Tag: শাবনূর

  • আমাকে পুঁজি করে অনেকেই ভাইরাল হচ্ছেন: শাবনূর

    ঢালিউডে নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর। অনেক দিন ধরেই পর্দার বাইরে আছেন তিনি। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় জীবনযাপন করছেন অভিনেত্রী। অভিনয়ে নিয়মিত না হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই সরব উপস্থিতি তার। কিন্তু ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের অভিনেত্রীকে নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই । তবে মাঝে মাঝে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শাবনূরকে নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। তাই অনুরাগীদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে শাবনূর বলেছেন— আমাকে পুঁজি করে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হচ্ছেন।

    গত সোমবার (১৩ জানুয়ারি) ফেসবুকে নতুন রূপে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের সামনে হাজির হন শাবনূর। সেখানে কিছুটা খোলামেলা পোশাকেই ধরা দেন তিনি। একই সঙ্গে তার মুটিয়ে যাওয়াও ফুটে উঠেছে, যা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। সে কারণেই পরদিন মঙ্গলবার ফেসবুকে ‘সবার উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলতে চাই’ শিরোনামে দীর্ঘ একটি পোস্ট দেন শাবনূর।

    এদিন এ অভিনেত্রী লিখেছেন—অনেকে হয়তো জানেন যে, আমি আমার সোশ্যাল মিডিয়া নিজের মতো করে হ্যান্ডেল করি এবং কোনো অ্যাডমিনও নিয়োগ দিইনি। আমার যখন যেটা ভালো লাগে, নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ বা বিশেষ কোনো আনন্দ-বেদনার বিষয় থাকলে তা সবার সঙ্গে শেয়ার করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত রয়েছি। যে ছবি বা ভিডিও পোস্ট করি, সেগুলো নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন মন্তব্য করেন। এমনকি কেউ কেউ আমার ড্রেসআপ নিয়েও উদ্ভট প্রশ্ন তোলেন। অস্ট্রেলিয়াতে আমি সচরাচর ক্যাজুয়াল ড্রেস পরতেই অভ্যস্ত এবং এতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আর কে কী পরবে সেটাতো তার ব্যক্তিগত পছন্দের ব্যাপার, তাই না?’

    তিনি লিখেছেন, ‘যদি আমার শেয়ারকৃত কোনো কিছু কারও ভালো না লাগে, তবে শালীনতার সঙ্গে গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারেন। কিন্তু রিপিটেডলি আজেবাজে মন্তব্য যেন না করেন, তা থেকে বিরত থাকতে সবাইকে বিনীত অনুরোধ করছি। আর একান্তই যদি আমার অ্যাক্টিভিটিস কারও পছন্দ না হয়, তবে আমাকে ফলো না করলেই পারেন।’

    এ অভিনেত্রী আরও লিখেছেন, ‘যারা আমার ওয়ালে এসে বিরূপ মন্তব্য করেন, তারা আবার দেখি আমার নামে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট খুলে, পেজ চালিয়ে এবং আমার পোস্ট করা ছবি-ভিডিও নিয়ে আবার ব্যবসা করছেন।

    তিনি বলেন, আমাকে পুঁজি করে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হচ্ছেন, রমরমা ব্যবসা করছেন, তা করেন; কিন্তু আমার এখানে এসে ভণ্ডামি করছেন কেন? কেনইবা সংঘবদ্ধ হয়ে খারাপ মন্তব্য করে যাচ্ছেন? এদের আবার কেউ কেউ আমাকে আড়ালে চলে যেতে বলেন, হা হা হা…। এই ডিজিটাল যুগে এসেও মানুষ এসব জ্ঞান দেয়। আমি আড়ালে চলে যাব না প্রকাশ্যে থাকব, তা আমি বুঝব।

    শাবনূর বলেন, অন্যের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি, আচার-ব্যবহার, আমার কথা বলার ভাষা―এসব ব্যাপার আমাদের পারিবারিক মূল্যবোধ ও পারিবারিক শিক্ষার পরিচয় বহন করে। তিনি বলেন, কোনো মন্তব্য করার ক্ষেত্রে আমরা যেন একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। সবাই ভালো থাকবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভক্তদের উদ্দেশে নতুন বার্তা দিলেন শাবনূর

    দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকার পর গত বছরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন ঢালিউড অভিনেত্রী শাবনূর। তিনটি সিনেমায় অভিনয় করার খবরও দিয়েছিলেন। এছাড়া দেশে এসে সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানেও অংশ নিয়েছিলেন। পরে অবশ্য অস্ট্রেলিয়া ফিরে যান। এবার নতুন বার্তা দিয়েছেন ঢালিউড কুইন। 

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কয়েকটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘নতুন বাস্তবতাকে আলিঙ্গন করে হাসিমুখে সামনে এগিয়ে যাওয়া’।

    তার এমন লেখা থেকে বুঝা যায় দর্শকদের জন্য সুখবর নিয়ে ফিরছেন তিনি। হয়তো কোন কাজ নিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী। শাবনূরের ছবির প্রশংসায়ও মেতেছেন তার ভক্তরা । 

    ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি আরাফাত হোসাইনের ‘রঙ্গনা’ সিনেমার মহরতে উপস্থিত ছিলেন শাবনূর। ওই অনুষ্ঠানে ‘এখনো ভালবাসি’ নামের একটি সিনেমার অভিনয়ের ঘোষণা দিয়েছিলেন।  তবে সিনেমার শুটিং শুরু না করেই অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যান। পরে জানা যায়, পুরোপুরি ফিট হয়েই শুটিংয়ে ফিরবেন। এছাড়া নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর ‘মাতাল হাওয়া’ সিনেমায় অভিনয় করার কথা ছিল তার; তাও করতে পারেননি ।

