংগীত জুটি টেল অব আস-এর সদস্য। এরও আগে তার নাম স্বল্প সময়ের জন্য মডেল নাটালি ওয়েস্টলিংয়ের সঙ্গে জড়িয়েছিল। পরে নাটালি লিঙ্গান্তর সম্পন্ন করে নিজের নাম পরিবর্তন করে নাথান ওয়েস্টলিং রাখেন।    

    ২০১২ সালে আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকে ভিট্টোরিয়া চেরেত্তি ৪০০টিরও বেশি ফ্যাশন শোতে অংশ নিয়েছেন। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন সংস্করণের ‘ভোগ’ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে তিনি ২৩ বার স্থান পেয়েছেন।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ১০০ কোটি ডলার আয়ের পথে ‘মাইকেল’

    পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবনীনির্ভর চলচ্চিত্র ‘মাইকেল’ বক্স অফিসে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। গত ২৪ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার পর থেকে বিশ্বজুড়ে ৯১১.৯ মিলিয়ন ডলার আয় করে এটি এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয়কারী মিউজিক বায়োপিক (সঙ্গীতভিত্তিক জীবনীচিত্র) হিসেবে রেকর্ড গড়েছে। 

    এর মাধ্যমে সিনেমাটি ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কিংবদন্তি ব্যান্ড ‘কুইন’-এর বায়োপিক ‘বোহেমিয়ান র‍্যাপসোডি’কে ছাড়িয়ে গেল, যার বৈশ্বিক বক্স অফিস কালেকশন ছিল ৯১০.৯ মিলিয়ন ডলার।

    অ্যান্টোনি ফুকো পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে নাম ভূমিকায় (মাইকেল জ্যাকসন) অভিনয় করেছেন খোদ মাইকেল জ্যাকসনেরই ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। সিনেমাটিতে পপ সম্রাটের বিশ্বজোড়া খ্যাতি এবং উত্থানের গল্প তুলে ধরা হয়েছে, যার সমাপ্তি টানা হয়েছে ১৯৮৮ সালের প্রেক্ষাপটে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বক্স অফিসেও এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আয়কারী বায়োপিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের ধারণা, সিনেমাটি খুব দ্রুতই বিশ্বজুড়ে ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করবে। ‘মাইকেল’ এখনো বিশ্বের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে এবং দর্শকদের বিপুল সাড়া পেয়ে যাচ্ছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রেমিকার ছেলের ছুরিকাঘাতে ‘টপ গান’ অভিনেতার মৃত্যু

    ‘জুমানজি’ এবং ‘টপ গান: ম্যাভেরিক’-এ অভিনয়ের জন্য পরিচিত মার্কিন অভিনেতা জেমস হান্ডি হত্যার শিকার হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজ বাড়িতে ছুরিকাঘাতে এই অভিনেতাকে হত্যা করা হয়েছে। 

    ৮১ বছর বয়সি হান্ডিকে বুধবার (৩ জুন) ক্যালিফোর্নিয়ার টারজানায় তার বাড়ির সামনের বাগানে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। সে সময় তার বুকে বেশ কয়েকটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। 

    লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগ (এলএপিডি) জানিয়েছে, হান্ডির প্রেমিকার ছেলে, ৪৪ বছর বয়সি মাইকেল গ্লেডহিলকে এই হত্যাকাণ্ডের সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ৯১১ নম্বরে এক ব্যক্তি কল করে পুলিশকে বলেন, ‘আমি একজন মানুষের ছেলে, আমি এইমাত্র একজন পাপী মানুষকে হত্যা করেছি।’ এই ফোনের পরই পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

    নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণকারী জেমস হান্ডি দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বহু চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন শোতে অভিনয় করেছেন। অধিকাংশ সময়ই তাকে পার্শ্বচরিত্রে অথবা অল্প কিছু পর্বের অতিথি চরিত্রে দেখা গেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ কম পেলেও ক্যারিয়ারে দীর্ঘ সময় অভিনয়ে দেখা গেছে তাকে। তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে ‘এনওয়াইপিডি ব্লু’, ‘কে-৯’, ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’, ‘লোগান’, ‘ক্যাসেল, ‘দ্য ওয়েস্ট উইং’, ‘দ্য এক্স ফাইলস অ্যান্ড মার্ডার’ ও ‘শি রোট’ অন্যতম। 

    জেমস হান্ডি অভিনীত শেষ চলচ্চিত্র ছিল ২০২২ সালের ‘টপ গান: ম্যাভেরিক’। এই ছবিতে তিনি ‘জিমি’ নামের একজন বারটেন্ডারের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যিনি টম ক্রুজের প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করা জেনিফার কনেলির সঙ্গে কাজ করেন। 

    গুণি এই অভিনেতার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে বিনোদন বিষয়ক লেখক জে ববিন বলেন, ‘এই চমৎকার চরিত্রাভিনেতার চলে যাওয়ার খবরটি শুনে আমি গভীরভাবে মর্মাহত।’ 

    ২০০১ সালের ক্রাইম ড্রামা সিরিজ ‘ইউসি: আন্ডারকভার’-এর লেখক ও প্রযোজক ডন উইনস্লো, যেটিতে হান্ডিও অভিনয় করেছিলেন। হান্ডিকে তিনি একজন ‘অসাধারণ অভিনেতা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। 

    হান্ডির মৃত্যুর পর পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর সন্দেহভাজন গ্লেডহিল নিজেই কাছাকাছি থাকা দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং জানান যে পুলিশ যাকে খুঁজছে, তিনিই সেই ব্যক্তি। 

    পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সন্দেহভাজন ব্যক্তি ওই বাড়িতেই তার মায়ের সঙ্গে থাকতেন, যিনি নিহত অভিনেতার প্রেমিকা ছিলেন। গোয়েন্দারা মনে করছেন এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং এর ফলে সাধারণ জনগণের জন্য কোনো ভয়ের কারণ নেই।’ 

    গ্রেফতারের পর গ্লেডহিলকে ভ্যান নাইস জেলে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে তার জামিনের জন্য ২০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১৫ লাখ পাউন্ড) নির্ধারণ করা হয়েছে। 

    সূত্র: বিবিসি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্পাইডারম্যান নিয়ে নিজের পুরোনো মন্তব্য থেকে সরে এলেন হল্যান্ড

    স্পাইডারম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে নিজের করা অন্যতম আলোচিত ও বহুল প্রচারিত একটি মন্তব্য থেকে অবশেষে সরে এসেছেন হলিউড তারকা টম হল্যান্ড। 

    ২০২১ সালে বিশ্বখ্যাত লাইফস্টাইল সাময়িকী জিকিউ ম্যাগাজিন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হল্যান্ড বলেছিলেন, ‘৩০ বছর বয়সের পরেও যদি আমি স্পাইডারম্যান চরিত্রে অভিনয় করতে থাকি, তবে বুঝতে হবে আমি নিশ্চিতভাবেই কোনো ভুল করছি।’

    তবে সম্প্রতি এই অভিনেতা অকপটে স্বীকার করেছেন, যখন তিনি ওই মন্তব্যটি করেছিলেন, তখন আসলে ঠিক কী ভেবে করেছিলেন তা তার নিজেরও জানা নেই।

    বর্তমানে হল্যান্ডের বয়স ঠিক ৩০ বছর। অথচ স্পাইডারম্যান হিসেবে তার নতুন সিনেমা ব্র্যান্ড নিউ ডে আগামী ৩১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে এবং এখনই এই সুপারহিরো স্যুটটি তুলে রাখার কোনো পরিকল্পনা তার নেই বলে জানান অভিনেতা। 

    সম্প্রতি ক্রিস্টোফার নোলানের আসন্ন সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’র প্রচারণামূলক কাজের অংশ হিসেবে আবারও জিকিউ-এর মুখোমুখি হয়ে নিজের এই স্ববিরোধী মন্তব্য নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। 

