Tag: হলিউড

  • আইনি জটিলতায় সেলেনা

    হলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজ আইনি জটিলতায় জড়ালেন। শুধু তাই নয়। মা ম্যান্ডি টিফি ও সাবেক ব্যবসায়িক সহযোগী ড্যানিয়েলা পিয়ারসনের বিরুদ্ধেও মামলা করেছে দুই বিনিয়োগকারী সংস্থা।

    তাদের অভিযোগ—মানসিক স্বাস্থ্যের স্টার্টআপ ওয়ান্ডারমাইন্ড গ্লোবালে বিনিয়োগের আগে সংস্থা নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল। এমনকি সংস্থার বিপুল আর্থিক ক্ষতির কথাও দুই বিনিয়োগকারীর কাছে গোপন করার অভিযোগ ওঠে।

    ডেলাওয়্যারের আদালতে মামলাটি হয়েছে। ওয়ান্ডারমাইন্ড এসআরএস ৪৪ এলএলসি এবং বিস্পোক ওয়ান্ডারমাইন্ড এলএলসি নামে দুই সংস্থা সেলেনা, তার মা ম্যান্ডি, ওয়ান্ডারমাইন্ড  গোলাবারে এবংবিজনেস পার্টনা ড্যানিয়েলা পিয়ারসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। 

    বিনিয়োগকারী সংস্থার দাবি, ২০২২ সালে তারা প্রায় ১.২ মিলিয়ন ডলার ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’-এ বিনিয়োগ করেছিলেন। অভিযোগ, তাদের সামনে এমন একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছিল, যেটি সেই সময়ে লাভজনক বলে মনে হয়েছিল দুই সংস্থার। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট— সেলেনাদের পরিকল্পনার সঙ্গে কাজের কোনো মিল নেই।

    সংস্থার মার্কেটিং হেড সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার বিপুল সোশ্যাল মিডিয়া ফলোয়িং, বিজ্ঞাপন এবং টেলিভিশন উপস্থিতিকে ওয়ান্ডারমাইন্ডের প্রচারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরা হয়েছিল।

    কিন্তু পরে সেলেনা সংস্থাটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার দেওয়া কথা রাখেননি বলে অভিযোগ। এমনকি একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগ বাস্তবায়নের কথাও বলা হয়েছিল, যার কোনোটিই বাস্তবে সফল হয়নি বলে দাবি মামলাকারীদের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে আত্মহত্যার কথা ভেবেছিলেন ব্র্যাড পিট

    ২০১৬ সালে অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে বিচ্ছেদের পর জীবনের অত্যন্ত কঠিন ও বেদনাদায়ক এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন হলিউড তারকা ব্র্যাড পিট। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ৬২ বছর বয়সি এই অভিনেতা প্রকাশ করেছেন, সেই সময়ে তিনি প্রচণ্ড মানসিক কষ্টে ভুগছিলেন এবং তার মনে আত্মহত্যার চিন্তাও এসেছিল। 

    আমেরিকান সাময়িকী এসকোয়ার-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্র্যাড পিট অকপটে জানান, জীবনের ওই নির্দিষ্ট একটি সময় ছাড়া তিনি কখনো এতটা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েননি। 

    অভিনেতা বলেন, ‘আমি একটি ছোট সময় ছাড়া কখনো আত্মহত্যাপ্রবণ ছিলাম না। কিন্তু ওই নির্দিষ্ট সময়টিতে আমার মনে হয়েছিল, আমি আর পারছি না—সামনে এগোনোর কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছিলাম না।’ 

    মানসিক কষ্টের তীব্রতা বর্ণনা করতে গিয়ে পিট ব্যাখ্যা করেন, তার নিজের ক্ষতি করার কোনো উদ্দেশ্য না থাকলেও, যিনি প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণায় ভোগেন, তিনি কেন মৃত্যুকে একধরনের ‘মুক্তি’ হিসেবে দেখেন—তা তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পিট বলেন, ‘তখন কষ্টটা এতটাই দমবন্ধ করা ছিল যে, আমি হয়তো সে অনুযায়ী কাজ করতাম না; কিন্তু মনের ভেতর মাথার ভেতরে গুলির সেই হিমশীতল অনুভূতিটা পাচ্ছিলাম, আর মনে হচ্ছিল এটাই যেন মুক্তি।’ 

