Tag: শাহরুখ খান

  • ২০ বছর পর পর্দায় ফিরছে ‘কাভি আলভিদা না কহেনা’

    আবারও ২০ বছর পর পর্দায় ফিরছে ‘কাভি আলভিদা না কহেনা’। তবে এবার বড়পর্দায় নয়, ওটিটিতে সিরিজ হিসেবে আসতে চলেছে এ সিনেমাটি। পরিচালক করণ জোহর এ সুখবর শেয়ার করে নেন। ছবিটি নিয়ে বেশ কিছু ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান পরিচালক।

    করণ জোহর বলেন, ‘কাভি আলভিদা না কহেনা’ সিনেমাটিকে আমরা একটি সিরিজ হিসেবে ফিরিয়ে আনছি। আমি নিশ্চিত যে এটি শিগগিরই কোনো একটি প্ল্যাটফর্মে দীর্ঘ দৈর্ঘ্যের শো হিসেবে আসবে। তবে এর থেকে বেশি এখনই বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।

    এর আগে ২০০৬ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘কাভি আলভিদা না কহেনা’ সিনেমাটি। দাম্পত্য জীবনের নানা দিক থেকে শুরু করে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের মতো বিভিন্ন বিষয়ও উঠে এসেছিল সে সিনেমায়। যে সিনেমার বিষয়বস্তু নিয়েও মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল। এ সিনেমাটি মুক্তির পর করণের ভাবনা নিয়েও উঠেছিল বেশ কিছু প্রশ্ন। যদিও বিতর্কে চুপ থাকেননি করণ জোহর। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ভালো দিক দেখানো নিয়ে বিতর্কের জবাব দিতেও পিছপা হননি তিনি।

    করণ পরিচালিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছিলেন বলি বাদশাহ শাহরুখ খান, অভিনেত্রী রানী মুখার্জি, প্রীতি জিনতা, অভিষেক বচ্চন প্রমুখ। 

    এ ছাড়া বিশেষ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন ও কিরণ খের। বক্স অফিসেও সিনেমাটি বেশ ভালো ব্যবসা করেছিল। ভারতে ৪৫ কোটি এবং বিশ্বব্যাপী ১১০ কোটি টাকা আয় করেছিল সেই সিনেমা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সর্বোচ্চ ১০০ কোটি সিনেমার ক্লাবে ৫ অভিনেতা, কে কত নম্বরে

    বলিউডের খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমারের ‘ভূত বাংলা’ বক্স অফিসে ১০০ কোটি রুপি ছাড়িয়ে গেছে। সম্প্রতি মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই এ সিনেমাটি ১০০ কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করেছে। ফলে অক্ষয় কুমার আবারও একটি ১০০ কোটি রুপির সিনেমার অংশ হলেন। 

    এর আগে ২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত গজনি ছিল মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খানের এমন একটি ছবি, যা প্রথমবারের মতো ভারতীয় বক্স অফিসে ১০০ কোটি রুপির ব্যবসা করেছিল। এর মাধ্যমেই বলিউডে ‘১০০ কোটির ক্লাব’-এর সূচনা হয়। এরপর একাধিক ছবি মুক্তি পায়, যেগুলো এই ক্লাবে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে। 

    চলুন জেনে নেওয়া যাক, ভারতের এমন পাঁচ অভিনেতা সম্পর্কে, যারা ১০০ কোটি রুপির সিনেমার মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। 

    রণবীর সিং

    ১০০ কোটি রুপি সিনেমার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন অভিনেতা রণবীর সিং। তার ক্যারিয়ারে মোট ৯টি সিনেমা ১০০ কোটির ক্লাবে জায়গা করে নিয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে— ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ, ধুরন্ধর, পদ্মাবত, সিম্বা, বাজিরাও মাস্তানি, গল্লি বয়, ৮৩, গোলিয়োঁ কি রাসলীলা রাম-লীলা এবং রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি। 

    শাহরুখ খান

    ১০০ কোটি রুপি সিনেমার চতুর্থ স্থানে রয়েছেন বলি বাদশাহ শাহরুখ খান। তার ১০টি সিনেমা ১০০ কোটি রুপির ক্লাবে রয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে— জওয়ান, পাঠান, চেন্নাই এক্সপ্রেস, ডাংকি, হ্যাপি নিউ ইয়ার, রইস, দিলওয়ালে, রা.ওয়ান, যব তাক হ্যায় জান এবং ডন ২।