    নিজের পুরোনো মন্তব্যটি নিয়ে হাসতে হাসতে টম হল্যান্ড বলেন, ‘মজার ব্যাপার হলো, সম্প্রতি কোটেশনটি আবার কোথাও আমার চোখে পড়েছে এবং আমি নিজেই কিছুটা ভড়কে গিয়েছিলাম। কারণ আমি মনে করার চেষ্টা করছিলাম যে আসলে কোন অর্থে আমি কথাটা বলেছিলাম।’ 

    নিজের পুরোনো মন্তব্যের সপক্ষে একটি ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে তিনি জানান, সেটি আসলে অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কোনো ব্যক্তিগত ডেডলাইন ছিল না, বরং চরিত্রটির উত্তরাধিকার নিয়ে কথা ছিল। বিশেষ করে, অন্য কারো হাতে এই ব্যাটন বা চরিত্রটি তুলে দেওয়ার দীর্ঘদিনের সুপ্ত ইচ্ছার কথাই তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হল্যান্ড বলেন, ‘আমি আসলে বোঝাতে চেয়েছিলাম যে আমি চরিত্রটির ব্যাটন পরবর্তী কারো হাতে তুলে দিতে পারলে খুশি হব, যা আমি এখনো অর্জন করতে পারিনি। স্টুডিওতে আমরা এটা নিয়ে প্রায়ই আলোচনা করি। 

    তাই হয়তো এখন আমার কোটেশনটি পরিবর্তন করে ৩০-এর জায়গায় ৩৭ বছর করা উচিত!’ 

    তবে এর পেছনে আরও একটি হিসাবনিকাশের তত্ত্বও উড়িয়ে দিচ্ছেন না এই অভিনেতা। তিনি রসিকতার ছলে বলেন, ‘এমনও হতে পারে যে সনি-র সঙ্গে তখন আমার নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছিল। তাই স্পাইডারম্যান ৪-এ আমি থাকব না—এমন একটা ভয় দেখিয়ে তাদের ওপর একটু চাপ সৃষ্টি করতে চেয়েছিলাম। আমি নিশ্চিত নই আসলে কী ছিল, এটি ভয় দেখানোর একটি কৌশলও হতে পারে।’ 

    অতীতের উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, চরিত্রটি নিয়ে বর্তমানে তার অবস্থান একদম পরিষ্কার। হল্যান্ড বলেন, ‘সত্যি বলতে, স্পাইডারম্যান চরিত্রে অভিনয় করাটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়। আমি এখন এমন এক অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছি যেখানে আমি বলতে পারি—যতদিন তারা আমাকে চাইবে, আমি এই চরিত্রে অভিনয় করে যাব।’ 

    স্পাইডারম্যান চরিত্রের প্রতি হল্যান্ডের এই ভালোবাসার প্রমাণ আগেও পাওয়া গেছে। তিনি নিজে সনি পিকচার্সের কাছে লবিং করে ব্র্যান্ড নিউ ডে সিনেমার কাজ কিছুটা পিছিয়ে দেন, যাতে তিনি প্রথমে ক্রিস্টোফার নোলানের দ্য ওডিসি-র শুটিং শেষ করতে পারেন। 

    এর চেয়েও বড় প্রমাণ মেলে ২০১৯ সালে, যখন ডিজনী ও সনির মধ্যকার চুক্তি ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল এবং মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স থেকে স্পাইডারম্যান বাদ পড়ার ঝুঁকিতে ছিল। তখন হল্যান্ড নিজে ডিজনীর প্রধান নির্বাহী বব আইগারকে ফোন করে কেঁদে ফেলেছিলেন এবং চরিত্রটির ভবিষ্যতের জন্য অনুরোধ করেছিলেন।