    এরমধ্যে চলচ্চিত্রে তিন দশক পার করেছেন শাবনূর। এর মধ্যে অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন। তবে দর্শকমহলে এখনো বেশ জনপ্রিয় তিনি। তার অভিনীত সিনেমার গানগুলো এখনো সর্বোচ্চ ভিউ তালিকায় থাকছেন। 

    ১৯৯৩ সালে নির্মাতা এহতেশাম পরিচালিত ‘চাঁদনী রাতে’ ছবির মাধ্যমে সোনালী দিন শুরু করেছিলেন শাবনূর। এরপর আর পিছনে থাকাতে হয়নি তাকে। প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ‘র সঙ্গে গড়ে ওঠে জনপ্রিয় এক জুটি, যা এখনো দর্শক হৃদয়ে নাড়া দেয়। একের পর এক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন দর্শকদের।

    অভিনয়জীবনের ৩১ বছরে অনেক ব্যবসা সফল সিনেমাও উপহার দিয়েছেন। ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘আমার প্রাণের স্বামী’, ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘ভালোবাসি তোমাকে’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বউ–শাশুড়ির যুদ্ধ’, ‘হৃদয়ের বন্ধন’ ও ‘মোল্লাবাড়ীর বউ’ এ সিনেমাগুলোর এখনো বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। 

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • অবশেষে প্রেম বিষয়ে মুখ খুললেন শাবনূর!

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর। অভিনয় থেকে দূরে রয়েছেন বেশ কয়েকবছর ধরেই। সর্বশেষ ২০১৮ সালে তাকে পর্দায় দেখা গিয়েছিল। বর্তমানে তিনি স্থায়ীভাবে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। মাসকয়েক আগে নতুন একটি সিনেমায় যুক্ত হয়েছেন। কিছুদিন শুটিংও করেছেন। এরপর বন্ধ হয়ে যায় এর কাজ। আগামীতে আর হবে কিনা তাও অনিশ্চিত। 

    এদিকে পর্দায় নিয়মিত না থাকলেও, সামাজিক মাধ্যমে বেশ সরব এ অভিনেত্রী। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তিনি ছিলেন মিডিয়ায় আলোচনার শীর্ষে। তবে তিনি নিজেকে সব সময় গোপন রাখতে পছন্দ করতেন। তার ব্যক্তিগত জীবন, বিশেষ করে সম্পর্ক এবং পরিবার সম্পর্কে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। সেসব নিয়ে এ অভিনেত্রীর কোনো প্রতিক্রিয়া ছিল না। 

    সহশিল্পীকে জড়িয়ে তার প্রেমের গুঞ্জনও শোনা গেছে। কিন্তু এসব কখনোই গায়ে লাগাতেন না। তবে এতবছর পর শাবনূর প্রেম বিষয়ে মুখ খুললেন। জানালেন তার পছন্দের কথা। তিনিও প্রেমে মজেছেন। কে সে প্রেমিক? 

    শাবনূর বলেন, ‘আমি দেশের বাইরের দুই তারকার প্রেমে মজে আছি। তারা হচ্ছেন টম ক্রুজ ও লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। তারা যে আমার ক্রাশ, এটা আমার পরিবারের সবাই জানেন। আমার স্কুলপড়ুয়া ছেলেও এটা জানে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘টাইটানিক দেখার পর লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও আমার ক্রাশ। মনে মনে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর নায়িকা হতে না চাইলেও ভালো লাগত! চকোলেট বয় টাইপ ছিল তো! এ টাইপের হিরোরা বরাবরই আমার পছন্দ। আমি সব সময় চকোলেট বয় হিরোদের সঙ্গে কাজ করেছি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ক্রাশের সঙ্গে দেখা হলে কী করবেন, জানালেন শাবনূর

    বাংলা চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়িকাদের অন্যতম শাবনূর। দেশের লাখো তরুণের ‘ক্রাশ’ এই নায়িকা এবার জানালেন নিজের ক্রাশদের নাম। তাদের সঙ্গে দেখা হলে কী করবেন, সেটাও অকপটে বল গেলেন তিনি।

    সম্প্রতি নিজের ক্রাশদের নাম জানিয়ে শাবনূর বলেছেন, দেশের বাইরের তারকাদের মধ্যে টম ক্রুজ আমার সবচেয়ে বেশি পছন্দের। লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও আছেন সেই পছন্দের তালিকায়। তারা যে আমার ক্রাশ, এটা আমার পরিবারের সবাই জানে। এমনকি আমার স্কুলপড়ুয়া ছেলেও এটা জানে।

    লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওকে পছন্দের কারণ ব্যাখ্যা করে শাবনূর বলেন, টাইটানিক দেখার পর লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও আমার ক্রাশ।

    শাবনূরের দুই ক্রাশ হলিউড অভিনেতা টম ক্রুজ ও লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও/সংগৃহীত

