Tag: রাজ

  • আমি সারাজীবন পরীর সঙ্গে সংসার করতে চাই: রাজ

    ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে অস্বাভাবিক দাম্পত্যজীবনের জন্য তৃতীয় পক্ষকে দায়ী করেছেন শরিফুল রাজ। অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়ের সঙ্গে দীর্ঘসময়ের ফোনালাপে এমন অভিযোগই করেছেন রাজ।

    রাজ জানান, পরীর অপরিণত সব কাজের পেছনে ওর কোনো হাত নেই। ওকে ওর আশপাশের মানুষ ইন্ধন জোগানোর পরই এমন করেন পরী।

    শনিবার সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে জয়ের পোস্ট করা ভিডিও থেকে আরও জানা যায়, মাত্র দুই বছরের দাম্পত্যজীবনে যতবার দাম্পত্যকলহ তৈরি হয়েছে, সবসময়ই তৃতীয় পক্ষের হাত ছিল, এখনো আছে।

    ফোনালাপের একপর্যায়ে জয় বলেন, ব্যক্তিগতজীবন সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হলে তা আর ব্যক্তিগত থাকে না, হয়ে যায় পাবলিক প্রোপার্টি। কেন ঘরের সব ইস্যু বারবার বাইরে চলে আসে?

    জয়ের এমন প্রশ্নে রাজ বলেন, ‘আমার সংসারে কী হচ্ছে, আমি নিজেই জানি না। মিডিয়ার খবরে প্রকাশিত সংবাদ আর সামাজিকমাধ্যম থেকে আমি আমার সংসারের খবর জানি।’

    এ জন্য পরীকে অবশ্য দায়ী করেননি রাজ। দায়ী করেছেন পরীর আশপাশের মানুষকে। রাজ বলেন, ‘আমি সারাজীবন পরীর সঙ্গে সংসার করতে চাই। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের জন্য তা সম্ভব হয়ে উঠছে না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরীমনির সঙ্গে বিচ্ছেদের বিষয়ে যা বললেন রাজ

    ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে অস্বাভাবিক দাম্পত্যজীবনের জন্য তৃতীয় পক্ষকে দায়ী করেছেন শরিফুল রাজ। অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়ের সঙ্গে দীর্ঘসময়ের ফোনালাপে এমন অভিযোগই করেছেন রাজ।

    রাজ জানান, পরীর অপরিণত সব কাজের পেছনে ওর কোনো হাত নেই। ওকে ওর আশপাশের মানুষ ইন্ধন জোগানোর পরই এমন করেন পরী।

    শনিবার সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে জয়ের পোস্ট করা ভিডিও থেকে আরও জানা যায়, মাত্র দুই বছরের দাম্পত্যজীবনে যতবার দাম্পত্যকলহ তৈরি হয়েছে, সবসময়ই তৃতীয় পক্ষের হাত ছিল, এখনো আছে।

    ফোনালাপের একপর্যায়ে জয় বলেন, ব্যক্তিগতজীবন সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হলে তা আর ব্যক্তিগত থাকে না, হয়ে যায় পাবলিক প্রোপার্টি। কেন ঘরের সব ইস্যু বারবার বাইরে চলে আসে?

    জয়ের এমন প্রশ্নে রাজ বলেন, ‘আমার সংসারে কী হচ্ছে, আমি নিজেই জানি না। মিডিয়ার খবরে প্রকাশিত সংবাদ আর সামাজিকমাধ্যম থেকে আমি আমার সংসারের খবর জানি।’

    এ জন্য পরীকে অবশ্য দায়ী করেননি রাজ। দায়ী করেছেন পরীর আশপাশের মানুষকে। রাজ বলেন, ‘আমি সারাজীবন পরীর সঙ্গে সংসার করতে চাই। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের জন্য তা সম্ভব হয়ে উঠছে না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘অনেকে আমায় সন্দেহ করছে কিন্তু আমি কি পাগল: পরীমনি

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অভিনেতা শরিফুল রাজ ও চিত্রনায়িকা পরীমনির দাম্পত্য কলহ। নায়কের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তিন অভিনেত্রীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ফাঁসের পর তাদের কলহ যে চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে সেটি প্রকাশ্যে আসে।
    rnপ্রথমে ছবি, ভিডিও ফাঁস হওয়ার ঘটনায় সুনেরাহকে দায়ী করেন পরীমনি। সুনেরাহর নাম উল্লেখ করে এর আগে গণমাধ্যমে তিনি বক্তব্যও দিয়েছেন। এখন তার বক্তব্য পাল্টে গেছে। তিনি এখন ছবি ও ভিডিও ফাঁসের ঘটনার জন্য রাজের পরিবারের কোনো এক সদস্যকে দোষারোপ করছেন। তবে কোন সদস্য তা তিনি বলেননি।

