Tag: শাবনূর

  • এখনও ফেরার অপেক্ষায় শাবনূর

    ঢাকাই সিনেমার দর্শকনন্দিত নায়িকা শাবনূর। সর্বশেষ ২০১৮ সালে তাকে প্রেক্ষাগৃহে দেখা গিয়েছে। ‘পাগল মানুষ’ নামের সে সিনেমাটি সেভাবে আলোচনায় আসতে পারেনি। তারপর থেকেই আর সিনেমার পর্দায় নেই এ অভিনেত্রী। এক যুগের বেশি সময় অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন তিনি।

    আজ এ অভিনেত্রীর জন্মদিন। পরিবারের সঙ্গেই দিনটি উদযাপন করবেন বলে জানান তিনি।

    ১৯৭৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর যশোরের শার্শা উপজেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার পারিবারিক নাম কাজী শারমিন নাহিদ নূপুর। সিনেমার আসার পর প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এহতেশাম তার নাম বদলে রাখেন শাবনূর। এরপর থেকেই এ নামেই উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে আলো ছড়িয়েছেন তিনি।

    এদিকে বেশ লম্বা বিরতির পর আবারও সিনেমায় ফিরতে যাচ্ছেন শাবনূর। ‘রঙ্গনা’ নামের একটি সিনেমার কাজও শুরু করেছেন। তবে কিছুদিন কাজ করার পর সেটির কাজ বন্ধ হয়ে যায়। নতুন করে সিনেমার ফের ঘুরে দাঁড়ানোর এই চেষ্টায় কতটুকু সফল হবেন এ অভিনেত্রী সেটি এখন দেখার বিষয়। এদিকে তুমুল জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে বড় পর্দায় দেখার জন্য অগণিত ভক্ত উন্মুখ হয়ে আছেন।

    উল্লেখ্য, শাবনূর ‘দুই নয়নের আলো’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইউটিউব মাতাচ্ছে শাবনূরের ঠোঁট মেলানো যেসব জনপ্রিয় গান

    ঢালিউডের একসময়ের দর্শকনন্দিত অভিনেত্রী শাবনূর। এখন আর তিনি বিনোদন জগতে নেই। যিনি একসময় অসংখ্য হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন। এখন তিনি স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন বিদেশে। বিয়ের পর রুপালি জগৎ ছেড়ে স্বামী-সন্তান নিয়ে নিজেকে গুটিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় ঘাঁটি গেড়েছেন এ অভিনেত্রী। তবে মাঝেমধ্যেই এ প্রিয় অভিনেত্রী দেশে আসেন। জানা গেছে, শাবনূর আবার পর্দায় ফিরছেন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে ‘রঙ্গনা’ সিনেমা দিয়ে পর্দায় ফিরছেন তিনি।

    শাবনূর পরিচালক এহতেশামের হাত ধরে ১৯৯৩ সালে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। ‘চাঁদনি রাতে’ হিট না করলেও নজর কেড়েছিলেন এ অভিনেত্রী। অকালপ্রয়াত অভিনেতা সালমান শাহর সঙ্গে জুটি বেঁধে জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠেছিলেন ‘তোমাকে চাই’ ছবির নায়িকা শাবনূর।

    সালমান-শাবনূর জুটি বেঁধে ১৪টি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন । সেসব ছবির বেশিরভাগ গানই আজ জনপ্রিয়। প্রয়াত সালমান শাহ ছাড়াও শাবনূর জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন রিয়াজ, ফেরদৌস, মান্না, শাকিব খানসহ আরও অনেকের সঙ্গে। তাদের সঙ্গেও শাবনূরের হিট ছবি রয়েছে হিট গান রয়েছে। আর শাবনূরের ঠোঁটে এসব গানই সিনেমাপ্রেমীরা দেখেছেন মনভরে। ভিউ হয়েছে কোটি কোটি।

    জানা গেছে, শাবনূর এ পর্যন্ত ১০০টিরও বেশি গান ইউটিউবে স্থান পেয়েছে। এসব গান কোটির ওপরে ভিউ হয়েছে। ২০টি গানই রয়েছে পাঁচ কোটির ঘরে। এফ আই মানিকের ‘হৃদয়ের বন্ধন’ ছবির ‘বধূ বেশে কন্যা যখন এলোরে’ শাবনূর অভিনীত সর্বোচ্চ ভিউ পাওয়া গান—১৮ কোটি ৮৭ লাখের বেশি। মমতাজ ও রথীন্দ্রনাথ রায়ের গাওয়া গানটি ২০১৮ সালে অনুপম মুভিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়।