    এছাড়া বুড়ো হয়ে গেলেও টম ক্রুজের সঙ্গে দেখা করতে চান উল্লেখ করে শাবনূর বলেন, তরুণী থাকতেই মধুমিতায় টম ক্রুজের ‘মিশন ইম্পসিবল’ দেখেছিলাম। এই সিনেমা দেখেই টম ক্রুজের প্রেমে পড়ে যাই। বুড়ো হয়ে গেলেও একবার টম ক্রুজের সঙ্গে দেখা করতে চাই। আমার ছেলেও বলছে, সে বড় হলে আমাকে আমেরিকা নিয়ে যাবে; টম ক্রুজের সঙ্গে দেখা করিয়ে দেবে। আমিও অধীর আগ্রহে আছি টম ক্রুজের সঙ্গে দেখা করার। সামনাসামনি টম ক্রুজের দেখা পেলে একগুচ্ছ গোলাপ দেব।

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রয়াত এহতেশামের ‘চাঁদনী রাতে’ ছবির মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে নাম লিখান শাবনূর। দীর্ঘ ৩১ বছরের ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। তার মধ্যে ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘আমার প্রাণের স্বামী’, ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘ভালোবাসি তোমাকে’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বউ শাশুড়ির যুদ্ধ’, ‘হৃদয়ের বন্ধন’, ‘মোল্লা বাড়ীর বউ’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তরুণ বয়সে যে হলিউড নায়কের প্রেমে পড়েছিলেন শাবনূর

    দীর্ঘ ৩১ বছরের ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর। প্রয়াত পরিচালক এহতেশামের হাত ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন তিনি। নির্মাতা এহতেশামের ‘চাঁদনী রাতে’ সিনেমার মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে বড়পর্দায় নাম লেখান এ অভিনেত্রী। তারপর একে একে অভিনয় করেন ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘আমার প্রাণের স্বামী’, ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘ভালোবাসি তোমাকে’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বউ শাশুড়ির যুদ্ধ’, ‘হৃদয়ের বন্ধন’, ‘মোল্লাবাড়ির বউ’সহ আরও বহু ব্যবসাসফল সিনেমা।

    তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সিনেমা জগতে কাজ করছেন শাবনূর। এখন নিয়মিত পর্দায় না থাকলেও তার জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতেই অবস্থান করছেন এ অভিনেত্রী। সেখান থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ছবি-ভিডিও ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন নব্বই দশকের এ গ্ল্যামার কুইন।

    শাবনূর ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই মিডিয়ায় আলোচনায় শীর্ষে ছিলেন। তবে তিনি নিজেকে সবসময় গোপন রাখতে পছন্দ করতেন। তার ব্যক্তিগত জীবন, বিশেষ করে সম্পর্ক ও পরিবার সম্পর্কে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। সেসব নিয়ে হ্যাঁ বা না— কোনো প্রতিক্রিয়াই দেখাতেন না তিনি। খুব যত্ন করেই যেন নিজেকে অপ্রকাশিত রাখতেন। এই গোপনীয়তা ও নীরবতা থেকে রহস্যময়ী শাবনূরকে নিয়ে সবার কৌতূহল থাকুক, চর্চা চলুক হয়তো সেটাই চাইতেন অভিনেত্রী।

    এই গ্ল্যামার কুইনকে নিয়ে একসময় স্বপ্নের সুতা বুনতেন অসংখ্য তরুণ। সহশিল্পীকে জড়িয়ে তার প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে অনেক। কিন্তু শাবনূরও কি কারও প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছেন? অবশেষে সেই প্রেম নিয়ে কথা বললেন এ অভিনেত্রী।

    শাবনূর বলেন, দেশের বাইরের তারকাদের মধ্যে টম ক্রুজ আমার সবচেয়ে বেশি পছন্দের। লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও আছেন সেই পছন্দের তালিকায়। তারা যে আমার ক্রাশ, এটা আমার পরিবারের সবাই জানে। আমার স্কুলপড়ুয়া ছেলেও এটা জানে।

    বুড়ো হয়ে গেলেও টম ক্রুজের সঙ্গে দেখা করতে চান শাবনূর। তিনি বলেন, তরুণী থাকতেই মধুমিতায় টম ক্রুজের “মিশন ইম্পসিবল” দেখেছিলাম। এই সিনেমা দেখেই টম ক্রুজের প্রেমে পড়ে যাই। বুড়ো হয়ে গেলেও একবার টম ক্রুজের সঙ্গে দেখা করতে চাই। আমার ছেলেও বলছে, সে বড় হলে আমাকে আমেরিকা নিয়ে যাবে; টম ক্রুজের সঙ্গে দেখা করিয়ে দেবে। আমিও অধীর আগ্রহে আছি টম ক্রুজের সঙ্গে দেখা করার জন্য। সামনাসামনি টম ক্রুজের দেখা পেলে একগুচ্ছ গোলাপ দেব বলে জানান শাবনূর।

    শাবনূর বলেন, আর লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও আমার ভীষণ পছন্দ। কারণ টাইটানিক দেখার পর লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও আমার ক্রাশ। মনে মনে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর নায়িকা হতে না চাইলেও ভালো লাগত আরকি! চকলেট বয় টাইপ ছিল তো! এই টাইপের হিরোরা বরাবরই আমার পছন্দ।

    ‘চকলেট বয়’ টাইপের নায়কদের বেছে নেওয়ার কারণ জানিয়ে শাবনূর বলেন, আমি সবসময় চকলেট বয়দের সঙ্গে কাজ করেছি। খুঁজে খুঁজে চকলেট বয় হিরোদের সঙ্গে কাজ করছি। আমার নায়কদের তালিকা দেখলেও তা বোঝা যাবে। যেমন— আমার বেশিরভাগ সিনেমার নায়ক সালমান শাহ, ফেরদৌস, রিয়াজ, শাকিব— সবাই চকলেট বয়। আমার সব হিরোই চকলেট বয় টাইপের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জন্মদিনে শাবনূরকে নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা

    নব্বই দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয় দুই নায়িকা শাবনূর ও দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বাংলা সিনেমাপ্রেমীদের অসংখ্য সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন দু’জনই। প্রশংসিত হয়েছেন দর্শকমহলে। আর অনবদ্য অভিনয়গুণে দুজনই শক্ত অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছেন ইন্ডাস্ট্রিতে।

    মঙ্গলবার শাবনূর জীবনের ৪৬ বছরে পা দিলেন। ৪৬ তম জন্মদিনেও শাবনূরকে স্মরণ করছেন তার ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা। বিশেষ এই দিনটিতে প্রিয় সহকর্মীকে শুভেচ্ছা জানাতে ভুলেনি চিত্রনায়িকা পূর্ণিমাও।

    এ নায়িকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অ্যাকাউন্টে শাবনূরের সঙ্গে তিনটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন বাংলাদেশের সেরা অভিনেত্রী। আপনার অবিশ্বাস্য প্রতিভা, উৎসর্জন ও অনুপ্রেরণাদায়ক কর্মক্ষমতা লাখ লাখ মানুষের জন্য আনন্দ ও গর্ব নিয়ে এসেছে। সবসময় সুখী ও ঊজ্জ্বল থাকুন।’

    গত বছরই স্বামী ও মেয়েকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিলেন পূর্ণিমা। তখন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এ খবর জানতে পেরেছিলেন শাবনূর। পরে পূর্ণিমাকে খুঁজে বের করে বাসায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এরপর শাবনূরের বাসায় যান পূর্ণিমা এবং সেখান থেকে ফেসবুকে লাইভ করেন তারা।

    এদিকে অনেকের ধারণা, ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেদের রাজত্ব টিকিয়ে রাখার প্রতিযোগিতা থেকে দ্বন্দ্ব রয়েছে শাবনূর-পূর্ণিমার। কিন্তু এসব যে মোটেও ঠিক নয়, কেবলই গুঞ্জন―তা স্পষ্ট হয় দুই তারকার সখ্যতায়। তারা জানান, সবাই মনে করেন তাদের মধ্যে দা-কুমড়ার সম্পর্ক। কিন্তু তা মোটেও ঠিক নয়।

    পূর্ণিমা বলেন, আমাদের মধ্যকার সম্পর্কটা ফুলের পাপড়ির মতো। শাবনূর আপা হচ্ছেন অভিনয়ের প্রতিষ্ঠান। তিনি আমাদের সবার অনুপ্রেরণা। ইন্ডাস্ট্রিতে যখন প্রথম এসেছি, তখন নির্মাতারা তার উদাহরণ দিয়ে আমাদের কাছে সেভাবে কাজ চাইতেন। আর আমরা তার ধারের কাছেও ছিলাম না। শাবনূর আপাকে অনেকবার কপি করার চেষ্টা করেছি আমি, কিন্তু পারিনি। মানুষ হিসেবেও তার কোনো তুলনা নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাবনূরকে নিয়ে স্মৃতির ঝাঁপি খুলে বসলেন কনক চাঁপা

    বাংলা চলচ্চিত্রের প্রতিভাধর ও দর্শকনন্দিত নায়িকা শাবনূর। বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় নৈপুণ্যতা, উচ্চারণ, দৈহিক সৌন্দর্য দিয়ে দর্শক হৃদয় জায়গা করে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ‘স্বপ্নের নায়িকা’ খ্যাত এই অভিনেত্রীর জনপ্রিয়তায় এখনো এতটুকু ভাটা পড়েনি। 

    বাংলা সিনেমার সফল এই অভিনেত্রী জীবনের ৪৬ বছরে পা দিলেন। ৪৬তম জন্মদিনেও শাবনূরকে স্মরণ করছেন তার অনুরাগীরা। সামাজিকমাধ্যমে প্রিয় নায়িকার ছবি, শুভেচ্ছা বার্তায় ভরিয়ে দিচ্ছেন ভক্তরা। 

    এছাড়া শাবনূরকে নিয়ে নিজেদের মনের কথা জানিয়েছেন সহকর্মীরাও। তাদেরই একজন সংগীতশিল্পী কনক চাঁপা। 

    মঙ্গলবার দুপুরে শাবনূরকে নিয়ে একটি দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। পাঠকদের জন্য কনক চাঁপার সেই স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

    শাবনূর, একটি পরিপূর্ণ প্রতিভাময় শিল্পীর নাম যাকে বাংলাদেশ কখনোই ভুলতে পারবে না! তার অভিনয় শৈলী, উচ্চারণ, দৈহিক সৌন্দর্য, চাঁদপানা মুখশ্রী গোলাপের মতো হাসি এবং তার নয়নযুগল পুরো যুবসম্প্রদায়কে বুঁদ করে রেখেছে কয়েক যুগ। তার রেশ এখনো কাটেনি, কাটবেও না কখনও।

    এই ‘শাবনূর’ এপিসোড থেকে দর্শক বেরুতেও চায়নি, চাইবেও না। কারণ এমন প্রতিভার অধিকারী শত জনমে একজনই হয়। তার সমসাময়িক অনেকেই আছেন কিন্তু কাছাকাছি কেউ নেই।

    আমি বলা যায় প্রথম থেকেই তার জন্য গাইছি। আশ্চর্যজনক কথা যে তার সঙ্গে আমার খুবই কম দেখা হয়েছে। আমি আমার মতো গেয়েছি তিনি তার মতো অভিনয় করেছেন । কিন্তু যখন পিকচারাইজেশন দেখেছি তখন আমারই বিশ্বাস হয়নি যে এটা আমি গেয়েছি, মনে হয়েছে এটা যেন তারই কণ্ঠ!  