    rnrn

    এসব ছবি ও ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এরই মধ্যে সুনেরাহ বিনতে কামাল ও তানজিন তিশা মামলা করবেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন এবং ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন।

    rnrn

    পরীমনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অনেকে হয়তো আমাকে সন্দেহ করছে। কিন্তু আমি কি পাগল? এসব প্রকাশ করতে যাব। তবে আমি শতভাগ নিশ্চিত, সঠিক তদন্ত হলে এমন একজনের নাম আসবে, শুনলে সবাই অবাকই হবেন। নাম বলব না, শুধু এতটুকুই বলি— সে রাজেরই পরিবারের কেউ। মনে রাখবেন, কোনো কিছুই গোপন থাকে না। একদিন না একদিন সত্য বের হবেই। বুঝছেন, এমন ঘটনা যে ঘটাতে পারে, কত বড় ভয়ংকর সে।’

    rnrn

    এর আগে ২৯ মে দিবাগত রাত দেড়টার পর রাজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অল্প সময়ের ব্যবধানে পর পর কয়েকটি পোস্টে অভিনেত্রী তানজিন তিশা, নাজিফা তুষি ও সুনেরাহ বিনতে কামালের কিছু ছবি ও ভিডিও ক্লিপ ফাঁস হয়। কোনো পোস্টের ক্যাপশন— ‘আই লাভ ইউ ক্রেজি গার্ল, আহা সেই দিনগুলো!’, কোনটিতে লেখা— ‘ওহ মিস ইউ’।

    rnrn

    একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ব্রিজের ওপর মধ্যরাতে তারা বসে আছেন। আর আপত্তিকর ভাষায় পরস্পরের সঙ্গে রসিকতা করছেন। অন্য এক ভিডিওতে রাজ-সুনেরাহকে দেখা গেছে বারে। আরেক ভিডিওতে মধ্যরাতে ফাঁকা রাস্তায় মাতলামি করছেন দুজন। তাদের কথায় স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল, দুজনের কেউ-ই স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলেন না তখন।

    rnrn

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ও তো আমাকে ছেড়েই চলে গেছে, বিচ্ছেদ তো হয়েই গেছে’

    আবারও বিচ্ছেদের সুর আলোচিত তারকা দম্পতি শরিফুল রাজ ও পরীমনির সংসারে। মাঝখানে কিছুটা মিটমাটের আভাস পাওয়া গেলেও পুরোনো আগুনে যেন আবারও ঘি ঢেলে দিলো গত সোমবার দিবাগত রাতে ফাঁস হওয়া কিছু ভিডিও ও স্থিরচিত্র। এরপর থেকেই রাজ-পরীর সংসারে ভাঙনের সুর স্পষ্ট।

    এদিকে বাসা থেকে জিনিসপত্র নিয়ে বের হয়ে যাওয়া, ফোন না ধরার যে কথা পরীমনি বলছেন, সেটি ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন রাজ। আর এসব না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে শনিবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘আমি বাসা থেকে কেন বেরিয়ে এসেছি, পরী ভালো করে জানে। কীভাবে বেরিয়ে এসেছি, কেন বেরিয়ে এসেছি, তাও সে ভালো করে জানে। ওই দিন বাসায় তার ও আমার পরিচালক গুরু গিয়াস উদ্দিন সেলিম ছিলেন। সঙ্গে তার স্ত্রীও ছিলেন।’

    পরীমনির বক্তব্যকে ‘মিথ্যাচার’ অভিহিত করে রাজ বলেন, ‘আমি ঢাকাতেই আছি, কাজ করছি। এরই মধ্যে “দেয়ালের দেশ”, “ইনফিনিটি”, “কাজলরেখা” ছবিগুলোর ডাবিং শেষ করছি। সুতরাং আমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, এটা ডাহা মিথ্যা কথা। এসব মিথ্যাচার করে কী লাভ হচ্ছে, তা আমার জানা নাই। আমি সব সময়ই পরীকে সম্মান দিয়ে কথা বলি। কিন্তু সে কেন এমন করে, বুঝি না।’