    অজয় দেবগন

    ১০০ কোটি রুপি সিনেমার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন অজয় দেবগন। তার ১৬টি সিনেমা ১০০ কোটির ক্লাবে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— তানাজি: দ্য আনসাং ওয়ারিয়র, দৃশ্যম ২, গোলমাল এগেইন, সিংঘম এগেইন, টোটাল ধামাল, শয়তান, সিংঘম রিটার্নস, গোলমাল ৩, সন অফ সর্দার, রেড, দে দে পেয়ার দে, বোল বচ্চন, রেইড ২, সিংঘম, শিবায় এবং গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি।

    সালমান খান

    ১০০ কোটি রুপি সিনেমার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন বলি ভাইজান সালমান খান। তার ঝুলিতে রয়েছে ১৮টি সিনেমা। এর মধ্যে রয়েছে টাইগার জিন্দা হ্যায়, বজরঙ্গি ভাইজান, সুলতান, টাইগার ৩, কিক, ভারত, প্রেম রতন ধন পায়ো, এক থা টাইগার, রেস ৩, দাবাং ২, বডিগার্ড, দাবাং ৩, দাবাং, রেডি, টিউবলাইট, কিসি কা ভাই কিসি কি জান, জয় হো এবং সিকান্দার।

    অক্ষয় কুমার

    ১০০ কোটি রুপি সিনেমার তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ‘খিলাড়িখ্যাত’ অভিনেতা অক্ষয় কুমার। ‘ভূত বাংলো’সহ (১০ দিনে ১১৩.৪০ কোটি) অক্ষয় কুমার ভারতের প্রথম অভিনেতা হয়ে উঠেছেন, যার ২০টি সিনেমা ১০০ কোটির ক্লাবে রয়েছে। তিনি প্রথম এই ক্লাবে প্রবেশ করেন হাউসফুল ২ সিনেমার মাধ্যমে, যা ২০১২ সালে মুক্তি পেয়েছিল।

    ১০০ কোটি রুপির ক্লাবে অক্ষয়ের উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হচ্ছে— হাউজফুল ২ (১১১.৭৯ কোটি), রাউডি রাঠোর (১৩১.২১ কোটি), হলিডে: এ সোলজার ইজ নেভার অফ ডিউটি (১১২.৪৪ কোটি), এয়ারলিফট (১২৩.৪৬ কোটি), হাউসফুল ৩ (১০৮.০৭ কোটি), রুস্তম (১২৪.৪৫ কোটি), জলি এলএলবি ২ (১০৭.৭৭ কোটি), টয়লেট: এক প্রেম কথা (১৩২.০৭ কোটি), গোল্ড (১০২.০১ কোটি), ২.০ (১৮৫.৮৯ কোটি), কেশরি (১৫১.৮৭ কোটি), মিশন মঙ্গল (১৯২.৬৭ কোটি), হাউসফুল ৪ (২০৫.৬০ কোটি), গুড নিউজ (১৯৬.৩৩ কোটি), সূর্যবংশী (১৯৫.৫১ কোটি), ওএমজি ২ (১৫০ কোটি), স্কাই ফোর্স (১৩৪.৯৩ কোটি), হাউসফুল ৫ (১৯৮.৪১ কোটি) এবং জলি এলএলবি ৩ (১০০.৮৫ কোটি)।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখের যে সিনেমা দেখে অঝোরে কেঁদেছিলেন আমির

    বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান মানেই পর্দায় নিখুঁত অভিনয় আর পর্দার পেছনে চুলচেরা বিশ্লেষণ। কিন্তু এই কঠোর পরিশ্রমী অভিনেতার ভেতরেও যে একজন অত্যন্ত আবেগী মানুষ লুকিয়ে আছে, তা আরও একবার স্পষ্ট হলো তার সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে। 

    রেডিও মির্চি-কে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে আমির জানান, তিনি রোমান্টিক সিনেমার ভীষণ ভক্ত এবং পর্দায় আবেগী মুহূর্ত দেখলে নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেন না। 

    স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আমির জানান, করণ জোহরের অভিষেক সিনেমা ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ দেখার সময় তিনি কতটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। 