    এই যে একাকার হয়ে যাওয়া এই ক্রেডিট আমি শাবনূরকেই দিতে চাই। তিনি আসলে আমাদের কবরীর পরে ভার্সেটাইল যাকে বলে সেই উঁচুমানের মহানায়িকা। সিরিয়াস অভিনয়, হাসির অভিনয়, ছটফটে দুরন্ত কিশোরীর অভিনয় সবই দুর্দান্ত তবে তার ভয়ংকর সুন্দর চোখে যখন অশ্রু ঝরে তখন একটা কথাই মাথায় আসে ‘ফুল নেব না অশ্রু নেব ভেবে হই আকুল!’ 

    আগেই বলেছি ব্যক্তিগত জীবনে তার সঙ্গে আমার খুব কম দেখা হয়েছে। আমার রেকর্ডিং স্টুডিও আর তার কর্মক্ষেত্র আলাদা জায়গায় হওয়াতেই এমন হয়েছে। কিন্তু যখন তাকে দেখেছি, খেয়াল করেছি খুব সহজ সরল তার উপস্থিতি। তার কাঁচভাঙ্গা হাসি আমার মন কেড়ে নিয়েছে। সবারই বোধ হয় এভাবে অনুভব হয় । সাধারণ ভাবে দেখা সাক্ষাৎ হলে মনে হয়েছে, এই মেয়ে সিরিয়াস অভিনয় করে কিভাবে! 

    আমার ছেলের বিয়েতে দাওয়াত দিতে গিয়েছিলাম তার বাসায়। তখন তার আন্তরিক আতিথিয়েতা দেখে আমি মুগ্ধ! তখনও আমি নিরাভরণ শাবনূরকে দেখে চমকে উঠেছি তার বিরল সৌন্দর্য ও চোখের চাহনিতে। 

    আমি খুবই গর্বিত তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের প্রায় পুরো সময়ই আমি সঙ্গে ছিলাম। তার অভিনীত একশো ভাগের নিরানব্বই ভাগ গানই আমার গাওয়া। আমাদের দুইদেহ এক প্রাণ বলা যায়।

    জীবনে কখনো কোন চ্যানেলকে বলিনি আমাকে এমন একটা অনুষ্ঠান দেন। কিন্তু কয়েকটি চ্যানেলে স্বপ্রনোদিত হয়ে বলেছি শাবনূর ও আমাকে নিয়ে একটা প্রোগ্রাম সাজাতে, কিন্তু কোন চ্যানেলই গা করে নাই। এই বাংলাদেশে মূল্যায়ন পাওয়া। 

    খুবই কঠিন তবে আমার বিশ্বাস একদিন আমার গান আর শাবনুরের অভিনয়ের সমন্বয় নিয়ে গবেষণা হবে তখন হয়তো তা দেখার জন্য হয়তো কোন একজন থাকবো না।

    আমি আমাদের এই মহানায়িকার আনন্দিত সুখী সুদীর্ঘ জীবন কামনা করছি। শাবনূরের জন্মদিন উপলক্ষ্যে আমার পক্ষ থেকে রইলো অগণন শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার আর সংসারী হওয়ার ইচ্ছা নেই: শাবনূর

    নব্বই দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর। নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় ছবি। তবে তিন দশকের ক্যারিয়ার জীবনের শেষটা যেন অনেকটা রঙহীন তার। বেশ কয়েক বছর হলো অভিনয়ে খানিকটা বিরতি নিয়েছেন এই নায়িকা। হয়েছেন প্রবাসী। সন্তানকে নিয়ে বছরের বেশিরভাগ সময় অস্ট্রেলিয়াতেই থাকেন তিনি। 

    বাংলা সিনেমার ‘স্বপ্নের নায়িকা’ খ্যাত এই অভিনেত্রী আজ (১৭ ডিসেম্বর) জীবনের ৪৬ বছরে পা দিলেন। ৪৬ তম জন্মদিনেও শাবনূরকে স্মরণ করছেন তার অনুরাগীরা। সামাজিক মাধ্যমে প্রিয় নায়িকাকে নিয়ে ছবি, শুভেচ্ছা বার্তায় ভরিয়ে দিচ্ছেন ভক্তরা। 

    এরই মধ্যে জন্মদিন উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন শাবনূর। কিন্তু সেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় এবার নিজের জীবন নিয়ে বেশিই আক্ষেপ করলেন নায়িকা। তবে কি ভালো নেই এই ঢালিউড কুইন?