    শাবনূরের গান দ্বিতীয় স্থানে ‘ফুল নেব না অশ্রু নেব’ ছবির ‘বিধি তুমি বলে দাও আমি কার’— ৯ কোটি ৬৫ লাখের বেশি ভিউ হয়েছে। এন্ড্রু কিশোর, কনকচাঁপা ও বিপ্লবের গাওয়া গানটিও অনুপম ইউটিউবে আপলোড করেছিল ২০১৮ সালে। 

    গ্রাম-বাংলার যাত্রাপালায় এখনো পারফরম করতে দেখা যায় এ গানটি। একই ছবির ‘দুধে আলতা বদন তোমার’ ও ‘আমার হৃদয় একটা আয়না’ গান দুটিও যথাক্রমে সাত কোটি ২২ লাখ ও ছয় কোটি ৯৭ লাখ ভিউ পেয়েছে। ‘ভুলনা আমায়’ ছবির ‘একদিকে পৃথিবী একদিকে তুমি যদি থাকো’ গানটি অনুপমের চ্যানেলে ভিউ পেয়েছে সাত কোটি ৭৪ লাখের বেশিবার। একই গান এসবি নামের আরেকটি ইউটিউব চ্যানেলে ভিউ পেয়েছে ৪৫ লাখের বেশি। জি সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে গানটির ভিউ ৩৮ লাখ।

    সালমান শাহর সঙ্গে শাবনূরের ‘আনন্দ অশ্রু’ ছবির গান ‘তুমি আমার এমনই একজন’ দেখা হয়েছে আট কোটি ৪৯ লাখের বেশিবার। এই জুটির ‘তোমাকে চাই’ ছবির টাইটেল গান দেখা হয়েছে ছয় কোটি ৯৭ লাখের বেশিবার। গত সপ্তাহে গানটি নতুন সংগীতায়োজনে রাজীব ও ঝিলিকের কণ্ঠে প্রকাশ করেছে অনুপম। সেখানেও লাখের ওপর ভিউ।

    এ ছাড়া ‘তুমি বড় ভাগ্যবতী’ ছবির ‘তুমি হবে বউগো আমি হব শালি’ ভিউ পেয়েছে ছয় কোটি ৬৫ লাখের বেশি। অনুপমের বাইরে একই গান মিম নামের চ্যানেলে দেখা হয়েছে ১০ লাখের বেশিবার। 

    সালমান শাহ ও শাবনূরের ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ [১৯৯৫] ছিল ব্লকবাস্টার। ছবির ‘ও সাথিরে যেয়ো না কখনো দূরে’ অনুপমের ইউটিউবে দেখা হয়েছে ছয় কোটি ৫০ লাখের বেশিবার। এই গান আরও বেশ কয়েকটি চ্যানেলেও রয়েছে। সব মিলে গানটির ১০ কোটি ৪২ লাখের বেশি। মান্নার সঙ্গে শাবনূরের ‘দুই বধূ এক স্বামী’ ছবির ‘ভালোবাসতে গিয়ে আমি দুঃখই পেলাম’ দেখা হয়েছে ছয় কোটি ৪২ লাখের বেশিবার।

    এ ছাড়া শাকিব খানের সঙ্গে শাবনূরের ‘গোলাম’ ছবির ‘দুটি মন লেগে গেছে জোড়া’ দেখা হয়েছে ছয় কোটি ৪১ লাখেরও বেশিবার। মাত্র তিন বছর আগে গানটি ইউটিউবে আপলোড করেছিল অনুপম। ওমর সানীর সঙ্গে জুটি বেঁধে কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেছেন শাবনূর। তার মধ্যে ‘কে অপরাধী’ ছবির ‘কত ভালোবাসি কী যে ভালোবাসি’ দেখা হয়েছে ছয় কোটিরও বেশিবার। একই ছবির আরেক গান ‘কী ছিলে আমার’ ১১ কোটি ৬০ লাখের ঘর পেরিয়েছে। 

    ফেরদৌসের সঙ্গে শাবনূরের সুপারহিট ছবি ‘প্রেমের জ্বালা’। এই ছবির ‘সাগরের মতোই গভীর’ অনুপমের চ্যানেলে দেখা হয়েছে পাঁচ কোটি ৬৫ লাখেরও বেশিবার। এ ছাড়া গোল্ডেন টাইম সং ও টিএফকে ফিল্মের ইউটিউব চ্যানেলেও গানটি পেয়েছে লাখ ভিউ।