    তিনি জানান, এসব চিন্তা মূলত মানসিক যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকেই সৃষ্টি হয়েছিল, নিজের ক্ষতি করার ইচ্ছা থেকে নয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার বেঁচে থাকার আত্মরক্ষামূলক অনুভূতিই জয়ী হয়। ব্র্যাড পিটের ভাষায়, ‘আমি তখন ভাবলাম, ‘ওহ, আচ্ছা, এবার আমি বুঝতে পারছি।’ আমি আত্মহত্যাকে বুঝতে পেরেছিলাম এই অর্থে যে—এটা কেবলই কষ্ট থেকে মুক্তির এক ব্যাকুল প্রচেষ্টা।’ 

    সাক্ষাৎকারে যখন জানতে চাওয়া হয়, এই কঠিন সময়টার পেছনে সন্তান সম্পর্কিত কোনো বিষয় জড়িয়ে ছিল কিনা, তখন পিট সংক্ষিপ্ত উত্তর দিয়ে বলেন, ‘পারিবারিক বিষয়।’ 

    তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কথা বলতে রাজি হননি এবং যোগ করেন, ‘পারিবারিক বিষয়। আমরা এটার এখানেই ইতি টানতে পারি।’ 

    উল্লেখ্য, ‘মি. অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’ সিনেমার সেটে ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলির পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তারা বিয়েও করেন। তাদের ছয়টি সন্তান রয়েছে। কিন্তু ২০১৬ সালে জোলি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করলে এবং সন্তানদের একক জিম্মাদারি দাবি করলে এই জুটির সম্পর্কের ইতি ঘটে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১৯ সালে আদালতের রায়ে তারা আইনগতভাবে সিঙ্গেল মর্যাদা পান এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তাদের বিচ্ছেদ চূড়ান্ত নিষ্পত্তিতে পৌঁছায়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৬ দিনে বিলিয়ন ডলার আয়

    হলিউডের ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক বক্স অফিসকে রীতিমতো ওলটপালট করে দিয়ে মাত্র ৬ দিনে শতকোটি ডলার (১ বিলিয়ন ডলার) আয়ের অভাবনীয় মাইলফলক স্পর্শ করেছে নতুন চলচ্চিত্র ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। 

    টম হল্যান্ডের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা এই ওয়েব-স্লিংগিং সুপারহিরো আয়ের গতিতে পেছনে ফেলে দিয়েছে সাম্প্রতিক সব রেকর্ডকে। চলচ্চিত্র ইতিহাসের ইতিহাসে এর চেয়ে কম সময়ে মাত্র একটি চলচ্চিত্রই শতকোটি ডলার ছুঁতে পেরেছিল; ২০১৯ সালের মার্ভেল মহাকাব্য ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ মাত্র এক সপ্তাহান্তে (ওপেনিং উইকএন্ডে) ১.২ বিলিয়ন ডলার আয় করে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে।

    মুক্তির প্রথম চার দিনেই কেবল উত্তর আমেরিকার বাজার থেকেই ৪০৭ মিলিয়ন ডলার আয় করে নিয়েছে ছবিটি, যা ঘরোয়া বাজারে সবচেয়ে দ্রুত ৪০০ মিলিয়ন ডলার আয়ের ইতিহাস তৈরি করেছে। শুধু তা-ই নয়, সোমবার এক দিনেই রেকর্ড ৪৭ মিলিয়ন ডলার ব্যবসা করে সিনেমাটি, যা ২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’-এর ৪০ মিলিয়ন ডলারের আগের রেকর্ড ভেঙে দিয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয়ের সোমবারের স্বীকৃতি পেয়েছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বা বৈশ্বিক বাজারেও সমান তাণ্ডব চালিয়ে সিনেমাটি ইতিমধ্যে ৬৪৫.৮ মিলিয়ন ডলার নিজের পকেটে পুরেছে।