    সেই সময় তিনি তার তৎকালীন স্ত্রী রিনা দত্তের সঙ্গে রাজকমল থিয়েটারে সিনেমাটি দেখতে গিয়েছিলেন। শাহরুখ খান, কাজল ও রানি মুখোপাধ্যায় অভিনীত সেই কালজয়ী প্রেমকাহিনি আমিরকে এতটাই প্রভাবিত করেছিল যে, সিনেমার একাধিক দৃশ্যে তার চোখ ফেটে পানি বেরিয়ে আসছিল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই গল্পের সবচেয়ে মজার অংশটি হলো আমিরের চোখের পানি মোছার কায়দা। 

    অভিনেতা জানান, কান্নার সময় রুমাল না থাকায় তিনি পাশে বসে থাকা রিনা দত্তের ওড়না দিয়েই বারবার চোখ মুছছিলেন। 

    আমির হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমি রোমান্টিক সিনেমার জন্য পাগল। রোমান্টিক ছবি দেখতে গিয়ে আমি প্রচুর কাঁদি। মনে আছে, রিনা আর আমি রাজকমল থিয়েটারে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ দেখছিলাম। আমি এমনিতেই খুব বেশি কাঁদি।’

    তবে বিপত্তি বাধে রিনার ওড়না নিয়ে। সেই ওড়নাটিতে ছিল সূক্ষ্ম জরির কাজ। বারবার চোখ মোছার ফলে সেই জরির ঘর্ষণে আমিরের চোখে যেমন অস্বস্তি হচ্ছিল, তেমনি রিনার দামী ওড়নাটিও নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। 

    অভিনয়ের পাশাপাশি একজন দর্শক হিসেবেও গল্পের গভীরে আমির কতটা ডুবে যান, এই ছোট ঘটনাটি যেন তার প্রমাণ। 

    পর্দার বাইরের এই আবেগী আমিরকে সবশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে ‘সিতারে জমিন পার’ সিনেমায়। যেখানে জেনেলিয়া ডি’সুজার বিপরীতে একজন বাস্কেটবল কোচের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। 

    সূত্র: এনডিটিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বীর জারা’ থেকে কেন বাদ পড়েছিল সেই জনপ্রিয় গানটি, কারণ জানালেন যশ

    বলিউড ইতিহাসের অন্যতম কালজয়ী সিনেমা ‘বীর জারা’। শাহরুখ খান ও প্রীতি জিনতা অভিনীত এই সিনেমাটি যেমন তার গল্পের জন্য জনপ্রিয়, তেমনই এর গানগুলো আজও মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে। তবে ছবিটির একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় গান ‘ইয়ে হাম আ গায়ে হ্যায় কাহাঁ’ মূল সিনেমা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত?

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পুরনো ভিডিও পুনরায় ভাইরাল হওয়ার পর এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ সামনে এসেছে।

    বিখ্যাত নির্মাতা করণ জোহরের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় প্রয়াত কিংবদন্তি পরিচালক যশ চোপড়া নিজেই এই রহস্যের উন্মোচন করেন। 

    ওই সাক্ষাৎকারে করণ জোহর যশ চোপড়াকে প্রশ্ন করেন, ‘আমরা সবাই ‘ইয়ে হাম আ গায়ে হ্যায় কাহাঁ’ গানটি খুব পছন্দ করি। লতা জির কণ্ঠ এবং গানটির কথা ছিল অসাধারণ। এটি ছিল একদম আপনার সিগনেচার রোমান্টিক গান। তবুও কেন এটি মূল সিনেমাতে রাখা হলো না?’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জবাবে যশ চোপড়া জানান, গানটির দৃশ্যধারণ তিনি সম্পন্ন করেছিলেন এবং তা যথাস্থানে বসিয়েও ছিলেন। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় সিনেমার গতির ক্ষেত্রে। 

    যশ চোপড়া বলেন, ‘গানটি সিনেমার একদম ক্লাইম্যাক্স বা শেষ মুহূর্তের কাছাকাছি ছিল। আমি যখন দেখলাম, মনে হলো গানটি গল্পের যে প্রবাহ সেটাকে বাধাগ্রস্ত করছে। তখন আমার ভেতরের পরিচালক ও প্রযোজক সত্তা আমাকে বলল, ‘আমার স্বার্থপর হওয়া উচিত নয়’। 

    আদিত্য (আদিত্য চোপড়া) আমাকে বলেছিল, ‘বাবা, এই গানটি গল্পের গতি নষ্ট করবে, তোমার উচিত গানটি উৎসর্গ করা’। এরপর অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমি গানটি কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিই।’