    এদিকে ‘হৃদয় শুধু তোমার জন্য’ ছবির ‘ভালোবাসা ছাড়া জানি বাঁচে না হৃদয়’, ‘তুমি বড় ভাগ্যবতী’ ছবির ‘পাখিরে ও পাখিরে’, ‘নাচনেওয়ালী’ ছবির ‘ছুঁইও না ছুঁইও না’ গানগুলোর প্রতিটিই পাঁচ কোটির বেশিবার দেখেছেন দর্শকরা। ‘খেয়া ঘাটের মাঝি’ ছবির ‘কোন কাননের ফুল গো তুমি’ ও ‘স্বপ্নের বাসর’ ছবির ‘কিছু কিছু মানুষের জীবনে’ গান দুটিও পাঁচ কোটি ভিউয়ের দ্বারপ্রান্তে। প্রথমটি দেখা হয়েছে চার কোটি ৯০ লাখ, দ্বিতীয়টি চার কোটি ৭৩ লাখ। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেদিন সারা রাত সালমানের বাসায় ছিলেন শাবনূর

    শেষবারের মতো এফডিসিতে এলেন সালমান শাহ। সেখানে প্রথম জানাজা শেষে নায়ককে নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ছুটল সিলেটের পথে। নায়কের জন্মভূমি। হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ প্রাঙ্গণে হলো দ্বিতীয় জানাজা। সেখানকার কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হলো সালমানকে। 

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বরের ঘটনা। ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা. তেজেন্দ্র চন্দ্র দাস রিপোর্টে লিখলেন- ‘মৃত্যু ফাঁসের দরুন ঝুলিয়া শ্বাসরুদ্ধ হইয়া সম্পন্ন হইয়াছে, যাহা মৃত্যুপূর্ব ও আত্মহত্যাজনিত।’

    ওই রাতে মৃতের বাসা থেকে অন্যান্য আলামতের সঙ্গে উদ্ধার হয় আকাশি রঙের প্যাডের একটি ছেঁড়া পাতা। যাতে কাঁপা কাঁপা হাতে লেখা, ‘আমি চৌঃ মোঃ শাহরিয়ার।…এই মর্মে অঙ্গীকার করছি যে, আজ অথবা আজকের পরে যে কোনো দিন আমার মৃত্যু হলে তার জন্য কেউ দায়ী থাকবে না। স্বেচ্ছায়, সজ্ঞানে, সুস্থ মস্তিষ্কে আমি আত্মহত্যা করছি।’ প্যাডের ওপরে ইংরেজি হরফে বড় করে লেখা ‘সালমান শাহ’। হস্তলিপিবিশারদ নিশ্চিত করেন, হ্যান্ডনোটটি সালমানেরই লেখা।

    সালমান শাহর সঙ্গে শাবনূরের অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা মানতে পারেননি স্ত্রী সামিরা। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। নায়কের বাসায়ও শাবনূর আসতেন মাঝেমধ্যে। বিষয়টি ভালো চোখে দেখতেন না সামিরা। 

    পিবিআইয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের জুলাই নাগাদ মৃত্যুর দুই মাস আগে সালমানের হাতে ছিল ২৭টি সিনেমার কাজ, বেশির ভাগেই তার সহশিল্পী শাবনূর। অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তাদের মধ্যে। শুটিংয়ের সময় শাবনূরকে নিয়ে সালমান শাহ বিভিন্ন স্থানে থাকতেন। 

    সালমানের বাসার কাজের মেয়ে জরিনা বেগম আদালতে জানান, সামিরা চট্টগ্রামে থাকা অবস্থায় শাবনূর দুই দিন সালমানের বাসায় আসেন। একদিন সারা রাত ছিলেন, অন্যদিন চলে যান রাত ১২টার দিকে। সামিরা চট্টগ্রাম থেকে ফিরে এ নিয়ে জরিনাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি সত্যিটাই জানিয়ে দেন। 

    যত দিন যাচ্ছিল এ নিয়ে অস্বস্তি বাড়ছিল সালমান-সামিরার দাম্পত্যে। এমনকি সালমানের মৃত্যুর আগের রাতেও এ নিয়ে ঝগড়া হয় তাদের মধ্যে। তার আগে সন্ধ্যায় এফডিসিতে গিয়ে সামিরা দেখেন, ডাবিং রুমে সালমান ও শাবনূর ঘনিষ্ঠ অবস্থায় বসে আছেন। রাগ করে বেরিয়ে আসেন সামিরা।