    উদ্বোধনীতে ঘরোয়া বাজারে ৩৬০ মিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বজুড়ে ৯৩২ মিলিয়ন ডলার ব্যবসা হয়, যা উত্তর আমেরিকার ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ডমেস্টিক ডেবিউ এবং বিশ্বব্যাপী ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম ওপেনিং হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া ছবিটি পূর্ব-প্রদর্শনী (প্রিভিউ) থেকে ৭২ মিলিয়ন ডলার এবং উদ্বোধনী দিনে (ওপেনিং ডে) ১৬৯.৮ মিলিয়ন ডলার আয় করার রেকর্ড গড়েছে। ইতিবাচক দর্শক প্রতিক্রিয়া ও আগামী সপ্তাহগুলোতে বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী সিনেমা না থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, চলচ্চিত্রটি খুব দ্রুতই ২০০ কোটি ডলারের ঘর অতিক্রম করবে—যা সিনেমা ইতিহাসের মাত্র সাতটি চলচ্চিত্রের অর্জনের তালিকায় রয়েছে।

    ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ চলতি ২০২৬ সালের চতুর্থ চলচ্চিত্র যা শতকোটি ডলারের ক্লাবে প্রবেশ করল। এর আগে ‘দ্য সুপার মারিও গ্যালক্সি মুভি’ (১.০০১ বিলিয়ন ডলার), ‘মাইকেল’ (১.০০১ বিলিয়ন ডলার) এবং ‘টয় স্টোরি ৫’ (১.০৬৭ বিলিয়ন ডলার) এই তালিকায় স্থান পেয়েছিল। ক্রিস্টোফার নোলানের বহু আলোচিত ‘দ্য ওডিসি’ ইতিমধ্যে ৯১২ মিলিয়ন ডলার আয় করে শতকোটি ডলার স্পর্শ করার একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

    ২০১৯ সালে করোনাকালীন স্থবিরতা শুরুর আগে রেকর্ডসংখ্যক ৯টি চলচ্চিত্র ১০০ কোটি ডলারের বেশি ব্যবসা করেছিল, যার পর থেকে কোনো একক বছরে তিনটি চলচ্চিত্রের বেশি এই উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি। তবে এই বছর মে থেকে আগস্টের শুরু পর্যন্ত উত্তর আমেরিকার বাজারে ইতিমধ্যেই ৩.৫৭৯ বিলিয়ন ডলারের টিকিট বিক্রি হয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘স্পাইডার-ম্যান’ খ্যাত অভিনেত্রী মেরি এগিদা রিভেরা মারা গেছেন

    মার্ভেলের ইতিহাস সৃষ্টি করা সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’-এ জ্যাকব ব্যাটালনের (নেড) নানি চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়া প্রবীণ অভিনেত্রী মেরি এগিদা রিভেরা মারা গেছেন। হঠাৎ তার এই প্রয়াণে মার্ভেল অনুরাগী এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। 

    অভিনেত্রীর শোকসংবাদ এবং স্বজনদের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিএমজেড সোমবার (৩ আগস্ট) জানায়, মেরি রিভেরা গত ১৫ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ের হনুলুলুতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। 

    পরিবারের এক সদস্য জানান, তিনি স্ট্রোক করেছিলেন। ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’ সিনেমায় তার সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্মরণীয় ভূমিকাটি নিয়ে মেরি অত্যন্ত গর্বিত ছিলেন বলেও জানান সেই স্বজন। 

    সিনেমায় মেরি রিভেরার উপস্থিতি সংক্ষিপ্ত হলেও তা প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের দারুণ হাসির খোরাক জুগিয়েছিল। 

