Tag: সংগীতশিল্পী

  • ‘পিএমের চোখে পড়ার এটাই সুবর্ণ সুযোগ, সরকার যতদিন আছে সুবিধা পাবি’

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের পক্ষে ছিলেন দেশের বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় তরুণ সংগীতশিল্পী তাসরিফ খান। কখনো পরোক্ষভাবে আবার কখনো প্রত্যক্ষভাবেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জুগিয়েছেন তিনি। 

    rnrn

    সম্প্রতি এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তাসরিফ জানিয়েছেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাকে। এমনকি রড দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয় কুড়েঘর ব্যান্ডের ড্রামার শান্তকে। 

    rnrn

    বৃহস্পতিবার রাতে এক ফেসবুক পোস্টে সেই লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন তিনি। যেসব ঘটনার পরে নিজ বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন বলে দাবি করেছেন তাসরিফ। 

    rnrn

    ‘কিছু নির্মম ইতিহাস টাইমলাইনে থাকুক’ শিরোনামে সেই পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

    rnrn

    ‘২৩ জুলাই রাত রাত ১টার কথা বলছি। একজন সিনিয়র ইনফ্লুয়েন্সার কল দিয়ে বললেন, ‘তাসরিফ, তোর বাসার নিচে নাম, চা খাইতে আসতেছি, গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা আছে।

    rnrn

    ৫ জুলাই থেকে ছাত্রদের পক্ষে বিভিন্ন পোস্ট করা, কবিতা লিখতে থাকা এবং ‘রাজার রাজ্যে সবাই গোলাম’ গানটা ফেসবুকে চলতে থাকায় সরকারি গুণ্ডা বাহিনীর থ্রেটে আমি তখন বাসার বাইরে অবস্থান করছিলাম। ওই সিনিয়র ইনফ্লুয়েন্সারের কথায় বিশ্বাস করে আমি তখন বাসার সামনে আসি উনার সঙ্গে দেখা করতে। গাড়ি থেকে ৬-৭ জনের মতো নেমে আসে। ইনফ্লুয়েন্সার সাহেব আমাকে একটু সাইডে নিয়ে আস্তে করে বুঝিয়ে বলেন, ‘সাথে যারা আছে তারা একটা এজেন্সির লোক এবং আইন প্রয়োগ সংস্থার বাহিনীর কয়েকজনও আছে এখানে।’ 

    rnrn

    আমি তখন উনার কাছে জানতে চাই যে, উনারা কেন এসেছেন, কী চাচ্ছেন মূলত! উনি তখন বুঝায়ে বলেন, ‘সরকারি একটা কাজ আছে, এই সরকার আরও ৭-৮ বছর ক্ষমতায় থাকব। আমরা ঠিকমতো বাঁচতে চাইলে সরকারের পক্ষে কাজ করতে হইব, এর বাইরে কোনো রাস্তা নাই।’

    rnrn

    এই কথা বলে উনি (ইনফ্লুয়েন্সার) আবার আমাকে গাড়ির কাছে নিয়ে যান। সেই ৬-৭ জনের মধ্য থেকে একজন আমাকে বলে, ‘তাসরিফ, তোমাকে আমরা চিনি। আমরা তোমাকে একটা স্ক্রিপ্ট দিতেছি, ছোট্ট একটা ভিডিও করতে হবে। এই ভিডিওটা আমাদের কালকের মধ্যে লাগবে। পরশু সরাসরি প্রধানমন্ত্রী এই ভিডিওটা দেখবেন এবং তারপর তুমি আপলোড করবা।’

    rnrn

    সেই ইনফ্লুয়েন্সার তাদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে আমাকে বলেন, ‘দেখ তাসরিফ, পিএমের চোখে পড়ার এটাই সুবর্ণ সুযোগ, ভিডিওটা ভালো করে কর, সরকার যতদিন আছে সুবিধা পাবি।’ 