    শাবনূরের সঙ্গে ছেলের এ সম্পর্কে পূর্ণ সমর্থন ছিল সালমানের মা নীলা চৌধুরীর। তিনি চাইতেন, শাবনূরের সঙ্গে সালমানের আবার বিয়ে দেবেন। শাবনূরকে বিয়ে করে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে রাখতে চাইতেন সালমানও।

    ৯ দিন পরে আবার তোলা হলো সালমানের লাশ। কারণ সালমানের বাবা কমর উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর লিখিত এজাহারের পরিপ্রেক্ষিতে রমনা থানায় যে অপমৃত্যুর মামলাটি হয়, তার তদন্তে সন্তুষ্ট হতে পারেনি সালমানের পরিবার। আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তভার হস্তান্তর করা হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা শাখায়। 

    ১৫ সেপ্টেম্বর সালমানের লাশ তুলে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করা হয়। পাশাপাশি চলতে থাকে আলামত সংগ্রহ ও সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ। 

    সালমানের মৃত্যুর পরের বছর ১৯৯৭ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে ডিবি যে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেয়, তাতেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় ‘আত্মহত্যাজনিত মৃত্যু’। এই রিপোর্টের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজির আবেদন করেন সালমানের বাবা। পুনঃতদন্তের আদেশ দেন আদালত।

    সালমান শাহ যে আত্মহত্যা করতে পারেন, এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না নায়কের পরিবার। তাদের দাবি ছিল, হত্যা করা হয়েছে সালমানকে। সালমানের মা শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছিলেন, সামিরাসহ ১১ জনের যোগসাজশে সালমানকে চেপে ধরে চেতনানাশক ইনজেকশন দিয়ে গলায় ইলেকট্রিক তার পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। কিন্তু এ ধরনের কোনো প্রমাণ মিলছিল না। 

    থানা-পুলিশ ও ডিবির তদন্তে যখন বেরিয়ে আসছিল সালমানের মৃত্যুর একটাই কারণ—আত্মহত্যা, তখন একটি ঘটনা মামলার মোড় ঘুরিয়ে দেয় অন্যদিকে।

    এবারো সিআইডি রিপোর্ট ও বিচার বিভাগীয় তদন্তে সালমানের মৃত্যুর আগের কারণটাই বহাল থাকে— আত্মহত্যা। তবে সিআইডির রিপোর্টে আত্মহত্যার কারণ হিসেবে উঠে আসে চিত্রনায়িকা শাবনূরের নাম। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান শাহর সঙ্গে শাবনূরের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন সামিরা

    ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মধ্যদিয়ে চলচ্চিত্রে পা রাখেন চিত্রনায়ক সালমান শাহ। খুব অল্প সময়েই দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়েছিলেন তিনি। হয়ে উঠেছিলেন সবার স্বপ্নের নায়ক। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ছিল ক্ষণজন্মা এই নায়কের শুভ জন্মদিন। বেঁচে থাকলে আজ ৫৩ বছরে পা রাখতেন তিনি। 

    সালমান শাহর পরিবার মনে করে, এই নায়কের মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। পরিকল্পিতভাবে ‘হত্যা’ করা হয়েছে তাকে, এমন অভিযোগ এনে সালমানের মা নীলা চৌধুরী আইনের আশ্রয়ও নিয়েছেন। তার অভিযোগের আঙুল, সালমানের স্ত্রী সামিরার দিকে। শুধু তাই নয়, সামিরাকে করা হয়েছে মামলার এক নম্বর আসামিও।

    সালমানের মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হননি সামিরা। যা বলেছেন আদালতেই। সংবাদমাধ্যমে দু-একটি সাক্ষাৎকার দিলেও সবসময় চেয়েছেন নিজেকে আড়াল রাখতে।

    আপনারা কি সংসার জীবনে সুখী ছিলেন? জানতে চাইলে সামিরা বলেন, ‘কেন না! আমরা দুজন দুজনকে অনেক ভালোবাসতাম। আমি অনেক হ্যাপি ছিলাম। আমাদের মাঝে মনোমালিন্য হলে ইমন তা ভরিয়ে দিত ভালোবাসা দিয়ে।’