    রাজের বক্তব্য ধরে একই দিন কথা হয় পরীমনির সঙ্গে। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রাজ বাইরে ছিল, সেলিম ভাই ও তার বউ তাকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় এসেছিলেন। সম্ভবত এটি গত ২০ মের ঘটনা। আসার আগে সেলিম ভাই আমাকে ফোন দিয়ে বলেন, আমি রাজকে সঙ্গে করে নিয়ে তোমার বাসায় আসছি। এসে বলেন, রাজ তো তোমার সঙ্গে থাকতে চায় না। বিচ্ছেদের ব্যাপারে চিন্তা করতে পার। আমি বললাম, ‘ও আমার সঙ্গে থাকতে চায় না, তা হলে ওই আমাকে ডিভোর্স দিক। আমি কেন দিতে যাব।’ পরে সেলিম ভাই বললেন, যদি তোমাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তা হলে বাচ্চাকে দেখভাল করতে কীভাবে কী করবে, চিন্তাভাবনা করে দেখ। এর পর আমি বললাম, বাচ্চা আমার কাছেই থাকবে। তবে বিচ্ছেদ হওয়ার পর অবশ্যই সে বাচ্চা দেখতে আসতে পারবে। তবে শর্ত, সে অস্বাভাবিক সময়ে বাসায় এলে বাচ্চাকে দেখতে দেব না। যদি রাত ৪টায় আসে, ভোরবেলায় আসে, তা হলে তো বাচ্চা দেখতে দেওয়ার সুযোগই নেই। স্বাভাবিক, সঠিক সময়ে এসে সে বাচ্চা দেখতেই পারে। কোনো সমস্যা নাই।’

    পরী আরও বলেন, ‘এসব বিষয় নিয়ে ওই রাতে সেলিম ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক কথা কাটাকাটি হয়। রাজের সঙ্গেও হয়েছে। কারণ ওই দিন বিভিন্নজনের সঙ্গে মিলিয়ে রাজ আমার চরিত্র নিয়েও অনেক কথা তুলেছিল। একটা পর্যায়ে সেলিম ভাই, তার বউসহ রাজ তার সব জিনিসপত্র নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেছে। এর পর আর আসেনি।’

    পরীমনির এমন বক্তব্যের বিষয়ে রাজ বলেন, ‘আমি খুব হতাশ। ঢাকায় আসার পর থেকে এই দীর্ঘ সময়ে আমি কখনই এত আপসেট হইনি। আমি এভাবে কখনই মানসিকভাবে ভেঙে পড়িনি। আমার কাছে আর এসব কথা জানতে চাইবেন না। আমি এসব নিয়ে আর কথা বলতে চাই না, কথা বাড়াতে চাই না। আমি একটু নিরিবিলি, শান্তিতে থাকতে চাই।’

    রাজ-পরীর ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে ‘দামাল’ ছবি মুক্তির সময় মিমের সঙ্গে রাজের সম্পর্ক জড়িয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন পরীমনি। মূলত তখন থেকেই রাজ-পরীর সম্পর্কটা স্বাভাবিক যাচ্ছিল না।  

    বিষয়টি স্বীকার করে পরীমনি বলেন, দামাল ছবির মুক্তির সময় থেকেই আমাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক যাচ্ছিল না। রাজ আগের মতো নিয়মিত বাসায় থাকত না। সন্তানের প্রতিও তার সে ধরনের দায়িত্ব চোখে পড়েনি।

    কিন্তু এরপরও সিনেমার বা বিভিন্ন ইভেন্টের অনুষ্ঠানে ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে দেখা গেছে দুজনকে। এ ব্যাপারে পরীমনির বক্তব্য, ‘এগুলো ছিল রাজের লোকদেখানো। আমার কোনো অনুষ্ঠান থাকলে সঙ্গে সে যেত। বিশ্বাস করেন, কিছুদিন আগে আমি হাসপাতালে ছিলাম, আমাকে দেখতেও যায়নি সে। আমার সঙ্গে তার এখন শারীরিক, মানসিক কোনো অ্যাটাচমেন্টই নাই। আমি যখন হাসপাতালে, তখনই বাসায় রাজ তার জিনিসপত্র গুছিয়ে রেখেছিল। আগেই প্রস্তুত ছিল বাসা থেকে বেরিয়ে যাবে। সম্পর্ক রাখবে না। এভাবে তো আর সংসার, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।’

    তাহলে কি বিচ্ছেদের দিকে যাচ্ছে আপনাদের সংসার?—এমন প্রশ্নে ঢাকাই সিনেমার এই অভিনেত্রী বলেন, ‘ও তো আমাকে ছেড়েই চলে গেছে, বিচ্ছেদ তো হয়েই গেছে। আমি আর কল্পনাতেও ভাবতে চাই না শরীফুল রাজ আমার জামাই। একটা মানুষ চলে গেলে তো আর ধরে রাখা যায় না।’ 

    হাসতে হাসতে পরী আরও বলেন, ‘রাজ এখন বলে কী, আমাদের বিয়ের কাবিননামা নাকি ভুল। আমাদের নাকি ঠিকঠিক বিয়েই হয়নি। যে এভাবে বলতে পারে, সে ভয়ংকর মানুষ। তার সঙ্গে থাকা যাবে না। আমি চাই সে আমাকে তালাক দিয়ে দিক। আমি ওর প্রাক্তন, এটাই শুনতে আমার আরাম লাগবে। আমি রাজের বউ, এটি আর শুনতে চাই না।’