    rnrn

    কথা শেষ করার আগেই উনি পকেট থেকে এক লাখ টাকার তিনটা বান্ডেল, মোট তিন লাখ টাকা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলেন, ‘এইটা সামান্য ছোট একটা গিফট! টাকা যত চাস, তত দেওয়া হবে, ভিডিওটা সুন্দর কইরা কর।’ 

    rnrn

    ঠিক এই সময় আমার ফোনে আমার ব্যান্ডের ড্রামার শান্তর নম্বর থেকে একটা কল আসে। ফোন রিসিভ করতেই শান্ত আমাকে কাঁদতে কাঁদতে বলে, ‘তাসরিফ! পাঁচ-ছয়জন পুলিশ এবং সিভিল ড্রেসের কয়েকজন মিলে আমাকে রোল দিয়া সারা শরীরে মারছে!’ 

    rnrn

    শান্তর কথা শুনে আমার হাত-পা একরকম কাঁপতে থাকে। আমি বোঝার চেষ্টা করি, এই মাইর খাওয়াটা কি আমাকে এদিকে রাজি করানোর জন্য ভয় দেখানো? নাকি কেবলমাত্র একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা? শান্তর লাইন কেটে যায়।

    rnrn

    আমি আমার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পরিচয় দেওয়া তাদেরকে বলি, ‘ভাই, এইমাত্র কয়েকজন মিলে আমার ভাই, আমার ব্যান্ডের ড্রামার শান্তকে প্রচুর মারছে!’ ওরা জাস্ট আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলে, ‘আরেহ! দেশের যে অবস্থা, এটা এখন কিছু করা যাবে না। ওরে বলো বাসায় চলে যাইতে।’

    rnrn

    আমার তখন মাথায় আসে, এখন যদি আমি ওদেরকে টাকা ফিরিয়ে দিই অথবা কাজ করতে অস্বীকৃতি জানাই, তবে তারা আমাকে চাইলেই গাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে ভিডিও করে জোরপূর্বক আপলোড করাতে পারে। আমি তাই মাথা ঠাণ্ডা করে ওদেরকে বলি ঠিক আছে আমি দেখতেছি কী করতে পারি, কালকের মধ্যে জানাচ্ছি। ওরা আমাকে তখনও একরকম থ্রেট দিয়ে বলে, ‘ভাই জানাচ্ছির সুযোগ নাই! সিচুয়েশন তো বুঝেনই। ভিডিও কালকেই লাগবে।’ সাথে ওই ইনফ্লুয়েন্সারও আমাকে বলে, ‘তাসরিফ, ভিডিওটা তো পিএম দেখবে সো বুইঝা-শুইনা সুন্দর কইরা করিস।’

    rnrn

    ওদের সাথে কথা শেষ করে আমি বাসায় ফেরত যাই। বাসায় সবাইকে সব সিচুয়েশন জানিয়ে আমি আমার ম্যানেজার আয়মান সাবিতকে ফোন দিয়ে বলি, ‘আয়মান, আমি বাসা ছেড়ে দিচ্ছি, এই এই ঘটনা ঘটছে। আমি তোকে নম্বর দিচ্ছি, তুই ওই এজেন্সিকে আমার বাসা থেকে তিন লাখ টাকা নিয়ে ওদেরকে দিয়ে দিবি কালকেই। আমি আপাতত বাসা ছেড়ে চলে যাচ্ছি, কারণ আমি বাসায় থাকলে ওরা আমাকে তুলে নিয়ে যাবে।’

    rnrn

    ওই সময় আমার মনের অবস্থা আমি জানি। আমার বাসার অবস্থা, ডায়াবেটিসের রোগী আমার আম্মুর অবস্থা, আব্বুর টেনশন, গুম হয়ে যাওয়ার চিন্তা এবং দেশের সাথে বেইমানি করতে ওরা আমাকে বাধ্য করতে চাচ্ছে। সব কিছুই আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। সাথে বারবার আমার কানে বাজছে শান্তর ওই কান্না ভরা আর্তনাদ।