    কী হয়েছিল সেদিন (৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬), যার কারণে সালমান আত্মহত্যা করল? সামিরা বলেন, ‘আত্মহত্যা করার মতো তেমন কিছুই হয়নি। সেদিন ওর সঙ্গে একটু কথা কাটাকাটি হয়েছিল। একটা পর্যায়ে অভিমান করে ও রুমে চলে যায় আর দরজা বন্ধ করে দেয়। আমি তখন অন্য রুমে ছিলাম। এর মধ্যেই সব কিছু ঘটে যায়। আমার চিৎকার শুনে ফ্লাটের লোকজন ছুটে আসে। খবর পেয়ে ইমনের মা-ও ছুটে আসে। এরপর রুম থেকে বেরিয়ে আসে ওর ঝুলন্ত দেহ।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এমন কথা কাটাকাটি ওর সঙ্গে আগেও হয়েছে। আমার ওপর অনেক অভিমানও করেছিল ও। আরেকটা বিষয় ইমন কিন্তু এর আগেও তিনবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু চতুর্থবার ওকে আর ফেরানো যায়নি। আপনার যদি খোঁজ নেন, তাহলে সেটি জানতে পারবেন।’

    কী কারণে তিনবার আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন—জানতে চাইলে সামিরা বলেন, ‘কেন সেটি আমার সঠিক জানা নেই। তিনবারই ছিল আমার বিয়ের আগে। দুইবার ওকে মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ও একবার ওকে নেওয়া হয় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে। আপনারা চাইলে হাসপাতালের রেকর্ড চেক করে দেখতে পারেন। আসলে, মানসিকভাবে ওর মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতাটা বেশি কাজ করত।’

    মৌসুমী ছিলেন সালমান শাহর প্রথম নায়িকা। কিন্তু খুব বেশি সিনেমাতে দেখা যায়নি তাকে। সালমান শাহর বেশিরভাগ সিনেমার নায়িকা ছিলেন শাবনূর। পরবর্তী সময়ে সালমান শাহ এবং শাবনূরের প্রেমের গুঞ্জনও শোনা যায়। কীভাবে শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর অভিনয়ের শুরু সে প্রসঙ্গে সামিরা বলেন, সালমান শাহ এবং মৌসুমী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অভিনয় না করার। এই ঘটনার শুরু একটা সিনেমার শুটিং সেট থেকে। শুটিং এর সময়ে খুব ছোট একটা বিষয় নিয়ে মৌসুমীর মা এবং সালমান শাহয়ের মায়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে সালমান শাহ এবং মৌসুমী সিদ্ধান্ত নেয় তারা একসঙ্গে সিনেমা করবে না। এরপর আমরা নায়িকার সংকটের মধ্যে দিয়ে যাই। তখন শাবনাজ এবং নাইম বিয়ে করেন। বিয়ের পর গুজম শুরু হয় শাবনাজ অভিনয় ছেড়ে দিবেন। তখন তাই নতুন নায়িকা খুঁজতে হয়। পরে আমরা শাবনূরকে দেখার পর সিদ্ধান্ত নেই অর সঙ্গেই কাজ করা হবে।

    সালমান শাহ এবং শাবনূরের প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে তিনি বলেন, এই বিষয়টা এত সহজে বলা যায় না। এর পেছনে অনেক বড় গল্প আছে। সেই গল্পটা আমি শুরু করলে শেষ করতে অনেক সময় লেগে যাবে। সালমান শাহ এবং শাবনূরের মধ্যে কোনো সম্পর্ক ছিল কিনা তাহলে এমি এক বাক্যে বলবো যে হ্যাঁ তাদের সম্পর্ক ছিল।

    শাবনূরের সঙ্গে সম্পর্কের রেশ ধরে সালমান শাহর সঙ্গে সমস্যা হতো কিনা সে প্রসঙ্গে সামিরা বলেন, হ্যাঁ এই বিষয়টা নিয়ে সমস্যা হয়েছে। আমি রাগ করে আমার বাবার বাসাতেও চলে গিয়েছিলাম। সালমান শাহ আমাকে অনেক বুঝিয়ে ছি, মাফ চেয়েছিল। আমাকে মানিয়ে নিয়ে আসে। আমি  দুইমাস পর ঢাকায় আমাদের বাসায় ফিরে আসি। সালমান শাহ আমাকে বলেছিল সে শাবনূরের সঙ্গে যে সিনেমাগুলোর চুক্তি আছে সেগুলো শেষ হলেই তার সঙ্গে আর কোনো সিনেমায় কাজ করবে না। আমরা নতুন নায়িকা খুঁজব। সে সব কথাগুলো রেখেছিল। 

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় সালমান শাহের। স্মার্টনেস ও ব্যক্তিত্ববোধের কারণে রাতারাতি তরুণ প্রজন্মের আইকনে পরিণত হন তিনি। চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি ছবিতে অভিনয় করেন এই নায়ক। যার অধিকাংশই সুপারহিট। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এক অকৃত্রিম ভালোবাসার নাম সালমান শাহ: শাবনূর