    চলচ্চিত্রে যখন অল্টারনেট ইউনিভার্স থেকে আসা অ্যান্ড্রু গারফিল্ডের স্পাইডার-ম্যানের সঙ্গে নেড ও এমজে (জেনডায়া)-এর এক উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত তৈরি হয়, ঠিক তখনই ঘরে প্রবেশ করেন মেরি। হালকা পরিবেশে তিনি নেডের মাধ্যমে অ্যান্ড্রু গারফিল্ডের স্পাইডার-ম্যানকে ছাদের কোণ থেকে মাকড়সার জাল পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দৃশ্যটিতে অ্যান্ড্রু গারফিল্ড, টোবি ম্যাগুইয়ার, টম হল্যান্ড, জেনডায়া ও জ্যাকব ব্যাটালনের মতো বড় তারকাদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করে মেরি দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নেন। 

    মেরি রিভেরার প্রয়াণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক বার্তা পাঠাচ্ছেন বিশ্বজুড়ে থাকা স্পাইডার-ম্যান ভক্তরা। 

    উল্লেখ্য, মেরি এগিদা রিভেরা ১৯৪৩ সালের ২ জুন ফিলিপাইনের ইলোইলোতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পেশাগত জীবনে একজন অবসরপ্রাপ্ত মিশনারি ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি স্বামী আলেজান্দ্রো রিভেরা, চার সন্তান, ১১ জন নাতি-নাতনি এবং চারজন পুতি-পুতিনি রেখে গেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বক্স অফিসে ঝড় তুলছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’

    মার্ভেল-সনি প্রযোজিত ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই বক্স অফিসে দাপট দেখাচ্ছে। টম হল্যান্ড অভিনীত ছবিটি বিশ্বব্যাপী ৯২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে ইতিহাসের অন্যতম বড় উদ্বোধনী সপ্তাহান্তের রেকর্ড গড়েছে। পাশাপাশি ভারতে এটি ২৫০ কোটির বেশি রুপি আয় করেছে। 

    বক্স অফিস ট্র্যাকার স্যাকনিলকের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (২ আগস্ট) ভারতে ১৮ হাজার ৫১টি শো থেকে ছবিটি ৭৬ কোটি রুপি (নিট) আয় করেছে। এতে চার দিনে ভারতের মোট নেট আয় দাঁড়িয়েছে ২৫৬ কোটি ২০ লাখ রুপি। একই সময়ে ছবিটির গ্রস আয় হয়েছে ৩০৬ কোটি ৩৭ লাখ রুপি।

    ভারতে ছবিটির ইংরেজি সংস্করণ সবচেয়ে বেশি আয় করলেও হিন্দি ডাব সংস্করণও মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে ভালো দর্শক টানছে। বাণিজ্য বিশ্লেষকদের ধারণা, বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছবি না থাকায় সপ্তাহের কর্মদিবসগুলোতেও ছবিটির আয় শক্তিশালী থাকবে। প্রথম সোমবারেও এটি হলিউডের অন্যতম সেরা আয়ের রেকর্ড গড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

    শুধু ভারতেই নয়, বিশ্ববাজারেও দুর্দান্ত সাফল্য পেয়েছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। বক্স অফিস মোজো-র তথ্য অনুযায়ী, উদ্বোধনী সপ্তাহান্তে ছবিটির বৈশ্বিক আয় ৯২৭ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

    ভ্যারাইটি জানায়, উত্তর আমেরিকায় ছবিটি ৩৫৫ মিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আরও ৫৭২ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। সব মিলিয়ে ৯২৭ মিলিয়ন ডলারের এই উদ্বোধনী আয় সিনেমার ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’।

    ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন পরিচালিত ছবিতে পিটার পার্কার বা স্পাইডার-ম্যান চরিত্রে আবারও ফিরেছেন টম হল্যান্ড। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেনডায়া, স্যাডি সিঙ্ক, জ্যাকব ব্যাটালন এবং জন ফ্যাভরো।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্তির পর দর্শকদের ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে ছবিটি। ফলে সামনের দিনগুলোতেও বক্স অফিসে এর সফলতা অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভয়াবহ দাবানলে সস্ত্রীক ফ্রান্স ছাড়লেন জর্জ ক্লুনি