    যদিও সিনেমা হলের দর্শকের জন্য গানটি সরিয়ে ফেলা হয়েছিল, এরপরও যশ চোপড়া ভক্তদের বঞ্চিত করতে চাননি। তিনি জানান, পরবর্তীতে যারা এই সিনেমার ডিভিডি সংগ্রহ করেছেন, তাদের জন্য বিশেষ ফিচার হিসেবে গানটি যুক্ত করা হয়েছিল। 

    বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও গানটি সিনেমার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখা যায়। 

    ‘বীর-জারা’ শুধু একটি সিনেমা নয়, এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রীতির এক মানবিক দলিল। গানটির বিশেষত্ব হলো এর সুরকার প্রয়াত মদন মোহন। তার মৃত্যুর বহু বছর পর তার অপ্রকাশিত কিছু সুরকে নতুনভাবে সাজিয়ে এই সিনেমার সঙ্গীত পরিচালনা করা হয়েছিল। জাভেদ আখতারের কথায় এবং লতা মঙ্গেশকরের কণ্ঠে গানটি আজও শ্রোতাদের কাছে এক চিরসবুজ আবেদন হয়ে আছে। 

    সূত্র: সিয়াসাত ডেইলি

    বিনোদন ডেস্ক

  • আহানের অনুরোধ ফেরাতে পারেননি শাহরুখ

    অভিনেতা আহান পান্ডের মা-বাবা কেউ-ই সরাসরি বলিউডের সঙ্গে যুক্ত নন। বাবা ব্যবসায়ী, আর মা ‘ফিটনেস’ প্রশিক্ষক। তবে অভিনেতার চাচা চাঙ্কি পান্ডে জনপ্রিয় একজন অভিনেতা। সেই সূত্রে বলিউডের সঙ্গে অনেক ছোট থেকেই যোগ আহান পান্ডের। 

    প্রথম সিনেমা ‘সাইয়ারা’র বিপুল সাফল্যের পর অভিনেতার ঝুলিতেও রয়েছে একগুচ্ছ নতুন কাজ। এক সিনেমাতেই বলিপাড়ায় নিজের পায়ের মাটি শক্ত করে ফেলেছেন আহান পান্ডে। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি জানালেন বলি বাদশাহ শাহরুখ খান তার জীবনে অনুপ্রেরণা ।

    যে সিনেমা রাতারাতি বদলে দিয়েছে অভিনেতা আহান পান্ডের জীবন, সেই সিনেমার পরিচালক ছিলেন মোহিত সূরি। সেই প্রেমের সিনেমা ‘সাইয়ারা’র মাধ্যমে দর্শকদের নজরে আসেন আহান। তবে তার এই সাফল্যের সব কৃতিত্বই দিয়েছেন অভিনেতা শাহরুখ খানকে। 

    আহান বলেন, ‘কিং খান’-কে দেখেই পর্দায় প্রেমের দৃশ্যের প্রশিক্ষণ পেয়েছেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই শাহরুখের পরিবারের সঙ্গে পারিবারিক ঘনিষ্ঠতা আহানের। আরিয়ান খানের সঙ্গেও অনেক দিনের বন্ধুত্ব। ফলে অনেক কাছ থেকেই নায়ককে দেখে বড় হয়েছেন তিনি। শাহরুখ খান তার ভালোবাসার ‘আঙ্কেল’।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, ‘শাহরুখ আঙ্কেলের থেকে ঠিক কী শিখেছি, তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারব না। তবে উনি আমার জীবনের অনুপ্রেরণা। বড় হতে হতে অজান্তেই অনেক কিছু শেখা হয়ে যায়।’ 

    তিনি বলেন, পর্দায় শাহরুখ যেমন, বাস্তবেও তিনি ঠিক তেমনই। এ কথা আগে অনেকেই বলেছেন। এবার সেই একই কথা শোনা গেল আহানের মুখে। প্রথমবার দুবাই সফরে খান পরিবারের সঙ্গেই গিয়েছিলেন আহান। সেখানেই আরও অন্য ভাবে দেখেন শাহরুখ খানকে।

    আহান বলেন, আমি তখন খুবই ছোট। স্কুলে পড়ি। বয়স মাত্র ১৭। সেই সময় একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের সিনেমা তৈরি করেছিলাম। সেই সিনেমাটা শাহরুখ আঙ্কেলকে দেখানোর ইচ্ছা ছিল। তাই সেই মতো অনুমতিও চেয়েছিলাম। সেই অভিজ্ঞতা আমি এখনো ভুলব না। সিনেমাটা বেশ উৎসাহ নিয়ে দেখতে এসেছিলেন আঙ্কেল। শুধু তাই নয়, তার আগে নানা পরামর্শ দিয়েছিলেন, কী কাজ করা উচিত, কী উচিত নয়। ওর মতো মানুষ হয় না বলে জানান আহান পান্ডে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আরেকটি বলিউড সিনেমা, আবারও দক্ষিণী খলনায়ক?

    বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘জওয়ান’-এর সিক্যুয়েল নিয়ে বি টাউনে উত্তজনা এখন তুঙ্গে। তবে সিনেমার গল্পের চেয়েও বড় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে এর খলনায়ক চরিত্রটি। প্রথম কিস্তিতে বিজয় সেতুপতির ‘কালি’ চরিত্রটি দর্শকের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। 

    এবার সেই জায়গা নিতে পারেন দক্ষিণ ভারতের কোনো প্রভাবশালী সুপারস্টার—এমন গুঞ্জনই এখন চারদিকে। 

    ইন্ডাস্ট্রির একাধিক সূত্রের বরাতে, এই তালিকায় বেশ কিছু হেভিওয়েট নাম শোনা যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো দক্ষিণের তারকা অভিনেতা অজিত কুমার। প্রথম কিস্তির সময়ও তার নাম শোনা গিয়েছিল। 

    পর্দায় অজিতের অনবদ্য উপস্থিতি এবং ‘মাস’ ইমেজ খলনায়ক হিসেবে দারুণ মানানসই হলেও, ভক্তদের একাংশ তাকে এই ভূমিকায় দেখতে নারাজ। 

    এই চরিত্রে চিয়ান বিক্রম, সুরিয়া ও কার্তির নামও উঠে এসেছে। শক্তিশালী অভিনয়ের জন্য পরিচিত এই তিন তারকাও আছেন পছন্দের শীর্ষে। নেতিবাচক চরিত্রে ভিন্ন মাত্রা যোগ করার ক্ষমতা তাদের প্রত্যেকেরই রয়েছে। 

    এছাড়া খল চরিত্রে সাম্প্রতিক সাফল্যের পর আর. মাধবনের নাম এলেও শাহরুখের বিপরীতে তাকে কতটা মানাবে তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। অন্যদিকে ‘কাল্কি ২৮৯৮ এডি’-তে খলচরিত্রে অভিনয়ের পর কমল হাসানকে নিয়ে নতুন করে চমক পাওয়ার সম্ভাবনাও কম বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। 

    তবে আলোচনার পাশাপাশি এক্ষেত্রে একটি বড় বিতর্কও দানা বাঁধছে। কেন দক্ষিণ ভারতের একজন প্রথম সারির সুপারস্টার অন্য কারো সিনেমায় খলনায়কের ভূমিকা গ্রহণ করবেন? বিশেষ করে যখন তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব প্যান-ইন্ডিয়া ক্যারিয়ার তুঙ্গে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সমালোচকরা এক্ষেত্রে হৃতিক রোশনের ‘ওয়ার ২’ সিনেমায় জুনিয়র এনটিআর-এর নেতিবাচক ভূমিকার উদাহরণ টানছেন। 

    বড় তারকা হয়েও খলচরিত্রে অভিনয় করে তিনি যেমন সমালোচনার মুখে পড়েছেন, তেমনি প্রাপ্তির খাতা ছিল প্রায় শূন্য। সেই একই পরিণতির আশঙ্কায় অনেক অনুরাগীই চাইছেন না তাদের প্রিয় তারকা বলিউড বাদশাহর বিপরীতে ‘সেকেন্ড ফিডল’ বা দ্বিতীয় প্রধান হিসেবে অভিনয় করুক। 

    বর্তমানে দক্ষিণী তারকাদের নিজস্ব বাজার ও পরিচিতি পুরো ভারতজুড়ে প্রতিষ্ঠিত। এই অবস্থায় শাহরুখ খানের মতো একজন সিনিয়র তারকার বিপরীতে ভিলেন হওয়াটা তাদের ক্যারিয়ারের জন্য কতটা লাভজনক হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, যখন প্রত্যেকে নিজের কাঁধে বড় বাজেটের প্রজেক্ট টেনে নেওয়ার সক্ষমতা রাখেন, তখন এমন সিদ্ধান্ত হিতে বিপরীত হতে পারে। 