    আজ ১৯ সেপ্টেম্বর ঢালিউডের ক্ষণজন্মা নায়ক সালমান শাহর জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন এই অভিনেতা। এদিন সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের অনেকে স্মরণ করছেন প্রিয় নায়ককে।

    মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে সালমান সবচেয়ে বেশি সিনেমা করেছেন শাবনূরের সঙ্গে। সালমান-শাবনূর জুটির রসায়নে মন ভরে গিয়েছিল দেশের সিনেমাপ্রেমীদের। ঢালিউডের অন্যতম জুটিতে পরিণত হন তারা। এতটাই সমাদৃত হন যে, আজও সালমান নামটি নিলেই উঠে আসে শাবনূরের নাম।

    সালমানের জন্মদিনে সহকর্মীরা যখন তাকে স্মরণ করলেন তখন শাবনূরও প্রিয় সহকর্মীকে নিয়ে জানালেন অনুভূতি।

    নিজের ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘বাংলা চলচ্চিত্রের যুবরাজ সালমান শাহ এক অকৃত্রিম ভালোবাসার নাম, এক ইতিহাসের নাম। প্রিয় এই নক্ষত্র এখনো আমাদের সবার হৃদয়ে, ভাবনায়, অনুভবে বেঁচে আছে, বেঁচে থাকবে চিরকাল।’

    এরপর লেখেন, ‘জন্মদিনে বরাবরের মতো পরম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করছি তোমাকে। আল্লাহপাক তোমাকে জান্নাতবাসী করুন।’

    ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবি দিয়ে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে সালমান শাহর। স্মার্টনেস ও ব্যক্তিত্ববোধের কারণে রাতারাতি তরুণ প্রজন্মের আইকনে পরিণত হয়ে ওঠেন এ নায়ক। মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি ছবি করেন। যার অধিকাংশই সুপারহিট। মৌসুমীর সঙ্গে জুটি বেঁধে চলচ্চিত্রে পা রাখলেও সালমানের বেশিরভাগ ছবির নায়িকা ছিলেন শাবনূর। এই জুটি তখন এমন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে, তাদের কোনো ছবি মুক্তি পেলেই দর্শক প্রেক্ষাগৃহে হুমড়ি খেয়ে পড়তেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে কনকচাঁপার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ শাবনূর

    ঢাকাই সিনেমার নায়িকা শাবনূরের জুড়ি নেই। তার দর্শকপ্রিয় সব সিনেমাগুলো যেন মনজুড়ানো গানের সম্ভার। এর মধ্যে— ‘তুমি মোর জীবনের ভাবনা’, ‘তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই’, ‘আমার নাকেরই ফুল বলে রে’, ‘অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন’, ‘ভালোবাসা থাকো তুমি দূরে’, ‘কিছু কিছু মানুষের জীবনে’ প্রভৃতি গানগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

    পর্দায় শাবনূরের ঠোঁটে চিত্রায়িত এই গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। দারুণ সব গান উপহার দেওয়ার জন্য কনকচাঁপার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ শাবনূর। 

    বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) কনকচাঁপার জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে তার প্রতি ভালোবাসা জানিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন শাবনূর। তাতে শাবনূর লিখেছেন, ‘জন্মদিনের শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা কনকচাঁপা আপু। আমার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে তোমার বিশাল অবদান রয়েছে। আমি তোমার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। আল্লাহপাকের কাছে তোমার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।’

    ১৯৬৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জন্ম নেন কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। চলচ্চিত্র, আধুনিক গান, নজরুল সংগীত, লোকগীতিসহ প্রায় সব ধরনের গানে সমান পারদর্শী এই সংগীতশিল্পী ১৯৭৮ সালে সর্বপ্রথম টিভিতে পারফর্ম করেন।

    একই বছর শিশুশিল্পী হিসেবে ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন। টানা ৩ বছর জাতীয় শিশু প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন এই শিল্পী।

    প্রায় ৪০ বছর ধরে সংগীতাঙ্গনে সমানতালে কাজ করে যাওয়া এই গায়িকা এখন পর্যন্ত চলচ্চিত্রে তিন হাজারেরও বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কনকচাঁপা। প্লে-ব্যাকের পাশাপাশি প্রকাশিত হয়েছে তার একাধিক একক ও যৌথ গানের অ্যালবাম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাবনূরের কষ্ট ও প্রশান্তি