    ফ্রান্সে স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ দাবানলের জেরে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর ব্রিগনোলস-এর কাছে অবস্থিত নিজেদের বিলাসবহুল বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে গিয়েছেন হলিউড তারকা জর্জ ক্লুনি ও তার মানবাধিকার আইনজীবী স্ত্রী আমাল ক্লুনি। 

    বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 

    গত এক সপ্তাহ ধরে সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী বনভূমির দাবানলের সঙ্গে লড়াই করছে ফ্রান্স। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া সবচেয়ে বড় দাবানলটিতে ইতোমধ্যেই প্রায় ৪২,০০০ হেক্টর (১,০৩,০০০ একর) বনভূমি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে—যা যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট শহরের মোট আয়তনের চেয়েও বড়। 

    ব্রিগনোলসের কাছে জর্জ ক্লুনি ও আমাল ক্লুনি দম্পতির ‘ডোমেইন দ্যু ক্যানাদেল’ নামক একটি সুবিশাল সম্পত্তি রয়েছে, যার খুব কাছেই গত বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যায় হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। 

    পিপল সাময়িকীতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ব্রিগনোলসের মেয়রের কাছে লেখা এক চিঠিতে ক্লুনি দম্পতি জানান, ‘এই সংকটময় মুহূর্তে আমাদের সুন্দর বাড়িটি রক্ষা পাবে কিনা, সে বিষয়ে এই মুহূর্তে আমাদের কোনো ধারণা নেই।’ 

    প্রতিবেশীদের নিরাপত্তা কামনা করে চিঠিতে তারা আরও লেখেন, ‘আমাল এবং আমি এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে—আমাদের গ্রামের যাই ঘটুক না কেন, আমরা এই সম্প্রদায়ের অংশ হিসেবেই থাকব এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুরোপুরি পাশে থাকব।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    স্থানীয় কর্তৃপক্ষ চিঠিটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে। ব্রিগনোলসের মেয়র জানিয়েছেন, তারকা দম্পতিকে সরাসরি সরিয়ে নেওয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতা ছিল না; তবে আগাম সতর্কতা হিসেবে তারা স্বেচ্ছায় সম্পত্তি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    ১৭০ হেক্টর (৪২০ একর) আয়তনের ওপর নির্মিত জর্জ ক্লুনির এই বিশাল সম্পত্তিতে একটি ১৮ শতকের ঐতিহাসিক ম্যানর হাউস, একটি লেক, সুইমিং পুল এবং বিস্তীর্ণ আঙুরের বাগান রয়েছে। 

    ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ব্রিগনোলসের এই সাম্প্রতিক দাবানলে ইতোমধ্যেই ১৩০ হেক্টর (৩২১ একর) এলাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং বাধ্য হয়ে ৬০০ জনেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবারের মধ্যে অধিকাংশ অধিবাসী নিজ নিজ ঘরে ফিরতে পেরেছেন। 

    বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে ২৭০ জন দমকলকর্মী মোতায়েন ছিলেন এবং চার্টার্ড ওয়াটার-বোম্বিং হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছিল। উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে চারজন দমকলকর্মী আহত হয়েছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্বপ্নের হলিউড সিনেমায় বাবা বিজয় ও স্টেথামকে চান ছেলে সঞ্জয়

    ভারতীয় তামিল সিনেমার অন্যতম শীর্ষ তারকা ও রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়কে নিয়ে এক অভাবনীয় স্বপ্নের কথা জানালেন তার ছেলে জেসন সঞ্জয়। উদীয়মান এই তরুণ পরিচালক জানিয়েছেন, তার স্বপ্নের হলিউড প্রজেক্ট তৈরি হলে সেখানে বাবা বিজয়ের বিপরীতে অভিনয় করবেন প্রখ্যাত অ্যাকশন আইকন জেসন স্টেথাম। 

    ‘বিহাইন্ডউডস টিভি’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেসন সঞ্জয়কে প্রশ্ন করা হয়েছিল—যদি হলিউডের অ্যাকশন তারকা জেসন স্টেথাম তামিল সিনেমার কারো সঙ্গে কাজ করতে চান, তবে তিনি কাকে বেছে নেবেন? 