    ব্যক্তিগত জীবন বহু চড়াই-উতরাইয়ের ওপরেই কেটেছে শাবনূরের। আবেগাপ্লুত হয়ে শাবনূর বললেন, ‘দীর্ঘ দেড় যুগের ক্যারিয়ারে যত ঝড়ঝাপটা আমার ওপর এসেছে পৃথিবীর অন্য কোনো শিল্পীকে বোধহয় অতটা করতে হয়নি। প্রথম ছবি ‘চাঁদনী রাতে’র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, নায়ক সালমান শাহ, নায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস, এক বিদেশি নাগরিককে আমার সঙ্গে জড়িয়ে মিথ্যে সম্পর্কের গুঞ্জন, সালমানের হত্যা/আত্মহত্যার জন্য অভিযুক্ত হওয়া, একাধিকবার এফডিসির বিভিন্ন সমিতি কর্তৃক ব্যান হওয়া, কী ফেস করতে হয়নি আমাকে! একইসঙ্গে পারিবারিক নানা টানাপোড়েনে অতিষ্ঠ ছিল আমার জীবন।’

    মূলত বিচ্ছেদ তার জীবন অতিষ্ঠ হওয়ার কারণ ছিল বলে জানান শাবনূর। কিন্তু সে থেকেও নিজেকে সামলে নিয়েছেন নায়িকা। শাবনূরের কথায়, ‘অন্য যে কেউ হলে বোধ হয় পাগল হয়ে যেত, সমস্যা ভুলে থাকার জন্য মাদকের আশ্রয় নিত বা আত্মহত্যা করত। আমি কিন্তু সব নেগেটিভকে মনের জোরে পাশ কাটিয়ে জীবনটাকে পজিটিভবলি গড়ে তুলতে পেরেছি।’

    সেই বিচ্ছেদ থেকেই সংসার জীবন নিয়ে তিক্ততা শাবনূরের। তীব্র ইচ্ছাশক্তি থেকে নিজেকে সামলে নিলেও সাংসারিক হওয়ার আর কোনো ইচ্ছে নেই বলে স্পষ্ট জানান নায়িকা। হতাশা প্রকাশ করে শাবনূর বলেন, ‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়া যে কোনো নারীর জন্য ভয়ংকর অভিজ্ঞতা, যে কারণেই বাধ্য হয়ে স্বামীকে ডিভোর্স দিতে হয়েছে।’ 

    শাবনূর এও বলেন, ‘তবে আমার আর বিয়ের ইচ্ছা না থাকার কারণ হচ্ছে একমাত্র পুত্র আইজানকে প্রতিষ্ঠা করা। সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।’ 

    কাজে ফেরা প্রসঙ্গে শাবনূর বলেন, ‘গত বছর রঙ্গনা নামে এক ছবিতে অভিনয়ের কাজ শুরু করেছিলাম। নানা কারণে ছবিটির কাজ এখনো শেষ হয়নি। শিগগিরই কাজে ফেরার ইচ্ছা আছে।’

    ঢাকাই সিনেমার একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূরের সংসার ভেঙে যায় ২০২০ সালে। এর সাত বছর আগে নায়ক অনিক মাহমুদ হৃদয়কে বিয়ে করে সুখী হতে চেয়েছিলেন শাবনূর। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়া ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি অনিককে তালাক দেন নায়িকা। 

    ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিকের সঙ্গে শাবনূরের আংটি বদল হলেও ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তারা। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তাদের কোলজুড়ে আসে আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তান।

    তালাক নোটিশে শাবনূর বলেছিলেন, ‘আমার স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয় সন্তান এবং আমার যথাযথ যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন না। সে মাদকাসক্ত। অনেকবার মধ্যরাতে মদ্যপ অবস্থায় বাসায় এসে আমার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে। আমাদের ছেলের জন্মের পর থেকে সে আমার কাছ থেকে দূরে সরে থাকছে এবং অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আলাদা বসবাস করছে।

    একজন মুসলিম স্ত্রীর সঙ্গে তার স্বামী যে ব্যবহার করেন অনিক সেটা করছেন না, উল্টো নানাভাবে আমাকে নির্যাতন করে। এসব কারণে আমার জীবনে অশান্তি নেমে এসেছে। চেষ্টা করেও এসব থেকে তাকে ফেরাতে পারিনি। বরং আমার সন্তান এবং আমার ওপর নির্যাতন আরো বাড়তে থাকে। উপরোক্ত কারণগুলোর জন্য মনে হয়ে তার সঙ্গে আমার আর বসবাস করা সম্ভব নয় এবং আমি কখনো সুখী হতে পারব না।

    তাই নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং সুন্দর জীবনের জন্য তার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছেদ করতে চাই। মুসলিম আইন এবং শরিয়ত মোতাবেক আমি তাকে তালাক দিতে চাই। আজ থেকে সে আমার বৈধ স্বামী নয়, আমিও তার বৈধ স্ত্রী নই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেন আর বিয়ের ইচ্ছা নেই, জানালেন শাবনূর

    বাংলা সিনেমার ‘স্বপ্নের নায়িকা’ খ্যাত চিত্রনায়িকা শাবনূর আজ (১৭ ডিসেম্বর) জীবনের ৪৬ বছরে পা দিলেন।৪৬ তম জন্মদিনেও শাবনূরকে স্মরণ করছেন তার অনুরাগীরা। সামাজিক মাধ্যমে প্রিয় নায়িকাকে নিয়ে ছবি, শুভেচ্ছা বার্তায় ভরিয়ে দিচ্ছেন ভক্তরা। 

    এরই মধ্যে জন্মদিন উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন শাবনূর। কিন্তু সেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় এবার নিজের জীবন নিয়ে বেশিই আক্ষেপ করলেন নায়িকা। তবে কি ভালো নেই এই ঢালিউড কুইন?

    ব্যক্তিগত জীবন বহু চড়াই-উতরাইয়ের ওপরেই কেটেছে শাবনূরের। আবেগাপ্লুত হয়ে শাবনূর বললেন, ‘দীর্ঘ দেড় যুগের ক্যারিয়ারে যত ঝড়ঝাপটা আমার ওপর এসেছে পৃথিবীর অন্য কোনো শিল্পীকে বোধহয় অতটা করতে হয়নি। প্রথম ছবি ‘চাঁদনী রাতে’র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, নায়ক সালমান শাহ, নায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস, এক বিদেশি নাগরিককে আমার সঙ্গে জড়িয়ে মিথ্যে সম্পর্কের গুঞ্জন, সালমানের হত্যা/আত্মহত্যার জন্য অভিযুক্ত হওয়া, একাধিকবার এফডিসির বিভিন্ন সমিতি কর্তৃক ব্যান হওয়া, কী ফেস করতে হয়নি আমাকে! একইসঙ্গে পারিবারিক নানা টানাপোড়েনে অতিষ্ঠ ছিল আমার জীবন।’

    মূলত বিচ্ছেদ তার জীবন অতিষ্ঠ হওয়ার কারণ ছিল বলে জানান শাবনূর। কিন্তু সে থেকেও নিজেকে সামলে নিয়েছেন নায়িকা। শাবনূরের কথায়, ‘অন্য যে কেউ হলে বোধ হয় পাগল হয়ে যেত, সমস্যা ভুলে থাকার জন্য মাদকের আশ্রয় নিত বা আত্মহত্যা করত। আমি কিন্তু সব নেগেটিভকে মনের জোরে পাশ কাটিয়ে জীবনটাকে পজিটিভবলি গড়ে তুলতে পেরেছি।’

    সেই বিচ্ছেদ থেকেই সংসার জীবন নিয়ে তিক্ততা শাবনূরের। তীব্র ইচ্ছাশক্তি থেকে নিজেকে সামলে নিলেও সাংসারিক হওয়ার আর কোনো ইচ্ছে নেই বলে স্পষ্ট জানান নায়িকা। হতাশা প্রকাশ করে শাবনূর বলেন, ‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়া যে কোনো নারীর জন্য ভয়ংকর অভিজ্ঞতা, যে কারণেই বাধ্য হয়ে স্বামীকে ডিভোর্স দিতে হয়েছে।’ 

    শাবনূর এও বলেন, ‘তবে আমার আর বিয়ের ইচ্ছা না থাকার কারণ হচ্ছে একমাত্র পুত্র আইজানকে প্রতিষ্ঠা করা। সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।’ 

    কাজে ফেরা প্রসঙ্গে শাবনূর বলেন, ‘গত বছর রঙ্গনা নামে এক ছবিতে অভিনয়ের কাজ শুরু করেছিলাম। নানা কারণে ছবিটির কাজ এখনো শেষ হয়নি। শিগগিরই কাজে ফেরার ইচ্ছা আছে।’

    ঢাকাই সিনেমার একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূরের সংসার ভেঙে যায় ২০২০ সালে। এর সাত বছর আগে নায়ক অনিক মাহমুদ হৃদয়কে বিয়ে করে সুখী হতে চেয়েছিলেন শাবনূর। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়া ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি অনিককে তালাক দেন নায়িকা।

    ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিকের সঙ্গে শাবনূরের আংটি বদল হলেও ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তারা। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তাদের কোলজুড়ে আসে আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তান।

    তালাক নোটিশে শাবনূর বলেছিলেন, ‘আমার স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয় সন্তান এবং আমার যথাযথ যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন না। সে মাদকাসক্ত। অনেকবার মধ্যরাতে মদ্যপ অবস্থায় বাসায় এসে আমার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে। আমাদের ছেলের জন্মের পর থেকে সে আমার কাছ থেকে দূরে সরে থাকছে এবং অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আলাদা বসবাস করছে।

    একজন মুসলিম স্ত্রীর সঙ্গে তার স্বামী যে ব্যবহার করেন অনিক সেটা করছেন না, উল্টো নানাভাবে আমাকে নির্যাতন করে। এসব কারণে আমার জীবনে অশান্তি নেমে এসেছে। চেষ্টা করেও এসব থেকে তাকে ফেরাতে পারিনি। বরং আমার সন্তান এবং আমার ওপর নির্যাতন আরো বাড়তে থাকে। উপরোক্ত কারণগুলোর জন্য মনে হয়ে তার সঙ্গে আমার আর বসবাস করা সম্ভব নয় এবং আমি কখনো সুখী হতে পারব না।

    তাই নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং সুন্দর জীবনের জন্য তার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছেদ করতে চাই। মুসলিম আইন এবং শরিয়ত মোতাবেক আমি তাকে তালাক দিতে চাই। আজ থেকে সে আমার বৈধ স্বামী নয়, আমিও তার বৈধ স্ত্রী নই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • অনিকের সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ জানালেন শাবনূর

    নব্বই দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর। নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় ছবি। ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর নির্মাতা এহতেশাম পরিচালিত ‘চাঁদনী রাতে’ ছবির মাধ্যমে রূপালী পর্দায় অভিষেক ঘটে দর্শকনন্দিত এই অভিনেত্রীর।

    তবে তিন দশকের ক্যারিয়ার জীবনের শেষটা যেন অনেকটা রঙহীন তার। বেশ কয়েক বছর হলো অভিনয়ে খানিকটা বিরতি নিয়েছেন এই নায়িকা। হয়েছেন প্রবাসী। সন্তানকে নিয়ে বছরের বেশিরভাগ সময় অস্ট্রেলিয়াতেই থাকেন তিনি। 

    বাংলা সিনেমার ‘স্বপ্নের নায়িকা’ খ্যাত এই অভিনেত্রী আজ (১৭ ডিসেম্বর) জীবনের ৪৬ বছরে পা দিলেন। ৪৬ তম জন্মদিনেও শাবনূরকে স্মরণ করছেন তার অনুরাগীরা। সামাজিক মাধ্যমে প্রিয় নায়িকাকে নিয়ে ছবি, শুভেচ্ছা বার্তায় ভরিয়ে দিচ্ছেন ভক্তরা। 

    এরই মধ্যে জন্মদিন উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন শাবনূর। কিন্তু সেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় এবার নিজের জীবন নিয়ে বেশিই আক্ষেপ করলেন নায়িকা। তবে কি ভালো নেই এই ঢালিউড কুইন?