    rnrn

    কষ্টের ব্যাপার কী জানেন? এই ঘটনার ঘণ্টাখানেক আগে শান্ত আমাকে ফোন দিয়ে বলছিল, ‘খান, আমার বাসায় আম্মা নাই। এদিকে কারফিউ চলছে, দুপুরের খাওয়া হয় নাই, একটা দোকানও খোলা নাই আমার প্রচণ্ড ক্ষুধা লাগছে, কী করব?’ আমি শান্তকে বলছিলাম, ‘এক বড় ভাই ফোন দিয়েছে, আমার বাসার সামনে যাওয়া লাগছে, তো তুমি আমার বাসায় চইলা আসো, দুই ভাই একসাথে খাব।’

    rnrn

    ছেলেটা চেয়েছিল আমার বাসায় এসে ভাত খাইতে অথচ তাকে রাস্তায় বেধড়কভাবে মাইর খাইতে হইল। মার খাওয়ার পরে ফোনকলে ও আমাকে এটাও বলছিল যে, ‘খান! সবাই আমারে একসাথে রোল দিয়ে মারতেছিল আর একজন বন্দুক তাক করে চিল্লায়ে বলছিল, চুপচাপ মাইর খা অমুকের পোলা নাইলে গুলি কইরা মাইরা ফালামু, লাশ খুঁজে পাইব না তোর পরিবার!’

    rnrn

    শান্ত এই কথাটা বলতে বলতে কাঁদতেছিল যে, ‘আমাকে ছাত্র বইলা বইলা ওরা মারছে আর বারবার বলতেছিল যে এই অমুকের পোলা ছাত্র! ওরে মার!’ ওই রাতে আমি বাসা থেকে পালিয়ে যাই।

    rnrn

    আমি জানি কয়েকটা পোস্ট, কবিতা লেখা আর ‘রাজার রাজ্যে সবাই গোলাম’-এর মতো কিছু গান করা ছাড়া দেশের জন্য তেমন কিছুই করতে পারি নাই। আমি জানি, আমি আবু সাঈদের মতো পথে গিয়ে বুক পেতে দিতে পারি নাই। হয়তোবা এতটুকু সাহস আমার তখন হয় নাই। তবে, আল্লাহ জানেন আর আমি জানি, আমি টাকার কাছে বিক্রি হয় নাই আর দেশের সাথে বেইমানি করি নাই।

    rnrn

    এই পোস্ট, পোস্টে শান্তর ছবিগুলো এবং ওদের নির্মমতার কথাগুলো আমি লিখে পোস্ট করছি এই কারণে, যেন ভবিষ্যতে কখনও এই স্বৈরাচারের প্রতি আমার ঘৃণা এতটুকু পরিমাণও কমে না যায়।’
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • লাইফ সাপোর্টে সংগীতশিল্পী জুয়েল

    গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাতা ও সংগীতশিল্পী হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল। বর্তমানে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এ গায়ক।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার গায়ক জুয়েলের স্ত্রী সঙ্গীতা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গত ২৩ জুলাই রাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হয় তার। পরে অবস্থার অবনতি হলে ওই রাতেই হাসপাতালে নেয়া হয়। তারপর চিকিৎসকরা আইসিইউতে নেন। এখন ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রয়েছেন জুয়েল।

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, সবাই ওর (জুয়েল) জন্য দোয়া করবেন, যেন লাইফ সাপোর্ট থেকে সুস্থভাবে ফিরতে পারে। শারীরিক সুস্থতার জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন। ওর প্লাটিলেট অনেক কমে গেছে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে গেছে।

    rnrn

    প্রসঙ্গত, ব্যান্ড সংগীত যখন বেশ আলোচনায় তখন নতুন জোয়ারে হাজির হন গায়ক জুয়েল। বাবা ব্যাংকার হওয়ার কারণে ছোটবেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থাকতে হয়েছে তাকে। তবে মা-বাবার অনুপ্রেরণাতেই সংগীতে অভিষেক তার। প্রথম শ্রেণিতে পড়ার সময় প্রতিবেশী একজনের কাছ থেকে সংগীতে হাতেখড়ি। আর মঞ্চে প্রথম গান করেন চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র থাকা অবস্থায়।