    এক মুহূর্তও না ভেবে জেসন সঞ্জয় উত্তর দেন, ‘আমার বাবা (বিজয়)। এটি দারুণ একটি কোলাবরেশন হবে।’ 

    নিজের এই মন্তব্যের কথা বলতে গিয়ে তিনি রসিকতা করে আরও বলেন, তার এই উত্তরটি নিশ্চয়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ট্রোল ও মিমের জন্ম দেবে। 

    তামিল সুপারস্টারের ছেলে হওয়া সত্ত্বেও অভিনয়ে না এসে কেন তিনি সিনেমা পরিচালনায় এলেন—সেই প্রশ্নের জবাবে জেসন সঞ্জয় জানান, শৈশব থেকেই চলচ্চিত্রের সেটে বড় হওয়াই তার চিন্তাভাবনা তৈরি করতে সাহায্য করেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই শুটিং সেটে যাওয়ার সুযোগ আমার ছিল। এটা আমার একটা বিশেষ অধিকার বা সুবিধা ছিল বলা চলে। সেখানে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতাম। শুটিং সেটে যাওয়াকে জীবনের একটা স্বাভাবিক অংশ বানিয়ে ফেলেছিলাম। আর সেখান থেকেই সিনেমার প্রতি আগ্রহের স্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়।’ 

    তবে শুরু থেকেই যে চলচ্চিত্রে কাজ করার ইচ্ছা ছিল, তা কিন্তু নয়। জেসন সঞ্জয়ের ভাষ্য, ‘প্রথমে আমি পাইলট হতে চেয়েছিলাম। এর মাঝে ক্রিকেটার হওয়ারও ইচ্ছা জেগেছিল। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় সিনেমার প্রতি ঝোঁক তৈরি হয়। এরপর কলেজে পড়ার সময় সিদ্ধান্ত নিই যে আমি চলচ্চিত্র নির্মাণ বা পরিচালনাই শিখব।’ 

    জেসন আরও জানান, গল্প বলা এবং তা লিখে রাখাই ছিল তার আসল আবেগ। তাই অভিনয়ের প্রতি তার কখনোই আলাদা আকর্ষণ কাজ করেনি। কানাডায় গিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পরই নিজের পথ বেছে নেন তিনি। 

    উল্লেখ্য, সন্দীপ কিষাণ অভিনীত ‘সিগমা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন জেসন সঞ্জয়। ছবিটি পূর্বে ৩১ জুলাই মুক্তির তারিখ নির্ধারিত থাকলেও এর মুক্তি পিছিয়ে গেছে বলে জানা যায়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সম্পর্ক ভেঙে গেলেও জীবন থেমে থাকে না: জেনিফার লোপেজ

    বিশ্বখ্যাত হলিউড গায়িকা ও অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজের ব্যক্তিগতজীবন বরাবরই আলোচনায় থেকেছে। চারবার বিয়ে করেছেন এবং চারবার বিচ্ছেদ হয়েছে এ অভিনেত্রীর। সম্পর্ক, আত্মসম্মান ও নতুনভাবে জীবন শুরু করার বিষয়ে নিজের উপলব্ধির কথা জানিয়েছেন তিনি।

    চারবারের বৈবাহিক জীবনের অভিজ্ঞতা তাকে ভালোবাসা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়নি বলেও উল্লেখ করেন জেনিফার লোপেজ। তার বিশ্বাস—সম্পর্ক ভেঙে গেলেও জীবন থেমে থাকে না। বরং সেই অভিজ্ঞতা মানুষকে আরও শক্ত, আত্মবিশ্বাসী ও পরিণত করে তোলে।

    সম্প্রতি এক টকশোতে জেনিফার লোপেজ বলেন, মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হলো নিজের সঙ্গে। কোনো সম্পর্কই একজন মানুষের আত্মসম্মান, মানসিক শান্তি কিংবা আত্মবিশ্বাসের চেয়ে বড় হতে পারে না।

    অভিনেত্রী বলেন, কোনো সম্পর্ক যদি দুই পক্ষের জন্যই ভালো না হয়, তাহলে সেটি শেষ করার সিদ্ধান্তকে ব্যর্থতা হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং এটি অনেক সময় সাহসী ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত। একটি সম্পর্কের সমাপ্তিই অনেক সময় জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে বলে জানান তিনি।

    জেনিফার লোপেজ বলেন, একসময় তিনি বিশ্বাস করতেন জীবনের পূর্ণতা একজন জীবনসঙ্গীর মাধ্যমেই আসে। তবে সময়ের সঙ্গে সেই ধারণা বদলে গেছে। এখন তিনি মনে করেন, আগে নিজের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হবে। কারণ নিজের ভেরে শান্তি না থাকলে অন্য কারও সঙ্গে সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, সম্পর্কে কে কাকে ছেড়ে গেল সেটি বড় বিষয় নয়। বরং বিচ্ছেদের পর কে নিজেকে আরও শক্ত, পরিণত ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারল, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    সম্পর্ক ভাঙার পর একাকিত্বকে ভয় না পেয়ে নিজেকে সময় দেওয়ার পরামর্শও দেন জেনিফার লোপেজ। তিনি বলেন, নিজের কঠিন সময়গুলোতে ধ্যান, শরীরচর্চা, কাজ এবং সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছেন।

    তিনি আরও বলেন, শুধু ভালোবাসা বা রোমান্টিক অনুভূতি একটি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পারে না। পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস, ধৈর্য এবং খোলামেলা যোগাযোগ ছাড়া কোনো সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয় না। শুধু একা থাকার ভয় থেকে সম্পর্কে থাকা উচিত নয়; বরং এমন সম্পর্কেই থাকা উচিত, যেখানে দুজন মানুষই একে অপরের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আসছে ‘ব্ল্যাক প্যান্থার ৩’, যেসব ধামাকার অপেক্ষায় ভক্তরা

    মার্ভেল ভক্তদের জন্য দারুণ সুখবর। স্টুডিও কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে, ‘ব্ল্যাক প্যান্থার ৩’ নির্মাণের কাজ চলছে এবং ২০২৮ সালে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। এবার আইকনিক ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা ডেভিড জনসনকে। তিনি মূল সুপারহিরো টি’চাল্লার ছেলে প্রিন্স টি’চাল্লা দ্বিতীয়-এর ভূমিকায় অভিনয় করবেন।

    ২০২৬ সালের সান দিয়েগো কমিক-কনে করা ঘোষণা অনুযায়ী, ওয়াকান্ডার পরবর্তী রক্ষক হিসেবে ব্ল্যাক প্যান্থার ফ্র্যাঞ্চাইজিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবেন জনসন। মার্ভেল জানিয়েছে, ২০২৮ সালের ১৫ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি মুক্তি পাবে।

    সিনেমাটির গল্পে দেখা যাবে, শিশু হিসেবে পরিচিতি পাওয়া টি’চাল্লা দ্বিতীয় কীভাবে বড় হয়ে ওয়াকান্ডার নতুন অভিভাবক হিসেবে নিজের দায়িত্ব বুঝে নেয়। রায়ান কুগলার এবারও পরিচালকের আসনে থাকছেন। আগের মতোই ‘শুরি’ চরিত্রে লেটিশিয়া রাইট এবং ‘এম’বাকু’ চরিত্রে উইনস্টন ডিউক ফিরছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’-এর প্রথম সিনেমায় রাজা টি’চাল্লার ভূমিকায় অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন প্রয়াত চ্যাডউইক বোসম্যান। ২০২০ সালে বোসম্যানের অকালমৃত্যুর পর, ‘ব্ল্যাক প্যান্থার: ওয়াকান্ডা ফরএভার’ সিনেমায় শুরিকে ব্ল্যাক প্যান্থারের দায়িত্ব নিতে দেখা যায়। ওই সিনেমাতেই টি’চাল্লা ও নাকিয়ার ছেলে টি’চাল্লা দ্বিতীয়ের সঙ্গে দর্শকদের প্রথম পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

    অভিনেতা ডেভিড জনসন এর আগে ‘অ্যালিয়েন: রোমুলাস’ এবং ‘দ্য লং ওয়াক’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ‘ব্ল্যাক প্যান্থার ৩’-এর মাধ্যমে তিনি এখন মার্ভেলের অন্যতম জনপ্রিয় সুপারহিরোর ঐতিহ্যকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে প্রস্তুত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘পথের পাঁচালী’ দেখে মুগ্ধ ক্রিস্টোফার নোলান

    হলিউডের অস্কারজয়ী খ্যাতনামা পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান আবারও ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রতি তার গভীর অনুরাগ ও শ্রদ্ধার কথা প্রকাশ করলেন। এবার তার প্রশংসায় ভেসেছেন বিশ্ববরেণ্য বাঙালি চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। 

    সম্প্রতি নিউইয়র্কের বিখ্যাত ‘ক্রাইটেরিয়ন ক্লোজেট’ পরিদর্শনের সময় নোলান সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী ‘অপু ট্রিলজি’ নিজের জন্য বেছে নেন এবং চলচ্চিত্রে সত্যজিৎ রায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেন। 

    ‘ক্রাইটেরিয়ন ক্লোজেট’ মূলত ক্রাইটেরিয়ন কালেকশনের একটি সুপরিচিত আর্কাইভ, যেখানে বিশ্বমানের ১,০০০টিরও বেশি কালজয়ী ক্লাসিক সিনেমা সংরক্ষিত রয়েছে। সারাবিশ্ব থেকে আসা খ্যাতনামা নির্মাতা, অভিনেতা ও শিল্পীরা প্রায়শই এই কক্ষে ঘুরে বেড়ান এবং যেসব সিনেমা তাদের অনুপ্রাণিত করেছে, সেগুলো নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।

    ক্রাইটেরিয়ন কালেকশনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) শেয়ার করা একটি ভিডিওতে নোলানকে তাকগুলো ঘুরে দেখতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে তিনি ‘দি অপু ট্রিলজি’-র বক্সে এসে থামেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সত্যজিৎ রায়ের প্রশংসা করে নোলান বলেন, ‘এরপর রয়েছে ভারতের অন্যতম সেরা চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের ‘দি অপু ট্রিলজি’। এই ট্রিলজির সূচনা ‘পথের পাঁচালী’ দিয়ে, যা এক কথায় অসাধারণ এক চলচ্চিত্র। এটি দেখার পর আমি পুরো মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। ট্রিলজির দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্ব দুটি আমার এখনো দেখা হয়ে ওঠেনি। তাই এই সংগ্রহটি সঙ্গে নিয়ে গল্পটি শেষ করার জন্য আমি বেশ মুখিয়ে আছি।’ 

    ১৯৫৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পথের পাঁচালী’ হলো অপু ট্রিলজির প্রথম সিনেমা। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত বাংলা ভাষার এই চলচ্চিত্রে গ্রামীণ বাংলায় এক দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠা ছোট্ট অপুর জীবনসংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অতি সাধারণ অথচ বাস্তবধর্মী গল্পবলার শৈলী এবং গভীর আবেগের জন্য চলচ্চিত্রটি বিশ্বজুড়ে বিপুল প্রশংসিত হয়। আজও এটি পৃথিবীর সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্রগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত। 

    পরবর্তীতে অপুর শৈশব থেকে শুরু করে কৈশোর ও প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে ১৯৫৬ সালে ‘অপরাজিত’ এবং ১৯৫৯ সালে ‘অপুর সংসার’ মুক্তির মাধ্যমে এই ট্রিলজিটি সম্পূর্ণ হয়। 

    বিনোদন ডেস্ক