    ঢালিউডের নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। এ মুহূর্তে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের ১২ জেলার মানুষ বন্যায় হাবুডুবু খাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ায় বসে মানুষের দুর্দশা দেখে কষ্ট পাচ্ছেন এ অভিনেত্রী। মন খারাপ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন নায়িকা। তবে এই বন্যা পরিস্থিতি তাকে যেমন কষ্ট দিয়েছে, তেমনই প্রশান্তিও দিয়েছে ।

    এবারের বন্যাকবলিত মানুষকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রায় সর্বস্তরের মানুষ। গত কয়েক দিন বিনোদন জগতের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিল্পীকে ত্রাণ নিয়ে ছুটে যেতে দেখা গেছে বন্যাদুর্গত এলাকায়। সেই দলে আছেন অভিনয়শিল্পী, ইনফ্লুয়েন্সার, সংগীতশিল্পীরাও। কেউ কেউ আর্থিক সহযোগিতাও করেছেন বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাধ্যমে।

    সামাজিকমাধ্যম ফেসবুক একটি পোস্টে শাবনূর লিখেছেন, ‘স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় তছনছ হয়ে গেছে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা। বিশেষ করে পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলার পুরো জনপদ বানের পানিতে তলিয়ে গেছে। মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ দেখে খুবই কষ্ট পাচ্ছি। বেশি পীড়া দিচ্ছে ঘরছাড়া নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষের অসহায়ত্ব।’

    শাবনূর আরও লিখেছেন— ‘বন্যার্তদের সহায়তায় মানুষের অভূতপূর্ব সাড়া দেখে মনের মধ্যে প্রশান্তি অনুভব করছি। এবার বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের আর্থিক ও মানবিক সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন বিপুলসংখ্যক ছাত্রছাত্রী, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ অনেকেই, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। মানুষ যে মানুষের জন্য— এ কথার যথার্থতা আবারও প্রমাণ হল।’

    উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে ঢাকায় এসেছিলেন জনপ্রিয় ঢালিউড অভিনেত্রী শাবনূর। বিএফডিসিতে ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভোট দেন তিনি। সিডনি প্রবাসী শাবনূরের ব্যাপারে জানা যায় তার ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ থেকে। দেশে এসে শাবনূর কাজ করেন ‘রঙ্গনা’ নামের একটি সিনেমায়। এ ছাড়া ‘মাতাল হাওয়া’ নামে আরও একটি সিনেমায় তার যুক্ত হওয়ার খবরও শোনা গিয়েছিল। পরে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আর্জেন্টিনার কোপা জয়ে যা বললেন শাবনূর

    ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জেতা আর্জেন্টিনা জিতল ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকাও। আর্জেন্টিনার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এবার কোপাটা ‘ট্রিপল করোনা’ নামে পরিচিত। যার অর্থ ত্রিমুকুট। মহাদেশীয় শিরোপা, বিশ্বকাপের পর আবার মহাদেশীয় শিরোপা জিতলেই নিশ্চিত এই ত্রিমুকুট। সোমবার মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে এই ত্রিমুকুট এনে দিলেন লাওতারো মার্টিনেজ ও মেসিরা। প্রিয় দলের এই জয়ে যারপরনাই আনন্দে ভাসছে  আর্জেন্টিনার ফুটবলপ্রেমীরা। 

    rnrn

    এদিকে বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার ভক্ত-অনুরাগীদের সংখ্যা নেহাতই কম নয়। এ তালিকায় বাদ যায়নি চিত্রনায়িকা শাবনূরও। কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ে যখন আর্জেন্টিনা দলেন ভক্ত-অনুরাগীরা জয় উদযাপন করতে ব্যস্ত তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে আর্জেন্টিনা সাপোর্টারদের খুশিতে শাবনূরও আনন্দ প্রকাশ করলেন। 

    rnrn

    তিনটি কোলাজ ছবি শেয়ার করে এ অভিনেত্রী ক্যাপশনে লিখেছেন, অভিনন্দন আর্জেন্টিনা! আমি যখন সময় পাই ফুটবল খেলা দেখি। ফুটবল আমারও প্রিয় খেলা। আর বাংলাদেশের মানুষ প্রায় সবাই ফুটবল পাগল।

    rnrn

    শেষাংশ অভিনেত্রী লেখেন, আজ যারা আর্জেন্টিনাকে সাপোর্ট করেছেন তাদের আনন্দ দেখে আমিও অনেক খুশি। আমার বিশ্বাস বাংলাদেশ ফুটবল একদিন ঘুরে দাঁড়াবে।

    rnrn

    বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী শাবনূর। সেখানেই বসবসা করছেন। ফাঁকে বাংলাদেশে এসে ‘রঙ্গনা’ নামে একটি সিনেমার শুটিং শুরু করেন। সিনেমাটি নির্মাণ করছেন আরাফাত হোসাইন। 

    rnrn

    শাবনূরের চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ‘চাঁদনী রাতে’ চলচ্চিত্র দিয়ে। এই চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হলেও পরে সালমান শাহের সঙ্গে জুটি বেধে তিনি সফলতা লাভ করেন। সালমান শাহের সঙ্গে তার অভিনীত ‘স্বপ্নের ঠিকানা’  যথাক্রমে বাংলাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র।  