    পরবর্তীতে বব আইগার সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করে বলেছিলেন, ‘টম ফোনে কাঁদছিল। ওর সেই অকৃত্রিম আবেগ দেখেই আমি নিজে সনির সঙ্গে আবার কথা বলার সিদ্ধান্ত নিই—টম এবং ভক্তদের স্বার্থে। আর এভাবেই চুক্তিটি রক্ষা পায়।’ 

    যে মানুষটি একসময় ভেবেছিলেন ৩০ বছর বয়সেই স্পাইডার-ম্যান অধ্যায় শেষ করবেন, ২০২৬ সালে এসে মনে হচ্ছে পিটার পার্কার হিসেবে তার আসল যাত্রা তো কেবল শুরু হলো! 

    সূত্র: জিও নিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘অহংকারী মেয়ে’ তকমা পেয়ে ভেঙে পড়েছেন অভিনেত্রী

    চলতি বছর একের পর এক সিনেমা দিয়ে হলিউডে দুর্দান্ত সময় পার করছেন তারকা অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ে। তবে ক্যারিয়ারের এই স্মরণীয় পুনরুত্থানের মাঝেও তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরোনো কিছু বিতর্ক নতুন করে মাথাচাড়া দেওয়ায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন ৪৩ বছর বয়সি এই অস্কারজয়ী তারকা।

    সম্প্রতি ‘রাডার অনলাইন’-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যারিয়ারের একটি কঠিন সময়ে ইন্টারনেটের তীব্র উপহাস ও ট্রলিংয়ের শিকার হয়েছিলেন হ্যাথাওয়ে। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় সেই ট্রমা বা মানসিক ক্ষত কাটিয়ে যখন তিনি সামনে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই নতুন করে ‘মিন গার্ল’ (খারাপ বা অহংকারী মেয়ে) তকমা তৈরি হওয়ায় মানসিকভাবে বেশ ভেঙে পড়েছেন তিনি।

    সংশ্লিষ্ট এক সূত্র জানিয়েছে, ২০১১ সালের অস্কারে সঞ্চালনা এবং ২০১৩ সালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পাওয়ার পর তার দেওয়া বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একসময় তীব্র সমালোচনা হয়েছিল। তখন তিনি রীতিমতো ‘ইন্টারনেটের প্রিয় পাঞ্চিং ব্যাগ’ (সহজ লক্ষ্যবস্তু) হয়ে উঠেছিলেন। 

    হ্যাথাওয়ে ভেবেছিলেন তিনি সেই অধ্যায় পার করে এসেছেন, তাই এই নতুন সমালোচনা তাকে বেশি আঘাত করেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    হলিউডে এই অভিনেত্রীর বর্তমান অবস্থান বেশ শক্ত হলেও, জনসাধারণের নেতিবাচক মন্তব্য অ্যানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সংশ্লিষ্ট সূত্রটি জানায়, ‘দ্য ডেভিল ওয়ার্স প্রাডা ২ নিয়ে বিশ্বজুড়ে দারুণ উচ্ছ্বাস রয়েছে। কিন্তু অ্যানের মনে হচ্ছে, সব ইতিবাচক সাফল্যের আনন্দকে মাটি করে দিয়ে পুরোনো নেতিবাচকতা আবার ফিরে আসছে।’ 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরা তার অতীতের মুহূর্তগুলোকে যেভাবে নতুন করে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে, তা তাকে বেশ বিচলিত করেছে। 

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ‘মেট গালা’ অনুষ্ঠানে ব্লেক লাইভলির সঙ্গে অ্যান হ্যাথাওয়ের একটি উপস্থিতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এই সমালোচনা আরও তীব্র হয়। নেটিজেনরা সেই ভিডিওর অঙ্গভঙ্গি ও বাহ্যিক রূপ বিশ্লেষণ করে দাবি করতে থাকেন, হ্যাথাওয়ের মাঝে ‘মিন গার্ল এনার্জি’ বা অহংকারী আচরণ স্পষ্ট। এই প্রতিক্রিয়াই হ্যাথাওয়ের মনে পুরোনো কষ্টদায়ক স্মৃতিগুলো ফিরিয়ে এনেছে, যখন তাকে ক্যারিয়ারের শুরুতে ‘ফেক’ বা ভন্ড বলে আখ্যা দেওয়া হতো। 