    ‘জওয়ান ২’ শেষ পর্যন্ত দক্ষিণী কোনো জনপ্রিয় তারকাকে খলনায়ক হিসেবে পর্দায় আনতে পারে কিনা, নাকি নতুন কোনো চমক অপেক্ষা করছে—সেদিকেই এখন নজর সবার। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘জওয়ান ২’ আসছে

    বহুল আলোচিত ‘কিং’ সিনেমার পর শাহরুখ খান আরও একটি বড় ধামাকা নিয়ে ফিরছেন। গুঞ্জন নয়, এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে ‘জওয়ান’ এর সিক্যুয়েল। ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘জওয়ান’-এর সিক্যুয়েলের চিত্রনাট্য ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    দীর্ঘ কয়েক মাসের জল্পনা-কল্পনার পর ছবিটির মূল গল্প এবং চিত্রনাট্য চূড়ান্ত হয়েছে। ছবি সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘জওয়ান ২-এর গল্প নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই কাজ চলছিল। কয়েক সপ্তাহ আগে চিত্রনাট্য চূড়ান্ত হয়েছে। শাহরুখ খান তার বর্তমান প্রজেক্ট ‘কিং’ এর কাজ শেষ করেই এই সিনেমার শুটিং শুরু করবেন।’

    সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর থেকেই এই মেগা প্রজেক্টের শুটিং শুরু হবে।

    এই ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম কিস্তিতে বিজয় সেতুপতির দুর্দান্ত অভিনয়ের পর, এবার ভিলেন চরিত্রে বড় কোনো চমক দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন পরিচালক অ্যাটলি। সূত্রমতে, নির্মাতারা দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার একজন প্রথম সারির তারকাকে প্রধান খলনায়ক হিসেবে নেওয়ার কথা ভাবছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জওয়ান’ বিশ্বজুড়ে হাজার কোটি রুপির বেশি আয় করে ইতিহাস গড়েছিল। সেবার নয়নতারা, বিজয় সেতুপতি এবং দীপিকা পাড়ুকোনের বিশেষ উপস্থিতি সিনেমাটিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।

    এদিকে পরিচালক হিসেবে অ্যাটলির প্রথম হিন্দি সিনেমাটিই তাকে বলিউডের শীর্ষ পরিচালকদের তালিকায় বসিয়েছে। ৬০ বছর বয়সি শাহরুখ এবং অ্যাটলির এই সফল জুটি আবারও প্রেক্ষাগৃহে ঝড় তুলতে প্রস্তুত।

    বর্তমানে অ্যাটলি তার সায়েন্স-ফিকশন চলচ্চিত্র ‘রাকা’ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই বিগ-বাজেট সিনেমাটিতে অভিনয় করছেন আল্লু অর্জুন ও দীপিকা পাড়ুকোন। ‘রাকা’র কাজ শেষ করেই তিনি ‘জওয়ান ২’-এর হাল ধরবেন।

    অবশ্য ছবিটি নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার আলিয়ার সঙ্গে রোম্যান্স করতে আসছেন শাহরুখ

    বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অ্যাকশনধর্মী সিনেমায় বেশি দেখা গেছে। ‘পাঠান’ ও ‘জাওয়ান’-এর মতো সিনেমায় কাজ করার সময় কয়েকবার আঘাত পাওয়ার কথাও জানা গেছে। সেই বিবেচনায় কিছুটা স্বস্তিদায়ক কাজ হিসেবে রোমান্টিক ঘরানার সিনেমায় ফেরার কথা ভাবছেন— এমনটিই ধারণা করছেন সিনেমাসংশ্লিষ্টরা। 

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালির আটকে যাওয়া সিনেমার কাজ নতুন করে শুরু হতে পারে। এতে শাহরুখ খান ও আলিয়া ভাট জুটি দেখা যেতে পারে। পরিচালক তার পরবর্তী সিনেমায় শাহরুখ খানের বিপরীতে আলিয়াকে নিতে পারেন।– এমন গুঞ্জনই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ছড়িয়েছে। এর আগে সালমান খানকে নিয়ে পরিকল্পনা থাকলেও সেটি আর এগোয়নি। নতুন করে সেই প্রোজেক্টে শাহরুখ খানকে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।  সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী জুনের মধ্যে সিনেমাটির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালির সঙ্গে বাদশাহর কাজের ইতিহাস বেশ পুরোনো। ২০০২ সালে ‘দেবদাস’ সিনেমায় তারা দর্শকদের মুগ্ধ করেছিলেন। এরপর দীর্ঘ ২৪ বছর পার হলেও বানসালির ফ্রেমে আর দেখা মেলেনি বাদশাহর। 