    অনলাইন ডেস্ক

  • ওজন কমিয়ে নতুন লুকে হাজির হলেন শাবনূর

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী শাবনূর 'রঙ্গনা' নামের নতুন সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিতে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশে এসেছেন। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন আরাফাত হোসাইন। 

    এ সিনেমাটির প্রথম লটের শুটিং ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় লটের শুটিং শুরু হওয়ার আগেই নিজেকে আমূল পরিবর্তন করে নতুন লুকে হাজির হচ্ছেন এই অভিনেত্রী। 

    ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ‘রঙ্গনা’। তবে সিনেমাটির কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় ঈদে মুক্তি পায়নি। তবে দ্রুতই সিনেমাটির সুখবর পাওয়া যাবে।
    পরিচালক আরাফাত জানান, বাকি অংশের কাজ শেষেই মুক্তি দেওয়া হবে ‘রঙ্গনা’।  

    এদিকে রোববার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দুইটি ছবি শেয়ার করেছেন শাবনূর। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, শরীরের মেদ ঝেড়ে ফেলেছেন অভিনেত্রী। সেটাও সিনেমার চরিত্রের প্রয়োজনে। 

    অভিনেত্রীর সেই দুইটি ছবি শেয়ার করে পরিচালক আরাফাত লিখেছেন- গল্পের প্রয়োজনে, দ্বিতীয় লটের শুটিংয়ের প্রস্তুতি চলছে পুরো দমে।

    নায়িকার এমন পরিবর্তন দর্শকরাও বেশ ভালোভাবে নিয়েছেন। পছন্দের নায়িকার কাছ থেকে ভক্তরাও দারুণ কিছু প্রত্যাশা করছেন। তাদের আশা, পর্দায় আবারও পুরোনো শাবনূরের দেখা মিলবে। 

    গত মাসে ছবির শুটিং শেষ করে সিডনিতে গেছেন শাবনূর। শিগগিরই দেশে ফিরবেন তিনি। ঢাকায় ফিরলেই সিনেমার বাকি অংশের কাজ শেষ করবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাবনূরকে নিয়ে শৈশবের মুগ্ধতা ছড়ালেন পরীমনি

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে শুক্রবার।  এই নির্বাচন ঘিরে বিএফডিসিতে বসেছিল তারকার মেলা। উৎসবমুখর পরিবেশে তারকারা ভোট দিতে হাজির হয়েছিলেন শুক্রবার সকাল ৯টা থেকেই। নতুন ও পুরনো সব তারকাই এক হয়েছিলেন এই দিনে। 

    ওইদিন ভোট দিতে বিএফডিসিতে হাজির হয়েছিলেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর। একই সময়ে সেখানে ছিলেন পরীমনি। শাবনূরকে দেখে পরীমনি তাকে জড়িয়ে ধরেন। শাবনূরও পরীকে দূরে রাখেননি। দুজনে একসঙ্গে কথা বলেছেন, ছবি তুলেছেন। দুই নায়িকার সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক নজর কাড়ে সবার। 

    আরও পড়ুন: 

    সেই সময়ের বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেছেন পরীমনি। শাবনূরকে নিয়ে নিজের মুগ্ধতার কথা বলেন পরীমনি। তার ভাষায়, ‘একজন শাবনূর। একজন সুপারস্টার। এক শৈশবের মুগ্ধতা। একজন সুন্দর মনের মানুষ। একটা ভালোবাসা।’

    বর্তমানে শাবনূর নিয়মিত সিনেমা না করলেও একসময় বড়পর্দা দাপিয়ে বেড়িয়েছেন এই অভিনেত্রী। শাবনূরকে এই প্রজন্মের অনেক তারকার শৈশবের ভালোবাসা বলেন। এবারে শাবনূরকে নিয়ে যে শৈশব থেকেই পরীর মুগ্ধতা কাজ করে সেটাই স্পষ্ট হয়ে উঠে তার ভাষায়। 
     

    বিনোদন ডেস্ক