    দুঃখ করে পরী বলেন, ‘রাজ আমার বাচ্চার বাপ, সেটা অস্বীকার করা যাবে না। আমরা একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু আমাদের সন্তানের জন্য আফসোস হয়ে থাকবে, বাবা-মাকে নিয়ে সুখী জীবন পাচ্ছে না আমাদের সন্তান। আর এর জন্য দায়ী রাজ। আমাকে দোষ দেওয়ার কোনো সুযোগ নাই। এই সংসার টেকানোর জন্য আমি কী পরিমাণ চেষ্টা করে গেছি, রাজও জানে সেটি।’

    কিন্তু সন্তানের দিকে তাকিয়ে কিংবা নিজের উপলব্ধি থেকে যদি রাজ আবার ফিরে আসেন, তাহলে? এ বিষয়ে পরী বলেন, ‘বিয়ে-সংসার কি মুদিদোকানের মতো কারবার? ফিরে আসার আর সুযোগ নাই। যে মানুষ স্ত্রী, বাচ্চার মায়ের চরিত্র নিয়ে কথা তুলতে পারে, তার সঙ্গে ঘর করার সুযোগ নাই আর।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত জানালেন পরীমনি

    আবারও বিচ্ছেদের সুর আলোচিত তারকা দম্পতি শরিফুল রাজ ও পরীমনির সংসারে। মাঝখানে কিছুটা মিটমাটের আভাস পাওয়া গেলেও পুরোনো আগুনে যেন আবারও ঘি ঢেলে দিলো গত সোমবার দিবাগত রাতে ফাঁস হওয়া কিছু ভিডিও ও স্থিরচিত্র। এরপর থেকেই রাজ-পরীর সংসারে ভাঙনের সুর স্পষ্ট।

    এদিকে বাসা থেকে জিনিসপত্র নিয়ে বের হয়ে যাওয়া, ফোন না ধরার যে কথা পরীমনি বলছেন, সেটি ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন রাজ। আর এসব না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে শনিবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘আমি বাসা থেকে কেন বেরিয়ে এসেছি, পরী ভালো করে জানে। কীভাবে বেরিয়ে এসেছি, কেন বেরিয়ে এসেছি, তাও সে ভালো করে জানে। ওই দিন বাসায় তার ও আমার পরিচালক গুরু গিয়াস উদ্দিন সেলিম ছিলেন। সঙ্গে তার স্ত্রীও ছিলেন।’

    পরীমনির বক্তব্যকে ‘মিথ্যাচার’ অভিহিত করে রাজ বলেন, ‘আমি ঢাকাতেই আছি, কাজ করছি। এরই মধ্যে “দেয়ালের দেশ”, “ইনফিনিটি”, “কাজলরেখা” ছবিগুলোর ডাবিং শেষ করছি। সুতরাং আমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, এটা ডাহা মিথ্যা কথা। এসব মিথ্যাচার করে কী লাভ হচ্ছে, তা আমার জানা নাই। আমি সব সময়ই পরীকে সম্মান দিয়ে কথা বলি। কিন্তু সে কেন এমন করে, বুঝি না।’

    রাজের বক্তব্য ধরে একই দিন কথা হয় পরীমনির সঙ্গে। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রাজ বাইরে ছিল, সেলিম ভাই ও তার বউ তাকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় এসেছিলেন। সম্ভবত এটি গত ২০ মের ঘটনা। আসার আগে সেলিম ভাই আমাকে ফোন দিয়ে বলেন, আমি রাজকে সঙ্গে করে নিয়ে তোমার বাসায় আসছি। এসে বলেন, রাজ তো তোমার সঙ্গে থাকতে চায় না। বিচ্ছেদের ব্যাপারে চিন্তা করতে পার। আমি বললাম, ‘ও আমার সঙ্গে থাকতে চায় না, তা হলে ওই আমাকে ডিভোর্স দিক। আমি কেন দিতে যাব।’ পরে সেলিম ভাই বললেন, যদি তোমাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তা হলে বাচ্চাকে দেখভাল করতে কীভাবে কী করবে, চিন্তাভাবনা করে দেখ। এর পর আমি বললাম, বাচ্চা আমার কাছেই থাকবে। তবে বিচ্ছেদ হওয়ার পর অবশ্যই সে বাচ্চা দেখতে আসতে পারবে। তবে শর্ত, সে অস্বাভাবিক সময়ে বাসায় এলে বাচ্চাকে দেখতে দেব না। যদি রাত ৪টায় আসে, ভোরবেলায় আসে, তা হলে তো বাচ্চা দেখতে দেওয়ার সুযোগই নেই। স্বাভাবিক, সঠিক সময়ে এসে সে বাচ্চা দেখতেই পারে। কোনো সমস্যা নাই।’