    অবশ্য মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হলেও পেশাদারত্বের জায়গায় কোনো ছাড় দিচ্ছেন না হ্যাথাওয়ে। চলতি বছরটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম ব্যস্ত এবং সফল একটি বছর হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে মুক্তি পেয়েছে তার দুটি আলোচিত সিনেমা, যা তার ক্যারিয়ারের এই প্রত্যাবর্তনকে আরও শক্তিশালী করেছে। ‘মাদার মেরি’ ও ‘দ্য ডেভিল ওয়ার্স প্রাডা’ সিনেমা দুটি মুক্তির পর বছরের বাকি দিনগুলোতে অভিনেত্রীর ‘দ্য ওডিসি’, ‘ফ্লাওয়ারভেল স্ট্রিট’ এবং ‘ভেরিশি’ চলচ্চিত্রগুলো মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শততম জন্মবার্ষিকীতে মেরিলিন মনরোকে শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে হলিউড

    হলিউডের সোনালী যুগের অবিসংবাদিত প্রতীক এবং চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম সেরা আইকন মেরিলিন মনরোর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে তার নিজের শহর হলিউডে সোমবার (১ জুন) থেকে শুরু হয়েছে বিশেষ এক উৎসবমুখর উদযাপন।

    ১৯২৬ সালের ১ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্মগ্রহণ করা এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীর জন্মশতবর্ষ স্মরণে মাসব্যাপী নানা অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী এবং নিলামের আয়োজন করা হয়েছে।  

    হলিউডের বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক চাইনিজ থিয়েটার—যেখানে ১৯৫৩ সালের সাড়া জাগানো সিনেমা ‘জেন্টলমেন প্রেফার ব্লন্ডস’-এর সহ-অভিনেত্রী জেন রাসেলের সঙ্গে মেরিলিন মনরোর হাতের ছাপ চিরস্থায়ী করে রাখা আছে—সেখানে ভক্তরা সমবেত হয়ে গেয়ে উঠবেন ‘হ্যাপি বার্থডে’। 

    এই গানটি মূলত ১৯৬২ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডিকে গাওয়া মনরোর সেই বিখ্যাত ও মোহময়ী জন্মদিনের সুরকে স্মরণ করিয়ে দেবে। উৎসবের অংশ হিসেবে এই পর্যটনকেন্দ্রে ১০০টি গোলাপ ফুল এবং একটি বিশেষ কেক রাখা হবে।  

    একাডেমি মিউজিয়ামে বিশেষ প্রদর্শনী 

    রোববার (৩১ মে) থেকেই টিশেলটাউনের (হলিউড) এই প্রিয় কন্যার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয়েছে। একাডেমি মিউজিয়ামে উদ্বোধন করা হয়েছে ‘মেরিলিন মনরো: হলিউড আইকন’ শীর্ষক একটি বিশেষ প্রদর্শনী। এই প্রদর্শনীটি ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। 

    প্রদর্শনীতে মনরোর জীবনের শত শত দুর্লভ স্মারক স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো ‘জেন্টলমেন প্রেফার ব্লন্ডস’ সিনেমায় ‘ডায়মন্ডস আর আ গার্লস বেস্ট ফ্রেন্ড’ পারফরম্যান্সের সময় পরা তার সেই বিশ্বখ্যাত গোলাপি পোশাকটি।

    এছাড়া পুরো জুন মাস জুড়ে একাডেমি মিউজিয়াম মনরোর ক্যারিয়ারের সেরা চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শন করবে। যার মধ্যে রয়েছে- দ্য অ্যাসফল্ট জঙ্গল (১৯৫০), নায়াগ্রা (১৯৫৩), দ্য সেভেন ইয়ার ইচ (১৯৫৫), সাম লাইক ইট হট (১৯৫৯), দ্য মিসফিটস (১৯৬১)। 