    rnrn

    ১৯৮৬ সালে ঢাকায় আসেন তিনি। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিকেন্দ্রিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জড়ান। সেই সময় বিভিন্ন মিডিয়ার সঙ্গে পরিচিতি হতে থাকে। ১৯৯২ সালে প্রথম অ্যালবাম প্রকাশ হয়। দশটির মতো অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন। তবে এর মধ্যে ‘এক বিকেলে’ অ্যালবামটি বেশি পরিচিতি লাভ করে। অ্যালবামটি জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর গায়কের নামই হয়ে যায় ‘এক বিকেলের জুয়েল’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাসুলকে অনুসরণ করলে বন্ধুরা ত্যাগ করবে, বিশ্ব আপনাকে সন্ত্রাসী বলবে

    ‘না তুম জানো না হাম’, ‘ও সনম’ এবং ‘কিতনি হাসিন জিন্দেগি’র মতো গানের জন্য পরিচিত গায়ক লাকি আলি। তবে গান নিয়ে নয়, এবার তিনি আলোচনায় ভিন্ন প্রসঙ্গে, তার নিজের করা এক ‘বিস্ফোরক মন্তব্য’ নিয়ে। ভারতীয় এ সংগীতশিল্পী দাবি করেছেন, এই বিশ্ব মুসলমানদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকে।

    rnrn

    শুক্রবার নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে লাকি আলি লিখেছেন, ‘আজকের বিশ্বে মুসলমান হওয়া মানে একাকিত্বের ব্যাপার। রাসুলের সুন্নাহ অনুসরণ করা একাকিত্বের বিষয়, আপনার বন্ধুরা আপনাকে ত্যাগ করবে, বিশ্ব আপনাকে সন্ত্রাসী বলবে।’ 

    rnrn

    ভক্তরা লাকির এই টুইটের নেপথ্য কারণ সম্পর্কে অবগত না থাকলেও তারা গায়ককে আশ্বস্ত করার জন্য কমেন্টে বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। 

    rnrn

    এক ভক্ত লেখেন, ‘ওস্তাদ জি, ভালো মানুষ যেমন আছেন, খারাপ মানুষও আছেন। যাই হোক না কেন, আমার মতো মানুষের কাছে, আপনি একজন কিংবদন্তি এবং সর্বদা তাই থাকবেন। আর প্রত্যেক ভালো মানুষই একজন ভালো মানুষ। তা সে লাকি আলি হোক বা লাকি শর্মা হোক, তাতে কিছু যায় আসে না’।

    rnrn

    আরেকজন লেখেন, ‘তাতে কি কিছু এসে যায়? যদি আপনার বন্ধুরা আপনাকে ছেড়ে চলে যায়, তবে তারা কখনোই আপনার বন্ধু ছিল না। আপনার কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত যে, আপনার ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে আপনি আপনার চারপাশের মানুষের মানসিকতা বুঝতে সক্ষম হয়েছেন, অন্যথায় সারা জীবন আপনি দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকতেন’।

    rnrn

    তৃতীয় একজনের মন্তব্য, ‘ভুল সঙ্গ পাওয়ার চেয়ে একা থাকাই ভালো। যখন আমরা বস্তুবাদী মানুষের দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকি, তখন শান্তি এবং আধ্যাত্মিকতা খুঁজে পাওয়া কঠিন।’ 

    rnrn

    ৬৫ বছর বয়সি সংগীতশিল্পী লাকি আলি প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা মেহমুদের ছেলে। তিনি বেঙ্গালুরুতে থাকেন এবং তিনি একজন জৈব কৃষকও বটে। কয়েকদিন আগে এক আইএএস কর্মকর্তার ওপর জমি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। 