    ব্যক্তিগত জীবন বহু চড়াই-উতরাইয়ের ওপরেই কেটেছে শাবনূরের। আবেগাপ্লুত হয়ে শাবনূর বললেন, ‘দীর্ঘ দেড় যুগের ক্যারিয়ারে যত ঝড়ঝাপটা আমার ওপর এসেছে পৃথিবীর অন্য কোনো শিল্পীকে বোধহয় অতটা করতে হয়নি। প্রথম ছবি ‘চাঁদনী রাতে’র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, নায়ক সালমান শাহ, নায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস, এক বিদেশি নাগরিককে আমার সঙ্গে জড়িয়ে মিথ্যে সম্পর্কের গুঞ্জন, সালমানের হত্যা/আত্মহত্যার জন্য অভিযুক্ত হওয়া, একাধিকবার এফডিসির বিভিন্ন সমিতি কর্তৃক ব্যান হওয়া, কী ফেস করতে হয়নি আমাকে! একইসঙ্গে পারিবারিক নানা টানাপোড়েনে অতিষ্ঠ ছিল আমার জীবন।’

    মূলত বিচ্ছেদ তার জীবন অতিষ্ঠ হওয়ার কারণ ছিল বলে জানান শাবনূর। কিন্তু সে থেকেও নিজেকে সামলে নিয়েছেন নায়িকা। শাবনূরের কথায়, ‘অন্য যে কেউ হলে বোধ হয় পাগল হয়ে যেত, সমস্যা ভুলে থাকার জন্য মাদকের আশ্রয় নিত বা আত্মহত্যা করত। আমি কিন্তু সব নেগেটিভকে মনের জোরে পাশ কাটিয়ে জীবনটাকে পজিটিভবলি গড়ে তুলতে পেরেছি।’

    সেই বিচ্ছেদ থেকেই সংসার জীবন নিয়ে তিক্ততা শাবনূরের। তীব্র ইচ্ছাশক্তি থেকে নিজেকে সামলে নিলেও সাংসারিক হওয়ার আর কোনো ইচ্ছে নেই বলে স্পষ্ট জানান নায়িকা। হতাশা প্রকাশ করে শাবনূর বলেন, ‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়া যে কোনো নারীর জন্য ভয়ংকর অভিজ্ঞতা, যে কারণেই বাধ্য হয়ে স্বামীকে ডিভোর্স দিতে হয়েছে।’ 

    শাবনূর এও বলেন, ‘তবে আমার আর বিয়ের ইচ্ছা না থাকার কারণ হচ্ছে একমাত্র পুত্র আইজানকে প্রতিষ্ঠা করা। সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।’ 

    কাজে ফেরা প্রসঙ্গে শাবনূর বলেন, ‘গত বছর রঙ্গনা নামে এক ছবিতে অভিনয়ের কাজ শুরু করেছিলাম। নানা কারণে ছবিটির কাজ এখনো শেষ হয়নি। শিগগিরই কাজে ফেরার ইচ্ছা আছে।’

    ঢাকাই সিনেমার একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূরের সংসার ভেঙে যায় ২০২০ সালে। এর সাত বছর আগে নায়ক অনিক মাহমুদ হৃদয়কে বিয়ে করে সুখী হতে চেয়েছিলেন শাবনূর। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়া ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি অনিককে তালাক দেন নায়িকা। 

    ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিকের সঙ্গে শাবনূরের আংটি বদল হলেও ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তারা। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তাদের কোলজুড়ে আসে আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তান।

    তালাক নোটিশে শাবনূর বলেছিলেন, ‘আমার স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয় সন্তান এবং আমার যথাযথ যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন না। সে মাদকাসক্ত। অনেকবার মধ্যরাতে মদ্যপ অবস্থায় বাসায় এসে আমার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে। আমাদের ছেলের জন্মের পর থেকে সে আমার কাছ থেকে দূরে সরে থাকছে এবং অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আলাদা বসবাস করছে।

    একজন মুসলিম স্ত্রীর সঙ্গে তার স্বামী যে ব্যবহার করেন অনিক সেটা করছেন না, উল্টো নানাভাবে আমাকে নির্যাতন করে। এসব কারণে আমার জীবনে অশান্তি নেমে এসেছে। চেষ্টা করেও এসব থেকে তাকে ফেরাতে পারিনি। বরং আমার সন্তান এবং আমার ওপর নির্যাতন আরো বাড়তে থাকে। উপরোক্ত কারণগুলোর জন্য মনে হয়ে তার সঙ্গে আমার আর বসবাস করা সম্ভব নয় এবং আমি কখনো সুখী হতে পারব না।

    তাই নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং সুন্দর জীবনের জন্য তার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছেদ করতে চাই। মুসলিম আইন এবং শরিয়ত মোতাবেক আমি তাকে তালাক দিতে চাই। আজ থেকে সে আমার বৈধ স্বামী নয়, আমিও তার বৈধ স্ত্রী নই।’

    বিনোদন ডেস্ক