    পরী আরও বলেন, ‘এসব বিষয় নিয়ে ওই রাতে সেলিম ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক কথা কাটাকাটি হয়। রাজের সঙ্গেও হয়েছে। কারণ ওই দিন বিভিন্নজনের সঙ্গে মিলিয়ে রাজ আমার চরিত্র নিয়েও অনেক কথা তুলেছিল। একটা পর্যায়ে সেলিম ভাই, তার বউসহ রাজ তার সব জিনিসপত্র নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেছে। এর পর আর আসেনি।’

    পরীমনির এমন বক্তব্যের বিষয়ে রাজ বলেন, ‘আমি খুব হতাশ। ঢাকায় আসার পর থেকে এই দীর্ঘ সময়ে আমি কখনই এত আপসেট হইনি। আমি এভাবে কখনই মানসিকভাবে ভেঙে পড়িনি। আমার কাছে আর এসব কথা জানতে চাইবেন না। আমি এসব নিয়ে আর কথা বলতে চাই না, কথা বাড়াতে চাই না। আমি একটু নিরিবিলি, শান্তিতে থাকতে চাই।’

    রাজ-পরীর ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে ‘দামাল’ ছবি মুক্তির সময় মিমের সঙ্গে রাজের সম্পর্ক জড়িয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন পরীমনি। মূলত তখন থেকেই রাজ-পরীর সম্পর্কটা স্বাভাবিক যাচ্ছিল না।  

    বিষয়টি স্বীকার করে পরীমনি বলেন, দামাল ছবির মুক্তির সময় থেকেই আমাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক যাচ্ছিল না। রাজ আগের মতো নিয়মিত বাসায় থাকত না। সন্তানের প্রতিও তার সে ধরনের দায়িত্ব চোখে পড়েনি।

    কিন্তু এরপরও সিনেমার বা বিভিন্ন ইভেন্টের অনুষ্ঠানে ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে দেখা গেছে দুজনকে। এ ব্যাপারে পরীমনির বক্তব্য, ‘এগুলো ছিল রাজের লোকদেখানো। আমার কোনো অনুষ্ঠান থাকলে সঙ্গে সে যেত। বিশ্বাস করেন, কিছুদিন আগে আমি হাসপাতালে ছিলাম, আমাকে দেখতেও যায়নি সে। আমার সঙ্গে তার এখন শারীরিক, মানসিক কোনো অ্যাটাচমেন্টই নাই। আমি যখন হাসপাতালে, তখনই বাসায় রাজ তার জিনিসপত্র গুছিয়ে রেখেছিল। আগেই প্রস্তুত ছিল বাসা থেকে বেরিয়ে যাবে। সম্পর্ক রাখবে না। এভাবে তো আর সংসার, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।’

    তাহলে কি বিচ্ছেদের দিকে যাচ্ছে আপনাদের সংসার?—এমন প্রশ্নে ঢাকাই সিনেমার এই অভিনেত্রী বলেন, ‘ও তো আমাকে ছেড়েই চলে গেছে, বিচ্ছেদ তো হয়েই গেছে। আমি আর কল্পনাতেও ভাবতে চাই না শরীফুল রাজ আমার জামাই। একটা মানুষ চলে গেলে তো আর ধরে রাখা যায় না।’ হাসতে হাসতে পরী আরও বলেন, ‘রাজ এখন বলে কী, আমাদের বিয়ের কাবিননামা নাকি ভুল। আমাদের নাকি ঠিকঠিক বিয়েই হয়নি। যে এভাবে বলতে পারে, সে ভয়ংকর মানুষ। তার সঙ্গে থাকা যাবে না। আমি চাই সে আমাকে তালাক দিয়ে দিক। আমি ওর প্রাক্তন, এটাই শুনতে আমার আরাম লাগবে। আমি রাজের বউ, এটি আর শুনতে চাই না।’

    দুঃখ করে পরী বলেন, ‘রাজ আমার বাচ্চার বাপ, সেটা অস্বীকার করা যাবে না। আমরা একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু আমাদের সন্তানের জন্য আফসোস হয়ে থাকবে, বাবা-মাকে নিয়ে সুখী জীবন পাচ্ছে না আমাদের সন্তান। আর এর জন্য দায়ী রাজ। আমাকে দোষ দেওয়ার কোনো সুযোগ নাই। এই সংসার টেকানোর জন্য আমি কী পরিমাণ চেষ্টা করে গেছি, রাজও জানে সেটি।’

    কিন্তু সন্তানের দিকে তাকিয়ে কিংবা নিজের উপলব্ধি থেকে যদি রাজ আবার ফিরে আসেন, তাহলে? এ বিষয়ে পরী বলেন, ‘বিয়ে-সংসার কি মুদিদোকানের মতো কারবার? ফিরে আসার আর সুযোগ নাই। যে মানুষ স্ত্রী, বাচ্চার মায়ের চরিত্র নিয়ে কথা তুলতে পারে, তার সঙ্গে ঘর করার সুযোগ নাই আর।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার তো ফ্যামিলি আছে, মান-ইজ্জত আছে: সুনেরাহ