    rnrn

    লাকি আলির অভিযোগ, শীর্ষ কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জমি হাতিয়ে নিয়েছেন আইএএস কর্মকর্তা রোহিণী সিন্ধুরি। যা নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগও (এফআইআর) করেন তিনি। 

    rnrn

    প্রবীণ এই সংগীতশিল্পী সে সময় জানিয়েছিলেন, ইয়েলাহাঙ্কার কাঞ্চনাহাল্লি এলাকায় অবস্থিত তার ওই চাষের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগে আইএএস অফিসার রোহিণী সিন্ধুরির সঙ্গে তার স্বামী সুধীর রেড্ডি, দেবর মধুসূদন রেড্ডিসহ একাধিক জনকে আসামি করেন লাকি। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক

  • ফের একসঙ্গে হাবিব ও ইমরান

    আবারও একসঙ্গে এক গানে কাজ করার কথা জানিয়েছেন দেশের দুই জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ও ইমরান মাহমুদুল। তন্ময় তানসেন পরিচালিত ‘তুমি সন্ধ্যারও মেঘমালা’ সিনেমায় ‘রোমিও জুলিয়েট’ গানের মাধ্যমে ইমরান প্রথমবার হাবিব ওয়াহিদের সুরে গান গেয়েছিলেন। এরপর আরো সাত/আটটি জিঙ্গেলে হাবিব ওয়াহিদের সুরে কণ্ঠ দেন। আবার হাবিবও কিছুদিন আগে ‘বোকা মন’ শিরোনামে একটি গানে ইমরানের সুরে গেয়েছেন।

    rnrn

    এদিকে সম্প্রতি ইমরান জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে আরো কিছু নতুন কাজের পরিকল্পনা চলছে।

    rnrn

    তিনি বলেন, ‘স্কুল কলেজ জীবনে হাবিব ভাইয়ের গান শুনে ভীষণ আবেগী হয়ে উঠতাম। তার সুর, কণ্ঠ পুরো বিষয়টাই আমার কাছে ভীষণ ম্যাজিক্যাল একটি ব্যাপার বলেই মনে হয়। একসময় আমাকে তিনি সিনেমাতে প্লে-ব্যাক করালেন, তারই সুরে। সম্প্রতি তার সঙ্গে দেখা হলো, নতুন কিছু কাজ নিয়েও পরিকল্পনা হলো। আশা করছি শিগগিরই আমরা নতুন কাজ শুরু করতে পারব।’

    rnrn

    এদিকে ইমরান জানান, শিগগিরই তিনি স্টেজ শো করতে সৌদি আরব ও আমেরিকা যাবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সড়ক দুর্ঘটনায় সংগীতশিল্পী পিয়াল নিহত

    সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন তরুণ প্রজন্মের ব্যান্ডদল ‘অড সিগনেচার’র সদস্যরা। 

    rnrn

    শনিবার সিলেট যাওয়ার পথে নরসিংদী পাচদোনা ডিম হলিডে পার্কের সামনে দলটির গাড়ি মারাত্মক দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়। 

    rnrn

    এতে ব্যান্ডের ভোকাল ও গিটারিস্ট আহসান তানভীর পিয়াল মারা গেছেন। আরও মারা গেছেন নিহতের গাড়ি চালক সালাম। অন্যদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে দলটির অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে বলা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আল্লাহ মহান, ভালোবাসা অবিরাম’

    বাংলা গানের যুবরাজ খ্যাত সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের বলিউডে অভিষেক হয়েছে। বিষয়টি ফেসবুকে নিশ্চিত করেছেন শিল্পী নিজেই।

    এক ফেসবুক পোস্টে আসিফ আকবর লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আমার অভিষেক ঘটেছে। প্রিয় বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছি। আল্লাহ মহান। ভালোবাসা অবিরাম।