    আবার পরিচালকের সঙ্গে প্রিয় পাত্রী হিসেবে পরিচিত আলিয়া ভাট আগে শাহরুখের সঙ্গে ‘ডিয়ার জিন্দেগি’ সিনেমায় কাজ করলেও সেখানে তাদের সম্পর্ক ছিল মেন্টর ও শিক্ষার্থীর। তবে ‘ইনশাআল্লাহ’ সিনেমায় তাদের প্রথমবারের মতো পর্দায় রোম্যান্স করতে দেখা যাবে বলে জানা গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমিই পুরো দুনিয়ার রাজা’

    বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান শুধু ভারতেই নয়, সারা বিশ্বেই পছন্দ করা হয়। সম্প্রতি অস্কারে শাহরুখ খানের ‘ওম শান্তি ওম’-এর একটি দৃশ্য শেয়ার করা হয়েছে। এ নিয়ে অ্যাকাডেমিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাদশাহ। এখন তিনি অনুভব করছেন যে, তিনি পুরো বিশ্বের রাজা।

    সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সেই ভিডিওটির একটি ছবি শেয়ার করেছেন শাহরুখ খান। সেখানে তিনি লিখেছেন— ধন্যবাদ অ্যাকাডেমি, আমার এই স্মৃতি সতেজ করার জন্য। এখন আমি সত্যিই অনুভব করছি যে, ‘আমিই পুরো দুনিয়ার রাজা। হাহা।’

    অস্কার অ্যাকাডেমি বলি বাদশাহ শাহরুখ খানের  ‘ওম শান্তি ওম’ সিনেমার একটি দৃশ্য শেয়ার করে নিয়েছে। সেই ভিডিওটি শেয়ার করে লেখা হয়েছে—‘ভাগ্যের একটা ব্যাপার আছে। ছবিটি ওম শান্তি ওম।’

    ‘ওম শান্তি ওম’ সিনেমায় অভিনয় করে শাহরুখ খান সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন। অভিনেতা বলেন, ‘আপনি যদি তীব্রভাবে কিছু চান, তবে পুরো মহাবিশ্ব আপনার সঙ্গে দেখা করার জন্য এটি গ্রহণ করে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নির্মাতা ফারাহ খান লিখেছেন, ‘আমি অ্যাকাডেমি, শাহরুখ খান, ময়ূর পুরীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, যারা আমাকে এই পোস্ট পাঠিয়েছেন। পিকচার আভি বাকি হে মেরে দোস্ত।’

    ‘ওম শান্তি ওম’ পরিচালনা করেছিলেন ফারাহ খান। এ সিনেমায় শাহরুখের সঙ্গে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। এটিই ছিল দীপিকার প্রথম হিন্দি সিনেমা। এর মধ্য দিয়ে বলিউডে পা রাখেন তিনি। এছাড়া এ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছিলেন অর্জুন রামপাল, কিরণ খের, শ্রেয়াস তালপাড়ে। ‘ওম শান্তি ওম’ বিশ্বব্যাপী ১৪৮.২০ কোটি আয় করেছে। একই সময়ে ভারত ১০৫.৬৩ কোটি আয় করেছে।

    উল্লেখ্য, শাহরুখ খানকে শেষবার দেখা গেছে ২০২৩ সালে পাঠান, জওয়ান এবং ডাঙ্কি সিনেমায়। পাঠান বিশ্বব্যাপী ১০৫৫ কোটি ও জওয়ান ১১৬০ কোটি রুপি আয় করেছে। ডাঙ্কি অবশ্য বিশ্বব্যাপী ৪৫৪ কোটি রুপি আয় করেছে। বর্তমানে ‘কিং’ সিনেমা নির্মাণে ব্যস্ত বাদশাহ। এ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন দীপিকা পাড়ুকোন, সুহানা খান, অভিষেক বচ্চন প্রমুখ। চলতি বছরের ক্রিসমাসে মুক্তি পেতে পারে ‘কিং’ সিনেমাটি। 

    বিনোদন ডেস্ক