    এদিকে চলতি সপ্তাহের ৪ জুন, বিখ্যাত নিলামকারী প্রতিষ্ঠান জুলিয়েন’স অকশনস আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘১০০ ইয়ার্স অব মেরিলিন’ নামক বিশেষ নিলাম। এখানে মনরোর ব্যবহৃত প্রায় ২০০টি ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিলামে তোলা হবে। 

    এর মধ্যে রয়েছে তার অপ্রকাশিত কিছু ছবি, তার অসমাপ্ত শেষ চলচ্চিত্র ‘সামথিংস গট টু গিভ’-এর হাতে লেখা নোটসহ মূল স্ক্রিপ্ট, নিজের হাতে লেখা রান্নার রেসিপি এবং তার প্রিয় ব্র্যান্ড এলিজাবেথ আরডেনের লিপস্টিক। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রতিকূলতা পেরিয়ে সুপারস্টারডম 

    মেরিলিন মনরোর শৈশব ছিল বেশ কষ্ট ও অস্থিরতায় ভরা। এতিমখানা এবং বিভিন্ন পালক পরিবারের (ফস্টার হোম) আশ্রয়ে বড় হওয়া মনরো মাত্র ১৬ বছর বয়সে প্রথমবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

    ১৯৪৪ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় একটি কারখানায় কাজ করার সময় এক আলোকচিত্রীর ক্যামেরায় ধরা পড়েন এই অভিনেত্রী। এর পরপরই মডেলিং জগতে পা রাখেন, স্বামীকে ডিভোর্স দেন এবং নিজের বাদামী চুল প্ল্যাটিনাম ব্লন্ড (সোনালী) রঙে রূপান্তর করে ইতিহাসের গতিপথ বদলে দেন। ফক্স স্টুডিওর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর, মাত্র ৩০ বছর বয়সের মধ্যেই তিনি নিজেকে একটি গ্লোবাল ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

    উল্লেখ্য, পর্দার পেছনে মনরো কেবল একজন গ্ল্যামারাস অভিনেত্রীই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন একজন সাহসী নারী। তিনি নিজের প্রযোজনা সংস্থা গঠন করেছিলেন এবং নিউইয়র্কের মর্যাদাপূর্ণ অ্যাক্টরস স্টুডিওতে অভিনয় শিখেছিলেন।

    ১৯৫০-এর দশকে টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্সের সঙ্গে চুক্তি থাকা সত্ত্বেও তিনি ‘দ্য গার্ল ইন পিঙ্ক টাইটস’ সিনেমায় অভিনয় করতে অস্বীকৃতি জানান। কারণ হিসেবে তিনি চিত্রনাট্যকে নিম্নমানের এবং সহ-অভিনেতা ফ্রাঙ্ক সিনাত্রার চেয়ে নিজের বেতন তিন গুণ কম (যা তার কাছে অন্যায় মনে হয়েছিল) বলে উল্লেখ করেছিলেন। 

    বর্তমান যুগের ‘হ্যাশট্যাগ মিটু’ আন্দোলন বিশ্ব বিনোদন জগতকে কাঁপিয়ে দেওয়ার প্রায় অর্ধশতাব্দী আগেই, মনরো হলিউডের সেই ‘নেকড়েদের’ (শিকারী পুরুষ) বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন যারা নবাগত নারী প্রতিভাদের ওপর চড়াও হতো।

    ১৯৫০-এর দশকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা এই মেগা স্টার ১৯৬২ সালের আগস্টে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে তার ব্রেন্টউডের বাড়িতে অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের (ওভারডোজ) কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর এত বছর পরও, তার জন্মশতবার্ষিকীতে হলিউড প্রমাণ করল—মেরিলিন মনরো রুপালি পর্দায় আজও সমাদৃত ও অমর।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রেমিকের সঙ্গে অভিনয় করা জেনডায়ার কাছে স্বপ্নের মতো

    হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা জুটি জেনডায়া ও টম হল্যান্ড আবারও একসঙ্গে পর্দায় হাজির হতে যাচ্ছেন। মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘স্পাইডারম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’-তে এই জুটিকে একসঙ্গে দেখা যাবে। 

    সম্প্রতি এই ছবিটিতে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে একটি ‘স্বপ্ন’ এবং ‘ঘরে ফেরার মতো অনুভূতি’ বলে বর্ণনা করেছেন জেনডায়া। 

    এটি জেনডায়ার ক্যারিয়ারের চতুর্থ মার্ভেল চলচ্চিত্র। এর আগে তিনি ২০১৭ সালে ‘স্পাইডারম্যান: হোমকামিং’, ২০১৯ সালে ‘স্পাইডারম্যান: ফার ফ্রম হোম’ এবং ২০২১ সালে ‘স্পাইডারম্যান: নো ওয়ে হোম’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। 

    ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন পরিচালিত এই নতুন ছবিটি আগামী ৩১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে। 

    এক সাক্ষাৎকারে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ‘ডিউন’ খ্যাত এই অভিনেত্রী বলেন, ‘স্পাইডারম্যানে কাজ করাটা ছিল একটা স্বপ্নের মতো। আমি প্রতিদিন আমার বেস্টফ্রেন্ড, অর্থাৎ আমি যাকে ভালোবাসি, তার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাই। আমরা সেটে আমাদের পোষা কুকুরগুলোকেও নিয়ে আসি; এটি যেন পুরোপুরি একটি পারিবারিক বিষয়। আমরা এই সিনেমাগুলোর সঙ্গেই বড় হয়েছি! তাই এখানে কাজ করা মানে ঘরে ফেরার মতোই আনন্দদায়ক।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘স্পাইডারম্যান’ ছাড়াও এই জুটি হলিউডের মাস্টারমাইন্ড পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলানের পরবর্তী এপিক অ্যাকশন ড্রামা ‘দ্য ওডিসি’-তে একসঙ্গে অভিনয় করছেন। চলচ্চিত্রটি আগামী ১৭ জুলাই মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। 

    সিনেমায় গ্রীক পুরাণের কিংবদন্তি রাজা ওডিসিয়াসের চরিত্রে অভিনয় করছেন ম্যাট ডেমন। জেনডায়াকে দেখা যাবে ওডিসিয়াসের রক্ষক এবং জ্ঞানের দেবী ‘অ্যাথেনা’র চরিত্রে, আর টম হল্যান্ড অভিনয় করছেন ওডিসিয়াসের বিশ্বস্ত পুত্র ‘টেলিম্যাকাস’-এর চরিত্রে। 

    তবে জেনডায়া জানান, এই সিনেমাটিতে টম ও তার একসঙ্গে কোনো দৃশ্য নেই। স্ক্রিন শেয়ার না করলেও সেটে সহ-অভিনেতার অভিনয় দূর থেকে দেখার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘টমের অভিনয় দেখে আমার চোখে পানি চলে আসছিল, আমি ওর জন্য ভীষণ গর্বিত।’ 

    উল্লেখ্য, দীর্ঘ ৫ বছর প্রেমের পর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে জেনডায়া ও টম হল্যান্ডের বাগদান সম্পন্ন হয়। সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছে যে, চলতি বছরের শুরুর দিকে তারা গোপনে বিয়েও সেরে ফেলেছেন। 

    তবে সাক্ষাৎকারে বিয়ের এই গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তা সরাসরি এড়িয়ে যান অভিনেত্রী। বেশ রহস্য ধরে রেখে তিনি বলেন, ‘না, আমি এই বিষয়ে কোনো কথা বলব না। মিডিয়া সবসময়ই কিছু না কিছু খোঁজার চেষ্টা করে।’ 

    সূত্র: ডিএনএ ইন্ডিয়া 

    বিনোদন ডেস্ক