    গত কয়েক দিন ধরেই মুম্বাইয়ে অবস্থান করছেন আসিফ। ইতিমধ্যে অস্কারজয়ী ভারতীয় সুরকার এ আর রহমানের মুম্বাইয়ের স্টুডিওতে হয়েছে তার গানের রেকর্ড। এ ছাড়া বিখ্যাত যশরাজ স্টুডিওতেও ভয়েস দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: 

    পোস্টের বিষয়ে আসিফ বিস্তারিত কিছু না জানালেও, তিনি আগেই জানিয়েছিলেন ভারতের অনুরাধা পাড়োয়াল ও শ্রেয়া ঘোষালের সঙ্গে দ্বৈত গান করছেন তিনি। ইতিমধ্যে দুই শিল্পী তাদের ভয়েস দিয়েছেন। তবে ভিসা জটিলতার কারণে কণ্ঠ দিতে পারেননি আসিফ। জানিয়েছিলেন দ্রুত মুম্বাই গিয়ে ভয়েস দেবেন।

    অবশেষে গত রোববার এ আর রহমানের স্টুডিওতে রেকর্ডিংয়ে অংশ নেন আসিফ। এ বিষয়ে আসিফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানিয়েছিলেন, সেখানে দুটি গানের ভয়েস দিয়েছেন তিনি। একটি গান অনুরাধা পাড়োয়াল সঙ্গে ডুয়েট। গানের শিরোনাম ‘চিরদিনের সঙ্গিনী’, অন্যটি ‘দ্য লাস্ট ডন’ শিরোনামের একটি সলো গান।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • গোপালগঞ্জে পৌঁছেছে খালিদের লাশ, যেখানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন সংগীতশিল্পী

    অসংখ্য গানের রূপকার সংগীতশিল্পী খালিদ আনোয়ার সাইফুল্লাহ। সোমবার সন্ধ্যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। খালিদের মৃত্যুতে দেশের সংগীত ভুবনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    রাজধানীর গ্রিন রোড জামে মসজিদে ওইদিন রাত ১১টায় খালিদের প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার লাশ নিয়ে রাতেই গোপালগঞ্জের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা করা হয়। রাত সাড়ে ৩টায় গোপালগঞ্জ শহরের বাসায় পৌঁছায় খালিদের নিথর দেহ। 

    মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) বাদ জোহর গোপালগঞ্জ কোর্ট মসজিদে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে শহরের গেটপাড়ার কবরস্থানে তার বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন:

    প্রসঙ্গত, গোপালগঞ্জে জন্ম নেয়া এ শিল্পী ১৯৮১ সাল থেকে গানের জগতে যাত্রা খালিদের। ১৯৮৩ সাল থেকে ‘চাইম’ ব্যান্ডে যোগ দেন তিনি। একের পর এক হিট গান উপহার দিয়ে অল্প সময়েই খ্যাতি পান তিনি, তার গান এখনো মানুষের মুখে মুখে ফেরে।

    তার গাওয়া জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- ‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণেই ফেরানো গেল না তাকে’, ‘হয়নি যাবারও বেলা’, ‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’, ‘তুমি নেই তাই’ ইত্যাদি।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাদি মহম্মদ

    রাজধানীর মোহাম্মদপুর জামে মসজিদ কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী সাদি মহম্মদ। বৃহস্পতিবার বাদ জোহর জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়েছে।

    শহীদ সলিম উল্লাহর ছেলে রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সাদি মহম্মদ এবং নৃত্যশিল্পী শিবলী মহম্মদ বাংলাদেশে সংস্কৃতি অঙ্গনে খুবই চেনা মুখ।

    প্রখ্যাত এই শিল্পী বুধবার সন্ধ্যার দিকে মারা যান। বাসার একটি কক্ষ থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। পুলিশের ধারণা, আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন এই শিল্পী।