    অভিনেত্রী তানজিন তিশা, নাজিফা তুষি ও সুনেরাহ বিনতে কামালের ‘গোপন’ ছবি ও ভিডিও ক্লিপ শরিফুল রাজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আপলোড করা হয়। যেখানে শরিফুল রাজ ও সুনেরাহ বিনতে কামালকে পাওয়া গেছে মদ্যপ অবস্থায়। দ্রুত এ ভিডিও ভাইরাল হলে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি ফাঁসের ঘণ্টাখানেক পরই ফেসবুক থেকে মুছে দেওয়া হয়।

    rnrn

    এর পরই সংসার ভাঙার জন্য সুনেরাহকে দায়ী করেন পরীমনি। সেই সঙ্গে ভিডিও ছড়ানোর জন্যও সুনেরাহকে অভিযুক্ত করেন ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমনি।

    rnrn

    সম্প্রতি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন সুনেরাহ। পরীমনির সেই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে মুখ খুলেছেন। সেখানে সুনেরাহ বলেন, হঠাৎ আমার ফোনে ফোন আসা শুরু হয়। তার পরে আমি অনলাইনে গিয়ে দেখি। এতে আমি হতবাক হই। এই ভিডিও তিন বছর আগের। আমি জানতাম না যে, এ ধরনের ভিডিও আছে।

    rnrn

    আমি প্রথমে রাজকে ফোন দিই । বলি এটা কি তুই করেছিস। পরে রাজ বলে, সুনেরাহ তোর কি মনে হয় আমি করেছি? আমি শুধু তোকে জিজ্ঞেস করছি, তুই বল? ওর ভয়েসে খুব কান্না ছিল। পরে বলল, বুঝতে তো পারছিস কে করেছে? পরে বললাম— তুই কোথায়, রাজ বলল— আমি রাস্তায় হাঁটতেছি । তোর তো পাবলিকলি কথা বলা উচিত। বিষয়টি পরিষ্কার করতে হবে। মানুষ আমাকে ভুল বুঝতেছে।

    rnrn

    অভিনেত্রী বলেন, পরে দেখি পরীমনি আমাকে মেনশন দিয়ে ব্লেম করছে। অথচ আমি জানতামই না । শুধু তাই নয়, পরীমনি বলছে, রাজ আমার সঙ্গে ছিল। অথচ কোনো যোগাযোগই ছিল না। এটা কল রেকর্ড এবং লোকেশন চেক করলেই পাওয়া যাবে।

    rnrn

    আমার তো আসলে ফ্যামিলি আছে, মান-ইজ্জত আছে। বিষয়টি মানুষ সব কিছু বুঝছে। পরীমনির সংসারভাঙার ক্ষেত্রে আমার কোনো ইনভলভমেন্ট নেই। এ বিষয়টি রাজও ক্লিয়ার করেছে। আমার জায়গা থেকে ক্লিয়ারও করেছি। যে কেউ তদন্ত করলে সত্যটা বেরিয়ে আসবে। আমি চাই, তদন্ত হোক। বিশেষ করে ফোনের লোকেশন চেক করা হোক। কে কোথায় ছিল।

    rnrn

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • মামলা করলে ভালো, তদন্তে আসল অপরাধী কে জাতি জানতে পারবে: রাজ

    টক অব দ্য কান্ট্রিতে রূপ নিয়েছে চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হওয়া কয়েকটি ছবি ও ভিডিও। অভিনেত্রী তানজিন তিশা, সুনেরাহ বিনতে কামাল, নাজিফা তুষি ও শরিফুল রাজের এসব ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসায় বিতর্ক ও সমালোচনার বাইরেও অনেকেই তাদের বিবেক বোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিষয়টিকে ঘিরে এখনো উত্তাল নেটদুনিয়া।

    এদিকে ব্যক্তিগত মূহুর্তের ভিডিও ফাঁস হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারকারা। ফলে এই অভিনেত্রীরা মামলার পথেও হাঁটবেন বলে জানিয়েছেন একই মাধ্যমে।

    শুক্রবার এ বিষয়ে একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন রাজ। তিনি বলেন, ‘তারা হেনস্তার স্বীকার, ভুক্তভোগী। মামলা করতেই পারে। মামলা করলে ভালো হবে। মামলা হওয়ার পর তদন্ত হবে। তদন্তে আসল ঘটনা বের হয়ে আসবে। মামলা করলেই আসল কালপ্রিট কে, তা জাতি জানতে পারবে।’

    তিনি বলেন, ‘প্রথম দিনই এ বিষয় নিয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, তাদের মতো করে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। সত্য কথা কী— বিষয়টি নিয়ে আমি নিজেই বিব্রত। আমি চাই, সত্য বেরিয়ে আসুক। তা না হলে শুধু ভুক্তভোগীরা নয়, দেশের মানুষ আমাকেও ভুল বুঝছে।’

    এই চিত্রনায়ক আরও বলেন, ‘এ মামলায় আমাকে জেলে যাওয়া লাগলে আমি যাব। তবে আমি বলতে চাই— আমি কোনো অন্যায় করিনি। যেহেতু আমার আইডি থেকে এটি প্রকাশিত হয়েছে, আমার নামেই মামলা হবে, এটিই স্বাভাবিক। এ মামলাকে স্বাগত জানাই।

    তিনি বলেন, কারণ মামলা হলে তদন্ত হবে। আমার ফোন সিজ করবে। কে আপ করেছে, কারা কারা জড়িত ছিল, কোন লোকেশন থেকে এটি প্রকাশ করা হয়েছে, সব বের হওয়া সম্ভব।

    এই পুরো ঘটনায় সুনেরাহ, তিশাদের মতো তিনি নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে মনে করেন রাজ। তিনি বলেন, ‘আমার নিজেরও পরিবার আছে। কারণ আমার ছোটবোনের বিয়ে ছিল এ মাসে। হঠাৎই এ ঘটনায় টক অব দ্য টাউন হলাম আমি। এ কারণে আমার বোনের বিয়ে পেছাতে হয়েছে। আমি বিষয়টি নিয়ে খুবই ক্লান্ত, হতাশ। আমি এখান থেকে বের হতে চাই। আমি কাজ নিয়ে থাকতে চাই, কাজের কথা বলতে চাই।’

    তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে পরীমনির নামও এলে তার সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে রাজি নয় রাজ। তিনি বলেন, ‘সে আমার স্ত্রী, আমার বাচ্চার মা। তাকে নিয়ে আমি কোনো বাজে মন্তব্য করব না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • এটা কোনো আপত্তিকর ভিডিও না: তানজিন তিশা

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক শরিফুল ইসলাম রাজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে অভিনেত্রী তানজিন তিশা, নাজিফা তুষি এবং সুনেরাহ বিনতে কামালের কয়েকটি আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ফাঁস হয়েছে। 

    rnrn

    ঘটনার প্রায় দুদিনের মাথায় ছবি ও ভিডিও ফাঁসের ব্যাপারটি দৃষ্টিগোচর হয় অভিনেত্রী তিশার।

    rnrn

    এ অভিনেত্রী তার আপত্তিকর ভিডিও ফাঁসে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।

    rnrn

    বুধবার রাত সোয়া ১০টায় ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন— ‘প্রথমত, বিষয়টি দুঃখজনক। এটি নিয়ে আমি বলতে চাই, স্যোশাল মিডিয়ায় আমার যে ভিডিও আপ করা হয়েছে, সেটি আমার একান্তই ব্যক্তিগত ভিডিও। ৬-৭ বছর আগে আমরা বন্ধুরা ফান করে ভিডিওটি করেছিলাম। যেহেতু এটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত ভিডিও, তাই এটার এক্সপ্লেনেশন দেওয়ার কিছু আছে বলে মনে করি না। '

    rnrn

    তিনি লেখেন, প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব জীবন আছে, পার্সোনালিটি আছে, ব্যক্তিগত ব্যাপার আছে, যেটাকে জাজ করার অধিকার অন্য কাউকে আমি দিতেও চাই না। 

    rnrn

    এ ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন চ্যানেল, পত্রিকা, অনালাইন নিউজে, ফেসুবকে গ্রুপে, কমেন্টে বলা হচ্ছে/লেখা হচ্ছে ‘শরিফুল রাজের সঙ্গে তিশার আপত্তিকর বা গোপন ভিডিও ফাঁস’। যথাযথ সম্মান নিয়েই আপনাদের বলছি— এ ভিডিওর মধ্যে শরিফুল রাজ কোথা থেকে এলো? কী গোপনীয়তা এখানে? তার ফেসবুক আইডি থেকে এটি প্রকাশ পেয়েছে বলেই কেন ভাবছেন, সেখানে আমি তার সঙ্গে আছি। ভিডিওতে আমি একা এবং সেটা কোনো আপত্তিকর বা গোপন ভিডিও না। বরং সেটা আমার ব্যক্তিগত মুহূর্তের। সুতরাং ‘আপত্তিকর বা গোপন ভিডিও ফাঁস’ শব্দগুলো কারেকশন করা উচিত। এটা বিব্রতকর এবং অসম্মানজনক।’

    rnrn

    প্রসঙ্গত ২৯ মে রাত দেড়টার দিকে শরিফুল রাজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে কয়েকটি ছবি ও ভিডিও পোস্ট করা হয় ফেসবুকে। সেখানে অভিনেত্রী তানজিন তিশা, চিত্রনায়িকা নাজিফা তুষি ও সুনেরাহ বিনতে কামালকে দেখা যায়। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মদ্যপ অবস্থায় দেখা যায় তিশাকে। আর সুনেরাহকে অসংলগ্ন ও অশ্লীল ভাষায় কথা বলতে শোনা গেছে। এ ছাড়া অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায় নাজিফা তুষির দিকে জ্বলন্ত সিগারেট হাতে তাকিয়ে আছেন শরিফুল রাজ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার কিন্তু আমি আর ছেড়ে কথা বলব না: পরীমনি

    তিন অভিনেত্রী ও স্বামী শরিফুল রাজের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি।

    rnrn

    এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে রহস্যময় এক স্ট্যাটাস দেন এই চিত্রনায়িকা। সেই স্ট্যাটাসে কারও নাম উল্লেখ না করে পরীমনি লেখেন— ‘দিদি মিড লাইফ ক্রাইসিস ঠিকঠাক ডিল না করাটাও কিন্তু বিশাল মানসিক সমস্যা। একবার ৬ তলা বাড়ির মালিক বানিয়ে দিয়েছিলেন আমাকে। বাড়িটি এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। এখন আবার আমার ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়তে যাবেন না দিদি।

    rnrn

    ক্ষোভ প্রকাশ করে পরীমনি আরও লেখেন, এবার কিন্তু আমি আর ছেড়ে কথা বলব না আপনাকে। আর কোনো করুণা হবে না আপনার মিড লাইফ ক্রাইসিস নিয়ে।

    rnrn

    এমন স্ট্যাটাস দেখে অনেকেই ভাবছেন, কার উদ্দেশে এমনটি লিখলেন নায়িকা? পরীমনি কারও নাম না বললেও দেশের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম তাদের খবরে সিনিয়র একজন নায়িকার কথা উল্লেখ করেছেন। এর আগেই সিনিয়র সেই নায়িকা পরীমনির বাড়ি-গাড়ি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

    rnrn

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরীর সঙ্গে সংসার টিকবে কিনা বলতে পারবেন চয়নিকা ও গিয়াস উদ্দিন সেলিম: রাজ

    ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তিন অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় আলোচনায় কেন্দ্রে এসেছে স্ত্রী পরীমনির সঙ্গে তার সম্পর্ক এখন কোন পর্যায়ে। এ নিয়ে পরীমনির তরফ থেকে জানা যায়, তার স্বামী রাজ ১০ দিনের বেশি সময় ধরে বাসাতেই নেই। এমনকি তিনি জানিয়েছেন, এটি বিচ্ছেদের ইঙ্গিত কিনা তাও বুঝতে পারছেন না।

    বৃহস্পতিবার এক সংবাদমাধ্যম পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে কথা বলেছেন রাজ। সেই সাক্ষাৎকারে পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের সম্পর্ক কোন পর্যায়ে বা টিকবে কিনা তা বলতে পারবেন চয়নিকা চৌধুরী ও গিয়াস উদ্দিন সেলিম।  

    বর্তমানে আপনাদের সম্পর্ক কোন পর্যায়ে রয়েছে— এমন এক প্রশ্নের জবাবে রাজ বলেন, ‘সেটি নিয়েও কথা বলতে রাজি নই আমি।’

    বিয়েবিচ্ছেদের দিকে যাচ্ছে কিনা? জানতে চাইলে এ অভিনেতা বলেন, ‘সেটিও জানি না।’

    সাক্ষাৎকারের এই পর্যায়ে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়— তা হলে কে জানে? এর জবাবে রাজ বলেন, ‘আমার থেকে ভালো জানে চয়নিকা চৌধুরী ও গিয়াস উদ্দিন সেলিম। তারা এটা ভালো বলতে পারবেন। তাদের সঙ্গে কথা বলুন।’

    আপনাদের সম্পর্কটি সামনের দিকে এগোবে নাকি এখানেই ইতি ঘটবে? এই প্রশ্নের জবাবেও এই দুই নির্মাতার নাম নেন রাজ। তিনি বলেন, ‘সেটি চয়নিকা চৌধুরী ও গিয়াস উদ্দিন সেলিম বলতে পারবেন। এ নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না।’

    নিজের সিদ্ধান্ত বিষয় জানতে চাইলে রাজ বলেন, ‘আমার চেয়ে আমার স্ত্রীর সিদ্ধান্ত আগে জানা গুরুত্বপূর্ণ। ও কী চায় সেটি জানা দরকার। সে যেটা চাইবে সেটিই চূড়ান্ত। তিনি থাকতে চাইলে থাকবে, না চাইলে বিচ্ছেদ। আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে রাজি নই।’

    বিনোদন ডেস্ক