    বিশ্বভারতী থেকে রবীন্দ্র সংগীতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করা সাদি মহম্মদ একাধারে শিল্পী, শিক্ষক ও সুরকার ছিলেন। ২০০৭ সালে ‘আমাকে খুঁজে পাবে ভোরের শিশিরে’ অ্যালবামের মাধ্যমে তিনি সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

    ২০০৯ সালে তার ‘শ্রাবণ আকাশে’ ও ২০১২ সালে তার ‘সার্থক জনম আমার’ অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। অসংখ্য সিনেমা ও নাটকে প্লেব্যাক করেছেন সাদি। মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি ছিলেন সাংস্কৃতিক সংগঠন রবিরাগের পরিচালক। ২০১২ সালে সাদি মহম্মদকে আজীবন সম্মাননা দেয় চ্যানেল আই। ২০১৫ সালে বাংলা একাডেমি তাকে রবীন্দ্র পুরস্কার দেয়।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • যুক্তরাজ্যের কমিউনিটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত সংগীতশিল্পী সবুজ

    যুক্তরাজ্যভিত্তিক স্বনামধন্য বাংলা কাগজ কমিউনিটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে সংগীতে অবদানের জন্য পুরস্কার পেলেন সংগীতশিল্পী সবুজ। 

    সোমবার পর্তুগালের লিসবনে একটি পাঁচতারা হোটেলে জমকালো আয়োজনে সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। 

    অনুষ্ঠানে স্কটল্যান্ডের সংসদ সদস্য ফয়সল চৌধুরীসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

    আরও পড়ুন: 

    নব্বইয়ের দশকে সংগীতে ক্যারিয়ার করা সবুজ বলেন, তিনি পুরস্কারপ্রাপ্তির আশায় গান করেন না। গানকে তিনি ভালোবাসেন এবং এটা তাঁর পেশা। তবে যেকোনো পুরস্কারই দায়িত্ব বাড়িয়ে দেয়। 

    এ ছাড়া যুক্তরাজ্যের একজন গীতিকার ও সুরকারের কথা ও সুরে গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সবুজ। শিগগিরই সেসব গান শ্রোতাদের জন্য প্রকাশ করবেন বলে জানান। 

    ১৯৯১ সালে সলিড ফিঙ্গারসের ব্যানারে ‘মিষ্টি মেয়ে চোখটি তোল’ গানটি সাড়া ফেলে। এরপর ২০১০ সালে তিনি আরটিভি আয়োজিত ব্ল্যাক হর্স আরটিভি রিয়েলিটি শোতে চ্যাম্পিয়ন হন। 

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমেরিকায় ফাহমিদার নতুন গানের শুটিং

    ভ্রমণের  উদ্দেশ্যে কিছুদিন আগে আমেরিকা গিয়েছেন সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবী। তবে এবারের যাত্রা ভ্রমণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেননি। শুটিং করেছেন নতুন গানের ভিডিওর। কলোরাডোর বিখ্যাত রেড রক্স পার্কে গানটির ভিডিওচিত্রের শুটিং করেছেন তিনি।

    গানের শিরোনাম ‘বন্ধু হারিয়ে গেলো’। এর কথা লিখেছেন আনিসুজ্জামান জুয়েল। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন প্রয়াত বর্ণ চক্রবর্তী।

    এ গান প্রসঙ্গে ফাহমিদা নবী বলেন, ‘রেড রক্সের লাল পাহাড়ে যখন শুটিং করছিলাম তখন বর্ণসহ করোনায় আমরা যাদের হারিয়েছি তাদের কথা ভীষণভাবে মনে পড়ছিল। রেড রক্স পার্কের সৌন্দর্যে কিছুক্ষণের জন্য স্বপ্ন দেখে ফেললাম যেন আমিও গান গাইছি। আর এখানেই লিপসিং করলাম গানটির।’

    গানটি ফাহমিদা নবীর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে। শিল্পী জানিয়েছেন, আগামী বছর জানুয়ারির মাঝামাঝিতে তিনি দেশে ফিরবেন।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক